Krishna Namamrita

Krishna Namamrita The official page of Krishna Namamrita.In this page you all the time Hindu religious text, photos, videos & A You can find thousands of unknown. God se

The page is posted to our traditional religion. We know who God is limited to the traditional religions of our life and on the road to God.

দিন শেষে রাধামাধব এর চরণে আশ্রয় পেলে  এই জীবন ধন্য।। 🙏🏻🙌হরি বোল🙏  #রাধেকৃষ্ণ  #হরেকৃষ্ণ  #হরিবোল  #জয়রাধে 🥰
13/04/2025

দিন শেষে রাধামাধব এর চরণে আশ্রয় পেলে এই জীবন ধন্য।। 🙏🏻🙌হরি বোল🙏 #রাধেকৃষ্ণ #হরেকৃষ্ণ #হরিবোল #জয়রাধে 🥰

কৃষ্ণ কালো কেন? কৃষ্ণ কি অাসলে কালো???উত্তরঃ না, কৃষ্ণ কালো না। তিনি এত উজ্জল যে তাকে জড় চক্ষু দিয়ে অামরা কালো দর্শন করি...
06/04/2025

কৃষ্ণ কালো কেন?
কৃষ্ণ কি অাসলে কালো???
উত্তরঃ না, কৃষ্ণ কালো না।
তিনি এত উজ্জল যে তাকে জড় চক্ষু দিয়ে অামরা কালো দর্শন করি।
কেন?
উদাহরণঃ- সূর্য এত উজ্জল যে অামরা জড়চক্ষু দিয়ে সূর্যের দিকে ১/মিনিট তাকালে তারপর যেদিকে তাকায় অন্ধকারে মত কালো চারিদিকে লাগে,
তাহলে বোঝুন সূর্য এত অালো তার দিকে তাকালে পড়ে চারদিকে অন্ধকারে কালো লাগে।
কিন্তু কৃষ্ণ কোটি কোটি সূর্যে অালোকিত তার এই সচিদানন্দ রূপ,
তাই জড়চহ্মু দিয়ে ভগবানের চিন্ময় কোটি কন্দার্পকমনীয় তার সচিদানন্দ রূপকে দর্শন করতে পারব না।
যে তিনি কতটুক জ্যোতির্ময় অালোকিত তাই কালো রূপ দর্শন করি।
অাকাশের রং নীল কেন?
অাকাশের গভীরতার জন্য তার রং নীল।
সমুদ্রে জল নীল কেন?
সমুদ্রের গভীরতার জন্য।
কৃষ্ণ গভীরের গভীরতম সৃষ্টি অালো প্রকৃতি বীজদাতা ও বীজসরুপ তিনি নিত্য তিনি/ সৃষ্টি, অাদি, মধ্য ও অনন্ত।
তার রূপের গুনমহিমা এই জগতে কেউ বলতে পারবে না একমাত্র ভগবানের শুদ্ধ ভক্তরা ছাড়া দেবের ও দূর্লভ ভগবানের এই চিন্ময় নিত্য রূপের বর্ণণা করার।
কারণ ভক্তের হৃদয়ে গোবিন্দ সর্বদা বিরাজ ও বিশ্রাম করে।।।।
সবাই বলুন???হরিবল
এই অধম মনোহর মদন মোহন দাসকে কৃপা করবেন।।

06/04/2025

মহা রাম নবমীর শুভেচ্ছা সবাইকে🌺🌿
🏹জয় শ্রী রাম🚩

`````` রাধে রাধে  ```````নদীয়া গোদ্রুমে নিত্যানন্দ মহাজন।পাতিয়াছে নামহট্ট জীবের কারণ॥১॥(শ্রদ্ধাবান জন হে, শ্রদ্ধাবান জন)...
05/04/2025

