IBI Tawhid Media

IBI Tawhid Media শিরক ও বিদায়াত দুর করে, মুসলিমদেরকে ঐক্যবদ্ধ করে, তাওহিদের মাধ্যমে খিলাফত প্রতিষ্ঠা করা আমাদের লক্ষ্য

আকীদা কী? আকিদা হলো ইসলামের মৌলিক বিশ্বাস বা মূল ভিত্তি বা ইমান, যা আরবি 'আকাদা' (দৃঢ়ভাবে বাঁধা) শব্দ থেকে এসেছে; এটি আ...
25/02/2026

আকীদা কী?
আকিদা হলো ইসলামের মৌলিক বিশ্বাস বা মূল ভিত্তি বা ইমান, যা আরবি 'আকাদা' (দৃঢ়ভাবে বাঁধা) শব্দ থেকে এসেছে; এটি আল্লাহ, ফেরেশতা, আসমানী কিতাব, রাসূলগণ, আখিরাত ও তাকদীরের ওপর দৃঢ় বিশ্বাসকে বোঝায়, যা মানুষের চিন্তা-চেতনা ও কর্মকে পরিচালিত করে, যেমন একটি ভবনের ভিত্তির মত যা ছাড়া ভবন নড়বড়ে, তেমনি আকিদা বা ইমানের মৌলিক জ্ঞান ছাড়া ঈমান পূর্ণতা পায় না।

আকিদার গুরুত্ব :
এটি ইসলামের মূল ভিত্তি এবং ঈমানের ভিত্তি, যা ছাড়া মুসলমানের ধর্ম অসম্পূর্ণ। সঠিক আকিদার ওপর ভিত্তি করেই মানুষের জীবনের গতিপথ নির্ধারিত হয়।
যেমন আকিদার পরিপূর্ণ জ্ঞান না থাকায় মানুষ জীবনের সকল ক্ষেত্রে আল্লাহর গোলামী না করে বান্দার গোলামী করে, আল্লাহর বিধান বাস্তবায়নের চেস্টা না করে বান্দার তৈরি বিধান বাস্তবায়ন এর পিচনে জিবন অতিবাহিত করে যা স্পষ্ট কুফরি,

আকিদা ও ঈমানের সম্পর্ক :
আকিদা ও ঈমান প্রায় একই অর্থ বহন করে, তবে আকিদা ঈমানের বিস্তারিত ও সুদৃঢ় রূপকে বোঝায়, যা অন্তরে গভীরভাবে প্রোথিত থাকে।

উপরের বক্তব্য অনুযায়ী এদেশের ৯০% মুসলমানদের মধ্যে ৮০% এর আকিদা বা ইমানের সঠিক জ্ঞান নেই,
যেমন মানুষ নিজেকে ইমানদার দাবি করে কিন্তু ইমান কুফরের পার্থক্য বুজেনা, আল্লাহর তাওহীদ এর জ্ঞান নেই, তাগুত চিনেনা, তাগুতের জ্ঞান নেই, ঈমানের রুকন, শর্ত ও ঈমান ভঙ্গের কারণ কারণগুলো সম্পর্কেও বেখবর।

* তাই গণতান্ত্রিক ধোকার রাজনীতিকে জিহাদ মনে করে,
* সেকুলার রাজনীতি করেও নিজেকে জান্নাতি মনে করে,
* আহলুল হাদীস দাবি করা ব্যক্তিটাও সেকুলার রাজনীতির অংশ হয়ে পড়ে,
* সিনেমার অভিনেতা হয়েও জান্নাত আশা করে,

তাই পরিশেষে বলা যায় এদেশের অধিকাংশ মুসলমান্দের ইমান আকিদার ঠিক নেই, আর এর আমূল পরিবর্তন যতদিন না হবে ততদিন এদেশে ইসলাম কায়েমের পথ কঠিন হবে।

তাই আসুন এই রমাদান কে কাজে লাগায়, আকিদার পরিশুদ্ধতার জন্য উদ্যেগ গ্রহণ করি,

আকিদা সম্পর্কিত কয়েকটি বই
১/ কালিমা তাইয়্যেবা - মাওলানা আব্দুর রহিম রহ,
২/ তাওহীদের কালিমা - শায়খ হারিস আন-নাযযারী রহ
৩/ আকিদা আত-তাওহীদ - শায়খ সালেহ আল উসাইমিন হাফি,
৪/ ইসলামি আকিদা - ডক্টর আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর রহিমাহুল্লাহ

