তৈয়্যবীয়া দরবার শরীফ

তৈয়্যবীয়া দরবার শরীফ Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from তৈয়্যবীয়া দরবার শরীফ, Religious Center, Bharasar, Burichong, Comilla.

26/08/2026

💚💚💚

26/08/2026

বিশ্বখ্যাত ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় আল-আজহারের গ্র্যান্ড ইমাম ও শায়খুল আজহার ড. আহমেদ আল-তৈয়্যব (হাফিযাহুল্লা) এর একটি সুমহান বাণী✨

01/08/2026

~বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম~
🔷আজ ১৭ ই শ্রাবণ ১৪৩৩ বাংলা,
১লা আগস্ট ২০২৬। রোজ : শনিবার ।
খলিফায়ে গাউছুল আজম মাইজভান্ডারি(কঃ), গাউছে সুলতান, কুতুবুল আউলিয়া, শাহ-হে দো-আলম, রুহুল আশেকীন, ছেরাজুছ ছালেকীন, হাযত রাওয়া, মুশকিল কোশা,ফানাফিল্লাহ- বাকাবিল্লাহ, সাইয়্যেদেনা মোর্শেদেনা হযরত মাওলানা ছৈয়দ জমির উদ্দীন আহম্মদ [প্রকাশ: নূর-নগরী] ( ক:) কেবলা কাবা'র ১৫৩ তম পবিত্র খোশরোজ শরীফ।

🔷আসুন আজ এই মহান অলির পবিত্র খোশরোজ উপলক্ষে "তৈয়্যবীয়া দরবার শরীফ" এর উদ্যোগে প্রকাশিত তাঁর সংক্ষিপ্ত জীবনী সম্পর্কে জেনে নেই।

