ঘিলাতলা দরবার শরীফ - Ghilatola Darbar Sharif

ঘিলাতলা দরবার শরীফ - Ghilatola Darbar Sharif Ghilatola Darbar Sharif is one of the well known centers of Sufism in Bangladesh where thousands of people have been getting the spiritual path of Islam

এটি হযরত বাবা ফারিদ গঞ্জে শকর রহমাতুল্লাহি আলাইহির কঠিন রূহানি মুজাহাদার একটি বিখ্যাত ঘটনা। যখন তিনি হযরত খাজা কুতুবুদ্দ...
23/05/2026

এটি হযরত বাবা ফারিদ গঞ্জে শকর রহমাতুল্লাহি আলাইহির কঠিন রূহানি মুজাহাদার একটি বিখ্যাত ঘটনা। যখন তিনি হযরত খাজা কুতুবুদ্দীন বখতিয়ার কাকী রহমাতুল্লাহি আলাইহির অনুমতি নিয়ে মুজাহাদা শুরু করেন, তখন তাঁর পীর ও মুর্শিদ তাঁকে “সবর ও রোজা” অবলম্বনের নির্দেশ দেন।

এরপর বাবা ফারিদ রহমাতুল্লাহি আলাইহি টানা তিন দিন কিছুই আহার করেননি। তৃতীয় দিনের ইফতারের সময় কোথা থেকে কিছু রুটি এসে পৌঁছায়। তিনি সেটিকে আল্লাহর পক্ষ থেকে প্রেরিত রিজিক মনে করে খেয়ে নেন।

কিন্তু কিছুক্ষণ পর তিনি দেখলেন একটি কাক ময়লা-আবর্জনা খাচ্ছে। তখন তাঁর অন্তরে প্রবল অশান্তি সৃষ্টি হলো। তিনি ধারণা করলেন, হয়তো সেই খাদ্য হালাল ও পবিত্র ছিল না। ফলে তিনি এমন ব্যবস্থা করলেন যাতে তাঁর পাকস্থলী পরিষ্কার হয়ে যায়।

পরে তিনি এই ঘটনা তাঁর পীর হযরত খাজা কুতুবুদ্দীন বখতিয়ার কাকী রহমাতুল্লাহি আলাইহিকে জানালে, তিনি বললেন, “ওই রিজিক একজন মদ বিক্রেতার উপার্জন থেকে এসেছিল। আল্লাহ তাআলা তোমার পাকস্থলীকে তা গ্রহণ করা থেকে হেফাজত করেছেন।”

এরপর আবার তাঁকে রোজা রাখার নির্দেশ দেওয়া হলো।

ছয় দিন পর্যন্ত তিনি আর কোনো খাবার পেলেন না। প্রবল ক্ষুধায় তাঁর শরীর অত্যন্ত দুর্বল হয়ে পড়ে। এক রাতে ক্ষুধা ও নফসের তীব্র কষ্টে তিনি মাটি থেকে কয়েকটি ছোট পাথর কুড়িয়ে নিয়ে মুখে রাখলেন। আল্লাহর হুকুমে সেই পাথরগুলো চিনি বা শকরে পরিণত হয়ে গেল।

হাকিম সানায়ী রহমাতুল্লাহি আলাইহির সেই বিখ্যাত উক্তি এখানে সত্য প্রমাণিত হলো, যেখানে বলা হয়েছে, “খেজুর গাছের পাথর রত্নে পরিণত হয় এবং বিষও চিনিতে রূপ নেয়।”

প্রথমবার পাথরগুলো চিনি হয়ে গেলে বাবা ফারিদ রহমাতুল্লাহি আলাইহি ভাবলেন, এটি হয়তো শয়তানের কোনো ধোঁকা। তাই তিনি সেগুলো ফেলে দিলেন এবং পুনরায় জিকিরে মশগুল হয়ে গেলেন।

কিন্তু কিছুক্ষণ পর আবার ক্ষুধা বেড়ে গেলে তিনি দ্বিতীয়বার পাথর মুখে রাখলেন। আবারও তা চিনিতে পরিণত হলো। তবুও সন্দেহের কারণে তিনি সেগুলো ফেলে দিলেন।

রাতের শেষ প্রহরে ক্ষুধার দুর্বলতায় যখন ইবাদতে বিঘ্ন ঘটতে লাগল, তখন তিনি তৃতীয়বার পাথর মুখে রাখলেন। এবারও তা চিনিতে রূপান্তরিত হলো। এবার তাঁর অন্তরে দৃঢ় বিশ্বাস জন্ম নিল যে, এটি আল্লাহ তাআলার পক্ষ থেকে বিশেষ রহমত ও বরকত।

