Ramakrishna Mission & Ashram Cumilla

Ramakrishna Mission & Ashram Cumilla রামকৃষ্ণ আশ্রম ও রামকৃষ্ণ মিশন, কুমিল্লা। Activities of the Mission centre :


An orphanage with 60 orphans and a students’ home with 43
college students.

Ramakrishna Ashrama & Ramakrishna Mission, Comilla

Ramakrishna Ashrama & Ramakrishna Mission
Thakurpara (South)
Comilla
Bangladesh
Phone : (880) 81-66031
Email : [email protected], [email protected]

This centre, started in 1936, was made a branch of Ramakrishna Mission in 2007. A charitable allopathic dispensary with specialist doctors’
services, which treated 2050 cases. An audio-visual unit

which screened religious and educative
films. Welfare work by way of providing pecuniary help and
scholarships to poor and meritorious students, and food,
clothing, etc to the poor and needy. Daily worship, prayers and bhajans, weekly religious classes
and discourses in and outside the Ashrama. Celebration of the birth anniversaries of Sri Ramakrishna, Holy
Mother Sri Sarada Devi and Swami Vivekananda, and other
religious festivals. A library with 570 books and 5 periodicals.

দুর্গা গায়ত্রী মন্ত্র অনুধ্যান দুর্গা গায়ত্রী মন্ত্র: কাত্যায়নায় বিদ্মহে কন্যকুমারী ধীমহি তন্নো দুর্গিঃ প্রচোদয়াৎ।ম...
30/05/2026

দুর্গা গায়ত্রী মন্ত্র অনুধ্যান

দুর্গা গায়ত্রী মন্ত্র:
কাত্যায়নায় বিদ্মহে কন্যকুমারী ধীমহি তন্নো দুর্গিঃ প্রচোদয়াৎ।

মহানারায়ণ উপনিষদ- ১/২৬ এর সায়নভাষ্য অবলম্বনে আমরা পাই:

কৃত্তিং বস্ত ইতি কাত্যো রুদ্রঃ। স এব অধিষ্ঠানম্ উৎপাদকো যস্যা দুর্গায়াঃ সা কাত্যায়নী।

অর্থাৎ -- কৃত্তি বা পশুচর্ম যিনি ধারণ করেন তিনি কাত্য অর্থাৎ রুদ্র। কাত্য যার অয়ন অর্থাৎ অধিষ্ঠান বা উৎপাদক সেই দুর্গা হচ্ছেন কাত্যায়নী।

বিদ্মহে জানীমহি লভেমহি বা।
অর্থাৎ -- জানতে বা লাভ করতে পারি ।

কুৎসিতং অনিষ্টং মারয়তি নিবারয়তি ইতি কুমারী।
অর্থাৎ -- কুৎসিত বা অনিষ্টকে যিনি বিনষ্ট করেন, তিনি কুমারী।

কন্যা চ অসৌ কুমারী চ ইতি কন্যকুমারী।
অর্থাৎ -- যিনি কন্যা এবং কুমারী তিনিই কন্যকুমারী।

দুর্গিঃ দুর্গা।
দুর্গি অর্থাৎ দুর্গা।

ধীমহি ধ্যায়েম।
অর্থাৎ -- ধীমহি অর্থাৎ আমরা ধ্যান করি।

তন্নো তৎ তত্র ধ্যানে নো অস্মান্।
অর্থাৎ -- তাঁর ধ্যানে আমাদেরকে।

প্রচোদয়াৎ প্রচোদয়তু প্রেরয়তু।
অর্থাৎ প্রেরিত করুন।

সম্পূর্ণ মন্ত্রার্থ: আমরা সেই কাত্যায়নী দুর্গাদেবীকে জানতে বা লাভ করার উদ্দেশ্যে কন্যাকুমারীকে ধ্যান করি । দেবী দুর্গা তাঁর ধ্যানে আমাদেরকে প্রেরিত করুন।

