আল্লামা খাইর উদ্দীন -রহ:- ফাউন্ডেশন

  • Home
  • Bangladesh
  • Chittagong
  • আল্লামা খাইর উদ্দীন -রহ:- ফাউন্ডেশন

আল্লামা খাইর উদ্দীন -রহ:- ফাউন্ডেশন The Official Page of আল্লামা খাইর উদ্দীন -র: ফাউন্ডেশন
_একটি দ্বীনি ও সেবা মুলক সংঘ_

চট্টগ্রামস্থ বাঁশখালী থানার জলদী গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত দ্বীনি পরিবারে জন্ম গ্রহন করেন আলেম সমাজের নক্ষত্র, বরেণ্য শিক্ষাবিদ, সমাজ সংস্কারক, তৎকালীক সময়ের সফল ইউপি সদস্য ও নিকাহ রেজিষ্ট্রার, উস্তাযুল আসাতিযাহ , বাঁশখালী বড় মাদরাসার (জলদী মখজনুল উলূম) সাবেক পরিচালক মরহুম আল্লামা খাইর উদ্দীন রহ.। মরহুমের সকল নাতি-নাতনির আত্মপ্রচেষ্ঠায় ২১ আগষ্ট ২০১৪ সালে এই সংগঠনটি প্রতিষ্ঠা করেন।

09/12/2024

Hi everyone! 🌟 You can support me by sending Stars - they help me earn money to keep making content you love.

Whenever you see the Stars icon, you can send me Stars!

02/10/2024

ফিলিস্তিনের নাগরিক প্রতিরক্ষা: আমাদের কর্মীরা বিগত ঘন্টাগুলিতে যেসব ঘটনাগুলি মোকাবেলা করেছে তার সংক্ষিপ্ত চিত্র:

▪️ জেরিকো: নুওয়াইমাহতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্রের টুকরো পড়ার ফলে একজন ফিলিস্তিনি নাগরিক শহিদ হয়েছে।

▪️ কালকিল্যা: একটি ক্ষেপণাস্ত্র আজজুন শহরে পড়েছিল (এটি বিস্ফোরিত হয়নি এবং গ্যাস নির্গত করেনি) এলাকাটি বেসামরিক প্রতিরক্ষা কর্মীরা ঘিরে রেখেছে।

▪️ কলকিল্যা: একটি ক্ষেপণাস্ত্র এর টুকরো জয়োসের খালি জমিতে পড়েছিল এবং কোনও ক্ষতি হয়নি।

▪️ হেব্রন: ক্ষেপণাস্ত্রের টুকরো পড়ার কারণে ডুরার একটি তৃণভূমিতে ঘাসে আগুন।

▪️ নাবলুস: একটি ক্ষেপণাস্ত্র এর টুকরো সেবাস্তিয়া শহরে ভূমিতে পড়েছিল।

▪️ জেনিন: সানুরে একটি বাড়ির পাশে একটি ক্ষেপণাস্ত্র এর টুকরো পড়েছিল এবং কোনও ক্ষতি হয়নি।

▪️ রামাল্লা: পপুলার কমিটির কাছে কাদ্দৌরা ক্যাম্পে রকেটের টুকরো পড়ে, একটি বাড়ির প্রবেশদ্বার ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

▪️ রামাল্লা: একটি ক্ষেপণাস্ত্র এর টুকরো কাফর মালেকে পড়েছিল এবং কোন ক্ষতি হয়নি।

▪️ রামাল্লা: চিকিৎসা সেবার কাছাকাছি আল-বিরেহের একটি খালি জায়গায় ক্ষেপণাস্ত্রের টুকরো পড়েছিল এবং কোনো ক্ষতি হয়নি।

*সিভিল ডিফেন্স কর্মীরা এখন ইভেন্টগুলি মোকাবেলা করছে এবং বিষয়গুলি ফলোআপের অধীনে রয়েছে।

✅React ✅COMMENT ✅SHARE

-----১২ রবিউল আউয়ালের তাৎপর্য ও করণীয়----মহানবী (সা.) সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ মহামানব। তাঁর পবিত্র জন্মও হয়েছে অলৌকিক পন্থ...
16/09/2024

-----১২ রবিউল আউয়ালের তাৎপর্য ও করণীয়----

মহানবী (সা.) সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ মহামানব। তাঁর পবিত্র জন্মও হয়েছে অলৌকিক পন্থায়। তাঁর জন্মে গোটা বিশ্বে আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে। সৃষ্টি হয়েছে বিপুল উৎসাহ ও উদ্দীপনা।

পৃথিবীর ইতিহাসে তিনিই একমাত্র ব্যক্তি, যাঁর স্মরণ সব জাতি, সব যুগে করেছে। কিন্তু কবে এই মহামানব জন্মগ্রহণ করেছেন, তা নিয়ে সব আলোচনা রবিউল আউয়াল মাস ঘিরেই হয়ে থাকে। আজ পবিত্র ১২ রবিউল আউয়াল। ইসলামের ইতিহাসে দিনটি অত্যন্ত তাৎপর্যমণ্ডিত।

বিশেষত দুটি কারণে ১২ রবিউল আউয়াল বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ দিন। প্রথমত, সব ইতিহাসবিদের ঐকমত্য বর্ণনা মতে, এই দিনেই মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) লক্ষ-কোটি ভক্ত-অনুরক্তকে এতিম বানিয়ে এ পৃথিবী থেকে বিদায় নিয়েছেন। দ্বিতীয়ত, প্রসিদ্ধ অভিমত অনুযায়ী এই ১২ রবিউল আউয়ালই মহানবী (সা.) জন্মগ্রহণ করেছেন।


