Syed Muhaimenul Bari Orphanage

Syed Muhaimenul Bari Orphanage Syed Muhaimenul Bari Orphange

25/05/2026
25/05/2026
25/05/2026

আরাফার দিনের সেরা দোয়াগুলো

নবী করিম ﷺ বলেছেন—
“সর্বোত্তম দোয়া হলো আরাফার দিনের দোয়া।”

আরাফার দিন হলো তাওবার দিন, ক্ষমার দিন, জাহান্নাম থেকে মুক্তির দিন, আর আল্লাহর কাছে ফিরে আসার দিন।

এই দিনে নিজের ভাষায়ও দোয়া করুন। আর নবী করিম ﷺ থেকে প্রমাণিত দোয়াগুলোও বেশি বেশি পড়ুন। হতে পারে আজকের একটি দোয়াই আপনার জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দেবে।

১. আরাফার দিনের শ্রেষ্ঠ জিকির

لَا إِلٰهَ إِلَّا اللهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ، وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ

উচ্চারণ: লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারীকা লাহু, লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হামদু, ওয়া হুয়া আলা কুল্লি শাইইন কাদীর।

অর্থ: আল্লাহ ছাড়া কোনো উপাস্য নেই। তিনি এক, তাঁর কোনো শরিক নেই। রাজত্ব তাঁরই, প্রশংসাও তাঁরই। আর তিনি সব কিছুর ওপর ক্ষমতাবান।

আমল: আরাফার দিনে বেশি বেশি পড়বেন; অন্তত ১০০ বার পড়ার চেষ্টা করবেন।

২. নবী করিম ﷺ-এর বেশি পড়া দোয়া

رَبَّنَا آتِنَا فِي الدُّنْيَا حَسَنَةً وَفِي الْآخِرَةِ حَسَنَةً وَقِنَا عَذَابَ النَّارِ

উচ্চারণ: রব্বানা আতিনা ফিদ্দুনিয়া হাসানাহ, ওয়া ফিল আখিরাতি হাসানাহ, ওয়া কিনা আযাবান্নার।

অর্থ: হে আমাদের রব, আমাদের দুনিয়ায় কল্যাণ দিন, আখিরাতেও কল্যাণ দিন এবং আমাদের জাহান্নামের শাস্তি থেকে রক্ষা করুন।

আমল: আরাফার দিন দুনিয়া, আখিরাত, পরিবার, রিজিক ও জান্নাতের জন্য ৭ বার পড়বেন।

৩. ক্ষমা ও রহমতের দোয়া

رَبَّنَا ظَلَمْنَا أَنْفُسَنَا وَإِنْ لَمْ تَغْفِرْ لَنَا وَتَرْحَمْنَا لَنَكُونَنَّ مِنَ الْخَاسِرِينَ

উচ্চারণ: রব্বানা যালামনা আনফুসানা, ওয়া ইল্লাম তাগফির লানা ওয়া তারহামনা, লানাকূনান্না মিনাল খাসিরীন।

অর্থ: হে আমাদের রব, আমরা নিজেদের ওপর জুলুম করেছি। আপনি যদি আমাদের ক্ষমা না করেন এবং আমাদের প্রতি দয়া না করেন, তাহলে আমরা অবশ্যই ক্ষতিগ্রস্তদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে যাব।

আমল: নিজের গুনাহ, ভুল ও তাওবার জন্য আরাফার দিনে ৩ বার বা বেশি বেশি পড়বেন।

৪. অন্তর ঠিক রাখার দোয়া

يَا مُقَلِّبَ الْقُلُوبِ، ثَبِّتْ قَلْبِي عَلَى دِينِكَ

উচ্চারণ: ইয়া মুকাল্লিবাল কুলূব, সাব্বিত কালবি আলা দ্বীনিক।

অর্থ: হে অন্তরসমূহ পরিবর্তনকারী, আমার অন্তরকে আপনার দ্বীনের ওপর দৃঢ় রাখুন।

আমল: ঈমান, হিদায়াত, গুনাহ থেকে বাঁচা ও দ্বীনের ওপর অটল থাকার জন্য ৭ বার পড়বেন।

৫. জান্নাত চাওয়া ও জাহান্নাম থেকে আশ্রয়ের দোয়া

اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ الْجَنَّةَ، وَأَعُوذُ بِكَ مِنَ النَّارِ

উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকাল জান্নাহ, ওয়া আউযু বিকা মিনান্নার।

অর্থ: হে আল্লাহ, আমি আপনার কাছে জান্নাত চাই এবং জাহান্নামের আগুন থেকে আপনার আশ্রয় চাই।

আমল: আরাফার দিনে জান্নাত ও জাহান্নাম থেকে মুক্তির আশায় ৭ বার পড়বেন।

৬. ক্ষমা, সুস্থতা ও নিরাপত্তার দোয়া

اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ الْعَفْوَ وَالْعَافِيَةَ فِي الدُّنْيَا وَالْآخِرَةِ

উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকাল আফওয়া ওয়াল আফিয়াতা ফিদ্দুনিয়া ওয়াল আখিরাহ।

অর্থ: হে আল্লাহ, আমি আপনার কাছে দুনিয়া ও আখিরাতে ক্ষমা, সুস্থতা ও নিরাপত্তা চাই।

আমল: শরীর, মন, ঈমান, পরিবার ও আখিরাতের নিরাপত্তার জন্য সকাল-সন্ধ্যা ১ বার এবং আরাফার দিনে বেশি বেশি পড়বেন।

৭. উপকারী জ্ঞান, পবিত্র রিজিক ও কবুল আমলের দোয়া

اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ عِلْمًا نَافِعًا، وَرِزْقًا طَيِّبًا، وَعَمَلًا مُتَقَبَّلًا

উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকা ইলমান নাফিআ, ওয়া রিজকান তাইয়িবা, ওয়া আমালাম মুতাকাব্বালা।

অর্থ: হে আল্লাহ, আমি আপনার কাছে উপকারী জ্ঞান, পবিত্র রিজিক এবং কবুলযোগ্য আমল চাই।

আমল: আরাফার দিনে জ্ঞান, হালাল রিজিক ও আমল কবুলের জন্য ৩ বার পড়বেন।

৮. ঋণ, দুশ্চিন্তা ও কষ্ট থেকে মুক্তির দোয়া

اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنَ الْهَمِّ وَالْحَزَنِ، وَالْعَجْزِ وَالْكَسَلِ، وَالْبُخْلِ وَالْجُبْنِ، وَضَلَعِ الدَّيْنِ وَغَلَبَةِ الرِّجَالِ

উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা ইন্নি আউযু বিকা মিনাল হাম্মি ওয়াল হাযান, ওয়াল আজযি ওয়াল কাসাল, ওয়াল বুখলি ওয়াল জুবন, ওয়া দলাইদ্দাইনি ওয়া গালাবাতির রিজাল।

অর্থ: হে আল্লাহ, আমি আপনার কাছে আশ্রয় চাই দুশ্চিন্তা ও দুঃখ থেকে, অক্ষমতা ও অলসতা থেকে, কৃপণতা ও ভীরুতা থেকে, ঋণের ভার এবং মানুষের প্রভাব-চাপ থেকে।

আমল: ঋণ, দুশ্চিন্তা, মানসিক চাপ ও আর্থিক কষ্ট দূর হওয়ার জন্য আরাফার দিনে ৩ বার পড়বেন।

৯. শিরক, গোপন গুনাহ ও ভুল নিয়ত থেকে বাঁচার দোয়া

اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ أَنْ أُشْرِكَ بِكَ وَأَنَا أَعْلَمُ، وَأَنَا أَسْتَغْفِرُكَ لِمَا لَا أَعْلَمُ

উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা ইন্নি আউযু বিকা আন উশরিকা বিকা ওয়া আনা আ‘লাম, ওয়া আনা আসতাগফিরুকা লিমা লা আ‘লাম।

অর্থ: হে আল্লাহ, আমি আপনার কাছে আশ্রয় চাই—জেনে আপনাকে শরিক করা থেকে। আর যা আমি জানি না, তার জন্য আপনার কাছে ক্ষমা চাই।

আমল: রিয়া, ভুল নিয়ত, গোপন গুনাহ ও আমলে অহংকার থেকে বাঁচার জন্য আরাফার দিনে ৩ বার পড়বেন।

১০. সব কাজের সংশোধন ও নিজের ওপর ছেড়ে না দেওয়ার দোয়া

يَا حَيُّ يَا قَيُّومُ، بِرَحْمَتِكَ أَسْتَغِيثُ، أَصْلِحْ لِي شَأْنِي كُلَّهُ، وَلَا تَكِلْنِي إِلَى نَفْسِي طَرْفَةَ عَيْنٍ

উচ্চারণ: ইয়া হাইয়ু ইয়া কাইয়ূম, বিরাহমাতিকা আসতাগীস, আসলিহলি শা’নি কুল্লাহু, ওয়া লা তাকিলনি ইলা নাফসি তরফাতা আইন।

অর্থ: হে চিরঞ্জীব, হে সবকিছুর ধারক, আপনার রহমতের মাধ্যমে আমি সাহায্য চাই। আমার সব বিষয় সংশোধন করে দিন। চোখের পলক পরিমাণ সময়ের জন্যও আমাকে আমার নিজের ওপর ছেড়ে দেবেন না।

আমল: জীবন, পরিবার, ঈমান, সিদ্ধান্ত ও ভবিষ্যৎ আল্লাহর হাতে সোপর্দ করতে আরাফার দিনে পড়া উচিত ।

