IBI Tawhid Media

IBI Tawhid Media শিরক ও বিদায়াত দুর করে, মুসলিমদেরকে ঐক্যবদ্ধ করে, তাওহিদের মাধ্যমে খিলাফত প্রতিষ্ঠা করা আমাদের লক্ষ্য

রুকইয়াহ কী? কিভাবে করা হয়?রুকইয়ার নামে তাবিজ তুমার ব্যবহার করে শিরকে জড়িয়ে পড়ছেন না তো?রুকইয়াহ অর্থ হলো ঝাড়ফুঁক,ইস...
29/04/2026

রুকইয়াহ কী?
কিভাবে করা হয়?
রুকইয়ার নামে তাবিজ তুমার ব্যবহার করে শিরকে জড়িয়ে পড়ছেন না তো?

রুকইয়াহ অর্থ হলো ঝাড়ফুঁক,
ইসলামে ঝাড়ফুঁক-কে রুকইয়াহ বলে।
আর রুকইয়াহ শারইয়্যাহ মানে শরিয়াত সম্মত ঝাড়ফুঁক, কোরআনের আয়াত অথবা হাদিসে বর্ণিত দোয়া দ্বারা ঝাড়ফুঁক করাকেই রুকইয়াহ বলে।

এই ঝাড়ফুঁক সরাসরি কারো ওপর হতে পারে, অথবা কোনো পানি বা খাদ্যের ওপর করে সেটা খাওয়া অথবা ব্যাবহার করা হতে পারে। এক্ষেত্রে রুকইয়ার পানি, অথবা রুকইয়ার গোসল ইত্যাদি পরিভাষা ব্যবহার হয়।

রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “রুকইয়াতে যদি শিরক না থাকে, তাহলে কোনো সমস্যা নেই।” (সহীহ মুসলিম, হাদিস নং ৫৫৪৪)।

* ফিক্বহী বিধানঃ ফক্বিহদের মতে রুকইয়াহ বৈধ হওয়ার জন্য ৪টি শর্ত পূরণ হওয়া আবশ্যক, যথা-
১. এতে কোন শিরক বা কুফরির সংমিশ্রণ না থাকা।
২. ঝাড়ফুঁকের নিজের কোন সক্ষমতা আছে; এমন কোন বিশ্বাস না রাখা। বরং বিশ্বাস করা, আল্লাহর ইচ্ছাতেই এর প্রভাব হয়, আল্লাহর হুকুমেই এর দ্বারা আরোগ্য হয়।
৩. এখানে পাঠ করা আয়াত ও দোয়াগুলো স্পষ্ট, সহিহশুদ্ধ আরবি ভাষায় হওয়া।
৪. যদি অন্য ভাষায় হয়, তবে এমন হওয়া; যার অর্থ স্পষ্টভাবে বোঝা যাবে।

* রুকইয়া যেভাবে করা হয়ঃ বিভিন্ন ভাবে রুকইয়া করা হয়, যেমনঃ দোয়া বা আয়াত পড়ে ফুঁ দেয়া হয়, মাথায় বা আক্রান্ত স্থানে হাত রেখে দোয়া/আয়াত পড়া হয়। এছাড়া পানি, তেল, খাদ্য বা অন্য কিছুতে দোয়া অথবা আয়াত পড়ে ফুঁ দিয়ে খাওয়া এবং ব্যাবহার করা হয়, ইত্যাদি।

* উপকার পাওয়ার পূর্বশর্তঃ রুকইয়া করে উপকার পেতে তিনটি জিনিসের প্রয়োজন।
১. নিয়্যাত (কেন রুকইয়া করছেন, সেজন্য নির্দিষ্টভাবে নিয়াত করা)
২. ইয়াক্বিন (এব্যাপারে ইয়াকিন রাখা যে, আল্লাহর কালামে শিফা আছে)
৩. মেহনত (অনেক কষ্ট হলেও, সুস্থ হওয়া পর্যন্ত ধৈর্য ধরে রুকইয়া চালিয়ে যাওয়া)।

