Islam

Islam আমরা পেয়েছি(১)শ্রেষ্ট নবী(২)শ্রেষ্ট কিতাব (৩)শ্রেষ্ট ধর্ম

12/06/2025

(একটি ছেলেকে বলা এক বাবার হৃদয়ছোঁয়া কথা)

🤵‍♂️ বাবা ছেলেকে বললেন:

> “আগে নতুন বউকে গরুর গাড়ি নয়, পালকিতে করে আনা হতো — জানিস কেন?
যাতে সবাই বুঝে নেয়, একজন রাজরানিকে আনা হচ্ছে, সাধারণ কাউকে নয়।
পালকি থেকে নামার পরেও সে যেন সারাজীবন এই সম্মানেই থাকে —
এটা তোর দায়িত্ব।”

👰‍♀️ “তুই জানিস, নতুন বউ পালকিতে উঠে কী করে?
সে কাঁদে।

কার জন্য কাঁদে?
শুধু ফেলে আসা মা-বাবার জন্য না,
সে কাঁদে অজানা ভবিষ্যতের ভয়ে।

তোর কাজ হলো —
এই কান্নাই তার জীবনের শেষ কান্না হয়, সেটা নিশ্চিত করা।”

😢 “এরপর সে কাঁদবে মাত্র দুইবার:
১️⃣ মা হওয়ার আনন্দে,
২️⃣ তুই মারা গেলে, তোর শোকে।

মাঝখানে যত দুঃখ আসবে,
তুই হবে তার চোখের অশ্রুমুছনো হাত।”

🗣️ “জানিস, বউ সবচেয়ে বেশি কষ্ট পায় কিসে?
স্বামীর খারাপ ব্যবহারে।

আমি খুব রাগী,
তবু কখনো তোর মায়ের সঙ্গে উঁচু গলায় কথা বলিনি।
বিয়ে মানে একটা মেয়ের জীবনের ভার নিজের কাঁধে তুলে নেওয়া।
এ দায়িত্ব ভুলে গেলে, সৃষ্টিকর্তার কাছে জবাবদিহি করতেই হবে।”

🙏 “আরেকটা কথা মনে রাখিস —
তোর বউয়ের মা-বাবাকে কখনো ‘শ্বশুর-শাশুড়ি’ বলিস না,
মা-বাবা বলিস।
তুই যেমন বলবি, তোর বউ তেমনই শিখবে।
ভালোবাসা শেখানো শুরু হয় নিজের ব্যবহার দিয়ে।”

⚖️ “সৃষ্টিকর্তা সবকিছু দেখেন।
তোর পাল্লায় তুই যা দিবি,
তিনি তাঁর পাল্লায় ঠিক তাই দিবেন।”

---

❤️‍🔥 বিয়ে মানে শুধু দু’জন মানুষের বন্ধন নয়,
এটা একে অপরের চোখের জল মুছে ফেলার চুক্তি।

মৃ'ত্যু আসার আগেই আপনার পরিবারকে যেসব বিষয়ে ওসিয়ত করে যাবেন।১.আমার মৃ'ত্যুর সংবাদ শুনলে "ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্নালিল্ল...
02/06/2025

মৃ'ত্যু আসার আগেই আপনার পরিবারকে যেসব বিষয়ে ওসিয়ত করে যাবেন।

১.আমার মৃ'ত্যুর সংবাদ শুনলে "ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্নালিল্লাহি রাজিউন" পড়বেন।

২.আমার মৃ'ত্যুকে অকাল মৃ'ত্যু বলবেন না, কারণ আমি আমার নির্ধারিত রিযিক ভোগ করে ফেলেছি।

৩.আমাকে নিয়ে বিলাপ মাতম করবেন না, জোরে জোরে কান্নাকাটি করবেন না কারণ এটা সুন্নাহ বিরোধী এবং রাসুল (সাঃ) কতৃক নিষিদ্ধ কাজ।

৪.আমার মৃ'ত্যুতে চল্লিশা, কুল-খানি, মিলাদ করবেন না।কারণ এটা স্পষ্ট বিদ'আত।

৫.যারা আমার মৃ'ত্যুর খবর শুনবেন তারা অবশ্যই আমার জানাজায় অংশগ্রহণ করার চেষ্টা করবেন।

৬.আমার ল!শ মাহরাম ছাড়া অন্য কাউকে দেখাবেন না।

৭.আমার লা"শকে সুন্দরভাবে বিশ্বস্ত মানুষ দ্বারা গোসল করানোর ব্যবস্থা করবেন।

৮.লা"শ দাফনে ইসলামিক রীতিনীতি অবলম্বন করবেন, সমাজের নয়।

৯.আমাকে কবরস্থ করার পর কিছুক্ষণ সেখানেই থাকবেন আর পড়বেন "আল্লাহুম্মা সাব্বিতহু আল্লাহুম্মা সাব্বিতহু"। আমার কবরের আজ!ব লাঘবের জন্য ও মুনকার নাকিরের প্রশ্নের উত্তর যেন দিতে পারি সেই দোয়া করবেন "আল্লাহুম্মা সাব্বিত হু আলাল ইমান"।

১০.আমার হয়ে দান-সাদাকা করবেন। আমার সাদাকায়ে জারিয়া চালু থাকলে সেটার খবর নিবেন, সে গুলোকে সমুন্নত করার চেষ্টা করবেন।

১১.আমার মৃ'ত্যু থেকে এই শিক্ষা নিয়ে ফিরে যাবেন।আপনার সময়ও অতি নিকটে।

১২. আমার ছবি কোথাও দিবেন না, আমার আইডি বা অন্য কারো কাছে আমার ছবি থাকলে তা ডিলিট করে দিবেন। বাসায় আমার ছবি থাকলে ফেলে দিবেন, দেয়ালে ঝুলিয়ে রাখবেন না।

১৩.আমার পাওনা আমার পরিবারকে ফিরিয়ে দিবেন, না পারলে আমার জন্য সাদকাহে জারিয়া করবেন, তাও না পারলে আজীবন আমার জন্য দু'আ করবেন, আমি ক্ষমা করে দিব ইনশাআল্লাহ।

১৪.আপনি আমার কাছে কিছু পেয়ে থাকলে আমার জীবিত অবস্থাতেই আমার কাছে চেয়ে নিবেন, আর যদি ম"রে যাই পরিবারের কাছে চাইবেন (পরিবারের লোকেদের বলবো আপনারা তাদের পাওনা দয়া করে দিয়ে দিবেন)। আর পরিবার না দিলে আল্লাহর জন্য আমাকে ক্ষমা করে দিবেন, এতে আল্লাহ ও আপনাকে ক্ষমা করবেন।

১৫.আমার জন্য বেশি বেশি দুআ করবেন। আমার নামে গী'বত করবেন না। কারণ, আমি আমার স্থানে পৌঁছে গিয়েছি।

আল্লাহর কাছে আকুলতা, আল্লাহ যেন আমাদের ইমানের সহিত ক!লিম! উচ্চারণের মাধ্যমে শ"হী'দি মৃ'ত্যু দান করেন।আমিন।

20/09/2021

প্রশ্নঃ ঈমান কাকে বলে?