আজকের দিনটা শুধু হাজিদের জন্য নয়।
এটা আমাদের জন্যও আল্লাহর দরজায় ফিরে আসার দিন।

24/05/2026

বিখ্যাত তাবেয়ী হযরত হাসান বসরী (রহ.) একদিন বাজার থেকে তাঁর আসবাবপত্র বাড়িতে পৌঁছে দেওয়ার জন্য একজন কুলি ভাড়া করলেন।

হাসান বসরী (রহ.) খেয়াল করলেন, পুরোটা পথ সেই কুলি মাত্র দুটি বাক্য বারবার আওড়াচ্ছেন,

"আলহামদুলিল্লাহ... আস্তাগফিরুল্লাহ"

বাড়িতে পৌঁছে মজুরি দেওয়ার পর হযরত হাসান বসরী (রহ.) কৌতূহলবশত তাকে জিজ্ঞেস করলেন,

"পুরোটা পথ আপনি শুধু এই দুটি বাক্যই কেন পড়লেন?" কুলিটি উত্তর দিলেন,

"আমার পুরো জীবনটাই আল্লাহর সাথে দুটি বিষয়ের ওপর টিকে আছে।

এক. আমার ওপর আল্লাহর অগণিত নেয়ামত, যার জন্য কৃতজ্ঞতা স্বরূপ আমি 'আলহামদুলিল্লাহ' বলি।

দুই. আমার প্রভুর হকের প্রতি আমার বিস্তর ত্রুটি ও অবহেলা, যার জন্য ক্ষমা চেয়ে আমি 'আস্তাগফিরুল্লাহ' বলি।"

কুলির এই তাত্ত্বিক কথা শুনে হযরত হাসান বসরী (রহ.) নিজের এক হাতের তালু অন্য হাতে চাপড়ে বিস্ময়ভরে বলে উঠলেন,

"হে হাসান! এই কুলি তোমার চেয়েও বড় ফকীহ (মহাজ্ঞানী)!"

ইবাদত মানে কেবল তাসবিহ গণনা নয়, বরং জীবনের প্রতিটি মুহূর্তকে আল্লাহর সাথে জুড়ে দেওয়া।

মানুষের জীবনের সবটুকু হয় 'প্রাপ্তি', নয়তো 'ত্রুটি'। তাই প্রাপ্তির জন্য কৃতজ্ঞতা (আলহামদুলিল্লাহ) এবং ত্রুটির জন্য ক্ষমা (আস্তাগফিরুল্লাহ) এই দুইয়ের মাঝেই মুমিনের জীবন আবর্তিত হওয়া উচিত।

সূত্র:
مراقي العزة ومقومات السعادة
© ম

24/05/2026

বিখ্যাত তাবেয়ী হযরত হাসান বসরী (রহ.) এর প্রতিবেশী ছিলেন শামউন নামের এক অগ্নিপূজক। তিনি প্রায় ৭০ বছরের অধিক সময় ধরে আগুনের উপাসনা করছিলেন এবং তার জীবন ছিল গুনাহে ভরা।

একদিন তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। খবর পেয়ে হাসান বসরী (রহ.) ব্যথিত হয়ে ভাবলেন,
“সে কাফের হলেও আমার প্রতিবেশী, তার খোঁজ নেওয়া আমার দায়িত্ব।”

তিনি শামউনের ঘরে গেলেন। গিয়ে দেখলেন, অসুস্থ অবস্থায় শামউন ধুলো-বালিতে পড়ে আছেন, শরীর খুবই দুর্বল ও অবহেলিত।

হাসান বসরী (রহ.) তাকে বললেন,

“তুমি তো সারা জীবন আগুনেরই পূজা করেছ, আগুনের ধোঁয়ার মাঝেই থেকেছ। তবুও কি আজ তোমার অন্তরে আল্লাহর ভয় জাগে না? তুমি যাকে উপাসনা করছ, সে তো তোমাকে চিনেও না। তুমি যদি আজ ৭০ বছর পূজার পরও আগুনে হাত দাও, আগুন তোমাকে পুড়িয়ে ফেলবে।”

এরপর হযরত হাসান বসরী (রহ.) মনে মনে আল্লাহর কাছে দোয়া করলেন,

“আল্লাহ! তোমার এই বান্দাকে ঈমানের পথে আনার জন্য আমি চাই, তুমি তাকে দেখিয়ে দাও, আল্লাহর ঈমানদার বান্দাদের জন্য আগুন কোনো ক্ষতির ক্ষমতা রাখে না।”

এই দোয়ার পর তিনি শামউনকে বললেন,

“দেখো, আমি আল্লাহর ইবাদত করি। আমি যদি আগুনে হাত দিই, আল্লাহ আমাকে রক্ষা করবেন।”

এই কথা বলে হযরত হাসান বসরী (রহ.) নিজের হাত জ্বলন্ত আগুনের মধ্যে ঢুকিয়ে দিলেন। আশ্চর্যজনকভাবে, আগুনের উত্তাপ তার হাতে সামান্যতম ক্ষতি করতে পারল না।

এই অলৌকিক দৃশ্য দেখে শামউন অবাক হয়ে গেল। তার অন্তরে ঈমানের আলো জ্বলে উঠল। সে বলল, "হুজুর! আমি ৭০ বছর ধরে আগুনের পূজা করছি, কিন্তু আজ সত্য বুঝতে পারলাম। আমার মৃত্যু খুব কাছে। আমি ইসলাম গ্রহণ করতে চাই, তবে আমার একটা শর্ত আছে।"

হাসান বসরি (রহ.) বললেন,
কী শর্ত?