* বিঃ দ্রঃ রুকইয়ার ফায়দা ঠিকমতো পাওয়ার জন্য দৈনন্দিনের ফরজ অবশ্যই পালন করতে হবে, পাশাপাশি সুন্নাতের প্রতিও যত্নবান হতে হবে। যথাসম্ভব গুনাহ থেকে বাঁচতে হবে। (মেয়েদের জন্য পর্দার বিধানও ফরজ) ঘরে কোনো প্রাণীর ছবি / ভাস্কর্য রাখা যাবেনা। আর সুরক্ষার জন্য সকাল-সন্ধ্যার মাসনুন আমলগুলো অবশ্যই করতে হবে। গান, বাদ্য ও অশ্লীলতা থেকে বেঁচে থাকতে হবে।

স্বামীর প্রতি স্ত্রীর সন্মান প্রদর্শন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কেননা এই মর্যাদার কথা ইসলাম নিজে ঘোষণা করেছে। প্রিয় নবী (ﷺ) ...
23/04/2026

স্বামীর প্রতি স্ত্রীর সন্মান প্রদর্শন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কেননা এই মর্যাদার কথা ইসলাম নিজে ঘোষণা করেছে।

প্রিয় নবী (ﷺ) বলেছেন, ‘‘স্ত্রীর জন্য স্বামী তার জান্নাত অথবা জাহান্নাম।’’[১]

‘‘যদি আমি কাউকে কারো জন্য সিজদা করতে আদেশ করতাম, তাহলে নারীকে আদেশ করতাম, সে যেন তার স্বামীকে সিজদা করে।’’[২]

‘‘স্ত্রীর কাছে স্বামীর এমন অধিকার আছে যে, স্ত্রী যদি স্বামীর দেহের ঘা চেঁটেও থাকে তবুও সে তার যথার্থ হক আদায় করতে পারবে না।’’[৩]

‘‘মহিলা যদি নিজ স্বামীর হক (যথার্থরূপে) জানতো, তাহলে তার দুপুর অথবা রাতের খাবার খেয়ে শেষ না করা পর্যন্ত সে (তার পাশে) দাঁড়িয়ে থাকতো।’’[৪]

‘‘তাঁর শপথ যাঁর হাতে মুহাম্মাদের প্রাণ আছে! নারী তার প্রতিপালকের হক ততক্ষণ পর্যন্ত আদায় করতে পারে না, যতক্ষণ পর্যন্ত না সে তার স্বামীর হক আদায় করেছে। সওয়ারীর পিঠে থাকলেও যদি স্বামী তার মিলন চায় তবে সে বাধা দিতে পারবে না।’’[৫]

‘‘দুই ব্যক্তির নামায তাদের মাথা অতিক্রম করে না (কবুল হয় না) ; সেই ক্রীতদাস যে তার প্রভুর নিকট থেকে পলায়ন করেছে, সে তার নিকট ফিরে না আসা পর্যন্ত এবং যে স্ত্রী তার স্বামীর অবাধ্যাচরণ করেছে, সে তার বাধ্য না হওয়া পর্যন্ত (নামায কবুল হয় না।)’’[৬]

স্বামী যখন তার স্ত্রীকে নিজ বিছানার দিকে আহ্ববান করে তখন যদি স্ত্রী না আসে, অতঃপর সে তার উপর রাগান্বিত অবস্থায় রাত্রি কাটায়, তবে সকাল পর্যন্ত ফিরিশ্তাবর্গ তার উপর অভিশাপ করতে থাকেন।’’ অন্য এক বর্ণনায় ‘‘যতক্ষণ পর্যন্ত না স্বামী তার প্রতি সন্তুষ্ট হয়েছে, ততক্ষণ পর্যন্ত ফিরিশ্তা তার উপর অভিশাপ করতে থাকেন।’’[৭]

‘‘রমণী তার পাঁচ ওয়াক্তের নামায পড়লে, রমযানের রোযা পালন করলে, ইজ্জতের হিফাযত করলে ও স্বামীর তাবেদারী করলে জান্নাতের যে কোন দরজা দিয়ে ইচ্ছামত প্রবেশ করতে পারবে।[৮]