🔶প্রকাশ: নূর নগরী (কঃ)।
🔶লাখো সালাত ও সালাম মাহবুবে খোদা, মখলুকাতের মূল উৎস ও আদি জনাবে আহমদ মোস্তফা মোহাম্মদ মোজতবা (দ)-এর উপর এবং তাঁরই আহলে বায়াত, সাহাবায়ে কেরাম এবং তাঁরই উত্তরসূরী আউলিয়া কেরামের প্রতি অসংখ্য সালাম প্রেরণ করি, যাদের নিগাহে করম ও কৃপাদৃষ্টিতে তাঁর জীবনের সার-সংক্ষেপ রচনা করার অনুপ্রেরণা পেয়েছি।
🔶দ্বাদশ শতাব্দির বাংলাদেশের কথা বলছি। এই দেশেরই কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার ক্ষুদ্র একটি গ্রাম লতিফ শিকদার নামে পরিচিত। এই ক্ষুদ্র গ্রামেই হযরত মাওলানা সৈয়দ জমির উদ্দিন আহমদ নূরনগরী (কঃ) প্রকাশ তিশনাপুরীর জন্ম হয় ১২৮০ বাংলার ১৭ শ্রাবণ সোমবার। এই মহান আল্লাহর অলির পদস্পর্শে লতিফ শিকদার গ্রাম এখন 'নগর শরীফ' নামে আশেকানদের তীর্থ স্থানে পরিণত হয়েছে।
🔶হযরত নূর নগরী (কঃ) বংশের দিক দিয়ে হযরত সৈয়দ সোলতান ইব্রাহীম শাহ বলখি মাহরুহী (রহঃ)-এর অষ্টম বংশধর। তিনি মধ্য এশিয়ার বলখ রাজ্যের সোলতান ছিলেন। ধর্ম প্রচারের উদ্দেশ্যে তিনি এদেশে আসেন। তাঁর মাজার শরীফ বর্তমানে বগুড়ার মহাস্থান গড়ে বিদ্যমান আছে।
🔶হযরত নূর নগরী (কঃ) চট্টগ্রামের দারুল উলুম মাদ্রাসায় পাঠ্য জীবন শেষ করে কিছুদিন বাড়িতে অবস্থান করার পর কুমিল্লা শহরের অনতিদূরে কালিকাপুর কাজী বাড়িতে জায়গীর থেকে মসজিদে ইমামতি করতেন ও মসজিদের পাশে মক্তবে শিক্ষকতা করতেন। অবসর সময়ে কঠোর ইবাদতে লিপ্ত থাকতেন। শৈশবকালে অর্থাৎ নয় বছর বয়স থেকে তিনি পাঞ্জেগানা নামায, রোজা ও পবিত্র কুরআন শরীফ পাঠে অভ্যস্ত ছিলেন। চট্টগ্রামে মাদ্রাসায় পড়ার সময় যে ইবাদত বন্দেগী করেছেন, তার বর্ণনা দিতে গিয়ে তাঁর এক সহপাঠি পার্শ্ববর্তী গ্রাম নিবাসী মরহুম আব্বাস আলী সাহেব বলেন, আমি জীবনে অনেক বুজুর্গ ব্যক্তির সান্নিধ্য লাভ করেছি। কিন্তু হযরত নূর নগরীর (কঃ) মত ইবাদতী, সংযমী, সহমর্মী ও কঠিন সাধনারত লোক কোথাও দেখিনি।পাঠ্যাবস্থায় তাঁর ধর্মীয় চেতনা বিকশিত তথা আধ্যাত্মিক সাধনা আরম্ভ হয়। শরীয়তের বিধানগুলোসহ নফল ইবাদত-আরাধনা কঠোরভাবে অনুশীলন করতেন। আধ্যাত্মিক উৎকর্ষের জন্য সুপ্রসিদ্ধ পীর দরবেশ ও অলি-ই-কামিলগণের সন্ধান করে তাঁদের সাহচর্যে বা মাজারে হাজির হয়ে ঐশীতত্ত্ব জ্ঞানে নিমগ্ন থেকে ঐশী প্রেম অর্জনের জন্য কঠোর পরিশ্রম করতেন। এ সময় তিনি কুমিল্লা দারোগা বাড়িতে অবস্থানরত প্রসিদ্ধ। পীরে কামিল মাওলানা শেখ আবদুল্লাহ গাজীপুরী শাহ্ (রহঃ) সাহেবের খেদমতে আসা-যাওয়া করতেন। তাছাড়া কখনো কখনো তাঁকে সিলেট হযরত শাহজালাল (রহঃ) শাহর মাজারে ও খড়মপুরের হযরত কল্লা শহীদের (রহঃ) মাজারে রাত্রিকালে ধ্যানে মগ্ন অবস্থায় দেখা যেত। কিছুকাল কালিকাপুর অবস্থানের পর তিনি কুমিল্লার অদূরে বুড়িচং উপজেলার রামনগর গ্রামে সরকার বাড়িতে জায়গীরে চলে আসেন। এখানেও তিনি মসজিদে ইমামতি ও মক্তবে পাঠ দান করতেন। এ সময় তিনি কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া স্কুলে আরবী শিক্ষক হিসাবেও যোগদান করেন। তখন থেকে তাঁর আধ্যাত্মিক জীবন-সাধনা বিশেষভাবে পরিলক্ষিত হতে থাকে। অনাহার, অর্ধাহার ও রাত্রি জাগরণ করে ইবাদতে মশগুল থাকতেন। এই সাধন-ভজনকালে প্রায়ই সায়েমুদ্দাহার বা সারা বৎসর রোজা পালন করতেন। রামনগর গ্রাম থেকে মাঝে মাঝে এশা নামাযের পর রাত্রির অন্ধকারে অদৃশ্য হয়ে যেতেন। আখাউড়ার নিকটে খড়মপুর কল্লা শহীদের মাজারে অনেক রাত্রে তাঁর সাক্ষাত পাওয়া যেত। আবার প্রত্যুষে ফজর নামাযের সময় রামনগর মসজিদে ইমামতি করতেও দেখা যায় তাঁকে।
