তাহফিজুল কুরআন একাডেমী

তাহফিজুল কুরআন একাডেমী Tahfizul Quran Academy is a visionary thinking and initiative to spread the lessons of Quran in every aspects of the society. we love all for Allah.

This intervention support people to live a pious and peaceful Islamic life with high ethical ground.

ভারতীয়দের নবীজি (সা.) ঠিক কতটুকু জানতেন?🌿ভারতীয় শব্দ: ফিলোলোজিস্টরা পবিত্র কুরআনে অন্তত তিনটি শব্দ খুঁজে পেয়েছেন যা ভ...
21/12/2025

ভারতীয়দের নবীজি (সা.) ঠিক কতটুকু জানতেন?
🌿
ভারতীয় শব্দ: ফিলোলোজিস্টরা পবিত্র কুরআনে অন্তত তিনটি শব্দ খুঁজে পেয়েছেন যা ভারতীয় সংস্কৃত ভাষার অরিজিন; আর ভারতীয় বণিকগণ-ই তা আরব ভূমিতে বহন করে নিয়েছিলেন। আরবরা কুরআন নাযিলের পূর্বে তা রপ্ত ও আত্তিকরণ করে নিয়েছিলেন। এক. কাফুর [৭৬:৫] যা সুগন্ধি কর্পুর; দুই. যানজাবীল [৭৬:১৭] যার অর্থ আদা; তিন. মিসক [৮৩:২৬] যার অর্থ 'কস্তুরী' সুগন্ধি।
🌿
কখনো হরমুজ আর কখনো বাবেলমান্দেব হয়ে আরব উপকুলীয় বন্দরগুলোতে এবং তারীকুল কাওয়াফিল ধরে বাণিজ্য নগরীগুলোতে পৌঁছে যেত বণিকরা। এসব বাণিজ্যিক কেন্দ্রগুলোতে কাফিলা পরিচালনা করেছেন স্বয়ং নবীজি (সা.)। সৌদির পূর্ব উপকূল আল-কাতীফ/আল-আহসা/তৎকালীন বাহরাইন থেকে হরমুজের উবুল্লা বন্দর আর কতই-বা দূর!
🌿
ভারতীয় জাঠ সম্প্রদায়: ভারতের উত্তরাঞ্চলীয় রাজ্য হরিয়ানা ও পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশে বাস করে জাঠ সম্প্রদায়ের সদস্যরা। জাঠরা দীর্ঘদেহী, এদের মুখমণ্ডল ক্ষুদ্র ও প্রশস্ত, নাক দীর্ঘ, ক্ষেত্র বিশেষে কিছুটা বাঁকা। এদের গায়ের রং বাদামি। চোখ গভীর কালো কখনো হালকা বাদামী, চুল কালো সরল ও কোকড়ানো। ঐতিহ্যগতভাবে জাঠরা কৃষি নির্ভর একটি সম্প্রদায়। যদিও সারা বিশ্বেই তাদের বিচরণ লক্ষণীয়। কৃষিই তাদের জীবিকার প্রধান উৎস। বংশানুক্রমে তারা মেষপালন করে আসছে।
🌿
নবী মূসার (আ.) শারীরিক গঠন বর্ণনায় নবীজি (সা.) জাঠদের সাদৃশ্য টেনেছেন [মাজমাউল বাহর, খ. ২, পৃ. ৬২]। উম্মাহাতুল মুমিনীন আয়েশা (রা.) অসুস্থ হলে একজন জাঠ সম্প্রদায়ভুক্ত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হয়েছিলেন বলে বর্ণিত রয়েছে [বুখারী, আদাবুল মুফরাদ, পৃ. ২৭]।
গবেষকদের দাবি, নবীজির (সা.) সময় জাঠ সম্প্রদায়ের কেউ কেউ আরবে বসতি স্থাপন করেছিলেন। উল্লেখ্য, বর্তমানে জাঠ সম্প্রদায়ে হিন্দু, মুসলিম এবং শিখ- এই তিন ধর্মের লোকই আছে।
🌿
ভারতের যুদ্ধ: হাদীসের বিশুদ্ধ ছয়টি গ্রন্থের মাঝেই ইমাম নাসাঈর (র.) 'আস-সুনান' একটি। এতে একটি পরিচ্ছেদের শিরোনাম 'গাযওয়াতুল হিন্দ' তথা হিন্দুস্থানের যুদ্ধ। এই হাদীস নবীজির (সা.) ভারত সম্পর্কে পরিপুর্ণ অবহিত থাকার প্রমাণ।
🌿
ভারতীয় পণ্য: নবীজির (সা.) চিকিৎসা উপাদানের একটি ছিলো ‘আল-উদ আল-হিন্দি’ (العود الهندي) যা সমকালীন আরবে ভারত থেকে সরবরাহ করা এক প্রকার সুগন্ধি কাঠ [বুখারী, আস-সহীহ, হাদীস নং. ৫৭১৫]। সম্ভবত এ কাঠের নাম ‘আল-উলওয়া’ (الألوة) যা সুগন্ধী হওয়ায় জান্নাতের গৃহ নির্মাণে ব্যবহৃত হওয়ার কথা বর্ণিত হয়েছে [বুখারী, আস-সহীহ, হাদীস নং. ৩২৪৫]।
🌿
নবীজিকে (সা.) বিদায় হজ্জের ইহরাম করার পূর্বে আয়েশা (রা.) যে জারীরাহ (ذريرة) নামক এক প্রকার খুশবু দিয়ে সুশোভিত করেছেন তা ছিলো ভারতীয় [মুসলিম, আস-সহীহ, হাদীস নং ১১৮৯]।
🌿
উসমান (রা.)-এর সময় মসজিদে নব্বীর ছাদ নির্মাণে ‘আল-সাজ’ [الساج] নামক যে বৃক্ষের কাঠ সংগ্রহ করা হয়েছিলো [বুখারী, আস-সহীহ, হাদীস নং. ৪৪৬] তাও ছিলো ভারতীয় সেগুন কাঠ।