উত্তরঃ ঈমান মানে বিশ্বাস। পরিভাষায়ঃ অন-রে বিশ্বাস, মুখে স্বীকার ও কর্মে বাস-বায়নকে ঈমান বলে।

প্রশ্নঃ ঈমান কি কমে ও বাড়ে?

উত্তরঃ হ্যাঁ, ঈমান কমে ও বাড়ে।

প্রশ্নঃ কিভাবে ঈমান কমে বাড়ে?

উত্তরঃ সৎকাজের মাধ্যমে ঈমান বাড়ে, আর অসৎ কাজ করলে ঈমান কমে।

প্রশ্নঃ ঈমানের শাখা কতটি?

উত্তরঃ সত্তরের অধিক।

প্রশ্নঃ ঈমানের সর্বোচ্চ স্তর কি?

উত্তরঃ কালেমা ‘লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু’ পাঠ করা।

প্রশ্নঃ ঈমানের সর্বনিম্ন শাখা কি?

উত্তরঃ রাস্তা থেকে কষ্টদায়ক বস্তু অপসারণ করা!

20/09/2021

আপনিও যেহেতু ওয়েটিং রুমে বসে আছেন
আপনাকে একটি বাস্তব ঘটনা বলি 👇
একব্যক্তি ট্রেন ছাড়তে ৩ ঘন্ট দেরী হবে
যেনে ওয়েটিং রুমে বসতে গেল
ওয়েটিং রুমে ঢুকেই তার চোখ পড়লো
রুমের লাইট টি নষ্ট 👈
তাই সে একটি এনার্জি বালব কিনে লাগালো
তার পর খেয়াল করলো রুমে অনেক
মাকড়সার জাল 👈
তাই সে একটি ঝাড়ু কিনে রুমটি পরিস্কার করলো
তারপর খেয়াল করলো রুমের
ফ্লোরে ময়লা 👈
তখন সে রুম ঝাড় দিলো
তারপর সে খেয়াল করলো বসার চেয়ারগুলো
বেশি একটা আনন্দদায়ক নয় 😧
তাই সে একটি আরামদায়ক চেয়ার কিনলো
এখন সে রুমটি সাজানোর জন্য কিছু জিনিস
কিনে রুমটি সাজালো
এখন সে অনেক ক্লান্ত হয়ে গেল এবং তার
আরামদায়ক চেয়ার বসতেই যাচ্ছে
এই মুহূর্তে হটাৎ করেই ট্রনের হর্ন 📣 শুনতে পেল
এবং সে 🚂 ট্রেনে ওঠার জন্য রুম থেকে চলে গেলে এবং ট্রেনে বসে তার গন্তব্য স্থানে চলে গেল...
আমি যতটুক জানি আপনারা ভাবছেন এই
লোকের চেয়ে বোকা লোক আর পৃথিবীতে
নেই!
👉 Moral of the Story আপনি কি জানেন
একটি লোকটি কে ???
এই লোকটি আর কেও নয় আপনি-আমি!!!
অবাক হলেও এটাই সত্যি
আমরা দুনিয়াতে এসেছি অল্প সময়ের জন্য
আর দুনিয়ার জীবন হচ্ছে ওয়েটিং রুম
যেখানে আমরা মাত্র কয়েকটি মিনিট থাকবো
অথচ আমরা এই দুনিয়ার জীবনকেই এমনভাবে
সাজাচ্ছি যে আমরা ভূলেই গেছি আমাদের মৃত্যু খুব সন্নিকটে
এবং আমাদের এই সাজানো গোছানো দুনিয়ার সবকিছু ছেড়ে
মৃত্যু নামক ট্রেনে চড়ে চলে যেতে হবে একদিন...
এটাই সত্য,,,
আমিও ওয়েটিং রুমে বসে আছি
আপনিও বসে আছেন
ওয়েটিং রুমে যেহেতু দুজনেই বসে আছি
একবার একটু সময় নিয়ে আমার
মুসলিম ভাই ও বোনেরা ভাবুন
আমাদের গন্তব্যেস্থল এই দুনিয়া নয়
কথাটি তেতো হলেও এটিই সত্যি
আমাদের গন্তব্যস্থল যেন হয় জান্নাত,,
সেই ভাবেই প্রস্তুতি নিয়ে ওয়েটিং রুমে অপেক্ষা করুন।
আল্লাহ তা'আলা বলেন 👇
کُلُّ نَفۡسٍ ذَآئِقَۃُ الۡمَوۡتِ
প্রতিটি প্রাণী মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করবে।
(আল-ইমরান ০৩:১৮৫)

27/11/2020

•৷• পাক নাপাকীর বিবরণ •৷•

পবিত্রতা ঈমানের অঙ্গ৷ কিছু ইবাদত করার আগে পবিত্রতা অর্জন করা ফরয৷ যেমন নামায৷ শরীর, কাপড় এবং নামাযের স্থান পাক হওয়া নামাযের ফরয৷ শরীর, পরনের পোশাক, নামাযের স্থান পাক না হলে
নামায হবে না৷ আবার শরীর নাপাক অবস্থায় কুরআন শরীফ স্পর্শ করা
নিষেধ৷ তবে তিলাওয়াত করতে সম্যসা নাই৷ ইসলাম সর্বদা পবিত্র থাকার নির্দেশ উপদেশ দিয়েছে৷ গোসল ফরয হবার মত শরীর নাপাক হলে দ্রুত গোসল করতে বলা হয়েছে৷ গোসল ফরয না হলেও সর্বদা অযু অবস্থায় থাকতে উপদেশ দেয়া হয়েছে৷

নাপাকী থেকে পাক পবিত্র থাকতে নাপাকী সম্পর্কে জানা আবশ্যক৷ চলুন নাপাকী সম্পর্কে জেনে নাপাকী থেকে পবিত্র থাকার চেষ্টা করি৷

যেসব নাপাকী চোখ দিয়ে দেখা যায় এবং যা থেকে শরীর, কাপড় ও খাদ্যবস্তু পাক রাখা উচিত, তা দুই প্রকার৷ নাজাছাতে গলীজা (যে নাপাকীর হুকুম শক্ত বা বড় নাপাকী) এবং নাজাছাতে খফীফা (যার হুকুম কিছুটা হালকা বা ছোট নাপাকী)৷

● নাজাছাতে গলীজা
• মানুষের মল মূত্র, মানুষ ও প্রাণীর রক্ত, বীর্য, মদ, সব ধরনের পশুর পায়খানা, সব ধরনের হারাম পশুর পেশাব এবং পাখির মধ্যে হাস
মুরগির বিষ্টা৷
• নাজাছাতে গলীজার মধ্যে যেগুলো তরল, যেমন রক্ত পেশাব
ইত্যাদি তা এক দেরহাম (গোলকৃত ভাবে হাতের হাতুর নীচ স্থান পরিমান) পর্যন্ত শরীর বা কাপড়ে লাগলে সম্যসা নাই৷ তবে বিনা কারনে এতটুকুও পরিস্কার না করা মাকরুহ৷ আর এক দেরহাম পরিমানের চেয়ে বেশী হলে তা পরিস্কার ব্যতিত নামায পড়া জায়েয না৷
• নাজাছাতে গলীজার মধ্যে যেগুলো গাঢ় যেমন গোবর, ইত্যাদি, এক সিকি (৪.৮৬ গ্রাম) পর্যন্ত কাপড় বা শরীরে লাগলে সম্যসা নাই৷ তবে এরচেয়ে বেশী লাগলে পরিস্কার করতে হবে৷

