WAM WAM হচ্ছে "We Are Muslims" এর সংক্ষিপ্ত বাক্য।

গাজি হাসান পাশা। উসমানী খেলাফতের সর্বশেষ সিংহ। যিনি আমেরিকাকে ট্যাক্স দিতে বাধ্য করেছিলেন। হ্যা, আপনি ঠিকই শুনেছেন, আমের...
24/06/2021

গাজি হাসান পাশা।
উসমানী খেলাফতের সর্বশেষ সিংহ।
যিনি আমেরিকাকে ট্যাক্স দিতে বাধ্য করেছিলেন।

হ্যা, আপনি ঠিকই শুনেছেন, আমেরিকাও একসময় উসমানী খেলাফতকে ট্যাক্স দিতে বাধ্য ছিলো।
১৭০০ সালের মধ্যবর্তি সময়ের
কথা। আমেরিকা সবে মাত্র রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে । তখন উসমানী খেলাফতের নৌ বাহিনীর প্রধান ছিলেন এডমিরাল গাজি হাসান পাশা। যার নাম শুনামাত্র বিভিন্ন দেশের নৌ বাহিনীর অন্তরাত্মা কেঁপে উঠতো। তিনি সব সময় সাথে সিংহ নিয়ে চলাফেরা করতেন। তার দক্ষ নেতৃত্বে তখনও উসমানী খেলাফতের নৌ বাহিনী বিপুল বিক্রমে রাজত্ব করতো আটলান্টিক মহাসাগর, কৃষ্ণ সাগর, এবং ভূমধ্যসাগরে। এই তিনটি সাগল ছিলো উসমানীদের বাড়ীর পুকুর। খেলাফতের অনুমতি ছাড়া কোনো রাষ্ট্রের জাহাজ প্রবেশ করতে পারতোনা।
সেই সময় আমেরিকা মস্তানি করে তাদের পাঁচটি জাহাজ সৈন্য সহ ভূমধ্যসাগরে প্রবেশ করে। সাথে সাথে খেলাফতের নৌ বাহিনীর প্রধান গাজি হাসান পাশা তাদের দাওয়া করতে এবং আটক করতে নির্দেশ দেন। টানা পাঁচ ঘন্টা যুদ্ধের পর আমেরিকা নৌ বাহিনী পরাজয় বরন করে এবং উসমানী খেলাফতের নৌ বাহিনীর হাতে বন্দী হয়। গাজি হাসান পাশা আটককৃত আমেরিকার সৈনিক এবং যুদ্ধ জাহাজ আলজেরিয়ার উপকূলে বেধে রাখেন। তখন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট জর্জ ওয়াশিংটন উসমানী খলিফার কাছে তাদের সৈন্য এবং জাহাজ ফেরত চান। তখন খলিফা জর্জ ওয়াশিংটনের কাছে বিশাল মুক্তিপণ দাবী করেন। এবং জর্জ ওয়াশিংটনকে সরাসরি নিজে এসে একটা চুক্তিপত্রে সাক্ষর করতে বলেন। বাধ্য হয়ে জর্জ ওয়াশিংটন নিজে এসে খলিফার সাথে চুক্তিপত্রে সাক্ষর করেন। এটাই আমেরিকার ইতিহাসে একমাত্র বিদেশি ভাষায় সাক্ষরিত চুক্তি। এই চুক্তি অনুযায়ী আমেরিকা উসমানী খেলাফতকে টানা আঠারো বছর ট্যাক্স দেয়।

আহ! কোথায় হারিয়ে গেল আমাদের সেই খেলাফত।

18/06/2021

প্রিয় নবী (সা) এর ভাষায় সর্বোত্তম ১১ শ্রেণীর মানুষ কারা !
চলুন দেখি, আমি আপনি সেই লিস্টে আছি কি না?

۞ এক.
রাসুলুল্লাহ (সা) বলেছেন- ‎ﺧَﻴْﺮُﻛُﻢْ ﻣَﻦْ ﺗَﻌَﻠَّﻢَ ﺍﻟْﻘُﺮْﺁﻥَ ﻭَﻋَﻠَّﻤَﻪُ

‘তোমাদের মধ্যে সর্বোত্তম ওই ব্যক্তি, যে নিজে কোরআন শেখে এবং অন্যকে শেখায়।’ - বুখারি ৫০২৭।

۞ দুই.
রাসুলুল্লাহ (সা) বলেছেন- ‎ﺇِﻥَّ ﺧِﻴَﺎﺭَﻛُﻢْ ﺃَﺣَﺎﺳِﻨُﻜُﻢْ ﺃَﺧْﻼَﻗًﺎ

‘নিশ্চয়ই তোমাদের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ ওই ব্যক্তি, যে তোমাদের মধ্যে সর্বোত্তম আচরণের অধিকারী।’ - বুখারি ৬০৩৫।

রাসুলুল্লাহ (সা) বলেছেন- ‎ﺇِﻥَّ ﻣِﻦْ ﺧِﻴَﺎﺭِﻛُﻢْ ﺃَﺣْﺴَﻨَﻜُﻢْ ﺃَﺧْﻠَﺎﻗًﺎ

‘তোমাদের মধ্যে সর্বোত্তম ব্যক্তি সে, যার চরিত্র সবচেয়ে বেশি সুন্দর।’ - বুখারি ৩৫৫৯।