Imtiaz Bin Ismail

11/02/2026

*গণভোটে “হ্যাঁ” ভোট: সম্ভাব্য ঝুঁকি ও বাস্তবতার বিশ্লেষণ*
গণভোট একটি গুরুত্বপূর্ণ গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া। এর মাধ্যমে জনগণ সরাসরি কোনো প্রস্তাব বা সাংবিধানিক পরিবর্তনের বিষয়ে মত প্রকাশ করে। *তাই “হ্যাঁ” বা “না”—উভয় সিদ্ধান্তই দেশের ভবিষ্যৎ কাঠামোকে প্রভাবিত করতে পারে।*
“হ্যাঁ” ভোট দিলে কী ধরনের পরিবর্তন বা ঝুঁকি তৈরি হতে পারে🤔—তা বুঝতে হলে *আবেগ নয়, প্রস্তাবিত পরিবর্তনের প্রকৃতি বিশ্লেষণ করা জরুরি।*👇
১. সাংবিধানিক পরিচয়ের পরিবর্তনের সম্ভাবনা
যদি গণভোটের মাধ্যমে সংবিধানের মৌলিক নীতিতে পরিবর্তন আনা হয়, তবে রাষ্ট্রের আদর্শিক কাঠামো বদলে যেতে পারে।
বিশেষ করে ধর্মীয় পরিচয়, রাষ্ট্রধর্ম, বা “আল্লাহর উপর আস্থা ও বিশ্বাস” সংক্রান্ত ধারা সংশোধিত হলে তা দেশের আদর্শিক চরিত্রে প্রভাব ফেলতে পারে।
২. আইন প্রণয়নের ভিত্তি পরিবর্তন
যদি নতুন কাঠামো এমন হয় যেখানে আন্তর্জাতিক বা পশ্চিমা মানদণ্ডকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়, তবে ভবিষ্যতে আইন প্রণয়নে ধর্মীয় মূল্যবোধের চেয়ে নাগরিক অধিকারভিত্তিক বা সেকুলার দৃষ্টিভঙ্গি বেশি প্রাধান্য পেতে পারে।
এতে ব্যক্তিগত আইন, পারিবারিক আইন বা সামাজিক নীতিতে পরিবর্তনের সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে।
৩. প্রতিনিধিত্ব কাঠামোর রূপান্তর
নারী আসন বৃদ্ধি বা কোটা সম্প্রসারণের মতো পদক্ষেপ সমাজে প্রতিনিধিত্ব বাড়াতে পারে—কিন্তু এর রাজনৈতিক ব্যবহারের প্রশ্নও উঠতে পারে।
যদি এটি ধর্মীয় বা ঐতিহ্যগত কাঠামোর বিরুদ্ধে অবস্থান তৈরি করে, তাহলে সমাজে মতবিরোধ বাড়তে পারে।
৪. আন্তর্জাতিক চাপের প্রভাব
গণভোট-পরবর্তী সংস্কার আন্তর্জাতিক অঙ্গনে প্রশংসা পেলেও, তা দেশের নিজস্ব সামাজিক ও ধর্মীয় বাস্তবতার সাথে কতটা সামঞ্জস্যপূর্ণ—এ প্রশ্ন থেকে যায়।
অতিরিক্ত আন্তর্জাতিক নির্ভরতা জাতীয় নীতিনির্ধারণে প্রভাব ফেলতে পারে।
৫. সামাজিক বিভাজনের ঝুঁকি
যদি পরিবর্তনগুলো জনগণের বৃহৎ অংশের মূল্যবোধের সাথে সাংঘর্ষিক মনে হয়, তাহলে সমাজে বিভাজন, উত্তেজনা বা অস্থিরতা তৈরি হতে পারে।
*উপসংহার*
গণভোটে “হ্যাঁ” ভোট মানেই নিশ্চিত ক্ষতি—এমন বলা যেমন অতিরঞ্জিত, তেমনি কোনো ঝুঁকি নেই বলাও সরলীকরণ।
*সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে জরুরি হলো👇—*
✔️ প্রস্তাবিত পরিবর্তনের সুনির্দিষ্ট ধারা পড়া
✔️ আলেম, আইনজ্ঞ ও বিশেষজ্ঞদের বিশ্লেষণ শোনা
✔️ দেশের দীর্ঘমেয়াদি স্বার্থ বিবেচনা করা
*একজন সচেতন নাগরিকের দায়িত্ব হলো—ভয় বা স্লোগান নয়, তথ্যের ভিত্তিতে

10/02/2026

ভোট দেয়া নিয়ে শায়েখ আহমাদ-উল্লাহ হুজুরের গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য।

ডোনাল -কু'ত্তা -ট্রাম্প - বাংলাদেশের- সে'কুলার- দের কাছে মানবতার আব্বু -  এই  -কু'ত্তা ট্রাম্প -আমাদেরকে  -সোনাই -মানবতা...
02/02/2026

ডোনাল -কু'ত্তা -ট্রাম্প - বাংলাদেশের- সে'কুলার- দের কাছে মানবতার আব্বু - এই -কু'ত্তা ট্রাম্প -আমাদেরকে -সোনাই -মানবতার- কথা- নারী অধিকারের কথা -যারা নিজেরাই- জীবন্ত -মানুষকে- মে'রে - খেয়ে ফেলে -ছোট শিশু বাচ্চা মেয়েকে- খে'য়ে- ফেলে - ছোট বাচ্চা মেয়েকে -ধ*র্ষণ- করে এমন শিশু বাচ্চা যাদের- এখনো - ১২ বছর -হয়নি- তাদের বয়স ৮ অথবা ৭ বছর হবে - এমন শিশুদেরকে -ধ*র্ষণ -করে
তারপর- মে'রে - খেয়ে ফেলে -ট্রাম্পে এই কুত্তাগুলো

শাহবাগিরা এখন কোথায় নারীবাদীরা এখন কোথায় বল তোদের আব্বুর বিরুদ্ধে কিছু বল!

শয়তানের দ্বীপ এবং ক্ষমতার অন্ধকার খেলা!জেফরি এপস্টেইন কেবল একজন অপরাধী ছিলেন না, তিনি ছিলেন বিশ্বরাজনীতি ও অর্থনীতির প্র...
02/02/2026

শয়তানের দ্বীপ এবং ক্ষমতার অন্ধকার খেলা!