সকালে তিনি পুরো ঘটনা তাঁর পীর হযরত খাজা কুতুবুদ্দীন বখতিয়ার কাকী রহমাতুল্লাহি আলাইহিকে শুনালেন। তখন তিনি বললেন, “গায়েব থেকে আগত এই রিজিক সম্পূর্ণ পাক ও বরকতময় ছিল। তোমার উচিত ছিল তা গ্রহণ করা।”

এরপর তিনি বাবা ফারিদ রহমাতুল্লাহি আলাইহিকে দোয়া করে বললেন, “তুমি সর্বদা চিনির মতো মিষ্টি হয়ে থাকো।”

এই ঘটনার পর থেকেই তিনি “গঞ্জে শকর” অর্থাৎ “চিনির ভাণ্ডার” উপাধিতে প্রসিদ্ধ হয়ে ওঠেন।

তোমার কদমে এসে লুটিয়ে পড়াটাই ছিল আমার কাজ,এখন আমার ভাগ্য জাগিয়ে তোলা তোমার কাজ ।💕🙏💕
23/05/2026

তোমার কদমে এসে লুটিয়ে পড়াটাই ছিল আমার কাজ,
এখন আমার ভাগ্য জাগিয়ে তোলা তোমার কাজ ।💕🙏💕

23/05/2026
23/05/2026

❤️❤️❤️❤️

হযরত মুহিউদ্দীন ইবনে আরাবি রহমাতুল্লাহি আলাইহির আলোচনা উঠলেই এক মহান, নূরানী ও গভীর রূহানিয়াতপূর্ণ ব্যক্তিত্বের কথা স্মর...
23/05/2026

হযরত মুহিউদ্দীন ইবনে আরাবি রহমাতুল্লাহি আলাইহির আলোচনা উঠলেই এক মহান, নূরানী ও গভীর রূহানিয়াতপূর্ণ ব্যক্তিত্বের কথা স্মরণে আসে। বিশ্ব তাঁকে “শাইখুল আকবর” নামে চেনে, যার অর্থ “সর্বশ্রেষ্ঠ আধ্যাত্মিক শিক্ষক”।

তাঁর জন্ম ২৮ জুলাই ১১৬৫ খ্রিষ্টাব্দে স্পেনের মুরসিয়া শহরে। শৈশব থেকেই তিনি আল্লাহর প্রেমে নিমগ্ন ছিলেন এবং সেই রূহানি অনুসন্ধানের পথে তিনি পৃথিবীর বহু অঞ্চল সফর করেন।

তিনি শুধু একজন সাধারণ সাধক ছিলেন না; বরং এমন এক মহান দার্শনিক ও সুফি ছিলেন, যিনি তাঁর লেখনীর মাধ্যমে বহু গভীর আধ্যাত্মিক রহস্য উন্মোচন করেছেন। তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ “আল-ফুতূহাতুল মাক্কিয়্যা” এবং “ফুসূসুল হিকাম” আজও তাসাউফ ও সুফি দর্শনের মৌলিক ভিত্তি হিসেবে বিবেচিত হয়।

তিনি “ওয়াহদাতুল উজুদ” বা সমগ্র সৃষ্টিজগতে একমাত্র আল্লাহরই প্রকাশ ও নিদর্শন বিদ্যমান থাকার যে দর্শন তুলে ধরেছিলেন, তা অসংখ্য সুফি হৃদয়ে নতুন রূহানি জাগরণ সৃষ্টি করেছিল।

দীর্ঘ জীবন সফরে অতিবাহিত করার পর তিনি তাঁর জীবনের শেষ ঠিকানা হিসেবে সিরিয়ার দামেস্ক নগরীকে বেছে নেন। সেখানেই ১৬ নভেম্বর ১২৪০ খ্রিষ্টাব্দে তিনি ইন্তিকাল করেন।

তাঁর মাজার শরিফ আজও সিরিয়ার দামেস্ক শহরের সালিহিয়া এলাকায় অবস্থিত “শাইখ মুহিউদ্দীন মসজিদ”-এর ভেতরে রয়েছে। অসংখ্য ভক্ত ও জিয়ারতকারী গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা নিয়ে সেখানে উপস্থিত হন এবং দোয়া করেন।

তাঁর ইলম, চিন্তাধারা ও রূহানি ব্যক্তিত্ব আজও ততটাই জীবন্ত, যতটা শত শত বছর আগে ছিল। যে কেউ রূহানিয়াতের গভীরতা উপলব্ধি করতে চায়, সে আজও হযরত ইবনে আরাবি রহমাতুল্লাহি আলাইহির দরবার থেকে জ্ঞান ও আত্মিক প্রশান্তির সন্ধান লাভ করে।

ঠিকানা: শাইখ মুহিউদ্দীন ইবনে আরাবি মসজিদ ও মাজার, সালিহিয়া এলাকা, দামেস্ক, সিরিয়া।