মহানবী (সা.)-এর জন্মের তারিখ

খ্রিস্টীয় পঞ্জিকা অনুযায়ী ৫৭১ খ্রিস্টাব্দে মহানবী (সা.) ভূমিষ্ঠ হন।

তাঁর জন্ম তারিখ ২০ এপ্রিল। আরবি হিজরি সন অনুযায়ী তাঁর জন্ম তারিখ নিয়ে মতভেদ আছে। কেউ কেউ বলেন, রবিউল আউয়ালের ৮ তারিখ মহানবী (সা.) জন্মগ্রহণ করেছেন। বেশির ভাগ হাদিসবিশারদ একে বিশুদ্ধ বলেছেন। মহানবী (সা.)-এর জীবনীকারদের মধ্যে ইবনে ইসহাক প্রথম সারির জীবনীকার।
তিনি বলেন, মহানবী (সা.) হাতিবাহিনীর ঘটনার বছর ১২ রবিউল আউয়াল জন্মগ্রহণ করেছেন। (সিরাতে ইবনে হিশাম, খণ্ড-১, পৃ. ১৫৮)
আধুনিক যুগে সিরাত বিষয়ে ‘আর রহিকুল মাকতুম’ নামক গ্রন্থটির বেশ আলোচনা আছে। সেই গ্রন্থে এসেছে : সায়্যিদুল মুরসালিন মক্কায় বনি হাশিমের ঘাঁটিতে সোমবার সকালে ৯ রবিউল আউয়াল জন্মগ্রহণ করেন, যে বছর হাতির ঘটনা ঘটে। সে বছর পারস্য দেশের বাদশাহ আনু শিরোয়ার ক্ষমতা গ্রহণের ৪০ বছর পূর্ণ হয়। (আর রহিকুল মাকতুম, খণ্ড-১, পৃ. ৪৫)

তাফসিরে মা’আরেফুল কোরআন প্রণেতা মুফতি মুহাম্মদ শফি (রহ.) মহানবী (সা.)-এর জন্ম তারিখ সম্পর্কে আরো কিছু অভিমত উল্লেখ করেছেন। তিনি লিখেছেন : এ বিষয়ে সবাই একমত যে নবী করিম (সা.)-এর জন্ম রবিউল আউয়াল মাসের সোমবার দিন হয়েছিল। কিন্তু তারিখ নির্ধারণে চারটি বর্ণনা প্রসিদ্ধ আছে—২, ৮, ১০ ও ১২ রবিউল আউয়াল। এর মধ্যে হাফিজ মুগলতাই (রহ.) ২ তারিখের বর্ণনাকে গ্রহণ করে অন্য বর্ণনাগুলোকে দুর্বল বলে মন্তব্য করেছেন। কিন্তু প্রসিদ্ধ বর্ণনা হচ্ছে ১২ তারিখের বর্ণনা। ‘তারিখে ইবনে আছির’ গ্রন্থে এ তারিখই গ্রহণ করা হয়েছে।

গবেষক মাহমুদ পাশা জ্যোতির্বিজ্ঞানের আলোকে ৯ তারিখ গ্রহণ করেছেন। এটি সবার মতের বিপরীত ও সূত্রবিহীন উক্তি। যেহেতু চাঁদ উদয়ের স্থান বিভিন্ন, তাই গণনার ওপর এতটুকু বিশ্বাস ও নির্ভরতা জন্মায় না যে তার ওপর ভিত্তি করে সবার বিরোধিতা করা যাবে। [মুফতি মুহাম্মদ শফি (করাচি) : সিরাতে খাতামুল আম্বিয়া, ইসলামিয়া কুতুবখানা, ঢাকা, ১৯৯৬, পৃষ্ঠা ১৭]

মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জন্ম তারিখ নিয়ে বিতর্ক থাকলেও দিন হিসেবে সোমবার সম্পর্কে কোনো মতভেদ নেই। কারণ জীবনচরিতকাররা একমত যে রবিউল আউয়াল মাসের ৮ থেকে ১২ তারিখের মধ্যে সোমবার দিন নবী মুহাম্মদ (সা.)-এর জন্ম। এই সোমবার ৮ অথবা ৯ কিংবা ১২—এটুকুতেই হিসাবের পার্থক্য রয়েছে মাত্র। (ইসলামী বিশ্বকোষ, ইসলামিক ফাউন্ডেশন, বাংলাদেশ)



মহানবী (সা.)-এর জন্মের দিনের বিস্ময়কর ঘটনাবলি

সোমবার প্রভাতের সময়। কয়েক মাস হলো, আবরাহার হাতিবাহিনী কাবা শরিফে হামলা করেছে। ২০ বা ২২ এপ্রিল, ৫৭১ খ্রিস্টাব্দ। রাত ৪টা ২০ মিনিট। এ সময় পৃথিবীর ইতিহাসের অন্যতম বিস্ময়কর ঘটনা ঘটে। এ সময় জন্মগ্রহণ করেছেন বিশ্বনবী, প্রিয়নবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)। আবদুর রহমান বিন আউফ (রা.)-এর মা শিফা বিনতে আসওয়াদ (রা.)। তিনি মহানবী (সা.)-এর মা হজরত আমেনা বিনতে ওহ্হাবের সঙ্গে দায়া বা নার্স হিসেবে ছিলেন। তিনি মহানবী (সা.)-এর জন্মের সময়ের বিস্ময়কর কিছু ঘটনা বর্ণনা করেছেন। মহানবী (সা.) যখন এলেন, গোটা কামরা আলোকময় হয়ে গেল। হজরত শিফা দেখলেন, সদ্য ভূমিষ্ঠ এ সন্তান একেবারে সাফ-সুতরো জন্মগ্রহণ করেছে। কোনো ধরনের ময়লা-আবর্জনা, রক্ত-শ্লেষ্মা তাঁর দেহে নেই। অন্য যেকোনো নবজাতক ভূমিষ্ঠ হলে তার শরীরে মায়ের পেট থেকে বিভিন্ন বস্তু লেগে থাকে। কিন্তু মহানবী (সা.) জন্মগ্রহণ করেছেন সম্পূর্ণ পবিত্র হয়ে। অন্যান্য শিশুর আঁত ও নাভি একসঙ্গে থাকে। পরে সেটা কেটে ফেলা হয়। মহানবী (সা.) ভূমিষ্ঠ হয়েছেন নাভি কর্তিত অবস্থায়। অন্যদের বেলায় দেখা যায়, মুসলিম ছেলেশিশু বড় হলে তাদের মুসলমানি করাতে হয়। কিন্তু মহানবী (সা.) জন্মগ্রহণ করেছেন মুসলমানি করা অবস্থায়। হাদিস শরিফে বর্ণিত হয়েছে : রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেন, ‘মহান আল্লাহ আমার প্রতি যে সম্মান দেখিয়েছেন তার অন্যতম হলো, আমি খতনাবিশিষ্ট অবস্থায় জন্মগ্রহণ করেছি, যাতে আমার লজ্জাস্থান কেউ যেন না দেখে। (মুজামে আওসাত, হাদিস : ৬১৪৮)