🌿
ভারতীয় চেহারা ও দৈহিক গঠন: বিখ্যাত সাহাবী খালিদ ইবন ওয়ালিদকে (রা.) বনূ হারেসের নিকট ইসলামের দাওয়াত নিয়ে প্রেরিত হন নবীজি (সা.) কর্তৃক। তারা ইসলাম গ্রহণ করেছিলেন। নবীজি (সা.) একটি পত্র প্রেরণ করে তাদের কতিপয় লোককে নিয়ে খালিদকে (রা.) মদিনায় ডেকে পাঠিয়েছিলেন। খালিদের সাথে হারেস গোত্রের আব্দুল হারেছ কাইস হোসাইন, ইয়াজিদ ইবন আব্দুল্লাহ আল-মাদান, ইয়াজিদ ইবনুল মাহজাল, আব্দুল্লাহ আ-যিয়াদী, শাদাদ ইবন আব্দুল্লাহ আল কানানীসহ কয়েকজন নবীজির (সা.) নিকট উপস্থিত হলেন। আগুন্তকদের মুখের দিকে তাকিয়ে নবীজি (সা.) বলেন,
من هؤلاء القوم الذين كأنهم رجال الهند؟
এরা কোন গোত্রের লোক? যেনো ভারতীয়? [সিরাত ইবনে হিশাম, খ. ২, পৃ. ৫৯৩-৪; তাবারী, খ. ৩, পৃ. ১৫৬]
গবেষকদের দাবি, ভারতীয় বংশোদ্ভূত বনূ হারিস বাণিজ্যিক যোগাযোগের কারণে আরবে বসতি স্থাপন করেছিলো।
🌿
ভারতীয় সাহাবী: ইমাম হাকিম (র.) তাঁর ‘মুস্তাদরাক’ গ্ৰন্থে আবু সাঈদ আল খুদরী (রা.) বর্ণিত একটি হাদীসে ‘মালিকুল হিন্দ’ তথা ‘ভারতীয় রাজা’ বলে একজনের কথা উল্লেখ করেছেন যিনি নবীজিকে (সা.) এমন এক বয়াম আচার হাদিয়া করেছেন যাতে আদার টুকরা ছিল। নবিজী (সা.) সেই টুকরাগুলো তাঁর সাহাবীদের ভাগ করে দিয়েছিলেন। আবূ সাঈদও (রা.) একটি টুকরা ভাগে পেয়েছিলেন’ [হাকিম, মুস্তাদরাক, ৭১৯০]। হাদীসটির সনদ দূর্বল।
🌿
মালাবারের পুঁথি সাহিত্যের সুত্রে তাঁর নাম রাজা চেরামান পেরুমল। মালাবারের বিস্তৃত অঞ্চলের তিনি রাজা ছিলেন। বলা হয়, নবীজি (সা.) তাঁর নাম রাখেন তাজউদ্দীন। বর্ণিত আছে, তিনি মক্কায় চন্দ্র দ্বি-খন্ডনের ঘটনা দক্ষিণ ভারতের মালাবার উপকূল থেকে প্রত্যক্ষ করেছিলেন কিংবা কোনো কাফিলার কাছে শুনেছিলেন। পরে মদীনায় গিয়ে তিনি ইসলাম গ্ৰহণ করেছিলেন।
🌿
বলা হয়ে থাকে, তিনি সেখানে প্রায় সাড়ে চার থেকে পাঁচ বছর অবস্থান করার পর নবীজির (সা.) নির্দেশে ভারতের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হন। ইতোমধ্যে তিনি প্রখ্যাত সাহাবী মালিক ইবন দীনারের বোন রাজিয়া’র সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন। ফলে ফিরবার সময় তার সাথে মালিক ইবন দীনারসহ আরও ক’জন সাহাবী ছিলেন। কিন্তু পথিমধ্যে দক্ষিণপূর্ব আরবের এক বন্দরে (বর্তমান ওমানের সালালা শহর) অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং সেখানেই মৃত্যুবরণ করেন। আজও সালালায় তাঁর কবর রয়েছে।
🌿
তবে সাহাবী মালিক ইবন দিনার (রা.) এবং তার
বোন রাজিয়া (রা.) সহ অন্যান্য মুসলমানগণ কেরালাতে আসেন এবং এখানেই তারা বসতি স্থাপন করেন। এখানে আগে থেকেই এক বিরাট আরব বণিকদের বসতি গড়ে উঠেছিল। সাহাবী মালিক ইবন দিনার সেখানে ভারতের প্রথম মসজিদ স্থাপন করেন। এই মহান সাহাবী ও তার বোন রাজিয়ার (রা.) কবর আজও এখানে বিদ্যমান রয়েছে।
সর্বোপরি এটা বলা যায়, নবীজি (সা.) ভারতীয়দের জানতেন। কবি কা'ব ইবন জুহাইর ইসলাম গ্ৰহণের পর নবীজির উপস্থিতিতে নবীজির (সা.) চারিত্রিক কোনো কোনো বৈশিষ্ট্যকে ভারতীয় তীক্ষ্ম ধারালো তরবারির সাথে উপমা দিয়েছেন।
🌿
ভারতীয় খেলা: নবীজি (সা.) অনন্ত দু'টি খেলা নিষিদ্ধ করেছেন যা ইন্ডিয়ান অরিজিন ছিলো। এক. চৌপার/চৌসার (chausar game) যা বর্তমান লুডুর মতো; দুই. শতরঞ্জি (shatranj game) যা বর্তমান দাবার মতো। [দেখুন: কানযুল উম্মাল, খ. ৩ পৃ. ৩৩১]
🌿
إن الرسول لنور يستضاء به
مهند من سيوف الله مسلول

