07/02/2026
নোয়াখালী জেলা পুলিশ লাইন জামে মাসজিদের খতিব+পেশ ইমাম জনাব হযরত মাওলানা মারুফ হোসাইন (হাফিজাহুল্লাহ) সাহেবের বাবা জনাব হযরত মাওলানা মাকসুদুর রহমান হাফিজাহুল্লাহ্ ভীষণ অসুস্থ! সকল মুসলিম ভাই ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের নিকট দোয়া চাই!
#আমি অদম রুগী দেখার নিয়তে+রুকিয়াহ্ করার উদ্দেশ্যে চট্টগ্রাম থেকে নোয়াখালী রওনা হলাম।নিরাপদ সফরের জন্য খাছ করে দুআ চাই 🤲.
#রুকিয়াহ্ কাকে বলে/রুকিয়াহ্ কি?
#ব্যক্তি যখন শারীরিক, মানসিক, আত্মিক কিংবা জ্বিন, জাদু ও বদনজর ইত্যাদি রােগ থেকে আরােগ্যের প্রত্যাশায় আল্লাহর প্রতি পূর্ণ আস্থাশীল হয়ে নিজে কুরআন পাঠ করে কিংবা অন্য কেউ তাকে পাঠ করে শােনায়, একে আমরা শারঈ রুকিয়াহ বলি। শারঈ রুকিয়াহর মাঝে শুধু কুরআন নয়, হাদীসে বর্ণিত দোয়াসমূহও অন্তর্ভুক্ত। রুকিয়াহ শাব্দিক অর্থ বিবেচনায় রুক্বী রুকিয়াহ পড়ে রােগীকে ঝাড়ফুঁক করতে পারে আবার ঝাড়ফুঁক না করলেও সমস্যা নেই।
স্বাস্থ্যবিধিসমূহ পালন করার মাধ্যমে এবং ঔষধ সুপথ্য গ্রহণের দ্বারা ইসলাম যেমন রােগ নিরাময়ের পরামর্শ দান করেছে তেমনি বিশেষ কিছু ক্ষেত্রে দোয়া বা মন্ত্র পাঠের সাহায্যেও রােগ সারানাের অনুমতি দান করেছে। যেসব ক্ষেত্রে ঔষধ-পথ্য কোন উপকারে আসে না, বিশেষতঃ সেই সব ক্ষেত্রে ঝাড়ফুঁকের দ্বারা চিকিৎসা গ্রহণ করতে কোন আপত্তি নেই বরং ঐসব ক্ষেত্রে ঝাড়ফুঁক দ্বারা চিকিৎসা গ্রহণ করাই বাঞ্ছনীয় বা বেশী উপযােগী।
তবে এ প্রসঙ্গে স্মরণীয় ও লক্ষণীয় কথা হচ্ছে, দোয়া বা মন্ত্রের বাক্য যেন শরীয়ত গর্হিত কোন কথা না থাকে। যেমন, যাদু-মন্ত্র, শির্কমূলক বাক্য, জ্যোতিষ শ্বাস্ত্রের নির্দেশমত শরীয়ত-নিষিদ্ধ তিথি ও ক্ষণ পালন ইত্যাদি। এগুলিকে ইসলাম স্বীকৃতি দেয়নি বরং এগুলাে কঠোরভাবে নিষিদ্ধ ও হারাম বলে বিঘােষিত হয়েছে। নিম্নের হাদীসটি বুঝতে চেষ্টা করুনঃ
হযরত আউফ বিন মালিক (রাঃ) বলেন যে, আমরা জাহেলী যুগে মন্ত্রাদি পাঠ করতাম। তাই ইসলাম ধর্মে দীক্ষিত হওয়ার পর আমরা জিজ্ঞেস করলাম, হে আল্লাহর রসূল! ঐসব মন্ত্রের ব্যাপারে আপনার অভিমত কি?'
রাসূলুল্লাহ(ﷺ) বললেন, 'তােমাদের মন্ত্রগুলি আমার কাছে পেশ করাে। যতক্ষণ ঐগুলিতে শির্কমূলক কোন বাক্য থাকবে না, ততক্ষণ সেগুলির ব্যবহারে আমার আপত্তি নেই।' (মুসলিম, মিশকাত ৮৮ পৃঃ).