কঠোপনিষদের বিখ্যাত মন্ত্রের ভাব এখানেও ধ্বনিত হচ্ছে।
যম্ এব এষ বৃণুতে তেন লভ্যঃ।
তস্যৈষ আত্মা বিবৃণুতে তনূং স্বাম্। (১/২/২৩/
অর্থাৎ -- যাঁর প্রতি ইনি অনুগ্রহ করেন, তিনি তাঁকে লাভ করেন। তাঁরই সকাশে এই আত্মা স্বীয় রূপ প্রকটিত করেন।

তাহলে কি আমরা সাধন ভজন করবো না? নিশ্চয়ই করতে হবে। যন্ সাধন তন্ সিদ্ধি। সাধন যেন পাখির ডানা ঝাপটানো। এক পক্ষী দম্পতির একটি ডিম সমুদ্রে পড়ে গেল। উভয়ে প্রতিজ্ঞা করলো সমুদ্রের সমস্ত জল সেচে ডিমটি উদ্ধার করবে। দুজনের ছোট চারটি ডানায় করে তারা বিন্দু বিন্দু জল সমুদ্রের তীরে এনে ফেলতে লাগল। এভাবে উদয়াস্ত করে কয়েকদিন তারা জল সেচ করলো। তাদের এ আন্তরিক কঠোর অধ্যবসায় দেখে সমুদ্র দেবতার মনে দয়া হলো।
তখন সমুদ্র এক ঢেউয়ের সাথে ডিমটি তীরে তুলে দিলো। সাধকও যখন সাধন করতে করতে ভগবৎচরণে শরণাগত হয়, তখন কৃপাময় দয়াময় তাঁর অহেতুকী কৃপায় স্বীয় আত্মস্বরূপে প্রকাশিত হয়ে সমস্ত সংশয় সন্দেহ ভঞ্জন করে ভক্তহৃদয় আলোকিত করেন। তাই মহর্ষি নারদ তাঁর ভক্তিসূত্রে (৮২ নং) বলেছেন: সর্বদা সর্বভাবেন নিশ্চিন্তিতৈঃ ভগবান্ এব ভজনীয়ঃ । অর্থাৎ সব সময় সর্বতোভাবে অন্য সব ভাবনা বাদ দিয়ে একমাত্র ভগবানকেই ভজনা করা ভক্তের কর্তব্য।

শ্রীমা সারদাদেবী বলেছেন: 'জপতপের দ্বারা ইন্দ্রিয়গুলো শান্ত হয়। কিন্তু প্রেমভক্তি না হলে ভগবানকে পাওয়া যায় না। ' আবার বলেছেন: জপাৎ সিদ্ধিঃ, জপাৎ সিদ্ধিঃ।
এজন্য গুরুপদিষ্ট জপ ধ্যান, শাস্ত্র অধ্যয়ন, প্রার্থনা-পূজা, সাধুসঙ্গ, মাঝে মাঝে নির্জন বাস এসব নিত্য নিয়মিতভাবে করা উচিৎ।

লেখক © স্বামী হরপদানন্দ মহারাজ
৩০ মে, ২০২৬
রামকৃষ্ণ মিশন, কুমিল্লা।

২০২০ সালের ১৩ জুলাই রামকৃষ্ণ মঠ ও রামকৃষ্ণ মিশন, ঢাকার অধ্যক্ষের দায়িত্ব গ্রহণ করেন পরম পূজ্যপাদ শ্রীমৎ স্বামী পূর্ণাত্ম...
24/05/2026