হজরত শিফা বিষয়টি দেখে অভিভূত হলেন। তিনি বিয়য়টি হজরত আমেনাকে দেখিয়েছেন। তিনিও অভিভূত হলেন। মা আমেনা মহানবী (সা.)-কে কোলে নিতে চেষ্টা করেন। কিন্তু মহানবী (সা.) পার্শ্ব পরিবর্তন করেন। তিনি সেজদায় অবনত হলেন। এ দৃশ্য দেখে তাঁরা উভয়ে ভীত হয়ে পড়লেন। এরপর মহানবী (সা.) উভয় হাতে ভর করে সেজদা থেকে ওঠেন। উঠেই তিনি ডান হাতের শাহাদাত বা তর্জনী আঙুল দিয়ে আসমানের দিকে ইশারা করেন। হঠাৎ পুরো ঘর আলোতে ভরে গেল। হজরত আমেনা বলেন, ‘আমি ওই আলোতে ইরান, সিরিয়া ও হীরার রাজপ্রাসাদ দেখতে পেলাম।’ কাজি আয়াজ বলেন, আবদুর রহমান ইবনে আউফের মা শিফা থেকে বর্ণিত। তিনি তাঁর ধাত্রী ছিলেন। তিনি বলেন, যখন তিনি তাঁর হাতে এলেন তখন চিৎকার করলেন। তিনি এক ঘোষককে বলতে শুনেছেন : ‘আল্লাহ তোমার ওপর অনুগ্রহ করুন।’ সে জায়গা থেকে একটি নূর বের হলো, যা দ্বারা রোমের প্রাসাদ দেখা গেল। (তাফসিরে ইবনে কাসির, খণ্ড-২, পৃ. ৩২৪)

ইবনে আব্বাস (রা.) বলেন, একসময় শয়তান আসমানে যেতে পারত। গিয়ে ফেরেশতাদের গায়েবি সংবাদ শ্রবণ করত। এরপর তাদের গণকদের কাছে তা পৌঁছে দিত। যখন হজরত ঈসা (আ.) জন্মগ্রহণ করেন তখন তাদের তিন আসমান থেকে বহিষ্কার করা হয়। আর যখন মহানবী (সা.) জন্মগ্রহণ করেন তখন তাদের সব আসমান থেকে বহিষ্কার করা হয়। এর পর থেকে তাদের কেউ যখন কিছু শ্রবণ করার জন্য আসমানে যায় তখন তাদের আগুনের স্ফুলিঙ্গ নিক্ষেপ করে বিতাড়িত করা হয়। (তাফসিরে কবির, খণ্ড-১৯, পৃ. ১৩০)

যে রাতে মহানবী (সা.) জন্মগ্রহণ করেন, সেই রাতে পারস্য ও ইরানের রাজপ্রাসাদে কম্পন ধরে। সেখান থেকে ১৪টি গম্বুজ ভেঙে পড়ে। এর মাধ্যমে তাদের ১৪ জন বংশধর ক্ষমতাবান হওয়ার ইঙ্গিত দেওয়া হয়। তাদের ১০ জন পরবর্তী চার বছরে ক্ষমতায় আসে। আর বাকিরা উসমান (রা.) শহীদ হওয়া পর্যন্ত ছিল। মহানবী (সা.)-এর জন্মের দিন পারস্যের আগুন নিভে যায়, যা হাজার বছর ধরে প্রজ্বলিত ছিল। সে দেশের ছোট ছোট নদীর পানি শুকিয়ে যায়। (বায়হাকি, দালাইলুন নবুয়্যাহ, খণ্ড-১, পৃ. ১২৬)

মহানবী (সা.)-এর পবিত্র জন্মে গোটা বিশ্বে সাড়া পড়ে গিয়েছিল। তাঁর জন্মের পর তিন দিন পর্যন্ত কাবা শরিফ দুলতে থাকে। এটা দেখে গোটা আরবের লোকেরা রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর জন্ম সম্পর্কে জানতে পারে। সিরাতে হালবিয়া নামক গ্রন্থে এসেছে : ‘যে রাতে মহানবী (সা.) জন্মগ্রহণ করেছেন, সেই রাতে কাবা শরিফে কম্পন শুরু হয়। সেটি তিন দিন তিন রাত চলতে থাকে। সেটি ছিল প্রথম নিদর্শন, যা মহানবী (সা.)-এর জন্মের পর গোটা কোরাইশ গোত্র দেখতে পেয়েছিল।’ [সিরাতে হালবিয়া, মহানবী (সা.)-এর জন্ম অধ্যায়]



মহানবী (সা.)-এর জন্মের দিনে আমাদের করণীয়

মহানবী (সা.)-কে সোমবারের রোজা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন, ‘এই দিনে আমি জন্মগ্রহণ করেছি এবং এই দিনে আমাকে নবুয়ত দান করা হয়েছে।’ (মুসলিম শরিফ, হাদিস : ১১৬২)