۞ তিন.
রাসুলুল্লাহ (সা) বলেছেন- ‎ﺇِﻥَّ ﺧِﻴَﺎﺭَﻛُﻢْ ﺃَﺣْﺴَﻨُﻜُﻢْ ﻗَﻀَﺎﺀً

‘তোমাদের মধ্যে সর্বসেরা ব্যক্তি সে, যে ঋণ পরিশোধের বেলায় ভালো।’ - বুখারি ২৩০৫।

۞ চার.
রাসুলুল্লাহ (সা) বলেছেন- ‎قَالَ ‏"‏ خَيْرُكُمْ مَنْ يُرْجَى خَيْرُهُ وَيُؤْمَنُ شَرُّهُ وَشَرُّكُمْ مَنْ لاَ يُرْجَى خَيْرُهُ وَلاَ يُؤْمَنُ شَرُّهُ ‏"‏

‘তোমাদের মধ্যে সর্বোত্তম ওই ব্যক্তি, যার কাছ থেকে সবাই কল্যাণ আশা করে, অনিষ্টের আশঙ্কা করে না।’ - তিরমিজি ২২৬৩/২৪৩২।

۞ পাঁচ.
রাসুলুল্লাহ (সা) বলেছেন- ‎خياركم خياركم لاهله وانا خيركم لاهلي

‘তোমাদের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ ওই ব্যক্তি, যে তার পরিবারের কাছে ভালো।’ - সহিহ ইবনে হিব্বান ৪১৭৭।

۞ ছয়.
রাসুলুল্লাহ (সা) বলেছেন- ‎ﺧِﻴَﺎﺭُﻛُﻢْ ﺃَﻃْﻮَﻟُﻜُﻢْ ﺃَﻋْﻤَﺎﺭًﺍ ﻭَﺃَﺣْﺴَﻨُﻜُﻢْ ﺃَﻋْﻤَﺎﻟًﺎ

'তোমাদের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ ব্যক্তি সেই, যে তোমাদের মধ্যে বয়সে বেশি এবং (নেক) কাজে উত্তম।' - আহমাদ ৭২১২, ৯২৩৫।

۞ সাত.
রাসুলুল্লাহ (সা) বলেছেন- ‎ﺧَﻴْﺮُ ﺍﻟﻨَّﺎﺱِ ﺃﻧْﻔَﻌُﻬُﻢْ ﻟِﻠﻨَّﺎﺱِ

'সর্বশ্রেষ্ঠ মানুষ সেই ব্যক্তি, যে মানুষের জন্য সবচেয়ে বেশি উপকারী।' - সহীহুল জামে’ হা/ ৩২৮৯।

۞ আট.
রাসুলুল্লাহ (সা) বলেছেন- ‎ﻣَـﺨْﻤُﻮْﻡِ ﺍﻟْﻘَﻠْﺐِ ﺻَﺪُﻭْﻕِ ﺍﻟﻠِّﺴَﺎﻥِ ﻗَﺎﻟُﻮﺍ ﺻَﺪُﻭْﻕُ ﺍﻟﻠِّﺴَﺎﻥِ ﻧَﻌْﺮِﻓُﻪُ ﻓَﻤَﺎ ﻣَـﺨْﻤُﻮﻡُ ﺍﻟْﻘَﻠْﺐِ

‘শ্রেষ্ঠ মানুষ হলো যার অন্তর পরিচ্ছন্ন ও মুখ সত্যবাদী। সাহাবীরা জিজ্ঞেস করেন, হে আল্লাহর রাসুল! সত্যবাদী মুখ বোঝা গেল, কিন্তু পরিচ্ছন্ন অন্তরের অধিকারী কে? রাসুলুল্লাহ (সা) বলেন, যে অন্তর স্বচ্ছ ও নির্মল, মুত্তাকি, যাতে কোনো পাপ নেই, বাড়াবাড়ি বা জুলুম নেই, নেই খেয়ানত ও বিদ্বেষ।' - ইবনে মাজাহ ৪২১৬।

۞ নয়.
রাসুলুল্লাহ (সা) বলেছেন- ‎ﺧَﻴْﺮُ ﺍﻷَﺻْﺤَﺎﺏِ ﻋِﻨْﺪَ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﺧَﻴْﺮُﻫُﻢْ ﻟِﺼَﺎﺣِﺒِﻪِ ﻭَﺧَﻴْﺮُ ﺍﻟْﺠِﻴﺮَﺍﻥِ ﻋِﻨْﺪَ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﺧَﻴْﺮُﻫُﻢْ ﻟِﺠَﺎﺭِﻩِ

‘আল্লাহর কাছে সর্বোত্তম সঙ্গী সে, যে তার সঙ্গীর কাছে উত্তম। আর আল্লাহর কাছে সর্বোত্তম প্রতিবেশী সে, যে তার প্রতিবেশীর কাছে উত্তম।’ - তিরমিজি ১৯৪৪।

