Bismillah - বিসমিল্লাহ্ - بِسْمِ ٱللَّٰه

Bismillah - বিসমিল্লাহ্ - بِسْمِ ٱللَّٰه Bismillah - বিসমিল্লাহ্ - بِسْمِ ٱللَّٰه

⚪ শাইখ মুহাম্মাদ নাসিরুদ্দীন আলবানী (রাহিঃ) ও আবদুল হালীম আবূ হুক্কাহ–এর মুসলিম না সালাফী মুসলিম বিতর্কঃপ্রখ্যাত মিসরীয়...
28/12/2023

⚪ শাইখ মুহাম্মাদ নাসিরুদ্দীন আলবানী (রাহিঃ) ও আবদুল হালীম আবূ হুক্কাহ–এর মুসলিম না সালাফী মুসলিম বিতর্কঃ

প্রখ্যাত মিসরীয় বিদ্বান ও ‘রাসূলুল্লাহ ﷺ–এর যুগে নারী স্বাধীনতা’ গ্রন্থের রচয়িতা আবদুল হালীম আবূ হুক্কাহ–এর সাথে ইমাম আলবানী (রাহিঃ)–এর এ বিষয়ে [ শুধুমাত্র মুসলিম পরিচয় দেয়া ] একটি চিত্তাকর্ষক সংলাপ রয়েছে। নিম্নে তা উল্লেখ করা হলো।

আলবানীঃ হে আবূ শুক্কাহ! তোমাকে যদি বলা হয় যে, তোমার মাযহাব কী? তখন তুমি কি জবাব দিবে?

আবূ শুক্কাহঃ বলব, আমি মুসলিম।

আলবানীঃ কিন্তু এটা তো যথেষ্ট নয়!

আবূ শুক্কাহঃ কেন? আল্লাহ তো আমাদেরকে মুসলিম হিসেবে নামকরণ করেছেন।

আলবানীঃ এ জবাব সঠিক হতো যদি আমরা ইসলামের প্রথম যুগে অবস্থান করতাম। যখন বিভিন্ন মতবাদের প্রসার ঘটেনি। আর যে মতবাদগুলোর সাথে আমাদের মৌলিক আকীদাগত মতপার্থক্য রয়েছে, তাদেরকে আমরা যদি এই প্রশ্ন করি তোমার মাযহাব কি, তখন তাদের জবাবও কিন্তু একই হবে। শীআ, রাফিযী, খারিজী, নুসাইরী, আলাবী–সহ সবাই বলবে ‘আমি মুসলিম’। অতএব, আজকের দিনে কেবল মুসলিম বলাই যথেষ্ট নয়।

আবূ শুক্কাহঃ ঠিক আছে। তাহলে আমি বলব, আমি কিতাব ও সুন্নাহর ওপর প্রতিষ্ঠিত মুসলিম।

আলবানীঃ এটাও তো যথেষ্ট নয়!

আবূ শুক্কাহঃ কেন?

আলবানীঃ শীআ, রাফিযী–সহ যাদের কথা আমি উদাহরণস্বরূপ বললাম, তাদের কেউ কি বলে যে, আমি মুসলিম, তবে কিতাব ও সুন্নাহর ওপর প্রতিষ্ঠিত নই? কেউ কি বলে যে, আমি কিতাব ও সুন্নাহ অনুযায়ী চলি না?

( অতঃপর তিনি ‘সালাফে সালিহীনের বুঝ অনুযায়ী কিতাব ও সুন্নাহর অনুসরণ’ –এর গুরুত্ব সম্পর্কে আলোচনা করেন)

আবূ শুক্কাহঃ ঠিক আছে। আমি সালাফে সালিহীনের বুঝ অনুযায়ী কিতাব ও সুন্নাহর অনুসারী মুসলিম।

আলবানীঃ কেউ তোমার মাযহাব সম্পর্কে জানতে চাইলে তুমি কি তাকে এ কথাই বলবে?

