FS Creation

FS Creation Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from FS Creation, Religious organisation, Cumilla.

সবাই ভাবে যাদের বাসায় কেক বানানোর মানুষ আছে,,তারা সব সময় কেক বানিয়ে ঘরে খাওয়ায়😂আসলে তা ভুল🥲আমার জামাই,আমার ভাই কেক বানান...
17/08/2026

সবাই ভাবে যাদের বাসায় কেক বানানোর মানুষ আছে,,তারা সব সময় কেক বানিয়ে ঘরে খাওয়ায়😂
আসলে তা ভুল🥲আমার জামাই,আমার ভাই কেক বানানো শেষ হলে হালকা লেপ্টানো,চেপ্টানো ক্রিম গুলো খায়😀যা খাওয়ার জন্য তারা দীর্ঘ অনেকক্ষণ অপেক্ষা করে 😐🤏তাই কেক বানানোর সময় কিছু গুড়া ছিলো,,যা দিয়ে তাদেরকে একটু কেক বানিয়ে দিলাম🤌🌻যা খুশি হইছে আমার ভাই, আর জামাই☺️বলার মতো না🥺💟

ছেলেরা চাইলে সবাইকে একসাথে ই সময়,সুযোগ দিতে পারে🙌এই কাস্টমার টা আমার একটা ফ্রেন্ড(নাতি)।সে তার বোন, মা সবার জন্য ই কেক ন...
17/08/2026

ছেলেরা চাইলে সবাইকে একসাথে ই সময়,সুযোগ দিতে পারে🙌এই কাস্টমার টা আমার একটা ফ্রেন্ড(নাতি)।সে তার বোন, মা সবার জন্য ই কেক নিছে🤗
আলহামদুলিল্লাহ রিভিউ ভালো ছিলো।
দুই পাউন্ড ভ্যানিলা💗
দুই পাউন্ড চকলেট💟
যাদের লাগবে দ্রুত ইনবক্স করে ফেলুন☺️
ধন্যবাদ🫶🥰

শুভ সন্ধ্যা☺️ভেন্টু কেক🙌ভ্যানিলা ২০০🫶চকলেট ২৫০💗এগুলো বাজেট ফ্রেন্ডলি☺️অনায়াসে ২-৩ জন বন্ধু-বান্ধব মিলে খেতে পারবেন🙌যাদের...
09/08/2026

শুভ সন্ধ্যা☺️
ভেন্টু কেক🙌
ভ্যানিলা ২০০🫶
চকলেট ২৫০💗
এগুলো বাজেট ফ্রেন্ডলি☺️
অনায়াসে ২-৩ জন বন্ধু-বান্ধব মিলে খেতে পারবেন🙌
যাদের এই কেক গুলো লাগবে দ্রুত ইনবক্স করুন🥰
ধন্যবাদ🌻

মিনি ঝার কেক🙌ভ্যানিলা ২৫ টাকা💖চকলেট ৩০ টাকা🥰(50ml)এর💗Fhirnir cup er sizeকমপক্ষে ৫ পিছ একসাথে অর্ডার করতে হবে☺🙌যেকোনো অনু...
08/08/2026

মিনি ঝার কেক🙌
ভ্যানিলা ২৫ টাকা💖
চকলেট ৩০ টাকা🥰
(50ml)এর💗
Fhirnir cup er size
কমপক্ষে ৫ পিছ একসাথে অর্ডার করতে হবে☺🙌
যেকোনো অনুষ্ঠানে মেহমানদের দেওয়ার জন্য খুবই ভালো একটা দিক এই কেক গুলো☺️
যাদের লাগবে অবশ্যই যোগাযোগ করুন🌻
ধন্যবাদ☺️

বাসার জন্য বানানো🫠😑তাই এই অবস্থা😐একদমই উল্টা পাল্টা😑।কিন্তু ফিনিশিং আলহামদুলিল্লাহ অনেক ভালো আসছে🤏👌শুভ সন্ধ্যা সবাইকে🙌
08/08/2026

বাসার জন্য বানানো🫠😑তাই এই অবস্থা😐একদমই উল্টা পাল্টা😑।কিন্তু ফিনিশিং আলহামদুলিল্লাহ অনেক ভালো আসছে🤏👌
শুভ সন্ধ্যা সবাইকে🙌

07/06/2026

ইয়া আল্লাহহহহ😌🥹🤲❤️

শুভ সন্ধ্যা🥰খুবই সুন্দর এই কেক গুলো অর্ডার করতে আমাদের সাথে থাকুন☺️ইনশাআল্লাহ আমরা আপনাদের বেস্ট কেক দেওয়ার চেষ্টা করবো❤...
06/06/2026