🔶পীরের সন্ধানে তিনি বাহির হলেন। প্রায়শঃ কুমিল্লা দারোগা বাড়ীতে গাজীপুরী শাহ্ (রহঃ) সাহেবের নিকট আসা-যাওয়া করতেন। তাঁরই আদেশে ঢাকার মশুরীখোলার শাহ আহছান উল্লা সাহেবের নিকট যান। কিছুকাল তাঁর সাহচর্য্যে থাকার পর কুমিল্লা ফিরে আসার পথে আজিমপুরের হযরত দায়েম শাহ্ (রহঃ) এবং দিলকুশার হযরত নেয়ামত উল্লা (রহঃ) এর সঙ্গেও দেখা করে আসেন। কুমিল্লা ফিরে এসে আবার গাজীপুরী (রঃ)-এর সঙ্গে দেখা করলে গাজীপুরীর নির্দেশে এই প্রথমবারের মতো মাইজভাণ্ডার দরবার শরীফের তৎকালীন পীরে কামিল গাউসুল আযম হযরত সৈয়দ আহমদ উল্লাহ কেবলা মাইজভাণ্ডারীর (কঃ) উদ্দেশ্যে রওয়ানা হন। চট্টগ্রাম পৌঁছার পর রেল স্টেশন থেকে বের হতেই তাঁর সামনে এক পাগলবেশী লোক এসে তাঁকে সালাম দিয়ে জানালেন যে, তাঁর নাম নজির আহমদ। তিনিও মাইজভাণ্ডার শরীফে যাচ্ছেন। উল্লেখ্য যে, এই নজির শাহ (রহঃ) তৎকালীন চট্টগ্রাম শহরের সুপরিচিত মঞ্জুব ফকীর ও শহর কুতুবদের মধ্যে অন্যতম। চট্টগ্রাম রেল স্টেশনের পাশেই তাঁর মাজার শরীফ বর্তমানে বিদ্যমান আছে। হযরত নজীর শাহ (রহঃ) ও নূর নগরী (কঃ) এক সাথে মাইজভাণ্ডার দরবার শরীফে গিয়ে পৌঁছলেন। পথ প্রদর্শক হিসাবেই যেন নজির শাহ (রহঃ) কে ভাণ্ডারী পাঠিয়েছেন।
🔶গাউসুল আযম হযরত সৈয়দ আহমদ উল্লাহ্ মাইজভাণ্ডারী (কঃ) কেবলা তখন নিজ হুজরাতে ভক্ত-আশেক পরিবেষ্টিত হয়ে গদীতে বসা ছিলেন। নজির শাহ্ (রহঃ) নূর নগরীর (কঃ) হাত ধরে হুজরাতে পৌঁছা মাত্র হযরত কেবলা জজবায়ী হালতে চট্টগ্রামের স্থানীয় ভাষায় কালাম ফরমালেন, "আঁর পোয়া নূরনগরী আইস্যে।" অর্থাৎ আমার ছেলে নূরনগরী এসেছে। নজির শাহ্ (রহঃ) নূর নগরীর (কঃ) হাত ছেড়ে দিলেন। তখন হতে হযরত শাহ্ সৈয়দ জমির উদ্দিন আহমদ (কঃ) নূর নগরী উপাধিতে ভূষিত হন এবং দেশ-বিদেশে এই নামেই পরিচিতি লাভ করেন। এই প্রথমবার হযরত নূর নগরী (কঃ) মাইজভাণ্ডারে তিন দিন অবস্থান করেন। অবস্থানের শেষ দিন নূর নগরী ও
আরও দুইজন মৌলভী সাহেব ফজর নামাযের অজু শেষ করে মসজিদে প্রবেশ করেছেন, এমন সময় হযরত কেবলার এক খাদেম এসে বললেন, আপনারা তিনজনকে হযরত কেবলা তাঁর সাথে দেখা করতে আদেশ করেছেন। তাঁরা হুজরায় উপস্থিত হলে তিনজনকে "দালায়েলুল খায়রাত" অজিফার নাম বলেন। তাঁরা যেন বাড়ি গিয়ে উক্ত অজিফাটি সংগ্রহ করে এক মাস তিন দিন পর অজিফাসহ এসে দেখা করেন। আদেশ মোতাবেক হযরত নূর নগরী (কঃ) কুমিল্লা হতে অজিফাটি সংগ্রহ করে পদব্রজে মাইজভাণ্ডার শরীফের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হন। পথিমধ্যে ত্রিশটি মসজিদে ত্রিশরাত্র অবস্থান করেন। প্রত্যেক মসজিদে অবস্থানকালে এক পারা কুরআন শরীফ পাঠ করে অজিফাটি পড়তেন। এভাবে এক মাস তিন দিন পর মাইজভাণ্ডার শরীফ উপস্থিত হলেন। দরবারে গিয়ে দেখলেন অন্য দুইজন মৌলভী সাহেব তাঁর পূর্বেই দরবারে উপস্থিত হয়েছেন। নির্দিষ্ট সময়ে তাঁরা তিনজন হযরত কেবলার সামনে উপস্থিত হলে হযরত কেবলা একজনের হাত থেকে তাঁর অজিফাটি নিয়ে পাতা উল্টাতে উল্টাতে বললেন; "ইসমে হরফ নেহি হ্যায়"। দ্বিতীয় জনের অজিফা নিয়ে পাতা উল্টায়ে একই কালাম ফরমালেন। শেষে নূর নগরীর অজিফাটি নিয়ে এক এক করে পাতা উল্টায়ে কালাম ফরমালেন, "ইসমে হরফ হ্যায়, ইসমে হরফ হ্যায়, ইসমে কাম হোগা।" নূর নগরীর অজিফাটি হযরত কেবলা নিজের কাছে রেখে দিলেন।