আবূ শুক্কাহঃ হ্যাঁ।

আলবানীঃ আচ্ছা আমরা যদি এর ভাষাগত সংক্ষেপায়ন করে ‘সালাফী’ বলি সেক্ষেত্রে তোমার মতামত কি? কেননা সর্বোত্তম বাক্য তো সেটাই, যেটা সংক্ষিপ্ত ও সারগর্ভ।

আবূ শুক্কাহঃ আমি আপনার প্রতি ভদ্রতা প্রদর্শনের খাতিরে ‘হ্যাঁ’ বলছি। কিন্তু আমার বিশ্বাস পূর্বের মতোই। কারণ, যখনই কোনো মানুষ শুনবে যে, আপনি সালাফী, তখনই তার চিন্তাধারা ঘুরে যাবে কঠোরতার প্রান্তসীমায় পৌঁছে যাওয়া এমন অনেক অনুসৃত বিষয়ের দিকে, যার মধ্যে সালাফীগণ ডুবে আছেন।

আলবানীঃ ধরে নিলাম তোমার কথাই সঠিক। কিন্তু যদি তুমি নিজেকে মুসলিমও বলো, তবে কি সেটা শীআ, রাফিযী বা ইসমাঈলীর দিকেও প্রত্যাবর্তিত হবে না?

আবূ শুক্কাহঃ হতে পারে। তবে আমি কুরআনের ঐ আয়াতেরই অনুসরণ করতে চাই, ‘আর তিনি পূর্বেই তোমাদের নাম রেখেছেন মুসলিম’।
[ هُوَ سَمّٰىکُمُ الۡمُسۡلِمِیۡنَ ۬ۙ مِنۡ قَبۡلُ وَ فِی ]
[ সূরা হজ্জ ; আয়াতঃ ৭৮ (অংশবিশেষ) ]

আলবানীঃ না, হে ভাই! তুমি এই আয়াতে অনুসরণ করোনি। কেননা আয়াতটি দ্বারা সঠিক ও বিশুদ্ধ ইসলামকে বোঝানো হয়েছে। তাছাড়া মানুষকে সম্বোধন করা উচিত তার জ্ঞানের পরিমাপ বুঝে। অথচ তোমার এই ‘মুসলিম’ পরিচয়দানের মাধ্যমে তুমি আয়াতটিতে উদ্দেশ্যকৃত মুসলিম কি না, তা কি কেউ বুঝবে?

ইতঃপূর্বে সালাফী বলার ক্ষেত্রে তুমি যে, আশঙ্কার কথা উল্লেখ করলে, সেটা সঠিক হতে পারে বা নাও হতে পারে। কেননা সালাফীদের কঠোরতার ব্যাপারে তোমার যে বক্তব্য, তা কোনো কোনো সালাফীর মধ্যে থাকতে পারে। কিন্তু সেটা সালাফীদের আকীদা ও জ্ঞানগত মানহাজ নয়। তুমি ব্যক্তির কথা ছেড়ে দাও। আমরা এখন কথা বলব মানহাজ নিয়ে। কেননা আমরা যদি শীআ, খারিজী, সূফী বা মুতাযিলীদের কথা বলি, তাহলে সেখানেও কিন্তু তুমি যে আশঙ্কার কথা বলছ, তা ফিরে আসবে।

অতএব, এটা আমাদের বিষয় নয়। বরং আমরা এমন একটি নাম খুঁজব, যা আল্লাহর প্রতি আনুগত্যশীল মযহাবের দিকে নির্দেশ করে।

অতঃপর আলবানী বলেন, আচ্ছা, সাহাবায়ে কিরামের সবাই কি মুসলিম ছিলেন না?

