Iskcon Youth Forum - IYF Cox's Bazar

Iskcon Youth Forum - IYF Cox's Bazar Hare krishna..ISKCON YOUTH FORUM, its A Spiritual university Of Modern Youth (IYF Cox’s bazar)

25/05/2026

🤗🙏

🌸 মীরা — যিনি শ্রীকৃষ্ণকেই নিজের সর্বস্ব মনে করেছিলেন 🌸রাজপ্রাসাদের উঁচু প্রাচীরের ভেতরে জন্ম নেওয়া এক রাজকুমারী যখন পা...
15/05/2026

🌸 মীরা — যিনি শ্রীকৃষ্ণকেই নিজের সর্বস্ব মনে করেছিলেন 🌸

রাজপ্রাসাদের উঁচু প্রাচীরের ভেতরে জন্ম নেওয়া এক রাজকুমারী যখন পায়ে ঘুঙুর বেঁধে শ্রীকৃষ্ণের প্রেমে নিমগ্ন হয়ে নৃত্য করতে শুরু করলেন, তখন শুধু একজন নারী নাচেননি… ভক্তিই যেন পৃথিবীর সব বন্ধন ভেঙে দিয়েছিল।
তিনি ছিলেন — ভক্তশিরোমণি মীরাবাই।

✨ ছোটবেলা থেকেই গিরিধরের প্রেমে মগ্ন
মীরার জন্ম হয়েছিল রাজস্থানের কুড়কি গ্রামে রাঠোর বংশে। ছোটবেলা থেকেই তাঁর মনে শ্রীকৃষ্ণের প্রতি ছিল অপার আকর্ষণ।

কথিত আছে, একদিন কয়েকজন সাধু তাঁদের বাড়িতে এসেছিলেন। তাঁদের কাছে ছিল বালক কৃষ্ণের এক অপূর্ব মূর্তি। ছোট্ট মীরা সেই মূর্তিতে মুগ্ধ হয়ে সেটি চাইতে লাগলেন।

সাধুরা প্রথমে চলে গেলেও রাতে স্বপ্নে নির্দেশ পান যে সেই মূর্তিটি মীরাকেই দেওয়া উচিত। পরদিন তাঁরা ফিরে এসে কৃষ্ণমূর্তিটি মীরার হাতে তুলে দেন।

সেদিনই মীরা তাঁর মাকে জিজ্ঞেস করেছিলেন—
“আমার বর কে হবে?”

মা হেসে কৃষ্ণমূর্তির দিকে ইঙ্গিত করে বলেছিলেন—
“ইনিই তোমার স্বামী।”

সেই মুহূর্ত থেকেই মীরা শ্রীকৃষ্ণকে নিজের সর্বস্ব হিসেবে গ্রহণ করেন।

✨ চিত্তৌড়ের রাজপ্রাসাদ ও মীরার ভক্তি
সময়ের সঙ্গে মীরার বিয়ে হয় চিত্তৌড়ের রাজপুত্র ভোজরাজের সঙ্গে।
কিন্তু মীরা তাঁর সঙ্গে সেই বালক কৃষ্ণের মূর্তিটিও শ্বশুরবাড়িতে নিয়ে যান। কারণ তাঁর কাছে প্রকৃত স্বামী ছিলেন গিরিধর গোপালই।

রাজপ্রাসাদের নিয়ম ছিল অত্যন্ত কঠোর। পর্দা প্রথা, রাজকীয় শৃঙ্খলা ও বংশের মর্যাদা ছিল সবার উপরে।
কিন্তু মীরার মন ছিল না সেই বিলাসে; তাঁর হৃদয় বাস করত মন্দির, ভজন ও কৃষ্ণনামে।

তিনি দিনরাত কৃষ্ণভক্তিতে ডুবে থাকতেন, ভজন গাইতেন, মন্দিরে নৃত্য করতেন এবং সাধু-সন্তদের সঙ্গে সময় কাটাতেন।

✨ বিধবা হয়েও ভাঙেনি প্রেম
কয়েক বছর পর ভোজরাজের মৃত্যু হয়।
রাজপরম্পরা অনুযায়ী আশা করা হয়েছিল, মীরা হয় সতী হবেন, নয়তো সারাজীবন শোকের মধ্যে কাটাবেন।

কিন্তু মীরা বলেছিলেন—
“যাঁর স্বামী স্বয়ং শ্রীকৃষ্ণ, তিনি কীভাবে বিধবা হতে পারেন?”