🔶এই মহান আধ্যাত্মিক সাধক অলি-ই কামিল, সাধনাকালে অনেকবার পার্বত্য অঞ্চল ভ্রমণ করেন ও সেখানে অনেক অলৌকিক ঘটনার প্রমাণ আছে। বাংলাদেশ ছাড়াও ভারতে তাঁর অনেক ভক্তবৃন্দ রয়েছেন। মাইজভাণ্ডারীয়া ত্বরিকার প্রচার ও প্রসার করার উদ্দেশ্যে তিনি বাংলাদেশ ও ভারতের বিভিন্ন জায়গায় সায়ের বা সফর করেছেন। নূরনগর দরবার হতে তিনটি গজলের বই প্রকাশিত হয়েছে যথা, প্রেম পুষ্পহার, শায়েরে বন্দে আলী ও তৌহিদ তত্ত্ব; যা ভাণ্ডারী ও নূরনগরীর দরবারে সামার মাহফিলে গাওয়া হয়। নূর নগরী (কঃ)-এর খেলাফতপ্রাপ্ত ভক্তদের মধ্যে অনেকেই অলি-ই কামেলে পরিণত হন।
🔶নূরনগরীর (কঃ) অনেক কারামত আছে; যেমন মাতৃগর্ভে থাকাকালিন কারামত, পার্বত্য অঞ্চলে ভ্রমণ কালের অনেক অলৌকিক ঘটনা, রেল দুর্ঘটনার কবল হতে ভক্তকে রক্ষা করা; দুরারোগ্য রোগ থেকে ভক্তের মুক্তি দান, জমিদারীর অধিকার পুনঃপ্রাপ্তি, দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের ভবিষ্যতবাণী, পানের মাধ্যমে সন্তান লাভ, ভক্তের অন্তিম মুহূর্তে সশরীরে উপস্থিতি, মুহূর্তে ভক্তকে নিয়ে মাইজভাণ্ডার গমন ও ফিরে আসা, ওফাতের পর মক্কা শরীফে সাক্ষাত দান ও বেসালের পর ভক্তের ডাকে সাড়া দিয়ে ভক্তকে বিপদ থেকে মুক্ত করা ইত্যাদি। তাঁর অনেক কারামত আছে এই ক্ষুদ্র পরিসরে যার বিস্তারিত বর্ণনা দেওয়া সম্ভব নয়। নূর নগরী সম্বন্ধে বিস্তারিত জানতে হলে তাঁর জীবনী শরীফ পাঠ করুন। নূর নগরীর দরবার শরীফে জীবনী শরীফ পাওয়া যায়। তিনি যে কত বড় অলি ছিলেন, তা নিম্নের একটি বর্ণনা থেকে জানা যাবে।
🔶হযরত নূর নগরীর (কঃ) এক খাদেম, রামনগরের ফকির আমজাদ আলী সাহেব বর্ণনা করেন, এক মাওলানা ও পীর সাহেব সব সময় নিজ বুজুর্গী সম্বন্ধে প্রকাশ্যে ফলাও করে অনেক কথা বলতেন। খাদেম সাহেব উক্ত মাওলানার বিষয় নূরনগরী (কঃ)-এর নিকট প্রকাশ করলে
নূর নগরী (কঃ) বলেন যে, এমন বুজুর্গ ব্যক্তিকে আলমে জক্রতে (বা আকাশ মণ্ডলে বা দ্যুলোকে) যেখানে সারা পৃথিবীর ৩ শতজন আউলিয়ার সভা অনুষ্ঠিত হয়, সেখানে দেখিনা কেন? এই কালাম শুনে বুঝ করলাম, আমি যে মহামানবের সাথে কথা বলছি তিনি অসামান্য ব্যক্তিত্ব এবং বহু ঊর্ধ্ব মোকামের অলি। খাদেম সাহেব বলেন, আমি তৎক্ষণাৎ হযরত নূরনগরী কেবলার পদচুম্বন করলাম।
🔶আল্লাহ তায়ালা তাঁর প্রিয় বন্ধুদের পরলোক গমনের বিষয়ে কুরআনে ঘোষণা করেছেনঃ
"এবং যাহারা আল্লাহ পথে নিহত হইয়াছেন তাহাদিগকে মৃত বলিও না, বরং তাঁহারা জীবিত; কিন্তু তোমরা তাহা অবগত নও” (সূরা বাকারা)।
হযরত নূর নগরী (কঃ) অনাবিল করুণা বারি বর্ষণের পর খোদা তায়ালার তৌহিদ তোরণ চির উন্মুক্ত করে সুদীর্ঘ ৭২ বৎসরকাল জগতে তাঁর আধ্যাত্মিক লীলা সম্পূর্ণ করে মহাপ্রভুর মহাজাতে মিলিত হতে প্রস্তুত হলেন। ১৩৫২ বাংলা ২রা মাঘ রোজ বুধবার অপরাহ্ন ১-৩০ মিনিটের সময় তিনি প্রিয়তম মাহবুব মহান আল্লাহ সান্নিধ্যে মিলিত হন।

