ইসলামের কথা Islamer Kotha

ইসলামের কথা Islamer Kotha ইসলামের সবরকম কথা এখানে পোস্ট করা হয়।

ভয়াবহ এই ঘটনাটা মূলধারার কোন গণমাধ্যমে পাচ্ছিলাম না। তাই সত্যতা বুঝতে পারছিলাম না। আজ মূলধারার কয়েকটি মিডিয়া নিউজ করেছে।...
17/10/2025

ভয়াবহ এই ঘটনাটা মূলধারার কোন গণমাধ্যমে পাচ্ছিলাম না। তাই সত্যতা বুঝতে পারছিলাম না। আজ মূলধারার কয়েকটি মিডিয়া নিউজ করেছে।

গাজীপুরের কালিয়াকৈরে ১৩ বছর বয়সী এক মাদরাসা ছাত্রীকে অপহরণের পর, এক হিন্দু যুবক জয় কুমার দাস লাগাতার তিন দিন ধরে ধর্ষণ করেছে। বিস্ময়কর ব্যাপার হল, এই চাঞ্চল্যকর ঘটনাটা দুইমাস আগের কিন্তু কোন মিডিয়াতে আসেনি।

দুই মাস আগে এই ভাড়া বাসা থেকে প্রতিবেশী সঞ্জিত বর্মন ও তার শ্যালক লোকনাথ চন্দ্র দাসের সহযোগিতায় লোকনাথের ভাগিনা জয় কুমার দাস মেয়েটিকে কৌশলে অপহরণ করে লোকনাথের ভাড়া বাসায় নিয়ে যায় এবং জোরপুর্বক লাগাতার তিনদিন ধর্ষণ ও শারীরিকভাবে পাশবিক নির্যাতন করে।

এ ঘটনায় প্রথমে জিডি করলেও অভিযুক্তদের হুমকির কারণে মামলার সাহস পায়নি ভুক্তভোগীর পরিবার। সম্প্রতি স্থানীয় আলেমদের সহযোগিতায় ভুক্তভোগীর পরিবার মামলা করলে অভিযুক্তদের মধ্যে জয় কুমার দাস ও লোকনাথকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তবে মামলার অন্য আসামীরা এখনও পলাতক।

হিন্দু তরুণ আর যুবকদের দ্বারা মাদ্রাসা ছাত্রী ধর্ষণ, অপহরণ, প্রেমের ফাঁদে ফেলে ধর্ষণ কিংবা বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ... এধরণের অনেকগুলো ঘটনা গত কয়েক বছরে মিডিয়াতে এসেছে। এগুলো ঠিক বিচ্ছিন্ন ঘটনা না। এর পিছনে ইস কনের ইন্ধন আর পরিকল্পনা থাকা বিচিত্র না।

সময় এসেছে এধরনের সব ঘটনা তদন্ত করে বিস্তারিত সব তথ্য উদঘাটন করার। নইলে এই ছাত্রীর মত আরো অনেক কিশোরীই এদের ফাঁদে পড়বে।

নাবালিকা ধর্ষণের শাস্তি ফাঁ/সি। দ্রুততম সময়ে সেটাই কার্যকর করেন। প্রশাসন প্রমাণ করুক তারা ভার/তের প্রভাবমুক্ত।

©

14/09/2025
পবিত্র কুরআন মাজীদে আল্লাহ তাআলা বলেন,كُنْتُمْ خَیْرَ اُمَّةٍ اُخْرِجَتْ لِلنَّاسِ تَاْمُرُوْنَ بِالْمَعْرُوْفِ وَ تَنْه...
04/06/2025

পবিত্র কুরআন মাজীদে আল্লাহ তাআলা বলেন,

كُنْتُمْ خَیْرَ اُمَّةٍ اُخْرِجَتْ لِلنَّاسِ تَاْمُرُوْنَ بِالْمَعْرُوْفِ وَ تَنْهَوْنَ عَنِ الْمُنْكَرِ وَ تُؤْمِنُوْنَ بِاللّٰهِ ؕ وَ لَوْ اٰمَنَ اَهْلُ الْكِتٰبِ لَكَانَ خَیْرًا لَّهُمْ ؕ مِنْهُمُ الْمُؤْمِنُوْنَ وَ اَكْثَرُهُمُ الْفٰسِقُوْنَ۝۱۱۰

