Islam and Peace

Directions

Islam and Peace Muslim and Islam

28/08/2026
26/07/2026

বনী ইসরায়েলের এক আবেদকে পথভ্রষ্ট করার জন্য শয়তান অনেক চেষ্টা করল, কিন্তু বারবার ব্যর্থ হলো। একদিন সেই আবেদ যখন বিশেষ প্রয়োজনে বাইরে বের হলেন, শয়তানও এক মোক্ষম সুযোগের অপেক্ষায় তাঁর পিছু নিল।
প্রথমে শয়তান তাঁর মনে কামভাব ও ক্রোধ জাগ্রত করার চেষ্টা করল, কিন্তু কোনো লাভ হলো না। এরপর সে আবেদকে ভয় দেখানোর পথ বেছে নিল। পাহাড় থেকে তাঁর ওপর বিশাল এক পাথর গড়িয়ে দিল, কিন্তু আবেদ আল্লাহর যিকির করতেই পাথরটি দিক পরিবর্তন করল। এরপর শয়তান হিংস্র পশুর রূপ ধরে এল, কিন্তু আবেদ বিন্দুমাত্র ভ্রুক্ষেপ করলেন না।
সবচেয়ে কঠিন পরীক্ষাটি হলো, যখন আবেদ নামাযে দাঁড়ালেন। শয়তান একটি বিশাল সাপের রূপ ধরে তাঁর পায়ের নিচ থেকে পেঁচিয়ে সারা শরীরে উঠে এল এবং মাথায় গিয়ে ফণা তুলল। আবেদ যখন সেজদায় যেতে চাইলেন, সাপটি সেজদার জায়গায় মুখ হাঁ করে রইল। যেন সেজদা দিলেই মাথা গিলে ফেলবে। কিন্তু আবেদ ভয় না পেয়ে সাপটিকে সরিয়ে দিয়েই সেজদা পূর্ণ করলেন।
নামায শেষে শয়তান নিজের আসল রূপে আবেদের সামনে এসে বলল, "আমি অনেক চেষ্টা করেও আপনার কোনো ক্ষতি করতে পারলাম না। আজ থেকে আমি আর আপনাকে পথভ্রষ্ট করার চেষ্টা করব না, বরং আমি আপনাকে কিছু সত্য কথা বলতে চাই।"
আবেদ বললেন, "তোমার বন্ধুত্বের প্রয়োজন নেই। তবে তুমি বলো, আদম সন্তানদের ধ্বংস করার জন্য তোমার গোপন অস্ত্রগুলো কী কী?"
শয়তান তখন মানুষের ধ্বংসের ৩টি প্রধান কারণ ফাঁস করে দিল:
১. মানুষ যখন কৃপণ হয়, তখন আমরা তার নিজের সম্পদকে তার চোখের সামনে খুব সামান্য করে দেখাই। ফলে সে সঠিক পথে খরচ করে না এবং অন্যের সম্পদের প্রতি লোভী হয়ে ওঠে।
২. যখন কোনো মানুষ রেগে যায়, তখন আমরা শয়তানরা তাকে নিয়ে সেভাবেই খেলি, যেভাবে শিশুরা বল নিয়ে খেলে। সে যদি তার দোয়ার মাধ্যমে মৃতকেও জীবিত করার ক্ষমতা রাখে, তবুও আমরা তার ব্যাপারে নিরাশ হই না। কারণ সে সারাজীবনে যা গড়ে, রাগের মাথায় বলা এক কথাতেই তা ধ্বংস করে দেয়।
৩. যখন কেউ নেশাগ্রস্ত হয়, আমরা তাকে পশুর মতো কানের লতি ধরে যেখানে ইচ্ছা টেনে নিয়ে যাই এবং সব ধরণের পাপ করাই।
ক্রোধ বা রাগ হলো শয়তানের সবচেয়ে প্রিয় অস্ত্র। রাগের মাথায় মানুষ হিতাহিত জ্ঞান হারিয়ে ফেলে এবং শয়তানের হাতের পুতুলে পরিণত হয়। এই ঘটনা আমাদের শেখায়, ইবাদতের পাশাপাশি নিজের রাগ এবং লোভ নিয়ন্ত্রণ করা মুমিনের জন্য কতটা জরুরি।
© Salman Farsi
(সূত্র: তাম্বিহুল গাফিলিন-ফকীহ আবুল লাইস সমরকন্দী রহ.)