একদিন হযরত নিজামুদ্দীন আউলিয়া রহমাতুল্লাহি আলাইহি তাঁর পীর ও মুর্শিদ হযরত বাবা ফারিদ গঞ্জে শকর রহমাতুল্লাহি আলাইহির খেদম...
23/05/2026

একদিন হযরত নিজামুদ্দীন আউলিয়া রহমাতুল্লাহি আলাইহি তাঁর পীর ও মুর্শিদ হযরত বাবা ফারিদ গঞ্জে শকর রহমাতুল্লাহি আলাইহির খেদমতে উপস্থিত ছিলেন। সে সময় বাবা সাহেব হযরত শাইখ শাহাবুদ্দীন উমর সোহরাওয়ার্দী রহমাতুল্লাহি আলাইহির বিখ্যাত কিতাব “আওয়ারিফুল মা’আরিফ” অধ্যয়ন করছিলেন।

তখন তো ছাপাখানার প্রচলন ছিল না, তাই সব কিতাব হাত দিয়ে লিখতে হতো। বাবা ফারিদ রহমাতুল্লাহি আলাইহির কাছেও এমন একটি হাতে লেখা কপি ছিল, যা পুরনো হয়ে যাওয়ায় কিছুটা ছিঁড়ে গিয়েছিল। ফলে কিতাবটি পড়তে তাঁর কিছু কষ্ট হচ্ছিল।

হযরত নিজামুদ্দীন আউলিয়া রহমাতুল্লাহি আলাইহি বিষয়টি লক্ষ্য করে অনিচ্ছাকৃতভাবে বলে ফেললেন, “দিল্লিতে আপনার ভাই হযরত নাজীবুদ্দীন মুতাওয়াক্কিল রহমাতুল্লাহি আলাইহির কাছেও আমি এই কিতাবের একটি নুসখা দেখেছি। সেটি খুব পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ছিল এবং পড়তেও সহজ ছিল।”

এ কথা শুনে বাবা ফারিদ রহমাতুল্লাহি আলাইহি বললেন, “হ্যাঁ ভাই! আমি তো একজন ফকির মানুষ। এত সামর্থ্য কোথায় যে খুব সুন্দর ও উন্নত মানের কিতাব লিখিয়ে রাখবো!”

বিষয়টি সেখানেই শেষ হয়ে গেল।

কিন্তু যখন হযরত নিজামুদ্দীন আউলিয়া রহমাতুল্লাহি আলাইহি মজলিস থেকে বাইরে বের হলেন, তখন মাওলানা বদরুদ্দীন ইসহাক রহমাতুল্লাহি আলাইহি তাঁকে বললেন, “মাওলানা নিজামুদ্দীন! আজ আপনি ঠিক কাজ করেননি। আপনি আপনার পীরের কিতাবের তুলনায় অন্যের কিতাবকে উত্তম বলেছেন। এটি আদবের খেলাফ। বাবা সাহেব নিশ্চয়ই কষ্ট পেয়েছেন।”

এই কথা শুনে হযরত নিজামুদ্দীন আউলিয়া রহমাতুল্লাহি আলাইহি অত্যন্ত ব্যথিত ও উদ্বিগ্ন হয়ে পড়লেন। তিনি বুঝতে পারছিলেন না কীভাবে বাবা সাহেবের সামনে যাবেন এবং কীভাবে ক্ষমা চাইবেন। বাইরে থেকে বিষয়টি সামান্য মনে হলেও, যার উপর দিয়ে যায় সেই কেবল এর গভীরতা উপলব্ধি করতে পারে।

তিনি এতটাই মর্মাহত হলেন যে, তাঁর মনে আত্মহত্যার চিন্তাও আসতে লাগল। কিন্তু পরে নিজেকেই বুঝালেন যে আত্মহত্যা হারাম, আর এতে তাঁর পীরও সন্তুষ্ট হবেন না।

অবশেষে এক পীরজাদার পরামর্শে তিনি রাতে গিয়ে তাঁর পীর ও মুর্শিদ বাবা ফারিদ রহমাতুল্লাহি আলাইহির দরজার সামনে মাথা রেখে শুয়ে পড়লেন।

তাহাজ্জুদের নামাজের সময় বাবা সাহেব যখন হুজরা থেকে বাইরে বের হলেন, তখন তাঁর পা হযরত নিজামুদ্দীন আউলিয়া রহমাতুল্লাহি আলাইহির মাথার সঙ্গে স্পর্শ করল। তিনি জিজ্ঞেস করলেন, “কে?”