● নাজাছাতে খফীফা
• গরু, মহিষ, ছাগল ইত্যাদি সকল হালাল পশুর পেশাব, কাক, চিল ইত্যাদি হারাম পাখির বিষ্টা এবং ঘোড়ার পেশাব নাজাছাতে খফীফা৷
• নাজাছাতে খফীফা শরীর বা কাপড়ে লাগলে যে অংশে লেগেছে তার চার ভাগের একভাগের কম হলে মাফ, আপ পূর্ণ চারভাগে লাগলের এক ভাগ বা তার বেশী লাগলে মাফ নাই পরিস্কার করতে হবে৷ জামার হাতা, কলি, কাপড়ের আচল, ওড়নার অর্ধাংশ, পায়জামার দুই মুহরীর প্রতিটা ভিন্ন ভিন্ন অংশ বলে গণ্য হবে৷

● পাক - নাপাকের আরও বিবরণ
• নাপাকী কম হোক বা বেশী হোক পানিতে পরলে সেই পানি নাপাক হয়ে যাবে৷ নাজাছাতে গলীজা পরলে নাজাছাতে গলীজা হয়ে যাবে, আর নাজাছাতে খফীফা পরলে নাজাছাতে খফীফা হয়ে যাবে৷ প্রবাহিত
পানিতে বা ১০০ বর্গহাত কিংবা তার চেয়ে বেশী পানিতে পরলে নাপাক হয়ে যাবে না৷ তবে নাপাকী পরার কারনে পানির রং, স্বাদ, গন্ধ পরিবর্তিত হলে নাপাক হয়ে যাবে সে পানি দিয়ে কোন নাপাক জিনিস ধৌত করা যাবে না, করলে তাও নাপাক হয়ে যাবে৷ পানি দিয়ে নাপাকী থেকে পাক করতে হলে পানিও পাক হতে হবে৷
• রাস্তা-ঘাটে বা বাজারে যে পানি বা কাঁদার ছিটা কাপড়ে বা শরীরে লাগে তাতে স্পষ্টতঃ কোন নাপাক জিনিস দেখা গেলে বা জানা থাকলে যে এতে নাপাক জিনিস আছে (যেমন ড্রেনের পানি) তা নাপাক আর স্পষ্টতঃ
কোন নাপাক কিছু দেখা না গেলে তা নাপাক না৷ এটাই ফতোয়া৷ তবে নাপাকী না দেখা বা জানা না গেলেও ধুয়ে নেয়া উচিত৷
• মৃত ব্যক্তিকে যে পানি দ্বারা গোসল করানো হয়েছে তা নাপাক৷
• হাস, মুরগি ও পানকৌড়ি ব্যতিত অন্যান্য হালাল পাখির বিষ্টা (যেমন কবুতর, চড়ুই, শালিক, ইত্যাদির বিষ্টা) এবং বাদুর, চামচিকার পেশাব পায়খানা পাক৷ এমনকি মশা, মাছি, ছারপোকা এবং মাছের রক্তও পাক৷
• পেশাবের অতি ক্ষুদ্র ফোটা যা চোখে দেখা যায় না তার কারনে
শরীর বা কাপড় নারাক হয় না৷ অনর্থক সন্দেহের কারনে ধৌত করার প্রয়োজন নাই৷
• উৎপন্ন ফসল মাড়াই সময় গরু বা অন্য কোন পশু তার উপর পেশাব
করলে তা নাপাক হবে না৷ তবে মাড়াবার সময় ব্যতিত অন্য সময় পেশাব
করলে নাপাক হয়ে যাবে৷
• হালাল পশু পাখির ঝুটা পাক৷ তাদের ঘামও পাক৷ যাদের ঝুটা মাকরূহ তাদের ঘামও মাকরুহ৷ খাদ্য বা পানীয়তে মুখ লাগিয়ে ত্যাগ করলে তাকে ঝুটা বা উচ্ছিষ্ট বলা হয়৷
• যে পোষা পাখি মরা না খায় এবং তাদের ঠোটে নাপাকী থাকার সন্দেহ না থাকে তাদের ঝুটাও পাক৷
• ঘোড়ার ঝুটাও পাক৷
• কুকুর শুকর, বানর এবং বাঘ সিংহ প্রভৃতি হিংস্র প্রাণীর ঝুটা নাপাক৷
• বিড়ালের ঝুটা পাক, তবে মাকরুহ৷ কোন পানিতে বিড়াল মুখ দিলে
তা দিয়ে অযু গোসল হবে না৷ অবশ্য অন্য পানি না থাকলে সম্যসা নাই৷ আর দুধ বা তরকারী ইত্যাদি খাবারের মধ্যে মুখ দিলে মালিক যদি অবস্থাপন্ন হয় তবে সে খাবার খাবে না - খেলে মাকরুহ হবে৷ যদি গরিব হয় তবে তা খাওয়া মাকরুহ হবে না৷ তবে বিড়াল যদি সদ্য ইদুর ধরে এসে তৎক্ষণাৎ কোন পানি বা খাদ্যে মুখ দেয় তবে তা নাপাক হয়ে যাবে৷ আর যদি কিছুক্ষণ দেরী করে নিজের মুখ চেটে চুষে তারপর মুখ দেয় তবে নাপাক হবে না৷ তবে পূর্বের মাসআলার ন্যায় মাকরুহ হবে৷
• যেসব প্রাণী ঘরে সর্বত্র ছাড়া থাকে যেমন সাপ, বিচ্ছু, ইদুর, তেলাপোকা, টিকটিকি এবং মুরগির ঝুটা মাকরুহে তানযিহী৷ এরা
যদি খাবারের কিছু অংশ খেয়ে ফেলে তবে সেদিকে কিছুটা ফেলে দিয়ে অবশিষ্ট অংশ খাওয়া যাবে৷
• মুসলিম অমুসলিম সকলের ঝুটা পাক৷ তবে কোন নাপাক বস্তু যেমন মদ মুখে থাকা অবস্থায় পানি উচ্ছিষ্ট করলে ঐ পানি নাপাক হয়ে যাবে৷
• জানা অবস্থায় গায়রে মাহরুম পুরুষের ঝুটা খাওয়া বা পান করা
নারীর জন্য মাকরুহ৷ অনুরুপ গায়রে মাহরুম নারীর ঝুটা খাওয়াও পুরুষের জন্য মাকরুহ৷ তবে না জেনে খেলে মাকরুহ হবে না৷