29/04/2026

হযরত আবু যার গিফারি (রা.) বলেন, এক রাতে আমি বের হলাম এবং দেখলাম রাসূলুল্লাহ ﷺ একাকী হাঁটছেন।
আমি ভাবলাম, হয়তো তিনি এখন কারো সঙ্গ পছন্দ করবেন না, তাই আমি চাঁদের আলো-ছায়ার আড়ালে (যাতে দেখা না যায়) হাঁটতে লাগলাম।
কিন্তু রাসূলুল্লাহ ﷺ আমাকে দেখে ফেললেন এবং ডাকলেন। কিছুক্ষণ হাঁটার পর তিনি এক গভীর সত্য উন্মোচন করলেন:
​“যাদের কাছে (দুনিয়াতে) সম্পদের প্রাচুর্য বেশি, কিয়ামতের দিন তারাই হবে সবচেয়ে রিক্ত ও নিঃস্ব; কেবল সে ছাড়া—যাকে আল্লাহ সম্পদ দিয়েছেন আর সে তা ডানে-বামে, সামনে-পেছনে অকাতরে বিলিয়ে দিয়েছে এবং তাতে কল্যাণকর কাজ করেছে।”
​এরপর রাসূলুল্লাহ ﷺ আমাকে এক পাথুরে জায়গায় বসিয়ে দিয়ে বললেন, “আমি না ফেরা পর্যন্ত এখানেই থাকো।” তিনি মরুভূমির অন্ধকারের দিকে চলে গেলেন।
দীর্ঘ সময় পর ফেরার সময় আমি তাঁকে বলতে শুনলাম, “যদিও সে চুরি করে, যদিও সে যিনা করে!”
​রাসূলুল্লাহ ﷺ কাছে এলে আমি জিজ্ঞেস করলাম, “হে আল্লাহর নবী! আপনি কার সাথে কথা বলছিলেন? আমি তো কারো সাড়াশব্দ পাইনি!”
​তিনি বললেন:
​“তিনি ছিলেন জিবরীল (আ.)। তিনি আমাকে এই সুসংবাদ দিয়ে গেছেন যে, আপনার উম্মতের মধ্যে যারা আল্লাহর সাথে শিরক না করে মৃত্যুবরণ করবে, তারা জান্নাতে প্রবেশ করবে।
আমি জিজ্ঞেস করলাম, হে জিবরীল! যদিও সে চুরি করে? যদিও সে যিনা করে? তিনি বললেন, ‘হ্যাঁ’। আমি আবারো জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বললেন, ‘হ্যাঁ’। এমনকি চতুর্থবার তিনি বললেন, ‘হ্যাঁ, যদিও সে মদ্যপান করে’।”
— (সহীহ মুসলিম: ৯৪)
আলহামদুলিল্লাহ, আমরা সেই নবীর উম্মাত।
সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ❤️
উল্লেখ্য, যিনা,চুরি,মদপান ইত্যাদির মতো গুনাহ করে তাওবা না করলে অবশ্যই এর শাস্তি পেতে হবে। আর তওবা করলে আল্লাহ তা'আলা শাস্তি ছাড়াই ক্ষমা করে দিতে পারেন।তাই, গুনাহ হয়ে গেলে তওবার বিকল্প নেই।
আহ! কতই না সৌভাগ্য। তবে তো নিরাশ হবার কোন কারই নাই। এখনই ক্ষমা চেয়ে নাও। কারণ মালিক - শিরক ব্যতীত সকল গুনাই ক্ষমা করবেন। যদি তুমি শিরক কর, আর সহি নিয়তে তওবা করে ফিরে আসো তবুও তিনি ক্ষমা করবেন। কারণ তিনি ক্ষমা করতে পছন্দ করেন । রাহমানুর রাহিম। আমিন।

https://www.facebook.com/photo/?fbid=2002926757003218&set=a.873878559908049
26/04/2026

https://www.facebook.com/photo/?fbid=2002926757003218&set=a.873878559908049

আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ

আল্লাহ তা’আলা বলেন,

হে আদম সন্তান!
তুমি যতক্ষণ পর্যন্ত আমাকে ডাকবে ও আমার নিকট ক্ষমার আশা পোষণ করবে, তোমার অবস্থা যা-ই হোক না কেন, আমি কারো পরোয়া করি না, আমি তোমাকে ক্ষমা করে দেবো।

হে আদম সন্তান!
তোমার গুনাহ যদি আকাশ পর্যন্তও পৌঁছে, আর তুমি আমার কাছে ক্ষমা চাও, আমি তোমাকে ক্ষমা করে দিবো, আমি কারো পরোয়া করি না।

হে আদম সন্তান!
তুমি যদি পৃথিবী সমান গুনাহ নিয়েও আমার সাথে সাক্ষাৎ করো এবং আমার সাথে কাউকে শরীক না করে সাক্ষাৎ করো, আমি পৃথিবী সমান নিয়ে তোমার কাছে উপস্থিত হবো।

রেফারেন্স : সহীহ তিরমিযী ৩৫৪০, সহীহাহ্ ১২৭, সহীহ আত্ তারগীব ৩৩৮২, সহীহ আল জামি‘ ৪৩৩৮।
:
#হাদিস

