27/09/2025
"ছবিকে সম্মান জানানো,,
কোনো ছবিকে ভক্তি করা ও সম্মান জানানো স্পষ্টত শিরক। আর এই শিরকের সূচনা হয় কোনো মহৎ ব্যক্তিকে অতিভক্তি ও অতি ভালোবাসা দেখাতে গিয়ে।
"সভ্যতা-সংস্কৃতি ও সমাজ সম্পর্কিত জাহেলিয়াত ,,
বর্তমানে বিভিন্ন নেতৃবৃন্দের ছবি ঘরে ঘরে টাঙানোর যে প্রচলন হচ্ছে, তা নিঃসন্দেহে বাড়াবাড়ি। শ্রদ্ধার উদ্দেশ্যে রাজনৈতিক দলগুলো নেতার ছবি টাকায়, মুরিদ ঝোলায় পীরের ছবি, মৃত মা-বাবা ও আত্মীয়স্বজনের ছবি ঝুলিয়ে রাখে পরিবারের লোকজন। এর সবই স্পষ্ট গোমরাহি ও জাহেলিয়াত। মুসলমানরা কখনো এভাবে ছবি বা মূর্তিকে সম্মান করতে পারে না।
ছবি ঝোলানোর ব্যাপারে রাসূলুল্লাহ এড় কত কঠোর ছিলেন, তা নিম্নের হাদিস থেকে বোঝা যায়।
আয়িশা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন-
"আমি নবি-এর জন্য প্রাণীর ছবিওয়ালা একটি বালিশ তৈরি করেছিলাম, যেন তা একটি ছোটো গদি। অতঃপর তিনি আমার ঘরে এসে দুই দরজার মাঝখানে দাঁড়ালেন আর তাঁর চেহারা মলিন হয়ে গেল। আমি বললাম-"আপনি যেন এই বালিশটির ওপর ঠেস দিয়ে বসতে পারেন, তাই আমি এটি তৈরি করছি।" তিনি বললেন-"তুমি কি জানো না যে ঘরে প্রাণীর ছবি থাকে, সেখানে ফেরেশতা প্রবেশ করে না? আর যে ব্যক্তি প্রাণীর ছবি আঁকে, তাকে কিয়ামতের দিন শাস্তি দেওয়া হবে? আল্লাহ বলবেন-যখন একে বানিয়েছ, এবার তাকে জীবিত করো।
আবু তালহা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন-
'আমি আল্লাহর রাসূল-কে বলতে শুনেছি- যে বাড়িতে কুকুর আর প্রাণীর ছবি থাকে সেখানে ফেরেশতা প্রবেশ করে না।
আয়িশা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন-
'নবি নিজের ঘরের এমন জিনিসগুলো ভেঙে ফেলতেন, যাতে কোনো প্রাণীর ছবি থাকত।
বুখারি: ৩২২৪
বুখারি: ৩২২৫, ৩৩২২
বুখারি: ৫৯৫২