🌿
ফাস্ট পাবলিশড: ১৭ ডিসেম্বর ২০২০
কলমেঃ
ড. মুহাম্মদ তাজাম্মুল হক,
সহযোগী অধ্যাপক,
ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগ, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়।
ইতিহাসের নানা জানা-অজানা তথ্যাদি জানতে ও জানাতে যুক্ত হোন আমাদের পেজ ইতিহাস অন্বেষণ এ।🌿

25/11/2025

মৃ*ত্যুর সময় কালিমা নসীব হওয়ার সহজ উপায়:
আল্লহু আকবার! আশ্চর্য একটা আমল শিখলাম!

হাকীমুল উম্মাত শাহ আশরাফ আলী থানভী রহিমাহুল্লহকে জনৈক মুরীদ বলেন, “শায়খ খুব ভয় হয় মৃত্যুর সময় কালিমা নসিব হয় কি-না!”

তখন শায়খ আশরাফ আলী থানভী রহিমাহুল্লহ তাকে বলেন, “তোমাকে একটা খুব সহজ পদ্ধতি শিখিয়ে দিচ্ছি। এটা করলে ইনশাআল্লাহ মৃত্যুর সময় কালিমা নসিব হবে।

পদ্ধতিটা হল, কোনো এক সময় দুই রাকাত সালাতুল হাযাত শেষে উত্তম রূপে কালিমা শাহাদাত পড়ে, মুনাজাতে আল্লাহ্ পাককে বলবে— হে আমার আল্লাহ! এ কালিমা আমি আপনার নিকট আমানত রাখলাম! মৃত্যুর সময় আপনি এ আমানত আমাকে ফিরিয়ে দিবেন।”

তারপর বলেন, ”জেনে রেখ! আল্লাহ পাক থেকে উত্তম আমানত রক্ষাকারী আর কেউ নাই, তিনি তোমাকে তোমার রাখা আমানত ঠিক সময়মতো ফিরিয়ে দিবেন।”

আমরাও সহজ আমলটি করে রবের নিকট “কালিমা” আমানত রাখতে পারি।

আল্লাহ্ তাওফিক দান করুন।(আমিন)

- মাওলানা ওসমান সাদেক (হাফি.)

একজন সাহাবীর রাতে ঠিকমতো ঘুম হতো না! যায়িদ ইবনে সাবিত রাদিয়াল্লাহু আনহু🌿তিনি ঘুমানোর অনেক চেষ্টা করতেন, অনেক দুআ পড়তেন। ...
13/10/2025

একজন সাহাবীর রাতে ঠিকমতো ঘুম হতো না!
যায়িদ ইবনে সাবিত রাদিয়াল্লাহু আনহু
🌿
তিনি ঘুমানোর অনেক চেষ্টা করতেন, অনেক দুআ পড়তেন। তবুও তাঁর ঘুম আসতো না। তাঁর নাম ছিলো যায়িদ ইবনে সাবিত রাদিয়াল্লাহু আনহু; বিখ্যাত ওহী লেখক সাহাবী।
তিনি রাসূলুল্লাহ ﷺ –এর কাছে গিয়ে তাঁর অনিদ্রার কথা জানান।
রাসূলুল্লাহ ﷺ যায়িদ ইবনে সাবিতকে একটি দুআ শিখিয়ে দিলেন।
দুআটি হলো- “আল্লাহুম্মা গারাতিন নুজুমু, ওয়া হাদাআতিল উয়ুনু, ওয়া আনতা হাইয়ুন কাইয়ুমুন, লা তা'খুযু কা ছিনাতুন ওয়ালা নাওম। ইয়া হাইয়ু ইয়া কাইয়ুমু, আহদি' লাইলি ওয়া আনিম আইনি।” (তাবরানী: ৪৮১৭)
যার অর্থ হলো- “হে আল্লাহ! আকাশের তারাগুলো নিভে যাচ্ছে, কিন্তু আমার চোখ এখনো জাগ্রত। আর আপনি চিরঞ্জীব ও চিরস্থায়ী, ঘুম বা তন্দ্রা আপনাকে পরাভূত করতে পারে না। হে চিরঞ্জীব ও চিরস্থায়ী, আমার রাতকে প্রশান্তিময় করুন এবং আমার চোখে ঘুম এনে দিন।”
কী সুন্দর দুআ!
এই দুআর আমল করার পর যায়িদ ইবনে সাবিত রাদিয়াল্লাহু আনহুর অনিদ্রা সমস্যা কেটে যায়।

ধরুন, একটা পরিবারে সবাই মিলে সংসারের খরচ চালায়। যে বেশি আয় করে সে বেশি দেয়, আর যে কম আয় করে সে তার সাধ্য মতো অবদান রাখে।...
19/09/2025

