Risshō Kōsei-kai Youth Bangladesh

Risshō Kōsei-kai Youth Bangladesh The Gift of Life,
The Power to Live.. The Gift of Life, The Power to live !

RISSHO KOSEI KAI YOUTH BANGLADESH IS A TOP RANKED AND ORGANISED BUDDHIST YOUTH COLLABORATION IN THE WORLD WHICH WORKS WITH THE MAIN SPIRIT OF BUDDHISM AND PRINCIPLES OF SHAKYOMUNI BUDDHA. HERE THE MEMBERS PRACTISE BODHISATTVA LIFE BY IMPLEMENTING THOSE PRINCIPLES IN THEMSELVES.

আজকের ইয়ুথ প্রার্থনা চলাকালিন সময়ের কিছু প্রতিচ্ছবি। এর পর ইয়ুথরা হোজাতে মিলিত হয়।
21/08/2026

আজকের ইয়ুথ প্রার্থনা চলাকালিন সময়ের কিছু প্রতিচ্ছবি। এর পর ইয়ুথরা হোজাতে মিলিত হয়।

সম্মানিত সুধি, শুভেচ্ছা গ্রহণ করবেন। আগামী ৮ই আগস্ট ২০২৬ ইং শনিবার বিকাল ০৫:০০ ঘটিকায় আর কে কে বাংলাদেশের ওমেন্স গ্রুপে...
08/08/2026

সম্মানিত সুধি, শুভেচ্ছা গ্রহণ করবেন। আগামী ৮ই আগস্ট ২০২৬ ইং শনিবার বিকাল ০৫:০০ ঘটিকায় আর কে কে বাংলাদেশের ওমেন্স গ্রুপের আয়োজনে অনলাইনে পারিবারিক শিক্ষা বিষয়ক সিম্পোজিয়াম সাড়ম্বরে অনুষ্ঠিত হবে। উক্ত অনুষ্ঠানে টোকিও পারিবারিক শিক্ষা বিভাগের আনজাই ইয়াসুকো-সেনসেই প্রধান আলোচকের বক্তব্য রাখবেন । উক্ত অনুষ্ঠানে আর কে কে বাংলাদেশের সকল সদস্য সদস্যাদেরকে অনলাইনে অংশগ্রহণ করার সবিনয় অনুরোধ জানানো যাচ্ছে!  
মিটিংTopic: পারিবারিক শিক্ষা বিষয়ক সিম্পোজিয়াম
https://us02web.zoom.us/j/81522846519?pwd=YMqyKc1jDDUzbPJEbgqqtlJlQGWR0w.1
Meeting ID : 815 2284 6519
Passcode : 714565
বিনীত
লুসি রানী বড়ুয়া
বিভাগীয় প্রধান, ওমেন্স গ্রুপ,
রিস্সো কোসেই-কাই, বাংলাদেশ।

Zoom is the leader in modern enterprise cloud communications.

11/03/2026

৭/০৩/২০২৬ ইং রোজ-শনিবার, দি ইন্টারন্যাশনাল এসোসিয়েশন ফর রিলেজিয়াস ফ্রিডম (IARF) জাপান চাপ্টারের অনুদান,এবং রিসসো কোসেই-কাই বাংলাদেশের সহযোগিতায় সুজাতা অনাথ আশ্রম,ওয়াকছড়ি,মানিকছড়ি,খাগড়াছড়ি জেলায় ৬৫ জন অনাথ
শিক্ষার্থীকে শিক্ষা সামগ্রী ও খাদ্য সামগ্রী বিতরণ সহ দুপরের খাবার নিয়ে যাওয়ার সময়।

৭/০৩/২০২৬ ইং রোজ-শনিবার, দি ইন্টারন্যাশনাল এসোসিয়েশন ফর রিলেজিয়াস ফ্রিডম (IARF) জাপান চাপ্টারের অনুদান,এবং রিসসো কোসেই-ক...
11/03/2026

৭/০৩/২০২৬ ইং রোজ-শনিবার, দি ইন্টারন্যাশনাল এসোসিয়েশন ফর রিলেজিয়াস ফ্রিডম (IARF) জাপান চাপ্টারের অনুদান,এবং রিসসো কোসেই-কাই বাংলাদেশের সহযোগিতায় সুজাতা অনাথ আশ্রম,ওয়াকছড়ি,মানিকছড়ি,খাগড়াছড়ি জেলায় ৬৫ জন অনাথ
শিক্ষার্থীকে শিক্ষা সামগ্রী ও খাদ্য সামগ্রী বিতরণ সহ দুপরের খাবারের আয়োজন করা হয়।উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রিসসো কোসেই-কাই বাংলাদেশের সহকারি ব্রাঞ্চ প্রধান ও জেনারেল ম্যানেজার বাবু কল্লোল বড়ুয়া, সহকারি ব্রাঞ্চ প্রধান ও এনজিও প্রকল্প কর্মকর্তা অনুজ বড়ুয়া, ওমেন্স সদস্যা নীলা বড়ুয়া, রুমি বড়ুয়া,মেন্স লিডার মিল্টন বড়ুয়া,মেন্স সদস্য অনুপম বড়ুয়া,হিসাবরক্ষক দিপলু বড়ুয়া ইয়ুথ লিডার সৌরভ বড়ুয়া,সহকারি ইয়ুথ লিডার পিয়াস বড়ুয়া, ইয়ুথ সদস্য কানন বড়ুয়া, সুদিপ্ত বড়ুয়া,সুলাল বড়ুয়াপ্রমুখ