পাক নাপাক সম্পর্কে ধারনা তো পাওয়া গেল৷ পরবর্তীতে শরীর, কাপড় ইত্যাদি নাপাক হলে কিভাবে পাক করতে হবে সে নিয়ে আলোচনা হবে ইন শাআল্লাহ৷

#আহকামেযিন্দেগী_পাকসাফ
#পাকসাফ_অজুরমাসআলামাসায়েল
#পাকসাফ_গোসলেরমাসআলামাসায়েল

09/11/2020

নিজের স্ত্রীর হাত ধরে ভোর বেলায় হাঁটার মতো সৌভাগ্য সবার হয় না । হাতেগুণা ক-জনি কেবল স্ত্রীর প্রকৃত ভালোবাসাটা অনুভব করতে পারে। দূর্ভাগ্যবান আপনি জীবনে বহু প্রেমিকার হাত ধরে রাস্তা পার করেছেন, পার্কে, মার্কেটের অলিগলিতে হাত ধরে ঘুরেছেন। অথচ নিজের স্ত্রীর হাতটা ধরে আজও হাঁটা হয়নি। দূর্ভাগ্যবান আপনি কত-শত প্রেমিকার মন রক্ষা করার জন্য দিয়েছেন হাজার হাজার টাকার উপহার। অথচ আপনার স্ত্রী আজও কোনো উপহার পাইনি আপনার কাছ থেকে ।

আমরা পুরুষ জাতি বড় বোকা,যাকে সামান্য মায়াবী ডাকেই নিজের জীবন দিতে প্রস্তুত তাদের দিকে ফিরেও তাকাই না। যারা দামী উপহার চায় না! দামী কোনো রেস্টুরেন্টে খেতেও চায় না!তাদেরকে অবহেলা করি।
অথচ আপনার মনের গহীনে থাকা আপনার প্রকৃত ভালোবাসাটার এক ফুটাও যদি তারা পেতো।তাহলে আপনি সুখের রাজ্যে বাস করতেন। সুখী হওয়ার জন্য টাকা-পয়সা দামী উপহার কোনো কিছুর প্রয়োজন নেই। প্রয়োজন আপনার প্রিয় মানুষকে একটু নিজের করে সময় দেওয়ার। দেখবেন ভালোবাসাটা মরবে না।

20/10/2020

💞 স্বামী স্ত্রীর মাঝে রোমান্টিকতা এবং রাসুল (সাঃ) এর সুন্নতঃ 💖👇💝
[] প্রথম প্রথম বিয়ে হলে স্বামী স্ত্রীর মাঝে অদ্ভুত ভালো লাগা থাকে। একটুখানি হাসি, একটু মিষ্টি কথা যেন মনকে ছুয়ে ছুয়ে যায়। বিয়ের পর প্রথম যখন স্বামী স্ত্রী একজন আরেকজনের কাছাকাছি আসে, তখন উভয়ের মাঝে মিষ্টতা, আতিশয্য, ভালোলাগা বর্ণনাতীত।

আহা! যদি জীবনের শেষ পর্যন্ত প্রতিটি দিনই এমন হতো। তাহলে কি আর কিছু লাগতো দুনিয়াতে?! বিয়ের প্রথম কয়েকটা মাস হলো হানিমুন টাইপ। যখন এই হানিমুন পিরিয়ড শেষ, তখন থেকেই আসল ঘটনা শুরু।
·
[] স্বামী তাঁর চাকরী, ব্যবসা নিয়া ব্যস্ত। সারাদিন পর ক্লান্ত শ্রান্ত আর খিটখিটে মেজাজ নিয়ে বাসায় ফেরেন তিনি। চিৎকার করে স্ত্রীর কাছে খাবার চান, ধপ করে সোফায় বসে থম মেরে পড়ে থাকেন আর না হয় টিভি দেখেন, অথবা অন্য কাজ করেন।
·
[] অতঃপর খাওয়া শেষে সিংকে প্লেট ফেলে রেখে আবার সোফায় গিয়ে বসেন। এভাবে একটার পর একটা অর্ডার করতে থাকেন স্ত্রীকে। অপরদিকে, স্বামী মহাশয় তাঁর কোন এক পুরনো বন্ধুকে ফোন করেন, অথবা ফোন করেন কোন কলিগকে।
·
[] এরপর ঘুমের পালা। যদি স্বামী মহাশয়ের মুড ভালো থাকে, তাহলে তিনি স্ত্রীর সাথে মিলিত হয়ে থাকেন। কিন্তু শুধু নিজের খায়েশ মেটানোই থাকে উদ্দেশ্য। কাজ কর্ম শেষে ধপ করে পড়ে তিনি ঘুমিয়ে যান। বেচারী স্ত্রীর ব্যাপারে তাঁর কোন খেয়ালই থাকেনা। এভাবে, এটাই হয়ে যায় প্রতিদিনের রোযনামচা।
·
[] এবার আসুন স্ত্রীর দৃষ্টিভঙ্গিতে ব্যাপারটা যাচাই করে দেখি। স্ত্রী প্রথম প্রথম চেষ্টা করে স্বামীকে সন্তুষ্ট করার। কিন্তু ধীরে ধীরে সে তাঁর উৎসাহ, উদ্দিপনা হারাতে থাকে। কারণ সে তাঁর স্বামীর মনযোগ পায়না। সে তাঁর স্বামীকে খুশী করার জন্য রান্না করে।
·
[] খাবারের ডেকোরেশন পর্যন্ত নিখুত ভাবে করে। কিন্তু স্বামী তাঁর খাবারের প্রশংসাতো দূরের কথা, দোষ ধরতে ধরতে কিছু বাকি রাখেনা। এভাবে এমন অবস্থা হয় যে, স্ত্রী ততোক্ষণ ভালো থাকে যতক্ষণ স্বামী বাসায় থাকেনা। কারণ স্বামী বাসায় আসলেই শুরু হয় তাঁর দাসত্বের জীবন। সে হয়ে যায় চাকরানীর ন্যায়।
·
[] এধরনের দাম্পত্য ধীরে ধীরে ধ্বংসের দিকে যেতে থাকে। জীবনে সুখ পাওয়া হয়ে যায় দুষ্কর।
·
[] স্বামীর উচিৎ রাসুলুল্লাহ "সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের" মতো তাঁর দাম্পত্য জীবনকে সাজিয়ে তোলা। প্রেমের আইকন পুরুষ হিসেবে আমরা রোমিওকে বুঝি, রাসুলকে নয়। এটা আসলেই অত্যন্ত দুঃখজনক।
·
[] অথচ পৃথিবীর বুকে সর্বশ্রেষ্ঠ রোমান্টিক স্বামী যদি বলতে হয়, তাহলে বলতে হবে আমাদের রাসূলুল্লাহ "সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম" এর কথা। তাঁর জীবনী ভালোভাবে পড়লে তা আমাদের নিকট স্পষ্ট হয়ে ওঠে।
·
[] আমাদের রাসুল (সাঃ) আদর্শ স্বামীর প্রকৃষ্ট উদাহরণ। তিনি ছিলেন তাঁর স্ত্রীদের কাছে সবচাইতে শ্রেষ্ঠ মানুষ।
·
একটি সুখী সংসার করতে হলে স্বামী এবং স্ত্রীর মাঝে অবশ্যই মনস্তাত্তিক, শারিরীক এবং আধ্যাত্নিক বন্ধন সুদৃঢ় হতে হবে।
·
[] নিচে রাসুলের সুন্নত থেকে কিছু টিপস দেয়া হল, যা পালন করলে অবশ্যই সুখী সংসার গড়া সম্ভব হবে।
·
১- সঙ্গী/সঙ্গিনীর অনুভুতি বোঝার চেষ্টা করুনঃ
·
[] স্বামী স্ত্রী পরস্পরকে পরস্পরের অনুভুতির ব্যাপারে অবশ্যই অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে। স্বামীকে বুঝতে হবে কখন স্ত্রীর মন মেজাজ ভাল বা খারাপ। তেমনি স্ত্রীকেও বুঝতে হবে কখন স্বামীর মন মেজাজ স্বাভাবিক না। কখনই দুই জনের মন মেজাজ একসাথে খারাপ হওয়া যাবে না।
·
[] কথাকাটাকাটি বা ঝগড়ার সময় দুই জনের একজনকে অবশ্যই চুপ থাকতে হবে। এ সময় উচিত একজন আরেকজনের পাশে বসে ঠান্ডা মাথায় সমস্যা বোঝার চেষ্টা করা।
·
[] আমাদের রাসুল (সাঃ) আম্মাজান আয়েশা (রাযিঃ) এর ব্যাপারে এতটাই সচেতন ছিলেন যে, তিনি বুঝতেন কখন আমাদের আম্মাজান খুশী হয়েছেন আর কখন বেজার হয়েছেন।

