সনাতন ধর্ম

সনাতন ধর্ম এই পেইজে শ্রীমদ্ভগীতা ও ভাগবদ এর কথা এ

30/04/2025

“বৈদিক শাস্ত্রে এই আটটি জিনিসের দ্বারা ব্রত ভাঙ্গে না”

১. পানীয় জল (বিশুদ্ধ জল পান)
২. ফল (বিশেষ করে ফলমূল গ্রহণ)
৩. মূল (শাকমূল জাতীয় খাদ্য)
৪. কন্দমূল
৫. পাতা (শাক জাতীয় পাতাযুক্ত খাদ্য)
৬. দুগ্ধ (গরুর দুধ)
৭. ঘৃত (ঘি)
৮. ঔষধি দ্রব্য (ওষুধ বা ভেষজ দ্রব্য)

30/04/2025

🔔অক্ষয় তৃতীয়া তিথি🔔
🌹আসছে ৩০ এপ্রিল ২০২৫🌹
★অক্ষয় তৃতীয়া তিথি কি এবং কেন?

★অক্ষয় তৃতীয়া হল চান্দ্র বৈশাখ মাসের শুক্লপক্ষের তৃতীয়া তিথি। অক্ষয় তৃতীয়া বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ তিথি।
অক্ষয় শব্দের অর্থ হল যা ক্ষয়প্রাপ্ত হয় না। বৈদিক বিশ্বাসানুসারে এই পবিত্র তিথিতে কোন শুভকার্য সম্পন্ন হলে তা অনন্তকাল অক্ষয় হয়ে থাকে।

যদি ভালো কাজ করা হয় তার জন্যে আমাদের লাভ হয় অক্ষয় পূণ্য আর যদি খারাপ কাজ করা হয় তবে লাভ হয় অক্ষয় পাপ।
তাই এদিন খুব সাবধানে প্রতিটি কাজ করা উচিত। খেয়াল রাখতে হয় ভুলেও যেন কোনো খারাপ কাজ না হয়ে যায়। কখনো যেন কটু কথা না বেরোয় মুখ থেকে। কোনো কারণে যেন কারো ক্ষতি না করে ফেলি বা কারো মনে আঘাত দিয়ে না ফেলি। তাই এদিন যথাসম্ভব মৌন থাকা জরুরী। আর এদিন পূজা,জপ,ধ্যান,দান,অপরের মনে আনন্দ দেয়ার মত কাজ করা উচিত। যেহেতু এই তৃতীয়ার সব কাজ অক্ষয় থাকে তাই প্রতিটি পদক্ষেপ ফেলতে হয় সতর্কভাবে।

★এই তিথিতে যে সকল তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা ঘটেছিল।

১) এদিনই বিষ্ণুর ষষ্ঠ অবতার পরশুরাম জন্ম নেন পৃথিবীতে।
২) এদিনই রাজা ভগীরথ গঙ্গা দেবীকে মর্ত্যে নিয়ে এসেছিলেন।
৩) এদিনই গণপতি গনেশ বেদব্যাসের মুখনিঃসৃত বাণী শুনে মহাভারত রচনা শুরু করেন।
৪) এদিনই দেবী অন্নপূর্ণার আবির্ভাব ঘটে।
৫) এদিনই সত্যযুগ শেষ হয়ে ত্রেতাযুগের সূচনা হয়।
৬) এদিনই কুবেরের তপস্যায় তুষ্ট হয়ে মহাদেব তাঁকে অতুল ঐশ্বর্য প্রদান করেন। এদিনই কুবেরের লক্ষ্মী লাভ হয়েছিল বলে এদিন বৈভব-লক্ষ্মীর পূজা করা হয়।
৭) এদিনই ভক্তরাজ সুদামা শ্রী কৃষ্ণের সাথে দ্বারকায় গিয়ে দেখা করেন এবং তাঁর থেকে সামান্য চালভাজা নিয়ে শ্রী কৃষ্ণ তাঁর সকল দুঃখ মোচন করেন।
৮) এদিনই দুঃশাসন দ্রৌপদীর বস্ত্রহরণ করতে যান এবং ভগবান তার সখীকে রক্ষা করেন শ্রীকৃষ্ণ।
শরনাগতের পরিত্রাতা রূপে এদিন শ্রী কৃষ্ণা দ্রৌপদীকে রক্ষা করেন।
৯) এদিন থেকেই পুরীধামে জগন্নাথদেবের রথযাত্রা উপলক্ষ্যে রথ নির্মাণ শুরু হয়।
১০) কেদার বদরী গঙ্গোত্রী যমুনত্রীর যে মন্দির ছয়মাস বন্ধ থাকে এইদিনেই তার দ্বার উদঘাটন হয়। দ্বার খুললেই দেখা যায় সেই অক্ষয়দীপ যা ছয়মাস আগে জ্বালিয়ে আসা হয়েছিল।
১১) এদিনই সত্যযুগের শেষ হয়ে প্রতি কল্পে ত্রেতা যুগ শুরু হয়।