জেফরি এপস্টেইন কেবল একজন অপরাধী ছিলেন না, তিনি ছিলেন বিশ্বরাজনীতি ও অর্থনীতির প্রভাবশালী ব্যক্তিদের এক 'কালো গহ্বর'। সাবেক প্রেসিডেন্ট থেকে শুরু করে ব্রিটিশ রাজপরিবার কিংবা টেক জায়ান্ট—সবার সাথেই ছিল তার দহরম-মহরম। তার ব্যক্তিগত ডায়েরি বা 'ব্ল্যাক বুক'-এ যাদের নাম ছিল, তাদের ক্ষমতা দেখে সাধারণ মানুষের চোখ কপালে ওঠার জোগাড়।
অপরাধের প্রধান কারিগর:

১. জেফরি এপস্টেইন (The Architect): তিনি ছিলেন এই চক্রের মগজ। ওয়াল স্ট্রিটের অর্থদাতা হিসেবে পরিচিতি পেলেও তার মূল কাজ ছিল প্রভাবশালীদের সাথে সখ্যতা গড়ে তোলা। তিনি 'ললিটা এক্সপ্রেস' (তার ব্যক্তিগত বিমান) এবং তার ব্যক্তিগত দ্বীপে প্রভাবশালীদের আমন্ত্রণ জানাতেন এবং সেখানে চলত জঘন্য সব কর্মকাণ্ড। অভিযোগ আছে, তিনি ব্ল্যাকমেইল করার জন্য সবার গোপন ভিডিও ধারণ করে রাখতেন।
২. ঘিসলেন ম্যাক্সওয়েল (The Recruiter): এপস্টেইনের ডান হাত এবং দীর্ঘদিনের সঙ্গিনী। তার প্রধান কাজ ছিল কম বয়সী মেয়েদের ফুসলিয়ে এপস্টেইনের কাছে আনা। তিনি উচ্চবিত্ত সমাজের নারীদের সাথে মিশতেন এবং খুব কৌশলে তরুণীদের 'সহজ কাজের' প্রলোভন দিয়ে এই পা*চারচক্রে ঢুকিয়ে দিতেন। বর্তমানে তিনি ২০ বছরের কারাদণ্ড ভোগ করছেন।
যাদের নাম সবচেয়ে বেশি আলোচিত (The Influential Links):
• প্রিন্স অ্যান্ড্রু (রাজপরিবার): এই মামলার সবচেয়ে বিতর্কিত নাম। ভুক্তভোগী ভার্জিনিয়া জুফ্রে দাবি করেন, যখন তার বয়স মাত্র ১৭ ছিল, তখন তাকে প্রিন্স অ্যান্ড্রুর সাথে যৌ*নকর্মে বাধ্য করা হয়েছিল। এর ফলে রাজপরিবার তাকে সব ধরনের সামরিক ও দাতব্য পদ থেকে সরিয়ে দেয়।
• বিল ক্লিনটন: এপস্টেইনের বিমানে ক্লিনটনের বহুবার যাতায়াতের রেকর্ড রয়েছে। যদিও ক্লিনটন দাবি করেন তিনি অপরাধ সম্পর্কে কিছুই জানতেন না, তবুও নথিপত্রে তার নাম আসায় বিতর্ক থামেনি।
• ডোনাল্ড ট্রাম্প: নব্বইয়ের দশকে ট্রাম্পের সাথে এপস্টেইনের ঘনিষ্ঠতা ছিল। পরবর্তীতে ট্রাম্প দাবি করেন তাদের মাঝে তিক্ততা সৃষ্টি হয়েছিল এবং তিনি এপস্টেইনকে তার ক্লাব থেকে বহিষ্কার করেছিলেন।
• বিল গেটস: ২০২১ সালে জানা যায় যে, এপস্টেইনের সাজা হওয়ার পরেও বিল গেটস তার সাথে একাধিকবার বৈঠক করেছেন। অনেকের ধারণা, গেটসের ডিভোর্সের পেছনে এই এপস্টেইন কানেকশনও একটি বড় কারণ।
অপরাধের কাঠামো: তারা ঠিক কী করত? এপস্টেইন একটি সিস্টেমেটিক ট্র্যা*ফিকিং

02/02/2026

এপস্টিন কে?

তরুণ বিলিয়েনেয়ার এবং ফাইন্যান্স জগতের লোক হিসেবে পরিচিত ছিল। দুনিয়ার হোমড়াচোমরাদের সাথে ঘনিষ্ঠ। টাকা আর নেটওয়ার্কের উৎস কী, কেউ ক্লিয়ারলি জানে না৷
সে কী করতো?

পশ্চিমা দুনিয়ার সবচেয়ে ধনী আর প্রভাবশালী লোকদের জন্য পার্টির ব্যবস্থা করতো নিজের ব্যক্তিগত দ্বীপে। টপ পলিটিশিয়ান, সেলেব্রিটি, বিযনেসম্যান, ইন্টেলেকচুয়াল - মোটামুটি সব ধরণের লোক তার এসব পার্টিতে আমন্ত্রন পেতো।
পার্টিতে কী হতো?