·
২- তাঁকে আশ্বস্ত করুনঃ
·
[] স্বামী ও স্ত্রী দুজনকেই দুজনে আস্বস্ত রাখতে হবে। মানুষের জীবনে ভাল, খারাপ সময় এসেই থাকে। তাদেরকে জীবনের ভাল এবং খারাপ এই দুই সময়েই পাশে থাকতে হবে। ভাল সময় পাশে থাকলাম আর খারাপ সময় ফেলে ছেড়ে দূরে গেলাম এমনটি যেন না হয়। তাদের পরস্পরকে পরস্পরের কাছে স্বস্তি, ছায়া, অবলম্বন ইত্যাদি পেতে হয় ।
·
[] একবার সাফিয়াহ (রাযিঃ) কোন এক সফরে রাসুল (সাঃ) এর সাথে যাবেন, কিন্তু তিনি একটু দেরী করে ফেললেন। যার ফলে তিনি কাঁদছিলেন। রাসুল (সাঃ) যখন তাঁকে এ অবস্থায় পেলেন, তিনি উম্মুল মুমিনীনের চোখের পানি মুছে দিয়ে প্রবোধ দিয়েছেন।
·
৩- স্ত্রীর কোলকে বালিশ বানিয়ে শুয়ে থাকুনঃ
·
[] স্বামীর কাছে ব্যাপারটা অত্যন্ত তুচ্ছ মনে হতে পারে। কিন্তু স্ত্রীর জন্য এটা অনন্য। এই আচরণ দুই হৃদয়কে কাছে টেনে নিয়ে আসে। এই আচরণে স্ত্রী প্রচন্ডভাবে আস্বস্ত হয়। বাহির থেকে স্বামীরা যখন বাসায় আসবেন, কিছুক্ষণের জন্য হলেও আপনার স্ত্রীর কোলে মাথা রেখেন শুয়ে পড়ুন। এতে আপনার বিশ্রাম ও হবে, সেই সাথে স্ত্রী ও খুশী হবেন।
·
[] হাদিসে এসেছে, রাসুল (সাঃ) আয়েশা (রাযিঃ) এর কোলে মাথা রেখে শুয়ে থাকতেন, এমনকি কুরআন তেলাওয়াত ও করতেন।
·
৪- চুল আচড়ে দিনঃ
·
[] কোন কোন কাজ অনেক সময় সামান্য বলে মনে হলেও দাম্পত্য জীবনে এর প্রভাব যাদুময়ী। চুল আঁচড়ে দেয়া হল তাঁর মধ্যে অন্যতম। স্বামী স্ত্রী একে অপরের চুল মাঝে মাঝে আঁচড়ে দিতে পারেন। আমাদের উম্মুল মু’মিনীন আয়েশা (রাযিঃ) মাঝে মাঝে নবীজির চুল আঁচড়ে দিতেন।
·
[] তেমনিভাবে অন্যান্য ছোটখাট কাজ করেও ভালবাসা বৃদ্ধি করতে পারেন। যেমনঃ জামা পড়তে সাহায্য করা, গরমের দিনে ঠান্ডা শরবত করে দেওয়া ইত্যাদি।
·
৫- গ্লাস বা পাত্রের একই জায়গা দিয়ে খানঃ
·
[] হযরত আয়েশা (রাযিঃ) যখন কোন পাত্র দিয়ে পানি পান করতেন, রাসুল (সাঃ) খুজে খুজে সেই একই পাত্রের সেই একই জায়গা দিয়ে পানি পান করতেন । তেমনি ভাবে গোশত খাওয়ার সময় আয়েশা (রাযিঃ) যে স্থান হতে খেতেন রাসুল (সাঃ) ও ঐ একই স্থান হতে খেতেন ।
·
[] আপনি ও আপনার স্ত্রী বা স্বামীর সাথে এভাবে ব্যবহার করুন। আপনাদের মাঝে ভালবাসা হবে প্রকট এবং বন্ধন হবে অটুট।
·
[] হাদিসে এসেছে স্ত্রীর মুখে খাবারের লোকমা তুলে দেয়াতেও সওয়াব রয়েছে ।

21/09/2020

কারুন যদি আমাদের পকেটে থাকা এটিএম কার্ডের কথা জানতেন, তবে তার ধনভাণ্ডারের চাবি বহনকারী চাকরের বহর নিয়ে দম্ভ করতেন না!

পারস্য সম্রাট কিসরা যদি আমাদের বাসার ড্রয়িং রুমের বিলাসী সোফায় বসার সুযোগ পেতেন, তবে আর নিজের সিংহাসনের চেয়ার নিয়ে গর্ব করতেন না!

রোম সম্রাট কায়সার যদি আমাদের এয়ারকন্ডিশন দেখতেন, তবে মাথার উপর উটপাখির পালক দিয়ে কৃতদাসদের করা বাতাসকে আয়েশ ভাবতেও লজ্জা পেতেন!

পাইক-পেয়াদাদের লোভাতুর দৃষ্টি উপক্ষা করে হেরাক্লিয়াস গ্রীষ্মকালে মাটির হাড়ি কাত করে আয়েশী ভঙ্গিতে ঠান্ডা পানি পান করতেন। আজ আমাদের সহজলভ্য ফ্রিজের ঠান্ডা পানি পানের স্বাভাবিক দৃশ্য দেখলে হয়তো নিজেকে সম্রাটই ভাবতেন না‍!

