শ্রী শ্রী রাসস্থলী, রাণীর বাজার, কুমিল্লা

  • Home
  • Bangladesh
  • Comilla
  • শ্রী শ্রী রাসস্থলী, রাণীর বাজার, কুমিল্লা

শ্রী শ্রী রাসস্থলী, রাণীর বাজার, কুমিল্লা Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from শ্রী শ্রী রাসস্থলী, রাণীর বাজার, কুমিল্লা, Hindu temple, Ranir Bazar, Comilla, Comilla.

ঠাকুর আর্ত, দীন, দুঃখীর দুয়ারে দুয়ারে বিচরণ করিতেন। তাঁহার সারাটা জীবন এক বিন্দুও বিশ্রাম লইবার সুযোগ ছিল না। তিনি দ্বার...
30/10/2025

ঠাকুর আর্ত, দীন, দুঃখীর দুয়ারে দুয়ারে বিচরণ করিতেন। তাঁহার সারাটা জীবন এক বিন্দুও বিশ্রাম লইবার সুযোগ ছিল না। তিনি দ্বারে দ্বারে ঘুরিয়া ভক্তগণের নানান সমস্যা হইতে তাহাদের উদ্ধার করিয়াছিলেন। কয়েকজন ভক্ত ঠাকুরকে বলিলেন, আপনার শ্রীদেহ পূজা করিব। তাঁহারা ফুল, চন্দন, দূর্বা, বেলপাতা লইয়া ঠাকুরের সম্মুখে আসিলেন। ঐ সময় ঠাকুর উর্ধ্বনেত্রে পাষাণ-প্রতিমার মত বসিয়া রহিলেন। ঐ সময় মনে হইল ঠাকুরের বাহ্যজ্ঞান লুপ্ত হইয়া গিয়াছে। পূজা শেষ হওয়ার পর যেন ঠাকুরের সম্বিত ফিরিল। তিনি বলিতে লাগিলেন-- "আমিই সত্যনারায়ণ, আমিই সত্যনারায়ণ, আমিই সত্যনারায়ণ।" ভক্তদের মধ্যে কেহ কেহ সেইরুপ দেখিতে পাইয়াছেন। শ্রীশ্রীঠাকুরের নির্দেশে তাহা অপ্রকাশিত ছিল। ঠাকুরের অলৌকিক শক্তির কথা লিখিয়া শেষ করা দুঃসাধ্য।
...
শ্রীশ্রীকৈবল্যনাথ স্মরণে,
ডাঃ খগেন্দ্রনাথ গুপ্ত

🌸 শ্রীশ্রী কৈবল্যনাথায় নমঃ 🌸শ্রীশ্রীঠাকুরের “শ্রীনাম” তথা “দীক্ষা” প্রত্যাশী ভক্তবৃন্দকে সস্নেহ অবহিত করা যাচ্ছে যে —শ্র...
30/10/2025

🌸 শ্রীশ্রী কৈবল্যনাথায় নমঃ 🌸
শ্রীশ্রীঠাকুরের “শ্রীনাম” তথা “দীক্ষা” প্রত্যাশী ভক্তবৃন্দকে সস্নেহ অবহিত করা যাচ্ছে যে —
শ্রীশ্রী কৈবল্যনাথের সপ্তম মোহন্ত মহারাজ, পূজ্যপাদ শ্রীমৎ কালীপদ ভট্টাচার্য্য মহাশয়, শারীরিক অসুস্থতা হেতু বর্তমানে ভারতে অবস্থানরত থাকলেও, ভক্তবৃন্দের আত্মিক অনুরোধে অডিও-ভিজ্যুয়াল পদ্ধতিতে “শ্রীনাম তথা দীক্ষা” প্রদান করার সদয় সম্মতি জ্ঞাপন করেছেন।

🔱 এই উপলক্ষে কুমিল্লা জেলার পবিত্র রাসস্থলী মন্দিরে পূজ্যপাদ মোহন্ত মহারাজ করুণানিধি গুরু-অনুগ্রহে শ্রীনাম তথা দীক্ষা” প্রদান করবেন নিম্নলিখিত তারিখে —