ড্রাগস, অরজি, রেইপ। অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়ে এবং ছেলেরা থাকতো। পাশাপাশি টর্চার, হত্যা এবং ক্যানিবালিসমের ইঙ্গিত আছে। তবে এখনো সাবস্টেনশিয়েটেড না।
কেন পার্টি অ্যারেঞ্জ করতো এপস্টিন?

নিজের আনন্দ, নেটওয়ার্ক, প্রভাবের জন্য। পাশাপাশি প্রভাবশালীরা কী করছে সেগুলো সে ভিডিও করে রাখতো। এই ভিডিও মোটামুটি নিশ্চিতভাবেই ব্ল্যাকমেইলের জন্য ব্যবহার হতো।
প্রভাবশালীরা কেন পার্টিতে যেতো?

কারণ, তারা বিকৃত রুচির পশু৷
ব্ল্যাকমেইল কে করতো?

যারা ২৩ সাল থেকে সারা বিশ্বের সামনে গণহত্যা চালিয়ে যাচ্ছে। দাজ্জালের চোসেন পিপল।
এপস্টিনের এখন কী অবস্থা?

জেলহাজতে নেয়ার পর সে রহস্যময়ভাবে 'আত্মহত্যা' করে। তার বাসা আর ডিভাইস থেকে ৬০ লাখের বেশি ফাইল পাওয়া গেছে, যার মধ্যে ৩৫ লাখের মতো প্রকাশ করা হয়েছে৷
এপস্টিন কী একা? ও মরার পর এসব বন্ধ?

আপনার কী মনে হয়?

টাইফয়েড নিয়ে গবেষণা করেছে ICDDR,B। তারা দেখেছে- বাংলাদেশে গড়ে প্রত্যেক ১ লক্ষ মানুষের মধ্যে মাত্র ৯১৩জন টাইফয়েড-এ আক্রা...
15/10/2025

টাইফয়েড নিয়ে গবেষণা করেছে ICDDR,B। তারা দেখেছে- বাংলাদেশে গড়ে প্রত্যেক ১ লক্ষ মানুষের মধ্যে মাত্র ৯১৩জন টাইফয়েড-এ আক্রান্ত হয়। মানে টাইফয়েড আক্রান্তের শতকরা পরিমাণ ১%-এর কম। অর্থাৎ টাইফয়েডে আক্রান্তই হয় না ৯৯% মানুষ। একই গবেষণায় আরো দেখা গেছে- এক ডোজ টাইফয়েডের টিকা সর্বোচ্চ ১৮ মাস পর্যন্ত ৮৫% শতাংশ সুরক্ষা (!) দিতে পারে (যদিও সেটা প্রশ্নবোধক)। তাহলে টিকা নেওয়ার পরেও সুরক্ষা (!) পায় না ১৫%। তার মানে দাড়াচ্ছে- টিকা গ্রহণ করলেও সর্বোচ্চ টাইফয়েড হতে পারে ১৫% আর গ্রহণ না করলে টাইফয়েড হবে বড়জোর ১%

যে কোনো টিকা হচ্ছে ওই রোগের জীবাণুর অংশবিশেষ- যা রোগ ঠেকানোর নামে শরীরে প্রবেশ করানো হয়; উদ্দেশ্য শরীরকে আগেভাগে জীবাণু চেনানো। তার মানে যাদের টাইফয়েড হয় নাই বা আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা নাই, তাদের শরীরেও অহেতুক টাইফয়েড-এর জীবাণু ঢোকানো হচ্ছে! গভীরভাবে চিন্তা করে দেখুন তো- এর আদৌ কোনো প্রয়োজন আছে কি না?!?

টাইফয়েড তো সেই মাত্রার কোনো রোগ নয় কিংবা চিকিৎসা নেই- এমনও নয়। তাহলে কাদের স্বার্থ হাসিলের জন্য আগে থেকেই আমরা গণহারে টাইফয়েড রোগের জীবাণু-খণ্ড আমাদের শরীরে প্রবেশ করাবো? এর মাধ্যমে টাইফয়েড থেকে সুরক্ষা পাওয়া যাবে কিনা বলা মুশকিল, কিন্তু আরো অনেকগুলো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া যে দেখা দেবে- সেটা সুনিশ্চিত। আমাদের ভুলে গেলে চলবে না যে, সরাসরি রক্তে কিছু মেশানো সম্পূর্ণরূপে শরীয়ত বিরোধী কর্মকাণ্ড।

আমি প্রায়ই বলি- ওষুধ নামক সিন্থেটিক ড্রাগস সেবন করবেন না। এগুলো কেমিক্যালের তৈরি কৃত্রিম বস্তু এবং মানবদেহের ভেতরে ঢোকার অনুপযুক্ত। এগুলো যারা তৈরি ও বিপনন করছে, সেটা তাদের ব্যবসা ও অর্থ উপর্জনের মাধ্যম। তারা চায় সর্বোচ্চ সংখ্যক মানুষ যেন তাদের বানানো ড্রাগগুলো ব্যবহার করে আজীবন অসুস্থ থাকে। এতে তারা ব্যবসায়িকভাবে লাভবান হবে। এজন্য তারা বিভিন্ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানে অর্থ ঢেলে নিজেদের প্রত্যাশা অনুযায়ী গবেষণা ফলাফল তৈরি করাতেও পিছ পা হয় না, তারপর মিডিয়াতে টাকা ঢেলে সেটা প্রচার করায়, অতঃপর ভুলভাল জনমত গড়ে উঠলে সরকারকে প্রভাবিত (রাষ্ট্রীয়ভাবে বিক্রি) করে জনগণকে বিষ গ্রহণে বাধ্য করে। এর নেপথ্য উদ্দেশ্য হলো ভবিষ্যতের রোগী বাড়ানো! গণহারে টিকা দিলে জনগণের যতটুকু লাভ (!), তার থেকে ঢের লাভবান হয় ড্রাগস কোম্পানিগুলো।