30/04/2025

অক্ষয় তৃতীয়া সম্পর্কে একটি পুরানিক গল্প।।
অক্ষয় তৃতীয়ার দানের মাহাত্ম্য।।

ধর্মরাজ যুধিষ্ঠির একবার মহামুনি শতানিককে অক্ষয় তৃতীয়া তিথির মাহাত্ম্য কীর্তন করতে বললেন ।
শতানিক বললেন পুরাকালে খুব ক্রোধসর্বস্ব , নিষ্ঠুর এক ব্রাহ্মণ ছিলেন । ধর্মকর্মে তার বিন্দুমাত্র আগ্রহ ছিলনা । একদিন এক দরিদ্র ক্ষুধার্ত ব্রাহ্মণ তার নিকট অন্ন এবং জল ভিক্ষা চাইলেন । রণচন্ডী হয়ে ব্রাহ্মণ কর্কশ স্বরে তাঁর দুয়ার থেকে ভিখারীকে দূর দূর করে তাড়িয়ে দিলেন আর বললেন যে অন্যত্র ভিক্ষার চেষ্টা করতে ।
ক্ষুধা-পিপাসায় কাতর ভিখারী চলে যেতে উদ্যত হল ।
ব্রাহ্মণ পত্নী সুশীলা অতিথির অবমাননা দেখতে না পেরে দ্রুত স্বামীর নিকট উপস্থিত হয়ে ভরদুপুরে অতিথি সত্কার না হলে সংসারের অমঙ্গল হবে এবং গৃহের ধন সমৃদ্ধি লোপ পাবে … একথা জানালেন ।
স্বামীর দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে ভিখারীকে তিনি ডাক দিলেন এবং ভিখারীর অন্যত্র যাবার প্রয়োজন নেই সে কথা জানালেন । সুশীলা ত্রস্তপদে তার জন্য অন্নজল আনবার ব্যবস্থা করলেন । কিছুপরেই তিনি অতিথি ভিক্ষুকের সামনে সুশীতল জল এবং অন্ন-ব্যঞ্জন নিয়ে হাজির হলেন । ভিখারী বামুন অতীব সন্তুষ্ট হলেন এবং সে যাত্রায় সুশীলাকে আশীর্বাদ করে সেই অন্নজল দানকে অক্ষয় দান বলে অভিহিত করে চলে গেলেন ।
বহুবছর পর সেই উগ্রচন্ড ব্রাহ্মণের অন্তিমকাল উপস্থিত হল । যমদূতেরা এসে তার শিয়রে হাজির । ব্রাহ্মণের দেহপিঞ্জর ছেড়ে তার প্রাণবায়ু বের হ’ল বলে । তার শেষের সেই ভয়ঙ্কর সময় উপস্থিত । ক্ষুধা ও তৃষ্ণায় তার কন্ঠ ও তালু শুকিয়ে গেল । তার ওপর যমদূতেদের কঠোর অত্যাচার । ব্রাহ্মণ তাদের কাছে দুফোঁটা জল চাইল এবং তাকে সে যাত্রায় উদ্ধার করতে বলল ।
যমদূতেরা তখন একহাত নিল ব্রাহ্মণের ওপর ।
তারা বলল ” মনে নেই ? তুমি তোমার গৃহ থেকে অতিথি ভিখারীকে নির্জ্জলা বিদেয় করেছিলে ?”
বলতে বলতে তারা ব্রাহ্মণকে টানতে টানতে ধর্মরাজের কাছে নিয়ে গেল ।

ধর্মরাজ ব্রাহ্মণের দিকে তাকিয়ে বললেন ” এঁকে কেন আমার কাছে এনেছ্? ইনি মহা পুণ্যবান ব্যক্তি ।বৈশাখমাসের শুক্লা তৃতীয়া তিথিতে এনার পত্নী তৃষ্ণার্ত অতিথিকে অন্নজল দান করেছেন । এই দানঅক্ষয় দান ।
সেই পুণ্যে ইনি পুণ্যাত্মা । আর সেই পুণ্যফলে এনার নরক গমন হবেনা । ব্রাহ্মণকে তোমরা জল দাও । এনার প্রাণবায়ু নির্গত হতে দাও । শীঘ্রই ইনি স্বর্গে গমন করবেন ”
হরে কৃষ্ণ 🙏