মুসলিম শরিফে বর্ণিত বিশুদ্ধ এই হাদিসের আলোকে জানা যায়, প্রিয় নবীর জন্মদিনে উম্মতের করণীয় কী? এই দিনে উম্মতের করণীয় হলো, রোজা রাখা। তাঁর প্রতি অধিক পরিমাণে দরূদ ও সালাম পাঠ করা। অন্য হাদিসে মহানবী (সা.) বলেন, ‘সোমবার ও বৃহস্পতিবার বান্দার আমলনামা আল্লাহর দরবারে উপস্থাপন করা হয়। সুতরাং রোজা অবস্থায় আমার আমলনামা উপস্থাপন করা হোক, এটা আমি পছন্দ করি।’ (তিরমিজি, হাদিস : ৭৪৭)

তাই মহানবী (সা.)-এর জন্মের দিনে নফল রোজা রাখা প্রকৃত নবীপ্রেমের বহিঃপ্রকাশ। সবচেয়ে বড় কথা হলো, মহানবী (সা.)-এর জন্মের ঘটনার চেয়েও তাঁর সর্বব্যাপ্ত জীবনাদর্শ আমাদের জন্য অধিক প্রয়োজনীয়। মহানবী (সা.)-এর জন্মের বিষয়টি একান্ত তাঁর ব্যক্তিগত। কিন্তু তাঁর সিরাত বা জীবনাদর্শ সব যুগের, সব মানুষের জন্য। বিশ্বমানবতার মুক্তির জন্য। আর নবীপ্রেমের প্রথম শর্ত হলো নবীর আনুগত্য। বাস্তব জীবনে এর প্রতিফলন না ঘটলে নবীপ্রেমের দাবি অর্থহীন।

Highlights

দেশের উন্নতির মূল অংশীদার প্রবাসীগণ।
15/09/2024

দেশের উন্নতির মূল অংশীদার প্রবাসীগণ।

এদেশের উন্নতির মূল অংশীদার প্রবাসীগণঅপশাসন দেশকে পিছিয়েছেপ্রতি শুক্রবার রাত ৮ টায় শায়খ আহমাদুল্লাহ এই চ্যানেল ...

Ten Unknown Facts About  1. Founding and History: BMW, Bayerische Motoren Werke AG, was founded in 1916 in Munich, Germa...
13/09/2024

Ten Unknown Facts About

1. Founding and History: BMW, Bayerische Motoren Werke AG, was founded in 1916 in Munich, Germany, initially producing aircraft engines. The company transitioned to motorcycle production in the 1920s and eventually to automobiles in the 1930s.

2. Iconic Logo: The BMW logo, often referred to as the "roundel," consists of a black ring intersecting with four quadrants of blue and white. It represents the company's origins in aviation, with the blue and white symbolizing a spinning propeller against a clear blue sky.

3. Innovation in Technology: BMW is renowned for its innovations in automotive technology. It introduced the world's first electric car, the BMW i3, in 2013, and has been a leader in developing advanced driving assistance systems (ADAS) and hybrid powertrains.

4. Performance and Motorsport Heritage: BMW has a strong heritage in motorsport, particularly in touring car and Formula 1 racing. The brand's M division produces high-performance variants of their regular models, known for their precision engineering and exhilarating driving dynamics.

5. Global Presence: BMW is a global automotive Company

6. Luxury and Design: BMW is synonymous with luxury and distinctive design, crafting vehicles that blend elegance with cutting-edge technology and comfort.

7. Sustainable Practices: BMW has committed to sustainability, incorporating eco-friendly materials and manufacturing processes into its vehicles, as well as advancing electric vehicle technology with models like the BMW i4 and iX.

8. Global Manufacturing: BMW operates numerous production facilities worldwide, including in Germany, the United States, China, and other countries, ensuring a global reach and localized production.

9. Brand Portfolio: In addition to its renowned BMW brand, the company also owns MINI and Rolls-Royce, catering to a diverse range of automotive tastes and luxury segments.

10. Cultural Impact: BMW's vehicles often become cultural icons, featured in fi

আলহামদুলিল্লাহ্‌,আল্লামা খাইর উদ্দীন -রহ:-এর নতুন প্রজন্মের বিশেষ আয়োজনে ইফতার মাহফিল সুন্দর ও সাবলীলভাবে শেষ হল।
09/04/2024

আলহামদুলিল্লাহ্‌,
আল্লামা খাইর উদ্দীন -রহ:-এর নতুন প্রজন্মের বিশেষ আয়োজনে ইফতার মাহফিল সুন্দর ও সাবলীলভাবে শেষ হল।

27/06/2020

---------:::::জরুরি নোটিশ::::----------

সকলের প্রতি দৃষ্টি আর্কষণ করছি যে, আশা করি চলমান দুর্যোগে আপনারা সবাই সুস্থ ও নিরাপদ আছেন। মহান আল্লাহর দরবারে এই কামনা করি।

উল্লেখ্য যে সাম্পতিক আমাদের সংগঠনের অফিসিয়াল পেইজটি কোন অসৎ লোক দ্বারা হ্যাক হয়েছে। সংগঠনের এই পেইজের মেসেঞ্জার ব্যবহার করে সুনাম নষ্ট করার প্রচেষ্টা চালিয়েছে। তাই আমরা আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করছি। এছাড়া আমরা কখনো কোনো ভাবে কাউকে মিথ্যা আশা দিয়ে প্রভাবিত করিনা। এটা সংগঠনের নীতির চরম বিরুদ্ধে। আবার ও বলছি আমরা কাউকে মিথ্যা আশা দিয়ে প্রভাবিত করিনা। তাই সংগঠনের নাম ভাঙিয়ে কোন দুষ্কৃত ব্যক্তি দ্বারা কেউ প্রতারিত হলে তাতে সংগঠন কোন ভাবে দায়ী থাকিবে না। আমাদের কোন প্রকার কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন থাকলে তা সংগঠনের পক্ষে থেকে নোটিশ জারি করা হয়। অতএব কোন প্রকার মিথ্যায় বিভ্রান্ত হবেন না।