۞ দশ.
রাসুলুল্লাহ (সা) বলেছেন- ‎ﺧَﻴْﺮُ ﺍﻟﻨَّﺎﺱِ ﻣَﻨْﺰِﻟَﺔً ﺭَﺟُﻞٌ ﻋَﻠَﻰ ﻣَﺘْﻦِ ﻓَﺮَﺳِﻪِ ﻳُﺨِﻴﻒُ ﺍﻟْﻌَﺪُﻭَّ ﻭَﻳُﺨِﻴﻔُﻮﻧَﻪُ

'মর্যাদায় সর্বশ্রেষ্ঠ ব্যক্তি সে, যে নিজ ঘোড়ার পিঠে সওয়ার হয়ে শত্রুকে সন্ত্রস্ত করে এবং শত্রুরাও তাকে সন্ত্রস্ত করে।' - বাইহাক্বীর শুআবুল ঈমান ৪২৯১। সিলসিলা সহীহাহ ৩৩৩৩।

۞ এগারো.
রাসুলুল্লাহ (সা) বলেছেন- ‎ﻟَﻤُﺆْﻣِﻦٌ ﻣُﺠَﺎﻫِﺪٌ ﺑِﻨَﻔْﺴِﻪِ ﻭَﻣَﺎﻟِﻪِ ﻓﻲ ﺳَﺒﻴﻞِ ﺍﻟﻠﻪِ

'ঐ মু’মিন (সর্বশ্রেষ্ঠ) যে আল্লাহর পথে তার জান ও মাল দিয়ে যুদ্ধ করে।' - বুখারী ২৭৮৬, ৬৪৯৪। মুসলিম ৪৯৯৪-৪৯৯৫।

মহান আল্লাহ তায়ালা আমাদের সর্বোত্তম বান্দা হবার তাওফীক দান করুন। আমীন।

17/06/2021
|| হাদিসের ক্ষেত্রে ইমাম আবু হানিফার পাণ্ডিত্য ||ইমাম আবু হানিফা নুমান ইবনু সাবিত (রহিমাহুল্লাহ)। প্রসিদ্ধ বর্ণনামতে, তি...
13/06/2021

|| হাদিসের ক্ষেত্রে ইমাম আবু হানিফার পাণ্ডিত্য ||

ইমাম আবু হানিফা নুমান ইবনু সাবিত (রহিমাহুল্লাহ)। প্রসিদ্ধ বর্ণনামতে, তিনি তাবিয়ী ছিলেন। তাঁর জীবনকালে তিনি সাত জন সাহাবীর সাক্ষাৎ পান। তিনি মুজতাহিদ ইমাম ও ফকীহ ছিলেন। কিন্তু আমরা অনেকেই হাদিসের ক্ষেত্রে তাঁর পাণ্ডিত্য সম্বন্ধে অবগত নই। আবার অনেকে হাদিসের ক্ষেত্রে তাঁর নির্ভরযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন উত্থাপন করি। তাঁরা বলতে চান, ইমাম আবু হানিফা হাদিস জানতেন না অথবা হাদিসের ক্ষেত্রে তিনি 'দুর্বল'। তাদের ধারণা ইমাম আবু হানিফা (রহিমাহুল্লাহ) এর পদচারণা শুধু ফিকহের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল। যা মোটেও সঠিক নয়, তিনি আকীদা ও হাদিসের ক্ষেত্রেও তাঁর নির্ভরযোগ্যতা, পাণ্ডিত্য এবং অবদান মুসলিম উম্মাহর মাঝে চিরস্মরণীয়।

দ্বিতীয় হিজরী শতকের শুরুর দিকের ঘটনা। একবার ইরাকের প্রসিদ্ধ তাবিয়ী মুহাম্মাদ ইবনু ওয়াসি (রহিমাহুল্লাহ) খুরাসানে আগমন করেন। তখন কিছু মানুষ তাঁর নিকট সমবেত হয়ে ফিকহের বিভিন্ন বিষয়ে তাকে প্রশ্ন করতে থাকে। তিনি বলেন, ফিকহের বিষয়ে পারদর্শী কূফার আবু হানিফা নামে এক যুবক। লোকেরা বলল, তিনি তো হাদিস জানেন না। তখন সেখানে উপস্থিত থাকা আব্দুল্লাহ ইবনুল মুবারক (রহিমাহুল্লাহ) সমবেত লোকদের উদ্দেশ্যে বললেন, আপনারা কীভাবে বলছেন তিনি হাদিস জানেন না ? খুরমা খেজুরের বিনিময়ে গাছ পাকা খেজুর ক্রয় করার বিষয়ে তাকে প্রশ্ন করা হলে তিনি জবাবে বলেন, এতে অসুবিধা নেই। তখন তাকে বলা হলো সা'দ (রদিয়াল্লাহু আনহু) এর হাদিসে এর আপত্তি (নিষেধ) রয়েছে। তিনি বলেন, এ হাদিসটি 'শায' (দুর্বল হাদিসের একটি প্রকার); এ হাদিসের একমাত্র রাবী যায়িদ ইবনু আইয়াশ অজ্ঞাত পরিচয়। এরপর ইবনুল মুবারক বললেন, যে ব্যক্তি এভাবে সনদ যাচাই করতে পারত তাঁর বিষয়ে কীভাবে বলা যায় যে, তিনি হাদিস জানতেন না !?