04/10/2025

হে নফস, তুমি যে কাজ কর না, তা কি মানুষের লজ্জাকে ভয় পেয়ে, না রবকে ভয় পেয়ে। কেন তুমি মান সম্মান হারানোর ভয় কর অথচ মালিককে ভয় পাও না?
তুমি নামাজ পড় কি মান সম্মান হারানোর ভয়ে, না রবের ভয়ে?
কোনটা? জিবনে থাকা দরকার?
তোমার কি তোমাকে ভালোবাসতে ইচ্ছে করে না? যদি তুমি নিজেকে ভালোই বাসো তাহলে এতো দুনিয়ার মিথ্যা চাহিদা কি? স্থায়ী ঠিকানাকে কেন সম্পদশালী করছো না। বিবেকবান মানুষ তো তাই করে। তুমি কি এর মধ্যে পরো না?
তোমার দান, তোমার কোরবানী, তোমার আমল একমাত্র আল্লাহর জন্য হওয়া উচিত। কোন ব্যক্তিকে মানত বা খুশী করার বা বাহবা পারাব জন্য নহে। যদি এটাই হয়ে থাকে তবে ভুলে যাও রবের প্রতিদান পাবার আশা থেকে।
তুমি এই পৃথিবীর মালিক, সবচেয়ে সম্পদশালী, ক্ষমতাবান - একজন সফলকাম তাতে কি? তোমার মৃত্যু তোমাকে খুজে নিয়ে যাবে না ফেরার দেশে। পৃথিবীর মানুষের দৃষ্টিতে তুমি একজন সফলকাম কিন্তু কি লাভ তুমি যে না ফেরার দেশে যাচ্ছ - সেখানে কি তুমি সফলকাম? তাহলে যেনে রাখ তোমার মত দুর্ভাগা আর কেহ নাই। একমাত্র সফলতার মাপকাঠি আল্লাহর কালামে বর্ণণা আছে।
হে নফস, জেনে রাখো এটা তোমার ঠিকানা নহে - তোমার সফলতা, তোমার স্থায়ী সুখের ঠিকানা তোমার জন্য অপেক্ষায় ........ রবের অনুগ্রহে।

14/02/2024

দুনিয়ার লোভে, মোহে পড়ে এতোই উম্মাদ, তুমি কি কখনো ভেবে দেখেছো - তোমার সম্পদ, তোমার সৌন্দর্য, তোমার অহংকার, তোমার ক্ষমতা সবই তোমার রুহ নামক পাখিটি তোমার খাচা হতে বাহির হয়ে গেলে - তোমার জন্য কোন কাজেই আসবে না। এসবই ধোকা। এমন এক সত্যের মুখোমুখী আমাদের সবাইকে হতে হবে - যা রব ব্যতীত সকলকেই পাকরাও করতে পিছ পা হবে না।

এমন এক গন্তব্য আমাদের সামনে - যে খানে সম্পদশালী ঐ ব্যক্তি যে দুনিয়াতে রবকে সন্তুষ্টি করে গেল। অনন্তকালের জীবনে তোমাকে সুখী, সম্পদশালী, আরামদায়ক জীবনের অধীকারী করতে চাও, তো দুনিয়ার আবাদী সময়কে আমল করে কাজে লাগাও।

যে সুখের নেশায় আজ শয়তানের প্ররোচনায় সময় কাটে, সেই শয়তানই তোমাকে ধিক্কার জানাবে। সময় থাকতে তওবা করো, হতে পারে এটাই তোমার শেষ সময়।

13/02/2024

হায় আফসোস! মানুষ প্রাসাদ বানায় স্থায়ী, কিন্তু থাকে মাটির ঘরে, মানুষ সফলতা দেখে ক্ষণস্থায়ী জীবনের কিন্তু সফলতার প্রকৃত সুখ আছে রবের সন্তুষ্টিতে, খুশী করায় ব্যস্ত থাকার কথা মালিকের, খুশী করি নফস ও শয়তানের।

দুনিয়াতে তিন শ্রেণীর মানুষ - এক শ্রেনী - যে মুসাফির জীবন কাটায়, দ্বিতীয় এক শ্রেনী - দুনিয়াও চায় আবার আখেরাতও চায় আর এক শ্রেণী - শুধু অর্থে র মোহে, দুনিয়া আর দুনিয়া চাই।

যদি তুমি তাকে জিজ্ঞাস কর - এতো দুনিয়া আর দুনিয়া কর কেন? সে উত্তর দিবে - আরে অখেরাতে সকলের যা হবে আমার ও তাই হবে। অথচ সে জানে কিছুক্ষণ পর সব ছেড়ে চীরদিনের জন্য বিদায় নিতে হবে।

আমি চাই আখেরাতের সফলতা - তাই মালিকের সামনে লজ্জিত হয়ে যেন উঠতে না হয় তাই সর্বক্ষণ মালিকের নিকট প্রার্থনা করি।

চাও তোমার রবের কাছে, যিনি বান্দা চাইলেই সবচাইতে খুশী হন।

https://www.youtube.com/watch?v=RJv1Imy1ttg
11/02/2024

https://www.youtube.com/watch?v=RJv1Imy1ttg

বাহলুল ছিলেন তৎকালীন বিখ্যাত পাগল। বলা হয় মানুষদের থেকে দূরে থাকার জন্য তিনি পাগলের বেশে থাকতেন। তিনি ছিলেন অত্...

Address

Comilla Medical College Road
Cumilla
3500

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Islam and Peace posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share