‘‘শ্রেষ্ঠ রমণী সেই, যার প্রতি তার স্বামী দৃকপাত করলে সে তাকে খোশ করে দেয়, কোন আদেশ করলে তা পালন করে এবং তার জীবন ও সম্পদে স্বামীর অপছন্দনীয় বিরুদ্ধাচরণ করে না।’’[৯]

স্বামীর আনুগত্য স্ত্রীর জন্য আল্লাহ ও তদীয় রসূলের আনুগত্য। সুতরাং স্বামীকে অসন্তুষ্ট বা অমর্যাদা করা চলবে না, মনে রাখতে হবে স্বামীকে সন্তুষ্ট করলে আল্লাহ সন্তুষ্ট হন।

রেফারেন্সঃ
১] (ইবনে আবী শাইবাহ ,নাসাঈ, তাবারানী, হাকেম , প্রভৃতি, আদাবুয যিফাফ ২৮৫পৃঃ)
[২] (তিরমিযী, মিশকাতুল মাসাবীহ ৩২৫৫নং)
[৩] (হাকেম , ইবনে হিববান, ইবনে আবী শাইবাহ , সহীহুল জামে ৩১৪৮ নং)
[৪] (ত্বাবারানী, সহীহ আল-জা-মিউস সাগীর অযিয়াদাতুহ ৫২৫৯নং)
[৫] (ইবনে মাজাহ, মুসনাদে আহমদ, ইবনে হিববান , আদাবুয যিফাফ ২৮৪পৃঃ)
[৬] (ত্বাবারানী, হাকেম , আস-সিলসিলাতুস সহীহাহ ২৮৮নং)
[৭] (বুখারী, মুসলিম, আবু দাঊদ, মুসনাদে আহমদ, প্রভৃতি, আদাবুয যিফাফ ২৮৩পৃঃ)

৮] (ত্বাবারানী, ইবনে হিববান, সহীহ, মুসনাদে আহমদ, প্রভৃতি, মিশকাতুল মাসাবীহ ৩২৫৪নং)

[৯] (আস-সিলসিলাতুস সহীহাহ ১৮৩৮নং)

জরুরী নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ⬇️আসসালামু আলাইকুম। "শান্তিনগর জামে মসজিদ" এর জন্য একজন যোগ্য ও অভিজ্ঞ আলেম/ইমাম নিয়োগ দেওয়া হবে। ...
18/04/2026

জরুরী নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ⬇️

আসসালামু আলাইকুম। "শান্তিনগর জামে মসজিদ" এর জন্য একজন যোগ্য ও অভিজ্ঞ আলেম/ইমাম নিয়োগ দেওয়া হবে।

📌 পদের নাম: পেশ ইমাম ও খতিব।

✅ যোগ্যতা:
স্বীকৃত বোর্ড থেকে দাওরায়ে হাদিস বা কামিল সম্পন্ন।

* হাফেজে কুরআন ও শুদ্ধ তিলাওয়াত আবশ্যক।
* ইসলামের মৌলিক বিষয়ে বিস্তারিত ধারণা থাকতে হবে এবং হালাল হারাম ও শিরক বিদআত সম্পর্কে সঠিক জ্ঞান থাকতে হবে।
* সমাজ পরিবর্তনের লক্ষ্যে যুবক ও মুরুব্বিদের মাঝে দাওয়াতি কাজের আন্তরিক অভ্যাস, জ্ঞান ও বাস্তব অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।
* উত্তম নৈতিক চরিত্র ও সুন্নতের পাবন্দ হতে হবে।

💰 বেতন ও সুবিধা: আলোচনা সাপেক্ষে কোয়ালিটি ও অভিজ্ঞতা অনুযায়ী ১২০০০-১৫০০০ টাকা (থাকা ও খাওয়ার সুব্যবস্থা থাকবে)

মাসিক ছুটির ব্যবস্থা থাকবে।

যোগাযোগ: 01821-680007 নাম্বারে কল না দিয়ে হোয়াটসঅ্যাপে সার্টিফিকেট ও সিভি পাঠিয়ে ভয়েস দিবেন।