হযরত উত্তর দিলেন, “আমি।”

এ কথা শোনামাত্র বাবা ফারিদ রহমাতুল্লাহি আলাইহি তাঁকে উঠিয়ে বুকে জড়িয়ে নিলেন এবং বললেন,

“মিয়া! আমাদের বড় হওয়ার কোনো শখ নেই। আমরা মুরিদদের উপর যে কঠোরতা করি, তা কেবল তাদের তরবিয়তের জন্য। পীরের মর্যাদা মুরিদের জন্য সেই মাশাত্তার মতো, যে নববধূকে সাজিয়ে-গুছিয়ে তোলে। ঠিক তেমনি আমরাও মুরিদকে গড়ে তুলি ও পরিশুদ্ধ করি, যাতে তার মধ্যে রূহানি কামাল সৃষ্টি হয়।”

উৎসঃ- ফাওয়ায়েদুল ফাওয়াদ

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহ প্রদত্ত ক্ষমতায় উম্মতের উপকার করতে পারেন  তথাকথিত আমির হামজার বক্তব্যের দা...
22/05/2026

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহ প্রদত্ত ক্ষমতায় উম্মতের উপকার করতে পারেন তথাকথিত আমির হামজার বক্তব্যের দাঁতভাঙ্গা জবাব

​১. হযরত জাবের (রা.)-এর বিশাল ঋণ পরিশোধে অলৌকিক উপকার
​হযরত জাবের (রা.)-এর পিতা ওহুদ যুদ্ধে শহীদ হওয়ার পর বিপুল পরিমাণ ঋণ রেখে যান। পাওনাদার ইহুদীরা কোনোভাবেই ছাড় দিচ্ছিল না এবং জাবের (রা.)-এর বাগানের সমস্ত খেজুর দিয়েও সেই ঋণ শোধ হওয়া সম্ভব ছিল না। রাসূলুল্লাহ (দ.) সেখানে গিয়ে বরকতের দোয়া করেন এবং অলৌকিক উপায়ে ঋণ শোধের ব্যবস্থা করেন।
​আরবী ইবারত:
​"... فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: ‏"‏ جُذَّ لَهُ فَأَوْفِ لَهُ ‏"‏‏.‏ فَجَذَّهُ بَعْدَمَا طَافَ بِهِ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَأَوْفَاهُ وَفَضَلَ مِنْهُ، فَأَتَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لأُبَشِّرَهُ، فَوَجَدْتُهُ قَائِمًا يُصَلِّي، فَلَمَّا انْصَرَفَ أَنْهَيْتُ إِلَيْهِ ذَلِكَ، فَقَالَ: ‏"‏ تَبَارَكَ اللَّهُ ‏"‏‏."
​উৎস: সহীহ বুখারী, হাদীস নং- ২৪০৫ (ঋণ পরিশোধ অধ্যায়)।
​অনুবাদ: "...রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (খেজুরের স্তূপের চারদিকে ঘুরে দোয়া করে) বললেন: 'তুমি খেজুর কেটে তাকে তার পুরো পাওনা পরিশোধ করে দাও।' জাবের (রা.) বলেন, আমি কেটে তাকে পুরো পাওনা পরিশোধ করলাম, তবুও খেজুর উদ্বৃত্ত রয়ে গেল। অতঃপর আমি রাসূলুল্লাহ (দ.)-এর কাছে সুসংবাদ দিতে এলাম। তিনি তখন সালাত আদায় করছিলেন। সালাত শেষে আমি তাঁকে বিষয়টি জানালে তিনি বললেন: 'তাবারাকাল্লাহ' (আল্লাহ বরকতময়)।"

​২. দুর্ভিক্ষ ও খরা থেকে সাহাবীদের বাঁচাতে দোয়া ও তাৎক্ষণিক বৃষ্টি
​মদীনায় যখন তীব্র অনাবৃষ্টি ও খরা দেখা দিল, তখন সাহাবীগণ চরম সংকটে পড়লেন। জুমার খুতবা চলাকালীন এক সাহাবীর অনুরোধে নবীজী (দ.) হাত তুলে দোয়া করার সাথে সাথেই মেঘ জমা হয়ে বৃষ্টি শুরু হয় এবং সাহাবীগণ অভাব থেকে রক্ষা পান।
​আরবী ইবারত:
​"... فَقَالَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، هَلَكَتِ المَوَاشِي، وَانْقَطَعَتِ السُّبُلُ، فَادْعُ اللَّهَ يُغِيثُنَا. فَرَفَعَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَدَيْهِ فَقَالَ: ‏"‏ اللَّهُمَّ اسْقِنَا، اللَّهُمَّ اسْقِنَا، اللَّهُمَّ اسْقِنَا ‏"‏‏.‏ قَالَ أَنَسٌ: وَاللَّهِ مَا نَرَى فِي السَّمَاءِ مِنْ سَحَابٍ وَلاَ قُزْعَةٍ ... فَخَرَجَتْ مِنْ وَرَائِهِ سَحَابَةٌ مِثْلُ التُّرْسِ، فَلَمَّا تَوَسَّطَتِ السَّمَاءَ انْتَشَرَتْ ثُمَّ أَمْطَرَتْ..."
​উৎস: সহীহ বুখারী, হাদীস নং- ১০১৩; সহীহ মুসলিম, হাদীস নং- ৮৯৭।
​অনুবাদ: "...এক ব্যক্তি দাঁড়িয়ে বলল: হে আল্লাহর রাসূল! গবাদিপশু ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে, রাস্তাঘাট বন্ধ হয়ে গেছে। সুতরাং আপনি আল্লাহর কাছে দোয়া করুন যেন তিনি আমাদের বৃষ্টি দেন। তখন রাসূলুল্লাহ (দ.) দুই হাত তুলে দোয়া করলেন: 'হে আল্লাহ! আমাদের বৃষ্টি দিন, হে আল্লাহ! আমাদের বৃষ্টি দিন, হে আল্লাহ! আমাদের বৃষ্টি দিন।' আনাস (রা.) বলেন, আল্লাহর কসম! আমরা আকাশে কোনো মেঘ বা মেঘের কানাও দেখছিলাম না... (দোয়ার পর) ঢালের মতো একখণ্ড মেঘ উদিত হলো এবং তা আকাশে ছড়িয়ে পড়ে বৃষ্টি বর্ষণ শুরু করল।"

