Radha Madhav Namhattya

Radha Madhav Namhattya Know Yourself, Know Your Entity, Know Your Destination...Hare Krishna

01/02/2026

Srilo Narottum Das Thakur

21/01/2026

Sreemad Bhagbatam Canto 3 Chapter 30 Verse 30

20/01/2026

Sreemad Bhagabatam Canto 3 Chapter 30 Verse 23

09/10/2021

Plz Join this page

নরসুন্দরের গৌরপ্রেম লাভ-শ্রীল জয়পতাকা স্বামী গুরুমহারাজ গৃহত্যাগের পর শ্রীমন্মহাপ্রভু কাটোয়ায় এসে ভক্তপরিবেষ্টিত হয়ে কীর...
01/06/2021

নরসুন্দরের গৌরপ্রেম লাভ
-শ্রীল জয়পতাকা স্বামী গুরুমহারাজ

গৃহত্যাগের পর শ্রীমন্মহাপ্রভু কাটোয়ায় এসে ভক্তপরিবেষ্টিত হয়ে কীর্তন করতে লাগলেন। শ্রীচৈতন্যদেব কীর্তন থামিয়ে বললেন," আমার চুল ফেলে দেয়ার জন্য নরসুন্দরকে ডাকো।" তার মস্তক মুন্ডনের জন্য নরসুন্দর এলেন, তখনকার দিনে বড় ক্ষুর ব্যবহার করা হতো এবং একই ক্ষুর অনেক লোকের জন্য ব্যবহৃত হতো। যখন সে শ্রীচৈতন্যদেবের মস্তক মুন্ডন করতে উদ্যত হলো, তখন ভক্তগণ চিৎকার করে উঠলেন,"না, না, না! মহাপ্রভুর চুল ফেলে দিও না। মহাপ্রভুর অপূর্ব দীর্ঘ কেশরাশি কেটে ফেলা হচ্ছে-এই দৃশ্য আমরা সহ্য করতে পারবো না। উপস্থিত সবাই এভাবে চিৎকার করতে লাগলেন। তখন সেই নরসুন্দর বললো, "না, না, আমি এই কাজ করতে পারবো না। আমি সম্পূর্ণ অপারগ। আমাকে ক্ষমা করুন।" তখন চৈতন্যদেব বললেন, "শোনো, আমি সন্ন্যাস গ্রহণ করতে এসেছি, তাই আমাকে মস্তক মুন্ডন করতেই হবে। তুমি একজন নরসুন্দর, এটা তোমার কর্তব্য। আমি তোমাকে এই কাজ করার আদেশ দিচ্ছি। যদি এতে কোনো পাপ হয়, তাহলে সে দায়িত্ব আমার, তোমার কোন ক্ষতি হবে না। কিন্তু কর্তব্যে অবহেলা করাটা অন্যায়। অতএব তুমি তোমার কর্তব্য সম্পাদন কর, আমার মস্তক মুন্ডন করে দাও।"
মহাপ্রভুর এমন কঠোর আদেশ পেয়ে নরসুন্দর চুল কাটতে লাগল। কিন্তু মহাপ্রভুকে স্পর্শ করা মাত্র তার মধ্যে কৃষ্ণপ্রেম সঞ্চারিত হলো। তার হৃদয় গলে গেল, কাপতে লাগল এবং চোখ থেকে অশ্রু বর্ষিত হতে লাগল। সে কিছুই দেখতে পাচ্ছিল না। কাজ করার চেষ্টা করছিল, কিন্তু চোখ ঝাপসা হয়ে আসছিল আর হাত দুইটা কাপছিল। তার পক্ষে মহাপ্রভুর মস্তক মুন্ডন করা গিরিলঙ্ঘন করার মতোই কঠিন হয়ে দাড়াল। আগে কখনো তার এমন হয়নি। খুব সর্তকতার সাথে সে অবশিষ্ট কাজটি শেষ করলো। মস্তক মুন্ডন সম্পন্ন হওয়ার সাথে সাথে সে প্রেমাবিষ্ট হয়ে সেই কেশরাজির উপর পড়ে থেকে অনবরত ক্রন্দন করতে লাগল।

একটিমাত্র সেবা করেই সে একজন মহান সাধুতে পরিণত হলো। হরেকৃষ্ণ মহামন্ত্র কীর্তন করা কখনই ত্যাগ করেনি। মহাপ্রভুর মস্তক মুন্ডনের পর নরসুন্দর আর কোনদিন কারও চুল কাটেন নি। তার সারাজীবনের জন্য ঐ একটি সেবাই যথেষ্ট ছিলো। এই শুদ্ধ ভক্তকে কেশব ভারতীর সমাধীর পাশেই সমাধিস্থ করা হয়।
('গৌরাঙ্গ' গ্রন্থ থেকে সংকলিত)

🌺🌿"এক আধুনিক সাধু--A modern Sadhu"🌿🌺"কৃষ্ণভাবনার এক অত্যুজ্জ্বল দৃষ্টান্ত শ্রীল প্রভুপাদের অত্যন্ত প্রিয় শিষ্য এবং একনিষ...
24/05/2021

