18/05/2026
জিলহজ্জ এর প্রথম দশক:
ফাজায়েল ও আমলসমূহ
------------------
* ফাজায়েল:
মহান আল্লাহ বলেন:
والفجر وَلَیَالٍ عَشۡرٍ ۙ وَّالشَّفۡعِ وَالۡوَتۡرِ ۙ
শপথ ফজরের, দশ রাতের এবং জোড় ও বেজোড় দিবসের। (সূরা আল ফজর : ০২)
নির্ভরযোগ্য সনদে হযরত জাবির রা. রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন,
ان العشر عشر الأضحى، والوتر يوم عرفة، والشفع يوم النحر.
দশ রাত দ্বারা উদ্দেশ্য হল, ঈদুল আযহা সংশ্লিষ্ট দশ দিন, বেজোড় দিবস হল আরাফার দিন (যা যুলহিজ্জার ৯ তারিখ) এবং জোড় হল যুলহিজ্জার ১০ তারিখ। (মুসনাদে আহমদ ১৪৫১১)
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন:
عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللهِ ﷺ : مَا مِنْ أَيَّامٍ العَمَلُ الصَّالِحُ فِيهِنَّ أَحَبُّ إِلَى اللهِ مِنْ هَذِهِ الأَيَّامِ العَشْرِ
হযরত ইবনে আব্বাস রাযি. হতে বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে সকল দিনসমূহে আমল করা আল্লাহ তাআলার কাছে অধিক প্রিয়, সে দিনসমূহের মধ্যে জিলহজ্বের প্রথম দশক সবচেয়ে ফজীলতপূর্ণ।
(সহীহুল বুখারী ৯৬৯)
* আমলসমূহ:
১- জিলহজ্বের চাঁদ উদিত হওয়ার পর থেকে কুরবানীর জন্তু জবেহের আগ পর্যন্ত নখ, চুল ও অবাঞ্ছিত পশমে পরিস্কার না করা।
(সহীহ মুসলিম-১৯৭৭)
২- প্রথম তারিখ থেকে নয় তারিখ পর্যন্ত নফল রোজা রাখা
(তিরমিজি-৭৫৮)
৩- ০৯ জিলহজ তথা আরাফাহর দিন রোজা রাখা।
(সহীহ মুসলিম ১১৬২)
৪- আরাফাহর দিন দুআ করা
(যাদুল মা'আদ ২/২১৮)
৫- বেশী বেশী আলহামদুলিল্লাহ, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ও আল্লাহু আকবার পড়া
(মুসনাদে আহমদ ২/৫৭, হাদীস ৫৪৪৬)
৬- নফল ইবাদতের মাধ্যমে রাত্রি জাগরণ করা।
(তিরমিজি-৭৫৮)
৭- কুরবানী করা
( সূরা কাউছার-০২, মুসনাদে আহমদ - ৮৪৯৬)
৮- তাকবীরে তাশরীক আদায় করা
(সূরা বাকারা ২০৩)
মহান আল্লাহ আমাদেরকে জিলহজ্বের প্রথম দশককে যথাযথ গুরুত্ব প্রদানের তাওফীক দান করুন।