🗓️ মঙ্গলবার, ৪ নভেম্বর ২০২৫ — সকাল ১০ ঘটিকা
🗓️ বুধবার, ৫ নভেম্বর ২০২৫ — সকাল ১০ ঘটিকা
📍 স্থান: রাসস্থলী মন্দির, কুমিল্লা

🌿 শ্রীনাম/দীক্ষার মাহাত্ম্য
শ্রীনাম/দীক্ষা কেবল একটি আনুষ্ঠানিকতা নয় —
এটি আত্মার অন্তর্জাগরণের, আত্মসমর্পণের ও গুরুকৃপাধারার এক পবিত্র পথচলা।
গুরুর করুণায় আত্মার মুক্তি ও চিরশান্তির পথে এটি আমাদের প্রথম পদক্ষেপ।

🌸 নির্দেশনা
এই পবিত্র অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের জন্য নিবন্ধনের প্রয়োজন নেই।
ভক্তবৃন্দকে অনুরোধ করা যাচ্ছে —
উক্ত তারিখ ও সময়ে রাসস্থলী মন্দির প্রাঙ্গণে উপস্থিত থাকুন।
পরিচ্ছন্ন পোশাক, ভক্তি ও শান্ত মন নিয়ে উপস্থিত থাকলেই যথেষ্ট।

🌺 আন্তরিক আহ্বান
গুরুকৃপাধারায় আত্মজাগরণের এই মহামুহূর্তে সকল ভক্তবৃন্দকে শ্রীশ্রীঠাকুরের চরণে আত্মসমর্পণের জন্য রাসস্থলী মন্দির, কুমিল্লা-তে আন্তরিকভাবে আহ্বান জানানো যাচ্ছে।

🕉️ চলুন, গুরুকৃপাধারার এই শুভ সংবাদটি সকল ভক্তের মাঝে ছড়িয়ে দিই।
আপনার শেয়ারই হতে পারে কারো আত্মোপলব্ধির সূচনা।🌸

🕉️ জয় রাম জয় গোবিন্দ 🙏
🌸 জয় শ্রীশ্রী কৈবল্যনাথ 🙏

🌼 শ্রীশ্রী কৈবল্যনাথায় নমঃ 🌼এই ভিডিওতে দেখুন —✨ কৈবল্যধামের পবিত্র সান্ধ্য কীর্তন✨ শ্রীশ্রী সত্যনারায়ণ পাঁচালীর ভক্তিময় ...
30/10/2025

🌼 শ্রীশ্রী কৈবল্যনাথায় নমঃ 🌼

এই ভিডিওতে দেখুন —
✨ কৈবল্যধামের পবিত্র সান্ধ্য কীর্তন
✨ শ্রীশ্রী সত্যনারায়ণ পাঁচালীর ভক্তিময় পাঠ
✨ ভক্তবৃন্দের একাগ্র মন, সুর ও শ্রদ্ধার নিবেদন

🙏 শান্তি, ভক্তি ও আনন্দে ভরপুর এই আধ্যাত্মিক অনুষ্ঠান আমাদের আত্মাকে করে পরিশুদ্ধ, মনকে আনে প্রশান্তি।
আপনিও ভিডিওটি দেখে ধন্য হন, ভাগ করে নিন ভক্তিময় এই মুহূর্ত অন্য প্রিয়জনদের সঙ্গে।

https://tinyurl.com/475wf9bt

কৈবল্যধামের সান্ধ্য কীর্ত্তন ও শ্রীশ্রী সত্যনারায়ণ পাঁচালী শিল্পীঃ শ্রী শিমুল দাশ ও সহ শিল্পী বৃন্দ কৈবল্যধাম...