আমরা আপনার সাথে যোগাযোগ করব ইনশাআল্লাহ।

মসজিদের ঠিকানা - শান্তিনগর, রাস্তারমাথা, চরকাঁকড়া ৯ নং ওয়ার্ড, কোম্পানীগঞ্জ, নোয়াখালী

13/04/2026

হে আল্লাহু এই মোহান নেতাদের কথা কে সত্য প্রমাণিত করুন,
এই জুলুমতন্ত্রের অবসান করে এই বাংলার মাটিতে ইসলামী ইমারাহ প্রতিষ্ঠা করুন।

13/04/2026

কারা কারা সাহাবাগিদের কাছে বলদ হতে চাও।

আকীদা কী? আকিদা হলো ইসলামের মৌলিক বিশ্বাস বা মূল ভিত্তি বা ইমান, যা আরবি 'আকাদা' (দৃঢ়ভাবে বাঁধা) শব্দ থেকে এসেছে; এটি আ...
25/02/2026

আকীদা কী?
আকিদা হলো ইসলামের মৌলিক বিশ্বাস বা মূল ভিত্তি বা ইমান, যা আরবি 'আকাদা' (দৃঢ়ভাবে বাঁধা) শব্দ থেকে এসেছে; এটি আল্লাহ, ফেরেশতা, আসমানী কিতাব, রাসূলগণ, আখিরাত ও তাকদীরের ওপর দৃঢ় বিশ্বাসকে বোঝায়, যা মানুষের চিন্তা-চেতনা ও কর্মকে পরিচালিত করে, যেমন একটি ভবনের ভিত্তির মত যা ছাড়া ভবন নড়বড়ে, তেমনি আকিদা বা ইমানের মৌলিক জ্ঞান ছাড়া ঈমান পূর্ণতা পায় না।

আকিদার গুরুত্ব :
এটি ইসলামের মূল ভিত্তি এবং ঈমানের ভিত্তি, যা ছাড়া মুসলমানের ধর্ম অসম্পূর্ণ। সঠিক আকিদার ওপর ভিত্তি করেই মানুষের জীবনের গতিপথ নির্ধারিত হয়।
যেমন আকিদার পরিপূর্ণ জ্ঞান না থাকায় মানুষ জীবনের সকল ক্ষেত্রে আল্লাহর গোলামী না করে বান্দার গোলামী করে, আল্লাহর বিধান বাস্তবায়নের চেস্টা না করে বান্দার তৈরি বিধান বাস্তবায়ন এর পিচনে জিবন অতিবাহিত করে যা স্পষ্ট কুফরি,

আকিদা ও ঈমানের সম্পর্ক :
আকিদা ও ঈমান প্রায় একই অর্থ বহন করে, তবে আকিদা ঈমানের বিস্তারিত ও সুদৃঢ় রূপকে বোঝায়, যা অন্তরে গভীরভাবে প্রোথিত থাকে।

উপরের বক্তব্য অনুযায়ী এদেশের ৯০% মুসলমানদের মধ্যে ৮০% এর আকিদা বা ইমানের সঠিক জ্ঞান নেই,
যেমন মানুষ নিজেকে ইমানদার দাবি করে কিন্তু ইমান কুফরের পার্থক্য বুজেনা, আল্লাহর তাওহীদ এর জ্ঞান নেই, তাগুত চিনেনা, তাগুতের জ্ঞান নেই, ঈমানের রুকন, শর্ত ও ঈমান ভঙ্গের কারণ কারণগুলো সম্পর্কেও বেখবর।

* তাই গণতান্ত্রিক ধোকার রাজনীতিকে জিহাদ মনে করে,
* সেকুলার রাজনীতি করেও নিজেকে জান্নাতি মনে করে,
* আহলুল হাদীস দাবি করা ব্যক্তিটাও সেকুলার রাজনীতির অংশ হয়ে পড়ে,
* সিনেমার অভিনেতা হয়েও জান্নাত আশা করে,

তাই পরিশেষে বলা যায় এদেশের অধিকাংশ মুসলমান্দের ইমান আকিদার ঠিক নেই, আর এর আমূল পরিবর্তন যতদিন না হবে ততদিন এদেশে ইসলাম কায়েমের পথ কঠিন হবে।

