IBI Tawhid Media

IBI Tawhid Media শিরক ও বিদায়াত দুর করে, মুসলিমদেরকে ঐক্যবদ্ধ করে, তাওহিদের মাধ্যমে খিলাফত প্রতিষ্ঠা করা আমাদের লক্ষ্য

03/08/2026

আমরা জানি যে সম্প্রতি শহীদ মেজর জাহিদকে বাংলাদেশ সরকার ও সেনাবাহিনী মরোণত্তর ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হিসেবে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে। অথচ এই একই রাষ্ট্র তাকে জঙ্গি বলে নির্মমভাবে ক্রসফায়ারে হত্যা করেছিলো।

প্রশ্ন হলো, যদি তিনি অপরাধী হন, তবে এই সম্মান কেন? আর যদি নির্দোষ হন, তবে তাঁকে হত্যাযোগ্য করার জন্য বয়ান নির্মাণকারী এবং হত্যায় জড়িত অন্যান্যদের জবাবদিহি কোথায়?

মেজর জাহিদের ঘটনাকে ঘিরে আজ একটি মৌলিক প্রশ্ন বাংলাদেশের রাষ্ট্র, গণমাধ্যম এবং সমাজের সামনে দাঁড়িয়ে আছে। এই প্রশ্ন সভ্য দাবিদার কোনো সমাজ এড়িয়ে যেতে পারে না।

যদি বর্তমান রাষ্ট্রের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তাঁকে মরণোত্তর ব্রিগেডিয়ার পদে পদোন্নতি দেওয়া হয়ে থাকে এবং আনুষ্ঠানিকভাবে সম্মানজনকভাবে তাঁর অবসর স্বীকৃত হয়ে থাকে, তাহলে এই সিদ্ধান্তের অর্থ কী?

যদি তিনি সত্যিই একজন জঙ্গি, রাষ্ট্রদ্রোহী বা ভয়ংকর অপরাধী হয়ে থাকেন, তাহলে একটি রাষ্ট্র কেন তাঁকে মরণোত্তর পদোন্নতি দেবে? কেন তাঁর সামরিক মর্যাদা পুনর্বহাল বা স্বীকৃত হবে? রাষ্ট্র কি নিজেই নিজের অতীত অবস্থানকে অস্বীকার করছে?

অন্যদিকে, যদি বর্তমান রাষ্ট্রের এই পদক্ষেপের অর্থ হয় যে অতীতের বয়ান ভুল, বিভ্রান্তিকর ও অন্যায় ছিল, তাহলে আরও কঠিন একটি প্রশ্ন সামনে আসে।

তাঁর বিরুদ্ধে যে বয়ান তৈরি করা হয়েছিল, যাঁকে জনমতের আদালতে আগেই দোষী হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছিল, যাঁর সম্পর্কে যাচাইহীন বা একপাক্ষিক তথ্য বারবার প্রচারিত হয়েছিল—সেই প্রক্রিয়ার জন্য কারা জবাবদিহি করবে? তাদের কী বিচার হবে না?

কোনো মানুষকে আইনের বিচারের আগেই সমাজের চোখে অপরাধী হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা কেবল একটি সাংবাদিকতার ভুল নয়; এটি সাংঘাতিক বড় অপরাধ এবং এর পরিণতি হতে পারে ভয়াবহ।

যখন রাষ্ট্র, নিরাপত্তা সংস্থা বা গণমাধ্যমের বয়ান একজন মানুষের বিরুদ্ধে এমন একটি সামাজিক ও রাজনৈতিক পরিবেশ তৈরি করে, যেখানে তাঁর মৃত্যু বা তার সাথে কঠোর ব্যবহারের প্রতি জনসমর্থন সৃষ্টি হয়, তখন সেই বয়ান নির্মাণের নৈতিক ও আইনী দায় অবশ্যই তাদেরকে বহন করতে হবে ।

রাষ্ট্র একই সঙ্গে দুটি পরস্পরবিরোধী অবস্থান ধরে রাখতে পারে না। একদিকে কাউকে জঙ্গি হিসেবে উপস্থাপন করা, অন্যদিকে পরে তাঁকেই রাষ্ট্রীয় সম্মান দেওয়া—এই দুই অবস্থানের মধ্যে কোনটি সত্য, তার ব্যাখ্যা জনগণের পাওয়ার অধিকার আছে।

ইসলামে ঈমানের জ্ঞান অর্জন করা ফরজ। ইমান বিশুদ্ধ হওয়া ব্যতীত মুমিনের আমল কবুল হয়না, আর এমন কিছু বিশ্বাস, কথা ও কাজ রয়েছে ...
19/07/2026