২০২০ সালের ১৩ জুলাই রামকৃষ্ণ মঠ ও রামকৃষ্ণ মিশন, ঢাকার অধ্যক্ষের দায়িত্ব গ্রহণ করেন পরম পূজ্যপাদ শ্রীমৎ স্বামী পূর্ণাত্মানন্দজী মহারাজ । মিশনের প্রধান কেন্দ্র ‘রামকৃষ্ণ মঠ ও রামকৃষ্ণ মিশন, বেলুড় মঠ’ এর ট্রাস্টি বোর্ড ও কার্যনির্বাহী কমিটির আদেশক্রমে এ দায়িত্ব পাওয়ার পর বাংলাদেশের জনগণকে শুভেচ্ছা জানানোর পাশাপাশি মানবতার সেবায় নিয়োজিত রামকৃষ্ণ মঠ ও রামকৃষ্ণ মিশনের কাজে তিনি সবার সহযোগিতা কামনা করেন।

রামকৃষ্ণ সংঘের আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন লেখক ও বক্তা স্বামী পূর্ণাত্মানন্দজী মহারাজ। তিনি ভারতবর্ষীয় ঐতিহ্য, মূল্যবোধ, শিক্ষা, সমাজবিজ্ঞান, বেদান্ত এবং শ্রীরামকৃষ্ণ-শ্রীমা সারদা-স্বামী বিবেকানন্দ সম্পর্কিত ২৭টি বাংলা ও ইংরেজি গ্রন্থের লেখক, সংকলক ও সম্পাদক। এছাড়া বিভিন্ন ভারতীয় ও আন্তর্জাতিক পত্রপত্রিকায় ধর্ম ও সংশ্লিষ্ট বিষয়ে তার বহু প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে। দিল্লি ও কলকাতা দূরদর্শনে এবং কলকাতা আকাশবাণীতে নিয়মিত আলোচনায় অংশগ্রহণ করেছেন মহারাজ। অসাধারণ বাগ্মিতার জন্য ভারতবর্ষে সুপরিচিত। আমন্ত্রিত অতিথি বক্তা হিসেবে ভ্রমণ করেছেন শ্রীলঙ্কা, আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, স্কটল্যন্ড, ফ্রান্স, জার্মানি, অস্ট্রিয়া, সুইজারল্যান্ড, নেদারল্যান্ডস, ইতালি, ভ্যাটিকান সিটি, সিঙ্গাপুর, জাপান, কানাডা, মালটাসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ। বক্তৃতা প্রদান করেছেন অক্সফোর্ড, কেমব্রিজ, প্যারিস এবং লন্ডন ইউনিভার্সিটিতে। ১৯৯৯ সালে ভ্যাটিকানের পোপ ২য় জন পলের সঙ্গে তার সাক্ষাৎকার ভ্যাটিকেন টেলিভিশন থেকে সম্প্রচারিত হয়। ২০১৪ সালে নয়াদিল্লিতে বৌদ্ধ ধর্মের সর্বোচ্চ নেতা দালাই লামা আহুত আন্তর্জাতিক শান্তি সম্মেলনে রামকৃষ্ণ মঠÑমিশনের প্রতিনিধিত্ব করেন মহারাজ। ইউরোপের কেমব্রিজ বায়োগ্রাফিক্যাল সেন্টার ও আমেরিকার ক্যালিফোর্নিয়ার র‌্যালের বায়োগ্রাফিক্যাল সেন্টার তাকে পর পর তিনবার (১৯৯৮, ১৯৯৯, ২০০০) ‘ম্যান অফ দি ইয়ার’ ঘোষণা করেন। বাংলাদেশে রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের বিভিন্ন কেন্দ্রের অতিথি বক্তা হিসেবেও এসেছেন বেশ কয়েকবার। ঢাকা রামকৃষ্ণ মঠ ও রামকৃষ্ণ মিশনের প্রাক্তন অধ্যক্ষ পরম পূজ্যপাদ শ্রীমৎ স্বামী অক্ষরানন্দজী মহারাজের সঙ্গে ছিল তার আবাল্য বিশেষ স্নেহের সম্পর্ক।

