04/07/2025
জুমার দিনের করণীয়
ক) বেশী বেশী দরূদ পাঠ করা।
"নিশ্চয়ই জুমার দিন শ্রেষ্ঠতম দিনগুলোর অন্যতম। সুতরাং সেই দিন তোমরা আমার উপর বেশি বেশি দরূদ পড়ো। নিশ্চয় তোমাদের দরূদ আমার কাছে পেশ করা হয়"(¹)।
আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রা. তার এক শাগরিদ যায়েদ বিন ওয়াহাবকে নসীহত করেছেন- হে যায়েদ বিন ওয়াহাব! জুমার দিন তুমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর প্রতি এক হাজার বার দরূদ পড়তে ভুল করো না। এভাবে বলবে- اَللّهُمَّ صَلِّ عَلى مُحَمَّدٍ النَّبِيِّ الْأُمِّيِّ.
আল্লাহুম্মা সাল্লি আলা মুহাম্মাদিন নাবিয়্যিল উম্মিয়্যি” (²)।
খ) সূরা কাহাফ তিলাওয়াত করা।
"যে ব্যক্তি জুমার দিন সূরা আল কাহাফ পড়বে, তার (ঈমানের) নূর এ জুমাহ হতে আগামী জুমাহ পর্যন্ত চমকাতে থাকবে"(³)।
"জুমার দিনে সূরা কাহফ পাঠ করলে দুই জুমার মধ্যবর্তী গুনাহ মাফ হবে এবং কিয়ামত দিবসে তার পায়ের নীচ থেকে আকাশের মেঘমালা পর্যন্ত নূর আলোকিত হবে"(⁴)।
গ) আসরের পরে সূর্যাস্ত যাবার আগ পর্যন্ত মসজিদে বসে দোয়া-দরুদ পাঠ করা।
“জুমার দিনে এমন একটি সময় আছে, তখন কোন মুসলমান আল্লাহর কাছে কিছু চাইলে আল্লাহ তাআলা তাকে অবশ্যই সেটি দান করবেন। সেই সময়টি তোমরা আসরের পরে শেষ সময়ে তালাশ করো (5)।” এই সময়ে সারা বিশ্বের সকল মুসলমানদের জন্য দোয়া করুন, বিশেষ করে ফিলিস্তিনের মুসলমান ভাইদের জন্য।
ঘ) বেশি বেশি সাদাকাহ করা।
ঙ) বেশি বেশি ইস্তিগফার করা।
✪ Reference (কোটেশন করা কথাগুলো নবীজির। হাদিসের মূল টেক্সট কমেন্টে)-
১- আবু দাউদ ১০৪৯, মুসনাদে আহমদ ১৬২০৭, ইবনে হিববান ৯১০।
২- আততারগীব ওয়াত তারহীব, আবুল কাসেম আততাইমী ১৬৫৪; যিকরু আখবারি আসবাহান, আবু নুয়াইম ২/১৭১; ইমাম বায়হাকি ও হাকিম রাহিমাহুমুল্লাহ এর সনদকে সহিহ বলেছেন।
৩- মিশকাত ২১৭৫, মুস্তাদরাকে হাকিম ২/৩৬৮, বায়হাকি ৫৯৯৬।
৪- আত তারগীব ওয়াত তারহীব- ১/২৯৮।
৫- আবু দাউদ ১০৫০, সুনানুল কুবরা, নাসায়ী ১৭০৯, আল মুসতাদরাক ১০৩২, ইমাম হাকিম এটিকে সহীহ বলেছেন।