ধরুন, একটা পরিবারে সবাই মিলে সংসারের খরচ চালায়। যে বেশি আয় করে সে বেশি দেয়, আর যে কম আয় করে সে তার সাধ্য মতো অবদান রাখে। এভাবেই সংসারটা ভারসাম্য বজায় রাখে।
🌿
ইসলামী রাষ্ট্র কাঠামোয় বিষয়টা অনেকটা এমনই। মুসলিম নাগরিকদের জন্য আছে যাকাত। এটা শুধু নামাজ-রোজার মতো একটি ধর্মীয় ইবাদত। পাশাপাশি, সমাজের গরিব, এতিম, বিধবা কিংবা অভাবীদের অধিকার। মুসলিমরা যখন যাকাত দেয়, তখন আসলে তারা আল্লাহর সন্তুষ্টির পাশাপাশি সমাজের দুর্বল মানুষদের পাশে দাঁড়ায়।
🌿
কিন্তু অমুসলিম নাগরিকদের তো যাকাত ফরজ নয়। তাদের জন্য আছে জিজিয়া। এটা একধরনের কর, যা দিয়ে তারা ইসলামী রাষ্ট্রের নাগরিক হিসেবে সুরক্ষা, অধিকার আর নিরাপত্তা পায়। সহজ ভাষায় বললে—যেমন মুসলমানদের দায়িত্ব যাকাত, তেমনি অমুসলিমদের দায়িত্ব জিজিয়া।
🌿
তাহলে দেখা গেল—যাকাত আর জিজিয়া দুইটাই ভিন্ন পথে হলেও মূলত এক জায়গায় গিয়ে মিলে যায়। লক্ষ্য একটাই: সমাজে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করা, অভাবীদের পাশে দাঁড়ানো আর রাষ্ট্রকে শক্তিশালী করা। ইসলাম তাই শেখায়—কেউ অবহেলিত থাকবে না, বরং সবাই মিলে দায়িত্ব ভাগ করে নেবে। মুসলিম তার মতো, অমুসলিম তার মতো—কিন্তু সবার উদ্দেশ্য একটাই: সমাজ ও রাষ্ট্রকে টিকিয়ে রাখা।
🕌
ইসলামী রাষ্ট্র কাঠামোয় যাকাত ও জিজিয়া: এক তুলনামূলক দৃষ্টিভঙ্গি
🌿
ইসলামী সমাজব্যবস্থায় অর্থনৈতিক ন্যায়বিচার ও সামাজিক দায়িত্ববোধ অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে দেখা হয়। এখানে মুসলিম ও অমুসলিম নাগরিকদের জন্য আলাদা আলাদা দায়িত্ব নির্ধারণ করা হয়েছে, যা মূলত ন্যায্যতা ও সাম্যের ভিত্তিতে গড়ে উঠেছে।
🕌
মুসলিমদের যাকাত:
🌿
মুসলিম নাগরিকদের জন্য যাকাত হলো একটি ফরজ ইবাদত, যা তাদের সম্পদের নির্দিষ্ট অংশ থেকে আদায় করতে হয়। এটি শুধু ধর্মীয় দায়িত্ব নয়, বরং রাষ্ট্রীয় অর্থনৈতিক কাঠামোর একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। যাকাতের মাধ্যমে দরিদ্র, এতিম, অভাবী, ঋণগ্রস্ত ও সমাজের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে সহায়তা করা হয়।
🕌
অমুসলিমদের জিজিয়া:
🌿
অন্যদিকে, ইসলামী রাষ্ট্রে বসবাসরত অমুসলিম নাগরিকরা যাকাত প্রদানে বাধ্য নন। তাদের পরিবর্তে যে কর দিতে হয় তাকে বলা হয় জিজিয়া। জিজিয়া মূলত একটি সুরক্ষা কর, যার বিনিময়ে রাষ্ট্র তাদের নিরাপত্তা, জীবন ও সম্পদ রক্ষা এবং মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করে। এ কর প্রদানের মাধ্যমে তারা মুসলিম রাষ্ট্রের পূর্ণ নাগরিকত্ব ভোগ করতে পারে, এবং রাষ্ট্রীয় দায়িত্বের অংশীদার হয়।
🕌
যাকাত ও জিজিয়ার সম্পর্ক:
এক কথায় বলা যায়—মুসলিমদের জন্য যাকাত যেমন ধর্মীয় ও সামাজিক দায়িত্ব, অমুসলিমদের জন্য জিজিয়া তেমনি নাগরিক দায়িত্ব। উভয় ক্ষেত্রেই লক্ষ্য একই: সমাজে সমতা প্রতিষ্ঠা, দরিদ্র ও অসহায়দের সহায়তা, এবং রাষ্ট্রীয় সেবা চালু রাখা।
🌿
ইসলামের আর্থ-সামাজিক দর্শন তাই মানুষকে বিভক্ত করে না; বরং প্রত্যেককে তার অবস্থান ও পরিচয়ের ভিত্তিতে ন্যায্য দায়িত্ব প্রদান করে। এর ফলে রাষ্ট্রীয় সম্পদ সুবিন্যস্ত হয় এবং সমাজে ভারসাম্য বজায় থাকে।

07/07/2025
07/07/2025

উঠতি বয়সে প্রায় সব মেয়েদেরই প্রচন্ড বিয়ের মোহ থাকে। সারাক্ষন দু’চোখ দিয়ে চারপাশে শুধু সুন্দর ছেলে খুঁজে বেড়ায়। এ বয়সে মেয়েরা প্রেমে পড়লেই বিয়ের জন্য ব্যাকুল হয়ে উঠে। এমন কি পালিয়ে বিয়ে করতেও এক পায়ে প্রস্তুত থাকে তারা।