আমাদের অফিসিয়াল পেইজটা উদ্ধারের কাজ চলছে এবং যে বা যারা উক্ত অপরাধটি ঘটিয়েছে। তা আমরা তার বা তাদের বিরুদ্ধে আইনুগত ব্যবস্থা গ্রহণ করছি। খুব শীঘ্রী আমরা তার ফলাফল পাব ইনশাআল্লাহ।


ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইান্না ইলাইহী রাজিউনশ্রদ্ধেয় খুলু দাদী ( আমাদের দাদুর সেজো বোন ) জলদী নেয়াজর পাড়াস্থ মরঃ মাওঃ মোজাহের ...
16/06/2020

ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইান্না ইলাইহী রাজিউন
শ্রদ্ধেয় খুলু দাদী ( আমাদের দাদুর সেজো বোন ) জলদী নেয়াজর পাড়াস্থ মরঃ মাওঃ মোজাহের রহঃ এর স্ত্রী ইন্তিকাল করেন।
আল্লাহ তাকে জান্নাত নসীব করুন।
فی ثواب المغفر لها بإذن الله تعالی مسماة تمنا خانم رحمها الله وأسکنها فسیح جناته جزالله خیرا کل من دعالها ولموتی المسلمین بالرحمة والمغفرة،

26/05/2020

শাওয়াল মাসের দারুণ অফার
এই মাসে মাত্র ৬টা রোজা রাখুন
আর বুঝে নিন নগদ এক বৎসরের নফল রোজার সাওয়াব।

27/02/2020

#আলিম_এবং_আল্লাহর_ওলীদের_সঙ্গে_বেআদবি

হাদীছ - রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরশাদ ফরমানঃ তিন প্রকারের মানুষের সঙ্গে বেয়াদবি কেবল মুনাফিক করতে পারে।
এক - বৃদ্ধ মুসলমান
দুই - আলিম
তিন - ন্যায়পরায়ন বাদশাহ। ( তির রানী)।

হাদীছ - রসুলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরশাদ করেনঃ ঐ ব্যক্তি আমাদের অন্তর্ভুক্ত নয়,( তথা মুসলমানদের অন্তর্ভুক্ত নয়) যে বৃদ্ধদের সম্মান করে না, শিশুদের প্রতি দয়া প্রদর্শন করে না এবং আলেমদের শ্রদ্ধা করেনা। (যাওয়াজের প্রথম খন্ড 78 পৃষ্ঠা)।

বুখারী শরীফে বর্ণিত আছে যে, আল্লাহ তাআলা এরশাদ করেনঃ যে ব্যক্তি আমার ওলীর অসম্মানী করে সে যেন আমার সঙ্গে যুদ্ধের ঘোষণা দেয়। অন্য এক রিওয়ায়তে এসেছে আমি তাকে যুদ্ধের ঘোষণা দিয়ে দিলাম। আলিম এবং ওলীদের সঙ্গে বেয়াদবি কে অনেকেই কবিরা গুনাহের মধ্যে গণ্য করেছেন। (যাওয়া জের) বুখারীর ব্যাখ্যাকারী যুরকানী উত্ত হাদীসের ব্যাখ্যায় লিখেন উল্লেখিত হাদীসে ভেবে দেখো যে, আলেমদের এবং ওলীদের সঙ্গে বেয়াদবির শাস্তি সুদখোরের শাস্তি অনুরূপ করা হয়েছে কেননা সুদখোরদের সম্পর্কে কোরআনের ইরশাদ হচ্ছেঃ فاذنوبحرب من الله ورسوله
অর্থাৎ সুদখোর যেন আল্লাহ এবং তাঁর রসূলের সঙ্গে যুদ্ধ করার জন্য তৈরি হয়ে যায়।

ইমাম ইবনে আসাকির বলেন হে বন্ধুগণ! আল্লাহ তাআলা আমাকে এবং তোমাদেরকে পূর্ণ তৌফিক দান করুন এবং সহজ সরল রাস্তা প্রদর্শন করুন। ভালোভাবে বুঝে রাখ,আলিমদের গোস্ত বিষ মিশ্রিত। আল্লাহ তাআলার এই নিয়ম সুপরিচিত ও সুবিদিত যে তিনি আলেমদের অবমাননাকারী ও অপবাদ প্রদানকারীকে অপমানিত লাঞ্ছিত করে থাকেন। যে ব্যক্তি আলেমদের দোষ ধরার চিন্তায় থাকে, আল্লাহ তা'আলা তাঁর মৃত্যুর পূর্বে তার অন্তরের মৃত্যুর ব্যবস্থা করে দেন।
আলেমদের গোস্ত বিষ মিশ্রিত হওয়ার কারণ এই যে,
কোরআন শরীফে কারো গীবত বা পরনিন্দা করা কে তার গোশত খাওয়ার শামিল করেছেন তাই যে ব্যক্তি আলেমদের গীবত করে সে যেন তাদের গোশত ভক্ষণ করে। কিন্তু তাদের গোস্ত বিষ মিশ্রিত। কাজেই যে ব্যক্তি ওহা খাবে তার দ্বীন ধ্বংস হয়ে যাবে। অন্তরার মৃত্যু হওয়ার অর্থ এই যে, তার মধ্যে পাপ পূর্ণ, ভালো মন্দের অনুভূতি থাকবে না। পূণ্যকে পাপ, মন্দকে পূণ্য বুঝবে।والعیاذ بالله.