`````` রাধে রাধে ```````
নদীয়া গোদ্রুমে নিত্যানন্দ মহাজন।
পাতিয়াছে নামহট্ট জীবের কারণ॥১॥
(শ্রদ্ধাবান জন হে, শ্রদ্ধাবান জন)
প্রভুর আজ্ঞায়, ভাই, মাগি এই ভিক্ষা।
বল কৃষ্ণ, ভজ কৃষ্ণ, কর কৃষ্ণ শিক্ষা॥২॥
অপরাধশূন্য হয়ে লহ কৃষ্ণনাম।
কৃষ্ণ মাতা, কৃষ্ণ পিতা, কৃষ্ণ ধন-প্রাণ॥৩॥
কৃষ্ণের সংসার কর ছাড়ি অনাচার।
জীবে দয়া, কৃষ্ণনাম সর্বধর্ম সার॥৪॥
শ্রীকৃষ্ণ চৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ শ্রীঅদ্বৈত
গদাধর শ্রীবাসাদি গৌর ভক্তবৃন্দ।।
হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে।।

সুখ! সুখ! সুখ! এই শব্দটাই হল অদ্ভুত ধরণের। এই শব্দটার সঙ্গে সকলেই মিলিত হতে চাই, পরিচিত হতে চাই। কিন্তু কখনো কখনো হাজার ...
02/04/2025

সুখ! সুখ! সুখ!

এই শব্দটাই হল অদ্ভুত ধরণের। এই শব্দটার সঙ্গে সকলেই মিলিত হতে চাই, পরিচিত হতে চাই। কিন্তু কখনো কখনো হাজার প্রচেষ্টা করেও তা সম্ভব হয় না। কিন্তু কেন ?

তার কারণ হল একটাই, তা হল আমাদের চাহিদার অত্যধিক প্রচেষ্টা, অনিত্য কামনা - বাসনার প্রয়াস। যা কখনো পূর্ণ হয় না, সম্ভব হয় না। আমাদের দুঃখের মূল কারণ হল, আমাদের লাগামছাড়া পাওয়ার আশা, সেই সঙ্গে সঙ্গে প্রকৃতির বা অদৃশ্য শক্তির বিরুদ্ধাচরণ করা। কর্ম ও কর্মফলকে তো আমাদের স্বীকার করতেই হবে এবং তার উপর নির্ভর করছে আমাদের সুখ- দুঃখের স্থিতি, কৃতকর্মের পরিণাম।

এই জড় জগতটাই দুঃখময়। ভগবান শ্রীকৃষ্ণ গীতাতে অর্জুনকে বলেছেন যে, এই জড় জগত ‍দুঃখালয়ম্-অশাশ্বতম্, সুতরাং কিভাবে এখানে বাস করে আনন্দ বা সুখের আশা করতে পারি। স্থলচর প্রাণী যেমন জলচর প্রাণীর মতো জলে বাস করে তার স্বাভাবিকত্ব লাভ করতে পারে না তেমনই আমরা কেমন করে এই দুঃখময় জগতে সুখ লাভ করতে পারব। স্বাভাবিকভাবে কিছু কিছু দৃষ্টান্তের দ্বারা আমরা উপলব্ধি করতে পারব। বুদ্ধির মাধ্যমে বিচার করলেই আমরা সহজেই বুঝতে পারব যে, বিপরীত পরিবেশে কিছুতেই স্বাভাবিকত্ব লাভ করা সম্ভব নয়। কারণ প্রতিটি পরিবেশ ও পরিস্থিতি সেভাবেই তৈরী হয়েছে। তাই আমাদের উচিত শাস্ত্র সম্মত আচরন করা এবং পরমেশ্বর ভগবান এর প্রত্যেকটি বানীকে অনুসরন করা।

26/02/2025

#হরে_কৃষ্ণ মহামন্ত্রের প্রকৃত অর্থ কি?
নিজে জানোন‌‌ এবং শেয়ার করো অন্যকে জানান সুযোগ করে দিন। হরে কৃষ্ণ

চন্দ্রনাথধামে ২ জন পূর্ণার্থী দেহ রেখেছেন। অত্যাধিক চাপ এবং গরমে উনারা ষ্ট্রোক করতে পারেন বলে ধারণা।হর হর মহাদেব। মহাদেব...
26/02/2025