শামউন বলল, "আমি অনেক পাপ করেছি। আপনি যদি আমাকে লিখিত গ্যারান্টি দেন যে, আল্লাহ আমাকে ক্ষমা করবেন এবং জান্নাত দান করবেন, তবেই আমি ইসলাম গ্রহণ করব।"

হযরত হাসান বসরি (রহ.) ভাবলেন, একজন কাফেরকে ঈমানের পথে আনার জন্য এই ঝুঁকি নেওয়া যায়। তিনি রাজি হলেন এবং একটি কাগজে লিখে দিলেন যে, আল্লাহ শামউনকে ক্ষমা করবেন।

শামউন আরও শর্ত দিল, "এই কাগজে বসরার বিখ্যাত বিচারক ও নেককার ব্যক্তিদের সাক্ষী হিসেবে সই করাতে হবে।" হাসান বসরি তাতেও রাজি হলেন এবং সবার সই নিয়ে কাগজটি শামউনকে দিলেন।

কাগজটি হাতে পেয়ে শামউন কালেমা পড়ে মুসলমান হয়ে গেল। সে ওসিয়ত করল, "হুজুর! আমি মারা গেলে আমাকে গোসল করিয়ে কাফন পরানোর সময় এই কাগজটি আমার হাতে দিয়ে দেবেন এবং আপনি নিজে আমাকে কবর দেবেন।" এর কিছু দিন পরই শামউন মারা গেল।

শামউনের ওসিয়ত অনুযায়ী হযরত হাসান বসরি (রহ.) তাকে কবর দিলেন এবং কাগজটি তার হাতে রেখে দিলেন। কিন্তু রাতে বাড়ি ফিরে হাসান বসরির মনে খুব ভয় ও অনুশোচনা হলো।

তিনি ভাবতে লাগলেন, "হায়! আমি এটা কী করলাম? আমি নিজে জান্নাতে যাব কি না তার কোনো নিশ্চয়তা নেই, অথচ আমি আরেকজনকে জান্নাতের গ্যারান্টি দিয়ে দিলাম! আমি তো বড় অন্যায় করে ফেলেছি।"

এই চিন্তায় সারারাত তিনি ঘুমাতে পারলেন না। শুধু ইবাদত ও কান্না করতে লাগলেন। শামউনের মাগফেরাতের জন্য দোয়া করতে লাগলেন। ভোরের দিকে তিনি একটু তন্দ্রাচ্ছন্ন হলেন এবং স্বপ্নে দেখলেন,

শামউন জান্নাতের মধ্যে খুব জাঁকজমকপূর্ণ অবস্থায় ঘুরে বেড়াচ্ছে। তার মাথায় রাজমুকুট, পরনে জান্নাতের রেশমি পোশাক, আর চেহারা সূর্যের মতো উজ্জ্বল। সে খুব খুশি।

হযরত হাসান বসরি (রহ.) স্বপ্নে তাকে জিজ্ঞেস করলেন, "শামউন! তোমার অবস্থা কেমন?"

শামউন হেসে বলল, "হুজুর! দেখতেই তো পাচ্ছেন। আল্লাহ তাঁর অশেষ দয়ায় আমাকে ক্ষমা করে দিয়েছেন। আপনার দেওয়া প্রতিশ্রুতির দায় থেকে আপনি এখন মুক্ত।"

৭০ বছরের পাপীও যদি জীবনের শেষ মুহূর্তে খাঁটি তওবা করে, আল্লাহ তাকে
ক্ষমা করে দিতে পারেন। আল্লাহর ওলিদের দোয়া ও সংস্পর্শ মানুষের জীবন বদলে দিতে পারে। অন্যের হেদায়াতের জন্য কেউ ঝুঁকি নিলে আল্লাহ তাকে অবশ্যই সাহায্য করেন।

--- এলাহী নামা, আল্লামা ফরিদুদ্দীন আত্তার (রহ.)

24/05/2026

কাবার চত্বরে রোদের মাঝে দাঁড়িয়ে এক বান্দা একটানা আল্লাহর কাছে দু'আ করে যাচ্ছেন।

দুই হাত আকাশের দিকে তুলে রেখেছেন, চোখ ভেজা আর তাঁর মুখে বারবার উচ্চারিত হচ্ছে একটিই বাক্য—“আল্লাহু আকবার"।

কেবল একটি বাক্য দিয়েই কি সব কিছু বলে দেয়া যায়?