কোন ব্যক্তির গীবত করা বা কাউকে ঘৃণা করা জায়েজ নয়। যে ব্যক্তি আলেমদের সঙ্গে এরূপ ব্যবহার করবে সে ব্যক্তি আল্লাহ তায়ালার গজব ও ক্রোধের পাত্রে পরিণত হয়।আলেমগন লিখেছেন, এমন ব্যক্তির পরিণাম মন্দ হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

#সতর্কবাণীঃ
একটু ভেবে দেখুন বর্তমানে কত মুসলমান এই স্বাদহীন অনুপকারী কবিরা গুনাহর মধ্যে লিপ্ত হয়ে নিজ দ্বীন ও ধর্মকে ধ্বংস করছে এবং নিশ্চিতভাবে নিজেই নিজেকে আল্লাহ তাআলা ও তার রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর পাত্রে পরিণত হচ্ছে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর গজব এবং ক্রোধের পাত্রে পরিণত করছে। এ ব্যাপারে এত শিথিলতা এত নির্ভয় যে, সমূদয় মন্দ বিনা অনুসন্ধানে আলেমদের ঘাড়ে চাপানো হয়।

কারো সমালোচনা না হলে আলেমদের সমালোচনা হবেই। বর্তমানে উম্মত দলাদলি রোগে আক্রান্ত। প্রত্যেক দলের লোকেরা শ্রদ্ধা ভক্তি সম্মান সম্পর্কীয় সকল আয়াত এবং হাদীস নিজ দলের আলেমদের জন্য নির্ধারিত বলে বিশ্বাস করে। প্রতিপক্ষের আলেমদের প্রতি যতই ধৃষ্ঠাতা প্রদর্শন করুক তাতে কোন ভয় করে না।

বর্তমানে ধর্মীয় বিধানসমূহ সঠিকভাবে পরিচালিত হচ্ছে না বলে এবং কিছু সাধারন লোক দ্বীনের প্রতি অমনোযোগী হওয়ার কারণে এমন অনেক লোক যারা প্রকৃতপক্ষে আলেম নয়, আলেমদের মধ্যে গণ্য হতে শুরু করছে। জনসাধারণের অবস্থা হলো এই যে, যার মুখে দাঁড়ি এবং গায়ে লম্বা পাঞ্জাবী দেখল তাকেই মৌলানা দিয়ে দিল। যে ব্যক্তি কোন আন্দোলনে কারাবরণ করল এবং কোন সভাই দাঁড়িয়ে দু-চার কথা বলে দিল,তাহলে সে বড় আল্লামা বড় নেতা এবং রেজিস্ট্রিকৃত মাওলানা হয়ে গেল। পরে এসকল আলেমদের থেকে যখন অশোভনীয় কর্ম প্রকাশিত হয় তখন আলেমদের প্রতি ক্রোধের বান নিক্ষেপ করতে থাকে। অথচ কোন খোঁজ খবর না নিয়ে নিজেই নিজের ইমাম বানালো এবং তাকেই মৌলানা বলে আখ্যায়িত করল। অতঃপর তার কার্যাবলীকে সকল আলেমের কার্যাবলী বলে সাব্যস্ত করে আলেমদেরকে গালমন্দ করে অপবাদ দিয়ে নিজের দ্বীন ও দুনিয়া কে ধ্বংস করল।

জনসাধারণের এ অসতর্কতা অনেক ধ্বংস সৃষ্টি করেছে। প্রথমতঃ যারা কাউকে বিনা দলিলে,বিনা পরিক্ষায় নিজেদের পথ প্রদর্শক বানালো যদি সে প্রকৃতপক্ষে আলিম না হয়, তবে সে প্রতি পদক্ষেপে ভুল করে নিজে ভ্রষ্ট হবে অন্যকেও ভ্রষ্ট করবে। অতঃপর যখন মানুষ তার ভ্র্ষ্টতা, অসৎ কার্যবলি লক্ষ্য করে সন্দেহান্বিত হবে তখন এ সন্দেহ শুধু তার প্রতিই থাকবে না; বরং সকল আলেমদের প্রতি সন্দেহন্বিত হয়, যার পরিণাম ইহকাল ও পরকালের ধ্বংস।

এজন্য কাউকে মৌলবী,মাওলানা বা আলেম বলতে তড়িঘড়ি করা উচিত নয়। যখন খোঁজখবর নিয়ে সততার সঙ্গে ওই ব্যক্তি আলেম বলে প্রমাণিত হবে, তখন তাকে মন্দ বলতে, সমালোচনা করতে তাড়াতাড়ি করো না; বরং তার প্রকাশ্য মন্দ দেখলেও তার মন্দ কাজটিকে মন্দ বলবে কিন্তু তাকে মন্দ বলবে না। হতে পারে, সে কোন কারনে অক্ষম কেননা সাধারণের দিনের হেফাজত তার মধ্যে নিহিত রয়েছে। والله المستعان وبیده التوفیق

14/02/2020

প্রসংগঃ তথাকথিত বিশ্ব ভালোবাসা দিবস - দ্বীন ইসলাম কি বলে।
_______________________
পূর্বকথাঃ সবচেয়ে বড় কষ্টের বিষয় হলো, প্রতি বছর এই "বিশেষ দিনগুলো"র আগে এই পোষ্টগুলো শেয়ার করি আমরা অনেকেই। বিশেষ লাভ হয় না তাতে। অনেক ভাইবোন প্রথম লাইন দেখেই স্কিপ করবেন।
তারপরেও দাওয়াহর কাজ চালু রাখতে হবে। পাঠককুল এর কাছে অনুরোধ - নিজের ঘর থেকেই শুরু করুন বুঝানো। একদিন আমরা নিশ্চয়ই বুঝতে পারবো ইনশাআল্লাহ। যতো দ্রুত, ততোই মঙ্গল।