30/10/2025

🌼 বিশেষ ঘোষণা 🌼

পরম কৃপাময় শ্রীশ্রী কৈবল্যনাথের অশেষ অনুগ্রহে জানানো যাচ্ছে যে —
আগামী ১৪ই নভেম্বর, শুক্রবার
📍 শ্রীশ্রী কৈবল্যধাম, চট্টগ্রাম-এ অনুষ্ঠিত হবে
“শ্রীনাম প্রদান” অনুষ্ঠান।

✨ দূরদূরান্ত থেকে (চট্টগ্রাম জেলার বাইরে) আগত যেসব ভক্তবৃন্দ
শ্রীনাম গ্রহণে আগ্রহী —
তাঁরা অনুগ্রহপূর্বক পূর্বেই ইনবক্সে যোগাযোগ করবেন।

🕉 প্রয়োজনে ১৩ই নভেম্বর রাতে
শ্রীধামে থাকার ব্যবস্থা করা হবে ভক্তদের জন্য।

পরম শান্তি ও প্রেমের আহ্বান —
জয় রাম জয় গোবিন্দ 🙏🙏

29/10/2025

পঁয়ষট্টি থেকে সত্তর বছর আগেকার ঘটনা।
ঠাকুরমহাশয় দীর্ঘদিন বাদে এসেছেন ফেনী শহরে। খবরটি স্বাভাবিক ভাবেই জানাজানি হতে লাগল ছোট্ট শহরটিতে। সেই জানার ঢেউ কানে এসে পৌঁছূল জপসা গ্রাম থেকে আসা ফেনী কলেজের এ বছরের ভর্তি হওয়া আই.এ. প্রথম বৎসরের ছাত্রটির কানেও। গ্রাম থেকে যখন শহরের জীবনে আসেন তখন তার ঠাকুরমা ও পিতা-মাতার কথা মনে পড়ছিল, তারা বলেছিলেন ফেনীতে রামঠাকুরমহাশয় মাঝে মাঝে আসেন, খোঁজ খবর রাখিস একবার তাঁর দর্শন পাওয়ার জন্য।

শিশুকাল থেকে ঐ ছাত্রটি শুনে এসেছেন রামঠাকুরের কথা। দু'একবার ঠাকুর জপসা গ্রামেও গিয়েছেন। ঐ গ্রামেই ছিলেন ঠাকুরমহাশয়ের পিতৃদেব রাধামাধব চক্রবর্তী মহাশয়ের ও তাঁহার মাতা-ঠাকুরানীর কুলগুরু।পিতৃবিয়োগের পর ঠাকুরমহাশয় তাঁহার শোকাতুরা মাতা কমলাদেবীকে নিয়ে কয়েক বারই গিয়েছেন জপসায়। তখন ঠাকুরমহাশয়ের বয়স সাত বছরের কাছাকাছি। ঠাকুরমহাশয়ের পিতা-মাতার কুলগুরু আর এই ছাত্রটির সম্পর্ক ওদের বাড়িতে আলোচিত হতো। ছাত্রটির বাড়িতে আলোচনার সময় তার পূর্বপুরুষ সগৌরবে বলতেন, রামঠাকুরের বাবা-মা তাদের দশ-রাত্রির জ্ঞাতি। ঠাকুরমহাশয়ের পিতা-মাতার কুলগুরু এবং তারা জ্যাঠতোতো খুড়তোতো ভাই।ছাত্রটি রাত্রে অনেকক্ষণ ভাবলেন ঠাকুরমহাশয় সম্পর্কে তাদের বাড়িতেই যা যা আলোচনা হয়েছে সে সব কথা।পরদিন থেকে তিনি তৎপর হয়ে উঠলেন ঠাকুরমহাশয়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবার জন্য। অনেককে তিনি অনুরোধ করেছিলেন ঠাকুরমহাশয়ের কাছে যাওয়ার সময় তিনি যেন তাকে একটু দয়া করে নিয়ে যান। কিন্তু তা সম্ভবপর হয়ে ওঠেনি কারণ তারা আপন কর্মস্থল থেকেই সোজা চলে যেতেন ঠাকুরমহাশয়ের কাছে। নবীন যুবকটি একথাও শুনেছেন যে ঠাকুরমহাশয়ের স্থিতি সর্বত্রই প্রায় স্বল্পকালীন। সুতরাং আর অপেক্ষা করা নয়।