“আল্লাহু আকবার”—এর অর্থ কি? আল্লাহ সবচেয়ে বড়।

আল্লাহ! আপনি আমার কল্পনার চেয়েও বড়।
আপনি আমার দুঃখ-কষ্টের চেয়েও বড়।
আপনি আমার সমস্ত সমস্যা, চিন্তা, পেরেশানির চেয়েও বড়।
আপনি আমার অসুস্থতা, দুর্বলতা, হতাশা—সব কিছুর ঊর্ধ্বে।

এই সবকিছু আপনার কাছে তুচ্ছ।
আপনার জন্য কোনো কিছুই অসম্ভব নয়।
আপনার একটি “কুন” (হয়ে যাও) বলাতেই খুলে যেতে পারে সব বন্ধ দরজা, বদলে যেতে পারে ভাগ্যের প্রতিটি হিসাব।

আল্লাহু আকবার! ও আল্লাহ! তুমি সবচেয়ে বড়।

24/05/2026

একদিন রাসূল (সা.) তাঁর সাহাবী আবূ যর (রাদি.)-কে বলেন, “হে আবু যর! আমি কি তোমাকে জান্নাতের ভাণ্ডার হতে একটি বিশেষ ভাণ্ডারের সন্ধান দেবো? (তা হলো:) 'লা হাওলা ওয়া লা কুউওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ' (যিকির)।” [সহীহ আত-তারগীব: ১৫৮৫]
যিকিরটা আমরা অনেকেই পারি। কিন্তু এর অর্থ কি জানি? এই কালজয়ী বাক্যটির মূল অর্থ হলো—আমরা নিজেদের কোনো যোগ্যতা বা ক্ষমতায় অকল্যাণ থেকে বাঁচতে পারি না এবং ভালো কাজও করতে পারি না, যতক্ষণ না মহান আল্লাহ আমাদের তাওফিক দেন।
এটি বান্দার পক্ষ থেকে নিজের অক্ষমতা স্বীকার এবং আল্লাহর সর্বময় ক্ষমতার কাছে নিজেকে পুরোপুরি সমর্পণ করার শ্রেষ্ঠতম ঘোষণা। সালাফগণ যেকোনো কঠিন কাজ, পেরেশানি, বিপদ-আপদ কিংবা ইবাদতের অলসতা দূর করতে এই যিকিরের মাধ্যমে আল্লাহর সাহায্য চাইতেন।
এটি অন্তরে এক অলৌকিক ঈমানি শক্তি ও আত্মবিশ্বাস জোগায়।

23/05/2026

আলহামদুলিল্লাহ্' বলার উপকারীতাঃ
ইউরোপের এক খৃষ্টান ডাক্তার মুসলমানদের
হাঁচি নিয়ে গবেষণা করছিলেন যে,
মুসলমানরা হাঁচির পর 'আলহামদুলিল্লাহ্"
পড়ে কেন?
সাধারণতঃ কোন সুসংবাদ পেলে
মুসলমানরা আলহামদুলিল্লাহ্ পড়ে। কিন্তু
হাঁচিতে কিসের সুসংবাদ?
অনেক গবেষণার পর তথ্য উদঘাটন হল যে,
একটি হাঁচির সাথে তিন হাজার রোগ-
জীবাণু বেরিয়ে যায়, আর মানুষ স্বাভাবিক
অবস্থায় একসাথে দু'টি হাঁচি দেয়। এভাবে
দু'টি হাঁচির সাথে ছয় হাজার রোগ জীবাণু
বেরিয়ে যায়। তিনি ভাবলেন এ তথ্য বের
করতে আমার অন্ততঃ বিশ বছর লেখা-পড়া
করতে হয়েছে, আরো কত যন্ত্রপাতি ব্যবহার
করতে হয়েছে!
কিন্তু যে যুগে মুসলমানদের নবী এ শিক্ষা
দিয়ে গেছেন, সে যুগেতো এত মেশিন ছিল
না! আর তিনিতো দুনিয়ার কারোর কাছে
লেখা-পড়াও শিখেননি। তাহলে তিনি
এগুলো জানলেন কিভাবে? নিশ্চই তিনি
সত্য নবী, আল্লাহ্ পাক তাঁকে জানিয়েছেন
বিধায় তিনি তাঁর উম্মতদেরকে এ শিক্ষা
দিয়ে গেছেন যে, হাঁচির পর
'আলহামদুলিল্লাহ্" পড়বে।
অতএব তিনি সত্য নবী। ফলশ্রুতিতে ঐ
খৃষ্টান ডাক্তার একা নয়, বরং স্বপরিবারে
মুসলমান হয়ে গেছেন। সুবহানাল্লাহ্।
আল্লাহ্ তা'য়ালা আমাদেরকে সর্বাবস্থায়
সুন্নাতের উপর আমল করার তৌফিক দান
করুন!