🌺🌿"এক আধুনিক সাধু--A modern Sadhu"🌿🌺

"কৃষ্ণভাবনার এক অত্যুজ্জ্বল দৃষ্টান্ত শ্রীল প্রভুপাদের অত্যন্ত প্রিয় শিষ্য এবং একনিষ্ঠ সেবক পূজ্যপাদ শ্রীপাদ জয়ানন্দ দাস প্রভু।আজ তাঁর শুভ তিরোভাব তিথি মহোৎসব।

"শ্রীল প্রভুপাদ তাঁর জীবনী গ্রন্থে উল্লেখ করেছিলেন "আমি পৃথিবীর সাজানো বাগান থেকে ভালো ভালো ফুল গুলো তুলে নিয়ে এসে,কৃষ্ণের চরণে অর্পণ করেছি।"

এর এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হচ্ছে শ্রীপাদ জয়ানন্দ প্রভু।
শ্রীপাদ জয়ানন্দ প্রভুর ইস্কনে ব্যাপক অবদান রয়েছে।তিনি শ্রীল প্রভুপাদের একজন একনিষ্ঠ শিষ্য ছিলেন।তিনি ওহিও স্টেট University থেকে মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং এর উপর ডিগ্রী লাভ করার পরও তিনি অত্যন্ত সাধারণ জীবন যাপন করতেন।তিনি এ পৃথিবী থেকে প্রস্থানের পূর্বে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য,ভগবানের ভক্তদের জন্য অনেক অমূল্য শিক্ষা রেখে গেছেন।

শ্রীপাদ জয়ানন্দ প্রভু দেহাত্মবুদ্ধির উর্ধ্বে ছিলেন।এ সম্পর্কে তাঁর এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত রয়েছে।

" শ্রীপাদ জয়ানন্দ প্রভু লিউকোমিয়া রোগে আক্রান্ত হয়ে ১৯৭৭ সনের ১মে লসএঞ্জেলসে ইস্কন মন্দিরে পরলোকগমন করেন।তিনি বুঝতে পেরেছিলেন তিনি আর এই জগতে বেশিদিন থাকবেন না।তাই তাঁর চিকিৎসার জন্য গচ্ছিত ৫ হাজার আমেরিকান ডলারের একটি ডলার ও খরচ করতে দেননি এবং কোন ঔষধ ও খাননি।তাঁর পরমারাধ্য গুরু মহারাজ শ্রীল প্রভুপাদকে লেখা অন্তিম চিঠির সঙ্গে ঐ ৫ হাজার ডলার ব্যাংক ড্রাফট করে পাঠিয়েছিলেন।তিনি ছিলেন কৃষ্ণভাবনায় এমনই দৃঢ়ব্রত।"

তিনি এমনই একজন শুদ্ধ ভক্ত ছিলেন যে স্বয়ং প্রভুপাদ আদেশ করেছিলেন"জয়ানন্দের তিরোভাব দিবস অন্যান্য বৈষ্ণবের তিরোভাব দিবসের মত উদযাপন করা হবে।"

🌿🌺🌿জয় শ্রীল প্রভুপাদ!!🌿🌺🌿
🌿🌺 জয় শ্রীপাদ জয়ানন্দ প্রভু!!🌺🌿

অনুলিখনীতেঃ Matchless Gift Quotes

শুদ্ধ সেবারস একবার বঙ্গদেশের ভক্তরা যখন চারমাস কাল নীলাচলে বাস করার জন্য যান, সেসময় শ্রীমন্মহাপ্রভু  তাদের পরিমুণ্ডা কীর...
17/05/2021

শুদ্ধ সেবারস

একবার বঙ্গদেশের ভক্তরা যখন চারমাস কাল নীলাচলে বাস করার জন্য যান, সেসময় শ্রীমন্মহাপ্রভু তাদের পরিমুণ্ডা কীর্তনে নৃত্য করেন। মহাপ্রসাদ সম্মানের পর মহাপ্রভু অধিক ক্লান্তিবশতঃ গম্ভীরার দ্বারদেশে এমনভাবে শয়ন করেন যেন কেউ বাইর থেকে ভিতরে বা ভিতর থেকে বাইরে আসতে না পারে। প্রভুর ব্যাথা ও ক্লান্তি উপশমের জন্য সেবক গোবিন্দ আসলে ভিতরে প্রবেশ করতে পারলেন না। গোবিন্দ ভিতরে প্রবেশের একটু স্থান করে দেয়ার প্রার্থনা জানালে প্রভু তীব্র ব্যাথার অজুহাতে তাতে অক্ষমতা জানান। এবার প্রভুর দেহ একখন্ড বস্ত্রদ্বারা আচ্ছাদন করে গোবিন্দ শ্রীমন্মহাপ্রভুকে ডিঙিয়ে গৃহে প্রবেশ করলেন। তারপর তিনি প্রভুর পদদ্বয়, কোমর, পৃষ্টদেশ এমনভাবে মর্দন করতে লাগলেন যে প্রভু নিদ্রামগ্ন হয়ে গেলেন। একঘন্টা পর প্রভু জেগে উঠার পর গোবিন্দকে সে অবস্থায় দেখে মহাপ্রসাদ সম্মান না করার জন্য তিরস্কার করলেন। গোবিন্দ বিনীতভাবে জানালেন পথ বন্ধ থাকায় তিনি বের হতে পারেন নি। প্রভু জিজ্ঞেস করলেন যেভাবে ডিঙিয়ে ঢুকেছিলো গোবিন্দ তো সেভাবেই বের হতে পারতো। গোবিন্দ চুপ করে রইলেন। মনে মনে ভাবলেন, " হে প্রভু, আপনাকে সেবা করার জন্য যদি কোটি অপরাধও করতে হয়, তাও আমি মাথা পেতে নিতে নেবো, কিন্তু নিজের সুখ-সুবিধার জন্য কোন অপরাধের বিন্দুমাত্র আভাস ঘটাতেও আমি রাজি নই।"