​৩. খন্দকের যুদ্ধে ক্ষুধার্ত হাজারো সাহাবীকে সামান্য খাবারে তৃপ্ত করা
​খন্দকের (পরিখা) যুদ্ধের সময় সাহাবীগণ চরম ক্ষুধায় কাতর ছিলেন। হযরত জাবের (রা.) একটি ছোট ছাগলছানা এবং এক সা' (সামান্য) যব দিয়ে নবীজী (দ.) ও কয়েকজন সাহাবীর জন্য খাবারের ব্যবস্থা করেন। কিন্তু নবীজী (দ.) খন্দকের সমস্ত সাহাবীকে (প্রায় ১০০০ জন) নিয়ে যান এবং তাঁর থুথু মোবারক ও বরকতের দোয়ার উসিলায় সেই সামান্য খাবার দিয়ে সবাই তৃপ্তিসহকারে আহার করেন।
​আরবী ইবারত:
​"... فَأَقْسَمَ بِاللَّهِ لَقَدْ أَكَلُوا حَتَّى تَرَكُوهُ وَانْحَرَفُوا، وَإِنَّ بُرْمَتَنَا لَتَغِطُّ كَمَا هِيَ، وَإِنَّ عَجِينَنَا لَيُخْبَزُ كَمَا هُوَ."
​উৎস: সহীহ বুখারী, হাদীস নং- ৪১০১; সহীহ মুসলিম, হাদীস নং- ২০৩৯।
​অনুবাদ: "(জাবের রা. বলেন) ...আমি আল্লাহর কসম খেয়ে বলছি, তারা সবাই তৃপ্তিসহকারে খেয়ে অবশিষ্ট রেখে চলে গেলেন। অথচ আমাদের ডেগটি আগের মতোই টগবগ করছিল এবং আমাদের আটার খামির থেকে আগের মতোই রুটি তৈরি হচ্ছিল।"

​৪. হযরত আবূ হুরায়রা (রা.)-এর স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধির উপকার
​হযরত আবূ হুরায়রা (রা.) হাদীস মনে রাখতে পারতেন না বলে নবীজী (দ.)-এর কাছে অভাব উম্মোচন করেন। নবীজী (দ.) তাঁর চাদরটি বিছাতে বলেন এবং অলৌকিক উপায়ে তাঁর স্মৃতিশক্তি বাড়িয়ে দেন, যা তাঁর সারাজীবনের শ্রেষ্ঠ উপকারে আসে।
​আরবী ইবারত:
​"قُلْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ، إِنِّي أَسْمَعُ مِنْكَ حَدِيثًا كَثِيرًا أَنْسَاهُ. قَالَ: ‏"‏ ابْسُطْ رِدَاءَكَ ‏"‏‏.‏ فَبَسَطْتُهُ، قَالَ: فَغَرَفَ بِيَدَيْهِ فِيهِ، ثُمَّ قَالَ: ‏"‏ ضُمَّهُ ‏"‏‏.‏ فَضَمَمْتُهُ، فَمَا نَسِيتُ شَيْئًا بَعْدَهُ."
​উৎস: সহীহ বুখারী, হাদীস নং- ১১৯ (علم বা জ্ঞান অধ্যায়)।
​অনুবাদ: "(আবু হুরায়রা রা. বলেন) আমি আরজ করলাম, হে আল্লাহর রাসূল! আমি আপনার থেকে অনেক হাদীস শুনি কিন্তু ভুলে যাই। তিনি বললেন: 'তোমার চাদরটি বিছিয়ে দাও।' আমি তা বিছালাম। তারপর তিনি তাঁর দুই হাত দিয়ে (আকাশ থেকে যেন কিছু নিয়ে) চাদরের মধ্যে ঢেলে দিলেন এবং বললেন: 'এটি বুকের সাথে জড়িয়ে নাও।' আমি তা বুকের সাথে মিলিয়ে নিলাম। এরপর থেকে আমি আর কোনোদিন কিছুই ভুলিনি।"