শাহী ভঙ্গিমায় ঘোড়ার চড়া হালাকু খানের সামনে দিয়ে যদি আপনি চকচকা করোলা গাড়ি কিংবা ইসুজু বাইক হাঁকিয়ে যেতেন, তবে তিনি নিজের বাহন নিয়ে গর্ব করতে লজ্জাবোধ করতেন হয়তো!

রাজা-মহারাজারাও মাসের পর মাস পায়ে হেঁটে কিংবা ক্লান্ত উট বা ঘোড়ায় চড়ে হজ্জে যেতেন। আর আমরা কয়েক ঘন্টায় বিলাসবহুল বাহনে উড়াল দিয়ে হাজার হাজার মাইল মাড়িয়ে এসে হাজ্জ করি!

রাজা-বাদশারাও যে সুখভোগের সুযোগ পায়নি, বরং স্বপ্নেও কল্পনা করে নি, তা আমরা সহজেই উপভোগ করছি প্রতিনিয়ত!

মহান রব অগণিত সুখ-স্বাচ্ছন্দ্যে ডুবিয়ে রেখেছেন আমাদের।আপনি চোখ দুটো যতো বেশি মেলবেন ততো বেশি মাথাটা নিচু হয়ে আসবে...
এরপরও আমরা অনেকে ভাগ্য নিয়ে বিলাপ করি!

‘হে প্রতিপালক, তুমি আমাকে সামর্থ দাও, যাতে আমি তোমার সেই নিয়ামতের কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে পারি, যা তুমি আমাকে ও আমার পিতা-মাতাকে দান করেছ..’। (সুরা নামাল আয়াত ১৯)

21/08/2020

ঘোড়া যেখান থেকে পানি পান করে, সেখানে পানি পান করুন। ঘোড়া কখনও খারাপ পানি পান করে না।

বিড়াল যেখানে ঘুমায়, সেখানে আপনার বিছানা পাতুন। বিড়াল কখনও অপবিত্র, নোংরা জায়গায় ঘুমায় না।

যে ফল পোকা ছুঁয়েছে তা নির্ধিতায় খান। পোকা কখনও বিষাক্ত ফল খায় না।

পোকাপ্রাণী মাটিতে যেখানে খনন করে বাস করে, সেখানে গাছ লাগান। ভাল গাছ পাবেন।

পাখির সাথে একই সময়ে ঘুমোতে যান এবং পাখির সাথে একই সময়ে জাগ্রত হন। আপনার সমস্ত দিন স্বর্নের শস‍্যে কাটবে।

মাছের মতো পানিতে প্রায়শই সাঁতার কাটুন। মাছের মতো আপনি নিজেকে পৃথিবীতে হালকা, ফুরফূরা, সজীব অনুভব করবেন।

যতবারই সম্ভব আকাশের দিকে তাকিয়ে থাকুন। আপনার চিন্তাধারা আকাশের মতো স্বচ্ছ, সুন্দর এবং পরিষ্কার হয়ে উঠবে।

অনেক শান্ত থাকার চেষ্টা করুন আর অল্প কথা বলুন। আপনার হৃদয়ে দেখবেন নীরবতা আসবে, আপনার আত্মা ও মন শান্ত ও শান্তিতে পূর্ণ হবে।
পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পুড়ুন জিমে যেতে হবে না,,শরীর এমনেই ফিট থাকবে 💝💝
#উপদেশ 😊

12/08/2020

একদিন নবী করিম (সাঃ)-এর একজন সাহাবী মারা গেলেন। রাসূল পাক (সাঃ) উনার জানাজা পড়ালেনI তারপর একদল সাহাবী মৃতদেহ কবর দেয়ার জন্য কবরস্থানে নিয়ে আসলেনI সবার সাথে আমাদের নবী করিমও (সাঃ) হেঁটে হেঁটে আসলেনI

দুই জন সাহাবী কবর খুঁড়তে শুরু করলেনI
সবাই মৃত দেহকে ঘিরে বসে আছেনI
কবর খনন শেষ না হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করছেনI
সবাই চুপচাপ, নীরব ও শান্ত একটি পরিস্থিতিI

নবীজি গভীর মনোযোগ দিয়ে কবর খোঁড়া দেখছিলেন একটু পর সবার দিকে তাঁকিয়ে জিজ্ঞেস করলেন, "তোমরা কি জানো, মানুষ মারা যাওয়ার পর, তাঁর আত্মার কি হয় ?"

সবাই খুব আগ্রহ নিয়ে নবীজি কে বললেন,
-ইয়া রাসূলুল্লাহ ! আমাদেরকে বলুনI

নবীজি একটু চুপ করে থাকলেনI সবাই উনার কাছে এসে ঘিরে বসলেনI মৃত্যুর পর আত্মার কি হয়, এই তথ্য তাঁদের জানা ছিল নাI আজ সেটা নবীজির মুখে শুনবেনI কত বড় সৌভাগ্যI শুনার জন্য সবাই অধীর আগ্রহে নবীজির কাছে এসে বসলেনI

তিনি একবার কবরের দিকে তাকিয়ে মাথাটা তুলে আকাশের দিকে তাকালেন
তারপর তিনি গল্পের মত করে বলতে শুরু করলেনI

"শুনো, যখন মানুষ একেবারেই মৃত্যু শয্যায়, তখন সে মৃত্যুর ফেরেস্তাকে দেখে ভয় পেয়ে যায়I কিন্তু যে বিশ্বাসী ও ভালো মানুষ তাকে মৃত্যুর ফেরেস্তা হাসি মুখে সালাম দেনI তাকে অভয় দেন এবং মাথার পাশে এসে ধীরে ও যত্ন করে বসেনI তারপর মৃত প্রায় মানুষটির দিকে তাকিয়ে বলেন,
-হে পবিত্র আত্মা ! তুমি তোমার পালনকর্তার ক্ষমা ও ভালোবাসা গ্রহণ করো এবং এই দেহ থেকে বের হয়ে আসোI

মুমিনের আত্মা যখন বের হয়ে আসে তখন সে কোন ধরণের ব্যথা ও বেদনা অনুভব করে নাI
নবী আরো একটু ভালো করে উদাহরণ দিয়ে বললেন,
-মনে করো একটা পানির জগ কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যাওয়ার পর উপর থেকে এক ফোঁটা পানি যেমন নিঃশব্দে উপর থেকে নিচে নেমে আসে ঠিক তেমনি নীরবে ও কষ্ট ছাড়াই আত্মাটি তার দেহ থেকে বের হয়ে আসেI
সেই সময় দুইজন অন্য ফেরেস্তা বেহেস্ত থেকে খুব সুগন্ধি মাখানো একটা নরম সুতার সাদা চাদর নিয়ে আসেন এবং তারা আত্মাটিকে সেই চাদরে আবৃত করে আকাশের দিকে নিয়ে যান I