চন্দ্রনাথধামে ২ জন পূর্ণার্থী দেহ রেখেছেন। অত্যাধিক চাপ এবং গরমে উনারা ষ্ট্রোক করতে পারেন বলে ধারণা।

হর হর মহাদেব। মহাদেবের চরণে যেন ওনাদের ঠাঁই হয়।

21/02/2025

🙏হরেকৃষ্ণ🙏
আসছে আগামী ২৪/০২/২৫ সোমবার, ফাল্গুন মাসের কৃষ্ণপক্ষীয় একাদশী বিজয়া একাদশীর প্রীতি শুভেচ্ছা জানাই সকলকে।👏👏👏
হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে🌸🙏
#বিজয়াএকাদশী 🌸
🙏 শেয়ার ও লাইক দিয়ে পেজে সাথে থাকুন 🙏

🙏 শ্রীগোবিন্দের চরণ ব্যতীত তুলসীপত্র অর্পণ করতে নেই 🙏♥গুরুদেব ভগবানের মতো শ্রদ্ধেয় হলেও তিনি কখনই ভগবান নন ৷ তিনি ভগবান...
21/02/2025

🙏 শ্রীগোবিন্দের চরণ ব্যতীত তুলসীপত্র অর্পণ করতে নেই 🙏
♥গুরুদেব ভগবানের মতো শ্রদ্ধেয় হলেও তিনি কখনই ভগবান নন ৷ তিনি ভগবানের প্রিয় সেবকমাত্র ৷ তিনি ভগবানের ভক্ত ৷ আর তুলসী হচ্ছেন গোবিন্দবল্লভা ৷ শ্রীকৃষ্ণের প্রেয়সী ৷ একমাত্র বিষ্ণুতত্ত্ব ব্যতীত কারও চরণে তুলসীপত্র অর্পণ করা কখনই উচিত নয় ৷ কারণ তা মহা অপরাধ ৷ শ্রীঅনন্ত সংহিতা শাস্ত্রে পরিষ্কার উল্লেখ রয়েছে—
তুলস্যা বিষয়ং তত্ত্বং বিষ্ণুমেব সমর্চয়েৎ ৷
সা দেবী কৃষ্ণশক্তিহি শ্রীকৃষ্ণবল্লভা মতা ৷৷
অতস্তাং বৈষ্ণবীং দেবীং নান্যপদে সমর্পয়েৎ ৷
অর্পণে তত্ত্বহানিংঃ স্যাৎ সেবাপরাধ এব চ ৷৷
অতত্ত্বজ্ঞস্ত পাষণ্ডো গুরুব্রুবস্য পাদয়োঃ ৷
অর্পয়ন্ তুলসীং দেবীমর্জয়েন্নরকং পদম্ ৷৷
“তুলসীপত্র দিয়ে শ্রীবিষ্ণু তত্ত্বের অর্চনা করা কর্তব্য ৷ তুলসীদেবী কৃষ্ণশক্তি, শ্রীকৃষ্ণের প্রিয়তমা ৷ তিনি পরম বৈষ্ণবী ৷ অন্য কারও পদে তুলসীপত্রাদী অর্পণ করা উচিত নয় ৷ যদি কেউ অর্পণ করে তবে সে তত্ত্বজ্ঞানহীন হয় এবং তার সেবা অপরাধ হয় ৷ আর যে তত্ত্বজ্ঞানহীন পাষণ্ড গুরুদেবের চরণে তুলসী অর্পণ করে তার নরকগতিই লাভ হয় ৷”
যে ব্যক্তি চরণে তুলসীপত্র গ্রহণ করে সে কখনই গুরু নয় ৷ সে পরমগুরুরত্ত বিরােধী ৷ ভগবান শ্রীহরি ছাড়া কোনও দেবদেবীকে তুলসীপত্র দিয়ে কখনই অর্চনা করা উচিত নয় ৷ বায়ু পুরাণে মহর্ষি ব্যাসদেব সেই কথা উল্লেখ করেছেন—
তুলসীদল মাত্রায় যোহন্যং দেবং প্রপূজয়েৎ ৷
ব্রহ্মহা স হি গোঘ্নশ্চ স এব গুরুতল্পগঃ ৷৷
“যে ব্যক্তি তুলসীপত্র দ্বারা অন্য দেবদেবীর পূজা করে তার নিশ্চয়ই ব্রহ্মহত্যা, গো - হত্যা ও গুরুপত্নী গমনের পাপ অর্জিত হয়ে থাকে ৷”
বৃন্দায়ৈ তুলসীদেব্যৈ প্রিয়ায়ৈ কেশবস্য চ ৷
কৃষ্ণ ভক্তিপ্রদে দেবী সত্যবত্যৈঃ নমো নমঃ ৷