শুভ সন্ধ্যা🥰
খুবই সুন্দর এই কেক গুলো অর্ডার করতে আমাদের সাথে থাকুন☺️ইনশাআল্লাহ আমরা আপনাদের বেস্ট কেক দেওয়ার চেষ্টা করবো❤️
আল্লাহ হাফেজ😌

03/06/2026

আগে পুরু গল্প টা পড়ুন,👉তারপর মন্তব্য করুন👉

শেষ ভয়েস মেসেজ

বৃষ্টির রাত।🗻

আকাশে বিদ্যুৎ চমকাচ্ছে।

রাত তখন প্রায় ১টা।🧞‍♂️

সাদিয়া তার ফোনে পুরোনো ছবিগুলো দেখছিল।

হঠাৎ একটা নোটিফিকেশন এলো।

"১টি নতুন ভয়েস মেসেজ"

প্রেরকের নাম দেখে তার বুক কেঁপে উঠলো।

"আরিফ"

সাদিয়ার স্বামী।🧍

যে মানুষটা ৬ মাস আগে সড়ক দুর্ঘটনায় মারা গেছে।

ফোনটা হাত থেকে প্রায় পড়ে যাচ্ছিল।

সে কয়েকবার চোখ মুছে আবার দেখলো।

না, ভুল নয়।

সত্যিই আরিফের নাম।

কাঁপা হাতে ভয়েস মেসেজটা চালু করলো।

প্রথমে শুধু বাতাসের শব্দ।

তারপর খুব পরিচিত একটা কণ্ঠ।

— "সাদিয়া..."

সাদিয়ার বুকের ভেতরটা হিম হয়ে গেল।

এটা আরিফেরই কণ্ঠ।

একদম হুবহু।

— "যদি এই মেসেজটা তুমি শোনো... তাহলে বুঝবে আমি আর বেঁচে নেই..."

সাদিয়া হাউমাউ করে কাঁদতে শুরু করলো।

আরিফ আবার বলছে—

— "আমি তোমাকে অনেক কথা বলতে পারিনি..."

মেসেজটা হঠাৎ শেষ হয়ে গেল।

সেদিন রাত আর তার ঘুম হলো না।

পরদিন সে আরিফের পুরোনো ফোন খুঁজতে লাগলো।

একটা আলমারির নিচে ফোনটা পাওয়া গেল।

ফোন বন্ধ।

চার্জও নেই।

কিন্তু মেসেজটা এসেছে কীভাবে?

সাদিয়া কাউকে কিছু বললো না।

ভাবলো হয়তো কোনো প্রযুক্তিগত ভুল।

কিন্তু তিনদিন পর আবার একটা ভয়েস মেসেজ।

রাত ১টা।

আবার আরিফ।

— "সাদিয়া, আমার সময় কম..."

— "আমার মৃত্যুর পেছনের সত্যটা তুমি জানো না..."

এবার সাদিয়ার শরীর ঠান্ডা হয়ে গেল।

কারণ সবাই জানতো দুর্ঘটনাটা ছিল একটা সাধারণ সড়ক দুর্ঘটনা।

তাহলে আরিফ এমন কথা কেন বলছে?

ভয় আর কৌতূহল নিয়ে সে মেসেজের শেষ অংশ শুনলো।

— "যাকে তুমি সবচেয়ে বেশি বিশ্বাস করো... তাকে বিশ্বাস করো না..."

তারপর আবার মেসেজ শেষ।

সাদিয়ার মাথা কাজ করা বন্ধ করে দিল।

সে বারবার ভাবতে লাগলো।

সবচেয়ে বেশি বিশ্বাস করে কাকে?

তার বড় ভাই?

নাকি আরিফের বন্ধু রাহাত?

নাকি অন্য কেউ?

দিন যেতে লাগলো।

প্রতিদিন রাত ১টায় একটা করে মেসেজ আসে।

প্রতিটা মেসেজে আরিফ একটু একটু করে কিছু তথ্য দেয়।

কিন্তু পুরো সত্য বলে না।

এক রাতে সে বললো—

— "আমার গাড়ির ব্রেক কেউ নষ্ট করেছিল..."

আরেক রাতে বললো—

— "আমি খুন হয়েছি..."

সাদিয়া পাগলের মতো হয়ে গেল।

সে থানায় গেল।

কেউ বিশ্বাস করলো না।

মৃত মানুষের ভয়েস মেসেজ!

এটা শুনে সবাই হাসলো।

শুধু একজন বৃদ্ধ পুলিশ অফিসার বিষয়টা গুরুত্ব দিলেন।

তিনি পুরোনো কেস ফাইল বের করলেন।

আরিফের দুর্ঘটনার রিপোর্ট আবার খতিয়ে দেখতে শুরু করলেন।

কয়েক সপ্তাহ পর রিপোর্ট এলো।

সত্যিই গাড়ির ব্রেকে কারসাজির প্রমাণ পাওয়া গেছে।

সাদিয়ার চোখের সামনে অন্ধকার নেমে এলো।

আরিফ ঠিকই বলেছিল।

এটা দুর্ঘটনা ছিল না।

খুন।

সেই রাতেই নতুন ভয়েস মেসেজ।

এবার আরিফের কণ্ঠে কষ্ট।

অনেক কষ্ট।

— "সাদিয়া..."