তারা যখন আকাশে পৌঁছেন তখন অন্য ফেরেস্তারা সেই আত্মাটিকে দেখার জন্য এগিয়ে আসেনI
কাছে এসে সবাই বলেন, সুবহানাল্লাহ ! কত সুন্দর আত্মা, কি সুন্দর তার ঘ্রান !
তারপর সবাই জানতে চান,
-এই আত্মাটি কার ?
উত্তরে আত্মা বহনকারী ফেরেস্তারা বলেন,
-উনি হলেন, "ফুলান ইবনে ফুলান"
(নবী আরবিতে বলেছেন, বাংলায় হলো, "অমুকের সন্তান অমুক" )
বাকি ফেরেস্তাগন তখন আত্মাটিকে সালাম দেয়, তারপর আবার জিজ্ঞেস করে,
-উনি কি করেছেন ? উনার আত্মায় এতো সুঘ্রাণ কেন ?
আত্মা বহন কারী ফেরেস্তা গন তখন বলেন,
-আমরা শুনেছি মানুষজন নিচে বলা-বলি করছে, উনি একজন ভালো মানুষ ছিলেন, আল্লাহর ভালো বান্দা, অনেক দয়ালু, মানুষের অনেক উপকার করেছেন I

এতটুকু বলার পর নবী একটু থামলেনI

তারপর সবার দিকে ভালো করে দৃষ্টি দিয়ে, উনার কণ্ঠটা একটু বাড়িয়ে বললেন, এই কারণেই বলছি, সাবধান ! তোমরা কিন্তু মানুষের সাথে কখনো খারাপ ব্যবহার করবে নাI

তুমি মারা যাওয়ার পর মানুষ তোমার সম্পর্কে যা যা বলবে, এই আত্মা বহনকারী ফেরেস্তারাও আকাশে গিয়ে ঠিক একই কথা অন্যদেরকে বলবেI

এই কথা বলে তিনি আবার একটু চুপ করলেন, কবরটার দিকে দৃষ্টি দিলেনI

আবার বলতে শুরু করলেনI

এই সময় মানুষ যখন পৃথিবীতে মৃত দেহকে কবর দেয়ার জন্য গোসল দিয়ে প্রস্তুত করবে তখন আল্লাহ তা'আলা আত্মা বহনকারী ফেরেশতাদেরকে বলবেন, "যাও, এখন তোমরা আবার এই আত্মাকে তার শরীরে দিয়ে আসো, মানুষকে আমি মাটি থেকে বানিয়েছি, মাটির দেহেই তার আত্মাকে আবার রেখে আসো I সময় হলে তাকে আমি আবার পুনরায় জীবন দিবো I"

তারপর মৃতদেহকে কবরে রেখে যাওয়ার পর দুইজন ফেরেস্তা আসবেনI তাদের নাম মুনকার ও নাকিরI
তারা মৃতের সৃষ্টিকর্তা, তার ধর্ম ও নবী সম্পর্কে জিজ্ঞেস করবেন I

মুনকার নাকির চলে যাওয়ার পর,
আত্মাটি আবার অন্ধকার কবরে একাকী হয়ে যাবেI
সে এক ধরণের অজানা আশংকায় অপেক্ষা করবেI কোথায় আছে? কি করবে? এক অনিশ্চয়তা এসে তাকে ঘিরে ধরবেI

এমন সময় সে দেখবে, খুব সুন্দর একজন তার কবরে তার সাথে দেখা করতে এসেছেনI
তাঁকে দেখার পর আত্মাটি ভীষণ মুগ্ধ হবেI এতো মায়াবী ও সুন্দর তার চেহারা, সে জীবনে কোনদিন দেখেনিI

আত্মাটি তাকে দেখে জিজ্ঞেস করবে,
-তুমি কে ?
সেই লোকটি বলবে,
-আমি তোমার জন্য অনেক বড় সু- সংবাদ নিয়ে এসেছি, তুমি দুনিয়ার পরীক্ষায় উর্তীর্ণ হয়েছো, তোমার জন্য আল্লাহ তা'আলা জান্নাতের ব্যবস্থা করেছেন, তুমি কি সেটা একটু দেখতে চাও?
আত্মাটি ভীষণ খুশি হয়ে বলবে,
-অবশ্যই আমি দেখতে চাই, আমাকে একটু জান্নাত দেখাওI
লোকটি বলবে,
-তোমার ডান দিকে তাকাওI
আত্মাটি ডানে তাকিয়ে দেখবে কবরের দেয়ালটি সেখানে আর নেইI সেই দেয়ালের দরজা দিয়ে অনেক দূরে সুন্দর বেহেস্ত দেখা যাচ্ছেI
বেহেস্তের এই রূপ দেখে আত্মাটি অনেক মুগ্ধ হবে ও প্রশান্তি লাভ করবেI
এবং সেখানে যাওয়ার জন্য অস্থির হয়ে লোকটিকে জিজ্ঞেস করবে,
-আমি সেখানে কখন যাবো? কিভাবে যাবো?
লোকটি মৃদু হেসে বলবেন,
- যখন সময় হবে, তখনই তুমি সেখানে যাবে ও থাকবেI আপাততঃ শেষ দিবস পর্যন্ত তোমাকে অপেক্ষা করতে হবেI ভয় পেও নাI আমি তোমার সাথেই আছিI তোমাকে আমি সেইদিন পর্যন্ত সঙ্গ দিবোI

আত্মাটি তখন তাকে আবারো জিজ্ঞেস করবে,
-কিন্তু তুমি কে ?
তখন লোকটি বলবে,
-আমি তোমার এতদিনের আমল, পৃথিবীতে তোমার সব ভালো কাজের, তোমার সব পুণ্যের রূপ আমি, আজ তুমি আমাকে একজন সঙ্গীর মত করে দেখছোI আমাকে আল্লাহ তা'আলা তোমাকে সঙ্গ দেয়ার জন্যই এখানে পাঠিয়েছেনI
এই কথা বলে, লোকটি আত্মাটির উপর যত্ন করে হাত বুলিয়ে দিবেন
এবং বলবেন,
-হে পবিত্র আত্মা ! এখন তুমি শান্তিতে ঘুমাওI নিশ্চিন্তে বিশ্রাম নাওI

এই কথা বলার পর, আত্মাটি এক নজরে বেহেস্তের দিকে তাঁকিয়ে থাকবে এবং একসময় এই তাকানো অবস্থায় গভীর প্রশান্তিতে ঘুমিয়ে পড়বেI

নবীজি এতটুকু বলে আবার একটু থামলেনI
সাহাবীরা তখন গায়ের কাপড় দিয়ে ভেজা চোখ মুছলেনI

(বুখারী ও মুসনাদের দুইটি হাদিস অবলম্বনে)