[মুহাম্মাদ ইবনুল হাসান, আল মুওয়াত্তা ৩/১৬২; সাইমারী, আখবারু আবী হানিফাহ, পৃষ্ঠা ২৬]

ইয়াযিদ ইবনু হারুন ওয়াসিতী (রহিমাহুল্লাহ) বলেন,
"আবু হানিফা আল্লাহ-ভীরু, পবিত্র ও সংসারবিরাগী আলিম ছিলেন। তিনি সসত্যপরায়ণ এবং তাঁর যুগের সবচেয়ে বড় হাফিযুল হাদিস ছিলেন। তাঁর যুগের যত মানুষকে আমি পেয়েছি, সকলকেই বলতে শুনেছি- তিনি ফিকহের বিষয়ে আবু হানিফার চেয়ে অধিক পারদর্শী আর কাউকে দেখেননি।"

[সাইমারী, আখবারু আবী হানিফাহ, পৃষ্ঠা ৪৮]

শু'বা ইবনুল হাজ্জাজ (রহিমাহুল্লাহ) বলেন,
"আল্লাহর কসম ! তাঁর (আবু হানিফার) অনুধাবন সুন্দর এবং তাঁর মুখস্থ শক্তি ভালো ছিলো।"

[সাইমারী, আখবারু আবী হানিফাহ, পৃষ্ঠা ২৩]

আবু হানিফার নির্ভরযোগ্যতার বিষয়ে শু'বার মনোভাব ব্যাখ্যা করে ইবনু মায়ীন বলেন, "এই তো শু'বা ইবনুল হাজ্জাজ, তিনি হাদিস বর্ণনার অনুরোধ করে আবু হানিফাকে পত্র লিখেছেন। আর শু'বা তো শু'বাই।"

[মিযযী, তাহযীবুল কামাল ২৯/৪১৭-৪৪৪; যাহাবি, সিয়ারু আ'লামিন নুবালা ৬/৩৯০-৪০৩; ইবনু হাজার, তাহযিবুত তাহযীব ১০/৪০১-৪০২]

ইবনু মায়ীন (রহিমাহুল্লাহ) বলেন,
"আবু হানিফা হাদিসে নির্ভরযোগ্য ছিলেন। যে হাদিস তাঁর মুখস্ত সে হাদিস ছাড়া অন্য কোনো হাদিস তিনি বলতেন না।" [ঐ]

ইবনুল মাদীনী (রহিমাহুল্লাহ) বলেন,
"আবু হানিফা থেকে সুফিয়ান সাওরী, আব্দুল্লাহ ইবনুল মুবারক, হাম্মাদ ইবনু যায়িদ, হুশাইম, ওকী ইবনুল জাররাহ, আব্বাদ ইবনুল আউয়াম, জাফর ইবনু আউন প্রমুখ হাদিস শিক্ষা করেছেন। তিনি নির্ভরযোগ্য, তাঁর বিষয়ে কোনো আপত্তি নেই।"

[ইবনু আব্দুল বার্র, জামিউ বায়ানিল ইলম ২/২৯১-২৯২]

_________________________________

এখানে যেসব ইমাম, মুজতাহিদ এবং মুহাদ্দিসীনদের বক্তব্য উল্লেখ করা হয়েছে তাদের অতি সংক্ষিপ্ত পরিচিতি :

| আব্দুল্লাহ ইবনুল মুবারক
জন্মঃ ১১৮ হিজরী খুরাসানে
মৃত্যুঃ ১৮১ হিজরী

তিনি ছিলেন ছিলেন সুপ্রসিদ্ধ তাবিয়ী এবং দ্বিতীয় শতাব্দীর শ্রেষ্ঠ মুহাদ্দিস, ফকীহ ও মুজাহিদ। সহিহ বুখারি ও সহিহ মুসলিমে তাঁর বর্ণিত হাদিস গৃহীত হয়েছে।
| ইয়াযিদ ইবনু হারুন
জন্মঃ ১১৭ হিজরী
মৃত্যুঃ ২০৬ হিজরী

তিনি ছিলেন তাবে তাবিয়ী এবং সে যুগের শ্রেষ্ঠ মুহাদ্দিসদের একজন। ইমাম আহমাদ তাকে 'হাফিযুল হাদিস' বলতেন। ইবনুল মাদীনী বলেন, তাঁর চেয়ে বড় হাফিযুল হাদিস আমি দেখিনি।
| ইয়াহইয়া ইবনু মায়ীন
জন্মঃ ১৫৮ হিজরী পারস্যে
মৃত্যুঃ ২৩৩ হিজরী