কিন্তু যদি না কারো সাথে দীর্ঘ ও গভীর কোন এফেয়ার থাকে, বয়স বাড়লে, শিক্ষিত হলে, বিয়ের প্রতি তাদের অধিকাংশেরই একটা অনীহা জন্ম নেয়। পড়ালেখা করে ক্যারিয়ার গড়বার এক দুরন্ত জেদ চেপে বসে তাদের মনে। সে সময়ে অনেক ছেলেকে ভালো লাগলেও পছন্দ করবার মতো যোগ্য ছেলেটিকে তারা তখন আর খুঁজে পায় না কিংবা খোঁজার গরজও বোধ করে না।

এরপর প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অংশ নিয়ে পুরুষদের পাশাপাশি যোগ্যতার প্রমান দেয়ার প্রচন্ড নেশা চাপে তাদের। সে পরীক্ষায় অনেকে সাফল্যও পায়। তারপর চলে নিজের পায়ে দাঁড়াবার, স্বাবলম্বী হবার সংগ্রাম, নিজেকে গুছিয়ে নেয়ার সংগ্রাম।

কিন্তু ততোদিনে পদ্মা যমুনার জল গড়িয়ে যায় অনেক। মেঘে মেঘে হয়ে যায় অনেক বেলা। খরচ হয়ে যায় আয়ুর সোনালী অধ্যায়। বিয়ের বাজারে নিজের চাইতে যোগ্য ছেলে খুঁজে পাওয়া তখন দুস্কর হয়ে দাঁড়ায় তাদের জন্য। প্রচন্ড মেধাবী যে মেয়েটি অনার্স, মাস্টার্স পাশ করে phd শেষ করে ফেলে, কিংবা হয়ে যায় BCS ক্যাডার, বিয়ের বাজারে তারচেয়ে অধিক যোগ্যতাসম্পন্ন পাত্রের খোঁজ করতে গিয়ে এক বিশাল ধাক্কা খায় সে—তিরিশ প্লাস যোগ্য পাত্রগুলি তার তিরিশ প্লাস বয়সটার দিকে আড়চোখে তাকিয়ে মুখ ঘুরিয়ে নেয়।

একুশ বাইশ বয়সের যুবতীর বর্ণিল স্বপ্নগুলি তিরিশ পেরিয়ে বিবর্ণ হয়ে পড়ে। তার একদা উপচে পড়া চকচকে যৌবনের কোথাও কোথাও গোপন মরচে পড়ে। তার বিশাল আর আলো ঝলমলে পৃথিবীতে রাত নামতে থাকে। এই পৃথিবীতে একটা নিরাপদ আশ্রয় আর অবলম্বন ছাড়া যে সে ভীষন অসহায়, এতোদিন পর এই নির্মম সত্য অনুধাবন করে সে কাঁপতে থাকে অনিশ্চয়তায়। স্বামী সন্তান নিয়ে একটা ছোট্ট সুখী সংসারের জন্য সে সারা জীবনের কষ্টার্জিত সকল ডিগ্রী ও যোগ্যতা বিসর্জন দিতেও প্রস্তুত হয়ে পড়ে।

পাত্রী দের অবস্থা কেমন হয় তখন ???

============================

০১। ফ্রেন্ডলিস্টের একজন নারী সফল BCS যিনি ৩৪ বছর বয়সে এসে 'যোগ্য' পাত্র খোঁজা বন্ধ করে এখন 'মোটামুটি' মার্কা পাত্র খুঁজছেন। কতোটা কম্প্রোমাইজ ভাবা যায়???

০২। ফ্রেন্ডলিস্টের একজন ডাক্তার। ৬ বছর ধরে 'যোগ্য' পাত্র খুঁজতে খুঁজতে তিনি নিজেই অযোগ্য হবার যোগাড় হয়ে পড়েছেন। বয়স ৩৫ চলছে। ওনার পরিবারের প্রথম টার্গেট ছিল ডাক্তার পাত্র ছাড়া বিয়ে করবে না। ২৯ বছর বয়সে যখন বিয়ের সিদ্ধান্ত নিলো তখন কিছু সিনিয়র অবিবাহিত ডাক্তার পাত্র পাওয়া যাচ্ছিল, কিন্তু সেগুলো তাদের পছন্দ হচ্ছিল না। পাত্র খুঁজতে খুঁজতে বয়স এখন ৩৫ এ এসে দাঁড়িয়েছে। এখন আর ডাক্তার পাত্র পাচ্ছে না। মনে হয় আর পাবেনও না। এখন 'কম্পাউন্ডার' ছেলে পেলেও চলবে। ইভেন জুনিয়র ডাক্তার বা ওষুধের দোকানের মালিক কোন ব্যাপার না।

০৩। এই আপা একজন উচ্চশিক্ষিত, বিদেশে উচ্চতর ডিগ্রী নিতে গিয়ে বিয়ের বয়স পার হয়ে গেছে। ওনার জীবনের লক্ষ্যই ছিল উচ্চতর ডিগ্রী নেয়া। সেই লক্ষ্য পূরণ হয়েছে কিন্তু ততোদিনে বিয়ের বয়স পার হয়ে গেছে। এখন এতো এতো ডিগ্রী সত্বেও পাত্র পাচ্ছেন না। ওনার বয়স এখন ৩৮/৩৯।

আসলে সময়ের কাজ সময় থাকতেই করতে হয়। লেখাপড়া, ক্যারিয়ার ইত্যাদির জন্য অনেক মেয়ে বিয়ের ব্যাপারে উদাসীন থাকেন।