ইসলামে ঈমানের জ্ঞান অর্জন করা ফরজ। ইমান বিশুদ্ধ হওয়া ব্যতীত মুমিনের আমল কবুল হয়না, আর এমন কিছু বিশ্বাস, কথা ও কাজ রয়েছে যা প্রকাশ পেলে একজন মানুষের ঈমান নষ্ট হয়ে যায় এবং সে ইসলাম থেকে বের হয়ে যায়। শায়খুল ইসলাম মুহাম্মাদ বিন আব্দুল ওয়াহহাব (রহ.) পবিত্র কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে ঈমান ভঙ্গের প্রধান **১০টি কারণ** একত্র করেছেন।
যা নিচে দলিলসহ উল্লেখ করা হলো:

***ঈমান ভঙ্গের প্রধান ১০টি কারণ (نواقض الإسلام)***
১. আল্লাহর ইবাদতে শরিক করা (الشرك في عبادة الله)
আল্লাহর ইবাদতে অন্য কাউকে অংশীদার করা বা আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো উদ্দেশ্যে ইবাদত (যেমন: সেজদা, দুআ, মানত, পশু কোরবানি) করা।
দলিল (পবিত্র কুরআন): اِنَّ اللّٰهَ لَا يَغْفِرُ اَنْ يُّشْرَكَ بِهٖ وَيَغْفِرُ مَا دُوْنَ ذٰلِكَ لِمَنْ يَّشَاۤءُ
অনুবাদ: "নিশ্চয়ই আল্লাহ তাঁর সাথে শরিক করা ক্ষমা করেন না। এ ছাড়া অন্যান্য পাপ যাকে ইচ্ছা তিনি ক্ষমা করেন।" (সূরা আন-নিসা: ৪৮)

২. আল্লাহ ও বান্দার মাঝে মাধ্যম বা উসিলা ধরা (جعل واسطة بينه وبين الله)
আল্লাহ এবং নিজের মাঝে কোনো মাধ্যম নির্ধারণ করে তার কাছে দুআ করা, সুপারিশ কামনা করা বা তার ওপর ভরসা করা।
দলিল (পবিত্র কুরআন): وَيَعْبُدُوْنَ مِنْ دُوْنِ اللّٰهِ مَا لَا يَضُرُّهُمْ وَلَا يَنْفَعُهُمْ وَيَقُوْلُوْنَ هٰۤؤُلَۤاءِ شُفَعَاؤُنَا عِنْدَ اللّٰهِ
অনুবাদ: "আর তারা আল্লাহকে ছাড়া এমন কিছুর ইবাদত করে, যা তাদের কোনো ক্ষতি করতে পারে না এবং কোনো উপকারও করতে পারে না। আর তারা বলে, ‘এরা আল্লাহর কাছে আমাদের সুপারিশকারী’।" (সূরা ইউনুস: ১৮)

৩. কাফের-মুشরিকদের কাফের মনে না করা (عدم تكفير المشركين)
যারা স্পষ্ট কাফের বা মুশরিক, তাদেরকে কাফের মনে না করা, অথবা তাদের কুফরির ব্যাপারে সন্দেহ পোষণ করা অথবা তাদের মতবাদকে সঠিক মনে করা।
দলিল (পবিত্র কুরআন): وَمَنْ يَّبْتَغِ غَيْرَ الْاِسْلَامِ دِيْنًا فَلَنْ يُّقْبَلَ مِنْهُۚ وَهُوَ فِي الْاٰخِرَةِ مِنَ الْخٰسِرِيْنَ
অনুবাদ: "আর কেউ ইসলাম ছাড়া অন্য কোনো দীন (জীবনব্যবস্থা) তালাশ করলে তা কখনোই তার থেকে কবুল করা হবে না এবং সে আখিরাতে ক্ষতিগ্রস্তদের অন্তর্ভুক্ত হবে।" (সূরা আলে ইমরান: ৮৫)

৪. রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর আদর্শের চেয়ে অন্য কারো আদর্শকে শ্রেষ্ঠ মনে করা (اعتقاد أن هدي غير النبي أكمل من هديه)
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর আদর্শ ও সুন্নাহর চেয়ে অন্য কারো আদর্শ, মানব রচিত আইন বা মতবাদকে উত্তম বা সমকক্ষ মনে করা।
দলিল (পবিত্র কুরআন): فَلَا وَرَبِّكَ لَا يُؤْمِنُوْنَ حَتّٰى يُحَكِّمُوْكَ فِيْمَا شَجَرَ بَيْنَهُمْ
অনুবাদ: "অতএব তোমার রবের কসম, তারা মুমিন হবে না যতক্ষণ না তারা তাদের নিজেদের মধ্যকার বিবাদ-বিসংবাদে তোমাকে বিচারক মানবে।" (সূরা আন-নিসা: ৬৫)