স্বামী পূর্ণাত্মানন্দ মহারাজ ১৯৭৪ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজিতে এমএ পরীক্ষায় কৃতিত্বের সঙ্গে উত্তীর্ণ হয়ে রামকৃষ্ণ সংঘের কলকাতার ইনস্টিটিউট অফ কালচার কেন্দ্রে ব্রহ্মচারী হিসেবে যোগদান করেন এবং এই কেন্দ্রে গ্রন্থ প্রকাশনা ও গবেষণা বিভাগের প্রধান হিসেবে ১৪ বছর সেবাদান করেন। রামকৃষ্ণ সংঘের একমাত্র বাংলা মুখপত্র স্বামী বিবেকানন্দ প্রবর্তিত মাসিক ‘উদ্বোধন’ পত্রিকার সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন ১৯৮৭ সাল থেকে পরবর্তী ১৪ বছর। উদ্বোধন পত্রিকা সম্পাদনার দায়িত্ব শেষে এক বছর রামকৃষ্ণ সংঘের বিখ্যাত শিক্ষাকেন্দ্র নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ আশ্রমের সহকারী সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তী প্রায় ১০ বছর রামকৃষ্ণ সংঘের আগরতলা কেন্দ্র ও সেখানকার দুটি উপকেন্দ্রের সম্পাদক এবং বিবেকনগর রামকৃষ্ণ মিশন বিদ্যালয়ের প্রধান হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। এরপর ঢাকায় দায়িত্ব গ্রহণের পূর্ব পর্যন্ত তিনি রামকৃষ্ণ মিশন স্বামী বিবেকানন্দের পৈতৃক বাড়ি কেন্দ্রের সম্পাদক হিসেবে প্রশংসনীয় ভাবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

মস্কোতে 'Fish Aquarium' দর্শন করলেন পরম পূজ্যপাদ শ্রীমৎ স্বামী দিব্যানন্দজী মহারাজ।ভাইস প্রেসিডেন্ট, রামকৃষ্ণ মঠ ও রামকৃ...
24/05/2026

মস্কোতে 'Fish Aquarium' দর্শন করলেন পরম পূজ্যপাদ শ্রীমৎ স্বামী দিব্যানন্দজী মহারাজ।
ভাইস প্রেসিডেন্ট,
রামকৃষ্ণ মঠ ও রামকৃষ্ণ মিশন,
বেলুড় মঠ, ভারত।



24/05/2026

গান
রামকৃষ্ণ নামসুধায় মজ রে ভোলা মন,
এ যে রাম আর কৃষ্ণ মিলে মহানামধন।

এ নাম লয়ে তরে গেল নটি বিনোদিনী,
বকলমা দিয়ে গিরিশ গঙ্গাবারি জিনি।
নাম সাধন, নাম সাধ্য, নাম পথের ধন।। (ঐ)

রামকৃষ্ণ নাম যেই লবে শ্রদ্ধাভরে,
মুক্তিধামে নেবেন প্রভু নিজহাতে ধরে।

ও মন, আশা যদি থাকে তোর মুক্তির তরে,
পঞ্চভূতের খেলা ছেড়ে চল প্রভুর দ্বারে।
(ঠাকুর ) কপালমোচন, ফরাসডাঙা, কৃপায় অকারণ।। (ঐ)

গীতি ও সুর: স্বামী হরপদানন্দ

এখনো মাকে দেখি। কেমন দেখি একটু বলি। ১৩৬২ সালে পুরী গেলাম। সেখান থেকে এলাম জয়রামবাটী মায়ের বাড়িতে। আশ্রমের মোহন্ত খুব ...
22/05/2026

এখনো মাকে দেখি। কেমন দেখি একটু বলি। ১৩৬২ সালে পুরী গেলাম। সেখান থেকে এলাম জয়রামবাটী মায়ের বাড়িতে। আশ্রমের মোহন্ত খুব খুশি। থাকার ব্যবস্থা, খাওয়ার ভার সব দায়িত্ব আশ্রমের। স্নান সেরে হাজির হলাম সিংহবাহিনীর মন্দিরে। "কি ঠাকুর মা সিংহবাহিনী ?" ----একে-ওকে জিজ্ঞাসা করি, কেউ বলতে পারে না। পুজো করছে গণপতি। আমাকে দেখে তটস্থ হয়ে উঠল। "আসুন পিসিমা, ভিতরে আসুন। ওঃ, কী ভাগ্য আমাদের ! কতদিন পরে দেখতে পেলাম পিসিমাকে।" গণপতি হলো মার ভাইপো।