পরদিন সকালবেলা ছাত্রটি তার এক সহপাঠীর সঙ্গে গিয়ে ঠাকুরমহাশয়ের আবাসস্থল দেখে এলেন। দুপুর কাটল কলেজে। বিকেলে একলা শুধু সাহসের উপর নির্ভর করে প্রবেশ করলেন সেই বাড়িতে। বাড়ির লোক ঠাকুরমহাশয়ের ঘরখানা দেখিয়ে দিলেন। এবার নবীন যুবকটি দুরু দুরু বক্ষে ঠাকুরমহাশয়ের দ্বারপ্রান্তে উপস্থিত হলেন। দেখলেন, ঘরে দশ-পনেরো জন নর-নারী বসে আছেন আর ঠাকুরমহাশয় বলে যাচ্ছেন সাবিত্রী-সত্যবানের কথা। পরিণত বয়সেরই নর-নারী ওখানে উপস্থিত। সুতরাং তার প্রবেশ করা কী সমীচীন হবে? অথচ মনের দুর্বার আকর্ষণ এবার ঠাকুরমহাশয়ের দর্শন লাভের। সহসা ঠাকুরমহাশয়ের একটানা কন্ঠস্বর স্তব্ধ হয়ে গেল। বিছানা ছেড়ে ওঠে দাঁড়ালেন ঠাকুরমহাশয়। দু'পা এগিয়ে ঠাকুরমহাশয় বললেন, "আপনি খাড়াইয়া আছেন?" আর সঙ্গে সঙ্গেই ঠাকুরমহাশয় তার দুইচরণে প্রণাম করলেন। টলছে যুবকটির সারা দেহ। কন্ঠ, তালু সব শুকিয়ে গেছে। ঠাকুরমহাশয় নবীন যুবকটির দুই কম্পমান হস্ত ধরে নিয়ে এলেন সযত্নে তাঁর শয্যার পাশে। অতি দ্রুতহস্তে ঠাকুরমহাশয় উল্টে দিলেন তাঁর ব্যবহৃত বিছানার চাদরখানা। দু'হাত দিয়ে মার্জনা করলেন তাঁর ব্যবহৃত বিছানা পরিষ্কার করার উদ্দেশ্যে। পরে ঐ যুবকটিকে বসালেন তাঁর নিজ শয্যায়। উপস্থিত নরনারীর চোখমুখে আশ্চর্য্যের চিহ্ন ফুটে ওঠেছে আর নবীন যুবকটি বিহ্ব্ল, একটি হাড়-মাংসের স্তুপ।

ঠাকুরমহাশয় আবার দ্রুত চলে গেলেন বাড়ির ভিতরে।প্রসাদ না হওয়া এমন কোনও খাদ্যবস্তু যদি ঘরে থাকে তাহলে তা এক্ষুনি যেন কেটে দেন গৃহিণী--কাতর কন্ঠে ঠাকুরমহাশয় বললেন। ভদ্রমহিলাও ফল ধুয়ে, কেটে এবং আজ মধ্যাহ্নে যে নারকেল-ছাপা উনি তৈরী করেছিলেন তা নিয়ে যেতে উদ্যত হলেন। ঠাকুরমহাশয় তখন তাকে বাধা দিয়ে বললেন--না মা, এইখানে আমারেই দিয়া আসতে হইব। ঠাকুরমহাশয় একখানা টুলের উপর রাখলেন ঐ ফল-মিষ্টান্ন নবীন যুবকটির সামনে। পরে এক গ্লাস জলও এনে রাখলেন ঐ টুলেরই এক পাশে। করজোড়ে ঐ নবীন যুবকটিকে বললেন, আপনি দয়া কইরা একটু খান। যন্ত্রচালিতের মত যুবকটি খেয়ে গেলেন। হাত বাড়িয়ে ঠাকুরমহাশয় কাঙালের মত বললেন, "আমার তো কিছুই নাই।আপনেরা যদি কেউ পারেন আমারে দুই একটা টাকা দিবেন?" সঙ্গে সঙ্গে দু'একজন ঠাকুরের হাতে টাকা তুলে দিলেন। ঠাকুর আনত শিরে যুবকটির পাশে দাঁড়িয়ে ছিলেন। যেই তার জলযোগ সমাপ্ত হলো সঙ্গে সঙ্গে ঠাকুরমহাশয় সংগৃহীত অর্থ তার হাতে দুইচরণে রেখে দুইচরণে প্রণাম করলেন। উপস্থিত নরনারী শুনছেন শুধু আপন নিঃশ্বাস। এবার ঠাকুরমহাশয় একজনকে বললেন, "আপনি একটু চেষ্টা কইরা দেখেন, একখানা ঘোড়ার গাড়ী পান কিনা। পাইলে নিয়া আসেন।"