23/05/2026

এক বুযুর্গ মরুভূমি দিয়ে যাচ্ছিলেন। দীর্ঘ পথ চলায় তিনি প্রচণ্ড তৃষ্ণার্ত হয়ে পড়লেন। হঠাৎ তিনি একটি কূপ দেখতে পেলেন, কিন্তু সেখানে পানি তোলার জন্য কোনো বালতি বা রশি ছিল না। তিনি কূপের কিনারায় দাঁড়িয়ে আক্ষেপ করছিলেন।

এমন সময় তিনি দেখলেন, একটি তৃষ্ণার্ত হরিণ কূপের দিকে এগিয়ে আসছে। অলৌকিকভাবে কূপের পানি নিচ থেকে উপচে একেবারে কিনারায় চলে এল এবং হরিণটি প্রাণভরে পানি পান করে চলে গেল।

এটি দেখে বুযুর্গ ভাবলেন, পানি তো কিনারায় চলে এসেছে, এখন আমি পান করি। কিন্তু তিনি এগিয়ে যেতেই পানি আবার অনেক নিচে নেমে গেল!

তিনি অত্যন্ত ব্যথিত হয়ে আল্লাহর দরবারে আরজ করলেন,

"হে আমার রব! আমি আপনার একজন মুমিন বান্দা হওয়া সত্ত্বেও পানি পেলাম না, অথচ একটি হরিণের জন্য আপনি পানি উপরে তুলে দিলেন? তবে কি আপনার কাছে আমার চেয়ে ওই হরিণটির মর্যাদা বেশি?"।

অনেক্ষণ অপেক্ষার পর অত্যন্ত ক্লান্ত হয়ে তিনি সেখানেই ঘুমিয়ে পড়লেন।

স্বপ্নে তিনি এক আওয়াজ শুনতে পেলেন ,

"হে বান্দা! হরিণটি যখন তৃষ্ণার্ত হয়ে এখানে এসেছিল, তখন তার মনে কোনো বালতি বা রশির ওপর ভরসা ছিল না, তার পূর্ণ ভরসা ছিল একমাত্র আমার ওপর। আর তুমি যখন কূপের কাছে এসেছ, তখন তোমার নজর ছিল বালতি আর রশির সন্ধানে। তাই হরিণকে আমি আমার কুদরতি উসিলায় পানি পান করিয়েছি, আর তোমাকে তোমার সেই উপকরণের ওপরই ছেড়ে দিয়েছি।"

এই কথা শুনে সেই বুযুর্গ লজ্জিত হলেন এবং দুনিয়ার সব উপকরণের মোহ ছেড়ে একমাত্র আল্লাহর ওপর তাওয়াক্কুল (ভরসা) করার নতুন পাঠ গ্রহণ করলেন। এরপর তিনি যখন কেবল আল্লাহর ওপর ভরসা করে আবার কূপের কাছে গেলেন, তখন পানি আবারও উপরে উঠে এল!

আমরা অনেক সময় বিপদে পড়লে কেবল দুনিয়াবি উপায়-উপকরণের পেছনে ছুটি, কিন্তু আসল সমাধান দাতা যে আল্লাহ — তা ভুলে যাই। আমরা যদি সবকিছুর ঊর্ধ্বে আল্লাহর ওপর সত্যিকারের ভরসা রাখতে পারি, তবে অভাবনীয় উৎস থেকে তিনি আমাদের সাহায্য করবেন।

©
সূত্র: রওযুর রাইয়াহিন,ইমাম ইয়াফেয়ী (রহ.)

23/05/2026

যখন জীবনের সব পথ বন্ধ মনে হয়, তখন আরশের মালিকের এই একটি দোয়াই যথেষ্ট...

​আমাদের প্রত্যেকের জীবনেই একটা না একটা গল্প আছে। কোনো গল্পে লুকিয়ে আছে তীব্র একাকীত্ব, কোনোটাতে রুজি-রুজির সংকট, আবার কোনোটাতে প্রিয়জনকে হারানোর ভয় কিংবা সুস্থতার আকুতি।
​ছোট্ট শিশুর নিষ্পাপ চাওয়া থেকে শুরু করে বৃদ্ধ মানুষের দীর্ঘশ্বাস— প্রতিটি হৃদয়েই কোনো না কোনো অপূর্ণতা জমা থাকে।

​কিন্তু আমরা কি জানি? যখন পৃথিবীর সব দরজা আমাদের জন্য বন্ধ হয়ে যায়, তখনও মহাবিশ্বের মালিকের দরজা আমাদের জন্য দিন-রাত ২৪ ঘণ্টা খোলাই থাকে।
​রাসুলুল্লাহ (সা.) আমাদের এমন একটি মহামূল্যবান দোয়া শিখিয়েছেন, যাকে বলা হয় ‘ইসমে আজম’ (আল্লাহর সবচেয়ে মহান নামসমূহ)। এই নাম ধরে ডেকে আল্লাহর কাছে চাইলে, তিনি বান্দার হাত কখনো খালি হাতে ফেরত দেন না। সুবহানাল্লাহ!