10/02/2026

১০।『ইচ্ছাশক্তিকে জাগিয়ে তোলা』

প্রতি বছরই দেখা যায়, পেশাদার বেসবলের পেন্যান্ট-রেস শেষ পর্যায়ে পৌঁছালে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার লক্ষ্য থাকা দল আর লক্ষ্যহীন দলের মধ্যে পার্থক্য স্পষ্ট হয়ে ওঠে। লক্ষ্য থাকা দলগুলো অবিশ্বাস্য রকমের অসাধারণ খেলা একের পর এক দেখায়, আবার এমন মুহূর্তে—যখন এই এক বলেই হার নিশ্চিত—সেখান থেকে জন্ম নেয় ভাগ্য বদলে দেওয়া, শেষ মুহূর্তের সায়োনারা(কর অথবা মরো)-এর হোম রান।

এখানে একটু ভিন্ন প্রসঙ্গ বলি। কাজ করা পিঁপড়াদের ভালোভাবে লক্ষ্য করলে দেখা যায়, পিঁপড়াদের মধ্যেও পরিশ্রমী পিঁপড়া আছে, আবার অলস পিঁপড়াও আছে। অলস পিঁপড়ারা চলাফেরা করলেও আসলে কোনো কাজ করে না। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় হলো—যখন সেই অলস পিঁপড়ার সংখ্যা অর্ধেকে কমিয়ে দেওয়া হয়, যেই কাজ তারা অলসভাবে করছিল সেটি করতে তখন তারাই পরিশ্রমী পিঁপড়ায় রূপান্তরিত হয়ে যায়।

মানুষের ক্ষেত্রেও শুরু থেকেই কেউ পরিশ্রমী, কেউ অলস—এমন হয় না। মানুষকে বদলে দেয় মূলত সে যে পরিবেশে অবস্থান করে, সেই পরিবেশের প্রভাব। এই বিষয়টি আমাদের কখনো ভুলে যাওয়া উচিত নয়।

একজন অভিভাবক যখন নিজের সন্তানকে দেখেন, অথবা একজন নেতা যখন তাঁর অধীনস্থদের দেখেন, তখন তাঁদের প্রথমেই আত্মসমালোচনা করা দরকার—আমি কি প্রত্যেক মানুষের ভেতরের ইচ্ছা ও উদ্যমকে জাগিয়ে তোলার মতো পরিবেশ দিতে পেরেছি?

— নিওয়ানো নিক্কিও
『প্রতিষ্ঠাতার অনুভব』
খণ্ড ৭, পৃষ্ঠা ১৫২–১৫৩ থেকে

10/02/2026

৯।『দোলনায় নিজেকে সঁপে দেওয়া』

যেসব মানুষ নৌকায় উঠলে সহজেই বমিভাব অনুভব করে, তাদের লক্ষ্য করলে দেখা যায় যে তারা নৌকার দোলনার বিরুদ্ধে লড়াই করছে। শরীর শক্ত করে ধরে রাখে, নৌকা ডানদিকে হেলে গেলে তারা নিজে বামদিকে ঝুঁকে পড়ে, আবার বামদিকে হেলে গেলে ডানদিকে ঝোঁকে। এভাবে সবসময় বিপরীত দিকে শরীর নাড়ানোর ফলে দোলন দ্বিগুণ হয়ে যায়।

আমি নৌবাহিনীতে ছিলাম, তাই জাহাজে অভ্যস্ত। নৌকায় অসুস্থ না হওয়ার কৌশল হলো—নৌকার দোলনায় নিজেকে সম্পূর্ণভাবে সঁপে দেওয়া। যত বেশি দোলায়, তত বেশি মনে মনে বলা—“আরও দোলাও!”—এই মনোভাব রাখলে একেবারেই নিজেকে স্বাভাবিক রাখা যায়।