তিনি সাদা বস্ত্র ত্যাগ করে গেরুয়া ও কেশরিয়া বস্ত্র ধারণ করেন এবং সম্পূর্ণভাবে ভক্তির পথ বেছে নেন।

✨ রাণার ক্রোধ ও মীরার পরীক্ষা
রানা বিক্রমাদিত্য মীরার এই ভক্তি মেনে নিতে পারেননি।
তাঁর কাছে এটি ছিল রাজবংশের অপমান যে এক রাজবাড়ির নারী সাধুদের সঙ্গে বসে ভজন গাইছেন।

মীরাকে থামানোর বহু চেষ্টা করা হয়।
তাঁকে বিষের পেয়ালা পাঠানো হয়, কিন্তু মীরা সেটিকে কৃষ্ণের প্রসাদ ভেবে পান করেন। কথিত আছে, সেই বিষ অমৃতে পরিণত হয়।

একবার ফুলের ঝুড়িতে একটি সাপ পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু মীরা যখন ঝুড়ি খুললেন, সেখানে শালগ্রাম শিলা বিরাজমান ছিল।

প্রতিটি পরীক্ষায় মীরা হাসিমুখে অটল ছিলেন, কারণ তাঁর গিরিধরের প্রতি বিশ্বাস ছিল অটুট।

✨ গুরু রবিদাস ও সামাজিক বিদ্রোহ
মীরা সন্ত রবিদাসকে নিজের গুরু হিসেবে গ্রহণ করেছিলেন।
সেই সময় সমাজে জাতপাতের ভেদাভেদ ছিল প্রবল, কিন্তু মীরা সব সীমা ভেঙে দিয়েছিলেন।

তিনি বলেছিলেন—
“ভগবানের প্রেমে কোনো উঁচু-নিচু নেই, কোনো জাতিভেদ নেই।”

তাঁর ভক্তি শুধু আধ্যাত্মিক ছিল না, এটি ছিল এক সামাজিক বিদ্রোহও।

✨ বৃন্দাবন থেকে দ্বারকা
শেষ পর্যন্ত মীরা রাজপ্রাসাদ ত্যাগ করেন।
হাতে একতারা, গলায় তুলসীমালা আর ঠোঁটে কৃষ্ণনাম নিয়ে তিনি বৃন্দাবনে পৌঁছান।

সেখানে তিনি ভজন গাইতেন—
🌿 “পায়ো জি ম্যায়নে রাম রতন ধন পায়ো…”
🌿 “মেরে তো গিরিধর গোপাল, দুসরো না কোই…”

পরে তিনি দ্বারকায় যান, যেখানে তাঁর মন সম্পূর্ণভাবে শ্রীকৃষ্ণে নিমগ্ন হয়ে যায়।

✨ শ্রীকৃষ্ণে চিরসমর্পণ
কথিত আছে, একদিন দ্বারকাধীশ মন্দিরে ভজন গাইতে গাইতে মীরা কৃষ্ণমূর্তির সামনে দাঁড়িয়ে প্রেমভরে গান গাইছিলেন।

হঠাৎ মন্দিরে এক অলৌকিক আলো ছড়িয়ে পড়ে…
আর যখন মন্দিরের দ্বার খোলা হয়, সেখানে শুধু মীরার ওড়না আর একতারা পড়ে ছিল।

ভক্তদের বিশ্বাস, সেই মুহূর্তেই মীরা তাঁর গিরিধরের সঙ্গে একাত্ম হয়ে গিয়েছিলেন।

🌸 মীরার ভক্তির শিক্ষা 🌸

🔸 সত্যিকারের প্রেম সব বন্ধন ভেঙে দেয়।
🔸 ভগবানের কাছে পৌঁছাতে শাস্ত্র নয়, দরকার নির্মল হৃদয়।
🔸 সমাজের নিয়মের ঊর্ধ্বে আত্মার আহ্বান।
🔸 ভক্তির পথে জাতি, লিঙ্গ বা মর্যাদার কোনো মূল্য নেই।

মীরা পৃথিবীকে শিখিয়েছেন—
যখন প্রেম পূর্ণ আত্মসমর্পণে রূপ নেয়, তখন বিষও অমৃত হয়ে যায়, আর জীবন নিজেই এক ভজন হয়ে ওঠে। 🙏✨

01/05/2026

Melodious kirtan....

🙏🙏
29/04/2026

🙏🙏

ইসকন 'র এক উজ্জ্বল নক্ষত্রের মহাপ্রয়াণ 🙇‍♂️

আমর অত্যন্ত ভারাক্রান্ত হৃদয়ে জানাচ্ছি যে,
শ্রীল প্রভুপাদের অত্যন্ত প্রিয় শিষ্য এবং বিশ্বখ্যাত কীর্তনীয়া, কীর্তন সম্রাট,যার কন্ঠে স্বয়ং সরস্বতী দেবী বিরাজ করতেন - শ্রীপাদ অগ্নিদেব প্রভু গত ২৮শে এপ্রিল ২০২৬,মঙ্গলবার রাত ৮:৩৪ মিনিটে ইউটার সল্টলেক সিটিতে জড় দেহ ত্যাগ করে বৈকুণ্ঠধামে প্রত্যাবর্তন করেছেন

ওঁ দিব্যান্ লোকান্ স গচ্ছতু

​গত ২৬ এপ্রিল রবিবার একটি গুরুতর স্ট্রোকে আক্রান্ত হওয়ার পর তিনি চিকিৎসাধীন ছিলেন। তাঁর শেষ মুহূর্তে কক্ষজুড়ে ভক্তদের সুমধুর কীর্তন ধ্বনিত হচ্ছিল। এমনকি জুমের মাধ্যমে সারা বিশ্বের শতাধিক ভক্ত তাঁর এই অন্তিম যাত্রায় যুক্ত ছিলেন। তাঁর প্রয়াণকালে উপস্থিত ডাক্তার ও নার্সরাও সেই পবিত্র পরিবেশ দেখে বিমোহিত হয়েছিলেন।