​মহান সেই ‘ইসমে আজম’ দোয়াটি:
​✨ আরবি (সঠিক হরকতসহ):
اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ بِأَنَّ لَكَ الْحَمْدُ، لَا إِلَٰهَ إِلَّا أَنْتَ الْمَنَّانُ، بَدِيعُ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ، يَا ذَا الْجَلَالِ وَالْإِكْرَامِ، يَا حَيُّ يَا قَيُّومُ
​✨ বাংলা উচ্চারণ: “আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকা বিআন্না লাকাল হামদ, লা ইলাহা ইল্লা আনতা, আল-মান্নানু, বাদীউস সামাওয়াতি ওয়াল আরদ, ইয়া জাল ঝালালি ওয়াল ইকরাম, ইয়া হাইয়্যু ইয়া কাইয়্যুম।”
​✨ বাংলা অর্থ: “হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে প্রার্থনা করছি এ সাক্ষ্য দিয়ে যে, সব প্রশংসা একমাত্র আপনারই। আপনি ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই। আপনি মহাদাতা, আসমানসমূহ ও জমিনের একমাত্র স্রষ্টা। হে মহিমা ও সম্মানের অধিকারী! হে চিরঞ্জীব! হে সবকিছুর ধারক ও রক্ষণাবেক্ষণকারী!”

​আল্লাহর রাসুল (সা.)-এর সুসংবাদ:
​একবার প্রিয় নবী (সা.) এক ব্যক্তিকে এই দোয়াটি দিয়ে মোনাজাত করতে দেখে অত্যন্ত আনন্দিত হয়ে বললেন:
​“সে আল্লাহকে তাঁর মহান নামের (ইসমে আজম) মাধ্যমে ডেকেছে; যে নামে ডাকলে আল্লাহ অবশ্যই সাড়া দেন এবং যে নামে চাইলে তিনি অবশ্যই দান করেন।”

​📖 হাদিসের রেফারেন্স:
🕊️ যখন জীবনের সব পথ বন্ধ মনে হয়, তখন আরশের মালিকের এই একটি দোয়াই যথেষ্ট... 🕊️

​আমাদের প্রত্যেকের জীবনেই একটা না একটা গল্প আছে। কোনো গল্পে লুকিয়ে আছে তীব্র একাকীত্ব, কোনোটাতে রুজি-রুজির সংকট, আবার কোনোটাতে প্রিয়জনকে হারানোর ভয় কিংবা সুস্থতার আকুতি।
​ছোট্ট শিশুর নিষ্পাপ চাওয়া থেকে শুরু করে বৃদ্ধ মানুষের দীর্ঘশ্বাস— প্রতিটি হৃদয়েই কোনো না কোনো অপূর্ণতা জমা থাকে।

​কিন্তু আমরা কি জানি? যখন পৃথিবীর সব দরজা আমাদের জন্য বন্ধ হয়ে যায়, তখনও মহাবিশ্বের মালিকের দরজা আমাদের জন্য দিন-রাত ২৪ ঘণ্টা খোলাই থাকে।
​রাসুলুল্লাহ (সা.) আমাদের এমন একটি মহামূল্যবান দোয়া শিখিয়েছেন, যাকে বলা হয় ‘ইসমে আজম’ (আল্লাহর সবচেয়ে মহান নামসমূহ)। এই নাম ধরে ডেকে আল্লাহর কাছে চাইলে, তিনি বান্দার হাত কখনো খালি হাতে ফেরত দেন না। সুবহানাল্লাহ! ❤️

​🤲 মহান সেই ‘ইসমে আজম’ দোয়াটি:
​✨ আরবি (সঠিক হরকতসহ):
اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ بِأَنَّ لَكَ الْحَمْدُ، لَا إِلَٰهَ إِلَّا أَنْتَ الْمَنَّانُ، بَدِيعُ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ، يَا ذَا الْجَلَالِ وَالْإِكْرَامِ، يَا حَيُّ يَا قَيُّومُ
​✨ বাংলা উচ্চারণ: “আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকা বিআন্না লাকাল হামদ, লা ইলাহা ইল্লা আনতা, আল-মান্নানু, বাদীউস সামাওয়াতি ওয়াল আরদ, ইয়া জাল ঝালালি ওয়াল ইকরাম, ইয়া হাইয়্যু ইয়া কাইয়্যুম।”
​✨ বাংলা অর্থ: “হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে প্রার্থনা করছি এ সাক্ষ্য দিয়ে যে, সব প্রশংসা একমাত্র আপনারই। আপনি ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই। আপনি মহাদাতা, আসমানসমূহ ও জমিনের একমাত্র স্রষ্টা। হে মহিমা ও সম্মানের অধিকারী! হে চিরঞ্জীব! হে সবকিছুর ধারক ও রক্ষণাবেক্ষণকারী!”