৫. রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর আনীত দ্বীনের কোনো কিছুকে অপছন্দ করা (بغض شيء مما جاء به الرسول)
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যা কিছু নিয়ে এসেছেন, তার কোনো বিধান বা সুন্নাহকে মনে মনে অপছন্দ বা ঘৃণা করা, যদিও সে নিজে তা পালন করে থাকে।
দলিল (পবিত্র কুরআন): ذٰلِكَ بِاَنَّهُمْ كَرِهُوْا مَاۤ اَنْزَلَ اللّٰهُ فَاَحْبَطَ اَعْمَالَهُمْ
অনুবাদ: "তা এজন্য যে, আল্লাহ যা নাজিল করেছেন তারা তা অপছন্দ করেছে। সুতরাং আল্লাহ তাদের আমলসমূহ নিষ্ফল করে দিয়েছেন।" (সূরা মুহাম্মদ: ৯)

৬. দ্বীন নিয়ে উপহাস বা ঠাট্টা করা (الاستهزاء بشيء من دين الله)
আল্লাহর দ্বীন, এর কোনো বিধান, পুরস্কার (জান্নাত) বা শাস্তি (জাহান্নাম) কিংবা রাসূলের কোনো সুন্নাহ (যেমন: দাড়ি, মিসওয়াক, পর্দা ইত্যাদি) নিয়ে ঠাট্টা-বিদ্রূপ বা উপহাস করা।
দলিল (পবিত্র কুরআন): قُلْ اَبِاللّٰهِ وَاٰيٰتِهٖ وَرَسُوْلِهٖ كُنْتُمْ تَسْتَهْزِءُوْنَ ۝ لَا تَعْتَذِرُوْا قَدْ كَفَرْتُمْ بَعْدَ اِيْمَانِكُمْ
অনুবাদ: "বলো, ‘তোমরা কি আল্লাহ, তাঁর আয়াতসমূহ ও তাঁর রাসূলকে নিয়ে উপহাস করছিলে?’ তোমরা ওজর পেশ করো না, তোমরা তো ঈমান আনার পর কাফের হয়ে গেছ।" (সূরা আত-তাওবাহ: ৬৫-৬৬)

৭. জাদু করা বা জাদুর প্রতি সন্তুষ্ট থাকা (السحر)
জাদু করা, জাদুর সাহায্য নেওয়া বা বান মারা এবং কুফরি জাদুর মাধ্যমে স্বামী-স্ত্রীর মাঝে বিচ্ছেদ ঘটানো কিংবা ভালোবাসা সৃষ্টির চেষ্টা করা এবং এতে রাজি থাকা।
দলিল (পবিত্র কুরআন): وَمَا يُعلِّمَانِ مِنْ أَحَدٍ حَتَّىٰ يَقُولَا إِنَّمَا نَحْنُ فِتْنَةٌ فَلَا تَكْفُرْ
অনুবাদ: "আর তারা (হারুত ও মারুত ফেরেশতাদ্বয়) কাউকেই (জাদু) শিক্ষা দিত না যতক্ষণ না বলত, ‘আমরা তো পরীক্ষা মাত্র, কাজেই তুমি কুফরি করো না’।" (সূরা আল-বাকারাহ: ১০২)

৮. মুসলমানদের বিরুদ্ধে কাফেরদের সাহায্য করা (مظاهرة المشركين ومعاونتهم على المسلمين)
মুসলিমদের ক্ষতি করার জন্য বা ইসলামকে ধ্বংস করার উদ্দেশ্যে কাফের-মুশরিকদের পক্ষ নেওয়া এবং তাদের সামরিক, অর্থনৈতিক বা বুদ্ধিবৃত্তিক সাহায্য করা।
দলিল (পবিত্র কুরআন): وَمَنْ يَّتَوَلَّهُمْ مِّনْكُمْ فَاِنَّهٗ مِنْهُمْ اِنَّ اللّٰهَ لَا يَهْدِى الْقَوْمَ الظّٰلِمِيْنَ
অনুবাদ: "আর তোমাদের মধ্য থেকে যে তাদের সাথে বন্ধুত্ব করবে, সে নিশ্চয়ই তাদেরই একজন। নিশ্চয় আল্লাহ জালিম সম্প্রদায়কে হেদায়েত দেন না।" (সূরা আল-মায়িদাহ: ৫১)