টাইফয়েডের ভ্যাকসিন কিন্তু ইউরোপ-আমেরিকায় দেওয়া হয় না? চাপিয়ে দেওয়া হয় বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, নেপাল কিংবা আফ্রিকান দেশগুলোর অসচেতন জনগণের ওপরে। এসব ভ্যাকসিনের আড়লে তাদের যে ভিন্ন পরিকল্পনা (ষড়যন্ত্র) রয়েছে- সে বিষয়ে পর্যাপ্ত গবেষণাও হয় না!

অনুগ্রহ করে নিজের বিবেককে প্রশ্ন করুন- এই যে ৫ কোটি কোমলমতি শিশুর শরীরে টিকা দেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারিত হয়েছে, এর মধ্যে বড় অংশের শরীরে আগে থেকেই এন্টিবডি তৈরি হয়ে আছে। তাহলে কেন টিকা গ্রহণ করে নিজের শরীরে বিষ ঢোকাতে হবে? রাষ্ট্রের কোনো অধিকার থাকতে পারে কি কারো দেহের ভিতরে কিছু ঢুকাতে বাধ্য করার? একটা বাচ্চার শরীরে যদি আগে থেকেই এন্টিবডি থাকে, তবে টিকা গ্রহণের কী দরকার? কোনোপ্রকার টেস্ট না করিয়ে কেন গণহারে শরীরে টিকা গ্রহণ করতেই হবে?

এখানেই আসল ব্যবসা। বাচ্চাদের গণহারে টিকা দেওয়াই বলে দেয়- শিশুদের স্বার্থের তুলনায় ব্যবসা করাটা অধিক গুরুত্বপূর্ণ ড্রাগস মাফিয়াদের কাছে। ব্যবসার পাশাপাশি আমাদের বাচ্চাগুলোকে স্রেফ গিনিপিগ বা কুকুর-বিড়াল বা ইঁদুরের মতো ব্যবহার করা হচ্ছে। ক্ষতিকারক জীবাণু বাচ্চাদের শরীরে ঢুকিয়ে দেওয়ার কুপরিণামে ভবিষ্যতে আরো বড় ধরনের জটিলতা তৈরি হবে! ভবিষ্যতে সন্তানহীনতা এবং প্রতিবন্ধী শিশুর জন্মহার বেড়ে যাবে। তখন কিন্তু টিকার পক্ষে প্রচারনাকারীদেরকে খুঁজেও পাওয়া যাবে না? আশা করি কথিত করোনা টিকার কুফল মানুষ এতো দ্রুত ভুলে যায়নি?

ড্রাগস মাফিয়ারা যে তাদের স্বার্থে আমাদের আদরের শিশুদেরকে কুকুর-বিড়ালের মতো ব্যবহার করছে- এটা নিয়ে কেউ মুখ খোলে না, কথাও বলে না। দোষ তো আমাদেরই; ইউরোপ-আমেরিকার সাদা চামড়ারা কিছু বললেই আমরা সেগুলো ধর্মগ্রন্থের চাইতেও বেশি বিশ্বাস করি! দীর্ঘমেয়াদে বাচ্চাদের উপর কথিত টিকার কী পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া, তা না জেনে অন্ধের মতো আদরের বাচ্চাদের শরীরে কী ভয়ঙ্কর ইনজেকশন পুশ করাচ্ছেন, সেটা হয়তো কল্পনাও করতে পারবেন না!

অভিভাবকদের প্রতি বিনীত অনুরোধ- ভবিষ্যতে দাদা-দাদী/নানা-নানি হওয়ার ইচ্ছে থাকলে বিনামূল্যের ভ্যাকসিন দিয়ে আপনার আদরের বাচ্চাদের শরীরটাকে স্থায়ীভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করবেন না। এসব ষড়যন্ত্র থেকে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখুন আর জনসচেতনতা বাড়াতে এই পোস্টটি শেয়ার করুন।

এই বিষয়ে বিধর্মীদের অন্তরে যতটুকু চেতনা জাগ্রত হয়, আমরা মুসলিম হয়েও আমাদের অন্তর ততটুকু ব্যথা অনুভব হয় না,যার প্রমাণ...
02/10/2025

এই বিষয়ে বিধর্মীদের অন্তরে যতটুকু চেতনা জাগ্রত হয়,
আমরা মুসলিম হয়েও আমাদের অন্তর ততটুকু ব্যথা অনুভব হয় না,
যার প্রমাণ আমাদের প্রত্যেকটি মুসলমানদের শপে ইসরাইলি প্রোডাক্ট বিদ্যমান এবং মেজরিটি মুসলমান দেশ ইসরাইলকে স্বীকৃতি দেওয়ার জন্য উঠে পড়ে লেগেছে। আমরা শত্রুর প্রোডাক্ট দিয়ে রিযিক অন্বেষণ করি। দুনিয়াতে হয়তোবা কেউ কিছু বলছে না, আখিরাতে বিচার একদিন হবে ইনশাআল্লাহ।