__________________________
বিশ্ব ভালোবাসা দিবস-এর ইতিহাস খুঁজতে গিয়ে "এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা" সহ আরো বহু রেফারেন্স থেকে জানা যায়, “রোমান এক খ্রিস্টান পাদ্রি সেন্ট ভ্যালেন্টাইন। চিকিৎসা বিদ্যায় সে ছিলো অভিজ্ঞ। খ্রিস্টধর্ম প্রচারের অভিযোগে ২৭০ খ্রিস্টাব্দে রোমের সম্রাট দ্বিতীয় ক্লডিয়াসের আদেশে ভ্যালেন্টাইনকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়। সে যখন বন্দি ছিলো তখন তরুণ-তরুণীরা তাকে ভালবাসা জানিয়ে জেলখানায় জানালা দিয়ে চিঠি ছুড়ে দিতো। বন্দি অবস্থাতেই সেন্ট ভ্যালেন্টাইন জেলারের অন্ধ মেয়ের দৃষ্টিশক্তি ফিরিয়ে দেয়ার চিকিৎসা করে। মেয়েটির সঙ্গে তার সম্পর্ক গড়ে উঠে। মৃত্যুর আগে মেয়েটিকে লেখা এক চিঠিতে সে লিখে যে, “ফ্রম ইউর ভ্যালেন্টাইন।”
অনেকের মতে, সেন্ট ভ্যালেন্টাইনের নামানুসারেই পোপ প্রথম জুলিয়াস ৪৯৬ খ্রিস্টাব্দে ১৪ ফেব্রুয়ারিকে ‘সেন্ট ভ্যালেন্টাইন ডে’ হিসেবে ঘোষণা দেয়। ইতিহাস দ্বারা এটাই প্রমাণিত হয় যে, তথাকথিত ভালোবাসা দিবস কখনোই এদেশীয় সংস্কৃতির অংশ ছিলো না। আর মুসলমানদের তো নয়ই।
বর্তমান অবাধ তথ্য প্রবাহের যুগে স্যাটেলাইটের কল্যাণে মুসলিম সমাজ পশ্চিমা সংস্কৃতির অনুসরণ করছে। নিজেদের স্বকীয়তা-স্বাতন্ত্র্যকে ভুলে গিয়ে, ধর্মীয় অনুশাসনকে উপেক্ষা করে তারা আজকে প্রগতিশীল হওয়ার চেষ্টা করছে। ফলে তাদের কর্মকান্ডে মুসলিম জাতির উঁচু শির নত হচ্ছে। অথচ এটা বহুপূর্বে রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিষেধ করে গেছেন।
আবু আকিদ (রাঃ) বলেন, রাসুলুল্লাহ (সাঃ) খায়বার যাত্রায় মূর্তিপূজকদের একটি গাছ অতিক্রম করলেন। তাদের নিকট যে গাছটির নাম ছিল ‘জাতু আনওয়াত’। এর উপর তীর টানিয়ে রাখা হতো। এ দেখে কতক সাহাবী রাসূল (সাঃ)-কে বলল, হে আল্লাহর রাসুল! আমাদের জন্যও এমন একটি ‘জাতু আনওয়াত’ নির্ধারণ করে দিন। রাসুলুল্লাহ (সাঃ) ক্ষোভ প্রকাশ করলেন, "সুবহানাল্লাহ, এ তো মূসা (আঃ)-এর জাতির মত কথা। আমাদের জন্য একজন প্রভু তৈরি করে দিন, তাদের প্রভুর ন্যায়। আমি নিশ্চিত, আমি আল্লাহর শপথ করে বলছি, তোমরা পূর্ববর্তীদের আচার-অনুষ্ঠানের অন্ধানুকরণ করবে"।

[জামে' আত-তিরমিযী, হাদীস ৫৪০৮; সহীহ]
অন্য হাদীসে রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি যে জাতির অনুকরণ করবে, সে ব্যক্তি সেই জাতিরই একজন বলে গণ্য হবে’।