৯. শরীয়তের ঊর্ধ্বে নিজেকে মনে করা (اعتقاد أن بعض الناس يسعه الخروج عن شريعة محمد)
এমন বিশ্বাস করা যে—কারো কারো জন্য রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর শরীয়ত বা বিধান অমান্য করার অনুমতি আছে, অথবা বিশেষ মারেফাত বা আধ্যাত্মিকতার কারণে কারো জন্য নামাজ-রোজার মতো শরীয়তের ফরজ বিধান প্রযোজ্য নয় (যেমন খিজির আলাইহিস সালামের জন্য মুসা আলাইহিস সালামের শরীয়ত মেনে চলা জরুরি ছিল না ভেবে বর্তমান যুগেও কেউ তা দাবি করা)।
দলিল (পবিত্র কুরআন):وَمَنْ يَّبْتَغِ غَيْرَ الْاِسْلَامِ دِيْنًا فَلَنْ يُّقْبَلَ مِنْهُۚ وَهُوَ فِي الْاٰخِرَةِ مِنَ الْخٰسِرِيْنَ
অনুবাদ: "আর যে ইসলাম ছাড়া অন্য কোনো দীন গ্রহণ করতে চায়, তা কখনো তার পক্ষ থেকে কবুল করা হবে না এবং আখিরাতে সে ক্ষতিগ্রস্তদের অন্তর্ভুক্ত হবে।" (সূরা আলে عمران: ৮৫)

১০. আল্লাহর দ্বীন থেকে সম্পূর্ণ মুখ ফিরিয়ে নেওয়া (الإعراض عن دين الله)
আল্লাহর দ্বীন থেকে পুরোপুরি বিমুখ হওয়া, দ্বীনের মৌলিক বিষয়গুলো (যার দ্বারা ইসলামে প্রবেশ করা ও টিকে থাকা যায়) না শেখা এবং সে অনুযায়ী আমল না করা।
দলিল (পবিত্র কুরআন): وَمَنْ اَظْلَمُ مِمَّنْ ذُكِّرَ بِاٰيٰتِ رَبِّهٖ ثُم¨ اَعْرَضَ عَنْهَا اِنَّا مِنَ الْمُجْرِمِيْنَ مُنْتَقِمُوْنَ
অনুবাদ: "আর তার চেয়ে বড় জালিম কে, যাকে তার রবের আয়াতসমূহ দ্বারা উপদেশ দেওয়া হয়েছে, তারপর সে তা থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে? নিশ্চয় আমি অপরাধীদের থেকে প্রতিশোধ গ্রহণকারী।" (সূরা আস-সাজদাহ: ২২)

বিশেষ দ্রষ্টব্য: ইমাম ইবনে আব্দুল ওয়াহহাব (রহ.) বলেন, এই ১০টি বিষয়ের ক্ষেত্রে ঠাট্টা করে, ইচ্ছাকৃতভাবে কিংবা ভয়ে পড়ে যেভাবেই তা করা হোক না কেন—সব সমান (অর্থাৎ ঈমান ভেঙে যাবে)। তবে কেউ যদি জবরদস্তির শিকার হয়ে (প্রাণভয়ে বাধ্য হয়ে) মুখে কুফরি বাক্য উচ্চারণ করে, কিন্তু তার অন্তর ঈমানের ওপর দৃঢ় থাকে, তবে সে এর অন্তর্ভুক্ত হবে না (যেমনটি সূরা আন-নাহল-এর ১০৬ নম্বর আয়াতে বলা হয়েছে)।

ব্যারিস্টার ফুয়াদ বলেছেন -উদ্ধৃতি শুরুঃ“আমাদের দেশে বলদ ব্যবসায়ী নাই, জিহাদ ব্যবসা করতেছে। জঙ্গি ব্যবসা করতেছে। এই যে ব...
19/07/2026

ব্যারিস্টার ফুয়াদ বলেছেন -

উদ্ধৃতি শুরুঃ

“আমাদের দেশে বলদ ব্যবসায়ী নাই, জিহাদ ব্যবসা করতেছে। জঙ্গি ব্যবসা করতেছে। এই যে বলদগুলোকে দিয়ে দিয়া অনলাইনে এই পতাকা বানাইলো। লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ দিয়ে কালেমা খচিত পতাকা বানাইলো। ওয়ার্ল্ড কাপের সময় কেন? সারা বছর মনে থাকে না। পতাকা দিয়া কী হবে? মুসলমানরা কি? আমরা যারা মুসলমান, আমরা যারা দ্বীন জানি, বুঝি, একটু মানার চেষ্টা করি—আমাদের গায়ে কি পতাকার এই কালেমা লেখা থাকে? আমরা চলি, মুসলমানরা পথ চলে, কী কলেমা লেখা লেখা চলে? তাহলে এই কাজটা কেন করতে হইলো? এবং এই রংটা বেছে হইলো কেন? এবং এমন একটা সময়, যেখানে বিশ্বকাপ চলতেছে।

ওয়ার্ল্ড কাপের সময় কেন? সারা বছর মনে থাকে না। পতাকা দিয়া কী হবে? মুসলমানরা কি? আমরা যারা মুসলমান, আমরা যারা দ্বীন জানি, বুঝি, একটু মানার চেষ্টা করি—আমাদের গায়ে কি পতাকার এই কালেমা লেখা থাকে? আমরা চলি, মুসলমানরা পথ চলে, কী কলেমা লেখা লেখা চলে? তাহলে এই কাজটা কেন করতে হইলো এবং এই রংটা বেছে হইলো কেন?”