♥♥ মহাপ্রসাদ ♥♥ #বেদ_শাস্ত্রে_বলা_হয়েছেঃ-------------------------------আহার শুদ্ধৌ সত্ত্ব শুদ্ধি সত্ত্ব  শুদ্ধৌ।ধ্রুবাস্...
21/02/2025

♥♥ মহাপ্রসাদ ♥♥

#বেদ_শাস্ত্রে_বলা_হয়েছেঃ
-------------------------------
আহার শুদ্ধৌ সত্ত্ব শুদ্ধি সত্ত্ব শুদ্ধৌ।
ধ্রুবাস্মৃতি স্মৃতিলম্ভে সর্বগ্রন্থিনাং বিপ্রমোক্ষ।।
অর্থাৎ- ভগবানকে নিবেদন করার ফলে আহায্য দ্রব্য শুদ্ধ হয় এবং তা আহার করার ফলে জীবের সত্ত্বা শুদ্ধ হয়। সত্ত্বাশুদ্ধ হওয়ার ফলে স্মৃতি শুদ্ধ হয়। তখন সে মোক্ষ লাভের পথ খুঁজে পায়।
শ্রীমদ্ভগবদগীতায় বলা হয়েছে " অন্নাদ ভবন্তি ভূতানি" অর্থাৎ অন্ন খেয়ে মানুষ জীবন ধারন করে। ভঃ গীঃ ৩/১৪
মনুসংহিতায় প্রানী হত্যায় ছয় ধরনের ব্যক্তির দন্ডনীয় পাপ হয়ঃ
১. যে হত্যার অনুমতি দেয়।
২. যে হত্যা করে।
৩. যে হত্যাকর্মে সাহায্য করে।
৪. যে ক্রয় করে।
৫. যে রান্না করে।
৬. যে ভোজন করে।
এ ছয় ব্যক্তি সমানভাবে অপরাধি।
গীতায় ভগবান শ্রীকৃষ্ণ বলেছেন " যৎ অশ্নাসি " অর্থাৎ তুমি যা আহার কর। " তৎ কুরুষ্ব মৎ অর্পনম্ " অর্থাৎ সেই সমস্তই আমাকে সমর্পন কর। ভঃ গীঃ ৯/২৭
এভাবে আমাকে অর্পন করে তুমি কর্ম ফলের বন্ধন থেকে মুক্ত হবে। " মোক্ষ্যসে কর্ম বন্ধনৈঃ " ভঃ গীঃ ৯/২৮
সকল জীবের প্রতি সমভাবাপন্ন থাকার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। " সমঃ অহম্ সর্বভতেষু " তাই কোন জীব হত্যার কথা সনাতন ধর্মে দেয়া হয়নি।
এখন ভগবদ্গীতায় ভগবান কি খাদ্য গ্রহন করে তা দেখব, ভগবান গীতায় বলেছেন,
"পত্রং পুস্পং ফলং তোয়াং যো মে ভক্ত্যা প্রযচ্ছতি।
তদহং ভক্ত্যুপহৃতম্ অশ্নামী প্রযতাত্মনঃ।।ভঃগীঃ ৯/২৭
--------------------------------------------------------------------
অর্থাৎঃ যে বিশুদ্ধচিত্ত নিস্কাম ভক্ত ভক্তি সহকারে আমাকে পত্র, পুস্প, ফল ও জল অর্পন করেন আমি তাঁর সেই ভক্তিপ্লুত উপহার প্রীতি সহকারে গ্রহন করি।
"প্রসাদে সর্বদুঃখ বিনাশনং " অর্থাৎ মহা প্রসাদে জীবের সকল দুঃখ দুর হয়।
