কুতুব শরীফ দরবার/Kutub Sharif Darbar

কুতুব শরীফ দরবার/Kutub Sharif Darbar Hazarat Shah Abdul Malik Al-Kutubi / kutub sharif darbar,kutubdia cox's bazar.
(1)

হজরত কেবলা আল কুতুবী (রাহ:)'র পুত্রগণ।----------------------------------------------------------------হজরত কেবলার ১০ জন ...
16/05/2026

হজরত কেবলা আল কুতুবী (রাহ:)'র পুত্রগণ।
----------------------------------------------------------------
হজরত কেবলার ১০ জন শাহজাদা যথাক্রমে
১. শাহ সিরাজুদ্দিন আল কুতুবী,
(উনি ছয় বছর বয়সে ইন্তেকাল করেন)।
২.শাহ মুহিউদ্দিন মুহাম্মদ মুনিরুল মন্নান আল কুতুবী।
৩.শাহ শেখ ফরিদ আল কুতুবী_পরিচালক।
৪.শাহ অহিদুল আলম আল কুতুবী, (ওফাত ৪মে২০১৯)।
৫.শাহ আতিকুল মিল্লাত আল কুতুবী।
৬.শাহ ছৈয়দুল মিল্লাত আল কুতুবী।
৭.শাহ জিল্লুল করিম আল কুতুবী।
৮.শাহ আবদুল হালিম আল কুতুবী, (ওফাত ১৯৯০)
৯.শাহ আবদুল করিম আল কুতুবী।
১০.শাহ আবদুল আজিজ আল কুতুবী,(ওফাত১৯৯৫)।

রব্বুল আলামীন বাবাজান কেবলার সকল আওলাদগণকে হায়াত তায়্যিবাহ দান করুন, যারা ইন্তেকাল করেছেন তাঁদের জান্নাতুল ফেরদৌসের আলা মাকাম নাসিব করুন।
আমিন।

14/05/2026

মুর্শিদ আমার মালেক শাহ
বেলায়েতের শাহিন শাহ..
স্বরচিত মানকাবাত
মাওলানা আবদুর রাজ্জাক আল কুতুবী

10/05/2026

সতর্কতা!!!
কুতুব শরীফ দরবারের পক্ষ থেকে
আলহাজ্ব শাহজাদা এম এম মুনিরুল মন্নান আল মাদানী আল কুতুবী (মা জি আ).

09/05/2026

স্বরণ _০৪ মে ২০২৬ ইংরেজি

কুতুব শরীফ দরবারের প্রতিষ্ঠাতা সম্রাট আউলিয়া, গাউছে মুখতার হজরতুল আল্লামা শাহ আবদুল মালেক আল-কুতুবী মুহিউদ্দিন আ'জমী রাহমাতুল্লাহি আলাইহি বাবাজান কেবলা’র চতুর্থ শাহজাদা আলহাজ্ব অহিদুল আলম আল কুতুবী রহমাতুল্লাহি আলাইহির সপ্তম ওফাত বার্ষিকী।
তিনি ২০১৯ সালের ৪ মে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন হাসপাতালে ইন্তেকাল করেন, ৫ মে ২০১৯ কুতুব শরীফ দরবার সংলগ্ন মাঠে জানাযা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে উনাকে দাফন করা হয়।
আল্লাহ উনাকে জান্নাতুল ফেরদৌসের আলা মাকাম নাসিব করুন। আমিন।

শাহজাদা হজরতের ইসালে সাওয়াবের উদ্দেশ্যে
১ বার সূরা ফাতেহা
৩ বার সূরা ইখলাস
৩ বার দরূদে মোস্তফা সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পড়ে মরহুমের জন্য বিশেষ দোয়া করার অনূরোধ রইলো।

04/05/2026
03/05/2026

সতর্ক বার্তা,
গাউছে মুখতার হজরত শাহ আবদুল মালেক আল কুতুবী (রাহ)র
AI দ্বারা বিকৃত ছবি,আপলোড,শেয়ার লাইক এবং প্রচার থেকে বিরত থাকুন।

হক্কানিত্ব যেন হারিয়ে যাওয়া এক মণি... ***   ***   ****আজকের বাংলাদেশে “হক্কানী” শব্দটি যেন তার আসল মাহাত্ম্য হারিয়ে ফেলে...
09/11/2025

হক্কানিত্ব যেন হারিয়ে যাওয়া এক মণি...
*** *** ****

আজকের বাংলাদেশে “হক্কানী” শব্দটি যেন তার আসল মাহাত্ম্য হারিয়ে ফেলেছে।
একসময় এই শব্দ ছিল আল্লাহভীরু, সত্যনিষ্ঠ, রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর পথের অনুসারীদের প্রতীক।

কিন্তু আজ এর ব্যবহার ক্রমেই এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছে, যেখানে হক্কানী বলা যেন বিতর্কের, এমনকি বিদ্রূপের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

প্রত্যেক দলই নিজেকে “হক” বলে ঘোষণা করছে—
প্রত্যেক ঘরানা, প্রত্যেক দল, প্রত্যেক পীর, প্রত্যেক আলিমই দাবি করছে,
“আমরাই হক্কানী, অন্যরা ভ্রান্ত!”