উদ্ধৃতি শেষ।

---

উত্তরঃ

ব্যারিস্টার ফুয়াদ,

ডেমোক্রেসির ফেরিওয়ালা হিসেবে আপনার এই বক্তব্যটি অত্যন্ত প্রবলেম্যাটিক এবং সেলফ কনফ্লিকটিং। আপনার পশ্চিমা গণতন্ত্রের মূল ভিত্তিই হলো ব্যক্তি স্বাধীনতা এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতা। গণতান্ত্রিক দর্শন মতে, কোনো প্রতীক বা পতাকা যদি রাষ্ট্রীয়ভাবে নিষিদ্ধ না হয়, তবে যেকোনো নাগরিকের তা প্রদর্শন করার পূর্ণ আইনি অধিকার রয়েছে।

বিশ্বকাপ চলাকালে দেশের লক্ষ লক্ষ মানুষ যদি ব্রাজিল বা আর্জেন্টিনার পতাকা ওড়াতে পারে, তবে কোনো মুসলিম যদি কালিমার পতাকা ওড়াতে চায়, সেটিও সম্পূর্ণ তার গণতান্ত্রিক অধিকার। কিন্তু আপনি সেখানে "জঙ্গি ব্যবসা" এবং "বলদ" এর মতো শব্দ ছুড়ে দিয়ে পরোক্ষভাবে কালিমার পতাকাকে ক্রিমিনালাইজ করার চেষ্টা করেছেন। এটি করতে চাইলে কেবল কন্সপিরেসি থিওরি সাজিয়ে সিদ্ধান্তে পৌঁছালে হবে না; বরং সাবস্ট্যানশিয়াল এভিডেন্স দেখাতে হবে।

লক্ষ্য করুন, নোয়াম চমস্কি প্রমাণ করেছেন, Democracy is a threat to any power system.[১] আপনি একজন ডেমোক্রেসির ধারক বাহক হিসেবে, আপনাকেও কি তাহলে আমরা পটেনশিয়াল থ্রেট হিসেবে ট্রিট করব?
বাকী অংস কমেন্টে চেক দিন,

মন্দিরগুলোতে অনেক আগ থেকেই মার্শাল আর্ট প্রশিক্ষণ নেয় বাংলাদেশের হিন্দুরা।উদ্দেশ্য- নতুন কুরু-ক্ষেত্রের (যু-দ্ধের) প্রস্...
07/07/2026

মন্দিরগুলোতে অনেক আগ থেকেই মার্শাল আর্ট প্রশিক্ষণ নেয় বাংলাদেশের হিন্দুরা।
উদ্দেশ্য- নতুন কুরু-ক্ষেত্রের (যু-দ্ধের) প্রস্তুতি, লক্ষ্য- অখণ্ড ভা-রত বা মহাভারত প্রতিষ্ঠা।
হিন্দুদের মন্দিরগুলোতে অখণ্ড বা মহাভারতের মানচিত্রও ঝুলানো থাকে।
অধিকাংশ হিন্দুর হাতে থাকে অখণ্ড ভারত প্রতিষ্ঠার শপথ নেয়ার দলিল-
পুরুষের বাম হাতে লাল সুতা, নারীর ডান হাতে লাল সুতা।
এরা নিয়মিত ভারত যায়, এবং ভারতর উগ্র হি-ন্দুত্ববাদী সংগঠনগুলোর নেতারাও নিয়মিত বাংলাদেশে আসে এবং প্রায়শই বাংলাদেশ দখলের হুমকি দেয়।

কিন্তু এতকিছুর পরও হি-ন্দুত্ববাদের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের সরকার নির্বিকার।
আগে ছিলো আওয়ামীলীগ, এখন জামায়াত, বিএনপি সরকার।
তাদের সব ক্ষোভ শুধু হুজুরদের উপর।
হুজুররা মার্শাল আর্ট শিখলেও নাকি দোষ,
এবং সেটা নাকি বাংলাদেশে স্বাধীনতা সার্বভৌমত্বের উপর আঘাত।
অথচ বাংলাদেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে হুজুররাই প্রথমে ফ্রি এগিয়ে আসে।

যাই হোক, মূল কথা হলো- যে দেখতে হুজুর তার চলন বাঁকা।
জঙ্গলের গল্প- বাঘ ঝর্ণার উপর থেকে নিচের হরিণ শাবককে বলে-
তুই পানি ঘোলা করলি কেন ?
হরিণ শাবক বললো- বাঘ, আপনি তো উপরে, আমি নিচে,
আমি কিভাবে আপনার পানি ঘোলা করলাম ?
বাঘ বললো- তুই করিসনি তো কি হয়েছে ?
তোর বাপ দাদার চৌদ্দ পুরুষের তো কেউ করেছে ?