05/09/2025

মিলাদুন-নবী পালনের ৫ টি পদ্ধতি।

বিধবা নারীদের সংকট উত্তরণে বিস্তারিত আলোচনা
16/08/2025

বিধবা নারীদের সংকট উত্তরণে বিস্তারিত আলোচনা

ছবিতে দাড়ি, টুপি ও জুব্বা পরা লোকদের দেখে সবাই ভাবছেন এরা পাক্কা মুসলিম। এরা নিশ্চয়ই কোনো বড় আলেম-ওলামা, তাই না?না, এরা ...
15/08/2025

ছবিতে দাড়ি, টুপি ও জুব্বা পরা লোকদের দেখে সবাই ভাবছেন এরা পাক্কা মুসলিম। এরা নিশ্চয়ই কোনো বড় আলেম-ওলামা, তাই না?
না, এরা কোনো আলেম ওলামা নন। আর না, এরা কোনো মুসলিম ও না। এরা সম্পূর্ণ আলাদা ধর্মের অনুসারী। এদের বিশ্বাস ও ইবাদত মুসলমানদের হতে সম্পূর্ণ ভিন্ন।

এদের সম্পর্কে না জানা থাকলে আমরা সবাই বিভ্রান্ত হতে পারি।

আসুন, আমরা এদের সম্পর্কে জানি। নিজেরা সতর্ক হই। অন্যকে সতর্ক করি। নাহয় যেকোনো সময় আমরা ঈমান হারা হতে পারি।

বাহাই নামে একটা ধর্ম আছে এটা সম্পর্কে কে কে জানেন? আজিজ মোহাম্মাদ বাহাই (ভাই) নাম শুনেছেন? বাংলাদেশে এই ধর্মের অনুসারী লাখের ওপরে! এই ধর্মের নবী বাহাউদ্দ্বীন এর জন্ম ইরানে। এরা মুসলমান রূপ ধরে চলে। যদিও এদের উপাসনালয় আলাদা। ঢাকার সার্কিট রোডে বাহাই সেন্টার আছে (শান্তিনগর কর্নফুলি মার্কেটের পিছনে)। এদের কিন্তু কলেজ ও আছে।
এরা কাফের ও জাহান্নামী।

বাহাই ধর্মে ভ্রান্ত আকিদা ও মতবাদ
১. বাহাউল্লাহ ইসলামী শরীয়তকে রহিত বলে ঘোষণা করেছেন। তার রচিত ধর্মগ্রন্থের নাম কিতাব ই আকদাস বা কিতাবে ঈক্কান। বাহাই ধর্ম মতে কিতাবে ঈক্কান একটি আসমানী গ্রন্থ।
২. তারা ইসলামের মৌলিক বিধান হাশর নাশর, জান্নাত জাহান্নাম, হজ্ব, যাকাত ইত্যাদিকেও অস্বীকার করে।
৩. বাহাউল্লাহর দাবি মোতাবেক তিনিও অবতার রূপে খোদা। তার লেখা ও বানী ঐশী তুল্য।
৪. মির্যা আলী মুহাম্মদ বাব হলেন ইমাম মাহাদি ও ঈসা মসীহ।
৫. শ্রীকৃষ্ণ, গৌতম বুদ্ধ এরাও ঈশ্বরের অবতার বা নবী।
৬.পৃথিবীর সব ধর্ম ও মতবাদই আল্লাহ প্রদত্ত ধর্ম বা দ্বীন।
৭. তাদের বিশ্বাস মতে নবুয়্যাতের দরজা বন্ধ হয়ে যায়নি। যুগে যুগে আরো নবী আসবেন।
৮. বায়তুল্লাহর জিয়ারতকে বাহাই ধর্মে রহিত করে ইসরাইলে আকা হলো তাদের তীর্থস্থান। বাহাই ধর্মমতে বছরে ৯ দিন ইসরাইলের “ইউনিভার্সাল হাউজ অফ জাস্টিস” মন্দিরে তীর্থ করতে যাওয়া বাহাইদের জন্য ফরজ।
৯. তাদের বিশ্বাস পৃথিবীর সব জিনিসই পবিত্র।
১০. পৃথিবীর সব খাবারই জায়েজ।
১১. বীর্যপাত ঘটলে কেউ অপবিত্র হয়না।
১২. বাহাউল্লাহর মতে দুটো ও তার পুত্র আব্দুল বাহার মতে একাধিক বিবাহ নিষিদ্ধ।
১৩. ভিন্ন ধর্মালম্বীদের বিবাহ করা বৈধ।
১৪. বাহাইরা পরস্পর সাক্ষাতে আল্লাহ আবহা বলবে।
১৫. বাহাই মেয়েরা পিতার সম্পত্তি পাবেনা।
১৬. বাহাই ধর্মে ১৯ দিনে মাস, ১৯ মাসে বছর, ২১ মার্চ হলো বাহাই নববর্ষ।
১৭. বছরে ৫দিন তাদের নিকট অত্যন্ত বরকতময়।
১৮. বাহাই ধর্মে পিতার স্ত্রী ছাড়া সকলকে বিবাহ করা জায়েজ। বোন, খালা, ফুফু, দুধ মা, মেয়ে ও নাতনী সহ সবাইকে বিবাহ করা জায়েজ। (কিতাবুল আকদাসঃ২৩৫)
১৯. বাহাই ধর্মে অন্যরকম ভাবে নামাজ আদায় করা হয়। তারা ৩ ওয়াক্ত ৯ রাকআত নামাজ পড়ে।তিন ওয়াক্ত না পড়লেও চলবে তবে এক ওয়াক্ত পড়া ফরজ।
২০. এই ধর্মে নবী ৯ জন। যথা – ইব্রাহীম, কৃষ্ণ, গৌতম, মুসা, বুদ্ধ, যরথ্রুষ্ট, যিশু, মুহাম্মদ, মির্যা আলী মুহাম্মদ বাব ও বাহাউল্লাহ।
২১. বাহাই ধর্মে নির্দিষ্ট কোনো কালেমা নেই। কেবল বাহাউল্লাহর উপর বিশ্বাস করলেই বাহাই বলে সাব্যস্ত হবে।
২২. বাহাইদের ধর্ম মতে জিহাদ নিষিদ্ধ।
২৩. বাহাউল্লাহর কবরের দিকে মুখ করে প্রার্থনা করতে হবে।
২৪. তালাক ছাড়াই একজন স্ত্রী তার স্বামী পরিবর্তন করতে পারবে।