আবূ শুক্কাহঃ অবশ্যই।

আলবানীঃ কিন্তু তাদের মধ্যেও এমন কেউ ছিলেন যিনি চুরি করেছেন, জেনা করেছেন। তবুও তাদের কেউ কিন্তু একথা বলার অনুমতি দেননি যে, আমি মুসলিম ছিলাম না। বরং তিনি মানহাজ বা নীতিগতভাবে মুসলিম এবং আল্লাহ ও রাসূলের প্রতি পূর্ণবিশ্বাসী। কিন্তু তিনি কখনো স্বীয় নীতির বিপরীত করে ফেলেছেন। কেননা তিনি তো নিষ্পাপ নন।

এ জন্যই আমরা এমন একটি শব্দ সম্পর্কে কথা বলছি, যা আমাদের আকীদা, চিন্তাধারা এবং যার মাধ্যমে আমরা আল্লাহর ইবাদত করি এরূপ দীন সংশ্লিষ্ট জীবনের সকল বিষয়কে নির্দেশ করবে। তবে যারা চরমপন্থি বা শৈথিল্যবাদী, তাদের বিষয়টি আলাদা।

অতঃপর আলবানী বলেন, আমি চাই যে তুমি ‘সালাফী’ নামক সংক্ষিপ্ত এই শব্দটি নিয়ে চিন্তা গবেষণা করো, যাতে তোমার মধ্যে ‘মুসলিম’ শব্দ নিয়ে আর জিদ না থাকে। কেননা তুমি জানো যে, মুসলিম শব্দ দ্বারা তুমি যা বোঝাতে চাচ্ছ, তা বোঝার মতো কখনই কাউকে পাওয়া যাবে না। সুতরাং মানুষের সাথে তাদের জ্ঞান মোতাবেক কথা বলো। আল্লাহ তোমাকে বিষয়টি মেনে নেওয়ার জন্য তোমার চিন্তায় বরকত দিন!
[ লিমাযা ইখতারতুল মানহাজাস সালাফী? পৃ. ৩৬-৩৮ ]

Jazak Allahu Khayran - জাযাক আল্লাহু খাইরান - ﺟَﺰَﺍﻙَ ﺍﻟﻠّٓﻪُ ﺧَﻴْﺮًﺍ

পৃ. ৪৮-৫১
📖 মানহাজুস সালাফ

যুগশ্রেষ্ঠ মুহাদ্দিস ইমাম
✒️ মুহাম্মাদ নাসিরুদ্দীন আলবানী (রাহিঃ)

সংকলন, অনুবাদ ও টীকা
✒️ আব্দুল্লাহ মাহমুদ (হাফিঃ)

সম্পাদনা
✒️ শাইখ ড. মুহাম্মাদ শহীদুল্লাহ খান মাদানী (হাফিঃ)

⚪ শরী‘আত আল্লাহ এবং তাঁর রাসূল (ﷺ) এর মধ্যে সীমাবদ্ধ। রাসূলুল্লাহ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, مَنْ أَحْدَث...
20/12/2023

⚪ শরী‘আত আল্লাহ এবং তাঁর রাসূল (ﷺ) এর মধ্যে সীমাবদ্ধ।

রাসূলুল্লাহ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন,
مَنْ أَحْدَثَ فِىْ أَمْرِنَا هَذَا مَا لَيْسَ مِنْهُ فَهُوَ رَدٌّ

‘যদি কেউ আমাদের শরী‘আতে এমন নতুন কিছুর সৃষ্টি করল, যা তাতে নেই- তবে তা প্রত্যাখ্যাত’।
[ ছহীহ বুখারী, হা/২৬৯৭, ‘সন্ধি’ অধ্যায়, অনুচ্ছেদ-৫ ; ছহীহ মুসলিম, হা/১৭১৮ ]

⚪ তাই আল্লাহ এবং রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর অনুসরণ করা ছাড়া আখেরাতে পরিত্রাণ পাওয়া এবং জান্নাত লাভের বিকল্প কোন পথ ; অনুসরণ এবং উপায় নেই।

হাদীছে এসেছে,

عَنْ أَبِىْ هُرَيْرَةَ رَضِىَ اللهُ عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ ﷺ كُلُّ أُمَّتِىْ يَدْخُلُوْنَ الْجَنَّةَ إِلَّا مَنْ أَبَى قِيْلَ وَمَنْ أبَى؟ قَالَ مَنْ أَطَاعَنِىْ دَخَلَ الْجَنَّةَ وَمَنْ عَصَانِىْ فَقَدْ أَبَى