মানে সরকারি দল হুজুদের দমন করবে, এটাই তাদের পলিসি,
সেটা যে অজুহাতেই হোক।

এসকল বামদের সাহস থাকলে শারিয়াহ শাসনের পক্ষে-বিপক্ষে একটা গণভোট দিয়ে দেখুক না বাংলাদেশের মানুষ কী চায়! ৭০-৮০% মানুষ তো শ...
04/07/2026

এসকল বামদের সাহস থাকলে শারিয়াহ শাসনের পক্ষে-বিপক্ষে একটা গণভোট দিয়ে দেখুক না বাংলাদেশের মানুষ কী চায়! ৭০-৮০% মানুষ তো শরীয়াহ শাসনই চাইবে, এটাই বাস্তবতা।

​যদিও জানি, তাদের এই গণভোটের সিস্টেম আর গণনাকারীদের ওপর ইসলামপন্থীদের কোনো বিশ্বাস নেই। সেখানেও তারা ইসলামের বিরুদ্ধে কারচুপি করবে, এটাই তো স্বাভাবিক!

বিশেষ দ্রষ্টব্য : যারা ইসলামী শরিয়ায় বিশ্বাসী নয় তারা কখনো মুসলিম হতে পারে না, এ লোকের নাম পরিবর্তন করে নামের থেকে ইসলাম বাদ দিতে হবে।

উদাসীন যুবসমাজ ও আমাদের বিবেক: একটি নির্মম বাস্তবতা​ওরা বন্য, ওরা বর্বর, ওরা অসভ্য! ওরা যেন এক উন্মাদ, চরম অসচেতন—যাদের ...
01/07/2026

উদাসীন যুবসমাজ ও আমাদের বিবেক: একটি নির্মম বাস্তবতা

​ওরা বন্য, ওরা বর্বর, ওরা অসভ্য! ওরা যেন এক উন্মাদ, চরম অসচেতন—যাদের সম্পর্কে পবিত্র কোরআনের ভাষায় বলা যায়, "বাহিমাতুল আনআম" (চতুষ্পদ জন্তুর মতো) কিংবা "বাল হুম আদাল" (তার চেয়েও নিকৃষ্ট)।

​আজ যখন আমাদের মা-বোনেরা নির্মম নির্যাতন ও নৃশংস হত্যাকাণ্ডের শিকার,
যখন আমাদের জন্মভূমি শত্রুর আগ্রাসনে দখলের দ্বারপ্রান্তে,
যখন আমাদের দ্বীন ও ঈমান একশ্রেণির কুচক্রী ও মুশরিকদের হাতে লাঞ্ছিত-অপমানিত,
এবং যখন সেক্যুলার ও সত্যবিমুখ অপশক্তিগুলো রবের সাথে চরম গাদ্দারিতে লিপ্ত—তখনও এই যুবসমাজ কীভাবে নির্বিকার থাকে?
​চারপাশের এত রক্তপাত, এত হাহাকারের মাঝেও তারা যদি উন্মাদ না-ই হবে, তবে কীভাবে দিন-রাত খেল-তামাশা, বিনোদন আর আমোদ-প্রমোদে মত্ত হয়ে আছে?

​এই চরম অসচেতন ও নামধারী মুসলিম যুবকদের দিয়ে না উম্মাহর কোনো উপকার হবে, না তারা নিজেদের পরিবারের কোনো কল্যাণে আসবে। চূড়ান্ত পরিণতিতে এই উদাসীনতা ও নিষ্ক্রিয়তা তাদের জাহান্নামের জ্বালানি হওয়া ছাড়া আর কী-ই বা বয়ে আনবে?
​এখনও সময় আছে, এই ঘুমন্ত যুবসমাজকে জেগে উঠতে হবে। নিজেদের দায়িত্ব ও ঈমানী চেতনাকে পুনরুজ্জীবিত করতে হবে।

Imtiaz Bin Ismail

রুকইয়াহ কী? কিভাবে করা হয়?রুকইয়ার নামে তাবিজ তুমার ব্যবহার করে শিরকে জড়িয়ে পড়ছেন না তো?রুকইয়াহ অর্থ হলো ঝাড়ফুঁক,ইস...
29/04/2026

রুকইয়াহ কী?
কিভাবে করা হয়?
রুকইয়ার নামে তাবিজ তুমার ব্যবহার করে শিরকে জড়িয়ে পড়ছেন না তো?