ভাগ্যক্রমে গাড়ি দরজায় এসে গেল। ঠাকুরমহাশয় এতক্ষণ দাঁড়িয়েই ছিলেন নির্বাক যুবকটির পাশেই, করজোড়ে বললেন, "আমারে দিয়া আপনের যদি কোন কাম হয় তবে আপনি কষ্ট কইরা আসবেন না। প্রমথনাথ (অধ্যাপক প্রমথনাথ চক্রবর্তী), আপনি যেই কলেজে পড়েন, সেই কলেজেই তো পড়ান, তারে একটু বইলা দিবেন আমি আপনের লগে গিয়া দেখা করুম আর আপনের কাজ সাধ্যমতন করতে পারলে আমি বড়ই উপকৃত হইতাম।"

এই দীর্ঘ সময়ের মধ্যে একটি কথা বলারও মত তার শক্তি ছিল না। যেমন নির্বাক হয়ে তিনি এই ঘরে প্রবেশ করেছিলেন তেমনই নীরবে ঠাকুরমহাশয়ের হাত ধরে নিজের একান্ত অনিচ্ছা সত্ত্বেও এবার গাড়িতে উঠে বসলেন ঠাকুরমহাশয়ের কথা মত। আবার ঠাকুরমহাশয় ভিক্ষার জন্য হাত বাড়ালেন। একজন একটা টাকা দিলেন। ঠাকুরমহাশয় নিজ হস্তে কোচওয়ানকে তা দিয়ে বললেন, "ফেরৎ পয়সা আর আমারে দিতে হইবে না। বাকি পয়সায় আপনি কিছু কিন্যা খাইয়েন।"

জয় রাম। জয় গোবিন্দ।।

তাঁহারা ৪ ভাই ছিলেন। কালী কুমার, জগতবন্ধু, রামচন্দ্র ও যমজ ভ্রাতাম লক্ষণ, তাঁহার একমাত্র ভগিনী ছিল কাশীমণি দেবী। ভ্রাতা ...
28/10/2025