​৫. হযরত আলী (রা.)-এর চোখের রোগ নিরাময় (খায়বার যুদ্ধ)
​খায়বার যুদ্ধের দিন হযরত আলী (রা.) চোখের তীব্র ব্যথায় আক্রান্ত ছিলেন, যাঁর পক্ষে যুদ্ধ করা অসম্ভব ছিল। নবীজী (দ.) তাঁর চোখের উপকারে নিজের লালা মোবারক ব্যবহার করেন এবং তিনি তাৎক্ষণিক সুস্থ হয়ে যান।
​আরবী ইবারত:
​"... فَأُتِيَ بِهِ فَبَصَقَ فِي عَيْنَيْهِ، وَدَعَا لَهُ فَبَرَأَ، كَأَنْ لَمْ يَكُنْ بِهِ وَجَعٌ، فَأَعْطَاهُ الرَّايَةَ..."
​উৎস: সহীহ বুখারী, হাদীস নং- ২৯৪২; সহীহ মুসলিম, হাদীস নং- ২৪০৬।
​অনুবাদ: "...অতঃপর আলী (রা.)-কে আনা হলো। নবীজী (দ.) তাঁর দুই চোখে নিজের লালা মোবারক লাগিয়ে দিলেন এবং তাঁর জন্য দোয়া করলেন। এতে তিনি এমনভাবে আরোগ্য লাভ করলেন যেন তাঁর কোনো ব্যথাই ছিল না। এরপর নবীজী (দ.) তাঁর হাতে যুদ্ধের ঝাণ্ডা তুলে দিলেন।"

৬. যুদ্ধের ময়দানে হযরত কাতাদাহ (রা.)-এর উপড়ে যাওয়া চোখ ঠিক করা
​উহুদের যুদ্ধে কাফেরদের তীরে হযরত কাতাদাহ ইবনুন নু'মান (রা.)-এর একটি চোখ আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে উপড়ে তাঁর গালের ওপর ঝুলে পড়েছিল। সাহাবীগণ তা কেটে ফেলতে চেয়েছিলেন। কিন্তু রাসূলুল্লাহ (দ.) নিজের হাত মোবারক দিয়ে সেই চোখটি যথাস্থানে বসিয়ে দেন এবং অলৌকিক উপায়ে তা সুস্থ হয়ে যায়।
​আরবী ইবারত:
​"أُصِيبَتْ عَيْنُ قَتَادَةَ بْنِ النُّعْمَانِ يَوْمَ أُحُدٍ حَتَّى وَقَعَتْ عَلَى وَجْنَتِهِ، فَرَدَّهَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِيَدِهِ، فَكَانَتْ أَحْسَنَ عَيْنَيْهِ وَأَحَدَّهُمَا."
​উৎস: দালায়েলুন নুবুওয়াহ (বাইহাকী), খণ্ড ৩, পৃষ্ঠা ২৫২; আল-ইসাবাহ (ইবনে হাজার), ৫/৪২০। (হাদীসটি হাসান)।
​অনুবাদ: "উহুদের দিন কাতাদাহ ইবনুন নু'মানের চোখটি জখম হয়ে তাঁর গালের ওপর ঝুলে পড়ে। এরপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজের হাত মোবারক দিয়ে তা (চোখের কোটরে) ফিরিয়ে দেন। পরবর্তীতে সেই চোখটি তাঁর অপর চোখের চেয়েও সুন্দর এবং তীক্ষ্ণ দৃষ্টিশক্তিসম্পন্ন হয়ে উঠেছিল।"