জীবনও ঠিক তেমনই। আমরা যখন “আমি এভাবে করব, ওভাবে করব” বলে নিজের অহং (ইগো) জাহির করে কৌশল খাটাতে যাই, তখনই বিষয়গুলো জটিল হয়ে ওঠে।
পরিকল্পনা ও সময়সূচি ঠিক করার পর, অপ্রয়োজনীয় চালাকি ত্যাগ করে সবকিছু সর্বদা বিরাজমান বুদ্ধের ওপর সঁপে দিয়ে, নিজের সর্বোচ্চ চেষ্টা করা—এটাই আসল পথ। নিঃস্বার্থভাবে সর্বশক্তি প্রয়োগ করলে মনে কোনো দ্বিধা থাকে না। তখন অশুভ শক্তির দ্বারা বিভ্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাও থাকে না।

যখন সবাই নৌকায় অসুস্থ হয়ে মুখ ফ্যাকাশে করে বসে থাকে, তখন যদি একজন শান্ত ও স্থির মানুষ থাকে, তাতেই সবাই নতুন করে প্রাণ ফিরে পায়। সবার সঙ্গে একসাথে ফ্যাকাশে মুখ করে থাকলে তা চলে না। ধর্মজীবী মানুষদের উচিত সমাজে এমন ভূমিকা পালন করতে সক্ষম হওয়া।

—নিওয়ানো নিক্কিও
『প্রতিষ্ঠাতার অনুভব』
খণ্ড ৭, পৃষ্ঠা ১৪৮–১৪৯ থেকে

10/02/2026

৮। উজ্জ্বল মুখ

মানুষের হৃদয়কে আকর্ষণ করতে হলে, প্রথমে নিজের মধ্যে গভীর অনুভূতি বা অনুপ্রেরণা থাকতে হয়।

বুদ্ধ শাক্যমুনি যখন বোধিলাভ করলেন, তাঁর প্রথম ধর্মদেশনার জন্য তিনি নির্বাচন করেছিলেন সেই পাঁচ ভিক্ষুকে, যাদের সঙ্গে তিনি আগে কঠোর সাধনা করেছিলেন।কিন্তু ওই পাঁচ ভিক্ষু মনে করেছিলেন, শাক্যমুনি কঠোর তপস্যা ছেড়ে দিয়ে বিপথগামী হয়েছেন, তাই তারা তাঁর কথা শুনতে চাননি। তখন বুদ্ধ তাদের উদ্দেশে বললেন, “আমার মুখ কি কখনও তোমরা এভাবে জ্যোতির্ময় হতে দেখেছ?” বুদ্ধের সেই দীপ্তিময় রূপে মুগ্ধ হয়ে, তাঁর উপদেশ শুনে যে ভিক্ষু আনন্দে আত্মহারা হয়ে উঠেছিলেন, তাঁর নাম ছিল অশ্বজিৎ (আস্সজি)।

আবার অশ্বজিৎ-এর সেই উচ্ছ্বসিত চেহারা দেখে শারিপুত্র সঙ্গে সঙ্গেই বুদ্ধের শিষ্য হয়ে গিয়েছিলেন । সমস্ত দুঃখ থেকে মুক্তির পথ শুনে যে আনন্দ, তা অশ্বজিতের সমগ্র সত্তায় ভরে উঠেছিল।
আমরাও যখন মনে করি, “এত কৃতজ্ঞতা, এত আনন্দ—মাথা নত না করে পারি না,” তখন যে কাউকেই সেই অনুভূতির কথা বলতে ইচ্ছে করে।

যখন মানুষের সারা দেহে শক্তিতে ভরে ওঠে, তখন নাকি শরীর থেকে এক ধরনের আলো বিচ্ছুরিত হয়, সাম্প্রতিক বিজ্ঞান নাকি সেই আলোর ছবিও তুলতে পেরেছে।

সেটাই হল প্রকৃত ‘প্রভামণ্ডল’। আমাদেরও এমনভাবে বাঁচতে ইচ্ছে করে, যাতে আমাদের মধ্য থেকেও সেই প্রভা বিচ্ছুরিত হয়।

— নিক্কিও নিওয়ানো, কাইসো জুইকান (প্রতিষ্ঠাতার ভাবনা), খণ্ড ৭, পৃষ্ঠা ১৯৪–১৯৫ থেকে।

10/02/2026

৭।মানুষের সাথে মানুষের সংলাপ(১ফেব্রুয়ারী)

আজ ধর্মের সামনে যে প্রশ্নটি সবচেয়ে গভীরভাবে উত্থাপিত হচ্ছে, তা হলো—ধর্ম কি মানুষে-মানুষে প্রকৃত সংলাপকে সম্ভব করে তুলতে পারে?