সাপটি প্রতিদিন শ্রীবিগ্রহকে পরিক্রমা করতেন১৯৮৭ সালে মায়াপুরে যখন বন্যা হয় সেই সময় নৃসিংহদেবের পূজা করার সময় দেখি যে আ...
09/05/2021

সাপটি প্রতিদিন শ্রীবিগ্রহকে পরিক্রমা করতেন

১৯৮৭ সালে মায়াপুরে যখন বন্যা হয় সেই সময় নৃসিংহদেবের পূজা করার সময় দেখি যে আমার থেকে মোটামুটি পাঁচ ফুট দূরে একটা সাপও সেখানে ঢুকে পড়েছে নৃসিংহদেবের পেছনে এবং সেখান থেকে বের হতে না পেরে সে আবার জলের তলায় ঢুকে পড়ে সেই সময় আমি খুবই ভয় পেয়ে গেছিলাম এবং আমি এরকম ভাবছিলাম যে এইবার হয়তো আমি আর বাঁচাতে পারবোনা সেই সাপটি হয়তো আমাকে কামড়াবে। এরপর সেই সময় আমি নৃসিংহদেবের দিকে ঘুরে তাকালাম নরসিংহদেবকে দেখে মনে মনে বলেছিলাম যে ভগবান সবকিছু তোমার ওপর যদি তুমি চাও তাহলে সেই সাপটি আমাকে আঘাত করবে এবং যদি তুমি না চাও তাহলে সেই সাপটি আমাকে কামড়াবে না। সেক্ষেত্রে আমাকে আমার সেবা চালিয়ে যেতে হবে এবং তারপরেই আমি এটা অনুভব করি যে নৃসিংহদেব যেন আমায় রক্ষা করেছেন। আমি যেন নৃসিংহদেবের কাছে সুরক্ষিত ছিলাম, আমি সম্পূর্ণ আত্মসমর্পণ করি।
আমি আমার সকালের পূজা এভাবে সম্পাদন করেছিলাম কিন্তু ওই ঘটনার কথা আমি কোনভাবেই ভুলতে পারছিলাম না এবং তখন আমার মনে পরছিল যে ভগবান কপিল দেবের কথা যিনি বলেছিলেন যে মাতৃগর্ভে থাকাকালীন আমাদের যে আশাহীন ও কষ্টকর পরিস্থিতি হয় তো সেই সময় যদি কেউ ধার্মিক হয় তবে তাকে হৃদয়ে থাকা পরমাত্মা দর্শন দেন এবং তারপর সে পরমাত্মাকে এই প্রার্থনা করেন যে আমি যদি এই পরিস্থিতি থেকে বেরোতে পারি তবে আমি মাতৃগর্ভ থেকে বেরোনোর পর আপনার পূজা করবো। কিন্তু যখনই তিনি এরকম ভাবে মাতৃগর্ভ থেকে বেরিয়ে যান ভালোভাবে সেই মুহূর্তেই তিনি সবকিছু ভুলে যান কিন্তু আমার একটা আশা আছে কি আমি আপনার খুশির জন্য একদিন হয়তো খুব সুন্দরভাবে আপনার সেবা করতে পারব। যতদিন পর্যন্ত মন্দির কক্ষ বন্যার জলে ভর্তি ছিল সেই সাপটি প্রত্যেকদিনই আসত এবং সে শ্রীবিগ্রহকে পরিক্রমা করার পর আবার বেরিয়ে যেত। কে জানে যে সে সাপটি কে ছিল ?

-শ্রীপাদ্ পঙ্কজাঙ্ঘ্রী প্রভু

05/05/2021

Hare Krishna
Welcome to the Krishna Consciousness World

Address

Daudkandi Pourashava, Daudkandi
Cumilla
3516

Telephone

+8801711507907

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Radha Madhav Namhattya posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to Radha Madhav Namhattya:

Share