শ্রীমদ্ভবদগীতায় আরও বলা হয়েছে " তৈ দত্তান অপ্রদায় এভ্য যঃ ভুঙক্তে স্তেন এব সঃ " অর্থাৎ নিবেদন না করে যে ভোগ করে সে নিশ্চয়ই চোর "
পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণ গীতার ৩/১৩ শ্লোকে বলেছেন,
" যজ্ঞশিষ্টাশিন সন্তো মুচ্যন্তে সর্বকিল্বিষৈঃ।
ভুঞ্জতে তে ত্বঘং পাপা যে পচন্ত্যাত্মকারনাৎ।।"
-------------------------------------------------------------
অর্থাৎঃ ভগবদ্ভক্তেরা সমস্ত পাপ থেকে মুক্ত হন, কারন তাঁরা যজ্ঞাবশিষ্ট অন্নাদি গ্রহন করেন। যারা কেবল স্বার্থপর হয়ে নিজেদের ইন্দ্রিয়ের তৃপ্তির জন্য অন্নাদি পাক করে, তারা কেবল পাপই ভোজন করে।
তাই ভগবানের প্রসাদ ছাড়া আমাদের কিছু আহার করা উচিত নয়।
কোন জীবকে হত্যা করা বা তার মাংশ খাওয়া নিষেধ সনাতন ধর্মে তার শত শত প্রনাম রয়েছে, যেমনঃ(মহাভারত ১১৪/১১৫অঃ)
গঙ্গা পুত্র ভিস্মদেব যুধিষ্ঠির মহারাজকে বলেছেন যে"পিতা মাতার কাছে শুধু নিজের সন্তান ই নয় অন্য জীবের গর্ভের সন্তানো নিজ সন্তানের মত। যে ব্যক্তি মোহ গ্রস্ত হয়ে পুত্র মাংশ তুল্য অন্য প্রানীর মাংশ আহার করে,সে অত্যন্ত নিচু জাত বলে গন্য হয়। তাকে বহু বহু পাপ যোনিতে জন্ম নিতে হবে। অন্যের শরীরের মাংশ খেয়ে নিজ শরীরের মাংশ পুস্ট করতে যে ইচ্ছে করে তার প্রতি জন্মে উদ্বিগ্ন চিত্তে কাল যাপন করতেহয়"
ব্রহ্মা পুত্র কর্দমমুনিকে গৃহস্থজীবনে প্রবেশের সময় ভগবান গৃহস্থ জীবনের ধর্মাচারন সম্পর্কে বলেছিলেন,
"ক্রিত্বা দয়াঞ্চ জীবেষু দত্ত্বা চাভয়মাত্মবান। "
অর্থাৎ সকল জীবের প্রতি দয়া প্রদর্শন কর এবং সকলকে অভয় প্রদান কর। (ভাগবত 3/11/31) তাই আমাদের উচিত ভগবানের আদেশ পালন করা।
হরেকৃষ্ণ

03/10/2023

শিক্ষা যদি হয় জাতির
মেরুদণ্ড,
তবে গীতা হলো সনাতন ধর্মের হৃদপিণ্ড,
⋆⃝𝐇𝐚𝐫𝐞➰𝐊𝐫𝐢𝐬𝐡𝐧𝐚⋆⃝🙏
🙏জয় গীতা 🙏

Address

Cumilla
3500

Telephone

+8801812060843

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Krishna Namamrita posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category