তাঁহারা ৪ ভাই ছিলেন। কালী কুমার, জগতবন্ধু, রামচন্দ্র ও যমজ ভ্রাতাম লক্ষণ, তাঁহার একমাত্র ভগিনী ছিল কাশীমণি দেবী। ভ্রাতা কালীকুমার ও জগতবন্ধু ও ভ্রাতষ্পুত্র গিরীন্দ্র চক্রবর্ত্তী প্রমুখ পরিবারের সু-সন্তানগণ উঁচুদরের চাকরী করিতেন। সংসারে অর্থাভাব ছিল না; তবুও দয়াময় রাম জীব শিক্ষার জন্য অলস হইয়া বসিয়া থাকার চেয়ে নিজ বিদ্যাও সামর্থানুযায়ী যা কিছু করিয়া সংসারের সাহায্য করাকে মহৎ মনে করিয়া নোয়াখালীতে চাকরীর অনুসন্ধানে যান। তিনি চির কুমার গৃহত্যাগী সন্ন্যাসী তাঁহার যমজ ভ্রাতা লক্ষণ অল্প বয়সে দেহত্যাগ করেন; তিনি কীর্ত্তনাভিলাসী ছিলেন এবং পূজা পার্ব্বণ উৎসবাদিতে থাকিতেন।
ঠাকুর অষ্টম বৎসর বয়সে একদিন রাত্রিকালে স্বপ্নে গুরু কৃপা ও দীক্ষা মন্ত্র লাভ করেন। তিনি ১২ বৎসর বয়সে যানবাহন রাস্তাঘাট শূন্য পর্বতাঞ্চল পদব্রজে ভ্রমণ করিয়া আসামের মাতৃ তীর্থ কামাক্ষ্যা মায়ের মন্দিরে উপনীত হন। তিনি তথায় তাঁহার জন্মার্জ্জিত ভাগ্যগুণে স্বপ্নে দৃষ্ট অশরীরী শ্রীগুরুদেবকে দেহ কলেবর ধারী মহাযোগী হিসাবে দর্শন করিলেন এবং স্বপ্নেদৃষ্ট অবিকল একই চেহারার মহাপুরুষ মহাগুরুর দর্শন লাভ করিলেন। গুরুদেব তাঁহাকে দেখিয়া রাম রাম বলিয়া আহ্বান করিলেন। গুরু-শিষ্যের এই মহামিলন কাহিনী আর কতই বা এখানে বলিব। গুরুদেবের সঙ্গে ঠাকুর হিমালয়ের গহন বনে চলিয়া গেলেন।
কত বৎসর হিমালয়ে নানা তীর্থ পরিভ্রমণ করিয়াছিলেন তাহা বলা কঠিন। তবে তিনি হিমালয়ের কৌশিকাশ্রম, মানস সরোবর ও বহু দেবদেবী, মহাপুরুষ দর্শন করিয়া মহাগুরুর কৃপায় হরগৌরী দর্শন লাভে আত্মকাম মহাসাধক পুরুষরূপে শ্রীগুরুর আদেশানুযায়ী জন্মভূমি দেশের দিকে ফিরিয়া আসিলেন। তাঁহার পরিব্রাজনের অলৌকিক লীলা আমার রচিত "শ্রীশ্রীরাম ঠাকুরের হিমালয় ভ্রমণ" গ্রন্থে বিশদ বিস্তীর্ণভাবে বর্ণিত আছে। কৈবল্যধাম আশ্রম হইতে পাঠকগণ এই গ্রন্থ সংগ্রহ করিয়া ঠাকুরের অলৌকিক লীলা কাহিনী পাঠক্রমে জানিতে পারিবেন। এইখানে তাঁহার আংশিক লীলা বর্ণনা শেষ করিলাম। এবং কবিবর নবীন সেনের জীবন চরিতালোচনাতে কবিবরের স্বহস্তে লিখিত ঠাকুরের বহু লীলা কাহিনী পাঠকগণ জানিতে পারিবেন।
শ্রীশ্রীরামঠাকুর ও কবি নবীন চন্দ্র সেনের মিলন
(গুরুশিষ্য সমাচার)
লেখকঃ শ্রীসুরেন্দ্র বিজয় চৌধুরী এম, এ, বি, এল

28/10/2025

🌸 শ্রীশ্রী কৈবল্যনাথায় নমঃ 🌸
শ্রীশ্রীঠাকুরের “শ্রীনাম তথা দীক্ষা” প্রত্যাশী ভক্তবৃন্দকে সস্নেহ অবহিত করা যাচ্ছে যে — শ্রীশ্রী কৈবল্যনাথের সপ্তম মোহন্ত মহারাজ, পূজ্যপাদ শ্রীমৎ কালীপদ ভট্টাচার্য্য মহাশয়, শারীরিক অসুস্থতা হেতু বর্তমানে ভারতে অবস্থানরত থাকলেও, ভক্তবৃন্দের আত্মিক অনুরোধে অডিও-ভিজ্যুয়াল পদ্ধতিতে “শ্রীনাম তথা দীক্ষা” প্রদান করার সদয় সম্মতি জ্ঞাপন করেছেন।

🌸 এই উপলক্ষে শ্রীশ্রী কৈবল্যধাম চট্টগ্রামের পবিত্র প্রাঙ্গণে আগামী ১৪ই নভেম্বর, শুক্রবার, শ্রীশ্রী কৈবল্যনাথের মোহন্ত মহারাজ, পূজ্যপাদ শ্রীমৎ কালীপদ ভট্টাচার্য্য মহাশয় করুণানিধি গুরু-অনুগ্রহে “শ্রীনাম তথা দীক্ষা” প্রদান করবেন।

🌿 শ্রীনাম/দীক্ষার মাহাত্ম্য
শ্রীনাম/দীক্ষা কেবল একটি আনুষ্ঠানিকতা নয় — এটি আত্মার অন্তর্জাগরণের, আত্মসমর্পণের ও গুরুকৃপাধারার এক পবিত্র পথচলা।
গুরুর করুণায় আত্মার মুক্তি ও চিরশান্তির পথে এটি আমাদের প্রথম পদক্ষেপ।