তিনি দ্বিতীয় হিজরী শতকের শ্রেষ্ঠ মুহাদ্দিস ও ইলমুর রিজালের বিশেষজ্ঞ ছিলেন।

তাঁর শিক্ষকদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকজন হচ্ছেন : ইবনুল মুবারক, ইসমাইল ইবনে ইয়াশ, আবাদ ইবনে আবাদ, ইবনে উয়াইনাহ, আবু মুয়াবিয়া, হাতিম ইবনে ইসমাইল, ইমাম ওয়াকি, আব্দুর রাজ্জাক, হাফস ইবনে গিয়াশ প্রমুখ বিশ্ববিখ্যাত বিদ্বান মনিষীগণ।
তাঁর বিশিষ্ট কয়েকজন ছাত্র হচ্ছে : ইমাম আহমাদ বিন হাম্বল, ইমাম বুখারি, ইমাম মুসলিম, আবু হাতিম, আবু দাউদ প্রমুখ।
| ইবনুল মাদীনী
জন্মঃ ১৬১ হিজরী ইরাকে
মৃত্যুঃ ২৩৪ হিজরী

তিনি ছিলেন একাধারে মুহাদ্দিস, ফকীহ ও রিজাল শাস্ত্রবিদ। তাঁর সম্পর্কে ইমাম বুখারী বলেন, আমি আলী ইবনুল মাদিনীর সামনে নিজেকে যত তুচ্ছ মনে করতাম তা অন্য কারো নিকট করতাম না।
#উম্মাহর_মাঝে_বরেণ্য_যারা

31/05/2021

#তাহাজ্জুদ


⭕তাহাজ্জুদ নিয়ে মোটিভেশনাল কিছু কথা এইভাবে তাহাজ্জুত পড়ে দেখুন, আজ থেকে আপনার সকল অভিযোগ বন্ধ হয়ে যাবে! ইনশাআল্লাহ

রাত ২/৩ টা তাহাজ্জুত এর সময় হয়েছে, ওঠো! ওয়াশরুমে যাও, মিসওয়াক শেষে উত্তমরুপে ওযু বা গোসল করে সবচেয়ে সুন্দর ও পবিত্র জামাটি পরিধান করো; কাউকে দেখানোর জন্য না! একমাত্র তোমার রব আল্লাহর জন্য।

চোখে সুরমা লাগাও, মাথার চুল আঁচড়া ও হালাল সুগন্ধি লাগাও। নিজেকে উত্তমরুপে সাজাও, আজকের এই গোসল, এই সাজ আল্লাহর জন্য। শুধুই মহান সৃষ্টিকর্তার জন্য, জায়নামাজ বিছিয়ে ধীরস্থির ভাবে দুই রাকাত নামাজ পড়ো।

নামাজান্তে সেজদায় লুটিয়ে চোখের পানি ছেড়ে মহান সেই রবকে ডাকো, যিনি তোমার প্রার্থনা শোনার জন্য, তোমার চোখের পানি দেখার জন্য প্রথম আসমানে নেমে এসেছেন, ধৈর্য্যধারণ করে, প্রশান্তচিত্তে, নামাজের মধ্যে তাঁকে ডাকতে থাকো। সেই রব তোমার দোয়া কবুল করবেন না তো আর কার দোয়া কবুল করবেন!

তোমার ডাক শুনবেন না তো আর কার ডাক শুনবেন! তুমি আর সেই ব্যক্তি কি এক হয়ে গেলে যিনি বেঘোরে ঘুমাচ্ছে আর তুমি অশ্রুবর্ষণ করে মহান রবের কুদরতি পা সিক্ত করছো!

না না তুমি আল্লাহর রহমতের ছাঁয়ার নিচে আর সে অনেক অনেক দূরে।
তোমার প্রার্থনায় আরশ কেঁপে ওঠছে, তকদির দোলছে, অবশেষে আল্লাহ তকদির পরিবর্তন করে বান্দার আরজি কবুল করেন।

وَمِنَ ٱلَّيۡلِ فَتَهَجَّدۡ بِهِۦ نَافِلَةٗ لَّكَ عَسَىٰٓ أَن يَبۡعَثَكَ رَبُّكَ مَقَامٗا مَّحۡمُودٗا ٧٩ – الاسراء.

“আর রাতের কিছু অংশে তাহাজ্জুদ আদায় কর ‎‎তোমার অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে। আশা করা ‎যায়, তোমার রব তোমাকে প্রশংসিত অবস্থানে ‎প্রতিষ্ঠিত করবেন”। (সূরা ইসরা:৭৯)

তোমার দোয়া কবুল হয় না, তোমার দুঃখ মোচন হয় না, তোমার বিপদ আরো বেড়েই চলছে...। ওই নিয়মে ডাকতে থাকো,যদি ডাকার মতো তাঁকে ডাকো তবে তোমার দোয়া কবুল হতে ১মিনিটও লাগবে না।

আল্লাহ তায়ালা বলেন,

"আমি যখন কোনো কিছু করার ইচ্ছে করি
তখন তাকে এতটুকুই বলি যে 'হয়ে যাও'
সুতরাং তা হয়ে যায়!!
[ সূরা আন'নহল: 40 ]

পৃথিবীতে এমন কেউ কি আছে যে আল্লাহর কাছে কিছু চেয়েছে কিন্তু আল্লাহ তা দেয়নি? প্রমাণ করতে পারবে?