তাই আসুন এই রমাদান কে কাজে লাগায়, আকিদার পরিশুদ্ধতার জন্য উদ্যেগ গ্রহণ করি,

আকিদা সম্পর্কিত কয়েকটি বই
১/ কালিমা তাইয়্যেবা - মাওলানা আব্দুর রহিম রহ,
২/ তাওহীদের কালিমা - শায়খ হারিস আন-নাযযারী রহ
৩/ আকিদা আত-তাওহীদ - শায়খ সালেহ আল উসাইমিন হাফি,
৪/ ইসলামি আকিদা - ডক্টর আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর রহিমাহুল্লাহ

Imtiaz Bin Ismail

বিধবা নারীদের সংকট উত্তরণে বিস্তারিত আলোচনা
16/08/2025

বিধবা নারীদের সংকট উত্তরণে বিস্তারিত আলোচনা

ছবিতে দাড়ি, টুপি ও জুব্বা পরা লোকদের দেখে সবাই ভাবছেন এরা পাক্কা মুসলিম। এরা নিশ্চয়ই কোনো বড় আলেম-ওলামা, তাই না?না, এরা ...
15/08/2025

ছবিতে দাড়ি, টুপি ও জুব্বা পরা লোকদের দেখে সবাই ভাবছেন এরা পাক্কা মুসলিম। এরা নিশ্চয়ই কোনো বড় আলেম-ওলামা, তাই না?
না, এরা কোনো আলেম ওলামা নন। আর না, এরা কোনো মুসলিম ও না। এরা সম্পূর্ণ আলাদা ধর্মের অনুসারী। এদের বিশ্বাস ও ইবাদত মুসলমানদের হতে সম্পূর্ণ ভিন্ন।

এদের সম্পর্কে না জানা থাকলে আমরা সবাই বিভ্রান্ত হতে পারি।

আসুন, আমরা এদের সম্পর্কে জানি। নিজেরা সতর্ক হই। অন্যকে সতর্ক করি। নাহয় যেকোনো সময় আমরা ঈমান হারা হতে পারি।

বাহাই নামে একটা ধর্ম আছে এটা সম্পর্কে কে কে জানেন? আজিজ মোহাম্মাদ বাহাই (ভাই) নাম শুনেছেন? বাংলাদেশে এই ধর্মের অনুসারী লাখের ওপরে! এই ধর্মের নবী বাহাউদ্দ্বীন এর জন্ম ইরানে। এরা মুসলমান রূপ ধরে চলে। যদিও এদের উপাসনালয় আলাদা। ঢাকার সার্কিট রোডে বাহাই সেন্টার আছে (শান্তিনগর কর্নফুলি মার্কেটের পিছনে)। এদের কিন্তু কলেজ ও আছে।
এরা কাফের ও জাহান্নামী।