(হে মুসলিমগণ!) তোমরা সেই শ্রেষ্ঠতম দল, মানুষের কল্যাণের জন্য যাদের অস্তিত্ব দান করা হয়েছে। তোমরা সৎকাজের আদেশ করে থাক ও অন্যায় কাজে বাধা দিয়ে থাক এবং আল্লাহর প্রতি ঈমান রাখ। কিতাবীগণ (ইহুদী ও খৃষ্টান সম্প্রদায়) যদি ঈমান আনত, তবে তাদের পক্ষে তা কতই না ভালো হত। তাদের মধ্যে কতক তো ঈমানদার, কিন্তু তাদের অধিকাংশই নাফরমান।

সূরা আলে ইমরান, আয়াত ১১০ !!❤️❤️

আজকের শিশু কালকের ভবিষ্যৎ। আর এই ভবিষ্যৎ গড়ার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার হলেন বাবা-মা। সন্তানের সঠিক তারবিয়াহ শুধুমাত্র...
16/04/2025

আজকের শিশু কালকের ভবিষ্যৎ। আর এই ভবিষ্যৎ গড়ার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার হলেন বাবা-মা। সন্তানের সঠিক তারবিয়াহ শুধুমাত্র ভালো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তি করানো বা পরীক্ষায় ভালো ফলাফলের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। এর চেয়েও অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে তার চারিত্রিক গঠন, নৈতিক শিক্ষা ও ভালো-মন্দের বোধ তৈরি করা।

১.⁠ ⁠সন্তানের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তুলুন:
শুধু আদেশ-নিষেধ নয়, সন্তানের সঙ্গে একান্তে সময় কাটান। তার অনুভূতি শুনুন, চোখে চোখ রেখে কথা বলুন। এতে সে অনুভব করবে আপনি তার আপনজন, ভরসার স্থান।

২.⁠ ⁠ভালোবাসা ও শৃঙ্খলার ভারসাম্য রাখুন:
একদিকে সীমাহীন ভালোবাসা, অন্যদিকে প্রয়োজনীয় শৃঙ্খলা—দুইয়ের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করা অত্যন্ত জরুরি। খুব বেশি শাসন যেমন ক্ষতি করে, তেমনি অতিরিক্ত ছাড়ও সন্তানের ক্ষতির কারণ হতে পারে।

৩.⁠ ⁠ইসলামী মূল্যবোধ শেখান:
আল্লাহভীতি, আমানতদারি, সততা, সহমর্মিতা, বড়দের সম্মান, ছোটদের স্নেহ—এই গুণগুলো ছোটবেলা থেকেই শেখানো জরুরি। নিজের আচরণের মাধ্যমে এই মূল্যবোধগুলো শেখানো সবচেয়ে কার্যকর পদ্ধতি।

৪.⁠ ⁠পরিমিত স্ক্রিন টাইম ও টাইম ম্যানেজমেন্ট :
শিশুদের হাতে মোবাইল তুলে দেওয়ার আগে ভাবুন—এটা কি তাকে জ্ঞানী বানাচ্ছে, না কেড়ে নিচ্ছে তার শৈশব? খেলাধুলা, বই পড়া, পারিবারিক সময়—এসবের গুরুত্ব তাকে বোঝান।

৫.⁠ ⁠নিজের চরিত্র গড়ুন:
বাবা-মা যেমন হবেন, সন্তানও ধীরে ধীরে তাই হতে শেখে। আপনি যদি সময়নিষ্ঠ হন, কোমলভাষী হন, সালাত কায়েম করেন, মিথ্যা না বলেন—সন্তান নিজের অজান্তেই তা রপ্ত করবে।

সন্তান আমাদের হাতে আমানত। আমরা তাকে যেমন করে গড়ে তুলবো, সে-ই আমাদের জন্য দুনিয়ায় শান্তি ও আখিরাতে নাজাতের কারণ হতে পারে, আবার উল্টোও হতে পারে। তাই সন্তানকে সময় দিন, দোয়া করুন, সঠিক দিকনির্দেশনা দিন—আল্লাহর উপর ভরসা রাখুন।আমিন❤️❤️

মুসলিমরা বুঝেছেন?
14/04/2025

মুসলিমরা বুঝেছেন?