23/04/2025

#অগ্রীম_একাদশী_বাতাঃ-

24/4/2025ইং 10 বৈশাখ প্রথম একাদশী 1432 বঙ্গাব্দঃ-
রোজ বৃহস্পতিবার পবিত্র বরুথিনী একাদশীঃ-
পরদিন পারণের সময় (পঞ্জিকা) মতে করবেনঃ- পরদিন 5:46 - 8:23 মিনিট

বৈশাখ মাসের কৃষ্ণপক্ষীয়া বরুথিনী একাদশী ব্রত কথা মাহাত্ম্য ও গুরুত্বঃ-

বরুথিনী একাদশী ব্রত: ভবিষ্যোত্তর পুরাণে বরুথিনী একাদশী ব্রতের মাহাত্ম্য বিশেষভাবে উল্লেখিত আছে৷ বৈশাখ মাসের কৃষ্ণপক্ষের একাদশীতে পালিত এই ব্রত কে পাপমোচনী ও সৌভাগ্য প্রদানকারী হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে৷ মহারাজ যুধিষ্ঠির এবং শ্রীকৃষ্ণের মধ্যে এই ব্রত নিয়ে এক বিশেষ সংলাপের বর্ণনা পুরানে পাওয়া যায়৷

মহারাজ যুধিষ্ঠির শ্রীকৃষ্ণকে প্রশ্ন করেন: হে বাসুদেব! বৈশাখ মাসের কৃষ্ণপক্ষের একাদশী কি নামে পরিচিত এবং এর মাহাত্ম্য কি?
শ্রীকৃষ্ণ বলেন: হে রাজন! বৈশাখ মাসের কৃষ্ণপক্ষের একাদশী বরুথিনী একাদশী নামে পরিচিত৷ এই ব্রত পাৱন করলে ইহলোক ও পরলোকে সুখ লাভ হয়৷ এটি পাপমোচনকারী এবং সৌভাগ্য প্রদানকারী ব্রত৷ দুর্ভাগা পন্ন নারীও এই ব্রত প্রভাবে সর্ব-সৌভাগ্য লাভ করতে সক্ষম হন৷ ভক্তি ও মুক্তি প্রদানের জন্য এই ব্রত বিশেষ ভাবে পরিচিত৷

শ্রীকৃষ্ণ আরো জানান: এই ব্রতের প্রভাবে রাজা মান্ধাতা এবং ধুন্ধুমার মহারাজ দিব্যধামে গমন করেন৷ এমনকি দেবাদিদেব মহাদেব শিবও এই ব্রত পালন করেছেন৷ বরুথিনী একাদশীর মাহাত্ম্য এতই অসীম যে, এটি দশ হাজার বছরের কঠোর তপস্যার ফলের সমান ফল প্রদান করে৷

বরুথিনী একাদশী ব্রতের অসামান্য মাহাত্ম্য: বরুথিনী একাদশী ব্রতের মহিমা ও ফল অসাধারণ৷ শ্রীকৃষ্ণের বর্ণনা অনুসারে: যে ব্যক্তি এই ব্রত পালন করেন, তিনি ইহলোক ও পরলোকে সকল কাম্য ফল লাভ করেন৷ এটি এমন এক ব্রত, যাঁর ফলে পাপমুক্তি ঘটে এবং সৌভাগ্য বৃদ্ধি পায়৷

শ্রীকৃষ্ণ আরো বলেন: দান-ধর্মের মধ্যে অন্নাদান সর্বোত্তম, কারণ এটি জীবনের প্রধান প্রয়োজন মেটায়৷ তবে বরুথিনী একাদশী ব্রত পালনের ফলে যে ফল অর্জিত হয় তা বিদ্যাদানের সমান৷