সুতরাং বাহাই ধর্মালম্বীরা ইসলাম ধর্মের কোনো অংশ নয়। কাদিয়ানীদের মত তারাও কাফের।

বাহাই দের সবচে বড় প্রতিষ্ঠান Olympic বাংলাদেশে- অলিম্পিক কলম, বিস্কুট মনে পড়ে?।

| হাসিল না দিলে কি কুরবানি কবুল হবে? |.০৫ আগস্ট ২০১৯ এ দৈনিক যুগান্তরে প্রকাশিত একটি অনুসন্ধানি প্রতিবেদন অনুযায়ী ২০১৬-১...
03/06/2025

| হাসিল না দিলে কি কুরবানি কবুল হবে? |.

০৫ আগস্ট ২০১৯ এ দৈনিক যুগান্তরে প্রকাশিত একটি অনুসন্ধানি প্রতিবেদন অনুযায়ী ২০১৬-১৮ তিন বছরে ঢাকার দুই সিটি কর্পোরেশন কুরবানির হাট ইজারা বাবদ পেয়েছে ৫৭ কোটি টাকা। ইজারাদাররা প্রদত্ত তথ্যমতে হাসিল আদায় করেছেন ২৩৬ কোটি টাকা। প্রদত্ত তথ্য অনুযায়িই আদায়কৃত হাসিল ইজারা মূল্যের চেয়ে প্রায় পাঁচ গুণ। এই টাকাগুলো যাবে হাতে গোণা কয়েকজন মানুষের পকেটে, যারা ইতিমধ্যেই হয়তো অর্থ রাখার জায়গার অভাবে সুইস ব্যাংকে গোপন একাউন্ট খুলে বসে আছে। কিন্তু একজন গরু লালনপালনকারী, কিংবা ব্যবসায়ীর কাছে ৫% মূল্য অনেক বড় কিছু। এটা তার গোটা ব্যবসাটাকে অন্য স্তরে নিয়ে যেতে পারে।

এই পঞ্চাশ ষাট কোটি টাকা সরকারের কাছে তেমন বেশি কিছু হওয়ার কথা না, কিন্তু এই চাঁদাবাজিটা বন্ধের ব্যবস্থা গ্রহণ করলে তাতে সরকারের প্রাপ্তি এর চেয়ে হাজারগুণ বেশি হবে বলে আমরা মনে করি।....

ধর্মীয় দিক থেকে দেখলে, কুরবানির হাটের হাসিল সংক্রান্ত বিষয়ে ঘাটাঘাটি করতে গিয়ে অনলাইনে প্রায় সবজায়গাতে একটি ফতোয়াই দেখতে পাওয়া যায়। ফতোয়াটি দেশের প্রখ্যাত ও নির্ভরযোগ্য প্রতিষ্ঠান থেকে দেওয়াও বটে। সেখানে হাসিল না দিলে কুরবানী জায়েয হবে বলা হলেও হাসিলকে হাটওয়ালার হক বলা হয়েছে, যা প্রদান না করাকে হক নষ্ট করার সাথে সম্পৃক্ত করা হয়েছে এবং গুনাহগার হওয়ার কথা বলা হয়েছে। হ্যাঁ বুঝলাম, ইজারাদার টাকা দিয়ে ইজারা নিয়েছেন তাই এটা তার হক। কিন্তু এই হক্বটার প্রতিষ্ঠার সাথে যে সামগ্রিক জুলুমের সম্পর্ক রয়েছে সেকথা কে বলবে?