কিন্তু যতো বড় ক্যারিয়ার থাকুক না কেন ছেলেরা চাইবে তার চাইতে মিনিমাম ৫/৬ বছর জুনিয়র মেয়েকে বিয়ে করতে। সেই হিসেবে শিক্ষিত সমাজে সবচেয়ে বেশি ডিমান্ডের মেয়েরা হয় ২০/২১ থেকে ২৬ বছর বয়সী।

অফিসে এক সিনিয়র কলিগ বললো-- "একটা সময় টাকার অভাবে চুলে শ্যাম্পু দিতে পারতাম না, আর এখন চুলের অভাবে শ্যাম্পু দিতে পারি না"।

সুতরাং সঠিক সময় সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে হয়।

একজন বলেছিল-- বিয়ে প্রেম আবেগের বশেই হয়ে যাওয়া উচিত। বিবেক এসে গেলে সেটা আর সঠিক বয়সে হয় না।

11/06/2025

চলুন পড়ি, মোনাজাত কবুল হবে ইং শা আল্লাহ 🏵️

সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ০৩ বার।

ইয়া আরহামার রাহিমীন ০৩ বার।

ইয়া জালজালালি ওয়াল ইকরাম ০৩ বার।

ইয়া হাইয়ূ ইয়া কাইয়ূম বিরাহমাতিকা আস্তাগিছু ০৩ বার।

লা ইলাহা ইল্লা আনতা সোবহানাকা ইন্নী কুনতু মিনাজ জোয়ালিমিন ০৩ বার।

আল্লাহু লা ইলাহা ইল্লা হুয়াল হাইয়ূল কাইয়ূম ০৩ বার।

লা হাওলা ওয়ালা কুওয়্যাতা ইল্লা ০৩ বার।

ইয়া ওয়াহহাবু, ইয়া মুজীবু, ইয়া আল্লাহ, ইয়া রাহমান, ইয়া রাহীম, ইয়া রাজ্জাকু, ইয়া আহাদু, ইয়া সামাদু, ইয়া আউয়ালাল আউয়ালীন, ইয়া আখিরাল আখেরীন, ইয়া রাহীমাল মাসাকীন, ইয়া যুলকুয়াতিল মাতীনু
০১ বার।

লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মোহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ ০৩ বার।,

আস্তাগফিরুল্লাহ ওয়া আতুবু ইলাইহি ০৩ বার।

সুবহানাল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু, আল্লাহু আকবার ০১ বার।

"আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকা বিআন্না লাকাল হামদু,
লা-ইলাহা ইল্লা আংতাল মান্নান,
বাদিউস সামাওয়াতি ওয়াল আরদ্,
ইয়া জালজালালি ওয়াল ইকরাম,
ইয়া হাইয়ু ইয়া ক্বাইয়্যুম।
,
🌿আস্তে আস্তে পড়তে থাকেন 🌿
১.সুবাহানআল্লাহ
২.আলহামদুলিল্লাহ
৩.লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ সাঃ
৪.আল্লাহু আকবর
৫.আস্তাগফিরুল্লাহ
৬. সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি সুবহানাল্লাহিল আযীম
৭. লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ
৮. আল্লাহুমাগফিরলি
৯. আল্লাহুম্মা আজিরনি মিনান্নার
১০. ইয়া হাইয়ু ইয়া কাইয়ুম বিরাহমাতিকা আসতাগিস
১১.জাযাল্লাহু আন্না মুহাম্মাদান মা হুয়া আহলুহু
১২. আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকাল আফিয়া
১৩. আস্তাগফিরুল্লাহ ইন্নাল্লাহা গাফুরুর রাহিম
১৪.লা ইলাহা ইল্লা আনতা সুবহানাকা ইন্নি কুনতু মিনাজ জোয়ালিমিন
১৫. ইয়া হালালাল মুশকিলাত
১৬.আলহামদুলিল্লাহ আলা কুল্লি হাল
১৭.ইয়া আরহামার রাহিমীন
১৮.ইয়্যা কানাহ'বুদু ওয়া ইয়্যা কানাসতাঈন
১৯. আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকা হুসনাল খ তিমাহ
২০. আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকা হুব্বাক
২১. আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকাল জান্নাতা ওয়া আ'উযু বিকা মিনান্নার
২২.আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকাল হুদা ওয়াস সাদাত আস সাবুর
২৩. লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারিকালাহু আহাদান ছমাদা
২৪. সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম,
সাল্লাল্লাহু আলা মুহাম্মাদ ১১ বার।

এবার আপনার মনের একান্ত বাসনা আল্লাহ সুবহানাতায়ালা কে জানিয়ে মোনাজাত করুন
ইয়া আল্লাহ এই আমলগুলো পাঠ করার উসিলায় আমাদের সবার দোয়া কবুল করুন এবং আমাদের মনের আশা পূরণ করে দেন। - আমিন.