#হরেকৃষ্ণ_হরেকৃষ্ণ_কৃষ্ণকৃষ্ণ_হরেহরেঃ৷
#হরেরাম_হরেরাম_রামরাম_হরেহরেঃ৷৷

Joy shree Krissna
18/12/2024

Joy shree Krissna

Joy shree krissna
18/12/2024

Joy shree krissna

24/11/2024

ভুল নিয়মে সিঁদুর
পরলে তা স্বামীর
দুর্ভাগ্যকে ডেকে
আনতে পারে

আসুন কিভাবে সিঁদূর পরতে হয় জেনে নি।
#প্রাচীনকাল থেকেই হিন্দু মহিলারা
স্বামীর জন্য সিঁথিতে সিঁদুর পরে
আসছেন। সনাতন ধর্মে সিঁদুর বিবাহিত
মহিলার প্রতিক যা তারা স্বামীর মঙ্গল
কামনায় পরে থাকেন। সিঁদুরের লাল রং
শক্তি ও ভালোবাসাকে বহন করে বলে
মনে করা হয়। কিন্তু এই সিঁদুর পরারও
বিশেষ কিছু নিয়ম কানন রয়েছে। ভুল
নিয়মে সিঁদুর পরলে তা স্বামীর
দুর্ভাগ্যকে ডেকে আনতে পারে।

#হিন্দু ধর্মে এটা মনে করা হয় স্ত্রী
তার সিঁদুরের শক্তি দিয়ে স্বামীকে
যেকোনো বিপদের হাত থেকে বাঁচাতে
পারেন। তাই হিন্দু ধর্মে বিবাহিত
মহিলাদের সিঁদুর পরার রীতি।

#প্রচলিত মান্যতা অনুযায়ী মহিলারা
যদি সিঁথির ঠিক মাঝামাঝিতে সিঁদুর
লাগান তাহলে তার স্বামীর কখনও অকাল
মৃত্যু হয় না। এতে তার স্বামী দীর্ঘজীবন
লাভ করেন।

#অনেক মহিলারা মাথায় নাম মাত্র
সিঁদুর লাগান। এমন করলে স্বামী স্ত্রীর
মধ্যে সম্পর্ক নষ্ট হয়ে যায়। ফলে
সংসারে অশান্তি নেমে আসে।

#কিছু মহিলারা আধুনিকতা
দেখানোর জন্য সিঁদুরকে চুল দিয়ে ঢেকে
রাখেন। এমন স্ত্রীর স্বামীরাও সমাজে
হারিয়ে যায়। অর্থাৎ সমাজে এদের কোন
নাম ডাক থাকে না। তাদের পরিবার ও
স্বামীর সমাজে কোন সন্মান থাকে না।

#কিছু কিছু মহিলারা ভিজে সিঁদুর
মাথায় দিয়ে থাকেন। যে স্ত্রীরা ভিজে
সিঁদুর মাথায় দেন তাদের স্বামীরাও
ভিজে সিঁদুরের মতন চুপসে যায়। তাই ভুল
করেও মাথায় ভিজে সিঁদুর পরবেন না।

#যে স্ত্রী তার মাথার সাইডে সিঁদুর
পরেন, তার স্বামী তার থেকে দুরে চলে
যায়। তাদের মধ্যে সর্বদা মতবিরোধ
লেগে থাকে। ফলে দাম্পত্য জীবন সুখের
হয় না।

#অনেক মহিলারা সিঁদুরের পরিবর্তে
অন্য লাল রঙের কস্মেটিক্স ব্যবহার করে
থাকেন। যা দেখতে সিঁদুরের মতন হলেও
তা বাস্তবে সিঁদুর নয়। এতে স্বামীর
অমঙ্গল নিশ্চিত।

#এছাড়াও সিঁদুর পরার কিছু
বৈজ্ঞানিক কারণও আছে।
বৈজ্ঞানিকদের মতে সিঁদুর মস্তিষ্ক বা
মাথার নার্ভের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ
ভূমিকা পালন করে। মহিলারা যেখানে
সিঁদুর পরেন, মাথার সেই জায়গায়
গুরুত্বপূর্ণ নার্ভ থাকে। ফলে সেখানে
থাকা সিঁদুর মেডিটেশনে সাহায্য করে।
এমনকি ঘুম বাড়াতে সাহায্য করে সিঁদুর।

#তাই প্রত্যকে সনাতন ধর্মের হিন্দু
সমাজের নারীদের কর্তব্য নিজের
সংস্কৃতিকে সম্মান করা। এবং এই পবিত্র
ভুষণে নিজেকে ভুষিত করা।
#জয় শ্রী রাম

হর ও হরি
13/11/2024

হর ও হরি

জয় শ্রী রাম
10/11/2024

জয় শ্রী রাম

07/11/2024
31/10/2024

শ্যামাপূজা ও শুভ দীপাবলি শুভেচ্ছা জানাই সবাইকে।

দামদার মাসের এগুলো খাওয়া যাবে না।
26/10/2024

দামদার মাসের এগুলো খাওয়া যাবে না।

Address

Cumilla

Telephone

+8801625332329

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when সনাতন ধর্ম posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to সনাতন ধর্ম:

Share