🔶সূত্র : তাযকেরাতুল আউলিয়া।
🔶প্রকাশ : তৈয়্যবিয়া দরবার শরীফ, ভরাসার,বুড়িচং,কুমিল্লা।

🔷আজ ১লা আগস্ট,রোজ শনিবার,এই মহান সূফীর ১৫৩ তম পবিত্র খোশরোজ শরীফ উপলক্ষে আল্লাহ পাক আমাদের গাউছে সুলতান ণূর নগরী (কঃ)'র ফয়ুজাত ও বরকত হাসিল করার তৌফিক দান করুক এবং আমাদের জিন্দেগীর সকল গোনাহ মাফ করে দিক।

28/07/2026
☘️“আধ্যাত্মিকতার পথে সত্তরটি উপত্যকা পার হতে হয়। যার প্রতিটি ধাপে আপনাকে নিজের অহংকার ও আত্মম্ভরিতা ত্যাগ করতে হবে। যে ...
17/07/2026

☘️“আধ্যাত্মিকতার পথে সত্তরটি উপত্যকা পার হতে হয়। যার প্রতিটি ধাপে আপনাকে নিজের অহংকার ও আত্মম্ভরিতা ত্যাগ করতে হবে। যে ব্যক্তি নিজেকে তুচ্ছ মনে করতে শিখেছে, সে আকাশের প্রকৃত উচ্চতা বুঝতে পেরেছে।”

— ফরিদ উদ্দীন আত্তার (রহ.)

Address

Bharasar, Burichong
Comilla
3500

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when তৈয়্যবীয়া দরবার শরীফ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share