[সুনানে আবূ দাউদ, হাদীস ৪০৩১, মুসনাদে আহমাদ, ২/৫০; সহীহ]
মানুষের অন্তর যদিও অনুকরণপ্রিয়, তবুও মনে রাখতে হবে ইসলামী দৃষ্টিকোণ বিচারে এটি গর্হিত, নিন্দিত। বিশেষ করে অনুকরণীয় বিষয় যদি হয় আক্বীদা, ইবাদত, ধর্মীয় আলামত বিরোধী, আর অনুকরণীয় ব্যক্তি যদি হয় বিধর্মী, বিজাতী। দুর্ভাগ্য যে, মুসলমানরা ক্রমশ ধর্মীয় আচার, অনুষ্ঠান ও বিশ্বাসে দুর্বল হয়ে আসছে এবং বিজাতীদের অনুকরণ ক্রমান্বয়ে বেশি বেশি আরম্ভ করছে। যার অন্যতম ১৪ ফেব্রুয়ারী বা ভালোবাসা দিবস। মুসলমানদের জন্য এসব দিবস পালন জঘন্য অপরাধ।
ইবনুল ক্বাইয়িম (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, "কাফিরদের ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠান উপলক্ষে তাদের শুভেচ্ছা জানানো একটি কুফরী কাজ। কারো দ্বিমত নেই এতে। যেমন তাদের ধর্মীয় উৎসব উপলক্ষে ‘শুভেচ্ছা’ বলা, শুভ কামনা জানানো। এগুলো কুফরী বাক্য না হলেও ইসলামী দৃষ্টিকোণ হতে হারাম। কারণ এর অর্থ হলো, একজন লোক ক্রুশ, মূর্তি ইত্যাদিকে সিজদা করছে, আর আপনি তাকে ধন্যবাদ জানাচ্ছেন। এটা একজন মদ্যপ ও হত্যাকারীকে শুভেচ্ছা জানানোর চেয়েও জঘন্য।"
অনেক ভাইবোন অবচেতনভাবেই এ সকল অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে, অথচ তারা জানেও না, কত বড় অপরাধ তারা করে যাচ্ছে। শিরক ও কুফরে লিপ্ত ব্যক্তিদের শুভেচ্ছা জানাচ্ছে, ধন্যবাদ দিচ্ছে। এভাবে আল্লাহর শাস্তিতে নিপতিত হচ্ছে।
মুসলমানদের সাথে সম্পর্ক উন্নয়ন ও কাফিরদের সাথে সম্পর্ক ছেদন হচ্ছে আমাদের পথিকৃৎ সাহাবা, নেককার পূর্ব পুরুষদের একটি বৈশিষ্ট্য। সুতরাং যারাই বিশ্বাস করে, ‘আল্লা­হ এক, তিনি ছাড়া কোন ইলাহ নেই, মুহাম্মাদ তাঁর রাসুল’ – তাঁদের উচিত ও কর্তব্য, মুসলমানদের মুহাববত করা, কাফিরদের ঘৃণা করা, তাদের সাথে বৈরিভাব পোষণ করা, তাদের আচার-অনুষ্ঠান প্রত্যাখ্যান করা। এতেই আমরা নিরাপদ, এখানেই আমাদের কল্যাণ, অন্যথা সমূহ ক্ষতির সম্ভাবনা রয়েছে।
কেউ কেউ হয়তো বলবে, আমরা তাদের আক্বীদা বিশ্বাস গ্রহণ করি না, শুধু আপোষে মুহাববত, ভালোবাসা তৈরি করার নিমিত্তে এ দিনটি পালন করি। অথচ এর মাধ্যমে সমাজে অশ্লীলতা ছড়ায়, ব্যভিচার প্রসার লাভ করে। একজন সতী-সাধ্বী পবিত্র মুসলিম নারী বা পুরুষ এ ধরনের নোংরামির সাথে কখনো জড়িত হতে পারে না।
এ দিনটি উদযাপন কোন স্বভাব সিদ্ধ ও স্বাভাবিক ব্যাপার নয়। বরং একজন ছেলেকে একজন মেয়ের সাথে সম্পর্ক জুড়ে দেয়ার পাশ্চাত্য কালচার আমদানীকরণ। আমরা জানি, তারা সমাজকে চারিত্রিক পদস্খলন ও বিপর্যয় হতে রক্ষা করার জন্য কোন নিয়ম-নীতির ধার ধারে না। যার কুৎসিত চেহারা আজ আমাদের সামনে স্পষ্ট। তাদের অশালীন কালচারের বিপরীতে আমাদের অনেক সুষ্ঠু-শালীন আচার-অনুষ্ঠান রয়েছে।
মুসলিম সমাজে এক সময় নীতি-নৈতিকতার মূল্য ছিল সীমাহীন। লজ্জাশীলতা ও শুদ্ধতা ছিল এ সমাজের অলংকার। কোন অপরিচিত মেয়ের সাথে রাস্তায় বের হবার চেয়ে পিঠে বিশাল ভার বহন করা একটা ছেলের জন্য ছিল অধিকতর সহজ। আর মেয়েদের ক্ষেত্রে তা চিন্তা করারও অবকাশ ছিল না। অথচ সেই অবস্থা থেকে আজ আমরা কোথায় এসে পৌঁছেছি! এটা হচ্ছে ‘ভ্যালেন্টাইনস ডে’-র মত অশ্লীলতার কুফল। এসবের দ্বারা সরল, পুণ্যবান, নিষ্কলঙ্ক মানুষ বিপথগামী হচ্ছে।
আমেরিকা ও ইউরোপ এর লোকজন একই উৎসবে মেতে উঠতে পারে। কারণ তারা এক জাত, এক সভ্যতা, এক সংস্কৃতি, এক ধর্ম এবং একই ধারার লোক। এক দেহের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ, তাই আনন্দ-বেদনার অনুভূতি সর্বত্র অভিন্ন। কিন্তু আমাদের দেহ পৃথক, ওদের চেয়ে আমরা পৃথক প্রায় সব ক্ষেত্রে। তথাপি কেন আমরা নাচি যখন তারা ডুগডুগি বাজায় নিজেদের জন্য। বিলাতের ভ্যালেন্টাইন ঐতিহ্যকে অনুসরণ করে মুসলিমরাও যদি একইভাবে এ দিবসটি পালন করে, তাহলে তাদের ও আমাদের মধ্যে পার্থক্য থাকল কোথায়? আমরা মুসলিম। ভ্যালেন্টাইন আমাদের নয়, ওদের- এ জ্ঞানটুকুও নেই, এটাই আজ আমাদের জন্য বড় ট্রাজেডি!
অতএব যেকোন মূল্যে এসমস্ত #অপসংস্কৃতি থেকে বেঁচে থাকা আমাদের ঈমানী দায়িত্ব। মহান আল্লাহ আমাদের হিদায়াত দান করুন।
আমীন।

13/01/2020

স্ত্রী, সন্তান ও প্রতারক বন্ধু
——————————

রসুল (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর শেখানো কী অদ্ভুত দোয়া!

‎اللَّهُمَّ إنِّي أّعُوذُ بِكَ مِنْ جَارِ السُّوءِ، وَمِنْ زَوْجٍ تُشَيِّبُنِي قَبْلَ المَشِيبِ، وَمِنْ وَلَدٍ يَكُونُ عَليَّ رَبّاً، وَمِنْ مَالٍ يَكُونُ عَلَيَّ عَذَابَاً، وَمِنْ خَلِيْلٍ مَاكِرٍ عَيْنُهُ تَرَانِي، وَقَلْبُهُ يَرْعَانِي؛ إِنْ رَأَى حَسَنَةً دَفَنَهَا، وَإِذَا رَأَى سَيِّئَةً أَذَاعَهَا

হে আল্লাহ! আমি আশ্রয় চাই,

- মন্দ প্রতিবেশি থেকে

- এমন স্ত্রী থেকে, যে বার্ধক্যের আগেই আমাকে বৃদ্ধ বানিয়ে দিবে

- এমন সন্তান থেকে, যে আমার প্রভু হয়ে যাবে। অর্থাৎ আমার উপর ছড়ি ঘোরাবে

- এমন সম্পদ থেকে, যা আমার জন্য শাস্তির কারন হবে

- এমন প্রতারক বন্ধু থেকে, যে গভীর ভাবে আমার সবকিছুর প্রতি নজর রাখবে। এরপর আমার ভাল গুণগুলোকে গোপন করে, দোষ এবং দুর্বলতাগুলোকে প্রচার করে বেড়াবে

———
হাদিসের মান- সহিহ।
তবারানী ৩/১৪২৫,
আসসিলসিলাহ আসসাহিহাহ ৭/৩৭৭

Address

Kazi Bari, Neazorpara, Jaldi
Chittagong
4390

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when আল্লামা খাইর উদ্দীন -রহ:- ফাউন্ডেশন posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share