🌸 নির্দেশনা
অনুষ্ঠানটি যেন সম্পূর্ণ ভক্তি ও শৃঙ্খলার সঙ্গে সম্পন্ন হয়, সেই উদ্দেশ্যে অনলাইন নিবন্ধন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এই পোস্টে সংযুক্ত নিবন্ধন লিংকে প্রয়োজনীয় তথ্য পূরণ করলে ফিরতি মেসেজ/ আপনার ইমেইলে একটি নিশ্চয়ন বার্তা (confirmation message) পাঠানো হবে।
অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের সময় সেই বার্তার স্ক্রিনশট বা প্রিন্ট কপি সঙ্গে আনতে অনুরোধ করা হলো।

🌺 আন্তরিক আহ্বান
গুরুকৃপাধারায় আত্মজাগরণের এই মহামুহূর্তে সকল ভক্তবৃন্দকে শ্রীশ্রীঠাকুরের চরণে আত্মসমর্পণের জন্য শ্রীশ্রী কৈবল্যধাম, চট্টগ্রাম -এ আন্তরিকভাবে আহ্বান জানানো যাচ্ছে।

📍 স্থান: কৈবল্যধাম, চট্টগ্রাম
🗓️ তারিখ: শুক্রবার, ১৪ নভেম্বর ২০২৫
🕙 সময়ঃ সকাল ১০ ঘটিকা
🔗 নিবন্ধন লিংক: https://srisrikaibalyadham.org/registration-form/

🕉️ চলুন, গুরুকৃপাধারার এই শুভ সংবাদটি সকল ভক্তের মাঝে ছড়িয়ে দিই। আপনার শেয়ারই হতে পারে কারো আত্মোপলব্ধির সূচনা।🌸

🕉️জয় রাম জয় গোবিন্দ🕉️
🌸জয় শ্রীশ্রী কৈবল্যনাথ🌸

28/10/2025
রাত্রির শেষ প্রহর ব্রাহ্মমুহুর্ত্ত, এই সময়কে অযর্মা বলে। এই সময় সকল দেব দেবী মর্ত্যে ঘুরিয়া বেড়ায়। তখন মানুষ ঘুম হইতে উঠ...
28/10/2025

রাত্রির শেষ প্রহর ব্রাহ্মমুহুর্ত্ত, এই সময়কে অযর্মা বলে। এই সময় সকল দেব দেবী মর্ত্যে ঘুরিয়া বেড়ায়। তখন মানুষ ঘুম হইতে উঠিয়া কাজ করিলে দেবদেবীদের বাতাস গায়ে লাগে তাহাতেই আশীর্ব্বাদ পায়। সূর্য্য উদয়ের পরে ঘুম থেকে উঠিলে যে সূর্যের তাপ গায়ে লাগে তাহাতে ভুত প্রেতে দেহ মন আশ্রয় করে। রাত্রিতে খাওয়া এঁটো বাসন যদি শোয়ার ঘরে থাকে তবে ঐ বাসন ভূত প্রেতে আশ্রয় করে। অযর্মা সময়ে আকাশের দিকে চাহিয়া দেখিবেন। প্রথম সাদা রং থাকে পরে নীলরং এবং সূর্য্য উঠিতে আরম্ভ করিলে লাল রং হয়। আমরা যখন দেখি সূর্য্য উঠিয়াছে সূর্য্য তাহার অনেক আগেই আকাশে উদয় হয়। ঠাকুর আরও বলিয়াছেন শীতের সময় ব্রাহ্মমুহুর্ত্ত হইল রাত্রি ৪ টা হইতে ৫ টা এবং গরমের সময় ৩ টা হইতে ৪ টা।

শ্রীমতি তরলা সুন্দরী দেবী - শ্রীশ্রীঠাকুরের কথা

Address

Ranir Bazar, Comilla
Comilla
3500

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when শ্রী শ্রী রাসস্থলী, রাণীর বাজার, কুমিল্লা posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to শ্রী শ্রী রাসস্থলী, রাণীর বাজার, কুমিল্লা:

Share

Category