গণপতিকে বললাম : "হ্যাঁরে গণপতি, সিংহবাহিনী কি ঠাকুর রে ?" গণপতি বলে : "সে পিসিমা বড় জাগ্রত ঠাকুর। কত লোক আসে দূর দেশান্তর থেকে। কারুর আঙুল খসে যাচ্ছে। কারুর পেটে শূল বেদনা। কেউ ছেলের অসুখের জন্য মানত করে। কারুর বা দুঃখের সংসার। মার কাছে হত্যা দেয়---ফুল পায়। মনের কামনা মিটিয়ে বাড়ি ফেরে।"
'তা তো বুঝলাম। কিন্তু কি ঠাকুর মা সিংহবাহিনী, তাই বল না।"

গণপতি মাথা চুলকায়। আর গণপতিই বা কেন, মার ভাজেদের জিজ্ঞাসা করেছিলাম। তাদেরও ঐ একই কথা। মোহন্তকে শুধালাম, সেখানেও ভাসা ভাসা উত্তর। কি ঠাকুর মা সিংহবাহিনী, মনের মধ্যে ঐ একই প্রশ্ন।..... পুজো শেষ হলো। মার সামনে বসে আছি একা। কথা বলছি মায়ের সঙ্গে-----"মা সিংহবাহিনী, তুমি কে মা ? ওমা, তুমি তো সিংহবাহিনী, তুমি কে মা ? মাগো সিংহবাহিনী, বলো না মা তুমি !" হঠাৎ এক মধুর গন্ধে ভরে উঠল মায়ের মন্দির। বিদ্যুতের ঝিলিক দিয়ে সারা ঘর আলোয় আলো হয়ে গেল।

যেখানে বসানো ছিল মায়ের ছোট ঘটখানি তা আর দেখতে পেলাম না। দেখি, এক জ্যান্ত সিংহ ! দুটো কান নড়ছে। লেজটাও নড়ছে। আর সিংহের পিঠে বসে আছেন জগদ্ধাত্রী ! লাল টকটক করছে গায়ের রঙ। "ওমা, তুমিই সিংহবাহিনী !" একি ! চোখের পলক পড়তে না পড়তে দেখি জগদ্ধত্রী নেই। বসে আছেন মা দুর্গা, দশভূজা, সিংহের পিঠে। "ওমা সিংহবাহিনী, তুমি জগদ্ধাত্রী আবার তুমিই দুর্গা ! তুমি কত রূপ ধর মা !" বেশিক্ষণ নয়। বোধহয় দু-এক মিনিট। তারপর ! দুর্গাও নেই, জগদ্ধত্রীও নেই। সিংহাসন আলো করে বসে আছেন আমার সারদা-মা। চুলগুলি সেই একই ভাবে ছড়িয়ে আছে বুকের ওপর।

গলবস্ত্র হয়ে প্রণাম করলাম মাকে। মাথা তুলে দেখি মা নেই। নেই সিংহের পিঠে জগদ্ধাত্রী। নেই আমার দশভূজা দুর্গা। যেমন ঘট ছিল তেমনি বসানো আছে বেদির ওপর।