​১৯৭৪ সালে শ্রীল প্রভুপাদের নিকট দীক্ষিত হওয়ার পর থেকে তিনি তাঁর জাদুকরী কণ্ঠের কীর্তন ও ভজন দিয়ে কয়েক দশক ধরে আমাদের হৃদয় জয় করে রেখেছেন। তাঁর সুমধুর কণ্ঠের সেই বৈষ্ণব ভজনগুলো আমাদের হৃদয়ে চিরকাল অমর হয়ে থাকবে।

উনার ভজন ও কীর্তন সবাই পছন্দ করতো, কারণ উনি সরল বাংলা সুরে সবসময় গাইতেন।

আমরা তাঁর বৈকুন্ঠ ধামে শ্রীকৃষ্ণ চরণপ্রাপ্তি কামনা করি।

​হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে

পরম পবিত্র শ্রী শ্রী নৃসিংহ চতুর্দশী মহোৎসবের শুভেচ্ছা🙏
28/04/2026

পরম পবিত্র শ্রী শ্রী নৃসিংহ চতুর্দশী মহোৎসবের শুভেচ্ছা🙏

28/04/2026

🍁 🍁শ্রী শ্রী নৃসিংহ চতুর্দশী ব্রত পালনের নিয়ম-

‎🙏নৃসিংহ চতুর্দশী ব্রতের সঙ্কল্প মন্ত্র🙏

‎শ্রীনৃসিংহ মহাভীম দয়াং কুরু মমোপরি । অদ্যাহং তে বিধাস্যামি ব্রতং নিৰ্ব্বিঘ্নতাং নয় ৷৷

‎ হে শ্রীনৃসিংহ! হে মহাভীম! আমার উপর দয়া প্রকাশ করুন, অদ্য আমি আপনার ব্রত আচরণ করিব, নির্বিঘ্নে সম্পূর্ণ করুন।

‎🙏শ্রীনৃসিংহ স্তব/প্রণাম🙏
‎জয় নৃসিংহ শ্রীনৃসিংহ জয় জয় জয় শ্রীনৃসিংহ উগ্রং বীরং মহাবিষ্ণুং জ্বলন্তং সর্বতোমুখম্ । নৃসিংহং ভীষণং ভদ্রং মৃত্যোমৃত্যুং নমাম্যহম্ । শ্রীনৃসিংহ জয় নৃসিংহ জয় জয় নৃসিংহ প্রহ্লাদেশ জয় পদ্মমুখ পদ্মভূঙ্গ ।

‎🪷🪷🪷🪷🪷🪷🪷
‎(৩০এপ্রিল ২০২৬ ) ১৬ই বৈশাখ মাসের শুক্লপক্ষের চতুর্দশী তিথিতে ভক্তবৃন্দ অবশ্যই পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণের অবতার শ্রীনৃসিংহ দেবের পবিত্র আবির্ভাব তিথিতে উপবাস ব্রত ভক্তিভরে পালন করুুন।

‎কেউ এই পবিত্র ব্রতদিন সম্পর্কে জেনেও যদি তা পালন না করেন, তবে চন্দ্রসূর্য যতদিন থাকবে, ততদিন তাকে নরক বাস করতে হবে, একথা স্বয়ং নৃসিংহদেব তাঁর ভক্ত প্রহ্লাদকে বলেছেন।

‎তিনি ভক্ত প্রহ্লাদকে বলেছেন-
‎"-বর্ষে বর্ষে তু কর্তব্যং মমসন্তুষ্টি কারণম।
‎মহাগুহ্যম ইদম্ শ্রেষ্ঠং মানবৈর্ভবভীরুভিঃ।।

‎অর্থাৎ আমার সন্তুষ্টির লক্ষ্যে চতুর্দশী ব্রত কর্তব্য। জন্ম-মৃত্যুময় সংসার ভয়-ভীত মানুষ এই পরম গোপনীয় ও শ্রেষ্ঠ ব্রত পালন করবে।।

‎গোধূলি পর্যন্ত নির্জলা উপবাস থাকতে হবে।
‎নির্জলা থাকতে না পারলে ফল প্রসাদ পেতে পারেন।
‎গোধূলি লগ্নে নৃসিংহদেবকে দুধ, দই, ঘি, মধু, মিছরির জল এবং ফলের রস দিয়ে অভিষেক করাতে পারেন (নৃসিংহদেবের চিত্রপটে অভিষেক করা যাবে)। অভিষেকের পরে নৃসিংহদেবকে ফলমূল, সবজি রান্না করে ভোগ দিয়ে প্রসাদ গ্রহণ করতে পারেন।