আবূ হুরায়রা (রাযিয়াল্লাহু আনহু) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, আমার উম্মতের সকলেই জান্নাতে প্রবেশ করবে কেবল অস্বীকারকারী ব্যতীত। জিজ্ঞেস করা হলো, কে অস্বীকারকারী? রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, যে ব্যক্তি আমার আনুগত্য করল, সে জান্নাতে প্রবেশ করবে। আর যে আমার অবাধ্যতা করল, সে অস্বীকারকারী।

[ ছহীহ বুখারী, হা/৭২৮০, ‘ই‘তিছাম’ অধ্যায়, অনুচ্ছেদ-২ ; মিশকাত, হা/১৪৩ ]

21/10/2023
12/10/2023

🟢 ও আল্লাহ্ ! আপনি মাসজিদুল আক্বসা কে হেফাজত করুন।
🟢 ও আল্লাহ্ ! আপনি মাসজিদুল আক্বসা কে হেফাজত করুন।
🟢 ও আল্লাহ্ ! আপনি মাসজিদুল আক্বসা কে হেফাজত করুন।

🔴 আগ্রাসকদের আগ্রাসন থেকে এবং
🔴 দখলদারদের দখল থেকে।

🟢 হে মহিমা ও সম্মানের অধিকারী (আল্লাহ্) !
🟢 আপনি সেটাকে কেয়ামত পর্যন্ত সম্মানিত এবং গৌরবময় রাখুন।
🟢 হে বিশ্বজগতের প্রতিপালক !

Jazak Allahu Khayran - জাযাক আল্লাহু খাইরান - ﺟَﺰَﺍﻙَ ﺍﻟﻠّٓﻪُ ﺧَﻴْﺮًﺍ

🎙️ আব্‌দুর রহ্‌মান বিন আব্‌দিল আযিয আস-সুদাইস (হাফিঃ)

27/07/2023

⚫ জামে’ আত–তিরমিজি

🔴 ৬▪️কিতাবুল সিয়াম (রোযা)

🔵 ৫০▪️অনুচ্ছেদ

⚫ কোন্‌টি আশূরার দিন?

🟢 ৭৫৫

حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَارِثِ، عَنْ يُونُسَ، عَنِ الْحَسَنِ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ أَمَرَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِصَوْمِ عَاشُورَاءَ يَوْمَ الْعَاشِرِ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى حَدِيثُ ابْنِ عَبَّاسٍ حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ ‏.‏ وَقَدِ اخْتَلَفَ أَهْلُ الْعِلْمِ فِي يَوْمِ عَاشُورَاءَ فَقَالَ بَعْضُهُمْ يَوْمُ التَّاسِعِ ‏.‏ وَقَالَ بَعْضُهُمْ يَوْمُ الْعَاشِرِ ‏.‏ وَرُوِيَ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ أَنَّهُ قَالَ صُومُوا التَّاسِعَ وَالْعَاشِرَ وَخَالِفُوا الْيَهُودَ ‏.‏ وَبِهَذَا الْحَدِيثِ يَقُولُ الشَّافِعِيُّ وَأَحْمَدُ وَإِسْحَاقُ ‏.‏

ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, (মুহার্‌রামের) দশম তারিখে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আশূরার রোযা পালন করতে আদেশ করেছেন।

🔳 আবূ ঈসা ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত হাদীসটিকে হাসান সহীহ্‌ বলেছেন। আলিমগণের মধ্যে আশূরার দিন প্রসঙ্গে দ্বিমত রয়েছে। কেউ কেউ (মুহার্‌রামের) নয় তারিখের কথা বলেন, আবার অন্য একদল দশ তারিখের কথা বলেছেন। ইবনু আব্বাস (রাঃ) বলেন, তোমরা নয় ও দশ (এই দুই দিন) রোযা পালন কর এবং (এই ক্ষেত্রে) ইয়াহূদীদের বিপরীত কর। এই হাদীস অনুযায়ী মত প্রকাশ করেছেন ইমাম শাফিঈ, আহ্‌মাদ ও ইসহাক।