28/05/2025

অধিকাংশ মধ্যবিত্তরা ঋণে জর্জরিত। কারণ, তারা তাদের আয়ের চাইতে খরচের হাতটা বড় করে ফেলেছেন। এই ঋণ তাদেরকে পার্মানেন্টভাবে একটা মানসিক চাপে রাখে, ওদিক দিয়ে নেক্সট আর কি কেনা লাগবে,তাই নিয়েও একটা চাপ থাকে।

সমাজে গত ৮-১০ বছরে ভালো একটা চেঞ্জ এসছে। আমার ২৫ বছর বয়স পর্যন্ত, বড়জোর ২-১ বার জন্মদিনে কেক কাটা হয়েছে। অথচ এরপর থেকে আমি শিখলাম জন্মদিন পালন। আর এখন জন্মদিনে প্রায় ১০-১২টা কেক আসে। কারণ, একটা সেলিব্রেশন, একটু শো অফ, একটু তৈলবাজি, একটু ঋণ করে ঘি খাওয়া। যে টাকা আমি উপার্জন করিই নাই, সেটা আমাকে খরচ করতে হবে। ধার করলে ব্যাংকে আপনার প্রোফাইল ভারী হবে।

যাই হোক, হতে পারে, কোন কোন মানুষ আমার মতো এই ব্যাপারটা বিলিভ করেন না এবং ঋণমুক্ত সচ্ছল জীবন যাপন করতে সাচ্ছন্স বোধ করেন (আমার খুব সামান্য ঋণ আছে, যা ঈদের আগেই শোধ হয়ে যাবে)। ইউজুয়ালি, আমার তেমন কোন লোন থাকে না।

আরেকটা বিষয় দেখবেন, আপনার বাবা ছিলেন হয়তো একজন স্কুল মাস্টার। স্কুলের বেতন আর সাইকেল ঠেলে গোটা পাঁচেক টিশন করিয়ে আপনাদের ৪ ভাই বোনকে খাওয়ায়ে পরায়ে, গ্রামে ইটের দালানও দিয়ে দিয়েছে। এদিকে আপনি একটি মাত্র বাচ্চা নিয়ে ৫০-৬০ হাজার টাকা বেতনের জব নিয়েও মোট প্রায় দুই লাখ টাকার ঋণ করে বসে আছেন।

আমাদের এখন জন্মদিনের চাহিদা, কক্সবাজার যাওয়ার চাহিদা, দেশের বাইরে যাওয়ার চাহিদা ইত্যাদি নানান চাহিদা জন্ম নিয়েছে। আপনার প্যারেন্টস দেখবেন, কক্সবাজার যান নাই ৭০ বছরের লাইফে, এদিকে আপনি গত ৭ বছরে ১৭ বার গিয়েছেন। আপনি যেতেই পারেন, যদি আপনার সেই উপার্জন থাকে, কিন্তু ইস্যু ইজ, উপার্জন না করেই, লোন করে হলেও আপনি চলে যাচ্ছেন। কিংবা এটাকে প্রায়োরিটি দিতে গিয়ে অনেক জরুরী বিষয়ে আর সময় দিতে পারছেন না।

যাই হোক, একটা বিষয় খেয়াল করলে দেখবেন, যে কোন কর্পোরেটে, বিজনেসে বা প্রজেক্ট করতে গেলে শুরুতেই একটা বাজেট করতে হয়। কোন কোন খাতে কত টাকা খরচ করতে হবে, আগে থেকে ক্লিয়ারলি ডিফাইন করা থাকে। নতুন কোন আইডিয়া মাথায় আসলেও সেটা বাজেট অতিক্রম হলে, না করে দেয়া হয়।

আমাদের নিজস্ব খরচে আমরা বাজেট করি না। অথচ আমাদের মাসে কত টাকার কি কি খাবো, কি কি কেনা লাগবে, বাচ্চার স্কুলের বেতন কি হবে, টিফিন, যাতায়াত, টিউশন, কি হবে, এগুলা যদি আগে থেকে ক্লিয়ারলি ডিফাইন করা থাকতো, তাহলে আমরা অনেকেই বাড়তি খরচ করার হাত থেকে রেহাই পেতাম হয়তো। নিজের মনকে এমনভাবে ট্রেইন আপ করতে হবে, যাতে আমি বাজেটের বাইরে গিয়ে খরচ না করি, যাই হোক, আমাকে বাজেটের ভিতর চলতে হবে। অফিসের বাজেট, বাসার জন্যে বাজেট।

যখন আপনি আপনার উপার্জনের ৬০% এর ভিতর একটি বাজেট নিজের পরিবারের জন্যে করতে পারবেন, তখন আপনি নিয়মিত সেভিং করতে পারবেন। দান করতে পারবেন, ইনভেস্ট করতে পারবেন। বছরখানেকের ভিতর টাকা জমা করতে পারবেন বা জমি কিনতে পারবেন। বিপদে ভরসা পাবেন।

এটাই আসলে আল্টিমেট সচ্ছলতার উপায়। এর আর কোন শর্টকাট নাই।

24/05/2025

আমি সেদিন ইন্সটায় একজন শায়েখের ভিডিও দেখসি।

উনি বলতেসিলেন, "হিজাব শুধু চোখ নিচে নামানো অথবা নিজের সৌন্দর্যকে ঢাকা না।ইয়াতীমের সামনে নিজের বাবার আদর নিয়ে কথা না বলা হিজাব।বিধবার সামনে নিজের স্বামীর প্রশংসায় ভেসে না যাওয়া হিজাব।যার সন্তান হয়নাই তার কাছে গিয়ে সন্তান থাকার উপকারিতা বর্ণনা না করা, যার টাকা নাই তার কাছে বিলাসীতার গল্প না করাও হিজাব।"

এরপর তিনি একটা হাদীস বললেন যেখানে রাসূল (সা:) বসে কিছু বাচ্চাদের খেলা দেখতেসিলেন।

এমন সময় বাচ্চাদের মধ্য থেকে একজনের বাবা এসে বললেন, "আমার ছেলেকে নিয়ে যেতে এসেছি।"

তখন রাসূল (সা:) বললেন, তোমার ছেলের নাম কি?