‎একাদশীর দিন যে অনুকল্প গ্রহণ করা হয় সেটাই ব্রতের দিন গ্রহণ করা যাবে।

‎কিন্তু ব্রতের দিন অন্ন, রুটি, লুচি, পরোটা গ্রহণ করা যাবে না। তবে অবশ্যই নৃসিংহদেবকে "পনকম্ " নিবেদন করতে পারেন। "পনকম্" হলো শীতল জল, তাল-মিছরি, লেবুর রস এবং আদা দিয়ে তৈরি একরকম পানীয় যা নৃসিংহদেবের অত্যন্ত প্রিয়। ব্রতের দিন সম্ভব হলে নৃসিংহদেবের ১০৮টি নাম পড়ে নৃসিংহদেবের চরণে ১০৮টি তুলসীপাতা চন্দনে মাখিয়ে অর্পণ করতে পারেন। নৃসিংহদেবের ব্রতকথা শ্রবণ করুন।

‎শ্রীমদ্ভাগবতের ৭ (সপ্তম) স্কন্ধের ৮ম অধ্যায় শ্রীনৃসিংহদেবের আবির্ভাব লীলা পাঠ করুন। অথবা শুদ্ধভক্তের নিকট থেকে শ্রবণ করুন। ব্রতের দিন নৃসিংহদেবের প্রণাম মন্ত্র এবং স্তব পাঠ করুন। মনে রাখবেন নৃসিংহদেব অত্যন্ত কৃপালু।তিনি ভক্তের মনোবাসনা অবশ্যই পূরণ করবেন। তিনি অত্যন্ত করুণাময়। তিনি তাঁর ভক্তকে সর্ববিপদ থেকে রক্ষা করেন, যেমন----তাঁর ভক্ত প্রহ্লাদকে রক্ষা করেছিলেন। ব্রতের পর দিন সকালে ভগবানকে অন্ন, বিভিন্ন দ্রব্যাদি রান্না করে ভোগ দিয়ে প্রসাদ গ্রহণ করতে পারেন।

‎শ্রীনৃসিংহদেবের স্তব ও প্রণাম মন্ত্র ---
‎স্তবঃ- ----
‎জয় নৃসিংহ শ্রীনৃসিংহ।
‎জয় জয় জয় শ্রীনৃসিংহ।।
‎উগ্রং বীরং মহাবিষ্ণুং
‎জ্বলন্তং সর্বতোমুখম্।
‎নৃসিংহং ভীষণম ভদ্রং
‎মৃত্যুর্মৃত্যুং নমাম্যহম্।।
‎শ্রীনৃসিংহ, জয় নৃসিংহ, জয় জয় নৃসিং।
‎প্রহ্লাদেশ জয় পদ্মমুখ পদ্মভৃঙ্গ ।।

‎প্রণাম মন্ত্রঃ
‎নমস্তে নরসিংহায় প্রহ্লাদাহ্লাদ দায়িনে।
‎হিরণ্যকশিপো র্বক্ষঃ শিখাটঙ্ক নখালয়ে।।
‎ইতো নৃসিংহঃ পরতো নৃসিংহ
‎যতো যতো যামি ততো নৃসিংহো।
‎বহির্নৃসিংহো হৃদয়ে নৃসিংহো
‎নৃসিংহমাদিং শরণং প্রপদ্যে।।
‎তব কর কমলবরে নখমদ্ভূতশৃঙ্গম্
‎দলিতহিরণ্যকশিপু তনুভৃঙ্গম।
‎কেশব ধৃত-নরহরিরূপ জয় জগদীশ হরে।।