বাহাই ধর্মে ভ্রান্ত আকিদা ও মতবাদ
১. বাহাউল্লাহ ইসলামী শরীয়তকে রহিত বলে ঘোষণা করেছেন। তার রচিত ধর্মগ্রন্থের নাম কিতাব ই আকদাস বা কিতাবে ঈক্কান। বাহাই ধর্ম মতে কিতাবে ঈক্কান একটি আসমানী গ্রন্থ।
২. তারা ইসলামের মৌলিক বিধান হাশর নাশর, জান্নাত জাহান্নাম, হজ্ব, যাকাত ইত্যাদিকেও অস্বীকার করে।
৩. বাহাউল্লাহর দাবি মোতাবেক তিনিও অবতার রূপে খোদা। তার লেখা ও বানী ঐশী তুল্য।
৪. মির্যা আলী মুহাম্মদ বাব হলেন ইমাম মাহাদি ও ঈসা মসীহ।
৫. শ্রীকৃষ্ণ, গৌতম বুদ্ধ এরাও ঈশ্বরের অবতার বা নবী।
৬.পৃথিবীর সব ধর্ম ও মতবাদই আল্লাহ প্রদত্ত ধর্ম বা দ্বীন।
৭. তাদের বিশ্বাস মতে নবুয়্যাতের দরজা বন্ধ হয়ে যায়নি। যুগে যুগে আরো নবী আসবেন।
৮. বায়তুল্লাহর জিয়ারতকে বাহাই ধর্মে রহিত করে ইসরাইলে আকা হলো তাদের তীর্থস্থান। বাহাই ধর্মমতে বছরে ৯ দিন ইসরাইলের “ইউনিভার্সাল হাউজ অফ জাস্টিস” মন্দিরে তীর্থ করতে যাওয়া বাহাইদের জন্য ফরজ।
৯. তাদের বিশ্বাস পৃথিবীর সব জিনিসই পবিত্র।
১০. পৃথিবীর সব খাবারই জায়েজ।
১১. বীর্যপাত ঘটলে কেউ অপবিত্র হয়না।
১২. বাহাউল্লাহর মতে দুটো ও তার পুত্র আব্দুল বাহার মতে একাধিক বিবাহ নিষিদ্ধ।
১৩. ভিন্ন ধর্মালম্বীদের বিবাহ করা বৈধ।
১৪. বাহাইরা পরস্পর সাক্ষাতে আল্লাহ আবহা বলবে।
১৫. বাহাই মেয়েরা পিতার সম্পত্তি পাবেনা।
১৬. বাহাই ধর্মে ১৯ দিনে মাস, ১৯ মাসে বছর, ২১ মার্চ হলো বাহাই নববর্ষ।
১৭. বছরে ৫দিন তাদের নিকট অত্যন্ত বরকতময়।
১৮. বাহাই ধর্মে পিতার স্ত্রী ছাড়া সকলকে বিবাহ করা জায়েজ। বোন, খালা, ফুফু, দুধ মা, মেয়ে ও নাতনী সহ সবাইকে বিবাহ করা জায়েজ। (কিতাবুল আকদাসঃ২৩৫)
১৯. বাহাই ধর্মে অন্যরকম ভাবে নামাজ আদায় করা হয়। তারা ৩ ওয়াক্ত ৯ রাকআত নামাজ পড়ে।তিন ওয়াক্ত না পড়লেও চলবে তবে এক ওয়াক্ত পড়া ফরজ।
২০. এই ধর্মে নবী ৯ জন। যথা – ইব্রাহীম, কৃষ্ণ, গৌতম, মুসা, বুদ্ধ, যরথ্রুষ্ট, যিশু, মুহাম্মদ, মির্যা আলী মুহাম্মদ বাব ও বাহাউল্লাহ।
২১. বাহাই ধর্মে নির্দিষ্ট কোনো কালেমা নেই। কেবল বাহাউল্লাহর উপর বিশ্বাস করলেই বাহাই বলে সাব্যস্ত হবে।
২২. বাহাইদের ধর্ম মতে জিহাদ নিষিদ্ধ।
২৩. বাহাউল্লাহর কবরের দিকে মুখ করে প্রার্থনা করতে হবে।
২৪. তালাক ছাড়াই একজন স্ত্রী তার স্বামী পরিবর্তন করতে পারবে।

সুতরাং বাহাই ধর্মালম্বীরা ইসলাম ধর্মের কোনো অংশ নয়। কাদিয়ানীদের মত তারাও কাফের।

বাহাই দের সবচে বড় প্রতিষ্ঠান Olympic বাংলাদেশে- অলিম্পিক কলম, বিস্কুট মনে পড়ে?।

| হাসিল না দিলে কি কুরবানি কবুল হবে? |.০৫ আগস্ট ২০১৯ এ দৈনিক যুগান্তরে প্রকাশিত একটি অনুসন্ধানি প্রতিবেদন অনুযায়ী ২০১৬-১...
03/06/2025

| হাসিল না দিলে কি কুরবানি কবুল হবে? |.