🌼🌺জয় মা জয় ঠাকুর জয় স্বামীজী🌺🌼

দক্ষিণেশ্বরে মাকে যেমন দেখেছি
ভবতারিণী দেবী

#সারদা #কথামৃত


22/05/2026
22/05/2026

জয় গীতা
*গীতা স্কুলের নতুন ব্যাচ শুরু*

ভক্ত সাধারণের অবগতি ও সনাতনী সন্তানদের মধ্যে ধর্মীয়শিক্ষা বিস্তারের সুবিধার্থে জানানো যাচ্ছে যে, কুমিল্লা রামকৃষ্ণ মিশনে গীতা ক্লাসের একটি নতুন ব্যাচ শুরু করা হবে। জুন মাস থেকে। সময় প্রতি শুক্রবার বিকাল ৪-৫ টা।
উল্লেখ্য বর্তমানে প্রতি শুক্রবার সকাল ৯:৩০-১১ টা একটা ব্যাচ চালু আছে।আগ্রহীরা যোগাযোগ করবেন। অফিসে অনেক ভক্ত আসেন, যারা বলেন- সকালে ছেলেমেয়েদেরকে পাঠাতে পারেন না, তাদের জন্য বিশেষত এই ব্যাচটি। আপনাদের পরিচিত সকলকে সুখবরটি জানাবেন।
যোগাযোগ: স্বামী হরপদানন্দ মহারাজ

০১৭১৪-৬৮৫৬৯৪

🌷🐾♨️🌷🐾♨️🌷🐾♨️🌷🐾♨️🌷🐾♨️*যেমন দেখি তারে* ============ *স্বামী সুবীরানন্দ,* *সাধারণ সম্পাদক,*  *রামকৃষ্ণ মঠ ও রামকৃষ্ণ মিশন, ...
19/05/2026

🌷🐾♨️🌷🐾♨️🌷🐾♨️🌷🐾♨️🌷🐾♨️

*যেমন দেখি তারে*
============
*স্বামী সুবীরানন্দ,* *সাধারণ সম্পাদক,*
*রামকৃষ্ণ মঠ ও রামকৃষ্ণ মিশন, বেলুড়।*
=====================
২০২১ শেষ হতে যাচ্ছে, ২০২০ ও ২০২১ গোটা পৃথিবী Covid আচ্ছন্ন ছিলো। আশা করবো, ঠাকুর, মা ও স্বামীজীর অহেতুকি কৃপায় ২০২২ আমাদের সকলের কাছে আনন্দমুখর ও সুখকর হয়ে উঠবে। বর্ষশেষে কি লিখবো সেই নিয়ে একটা ভাবনা ছিলোই, লিখতে বসলে Covid, মৃত্যুমিছিল, রিলিফ ক্যাম্প এসবের কথাই উঠে আসবে, এই ২ বছরে Covid এর ফলে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ ভাবে শুধু মাত্র রামকৃষ্ণ মিশনেরই ১০৩ জন সাধু দেহ রেখেছেন, তাই এই বিষন্নতা নিয়ে না লিখে এবার একটু অন্যভাবে কলম ধরলাম।
লেখার বিষয় হিসেবে বেছে নিলাম নবীন প্রজন্মকে যারা আগামী পৃথিবীকে দিশা দেখাবে। কিন্তু নতুন প্রজন্ম কতটা প্রস্তুত তাই নিয়েই একটা ছোট্ট আলোকপাত করছি আজকের এই লেখায়।

আসামের এক একান্নবর্তী সম্ভ্রান্ত বনেদি পরিবারে আমার জন্ম। ছোটবেলায় মাকে দেখতাম, মাছের মাথাটা সবসময় বাবার প্লেটে দিতে। খুব ছোটবেলা থেকেই বুঝতাম যে তিনি এই পরিবারের প্রথম শ্রেণীর মানুষ। তিনি যখন ঘুমাতেন, তখন আমরা উচ্চস্বরে কথা বলতাম না। তার সিদ্ধান্ত পছন্দ না হলে, তার সঙ্গে উচ্চস্বরে কথা বলার সাহস কখনই তৈরি হয়নি। আবার ঠাকুমা যখন বেড়াতে আসতেন, তখন মাকে দেখতাম বাবার কিছু কিছু সুবিধা কমিয়ে দিতে। এটুকু ধারণা মা পরিষ্কার তৈরি করেছিলেন যে, সিনিয়ররা জুনিয়রদের চেয়ে অধিক শ্রদ্ধাভাজন এবং অধিক সুবিধা পাওয়ার অধিকার রাখেন।