‎🍁শ্রীশ্রী নৃসিংহ দেবের ১০৮ নাম - এটি পাঠ করলে সমস্ত বিপদ থেকে ভগবান শ্রীশ্রী নৃসিংহদেব রক্ষা করবেন।
‎🍁সবাই প্রত্যেকদিন অন্তত একবার পাঠ করবেন।
‎১.ওঁ নরসিংহায় নমঃ
‎২. ওঁ মহাসিংহায় নমঃ
‎৩.ওঁ দিব্যসিংহায় নমঃ
‎৪. ওঁ মহাবলায় নমঃ
‎৫. ওঁ উগ্রসিংহায় নমঃ
‎৬.ওঁ মহাদেবায় নমঃ
‎৭. ওঁ স্তম্ভজায় নমঃ
‎৮. ওঁ উগ্রলোচনায় নমঃ
‎৯. ওঁ রৌদ্রায় নমঃ
‎১০.ওঁ সর্বদ্ভুতায় নমঃ
‎১১.ওঁ শ্রীমানায় নমঃ
‎১২.ওঁ যোগানন্দায় নমঃ
‎১৩.ওঁ ত্রিবিক্রমায় নমঃ
‎১৪.ওঁ হারিণে নমঃ
‎১৫.ওঁ কোলাহলায় নমঃ
‎১৬.ওঁ চক্রিণে নমঃ
‎১৭.ওঁ বিজয়ায় নমঃ
‎১৮.ওঁ জয়বর্ধনায় নমঃ
‎১৯.ওঁ পঞ্চাননায় নমঃ
‎২০. ওঁ পরমব্রহ্মায় নমঃ
‎২১. ওঁ অঘোরায় নমঃ
‎২২. ওঁ ঘোরবিক্রমায় নমঃ
‎২৩. ওঁ জ্বলন্মুখায় নমঃ
‎২৪.ওঁ জ্বলমালিনে নমঃ
‎২৫.ওঁ মহাজ্বলায় নমঃ
‎২৬.ওঁ মহাপ্রভুয়ায় নমঃ
‎২৭.ওঁ নীতিলক্ষায় নমঃ
‎২৮.ওঁ সহস্রাক্ষায় নমঃ
‎২৯.ওঁ দুর্নিরীক্ষায় নমঃ
‎৩০.ওঁ প্রতাপণায় নমঃ
‎৩১.ওঁ মহাদ্রংষ্ট্রায় নমঃ
‎৩২.ওঁ যুদ্ধপ্রজ্ঞায় নমঃ
‎৩৩.ওঁ চন্দ্রকোপিনে নমঃ
‎৩৪.ওঁ সদাশিবায় নমঃ
‎৩৫.ওঁ হিরণ্যকশিপুধ্বংসিনে নমঃ
‎৩৬.ওঁ দৈত্যদানবভঞ্জনায় নমঃ
‎৩৭.ওঁ গুণভদ্রায় নমঃ
‎৩৮.ওঁ মহাভদ্রায় নমঃ
‎৩৯.ওঁ বলভদ্রায় নমঃ
‎৪০.ওঁ সুভদ্রকায় নমঃ
‎৪১.ওঁ করালায় নমঃ
‎৪২.ওঁ বিকরালায় নমঃ
‎৪৩.ওঁ বিকর্তায় নমঃ
‎৪৪.ওঁ সর্বকর্তৃকায় নমঃ
‎৪৫.ওঁ শিশুমারায় নমঃ
‎৪৬.ওঁ ত্রিলোকাত্মায় নমঃ
‎৪৭.ওঁ ঈশায় নমঃ
‎৪৮.ওঁ সর্বেশ্বরায় নমঃ
‎৪৯. ওঁ বিভূয়ায় নমঃ
‎৫০.ওঁ ভৈরবডম্ভরায় নমঃ
‎৫১.ওঁ দিব্যায় নমঃ
‎৫২.ওঁ অচ্যুতায় নমঃ
‎৫৩.ওঁ কবিনে নমঃ
‎৫৪.ওঁ মাধবায় নমঃ
‎৫৫.ওঁ অধোক্ষজায় নমঃ
‎৫৬.ওঁ অক্ষরায় নমঃ
‎৫৭.ওঁ সর্বায় নমঃ
‎৫৮.ওঁ বনমালিনে নমঃ
‎৫৯.ওঁ বরপ্রদায় নমঃ
‎৬০.ওঁ বিশ্বম্ভরায় নমঃ
‎৬১.ওঁ অদ্ভুতায় নমঃ
‎৬২.ওঁ ভব্যায় নমঃ
‎৬৩.ওঁ শ্রীবিষ্ণবে নমঃ
‎৬৪.ওঁ পুরুষোত্তমায় নমঃ
‎৬৫.ওঁ অনঘাস্ত্রায় নমঃ
‎৬৬.ওঁ নখাস্ত্রায় নমঃ
‎৬৭.ওঁ সূর্যজ্যোতিনে নমঃ
‎৬৮.ওঁ সুরেশ্বরায় নমঃ
‎৬৯.ওঁ সহস্রবাহুয়ায় নমঃ
‎৭০.ওঁ সর্বজ্ঞায় নমঃ
‎৭১.ওঁ সর্বসিদ্ধিপ্রদায়কায় নমঃ
‎৭২.ওঁ বজ্রদংষ্ট্রায় নমঃ
‎৭৩..ওঁ বজ্রনখায় নমঃ
‎৭৪.ওঁ মহানন্দায় নমঃ
‎৭৫.ওঁ পরন্তপায় নমঃ
‎৭৬.ওঁ সর্বমন্ত্রৈকরূপায় নমঃ
‎৭৭.ওঁ সর্বযন্ত্রবিদারণায় নমঃ
‎৭৮.ওঁ সর্বতন্ত্রাত্মকায় নমঃ
‎৭৯.ওঁ অব্যক্তায় নমঃ
‎৮০.ওঁ সুব্যক্তায় নমঃ
‎৮১.ওঁ ভক্তবৎসল নমঃ
‎৮২.ওঁ বৈশাখশুক্লদ্ভুত্যায় নমঃ
‎৮৩.ওঁ শরণাগত বৎসলায় নমঃ
‎৮৪.ওঁ উদারকীতির্নে নমঃ
‎৮৫.ওঁ পূণ্যাত্মায় নমঃ
‎৮৬.ওঁ মহাত্মায় নমঃ
‎৮৭.ওঁ চণ্ডবিক্রমায় নমঃ
‎৮৮.ওঁ বেদত্রয়ায় নমঃ
‎৮৯.ওঁ প্রপুজ্যায় নমঃ
‎৯০.ওঁ ভগবানায় নমঃ
‎৯১.ওঁ পরমেশ্বরায় নমঃ
‎৯২.ওঁ শ্রীবৎসাঙ্কায় নমঃ
‎৯৩.ওঁ জগদ্ব্যাপিনে নমঃ
‎৯৪.ওঁ জগন্মায়ায় নমঃ
‎৯৫.ওঁ জগৎ-পালায় নমঃ
‎৯৬.ওঁ জগন্নাথায় নমঃ
‎৯৭.ওঁ মহাখগায় নমঃ
‎৯৮.ওঁ দ্বিরূপভৃতয়া নমঃ
‎৯৯.ওঁ পরমাত্মায় নমঃ
‎১০০.ওঁ পরং জ্যোতিষে নমঃ
‎১০১.;ওঁ নির্গুণায় নমঃ
‎১০২.ওঁ নৃকেশরীণে নমঃ
‎১০৩.ওঁ পরতত্ত্বায় নমঃ
‎১০৪..ওঁ পরমধামায় নমঃ
‎১০৫.ওঁ সচ্চিদানন্দ বিগ্রহায় নমঃ
‎১০৬.ওঁ ধীরায় নমঃ
‎১০৭.ওঁ লক্ষ্মীনৃসিংহায় নমঃ
‎১০৮.ওঁ প্রহ্লাদপালকায় নমঃ