🟩 হাদিসের মানঃ সহিহ হাদিস

🔘 [ জামে’ আত–তিরমিজিঃ ( ৭৫৫ ) ]

––––––––––––––––––––––––––––––

⚫ সহিহ মুসলিম

🔴 ১৪▪️কিতাবুস্‌ সিয়াম (রোজা)

🔵 ৩৬▪️অধ্যায়

⚫ প্রতি মাসে তিনদিন, আরাফাতের দিন, ‘আশুরার দিন, সোম ও বৃহস্পতিবার সওম পালনের ফাযীলাত

🟢 ১১৬২ ( আন্তর্জাতিক নাম্বার )
২৬৩৬ ( হাদিস একাডেমি নাম্বার )

وَحَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى التَّمِيمِيُّ، وَقُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، جَمِيعًا عَنْ حَمَّادٍ، - قَالَ يَحْيَى أَخْبَرَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ، - عَنْ غَيْلاَنَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَعْبَدٍ الزِّمَّانِيِّ، عَنْ أَبِي قَتَادَةَ، رَجُلٌ أَتَى النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ كَيْفَ تَصُومُ فَغَضِبَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَلَمَّا رَأَى عُمَرُ - رضى الله عنه - غَضَبَهُ قَالَ رَضِينَا بِاللَّهِ رَبًّا وَبِالإِسْلاَمِ دِينًا وَبِمُحَمَّدٍ نَبِيًّا نَعُوذُ بِاللَّهِ مِنْ غَضَبِ اللَّهِ وَغَضَبِ رَسُولِهِ ‏.‏ فَجَعَلَ عُمَرُ - رضى الله عنه - يُرَدِّدُ هَذَا الْكَلاَمَ حَتَّى سَكَنَ غَضَبُهُ فَقَالَ عُمَرُ يَا رَسُولَ اللَّهِ كَيْفَ بِمَنْ يَصُومُ الدَّهْرَ كُلَّهُ قَالَ ‏"‏ لاَ صَامَ وَلاَ أَفْطَرَ - أَوْ قَالَ - لَمْ يَصُمْ وَلَمْ يُفْطِرْ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ كَيْفَ مَنْ يَصُومُ يَوْمَيْنِ وَيُفْطِرُ يَوْمًا قَالَ ‏"‏ وَيُطِيقُ ذَلِكَ أَحَدٌ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ كَيْفَ مَنْ يَصُومُ يَوْمًا وَيُفْطِرُ يَوْمًا قَالَ ‏"‏ ذَاكَ صَوْمُ دَاوُدَ عَلَيْهِ السَّلاَمُ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ كَيْفَ مَنْ يَصُومُ يَوْمًا وَيُفْطِرُ يَوْمَيْنِ قَالَ ‏"‏ وَدِدْتُ أَنِّي طُوِّقْتُ ذَلِكَ ‏"‏ ‏.‏ ثُمَّ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ ثَلاَثٌ مِنْ كُلِّ شَهْرٍ وَرَمَضَانُ إِلَى رَمَضَانَ فَهَذَا صِيَامُ الدَّهْرِ كُلِّهِ صِيَامُ يَوْمِ عَرَفَةَ أَحْتَسِبُ عَلَى اللَّهِ أَنْ يُكَفِّرَ السَّنَةَ الَّتِي قَبْلَهُ وَالسَّنَةَ الَّتِي بَعْدَهُ وَصِيَامُ يَوْمِ عَاشُورَاءَ أَحْتَسِبُ عَلَى اللَّهِ أَنْ يُكَفِّرَ السَّنَةَ الَّتِي قَبْلَهُ ‏"‏ ‏.