আমরা ভুলে গিয়েছি যে এই হাটটা পাওয়া ছিল জনগণের সাধারণ অধিকার। হাসিলের নামে যে চাঁদাবাজি চলছে সে বিষয়টি নিয়ে ইসলামী ফোরামগুলোতে কোথাও কোনো কথা নেই।

সেক্যুলার জুলুমী ব্যবস্থার মধ্যে দির্ঘদিন থাকতে থাকতে আমাদের অধিকারবোধটুকুও আজ বুঝি বিলুপ্তির পথে।

আরও অত্যন্ত দুঃখজনক যে চিত্রটি কিছু হাটে দেখা যায় তা হলো, হাসিলঘরগুলোতে হুজুর লেবাসের কিছু লোক বসানো হয় হাসিল আদায় করতে। আর তাদের উপস্থিতিতেই বারবার মাইকে ঘোষণা দেওয়া হয় “হাসিল ছাড়া কুরবানি শুদ্ধ হবে না”। এর দ্বারা কায়েমি স্বার্থবাদীদের এই চাঁদাবাজিকে ধর্মীয় বৈধতা দেওয়া হয়। আমাদের এই ভাইয়েরা সেখানে এশটাবলিশমেন্টের প্রতি অনুগত ও উচ্ছিষ্টভোগী চরিত্রের রোলই প্লে করে থাকেন। এসব বিষয়ে আমাদের এই ভাইদের আরও সচেতন ও সতর্ক হওয়া প্রয়োজন।....

সৌদি আরব থেকে আমেরিকা, প্রাচ্য থেকে প্রতিচ্য, দুনিয়ার সব সেক্যুলার রাষ্ট্রই জনগণের কাছ থেকে নানারকম অন্যায় ট্যাক্স আদায় করে থাকে। এসব ট্যাক্স আদায় ও আদায়কারীদের ব্যাপারে ইসলামে ভয়ঙ্কর রকম সাবধানবাণী রয়েছে—একে অপরাধ সাব্যস্ত করা হয়েছে। সে যা-ই হোক, যেহেতু ইসলামী রাষ্ট্রব্যবস্থা নেই, সেহেতু সেটা নিয়ে কথা বলেও লাভ নেই। কিন্তু সেই ট্যাক্স যেখানে মারাত্মক চাঁদাবাজি ও প্রকাশ্য জুলুমের পর্যায়ে নেমে এসেছে সেখানে বসে সেটাকে কোনোরকমে ধর্মীয় বৈধতা দেওয়া আরও ভয়ঙ্কর রকম অন্যায়।

যারা করছে তারা তো করছেই, প্রতিরোধ না করতে পারলে নিজেদেরকে সেই জুলুমের অংশীদার বানানো থেকে দূরে থাকুন, জনগণকে জানতে দিন এটা অন্যায় এবং তার অধীকারের ব্যাপারে ভুল বার্তা দেওয়া থেকে বিরত থাকুন। ...

হাটবাজার ব্যবস্থাপনা—হোক সেটা কুরবানির কিংবা দৈনন্দিন—এটা সরকারের সাধারণ বাধ্যতামূলক দায়িত্বের অন্তর্ভুক্ত। সেটা হোক সেক্যুলার সরকার কিংবা ইসলামি সরকার। এসব হাটবাজারের আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করা নিয়মিত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনির সাধারণ দায়িত্বের মধ্যেই পড়ে। ধর্মীয় এমন একটি পবিত্র উপলক্ষ্যকে কেন্দ্র করে স্বার্থান্বেসী মহলকে জনগণের কাছ থেকে হাসিলের নামে এমন চাঁদাবাজি করার লাইসেন্স দেওয়া মোটেই ঠিক নয়। কতটুকু অর্থই বা সরকার পায় এত্থেকে?

কোনো সেক্যুলার রাষ্ট্রেও সরকার যদি ইসলামপ্রিয় মানুষের সমর্থন পাওয়াটাকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করে তবে এই কুরবানির হাটগুলোকে হাসিলমুক্ত করে দেওয়া হতে পারে অন্যতম একটি উপলক্ষ্য। এসব হাট থেকে সরকার যতটুকু রাজস্ব পায় তা খুবই সামান্য। ইজারাদাররা তার চেয়ে অনেক গুণ বেশি হাসিল আদায় করে। যে সরকার যখন ক্ষমতায় থাকে তখন তাদের স্থানীয় চেলাচামুণ্ডারাই মূলত এগুলো ইজারা ‘পেয়ে’ থাকে। হাতে গোণা এই দু’চারজন মানুষের চেয়ে সাধারণ ধর্মপ্রিয় মানুষেরা সরকারের কাছে অনেক গুরুত্বপুর্ণ হওয়া উচিৎ, কেবল রাজনৈতিক বিবেচনাতেও।

সার কথা হলো, হাসিল দেওয়া না দেওয়ার সাথে ধর্মীয়ভাবে কুরবানী শুদ্ধ হওয়া না হওয়ার কোনো সম্পর্ক নেই। হাটবাজার ব্যবস্থাপনা সরকারের সাধারণ দায়িত্বের অন্তর্ভুক্ত। সরকারের উচিৎ ধর্মপ্রীয় মানুষদের স্বার্থে, গরু লালনপালনকারী গরীবের স্বার্থে, সাধারণ গরু ব্যবসায়ীদের স্বার্থে এই হাসিল প্রথা বন্ধ করে দেওয়া। এই পদক্ষেপ অত্যন্ত উৎপাদনশীল গুরত্বপুর্ণ এই খাতটিকে অনেক এগিয়ে নিয়ে যাবে বলে আমরা বিশ্বাস করি।

#রিপোস্ট

সিয়ান । বিশুদ্ধ জ্ঞান । বিশ্বমান

Address

Noakhali
Companiganj
3850

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when IBI Tawhid Media posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to IBI Tawhid Media:

Share