‎ জয় নৃসিংহ দেব ভগবান কি জয় ! 🙏🙏

হরে কৃষ্ণ। আগামীকাল মোহিনী একাদশী। নিজে একাদশী ব্রত পালন করুন এবং অন্যকে উৎসাহিত করুন 🙏
26/04/2026

হরে কৃষ্ণ। আগামীকাল মোহিনী একাদশী। নিজে একাদশী ব্রত পালন করুন এবং অন্যকে উৎসাহিত করুন 🙏

20/04/2026

ব্যস্ত এরিয়াই পাশাপাশি যদি সিড়ি এবং এসকেলেটর থাকে তাহলে আপনি কোনটি ব্যবহার করবেন? এটি বলার অপেক্ষা রাখেনা অধিকাংশ মানুষই এসকেলেটর ব্যবহার করবে। তার জ্বলজ্যন্ত প্রমাণ আমাদের মেট্রোরেল।

সিড়িতে ওঠা কষ্ট, তাই আরামের জন্য এসকেলেটরকেই প্রাধান্য দিবে। আরামেও যাওয়া যাবে, সেই সাথে দ্রুতও যাওয়া যাবে। উন্নত বিশ্বে রাস্তা পারাপারের জন্য সিড়ির পাশাপাশি স্কেলেটর থাকে। এসকেলেটর সাধারণ প্রতিবন্ধী মানুষের জন্যই স্থাপিত হয়। কিন্তু সাধারণ মানুষ নরমাল সিড়ি ব্যবহার না করে এসকেলেটর ব্যবহার করে। কিভাবে মানুষকে সিড়ি ব্যবহারে আগ্রহি করে তোলা যায়?

ভক্সওয়াগনের সহায়তায় ফান থিওরি ডটকম এর অভিনব এক আইডিয়া। ফান কিভাবে মানুষের আচরণে পরিবর্তন ঘটাতে পারে তার বড় এক উদাহরণ হতে পারে এই আইডিয়া। সিড়ি তো নয় যেন আস্ত এক পিয়ানো।

লিডার সবসময় ভাবেন কিভাবে সমস্যা সমাধান করা যায়।
সমস্যা হলে অভিনব কোন পদ্ধতি আবিষ্কার করেন।
হরিবোল।।।

If there are stairs and escalators in a busy area, which one will you use? It goes without saying that most people will use the escalator. Our metro rail is a shining proof of this.

Climbing stairs is difficult, so escalators are preferred for comfort. You can go comfortably and quickly. In the developed world, there are escalators along with stairs to cross the road. Escalators are installed for ordinary disabled people. But ordinary people use escalators instead of normal stairs. How can people be interested in using stairs?

Fun Theory.com has a novel idea with the help of Volkswagen. This idea can be a great example of how fun can change human behavior. It is not a staircase, but a whole piano.

Leaders always think about how to solve problems.
When there is a problem, they invent a novel method.
Haribol...

14/06/2025

ভক্তিজীবনে শ্রবণের গুরুত্ব এবং শক্তি। Importance of Hearing.
শ্রী শ্রীমৎ হলধর স্বামী মহারাজ।

14/01/2025

Very important this 😍 pls listen must🙏

14/01/2025

সবাইকে জানাই শুভ মকর বা পৌষ সংক্রান্তির
কৃষ্ণ প্রীতি শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।

#মকর সংক্রান্তি বা পৌষ সংক্রান্তি

🌿মকর সংক্রান্তি অর্থ হচ্ছে - এখানে মকর শব্দটি মকর রাশিকে বুঝানো হয়েছে। আর সংক্রান্তির অর্থ হচ্ছে সংক্রমণ অর্থাৎ প্রবেশ করাকে বুঝায়।

বৈদিক গণনানুসারে কাল বা সময় গননা হয় দুইভাবে।
১) চন্দ্র মাস গননা
২) সৌর মাস গননা