হুমম...হুবহু সেই জিনিসটি হয়তো দেননি তবে তার থেকে অনেক অনেক গুণ উত্তম কিছু দিয়েছেন। পরবর্তীতে প্রার্থনাকারী অবশ্যই তা টের পেয়ে লজ্জিত হয়ে বলেছেন- হায়! আমি কত বোকা, না বুঝে কত ছোট প্রার্থনাই না করেছিলাম।

কখনো কি আল্লাহর জন্য নিজেকে সাজিয়েছো? ঐ ভাবে মহান রবকে ডেকেছো?
তাহলে প্রস্তুত হয়ে যাও আজ থেকেই
উঠো,তাহাজ্জুদ পড়ো...

⭕ আল্লাহ আমাদের সকলের নেক দোয়া গুলো কবুল করুন,আমিন ।

29/05/2021

পূর্ব ও পশ্চিম আল্লারই। অতএব, তোমরা যেদিকেই মুখ ফেরাও, সেদিকেই আল্লাহ বিরাজমান। নিশ্চয় আল্লাহ সর্বব্যাপী, সর্বজ্ঞ।
সূরাঃ বাকারাহ, আয়াতঃ ১১৫

28/05/2021

এক অন্তহীন কান্নার ধারা

শুরুকথা:

ভূমধ্যসাগর ও জর্ডান নদীর মধ্যবর্তী ভূখন্ড ফিলিস্তীন বা প্যালেস্টাইন মুসলিম, খৃষ্টান ও ইহুদী তথা সকল ধর্মাবলম্বীর নিকট একটি পবিত্র ভূমি।
সুদীর্ঘ ইতিহাস বিজড়িত ফিলিস্তীন মধ্যপ্রাচ্য তথা বিশ্ব মানচিত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক অঞ্চল। অথচ জর্ডান, লেবানন ও সিরিয়া বেষ্টিত এ ভূখন্ডের প্রতিটি বালুকণার সাথে মিশে আছে ছোপ ছোপ রক্ত।
ক্রসেড যুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত এই ছোট্ট অঞ্চলটি আজ ইসরাইল নামক এক আস্ত হায়েনার করতলগত।
গত ৬০ বছর থেকে ফিলিস্তীনীদের রক্ত নিয়ে হোলি খেলছে আমেরিকার অনৈতিক সমর্থনপুষ্ট ইসরাইল। অন্যদিকে সারা বিশ্বের মোড়লরা কেউবা এ অন্যায়ের সহযোগিতা করছে, কেউবা কাপুরুষের ন্যায় চোখ বুজে সহ্য করছে এই হোলি খেলা।
গতবছরের ৩১ মে সারা বিশ্বকে বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে এ ইহুদী রাষ্ট্রটি তার আসল চেহারা আরেকবার উন্মোচন করল।
গাজার ক্ষুধার্ত-তৃষ্ণার্ত, ভুখা-নাঙ্গা মানুষের মুখে এক মুঠো আহার তুলে দেওয়ার জন্য রওয়ানা হয় তুর্কী ত্রাণবাহী জাহাজ ফ্রিডম ফ্লোটিলা মাভি মারমারা। গাজার উপকণ্ঠে পৌঁছার পূর্বেই ইসরাইলি সন্ত্রাসীরা এই জাহাজে বর্বর হামলা চালিয়ে ৯ জন তুর্কী মানবাধিকার কর্মীকে হত্যা করে। এই গণহত্যা সারা বিশ্বের মানুষকে আরো একবার ইসরাইল সম্পর্কে ভাবাতে শুরু করে।

ইহুদী জাতির পরিচয়:

ইসরাইল রাষ্ট্র প্রসঙ্গে আলোচনার শুরুতেই ইহুদীদের সম্পর্কে বলা প্রয়োজন। কেননা ইহুদী রাষ্ট্র হিসাবেই ইসরাইলের জন্ম। ইহুদীদের প্রধান নবী হলেন মূসা
(আঃ), যার কিতাব হল তাওরাত। ইহুদীরা আল্লাহকে বিশ্বাস করে, যার নাম তাদের কাছে জেহোভা। এখান থেকেই ইহুদী নামের উৎপত্তি।
কারো মতে, ইহুদীদের অপর নাম বনী ইসরাইল। ইসরাইল মূলত ইয়াকুব (আঃ)-এর অপর নাম।
তাঁর মোট ১২ জন সন্তান ছিল। ১২ ভাইয়ের বড় ইয়াহুদার নামানুসারেই বনী ইসরাঈলকে ‘ইহুদী’ বলা হয়। বনু ইসরাইলেরা পথভ্রষ্ট হয়ে গেলে আল্লাহ তাদের হেদায়াতের জন্য মূসা (আঃ)-কে তাওরাত সহ প্রেরণ করেন।
বনী ইসরাইলের উপর আল্লাহর ছিল অগণিত নিয়ামত, অফুরন্ত অনুগ্রহ।
পবিত্র কুরআনে প্রায় ৪৩টি স্থানে বনী ইসরাইলের আলোচনা রয়েছে।
তন্মধ্যে প্রায় ১৬টি স্থানে বনু ইসরাইলের উপর আল্লাহ প্রদত্ত নে‘আমতরাজির কথা উল্লেখ করা হয়েছে। যেমন আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ‘আর যখন আমি সমুদ্রকে পৃথক করে দিলাম অতঃপর তাদেরকে রক্ষা করলাম এবং ফেরাঊনকে ডুবিয়ে দিলাম’ (বাক্বারাহ ৫০)।
তাদেরকে প্রদত্ত আরো নে‘আমতসমূহ যেমন- রাজাধিপতির মর্যাদা প্রদান (মায়েদাহ ৬০),
রিযিক প্রদান (জাছিয়া ১৬),
তীহ প্রান্তরে ছায়া ও খাবারের ব্যবস্থা (বাক্বারাহ ৫৭), পানির ব্যবস্থা (বাক্বারাহ ৬০)।