এখন অবস্থা পাল্টেছে। যে কোন বাবা-মাকেই যদি জিজ্ঞাসা করা হয়, আপনার পরিবারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কে? তারা নিঃসন্দেহে বলবে, তাদের সন্তান। তাদের সন্তান সোনার টুকরা, হীরার টুকরা, প্লাটিনামের টুকরা। যদি প্রশ্ন করা হয়, কেন তারা এতটা গুরুত্বপূর্ণ, তারা এমন কি কাজ করেছে যে তারা এতটা গুরুত্বপূর্ণ। কেউ সদুত্তর দিতে পারবে না। তারা কোন কারণ ছাড়াই, কোন যোগ্যতা অর্জন ছাড়াই প্রথম শ্রেণীর নাগরিক।

আমাদের সমস্যার জায়গা এখানেই। কোন অফিসে যদি এমডির পরিবর্তে জুনিয়র অফিসার বেশি গুরুত্ব পায়, তাহলে ঐ অফিসের শৃঙ্খলা ভেঙে পড়বে। যদি আর্মি জেনারেলের চেয়ে তার অধীনস্থ সৈন্যরা বেশি গুরুত্ব পায়, তাহলে ঐ আর্মি দিয়ে যুদ্ধ জয় সম্ভব না। আমাদের সন্তানরা জ্ঞান হওয়ার পর থেকেই বুঝতে পারে, তারা পরিবারের প্রথম শ্রেণীর নাগরিক, তাদের সুযোগ সুবিধা দেখার জন্যই নিয়োগ দেওয়া হয়েছে তাদের বাবা-মাকে, যারা এই পরিবারের দ্বিতীয় শ্রেণির নাগরিক এবং তাদের দাদু-দিদিমা-ঠাকুমারা তৃতীয় শ্রেণির নাগরিক।