ধর্ম বৈঠক (হোজা) হলো সেই সংলাপের ক্ষেত্র। যে কোনো সমস্যাই হোক না কেন, যদি কেউ কিছু বলতে চায় বা কিছু জানতে চায়, তবে তার বক্তব্য মনোযোগ দিয়ে শেষ পর্যন্ত শোনা, এবং সে যেন হৃদয় থেকে বলতে পারে, “আমি বুঝতে পেরেছি”—সেই পর্যায় পর্যন্ত তার সঙ্গে কথা বলা। এটাই হল হোজা।

অন্যের কথা মাত্র এক-দু’টি শব্দ শুনেই যদি আমরা মনে করি, “এর পরের কথা তো আর শোনার দরকার নেই, আমি সবই বুঝে গেছি”—এই রকম মনোভাব থাকলে, মানুষের মধ্যে সত্যিকারের সংলাপ কখনোই গড়ে উঠে না।

ভগবান শাক্যমুনি বুদ্ধের কাছে শিষ্যরা যে কোনো প্রশ্নই করুক না কেন, তিনি শুধুমাত্র মুখের কথার দুএকটি কথায় নয় “সাধু, সাধু”, বলে গভীরভাবে প্রশংসা করতেন। তারপর তিনি বলতেন, “হে সজ্জন…”—বলে ধীরে ধীরে, স্নেহভরে তাদের সঙ্গে কথা বলতেন।
তাই বুদ্ধের সঙ্গে শুধু একবার সাক্ষাৎ করলেই, যে কোনো মানুষের হৃদয় মুহূর্তেই নির্মল ও প্রশান্ত হয়ে যেত।

প্রত্যেক মানুষই নিজ নিজ মর্যাদা ও সম্মান নিয়ে জন্মগ্রহণ করেছে—এই সত্যটি হৃদয়ে দৃঢ়ভাবে ধারণ না করলে, এবং অপর মানুষকে অন্তরের গভীর থেকে শ্রদ্ধা করতে না পারলে, মানুষে-মানুষে প্রকৃত সংলাপ কখনোই সম্ভব নয়।

নিওয়ানো নিক্কিও রচিত
『কাইসো জুইকান』 (প্রতিষ্ঠাতার অনুভব)
৭ম খণ্ড, পৃষ্ঠা ১৪২–১৪৩ থেকে

10/02/2026

৬।「ভালোবাসা পেতে চাইলে, আগে ভালোবাসো」(৩১ই জানুয়ারি)

কে-ই বা চায় না মানুষের ভালোবাসা পেতে, আর কে-ই বা চায় ঘৃণিত হতে? বিশেষ করে তরুণদের মধ্যে এই আকাঙ্ক্ষা আরও প্রবল। সেই কারণেই অনেক সময় তারা উল্টো মনে করে বসে যে, “আমি বুঝি সবার কাছেই অপছন্দের মানুষ”—এবং এ নিয়ে গভীর দুশ্চিন্তায় ভোগে।

মানুষের ভালোবাসা পাওয়ার কৌশল আসলে খুবই সহজ। মানুষ স্বভাবতই তাকে ভালোবাসে, যে তার প্রতি ভালোবাসা প্রকাশ করে। তাই যদি আপনি চান মানুষ আপনাকে পছন্দ করুক, তাহলে আগে আপনিই মানুষকে ভালোবাসুন।

যারা মানুষের অপছন্দের হয়ে ওঠে, তাদের একটু লক্ষ্য করে দেখুন। তারা সব সময় নিজের কথাই বলে যায়। নিজের ওপর আস্থা না থাকার কারণে, তারা কেবল নিজেকে রক্ষা করতেই মরিয়া হয়ে ওঠে।

প্রথমেই ভেঙে ফেলতে হবে এই দেয়াল—“ও মানুষটা আমাকে অপছন্দ করে”—এই একতরফা ধারণার দেয়াল। রূঢ় আচরণের বদলে যদি আপনি হাসিমুখে একটুখানি কথা বলেন, অনেক সময় দেখা যায়, খারাপ মনে করা সেই মানুষটি আপনার কল্পনার সঙ্গে একেবারেই মেলে না।

একটি ধর্মগ্রন্থে বলা হয়েছে,
“দান করতে গিয়ে দেহ ও মনে কোনো ক্লান্তি আসেনি।”
অন্যের ভাবনা কী, তা নিয়ে চিন্তা না করে—নিজের দিক থেকেই দেওয়া, নিজের দিক থেকেই ভালোবাসা শুরু করলেই হয়।

নিওয়ানো নিক্কিও রচিত
『কাইসো জুইকান』 (প্রতিষ্ঠাতার অনুভব)
৭ম খণ্ড, পৃষ্ঠা ১৪০–১৪১ থেকে

Address

85/A Chandmari Road, Lal-khan Bazar
Chittagong
4000

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Risshō Kōsei-kai Youth Bangladesh posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to Risshō Kōsei-kai Youth Bangladesh:

Shortcuts

Share