রুকইয়াহ অর্থ হলো ঝাড়ফুঁক,
ইসলামে ঝাড়ফুঁক-কে রুকইয়াহ বলে।
আর রুকইয়াহ শারইয়্যাহ মানে শরিয়াত সম্মত ঝাড়ফুঁক, কোরআনের আয়াত অথবা হাদিসে বর্ণিত দোয়া দ্বারা ঝাড়ফুঁক করাকেই রুকইয়াহ বলে।

এই ঝাড়ফুঁক সরাসরি কারো ওপর হতে পারে, অথবা কোনো পানি বা খাদ্যের ওপর করে সেটা খাওয়া অথবা ব্যাবহার করা হতে পারে। এক্ষেত্রে রুকইয়ার পানি, অথবা রুকইয়ার গোসল ইত্যাদি পরিভাষা ব্যবহার হয়।

রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “রুকইয়াতে যদি শিরক না থাকে, তাহলে কোনো সমস্যা নেই।” (সহীহ মুসলিম, হাদিস নং ৫৫৪৪)।

* ফিক্বহী বিধানঃ ফক্বিহদের মতে রুকইয়াহ বৈধ হওয়ার জন্য ৪টি শর্ত পূরণ হওয়া আবশ্যক, যথা-
১. এতে কোন শিরক বা কুফরির সংমিশ্রণ না থাকা।
২. ঝাড়ফুঁকের নিজের কোন সক্ষমতা আছে; এমন কোন বিশ্বাস না রাখা। বরং বিশ্বাস করা, আল্লাহর ইচ্ছাতেই এর প্রভাব হয়, আল্লাহর হুকুমেই এর দ্বারা আরোগ্য হয়।
৩. এখানে পাঠ করা আয়াত ও দোয়াগুলো স্পষ্ট, সহিহশুদ্ধ আরবি ভাষায় হওয়া।
৪. যদি অন্য ভাষায় হয়, তবে এমন হওয়া; যার অর্থ স্পষ্টভাবে বোঝা যাবে।

* রুকইয়া যেভাবে করা হয়ঃ বিভিন্ন ভাবে রুকইয়া করা হয়, যেমনঃ দোয়া বা আয়াত পড়ে ফুঁ দেয়া হয়, মাথায় বা আক্রান্ত স্থানে হাত রেখে দোয়া/আয়াত পড়া হয়। এছাড়া পানি, তেল, খাদ্য বা অন্য কিছুতে দোয়া অথবা আয়াত পড়ে ফুঁ দিয়ে খাওয়া এবং ব্যাবহার করা হয়, ইত্যাদি।

* উপকার পাওয়ার পূর্বশর্তঃ রুকইয়া করে উপকার পেতে তিনটি জিনিসের প্রয়োজন।
১. নিয়্যাত (কেন রুকইয়া করছেন, সেজন্য নির্দিষ্টভাবে নিয়াত করা)
২. ইয়াক্বিন (এব্যাপারে ইয়াকিন রাখা যে, আল্লাহর কালামে শিফা আছে)
৩. মেহনত (অনেক কষ্ট হলেও, সুস্থ হওয়া পর্যন্ত ধৈর্য ধরে রুকইয়া চালিয়ে যাওয়া)।

* বিঃ দ্রঃ রুকইয়ার ফায়দা ঠিকমতো পাওয়ার জন্য দৈনন্দিনের ফরজ অবশ্যই পালন করতে হবে, পাশাপাশি সুন্নাতের প্রতিও যত্নবান হতে হবে। যথাসম্ভব গুনাহ থেকে বাঁচতে হবে। (মেয়েদের জন্য পর্দার বিধানও ফরজ) ঘরে কোনো প্রাণীর ছবি / ভাস্কর্য রাখা যাবেনা। আর সুরক্ষার জন্য সকাল-সন্ধ্যার মাসনুন আমলগুলো অবশ্যই করতে হবে। গান, বাদ্য ও অশ্লীলতা থেকে বেঁচে থাকতে হবে।

স্বামীর প্রতি স্ত্রীর সন্মান প্রদর্শন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কেননা এই মর্যাদার কথা ইসলাম নিজে ঘোষণা করেছে। প্রিয় নবী (ﷺ) ...
23/04/2026

স্বামীর প্রতি স্ত্রীর সন্মান প্রদর্শন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কেননা এই মর্যাদার কথা ইসলাম নিজে ঘোষণা করেছে।

প্রিয় নবী (ﷺ) বলেছেন, ‘‘স্ত্রীর জন্য স্বামী তার জান্নাত অথবা জাহান্নাম।’’[১]

‘‘যদি আমি কাউকে কারো জন্য সিজদা করতে আদেশ করতাম, তাহলে নারীকে আদেশ করতাম, সে যেন তার স্বামীকে সিজদা করে।’’[২]

‘‘স্ত্রীর কাছে স্বামীর এমন অধিকার আছে যে, স্ত্রী যদি স্বামীর দেহের ঘা চেঁটেও থাকে তবুও সে তার যথার্থ হক আদায় করতে পারবে না।’’[৩]