আবূ ক্বাতাদাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

এক ব্যক্তি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে উপস্থিত হয়ে জিজ্ঞেস করল, আপনি কিভাবে সওম পালন করেন? তার এ কথায় রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) অসন্তুষ্ট হলেন। ‘উমার (রাঃ) তাঁর অসন্তোষ লক্ষ্য করে বললেন, “আমরা আল্লাহ্‌র উপর (আমাদের) প্রতিপালক হিসেবে, ইসলামের উপর (আমাদের) দ্বীন হিসেবে এবং মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর উপর আমাদের নবী হিসেবে আমরা সন্তুষ্ট। আমরা আল্লাহ্‌র কাছে তাঁর ও তাঁর রসূলের অসন্তোষ থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করি”। উমার (রাঃ) কথাটি বার বার আওড়াতে থাকলেন, এমনকি শেষ পর্যন্ত রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর অসন্তোষের ভাব দূরীভূত হ’ল। তখন ‘উমার (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহ্‌র রসূল! যে ব্যক্তি সারা বছর সওম পালন করে তার অবস্থা কিরূপ? তিনি বললেন, সে সওম পালন করেনি এবং ছেড়েও দেয়নি। তিনি পুনরায় জিজ্ঞেস করলেন, যে ব্যক্তি একদিন পর একদিন সওম পালন করে তার অবস্থা কিরূপ? তিনি বললেন, এটা দাঊদ (আঃ)-এর সওম। তিনি আবার জিজ্ঞেস করলেন, যে একদিন সওম পালন করে ও একদিন করে না, তার অবস্থা কিরূপ? রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, আমি আশা করি যে, আমার এতটা শক্তি হোক। তিনি পুনরায় বললেন, প্রতি মাসে তিনদিন সওম পালন করা এবং রমাযান মাসের সওম এক রমাযান থেকে পরবর্তী রমাযান পর্যন্ত সারা বছর সওম পালনের সমান। আর ‘আরাফাহ্ দিবসের সওম সম্পর্কে আমি আল্লাহ্‌র কাছে আশাবাদী যে, তাতে পূর্ববর্তী বছর ও পরবর্তী বছরের গুনাহের ক্ষতিপূরণ হয়ে যাবে। আর ‘আশুরার সওম সম্পর্কে আমি আল্লাহ্‌র কাছে আশাবাদী যে, তাতে পূর্ববর্তী বছরের গুনাহসমূহের কাফ্‌ফারাহ্‌ হয়ে যাবে।

🟩 হাদিসের মানঃ সহিহ হাদিস

🔘 [ সহিহ মুসলিমঃ ( হা.এ. - ২৬৩৬ ), ( আ.না. - ১১৬২ ), ( ই.ফা. - ২৬১৩ ), ( ই.সে. - ২৬১২ ) ]

––––––––––––––––––––––––––––––

⚫ সহিহ মুসলিম

🔴 ১৪▪️কিতাবুস্‌ সিয়াম (রোজা)

🔵 ৩৮▪️অধ্যায়

⚫ মুহার্‌রমের সওমের ফাযীলাত

🟢 ১১৬৩ ( আন্তর্জাতিক নাম্বার )
২৬৪৫ ( হাদিস একাডেমি নাম্বার )

حَدَّثَنِي قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ، عَنْ أَبِي بِشْرٍ، عَنْ حُمَيْدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، الْحِمْيَرِيِّ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، - رضى الله عنه - قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ أَفْضَلُ الصِّيَامِ بَعْدَ رَمَضَانَ شَهْرُ اللَّهِ الْمُحَرَّمُ وَأَفْضَلُ الصَّلاَةِ بَعْدَ الْفَرِيضَةِ صَلاَةُ اللَّيْلِ ‏"‏ ‏.

আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: রমাযানের সিয়ামের পর সর্বোত্তম সওম হচ্ছে আল্লাহ্‌র মাস মুহাররমের সওম এবং ফরয সলাতের পর সর্বোত্তম সলাত হচ্ছে রাতের সলাত।

🟩 হাদিসের মানঃ সহিহ হাদিস

🔘 [ জামে’ আত–তিরমিজিঃ ( ৭৫৫ ),
সহিহ মুসলিমঃ ( হা.এ. - ২৬৩৬ ), ( আ.না. - ১১৬২ ), ( ই.ফা. - ২৬১৩ ), ( ই.সে. - ২৬১২ ),
সহিহ মুসলিমঃ ( হা.এ. - ২৬৪৫ ), ( আ.না. - ১১৬৩ ), ( ই.ফা. - ২৬২২ ), ( ই.সে. - ২৬২১) ]

Jazak Allahu Khayran - জাযাক আল্লাহু খাইরান - ﺟَﺰَﺍﻙَ ﺍﻟﻠّٓﻪُ ﺧَﻴْﺮًﺍ

IRD Foundation
ইউনিকোড বাংলা হাদিস - Bangla Hadith Unicode

25/07/2023
10/07/2023

⚫ সুনানে ইবনে মাজাহ

🔴 ০▪️ভূমিকা

🔵 ৪৪▪️অধ্যায়

⚫ জ্ঞান দ্বারা উপকৃত হওয়া এবং তদানুযায়ী আমাল করা

🟢 ২৫০

حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا أَبُو خَالِدٍ الأَحْمَرُ، عَنِ ابْنِ عَجْلاَنَ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ أَبِي سَعِيدٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ كَانَ مِنْ دُعَاءِ النَّبِيِّ ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنْ عِلْمٍ لاَ يَنْفَعُ وَمِنْ دُعَاءٍ لاَ يُسْمَعُ وَمَنْ قَلْبٍ لاَ يَخْشَعُ وَمِنْ نَفْسٍ لاَ تَشْبَعُ ‏"‏ ‏.‏

আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর একটি দুআ’ এই যে, “হে আল্লাহ্‌! আমি সেই জ্ঞান থেকে তোমার নিকট আশ্রয় চাই যা কোন উপকারে আসে না, এমন দুআ’ থেকে যা শোনা হয় না, সেই অন্তর থেকে যা ভীত হয় না এবং সেই দেহ থেকে যা তৃপ্ত হয় না।”

🔳 তাহক্বীক্ব আলবানীঃ সহীহ।

🔳 উক্ত হাদিসের রাবী আবু খালিদ আল-আহমার সম্পর্কে ইয়াহইয়া বিন মাঈন বলেন, তিনি সত্যবাদী কিন্তু তার হাদিস দলীলযোগ্য নয়। আলী বিন মাদীনী বলেন, তিনি সিকাহ। আবু হাতিম আর-রাযী বলেন, তিনি সত্যবাদী। ইমাম নাসাঈ বলেন, কোন সমস্যা নেই। ইবনু আদী বলেন, তিনি হাদিস বর্ণনায় সালেহ কিন্তু হাদিস বর্ণনায় সংমিশ্রণ ও ভুল করেন।

🟩 হাদিসের মানঃ সহিহ হাদিস

🔘 [ সুনানে ইবনে মাজাহঃ ( ২৫০ ),
সুনানে আন–নাসায়ীঃ ( হা.এ. - অপেক্ষমাণ ), ( আ.না. - ), ( ই.ফা. - ৫৫৩৬,৫৫৩৭),
সুনানে আবু দাউদঃ ( আ.এ. - ১৫৪৮ ), ( ই.ফা. - ১৫৪৮ ) ]

Jazak Allahu Khayran - জাযাক আল্লাহু খাইরান - ﺟَﺰَﺍﻙَ ﺍﻟﻠّٓﻪُ ﺧَﻴْﺮًﺍ

IRD Foundation
ইউনিকোড বাংলা হাদিস - Bangla Hadith Unicode

Address

Comilla Division, Bangladesh/কুমিল্লা বিভাগ, বাংলাদেশ
Cumilla
3500

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Bismillah - বিসমিল্লাহ্ - بِسْمِ ٱللَّٰه posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share