​📜 আল্লাহর রাসুল (সা.)-এর সুসংবাদ:
​একবার প্রিয় নবী (সা.) এক ব্যক্তিকে এই দোয়াটি দিয়ে মোনাজাত করতে দেখে অত্যন্ত আনন্দিত হয়ে বললেন:
​“সে আল্লাহকে তাঁর মহান নামের (ইসমে আজম) মাধ্যমে ডেকেছে; যে নামে ডাকলে আল্লাহ অবশ্যই সাড়া দেন এবং যে নামে চাইলে তিনি অবশ্যই দান করেন।”

​হাদিসের রেফারেন্স:
📌 সুনানে আবু دাউদ | হাদিস নং: ১৪৯৫
📌 সুনানে তিরমিজি | হাদিস নং: ৩৫৪৪
📌 সুনানে নাসাঈ | হাদিস নং: ১৩০০
​💡 দোয়াটি কবুলের মোক্ষম সময় ও নিয়ম:
​কখন পড়বেন? নামাজের সেজদায়, শেষ তাশাহুদে (সালাম ফেরানোর আগে), ফরজ নামাজের পর কিংবা রাতের শেষ তৃতীয়াংশে (তাহাজ্জুদের সময়)।

​নিয়ম: প্রথমে এই দোয়াটি পড়ে আল্লাহর গুণগান ও প্রশংসা করবেন, এরপর দুরুদ শরীফ পড়ে আপনার মনের গভীরের যেকোনো আকুতি বা সংকটের কথা আল্লাহর কাছে কেঁদে কেঁদে বলবেন।

​🌸 একটি শেষ কথা...
​দোয়া কেবল কতগুলো শব্দের উচ্চারণ নয়; দোয়া হলো রবের দরবারে নিজের অসহায়ত্ব স্বীকার করা। আপনি যখন পৃথিবীর কাউকে না জানিয়ে রাতে একা একা চোখের জল ফেলেন, আপনার সেই নীরব কান্নাও কিন্তু আরশের ওপর থেকে মহান আল্লাহ শুনতে পান।

​তাই জীবনের প্রতিটি কঠিন মুহূর্তে, তীব্র হতাশায় কিংবা অপূর্ণতায় এই মহান দোয়াটি বেশি বেশি পড়ার অভ্যাস করুন। আল্লাহ আমাদের প্রত্যেকের মনের নেক আশাগুলো পূরণ করুন এবং দোয়া কবুল হওয়ার সৌভাগ্য দান করুন। আমিন। 🤲✨

​ সুনানে আবু دাউদ | হাদিস নং: ১৪৯৫
📌 সুনানে তিরমিজি | হাদিস নং: ৩৫৪৪
📌 সুনানে নাসাঈ | হাদিস নং: ১৩০০
​দোয়াটি কবুলের মোক্ষম সময় ও নিয়ম:
​কখন পড়বেন? নামাজের সেজদায়, শেষ তাশাহুদে (সালাম ফেরানোর আগে), ফরজ নামাজের পর কিংবা রাতের শেষ তৃতীয়াংশে (তাহাজ্জুদের সময়)।

​নিয়ম: প্রথমে এই দোয়াটি পড়ে আল্লাহর গুণগান ও প্রশংসা করবেন, এরপর দুরুদ শরীফ পড়ে আপনার মনের গভীরের যেকোনো আকুতি বা সংকটের কথা আল্লাহর কাছে কেঁদে কেঁদে বলবেন।

​একটি শেষ কথা...
​দোয়া কেবল কতগুলো শব্দের উচ্চারণ নয়; দোয়া হলো রবের দরবারে নিজের অসহায়ত্ব স্বীকার করা। আপনি যখন পৃথিবীর কাউকে না জানিয়ে রাতে একা একা চোখের জল ফেলেন, আপনার সেই নীরব কান্নাও কিন্তু আরশের ওপর থেকে মহান আল্লাহ শুনতে পান।

​তাই জীবনের প্রতিটি কঠিন মুহূর্তে, তীব্র হতাশায় কিংবা অপূর্ণতায় এই মহান দোয়াটি বেশি বেশি পড়ার অভ্যাস করুন। আল্লাহ আমাদের প্রত্যেকের মনের নেক আশাগুলো পূরণ করুন এবং দোয়া কবুল হওয়ার সৌভাগ্য দান করুন। আমিন। 🤲✨

Address

Chandrima Model Town
Dhaka
MUHAMMADPUR

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Syed Muhaimenul Bari Orphanage posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share