‘‘মহিলা যদি নিজ স্বামীর হক (যথার্থরূপে) জানতো, তাহলে তার দুপুর অথবা রাতের খাবার খেয়ে শেষ না করা পর্যন্ত সে (তার পাশে) দাঁড়িয়ে থাকতো।’’[৪]

‘‘তাঁর শপথ যাঁর হাতে মুহাম্মাদের প্রাণ আছে! নারী তার প্রতিপালকের হক ততক্ষণ পর্যন্ত আদায় করতে পারে না, যতক্ষণ পর্যন্ত না সে তার স্বামীর হক আদায় করেছে। সওয়ারীর পিঠে থাকলেও যদি স্বামী তার মিলন চায় তবে সে বাধা দিতে পারবে না।’’[৫]

‘‘দুই ব্যক্তির নামায তাদের মাথা অতিক্রম করে না (কবুল হয় না) ; সেই ক্রীতদাস যে তার প্রভুর নিকট থেকে পলায়ন করেছে, সে তার নিকট ফিরে না আসা পর্যন্ত এবং যে স্ত্রী তার স্বামীর অবাধ্যাচরণ করেছে, সে তার বাধ্য না হওয়া পর্যন্ত (নামায কবুল হয় না।)’’[৬]

স্বামী যখন তার স্ত্রীকে নিজ বিছানার দিকে আহ্ববান করে তখন যদি স্ত্রী না আসে, অতঃপর সে তার উপর রাগান্বিত অবস্থায় রাত্রি কাটায়, তবে সকাল পর্যন্ত ফিরিশ্তাবর্গ তার উপর অভিশাপ করতে থাকেন।’’ অন্য এক বর্ণনায় ‘‘যতক্ষণ পর্যন্ত না স্বামী তার প্রতি সন্তুষ্ট হয়েছে, ততক্ষণ পর্যন্ত ফিরিশ্তা তার উপর অভিশাপ করতে থাকেন।’’[৭]

‘‘রমণী তার পাঁচ ওয়াক্তের নামায পড়লে, রমযানের রোযা পালন করলে, ইজ্জতের হিফাযত করলে ও স্বামীর তাবেদারী করলে জান্নাতের যে কোন দরজা দিয়ে ইচ্ছামত প্রবেশ করতে পারবে।[৮]

‘‘শ্রেষ্ঠ রমণী সেই, যার প্রতি তার স্বামী দৃকপাত করলে সে তাকে খোশ করে দেয়, কোন আদেশ করলে তা পালন করে এবং তার জীবন ও সম্পদে স্বামীর অপছন্দনীয় বিরুদ্ধাচরণ করে না।’’[৯]

স্বামীর আনুগত্য স্ত্রীর জন্য আল্লাহ ও তদীয় রসূলের আনুগত্য। সুতরাং স্বামীকে অসন্তুষ্ট বা অমর্যাদা করা চলবে না, মনে রাখতে হবে স্বামীকে সন্তুষ্ট করলে আল্লাহ সন্তুষ্ট হন।

রেফারেন্সঃ
১] (ইবনে আবী শাইবাহ ,নাসাঈ, তাবারানী, হাকেম , প্রভৃতি, আদাবুয যিফাফ ২৮৫পৃঃ)
[২] (তিরমিযী, মিশকাতুল মাসাবীহ ৩২৫৫নং)
[৩] (হাকেম , ইবনে হিববান, ইবনে আবী শাইবাহ , সহীহুল জামে ৩১৪৮ নং)
[৪] (ত্বাবারানী, সহীহ আল-জা-মিউস সাগীর অযিয়াদাতুহ ৫২৫৯নং)
[৫] (ইবনে মাজাহ, মুসনাদে আহমদ, ইবনে হিববান , আদাবুয যিফাফ ২৮৪পৃঃ)
[৬] (ত্বাবারানী, হাকেম , আস-সিলসিলাতুস সহীহাহ ২৮৮নং)
[৭] (বুখারী, মুসলিম, আবু দাঊদ, মুসনাদে আহমদ, প্রভৃতি, আদাবুয যিফাফ ২৮৩পৃঃ)

৮] (ত্বাবারানী, ইবনে হিববান, সহীহ, মুসনাদে আহমদ, প্রভৃতি, মিশকাতুল মাসাবীহ ৩২৫৪নং)

[৯] (আস-সিলসিলাতুস সহীহাহ ১৮৩৮নং)

13/04/2026

হে আল্লাহু এই মোহান নেতাদের কথা কে সত্য প্রমাণিত করুন,
এই জুলুমতন্ত্রের অবসান করে এই বাংলার মাটিতে ইসলামী ইমারাহ প্রতিষ্ঠা করুন।

13/04/2026

কারা কারা সাহাবাগিদের কাছে বলদ হতে চাও।

Address

Noakhali
Companiganj
3850

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when IBI Tawhid Media posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to IBI Tawhid Media:

Shortcuts

Share