কিন্তু এ দাবি করতে করতেই আমরা ভুলে যাচ্ছি,
হক্কানী হওয়া মানে নিজের দল ও ঘরানাকে বড় করা নয়—
বরং আল্লাহ ও তাঁর রাসূল (সা.)-এর পথে বিনয়ী, বিশ্বস্ত ও আমানতদার হয়ে চলা; যেকোনো পরিস্থিতিতে সত্য ও ন্যায়ের ওপর অটল-অবিচল থাকা; মিথ্যা ও অন্যায়ের সাথে আপস না করা।

দুঃখের বিষয়,
আজ সেই হক দাবিদাররাই নিজেদের মধ্যে বিভক্ত অসংখ্য দল, শাখা-উপশাখায়।
প্রত্যেক দল অন্য দলকে অবজ্ঞা করছে, অভিযোগ করছে, এমনকি তাকফীর পর্যন্ত গড়াচ্ছে।

হাফিয ইবনু হাজার (রাহ.) কত সুন্দর বলেছেন—

كلَّ طائفةٍ تدعي أن مخالفيها مبتدعةٌ، وقد تُبالغ فتكفِّر مخالفيها، فلو أُخِذَ ذلك على الإطلاق لاستلزم تكفير جميعِ الطوائفِ.
“প্রত্যেক দলই তার বিরোধী দলগুলোকে বিদ‘আতী বলে আখ্যায়িত করে, কেউ কেউ তো এতটাই বাড়াবাড়ি করে যে তাকফীর পর্যন্ত করে ফেলে।
কিন্তু যদি এ অভিযোগগুলোকে সর্বজনীনভাবে গ্রহণ করা হয়, তবে তো পুরো উম্মতই কাফের সাব্যস্ত হবে!
(অর্থাৎ, তাহলে তো হক বলার মতো একজন মু’মিনও অবশিষ্ট থাকত না!)”

আহ! যদি এমন কোনো যন্ত্র থাকত—যে যন্ত্রে মাপা যেত আসল হক্কানী কে!
যার পরিমাপে ধরা পড়ত- কে সত্যিই আল্লাহর সন্তুষ্টির পথে, আর কে কেবল নিজের দলের স্তুতিতে মগ্ন!

আজ কুরআন ও হাদীসের আলোকে নয়,
বরং দলীয় মতবাদ, নেতা, শাইখ বা পীরের বক্তব্য, কিংবা গোষ্ঠীগত চিন্তার আলোকে যাচাই করা হয় “হক” আর “নাহক”-এর মানদণ্ড।

এভাবে আমরা অজান্তেই দূরে সরে যাচ্ছি,
আল্লাহর ঐক্যের দাওয়াত থেকে, রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর আহ্বান থেকে।

ফলাফল—
আমাদের অন্তরে ঐক্যের আলো নিভে যাচ্ছে ধীরে ধীরে,
বিভেদের আঁধার ঘনিয়ে আসছে প্রতিদিন,
আর হক্কানিত্ব যেন এক হারিয়ে যাওয়া মণির সন্ধানে অবিরাম ব্যাকুলতার নাম হয়ে দাঁড়িয়েছে।

হে আল্লাহ!
আমাদের হৃদয়ে সত্য ও ন্যায়কে চিনবার আলো দিন,
আমাদেরকে এমন হক্কানী বানান,
যারা হকের জন্য লড়বে, কিন্তু অহংকারে নয়—
আপনার সন্তুষ্টির জন্য, রাসূলের পথে অবিচল থাকার জন্য।

ফাতওয়ার যথেচ্ছাচারঃ বাড়ছে বিভেদ ও গুমরাহি!!-----------------------সালাফে সালিহীনের যুগে বিদ্বান ও ব্যুৎপত্তিসম্পন্ন আলিম...
08/11/2025

ফাতওয়ার যথেচ্ছাচারঃ বাড়ছে বিভেদ ও গুমরাহি!!
-----------------------
সালাফে সালিহীনের যুগে বিদ্বান ও ব্যুৎপত্তিসম্পন্ন আলিমের সংখ্যা ছিল অনেক; কিন্তু ফাতওয়া দিতেন কেবল অল্প কয়েকজন।
কারণ, সে সময়ের আলিমগণ ফাতওয়া দেওয়ার ক্ষেত্রে অত্যন্ত সতর্ক ছিলেন। তাঁরা সর্বদা আশঙ্কা করতেন, যেন আল্লাহর বিধান সম্পর্কে ভুল কিছু না বলে ফেলেন। তাই নিজেরা ফাতওয়া দেওয়া থেকে বিরত থাকারই চেষ্টা করতেন।