সন্তান যখন দেখবে, সে কোন যোগ্যতা অর্জন ছাড়াই এই পরিবারের প্রথম শ্রেণীর নাগরিক, তখন সে এমনকি যোগ্যতা অর্জন করতেও চাইবে না। পরিবারে বাবা-মার অবস্থান সম্পর্কে, তাদের সুযোগ সুবিধা সম্পর্কে ভুল ধারণা তৈরি হবে। দাদু- ঠাকুমার সঙ্গে, দাদু-দিদিমার সঙ্গে কিভাবে কথা বলতে হয়, এগুলো শিখবে না। সমাজের বয়োজ্যেষ্ঠদের সঙ্গে কিভাবে কথা বলতে হয় শিখবে না, কারণ সে তো জন্মগতভাবে প্রথম শ্রেণীর সুবিধাভোগী নাগরিক। এখন মাঝে মাঝেই শোনা যায়, সন্তান মা-বাবার সঙ্গে জেদ করছে, তাকে কেন দামী মোবাইল ফোন কিনে দেওয়া হচ্ছে না, দামী ল্যাপটপ কিনে দেওয়া হচ্ছে না। এমনকি কোন বাড়িতে যাওয়া হবে, কোথায় যাওয়া যাবেনা, কার সাথে কথা বলা যাবে, কার সাথে যাবেনা, কোন ব্রান্ডের জিনিস কেনা হবে সবকিছুই নাবালক সন্তানরাই আজ নির্ধারণ করে দিচ্ছে। তারা এরকম করবে এটাই স্বাভাবিক, কারণ তারা এটা জেনে বা দেখে বড় হচ্ছে যে - তাদের সুবিধা দেওয়াই তাদের বাবা-মার দায়িত্ব। তারা কিভাবে তাদের দায়িত্ব পালন করবে এটা তাদের ব্যাপার। বাবা-মা এখন আর চায় না যে তাদের সন্তান একজন দায়িত্বশীল নাগরিক হোক। বাবা-মা তাদের সন্তানদের তাদের সামাজিক অবস্থান সম্পর্কে কখনই জানান না, সামাজিক দায়বদ্ধতা সম্পর্কে কখনো কিছু বলেন না। শুধু বলেন, বেটা/মা তোকে IAS/IPS ক্যাডার হতে হবে, ডাক্তার হতে হবে, ইন্জিনিয়ার হতে হবে। কতজন বাবা-মা আছে যে তাদের সন্তানদের বলে, বাবা/মা তোরা মানুষ হ। সামাজিক দায়িত্ববোধ শূন্য, সামাজিক সম্পর্ক শূন্য এইসব ছেলেমেয়েরা সমাজকে, আমাদের সংস্কৃতিকে কিভাবে উপরে তুলবে? এরা বরং যে কোন সময় সুবিধাজনক প্লাটফর্মে নিজেদেরকে শোষিত হতে দিতে অহংকার করবে। কোনটা লজ্জাবোধের বিষয়, কোনটা অহংকারের বিষয় - পার্থক্য তৈরি করতে পারবে না। এর ফলে রেজাল্ট হচ্ছে - এই সন্তানরা তৈরী হচ্ছে একটা আস্ত গাঁধা, একটাও আর মানুষ হচ্ছেনা। স্বামীজী বলেছিলেন, মনুষ্যজীবনের উদ্দেশ্য হলো মনুষ্যত্ব থেকে দেবত্বে উন্নীত হওয়া, দেবত্ব দূরে থাক, এরা একটাও মানুষ হয়েই উঠছে না, কারণ বাবা মায়ের পশ্রয় এবং তাদের প্রথম শ্রেণীর মর্যাদা প্রদান করা। এর ফলে বাবা মায়েরা দায়িত্ব নিয়ে সন্তানদের অতল অন্ধকারে নিমজ্জিত করে দিচ্ছে।

বাবা-মার প্রাথমিক দায়িত্ব সন্তানকে ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, ঘুষখোর বানানো না। বাবা-মার প্রাথমিক দায়িত্ব সন্তানকে একজন দায়িত্বশীল নাগরিক হিসাবে গড়ে তোলা।
নতুন বছরে প্রত্যেক বাবা মায়ের কাছে একটাই আবেদন, সন্তানকে আদৰ্শ দিন, বৈভব নয়; সংস্কার দিন, অহংকার নয়; আপনার সন্তান হয়ে উঠুক আগামী পৃথিবীর পথপ্রদর্শক।
২০২২ এ সবাই ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন, আনন্দে থাকুন ঠাকুর - মা - স্বামীজীর কাছে এই প্রার্থনা করি।

*৩১ শে ডিসেম্বর, ২০২১

সংগৃহীত ------

Heartfelt Farewell FelicitationTo His ExcellencyMr. Pranay Verma High Commissioner of India to Bangladesh& Mrs. Manu Ver...
19/05/2026

Heartfelt Farewell Felicitation
To His Excellency
Mr. Pranay Verma
High Commissioner of India to Bangladesh
& Mrs. Manu Verma
On May 6 , 2026
At Dhakeshwari National Temple, Dhaka
By the minority communities of Bangladesh.

Address

Thakur Para Road
Cumilla
3500

Opening Hours

Monday 05:00 - 12:00
15:30 - 20:30
Tuesday 05:00 - 12:00
15:30 - 20:30
Wednesday 05:00 - 12:00
15:30 - 20:30
Thursday 05:00 - 12:00
15:30 - 20:30
Friday 05:00 - 12:00
15:30 - 20:30
Saturday 05:00 - 12:00
15:30 - 20:30
Sunday 05:00 - 12:00
15:30 - 20:30

Telephone

08166031

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Ramakrishna Mission & Ashram Cumilla posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to Ramakrishna Mission & Ashram Cumilla:

Share