আল্লাহ আমাদের পবিত্র আত্মা হওয়ার তাওফিক দান করুন আমীন।

দয়া করে কেউই আমীন না লিখে যাবেন না।

14/07/2020

ইব্রাহিম ইবনে আদহাম (রহ:) কে একজন বলল, 'বরকত' বলতে কিছুই নেই।

তিনি বললেন,
তুমি কি ছাগল ও কুকুর দেখেছো?
লোকটি বলল, জি দেখেছি।
শায়খ লোকটিকে জিজ্ঞাসা করলেন-
বলতো কুকুর আর ছাগল এর মধ্যে
কে বেশি বাচ্চা দেয়?
লোকটি বলল, কুকুর।
শায়খ বললেন,
এদের মধ্যে তুমি কোন জন্তুটিকে বেশি দেখতে পাও, কুকুর না ছাগল?
লোকটি বললো, ছাগল।
শায়খ ইব্রাহিম ইবনে আদহাম (রহঃ) বললেন,
"ছাগলকে জবেহ করা হয়,
এরপরও ছাগলের সংখ্যায় বেশি দেখা যায়, কমে না।
এটা কি বরকত নয়?
লোকটি বললো,
এর কারণ কি- ছাগলের মধ্যে বরকত হয়, আর কুকুরের মধ্যে বরকত হয় না?
শায়খ বললেন,
ছাগল সন্ধ্যা হতেই ঘুমিয়ে যায়,
আর ভোরে জাগ্রত হয়, এই সময়টাই হয় রহমত ও বরকত বর্ষণের মুহূর্ত।
ফলে তার মধ্যে বরকত হয়।
আর কুকুর সারারাত জাগ্রত থাকে ফজরের আগে ঘুমায়। তাই সে বরকত থেকে বঞ্চিত থাকে।
________________
একটু চিন্তার বিষয়,
নবীজি (সঃ) এর সুন্নাত হলো-
এশার নামাজ পড়ে ঘুমিয়ে যাওয়া। শেষ রাতে জাগ্রত হয়ে তাহাজ্জুদ পড়া,
কেননা আল্লাহ রাতের শেষ তৃতীয়াংশে প্রথম আসমানে নেমে এসে বান্দাদের দোয়া করার জন্য ক্ষমা চাওয়ার জন্য ডাকতে থাকেন।
আর আমরা?
সাড়া রাত মোবাইলে, ইন্টারনেটে হারাম কাজে ব্যাস্ত থেকে ঠিক এই সময়ে ঘুমিয়ে পড়ি। আর ফজরের তো খবরই নেই।

রাসুলুল্লাহ (সঃ) বলেন,
ফজরের কেবল দুই রাকাত সুন্নাত সালাত পৃথিবী এবং এর মধ্যে যা আছে সবকিছুর চাইতে উত্তম, সুবহানাল্লাহ।
তাহলে ২ রাকাত ফরজের কতটা মর্যাদা হতে পারে? এমন অতিমুল্যবান সময় আমরা ঘুমিয়েই কাটিয়ে দেই।
আমাদের কাজ কর্মে আল্লাহ বরকত দিবেন কিভাবে?

আবার আমরাই দোয়া করে অস্থির হয়ে যাই
আর ভাবি - আল্লাহ আমাদের দোয়া
কবুল করেন না কেন?

আল্লাহ আমাদের সবাইকে বুঝার তৌফিক দিন।

27/06/2020

🔘এক বিবাহিত যুবক, কঠিন রোগে মৃত্যু শয্যায় তার স্ত্রীকে ডাকলেন। তার চোখ দিয়ে অনুশোচনার অশ্রু ঝরছে।যুবকের স্ত্রী গর্ভবতী ছিলেন,এবং এটিই তাদের প্রথম সন্তান!
🔘সে স্ত্রী কে বললো: দেখো,আমি সারা জীবনে নামাজ-রোজা করিনি!আজ মৃত্যু সময়ে ভুল ভেঙ্গে গেছে,কিন্তু আমি নিরুপায় আমার আর কিছু করার সময় সুযোগ হলো না। যদি তোমার গর্ভের সন্তান বেঁচে থাকে,বড় হয় তাহলে তুমি তাকে মাদ্রাসায় ভর্তি করে দিও।শুনেছি সন্তানের উসিলায়ও বাবা মা বেহেশতে যেতে পারে!
স্ত্রী তাকে শান্তনা দিয়ে বললেন,তোমার কথাই রাখবো!
🔘দু দিন পর যুবক মারা গেলেন।এর কয়েক দিন পর তার স্ত্রীর একটি ছেলে জন্ম নিলো!অনেক কষ্টের মাঝে যখন ছেলেটির বয়স ছয় বছর পুর্ণ হলো তার মা তাকে মাদ্রাসায় ভর্তি করে দিলেন!
প্রথম দিন মাদ্রাসায় শিক্ষক তাকে একটি আয়াত শিখালেন।
🔘আয়াতটি হলো: ‘বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম!
(পরম করুনাময় মহান আল্লাহ্ তায়ালার নামে শুরু করছি! )
🔘মাদ্রাসা থেকে বাড়ীতে যাওয়ার পর ছেলেকে নিয়ে স্ত্রী স্বামীর কবরের কাছে জিয়ারতে গেলেন!
ছেলেকে কবরের কাছে পাঠিয়ে দিয়ে মা বললেন,ঐ তোমার বাবার কবর।ওখানে গিয়ে তোমার বাবার জন্য আল্লাহর কাছে দোয়া করবে!
(মাদ্রাসায় পড়া শিশুরা প্রায় সব সময় তাদের শিখিয়ে দেয়া আয়াত বা কালাম এমনি এমনি পড়তে থাকে)
🔘এত ছোট্ট শিশু কিভাবে দোয়া করতে হয়,কিছুই জানে না।কিন্তু মাদ্রাসায় শিখানো জীবনের প্রথম আয়াতখানা বার বার কবরের সামনে তিলাওয়াত করতে লাগলো।
ওই ছোট্ট মুখের তিলাওয়াতের এমন শক্তি,আমার আল্লাহর দরবারে বিনা বাধায় পৌঁছে গেলো।মালিকের রহমতের দরিয়ায় বাঁধভাঙা জোয়ারের ডাক এসে গেলো!
🔘মহান আল্লাহ্ তায়ালা আজাবের ফেরেশতাদের
বললেন,এই মুহুর্তে ওই কবরবাসীর কবর আজাব বন্ধ করে দাও!
🔘ফেরেশতারা বললোঃ হে দয়াময় পরোয়ারদিগার এই লোকটির আমলনামায় এমন কী পুণ্য পাওয়া গেলো?
যে তার জন্য নির্ধারিত কঠিন কবরের আজাব ক্ষমা করে দেয়া হলো?
🔘ফেরেশতারা শোনো:
কবরের উপরে একটা অবুঝ শিশু বার বার তিলাওয়াত করছে,”বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম”!
🔘তিলাওয়াতকারী এই কবরবাসীর ওয়ারিশ,তার অবুঝ সন্তান।সে স্বাক্ষী দিচ্ছে আল্লাহ্ রাহমানির রাহিম!
🔘-আল্লাহ্ পরম দয়ালু।
আমি যদি কবরবাসীকে ক্ষমা না করি,তাহলে আমি কেমন দয়ালু?
(সুবহানাল্লাহ)
🔘আল্লাহ আমাদেরকে বোঝার ও আমল করার তৌফিক দান করুন…(আমিন)

Address

Cumilla

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Islam posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share