০৫ আগস্ট ২০১৯ এ দৈনিক যুগান্তরে প্রকাশিত একটি অনুসন্ধানি প্রতিবেদন অনুযায়ী ২০১৬-১৮ তিন বছরে ঢাকার দুই সিটি কর্পোরেশন কুরবানির হাট ইজারা বাবদ পেয়েছে ৫৭ কোটি টাকা। ইজারাদাররা প্রদত্ত তথ্যমতে হাসিল আদায় করেছেন ২৩৬ কোটি টাকা। প্রদত্ত তথ্য অনুযায়িই আদায়কৃত হাসিল ইজারা মূল্যের চেয়ে প্রায় পাঁচ গুণ। এই টাকাগুলো যাবে হাতে গোণা কয়েকজন মানুষের পকেটে, যারা ইতিমধ্যেই হয়তো অর্থ রাখার জায়গার অভাবে সুইস ব্যাংকে গোপন একাউন্ট খুলে বসে আছে। কিন্তু একজন গরু লালনপালনকারী, কিংবা ব্যবসায়ীর কাছে ৫% মূল্য অনেক বড় কিছু। এটা তার গোটা ব্যবসাটাকে অন্য স্তরে নিয়ে যেতে পারে।

এই পঞ্চাশ ষাট কোটি টাকা সরকারের কাছে তেমন বেশি কিছু হওয়ার কথা না, কিন্তু এই চাঁদাবাজিটা বন্ধের ব্যবস্থা গ্রহণ করলে তাতে সরকারের প্রাপ্তি এর চেয়ে হাজারগুণ বেশি হবে বলে আমরা মনে করি।....

ধর্মীয় দিক থেকে দেখলে, কুরবানির হাটের হাসিল সংক্রান্ত বিষয়ে ঘাটাঘাটি করতে গিয়ে অনলাইনে প্রায় সবজায়গাতে একটি ফতোয়াই দেখতে পাওয়া যায়। ফতোয়াটি দেশের প্রখ্যাত ও নির্ভরযোগ্য প্রতিষ্ঠান থেকে দেওয়াও বটে। সেখানে হাসিল না দিলে কুরবানী জায়েয হবে বলা হলেও হাসিলকে হাটওয়ালার হক বলা হয়েছে, যা প্রদান না করাকে হক নষ্ট করার সাথে সম্পৃক্ত করা হয়েছে এবং গুনাহগার হওয়ার কথা বলা হয়েছে। হ্যাঁ বুঝলাম, ইজারাদার টাকা দিয়ে ইজারা নিয়েছেন তাই এটা তার হক। কিন্তু এই হক্বটার প্রতিষ্ঠার সাথে যে সামগ্রিক জুলুমের সম্পর্ক রয়েছে সেকথা কে বলবে?

আমরা ভুলে গিয়েছি যে এই হাটটা পাওয়া ছিল জনগণের সাধারণ অধিকার। হাসিলের নামে যে চাঁদাবাজি চলছে সে বিষয়টি নিয়ে ইসলামী ফোরামগুলোতে কোথাও কোনো কথা নেই।

সেক্যুলার জুলুমী ব্যবস্থার মধ্যে দির্ঘদিন থাকতে থাকতে আমাদের অধিকারবোধটুকুও আজ বুঝি বিলুপ্তির পথে।

আরও অত্যন্ত দুঃখজনক যে চিত্রটি কিছু হাটে দেখা যায় তা হলো, হাসিলঘরগুলোতে হুজুর লেবাসের কিছু লোক বসানো হয় হাসিল আদায় করতে। আর তাদের উপস্থিতিতেই বারবার মাইকে ঘোষণা দেওয়া হয় “হাসিল ছাড়া কুরবানি শুদ্ধ হবে না”। এর দ্বারা কায়েমি স্বার্থবাদীদের এই চাঁদাবাজিকে ধর্মীয় বৈধতা দেওয়া হয়। আমাদের এই ভাইয়েরা সেখানে এশটাবলিশমেন্টের প্রতি অনুগত ও উচ্ছিষ্টভোগী চরিত্রের রোলই প্লে করে থাকেন। এসব বিষয়ে আমাদের এই ভাইদের আরও সচেতন ও সতর্ক হওয়া প্রয়োজন।....