— "আমি তোমাকে আর আমাদের অনাগত সন্তানকে খুব ভালোবাসতাম..."

সাদিয়া ফুঁপিয়ে কেঁদে উঠলো।

কারণ দুর্ঘটনার সময় সে গর্ভবতী ছিল।

কিন্তু শোক আর মানসিক আঘাতে কয়েক সপ্তাহ পর তার সন্তানটাও মারা যায়।

আরিফ বললো—

— "আমি ওকে কখনো দেখতে পারিনি..."

— "প্রতিদিন ওর কথা মনে পড়ে..."

এই কথাগুলো শুনে সাদিয়ার মনে হলো বুকটা ছিঁড়ে যাচ্ছে।

ভয় আর কষ্ট একসাথে মানুষকে এতটা অসহায় করতে পারে, সে কখনো জানতো না।

এরপর এলো সেই রাত।

যে রাত তার জীবন বদলে দিল।

রাত ১টা।

শেষ ভয়েস মেসেজ।

মেসেজে আরিফ শুধু একটা নাম বললো।

"রাহাত"

আর কিছু নয়।

রাহাত ছিল আরিফের সবচেয়ে কাছের বন্ধু।

যে দুর্ঘটনার পর থেকে সাদিয়াকে সবসময় সাহায্য করেছে।

যে প্রায় প্রতিদিন খোঁজ নিত।

যে সবাইকে বলতো, "আরিফ আমার ভাইয়ের মতো ছিল।"

পুলিশ রাহাতকে জিজ্ঞাসাবাদ করলো।

প্রথমে সে সব অস্বীকার করলো।

কিন্তু পরে ভেঙে পড়লো।

কান্না করতে করতে বললো—

সে সাদিয়াকে ভালোবাসতো।

অনেক আগে থেকেই।

কিন্তু সাদিয়া বিয়ে করেছিল আরিফকে।

ঈর্ষা তাকে অন্ধ করে দিয়েছিল।

তাই সে পরিকল্পনা করে ব্রেক নষ্ট করেছিল।

ঘরটা নিস্তব্ধ হয়ে গেল।

সাদিয়ার মনে হলো পৃথিবীটা থেমে গেছে।

যে মানুষটাকে সবচেয়ে বিশ্বাস করেছিল...

সেই মানুষটাই তার সবকিছু কেড়ে নিয়েছে।

রাহাত গ্রেপ্তার হলো।

মামলার রায়ও হয়ে গেল।

সব শেষ।

কিন্তু সেই রাতেই আরেকটা ঘটনা ঘটলো।

রাত ১টা।

ফোন আবার কাঁপলো।

একটা নতুন ভয়েস মেসেজ।

সাদিয়ার হাত কাঁপছিল।

সে প্লে করলো।

ওপাশে অনেকক্ষণ নীরবতা।

তারপর খুব আস্তে...

খুব পরিচিত কণ্ঠে—

— "ধন্যবাদ..."

— "এবার আমি শান্তিতে যেতে পারবো..."

সাদিয়ার চোখ দিয়ে পানি গড়িয়ে পড়লো।

আরিফ বললো—

— "কাঁদবে না..."

— "আমি সবসময় তোমার পাশে আছি..."

তারপর কয়েক সেকেন্ড শুধু বাতাসের শব্দ।

আর শেষে একটা বাক্য।

যে বাক্যটা আজও সাদিয়া ভুলতে পারেনি।

— "ভালোবাসার মানুষ মারা যায় না..."

— "সে শুধু চোখের আড়ালে চলে যায়..."

মেসেজটা শেষ হয়ে গেল।

তারপর থেকে আর কখনো কোনো ভয়েস মেসেজ আসেনি।

কিন্তু আজও যখন বৃষ্টির রাতে ঘড়িতে ১টা বাজে...

সাদিয়া অজান্তেই ফোনের দিকে তাকায়।

আর মনে মনে ভাবে—

সত্যিই কি মেসেজগুলো আরিফ পাঠিয়েছিল?

নাকি কোনো অদৃশ্য শক্তি একজন মৃত মানুষের শেষ কথাগুলো পৌঁছে দিয়েছিল?

এই প্রশ্নের উত্তর আজও কেউ জানে না...! 🖤🥀🔪

— সমাপ্ত —
গল্পের টুইস্টটা কি আগে বুঝতে পেরেছেন? 👉👈
আপনার মতামত কমেন্টে জানান👇

Address

Cumilla

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when FS Creation posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share