তখন ওই লোক তার সন্তানের নাম বলার পর রাসূল (সা:) বললেন, "তুমি তোমার ছেলেকে আমার ছেলে বলে না ডেকে নাম ধরে ডেকো।"

তখন সেই লোক খানিকটা অবাক হয়েই জানতে চাইলেন কেন?

তখন তিনি বললেন, এখানে খেলারত বাচ্চাদের মধ্যে অনেক ইয়াতীম আছে। তুমি তোমার ছেলেকে "আমার ছেলে" বলে যখন ডাকো, তখন ওদের মন খারাপ হয়।

Dr. Kushal ভাই এর ওয়াল থেকে নেয়া।

ইসলামের সৌন্দর্য ❤️

মহানবী মুহাম্মদ (সা.) বলেছেন, যখন কোনো ব্যক্তি আল্লাহর কাছে দোয়া করে, তখন আল্লাহ হয় তার দোয়া কবুল করেন, নয়তো তার পথে...
23/05/2025

মহানবী মুহাম্মদ (সা.) বলেছেন, যখন কোনো ব্যক্তি আল্লাহর কাছে দোয়া করে, তখন আল্লাহ হয় তার দোয়া কবুল করেন, নয়তো তার পথে আসা কোনো বিপদ দূর করে দেন। ছয় ধরনের মানুষ আছে, যাদের দোয়া আল্লাহ কবুল করবেন বলে হাদিসে বর্ণিত হয়েছে। তবে যদি কেউ ইসলামে অগ্রহণযোগ্য বা ইসলামের নিয়মবিরোধী কিছুর জন্য দোয়া করে, তবে তা কোনোভাবেই কবুল হয় না।

১. রোগীর দোয়া: রোগাক্রান্ত ব্যক্তির দোয়া আল্লাহর কাছে বিশেষ গ্রহণযোগ্য। নবীজি (সা.) বলেছেন, ‘যখন তোমরা কোনো রোগীর কাছে যাও বা তাকে দেখতে যাও, তখন তাকে বলো যেন সে তোমার জন্য দোয়া করে। কারণ, তার দোয়া ফেরেশতাদের দোয়ার মতো।’ (সুনান তিরমিজি, হাদিস: ৩,৫৯৮)

২. রোজাদারের দোয়া: রোজাদারের দোয়া অত্যন্ত কার্যকর। অনেক আলেম রোজার সময়কে দোয়ার জন্য ‘সোনালি মুহূর্ত’ বলে অভিহিত করেন। নবী (সা.) বলেছেন, ‘রোজাদারের দোয়া ইফতারের সময় ফিরিয়ে দেওয়া হয় না।’ (সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদিস: ১,৭৫৩)

৩. পিতার দোয়া: সাধারণত মায়েরা সন্তানের জন্য দোয়া করেন, কিন্তু বাবার দোয়া বিরল এবং তা অত্যন্ত কার্যকর। নবীজি (সা.) বলেছেন, ‘তিনজনের দোয়া নিশ্চিতভাবে কবুল হয়—মজলুমের দোয়া, মুসাফিরের দোয়া ও পিতার সন্তানের জন্য দোয়া।’ (সুনানে তিরমিজি, হাদিস: ১,৯০৫)

৪. অনুপস্থিতিত ব্যক্তির জন্য দোয়া: যে ব্যক্তি অন্যের অনুপস্থিতিতে তার জন্য দোয়া করে, তার দোয়া আল্লাহ ফিরিয়ে দেন না। নবীজি (সা.) বলেছেন, ‘যখন কোনো মুসলিম তার ভাইয়ের অনুপস্থিতিতে তার জন্য দোয়া করে, তখন ফেরেশতা বলে, ‘আমিন, তোমার জন্যও তাই হোক।’ (সহিহ মুসলিম, হাদিস: ২,৭৩২)

৫. মজলুম ব্যক্তির দোয়া: যিনি অন্যায়ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তার দোয়া আল্লাহ সরাসরি কবুল করেন। নবীজি (সা.) বলেছেন, ‘মজলুমের দোয়া থেকে সাবধান হও। কারণ, তার ও আল্লাহর মধ্যে কোনো পর্দা নেই।’ (সহিহ বুখারি, হাদিস: ২,৪৪৮)

৬. মুসাফিরের দোয়া: ভ্রমণকারীর দোয়া আল্লাহর কাছে বিশেষভাবে গ্রহণযোগ্য। নবীজি (সা.) বলেছেন, ‘তিনটি দোয়া ফিরিয়ে দেওয়া হয় না—সন্তানের জন্য পিতার দোয়া, রোজাদারের দোয়া ও মুসাফিরের দোয়া।’ (সুনান আবু দাউদ, হাদিস: ১,৫৩৬)

দোয়া কবুলের কিছু সময়

দোয়া কবুল হওয়ার জন্য বেশ কয়েকটি সময়ের কথাও হাদিসে বর্ণিত আছে। যেমন রাতের শেষ প্রহর বা ফজরের আগে, আজানের পর বা আজানের মধ্যবর্তী সময়ে, জমজমের পানি পান করার সময় এবং জুমার দিনে, বিশেষ করে আসরের পর থেকে মাগরিবের আগপর্যন্ত। অনেক আলেম জোর দিয়ে বলেন, দোয়ার জন্য অজু করা জরুরি নয়; বরং হৃদয়ের পবিত্রতা আল্লাহর কাছে অত্যন্ত প্রিয়।

Address

Cumilla
3570

Telephone

+8801746774494

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when তাহফিজুল কুরআন একাডেমী posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to তাহফিজুল কুরআন একাডেমী:

Share