​৭. হযরত আনাস (রা.)-এর জন্য ধন-সম্পদ ও সন্তানের দোয়া
​হযরত আনাস (রা.)-এর মা উম্মে সুলাইম (রা.) নবীজী (দ.)-এর কাছে এসে আবেদন করেন যেন তিনি আনাসের জন্য দোয়া করেন। নবীজী (সা.) তাঁর বৈষয়িক ও পারলৌকিক উপকারের জন্য বিশেষ দোয়া করেন, যার ফলে তিনি দীর্ঘজীবী ও বিপুল সম্পদের অধিকারী হন।
​আরবী ইবারত:
​"قَالَتْ أُمِّي: يَا رَسُولَ اللَّهِ، خَادِمُكَ أَنَسٌ ادْعُ اللَّهَ لَهُ. قَالَ: ‏"‏ اللَّهُمَّ أَكْثِرْ مَالَهُ وَوَلَدَهُ، وَبَارِكْ لَهُ فِيمَا أَعْطَيْتَهُ ‏"‏‏.‏"
​উৎস: সহীহ বুখারী, হাদীস নং- ৬৩৪৪; সহীহ মুসলিম, হাদীস নং- ২৪৮১।
​অনুবাদ: "(হযরত আনাস বলেন) আমার মা বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আপনার ছোট খাদেম আনাসের জন্য আল্লাহর কাছে দোয়া করুন। তখন নবীজী (দ.) দোয়া করলেন: 'হে আল্লাহ! আপনি তার ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্ততি বাড়িয়ে দিন এবং তাকে আপনি যা দান করেছেন তাতে বরকত দিন'।"
(হযরত আনাস পরবর্তীতে বলেছিলেন, এই দোয়ার বরকতে আমি একশো সন্তানের জনক হয়েছি এবং আমার বাগানের গাছ বছরে দু'বার ফল দিত)।

​৮. তাবুক যুদ্ধে হাজারো সাহাবীর পানির কষ্ট দূর করা (তাবুকের ঝরনা)
​তাবুক যুদ্ধের দীর্ঘ সফরে সাহাবীগণ তীব্র পানির সংকটে পড়েন। সেখানে 'তাবুকের ঝরনা' নামক একটি জায়গায় সামান্য একটু পানি চুইয়ে পড়ছিল, যা দিয়ে একজনের ওযুও সম্ভব ছিল না। নবীজী (দ.) সেখানে তাঁর হাত মোবারক ধুয়ে সেই পানি ঝরনায় দিতেই অলৌকিক অবর্ণনীয় উপকার সাধিত হয়।
​আরবী ইবারত:
​"... فَغَرَفُوا بِأَيْدِيهِمْ مِنَ الْعَيْنِ قَلِيلاً قَلِيلاً حَتَّى اجْتَمَعَ فِي شَيْءٍ، وَغَسَلَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِيهِ وَجْهَهُ وَيَدَيْهِ، ثُمَّ أَعَادَهُ فِيهَا، فَجَرَتِ الْعَيْنُ بِمَاءٍ مُنْهَمِرٍ أَوْ قَالَ غَزِيرٍ ... حَتَّى اسْتَقَى النَّاسُ ..."
​উৎস: সহীহ মুসলিম, হাদীস নং- ৭০৬ (মু'জিযা অধ্যায়)।
​অনুবাদ: "...সাহাবীগণ হাত দিয়ে চুইয়ে পড়া পানি থেকে অল্প অল্প করে একটি পাত্রে জমা করলেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তা দিয়ে নিজের মুখ ও হাত ধুলেন, এরপর সেই ধোয়া পানিটুকু ঝরনায় ঢেলে দিলেন। তৎক্ষণাৎ ঝরনাটি থেকে প্রচণ্ড বেগে বিপুল পরিমাণ পানি প্রবাহিত হতে লাগল এবং উপস্থিত সমস্ত মানুষ (হাজারো সৈন্য ও বাহন) তৃপ্তিসহকারে পানি পান করল।"

​9. জাবের (রা.)-এর দুর্বল ও ক্লান্ত উটকে দ্রুতগামী বাহনে পরিণত করা
​এক সফরে হযরত জাবের (রা.)-এর উটটি এতটাই দুর্বল হয়ে পড়েছিল যে, তা আর হাঁটতে পারছিল না এবং তিনি কাফেলা থেকে পেছনে পড়ে যাচ্ছিলেন। নবীজী (দ.) তাঁর এই অসহায়ত্ব দেখে উটটিকে অলৌকিক উপায়ে সতেজ করে দেন।
​আরবী ইবারত:
​"... فَلَحِقَنِي النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَসَلَّمَ فَدَعَا لِي، وَضَرَبَهُ، فَسَارَ سَيْرًا لَمْ يَسِرْ مِثْلَهُ ..."
​উৎস: সহীহ বুখারী, হাদীস নং- ২০৯৭; সহীহ মুসলিম, হাদীস নং- ৭১৫।
​অনুবাদ: "...অতঃপর নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পেছনের দিক থেকে এসে আমার সাথে মিললেন এবং উটটির জন্য দোয়া করলেন ও সেটিকে একটি আলতো আঘাত (বা তাড়া) করলেন। এরপর উটটি এমন দ্রুত গতিতে চলতে লাগল, যা আগে কখনো চলেনি (এবং কাফেলার সবার আগে চলে গেল)।"