এছাড়াও আল্লাহ তা‘আলা তাদের উপর আরো অনেক অনুগ্রহ করেছেন। যেমন-গো-বৎসের পূজা করার পরও আল্লাহ তাদের ক্ষমা করে দেন’ (বাক্বারাহ ৫১-৫২)। বজ্রপাতে মৃত্যু ঘটানোর পর তাদেরকে আবার পুনর্জীবন দান করেন’ (বাক্বারাহ ৫৫)।
এ রকম আরো অভাবনীয়, আশাতীত প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ নে‘আমতরাজি দিয়ে আল্লাহ ইহুদীদের মান-মর্যাদা, প্রভাব-প্রতিপত্তি, শান-শওকত বৃদ্ধি করেছেন।

এরপরও কুটিল ইহুদীরা আল্লাহর শুকরিয়া আদায় না করে একের পর এক নাফরমানী করে চলেছিল। গোবৎসের পূজা, যুদ্ধ করতে অস্বীকার, আল্লাহকে প্রকাশ্যে দেখতে চাওয়ার মত ধৃষ্টতা, মান্না ও সালওয়ার উপর আপত্তি, নবীদেরকে হত্যা, শনিবারের মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞা লংঘন (বাকারা ৫১-৫২; মায়েদা ২৪; ঐ ৬১; নিসা ১৫৭; বাকারা ৬৫-৬৬) ইত্যাদি বহু ক্ষেত্রে তারা আল্লাহর নাফরমানী করে।
ফলে আল্লাহ তাদের উপর নানাবিধ গযব নাযিল করেন।
যেমন-লাঞ্ছনা ও পরমুখাপেক্ষিতা (বাক্বারাহ ৬১, আলে ইমরান ১১২)। এছাড়াও ক্ষণিক গযবসমূহ ছিল- (ক) তীহ প্রান্তরে ৪০ দিন উদভ্রান্তের মতো ঘুরে বেড়ানো (মায়েদা ২৪)।
(খ) বজ্রপাতে ধ্বংস হওয়া (বাক্বারাহ ৫৫)।
(গ) গো-বৎস পূজার জন্য পরস্পরকে হত্যার মাধ্যমে নিষ্ঠুর শাস্তি প্রাপ্ত হওয়া (বাক্বারাহ ৫৪)।
(ঘ) মাথার উপর তূর পাহাড়কে ঝুলিয়ে দেয়া (আ‘রাফ ১৭১)।
(ঙ) বৈধ ও পূত-পবিত্র বস্ত্ত হারাম হয়ে যাওয়া (নিসা ১৬০-১৬১)।
(চ) নিকৃষ্ট বানর ও শুকরে পরিণত হওয়া (বাক্বারাহ ৬৫-৬৬) প্রভৃতি।

মূলত ইহুদীরা হচ্ছে একটি প্রতারক, ধুরন্ধর, বিশ্বাসঘাতক নিষ্ঠুর জাতি। তাই লাঞ্ছনা ও অপমান এদের চিরসঙ্গী। এদের উপর আল্লাহর সবচেয়ে বড় গযব হচ্ছে মুসলমান বা অন্য কোন জাতির ন্যায় তারা কোন স্থানে একত্রিত জীবন যাপন করতে পারবে না। এজন্য ইতিহাসের পাতায় তাদেরকে সবসময় দুরাচারী, অপমানিত, বহিষ্কৃত অবস্থাতেই দেখা যায়।
এইতো গত শতাব্দীতেই তারা মুসলিম খিলাফত আমলে আরব থেকে বহিষ্কৃত হয়ে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে আশ্রয় নেয়। আবার দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় হিটলার কর্তৃক নিষ্ঠুরভাবে আক্রান্ত ও বিতাড়িত হয়।

ফিলিস্তীনের ভৌগলিক পরিচয়:

Palestine এর আরবী নাম فلسطين যার অর্থ সুন্দর কিছু। এর আরেকটি অর্থ আল্লাহর ভূমির রক্ষক (ইসলামী বিশ্বকোষ ১৫তম খন্ড, পৃঃ ১৫৩)। মূলত শব্দটি গ্রীক। যার অর্থ-ফিলিসিয়াবাসীদের ভূখন্ড। অর্থাৎ যারা আনুমানিক খৃষ্টপূর্ব ১২০০ শতকের দিকে কেনান তথা জর্ডান নদীর বেলাভূমির দক্ষিণ তীরাঞ্চল দখল করেছিল।
এরা ছিল প্রাচীন জুডা রাজ্যের পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত ফিলিসিয়ার অধিবাসী। এশিয়ার পশ্চিম প্রান্তসীমা ও ভূমধ্যসাগরের পূর্ব সীমানা বরাবর ফিলিস্তীন রাষ্ট্রটি অবস্থিত। এর উত্তর, পশ্চিম ও দক্ষিণে ইসরাইলের অস্তিত্ব থাকলেও মূলত উত্তরে লেবানন এবং সিরিয়া, দক্ষিণে সুয়েজ উপসাগর ও মিশরীয় সিনাই উপদ্বীপ, পশ্চিমে ভূমধ্যসাগর ও পূর্বে জর্ডান অবস্থিত।
এর মোট আয়তন ৬৩৩৫ বর্গকিলোমিটার। ১৯৪৮ সালে এই পরিমাণ ছিল ২৬,৩২৩ বর্গকিলোমিটার। মোট জনসংখ্যা ৪০ লাখ। ১৯৪৮ সালে ছিল ১ কোটি। তন্মধ্যে পশ্চিমতীরে বাস করে ২৫ লাখ, গাজায় ১৫ লাখ, ইসরাইলের দ্বিতীয় শ্রেণীর নাগরিক ১১ লাখ, জর্ডানে ২৮ লাখ, অন্যান্য আরব দেশে ১৭ লাখ এবং সারা পৃথিবীতে ১ লাখ। প্রায় ১ কোটি মানুষের একটি জাতিগোষ্ঠী এমনইভাবে আজ স্বদেশ থেকে বিতাড়িত, ভাগ্যবিড়ম্বিত। তাদেরকে পাশবিক শক্তি প্রতারণার মাধ্যমে এ অবস্থায় নিক্ষেপ করেছে।

গাজা: আয়তন ৩৬০ বর্গ কিঃ
(সংগৃহীত)

28/05/2021

🍀জুম্মার দিনকে ভয় করো
কারণ এই দিনই কিয়ামত হবে
হযরত মুহাম্মদ (সঃ)♥

25/05/2021

তুমি যদি পৃথিবীর অধিকাংশ লোকের অনুসরণ কর
তাহলে তারা তোমাকে আল্লাহর পথ থেকে বিচ্যুত করে ফেলবে।”
—সূরা আনআম-১১৬

বিশ্বের সবচেয়ে উষ্ণতম ৪ টি স্থান। সোর্স ছবিতে দেওয়া আছে।
25/05/2021

বিশ্বের সবচেয়ে উষ্ণতম ৪ টি স্থান।
সোর্স ছবিতে দেওয়া আছে।

নারীর শরীরে স্বামীর কোনো চিহ্ন বহন করা ইসলামে জায়েজ না 🚫-অথাৎ নাকফুল তুমি পড়বা নাকি পড়বা না সেটা তোমার ব্যক্তিগত ইচ্ছ...
23/05/2021

নারীর শরীরে স্বামীর কোনো চিহ্ন বহন করা ইসলামে জায়েজ না 🚫

-অথাৎ নাকফুল তুমি পড়বা নাকি পড়বা না সেটা তোমার ব্যক্তিগত ইচ্ছা 🙂

-কিন্তু এটা যদি স্বামীর চিহ্ন হিসেবে পড়ো সেটা হবে গুনাহ্ 😯

-ইসলামে যৌতুক প্রথা সম্পূর্ন হারাম 🚫

- বরং মেয়েকে মোহরানা দিয়ে ঘরে তুলতে হবে 😍😊

-আল্লাহ বলেছেন “ সেই বিয়ে সবথেকে উত্তম যেই বিয়েতে মেয়ের বাবার কোনো খরচ হবেনা 😍

-ইসলামে নারীরা তার বাবা, ভাই , ছেলে ,স্বামী সবার সম্পত্তির উত্তরাধীকার ভাগ পাবে 💜

-ইসলামে বিবাহিতা নারীর নামের পিছনে স্বামীর নাম লাগানো জায়েজ না 🚫

-হাসরের ময়দানে বাবার সন্তান হিসেবে ডাকা হবে, যদি তুমি স্বামীর পদবি লাগাও তবে তুমি হয়ে যাবে তোমার স্বামীর সন্তান 🚫💔

👉আসতাগফিরুল্লাহ্

-ইসলাম বলেছে কোনো নারী যদি জ্ঞান অর্জন করতে চায় তবে সে পর্দার সহিত [বিদেশ] গিয়েও জ্ঞান অর্জন করতে পারবে 😯😍 (বিদায় হজ এর ভাষণে বলা হয়েছে)

-মেয়েরা চাকরি করতে পারবে কিনা ? 🙄

👉 এর উত্তর একটাই , আমার মহানবী হরযত মুহাম্মদ (সাঃ)- এর স্ত্রী খাদিজা (রাঃ)- ছিলেন একজন সফল ব্যবসায়ী 😎

👉ইসলামে নারীদের সব কাজ করার অনুমতি আছে, শুধু যথাযথ পর্দা অবলম্বন করতে হবে।

আলহামদুলিল্লাহ 😍😌

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when WAM posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share