আবদুর রহমান ইবনু আবী লাইলা (রহ.) বলেন,

“আমি একশ বিশজন সাহাবীর সাক্ষাৎ লাভ করেছি। কিন্তু তাঁদের কারও মধ্যেই নিজে ফাতওয়া দেওয়ার আগ্রহ ছিল না। প্রত্যেকে চাইতেন, তাঁর ভাইয়ের ফাতওয়াই যেন তাঁর পক্ষ থেকে যথেষ্ট হয়।”

কিন্তু আজ পরিস্থিতি সম্পূর্ণ উল্টো। এখন ব্যুৎপত্তিসম্পন্ন আলিমের সংখ্যা ক্রমশ কমে যাচ্ছে, অথচ “মুফতী”র সংখ্যা আশঙ্কাজনকভাবে বেড়ে চলেছে। মনে হয়—যত আলিম, তত মুফতী! কেউ সার্টিফিকেটধারী, কেউ আবার সার্টিফিকেট ছাড়াই নিজেকে মুফতী হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে ব্যস্ত।

এমনকি কেউ কেউ মাত্র দুই-চারটি হাদীস জানলেই নিজেকে ফাতওয়া দেওয়ার যোগ্য মনে করেন। অবস্থা এমন দাঁড়িয়েছে যে, যেকোনো আলিমকে যেকোনো বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি দ্বিধাহীনভাবে সঙ্গে সঙ্গেই উত্তর দিতে উদ্যত হন—যেন তিনি সবজান্তা! হয়তো মনে করেন, কোনো প্রশ্নের উত্তর না দিতে পারা মানে নিজের অযোগ্যতা প্রকাশ পাওয়া।

কিন্তু বাস্তবতা হলো—
আমার পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, এঁদের অনেকেরই ফিকহ ও ফাতওয়া সম্পর্কিত মৌলিক জ্ঞান পর্যন্ত নেই। এমনকি কুরআন ও সুন্নাহ থেকে সঠিক পদ্ধতিতে দলিল উপস্থাপনের মতো ন্যূনতম যোগ্যতাও অনেকের নেই। তবুও তাঁরা নির্দ্বিধায়, যাচাই-বাছাই ছাড়াই ফাতওয়া দিতে থাকেন। এর ফলে একদিকে উম্মাহ বিভ্রান্ত হচ্ছে, অন্যদিকে মুসলিম সমাজে বিভেদ বেড়েই চলেছে।

রাসূলুল্লাহ ﷺ এই অবস্থা সম্পর্কে পূর্বেই সতর্ক করে দিয়েছিলেন। তিনি বলেছেন—

“..একসময় এমন অবস্থা আসবে, যখন মানুষ জাহিল (অজ্ঞ) ব্যক্তিদের নেতা বানাবে। তারা মাসআলা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে ইলম ছাড়া ফাতওয়া দেবে। ফলে তারা নিজেরাও পথভ্রষ্ট হবে এবং অন্যদেরও পথভ্রষ্ট করবে।”
(সহীহুল বুখারী)

তাবিঈ আইয়ুব আস-সাখতিয়ানী (রহ.) সুন্দরভাবে বলেছেন—

“যারা ইমামগণের মতভেদ সম্পর্কে কম জানে, তারাই ফাতওয়া দেওয়ার ব্যাপারে সবচেয়ে বেশি উৎসাহী হয়। আর যারা ইমামগণের ইখতিলাফ সম্পর্কে ভালো জানে, তারাই ফাতওয়া দেওয়া থেকে সবচেয়ে বেশি বিরত থাকে।”
(ইবনুল মুবারক, আয-যুহদ)

সারকথা,
আজ ফাতওয়ার ক্ষেত্রটি এমন জায়গায় এসে দাঁড়িয়েছে, যেখানে দায়িত্বশীলতা ও গভীর জ্ঞানের পরিবর্তে দৃষ্টিগোচর হচ্ছে প্রতিযোগিতা ও আত্মপ্রচার। ইসলামী জ্ঞানের এই সংবেদনশীল ক্ষেত্রকে রক্ষা করতে হলে আমাদের প্রয়োজন জ্ঞান, সততা ও ভয়ভীতিসম্পন্ন হৃদয়—যেমনটি ছিল সালাফে সালিহীনদের।

03/11/2025

Address

Kutub Sharif Darbar, Kutubdia Upazila
Cox's Bazar

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when কুতুব শরীফ দরবার/Kutub Sharif Darbar posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share