আর এই সৌর গণনা শুরু হয় সংক্রান্তি দিয়ে। সংক্রান্তি অর্থাৎ সংক্রমণ মানে প্রবেশ করা। সূর্যের প্রবেশ। অর্থাৎ সূর্য যে রাশির মধ্যে প্রবেশ করে সেই রাশির সংক্রান্ত বলা হয়। এমনিতেই সংক্রান্তি ১২ রকমের। কিন্তু ৪ ধরনের সংক্রান্তি বিশেষ মাহাত্ম্য পূর্ণ। তাহলো মেষ, কর্কট, তুলা ও মকর সংক্রান্তি।

মকর সংক্রান্তি বিশেষ মাহাত্ম্য কারন এই দিনে সূর্যদেব দক্ষিণায়ন থেকে উত্তারায়ন হয়। অর্থাৎ সূর্যদেব উত্তরদিকে যাত্রা শুরু করে। এর আগে সূর্যদেব দক্ষিন দিকে যাত্রা শুরু করেছিল এখন উত্তর দিকে যাত্রা শুরু করবে। এভাবে ৬ মাস দক্ষিন দিকে অর্থাৎ দক্ষিণায়ন আর বাকি ৬ মাস উত্তরদিকে অর্থাৎ উত্তরায়ণ।

আর এই উত্তারায়ন বিষয়ে ভগবদগীতায় ৮/২৪ নং শ্লোকে ভগবান শ্রীকৃষ্ণ বলেছেন ---

অগ্নির্জ্যোতিরহঃ শুক্লঃ ষণ্মাসা উত্তরায়ণম্।
তত্র প্রয়াতা গচ্ছন্তি ব্রহ্ম ব্রহ্মবিদো জনাঃ।।

অনুবাদ - ব্রহ্মবিৎ পুরুষগণ অগ্নি, জ্যোতি, শুভদিন, শুক্লপক্ষে ও ছয় মাস উত্তরায়ণ কালে দেহত্যাগ করলে ব্রহ্ম লাভ করেন।

অর্থাৎ মকর সংক্রান্তি থেকে শুরু করে পরের ৬ মাসে যাহারা দেহত্যাগ করবেন তারা উচ্চলোকে প্রবেশ করেন। আর দক্ষিণায়নে ৬ মাস যারা দেহত্যাগ করবেন তারা নিম্নলোক প্রাপ্ত হোন। মহাভারতে আমরা দেখি যুদ্ধ শেষ হওয়ার পরেও ভীষ্মদেব তার মৃত্যুর জন্যে উত্তারায়নকে বেছে নিয়েছেন।

তবে প্রতিটি নিয়মের একটি অপবাদ আছে। এই সমস্ত কর্মকান্ডীয় নিয়ম তাদের জন্যেই যারা ভগবানের ভক্ত না। যারা কৃষ্ণের নিকট আত্মসমর্পণ করেছেন বা যারা কৃষ্ণ ভক্ত তাদের জন্যে এই উত্তারায়ন বা দক্ষিনায়ন যেকোন সময় দেহ ত্যাগ করলে তাদের গতি কৃষ্ণলোকে ও ভগব্দধামে হয়। কারন ভক্তরা সবসময় ভগবানের চিন্তা আর স্মরন করে থাকে। সেজন্যে ভগবদগীতায় ৮/৫ নং শ্লোকে বলেছেন --

অন্তকালে চ মামেব স্মরন্মুক্তা কলেবরম্।
যঃ প্রয়াতি স মদ্ভাবং যাতি নাস্ত্যত্র সংশয়ঃ।।
অনুবাদ - মৃত্যুর সময় যিনি আমাকে স্মরণ করে দেহত্যাগ করেন, তিনি তৎক্ষনাৎ আমার ভাবই প্রাপ্ত হন। এই বিষয়ে কোন সন্দেহ নেই।

অর্থাৎ যে ব্যক্তি পূর্নরূপে ভগবানের শরনাগত হবে না তাদের জন্যে এই উত্তারায়ন ও দক্ষিণায়নের নিয়মগুলো।

আমাদের পৃথিবী ১ বছরে সূর্যের চারপাশে একবার ঘুরে সম্পূর্ণ করে। আর একে বলে এক সৌর বছর। কিন্তু দেবতাদের গননা অনুসারে আমাদের এক বছর দেবতাদের এক দিন অর্থাৎ ২৪ ঘন্টা। দেবতারা পৃথিবী সময়ানুযায়ী এক বছরে একবার সূর্যের পরিক্রমা করে। আর দেবতাদের ২৪ ঘন্টার মধ্যে ১২ ঘন্টা দিন আর ১২ ঘন্টা রাত হয়। আমাদের পৃথিবীর ৬ মাস আর দেবতাদের ১২ ঘন্টার সমান। আর দেবতাদের যে দিন শুরু হয় তা শুরু হয় এই মকর সংক্রান্তির দিনে। দেবতারা এই সময় স্নান দান ইত্যাদি পুণ্য কাজ করে থাকে। তাই এই দিনে সকলেই গঙ্গা স্নান, দান, আর ভগবানের উদ্দেশ্যে পূন্য কাজগুলো করে থাকে। বিশেষ করে দেবতারা ধ্যান করে থাকে ভগবানের। এই সময় খল মাস সমাপ্ত হয় আর মঙ্গলমাস শুরু হয়ে থাকে। এই খল মাসে কোন মাঙ্গলিক কাজ করে থাকে না। এই মকর সংক্রান্তি থেকে সমস্ত রকম শুভ মাঙ্গলিক কর্ম শুরু হয়ে থাকে।