​১০. হযরত উমর (রা.)-এর ইসলাম গ্রহণের মাধ্যমে সাহাবীদের শক্তি বৃদ্ধি
​মক্কার প্রাথমিক জীবনে মুসলমানরা চরম নির্যাতিত হচ্ছিলেন এবং প্রকাশ্যে ইবাদত করতে পারছিলেন না। নবীজী (দ.) বিশেষ দোয়ার মাধ্যমে উমর (রা.)-কে ইসলামের ছায়াতলে এনে পুরো সাহাবী জামাতকে এক মহাসংকট থেকে উদ্ধার করেন।
​আরবী ইবারত:
​"اللَّهُمَّ أَعِزَّ الإِسْلاَمَ بِأَحَبِّ هَذَيْنِ الرَّجُلَيْنِ إِلَيْكَ: بِأَبِي جَهْلٍ أَوْ بِعُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ. فَكَانَ أَحَبَّهُمَا إِلَيْهِ عُمَرُ"
​উৎস: সুনানে তিরমিযী, হাদীস নং- ৩৬৮১ (হাসান সহীহ)।
​অনুবাদ: রাসূলুল্লাহ (দ.) দোয়া করেছিলেন: "হে আল্লাহ! এই দুই ব্যক্তির মধ্যে যে আপনার কাছে বেশি প্রিয়, তার মাধ্যমে ইসলামকে শক্তিশালী (ও সম্মানিত) করুন: আবু জাহেল অথবা উমর ইবনুল খাত্তাব।" আর তাদের মধ্যে উমরই আল্লাহর কাছে বেশি প্রিয় ছিলেন।
(হযরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ বলেছিলেন, "উমরের ইসলাম গ্রহণের পর থেকে আমরা সর্বদা শক্তিশালী ও সম্মানিত বোধ করেছি।")

21/05/2026

ধর্ষণ ও বলাৎকারমুক্ত সমাজ গঠনে—
প্রতিটি মসজিদের মিম্বর থেকে উঠুক তীব্র প্রতিরোধের আওয়াজ!✊

হযরত কুতুবুদ্দীন বখতিয়ার কাকী (রহমাতুল্লাহি আলাইহি)-এর দরগাহ শরীফের দরজায় সেই প্রসিদ্ধ শেরটি লেখা রয়েছে, যা তাঁর ওফাতের ...
21/05/2026

হযরত কুতুবুদ্দীন বখতিয়ার কাকী (রহমাতুল্লাহি আলাইহি)-এর দরগাহ শরীফের দরজায় সেই প্রসিদ্ধ শেরটি লেখা রয়েছে, যা তাঁর ওফাতের কারণ হিসেবে ইতিহাসে উল্লেখিত। এই ঘটনা রূহানি ইতিহাসের এক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়।
বর্ণিত আছে যে, তাঁর ওফাতের সময় একটি মাহফিলে সামা অনুষ্ঠিত হচ্ছিল এবং সেখানে হযরত আহমদ জাম (রহমাতুল্লাহি আলাইহি)-এর এই ফারসি শের পাঠ করা হচ্ছিলঃ
“কুশতাগানে খঞ্জরে তাসলীম রা,
হার জামাঁ আজ গায়েব জানে দীগার আস্ত।”
এর সহজ অর্থ হলোঃ
“যারা আল্লাহর রজার খঞ্জরে আত্মসমর্পণ করে শাহাদাত বরণ করে, তাদেরকে প্রতিক্ষণ গায়েব থেকে নতুন জীবন দান করা হয়।”
যখন কাওয়াল এই শেরটি পাঠ করেন, তখন হযরত বখতিয়ার কাকী (রহমাতুল্লাহি আলাইহি)-এর উপর গভীর ‘ওয়াজদ’ তথা রূহানি বেহুঁশি ও আত্মবিস্মৃতির অবস্থা নেমে আসে। তিনি এই শেরের ভাব ও অর্থে এতটাই নিমগ্ন হয়ে পড়েন যে, টানা তিন দিন একই রূহানি অবস্থায় কাটান।
যখনই এই পঙক্তিটি পুনরায় পাঠ করা হতো, তাঁর রূহানি আকুলতা ও তীব্রতা আরও বেড়ে যেত। অবশেষে এই রূহানি আবেশের মধ্যেই, সেই শের শুনতে শুনতেই তাঁর পবিত্র রূহ দেহ থেকে পরওয়াজ করে নিজ খালিকে হাকিকির সান্নিধ্যে পৌঁছে যায়।
এ কারণেই আজও এই শেরটি তাঁর দরগাহ শরীফের এক বিশেষ পরিচয় ও স্মারক হিসেবে বিদ্যমান।

21/05/2026

❤️❤️❤️

Address

Ghilatola Darbar Sharif
Cumilla
3526

Telephone

+8801979120190

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ঘিলাতলা দরবার শরীফ - Ghilatola Darbar Sharif posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to ঘিলাতলা দরবার শরীফ - Ghilatola Darbar Sharif:

Share