সৌদি আরব থেকে আমেরিকা, প্রাচ্য থেকে প্রতিচ্য, দুনিয়ার সব সেক্যুলার রাষ্ট্রই জনগণের কাছ থেকে নানারকম অন্যায় ট্যাক্স আদায় করে থাকে। এসব ট্যাক্স আদায় ও আদায়কারীদের ব্যাপারে ইসলামে ভয়ঙ্কর রকম সাবধানবাণী রয়েছে—একে অপরাধ সাব্যস্ত করা হয়েছে। সে যা-ই হোক, যেহেতু ইসলামী রাষ্ট্রব্যবস্থা নেই, সেহেতু সেটা নিয়ে কথা বলেও লাভ নেই। কিন্তু সেই ট্যাক্স যেখানে মারাত্মক চাঁদাবাজি ও প্রকাশ্য জুলুমের পর্যায়ে নেমে এসেছে সেখানে বসে সেটাকে কোনোরকমে ধর্মীয় বৈধতা দেওয়া আরও ভয়ঙ্কর রকম অন্যায়।

যারা করছে তারা তো করছেই, প্রতিরোধ না করতে পারলে নিজেদেরকে সেই জুলুমের অংশীদার বানানো থেকে দূরে থাকুন, জনগণকে জানতে দিন এটা অন্যায় এবং তার অধীকারের ব্যাপারে ভুল বার্তা দেওয়া থেকে বিরত থাকুন। ...

হাটবাজার ব্যবস্থাপনা—হোক সেটা কুরবানির কিংবা দৈনন্দিন—এটা সরকারের সাধারণ বাধ্যতামূলক দায়িত্বের অন্তর্ভুক্ত। সেটা হোক সেক্যুলার সরকার কিংবা ইসলামি সরকার। এসব হাটবাজারের আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করা নিয়মিত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনির সাধারণ দায়িত্বের মধ্যেই পড়ে। ধর্মীয় এমন একটি পবিত্র উপলক্ষ্যকে কেন্দ্র করে স্বার্থান্বেসী মহলকে জনগণের কাছ থেকে হাসিলের নামে এমন চাঁদাবাজি করার লাইসেন্স দেওয়া মোটেই ঠিক নয়। কতটুকু অর্থই বা সরকার পায় এত্থেকে?

কোনো সেক্যুলার রাষ্ট্রেও সরকার যদি ইসলামপ্রিয় মানুষের সমর্থন পাওয়াটাকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করে তবে এই কুরবানির হাটগুলোকে হাসিলমুক্ত করে দেওয়া হতে পারে অন্যতম একটি উপলক্ষ্য। এসব হাট থেকে সরকার যতটুকু রাজস্ব পায় তা খুবই সামান্য। ইজারাদাররা তার চেয়ে অনেক গুণ বেশি হাসিল আদায় করে। যে সরকার যখন ক্ষমতায় থাকে তখন তাদের স্থানীয় চেলাচামুণ্ডারাই মূলত এগুলো ইজারা ‘পেয়ে’ থাকে। হাতে গোণা এই দু’চারজন মানুষের চেয়ে সাধারণ ধর্মপ্রিয় মানুষেরা সরকারের কাছে অনেক গুরুত্বপুর্ণ হওয়া উচিৎ, কেবল রাজনৈতিক বিবেচনাতেও।

সার কথা হলো, হাসিল দেওয়া না দেওয়ার সাথে ধর্মীয়ভাবে কুরবানী শুদ্ধ হওয়া না হওয়ার কোনো সম্পর্ক নেই। হাটবাজার ব্যবস্থাপনা সরকারের সাধারণ দায়িত্বের অন্তর্ভুক্ত। সরকারের উচিৎ ধর্মপ্রীয় মানুষদের স্বার্থে, গরু লালনপালনকারী গরীবের স্বার্থে, সাধারণ গরু ব্যবসায়ীদের স্বার্থে এই হাসিল প্রথা বন্ধ করে দেওয়া। এই পদক্ষেপ অত্যন্ত উৎপাদনশীল গুরত্বপুর্ণ এই খাতটিকে অনেক এগিয়ে নিয়ে যাবে বলে আমরা বিশ্বাস করি।

#রিপোস্ট

সিয়ান । বিশুদ্ধ জ্ঞান । বিশ্বমান

Address

Noakhali
Companiganj
3850

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when IBI Tawhid Media posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to IBI Tawhid Media:

Share