আর এই সংক্রান্তিতে ভগবানকে বিভিন্ন রকম পিঠা, পায়েস বিশেষ করে খিচুড়ি ভোগ লাগানো হয়। এই দিনে এই উপমহাদেশে বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্ন অনুষ্ঠান পালন করে থাকে।
# # ভারতে উত্তর প্রদেশে এই দিনে বিভিন্ন প্রকার খিচুড়ি রান্না করে থাকে আর তারা একে খিচুড়ি উৎসব বলে থাকে। তার সূর্যদেবের পূজা করে থাকে আর সূর্যদেবকে বিভিন্ন প্রকার চাল, ডাল দিয়ে সুস্বাধু খিচুড়ি ভোগ লাগানো হয়ে থাকে।

# # গুজরাট আর রাজস্থানে তারা ঘুড়ি উড়িয়ে থাকে। তারা একে ঘুড়ি উৎসব বলে থাকে। আর তারা গজা ও পিঠা করে থাকে।

# # অন্ধ্রপ্রদেশে তিন দিন ধরে এই উৎসব করে থাকে।

# # তামিলনাড়ুতে নতুন ফসলের ধানের চাল দিয়ে দুধ ও ঘি দিয়ে একরম পায়েশ রান্না করে থাকে যাকে পোঙ্গল বলা হয়ে থাকে৷ আর ডাল চাল দিয়ে খিচুড়ি রান্না করে থাকে।

# # মহারাষ্ট্রের লোক তিলের তৈরি লাড্ডু বানিয়ে তারা একজন আরেকজনকে খাইয়ে দেয় আর শুভকামনা করে থাকে।

# # পাঞ্জাবে এক দিন আগে রাতে বিভিন্ন সংস্কৃতি অনুষ্ঠান করে ধুমধাম করে এই উৎসব করে থাকে।

# # পশ্চিমবঙ্গে হুগলি নদীর তটে গঙ্গা সাগর মেলা হয়ে থাকে। এই মকর সংক্রান্তি দিনেই ভগীরথের পিছনেই গঙ্গা মাতা তার পূর্বপুরুষদের উদ্ধার করে থাকেন। আর এই গঙ্গা মাতা সাগরের সাথে মিশে যায়। তাই এই দিনে সবাই গঙ্গা স্নান সম্পূর্ন করে থাকে আর পিতৃপুরুষদের উদ্দেশ্যে তর্পন করে থাকে। আর সূর্যদেবের পূজা করে থাকে।

# # বাংলাদেশে প্রতিটি গ্রামে এই সংক্রান্তিতে পিঠা উৎসব করে থাকে।

যেহেতু এটা ঋতু পরিবর্তন সময়, ফসল পাকানোর সময়, তাই নতুন ঋতু ফসল বিভিন্ন বস্তুতে সূর্যের সরাসরি প্রভাব পড়ে থাকে। সূর্যের যে প্রকাশ, দীপ্ত, উজ্জ্বলতা এই সূর্যদেব মকর সংক্রান্তি দিন সংক্রমণ করে শুভ উত্তারায়ণের আরম্ভ করে থাকে। দেবতারা দিনের শুরু করে থাকে, যাতে আমাদের সকলের জন্য এক শুভ মাঙ্গলময় দিন শুরু করতে পারি।

তবে এই মকর সংক্রান্তিতে সবচেয়ে মাহাত্ম্যপূর্ণ ও গুরুত্বপূর্ণ জিনিস হলো যাকে কেন্দ্র করে এই মকর সংক্রান্তি সেই সূর্যদেবকে নিয়ে আমরা জানব।
ব্রহ্মসংহিতায় ব্রহ্মা বলেছেন সমস্ত গ্রহের মধ্যে রাজা এই সূর্যদেব। আর এই সূর্য হচ্ছে ভগবানের চোখ। আর এই সূর্যদেব যার আজ্ঞায় এই সময়ের যে ব্যবস্থাপনা করে থাকে সেই ভগবান গোবিন্দকে আমি প্রণাম করে থাকি। অর্থাৎ সূর্যদেব ভগবানের আজ্ঞায় তার নিজের কার্য প্রনালি করে থাকে। আর কিভাবে করে থাকে?? এই সূর্যদেব একদিনেও ছুটি নিয়ে থাকে না। আমরা কখনই দেখিনি সূর্যদেব একদিনেও সূর্য প্রকাশ না দিতে৷ ঠিক সময় সূর্য প্রকাশ হয়। ঠিক সময় উদয় আর ঠিক সময় অস্ত হয়। এক কর্মযোগীর মতো সবসময় নিরন্তর এই বিশ্বব্রহ্মান্ডে প্রকাশিত করার দায়

Address

Radha Dhamodar Temple, Gonar Para Cox's Bazar
Cox's Bazar
4700

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Iskcon Youth Forum - IYF Cox's Bazar posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to Iskcon Youth Forum - IYF Cox's Bazar:

Share