পবিত্র কুরআন মাজীদে আল্লাহ তাআলা বলেন,یٰۤاَیُّهَا الَّذِیْنَ اٰمَنُوْا لَا تَاْكُلُوا الرِّبٰۤوا اَضْعَافًا مُّضٰعَفَةً ...
13/04/2025

পবিত্র কুরআন মাজীদে আল্লাহ তাআলা বলেন,

یٰۤاَیُّهَا الَّذِیْنَ اٰمَنُوْا لَا تَاْكُلُوا الرِّبٰۤوا اَضْعَافًا مُّضٰعَفَةً ۪ وَّ اتَّقُوا اللّٰهَ لَعَلَّكُمْ تُفْلِحُوْنَ۝

হে মু’মিনগণ! তোমরা কয়েকগুণ বৃদ্ধি করে সুদ খেও না, এবং আল্লাহকে ভয় কর, যাতে তোমরা সফলতা লাভ করতে পার।

সূরা আলে ইমরান, আয়াত ১৩০!!

ইহুদী ধর্মের জাতির পিতা এবং ইসলাম ধর্মের জাতির পিতা একজনই, হযরত ইবরাহীম(আঃ)।ইবরাহীম(আঃ) এর দুই পুত্র, ইসহাক(আঃ) আর ইসমাই...
12/04/2025

ইহুদী ধর্মের জাতির পিতা এবং ইসলাম ধর্মের জাতির পিতা একজনই, হযরত ইবরাহীম(আঃ)।
ইবরাহীম(আঃ) এর দুই পুত্র, ইসহাক(আঃ) আর ইসমাইল(আঃ)।

হয়রত ইসহাক(আঃ) এর পুত্র ছিলেন হযরত ইয়াকুব(আঃ), উনার আরেক নাম ইসরাইল। এই ইয়াকুব(আঃ) এর বংশকে আল্লাহ্ তা'আলা বনি-ইসরাইল নামে সম্বোধন করেছেন।

হযরত ইয়াকুব(আঃ) এর ১২সন্তানের মধ্যে ১জনের নাম ছিলো ইয়াহুদা। এই ইয়াহুদা এর বংশই পরবর্তীতে সবচেয়ে বেশি বিস্তার লাভ করে।
তাই, বনি-ইসরাইল এর আরেক নাম ইহুদী।

ইহুদী ধর্ম আর বংশ দুটো আলাদা।
সব ইহুদী বংশের লোক ইহুদী ধর্মের হলেও সব ইহুদী ধর্মের লোকই ইয়াহুদার বংশ নয়।
এই ইয়াহুদাই কিন্তু তার আপন ভাই ইউসুফ(আঃ) কে কূপে ফেলে হত্যা করতে চেয়েছিল!

৪ হাজার বছর আগে ইসহাক(আঃ) এর মৃত্যুর পর ইয়াকুব(আঃ) আল্লাহ্‌'র নির্দেশে শামনগরী (সিরিয়া) থেকে কেনানে হিজরত করেন। এই কেনানই বর্তমানের ফিলিস্তিন।

এরপর কেনানে (ফিলিস্তিন) দুর্ভিক্ষ দেখা দিলে ইয়াহুদা তার সব ভাই এর সাথে মিশরে চলে যায় এবং মিশরে বসবাস শুরু করে।

মিশরের তখনকার রাজা ছিলেন ইউসুফ(আঃ), যিনি ইয়াকুব(আঃ) এর ১২সন্তানের মধ্যে ১১তম। সেই কারণে ইয়াহুদা ও তার বংশ মিশরে অনেক দাপটের সাথে থাকতে শুরু করে।

তারপর কালের পরিক্রমায় ক্ষমতা যায় ফারাও রাজাদের হাতে। ফেরাউন এসে বনি-ইসরাইলদের এত অত্যাচার শুরু করে যে এরা সারাদিন 'ইয়া নাফসী' 'ইয়া নফসী' করতো।
তখন আল্লাহ্ তাদের কাছে পাঠালেন মূসা(আঃ) আর তাওরাত কিতাব। মুসা(আঃ) ফেরাউনকে নীলনদে ডুবানোর মাধ্যমে বনি-ইসরাইল মুক্তি পায়।

তারপর মূসা(আঃ) সবাইকে নিয়ে কেনানে (ফিলিস্তিন) ফিরে যান। পরে তারা সেখানে গিয়ে আল্লাহ্‌'র অশেষ রহমত পাওয়া সত্ত্বেও মুসা(আঃ) এর ওফাতের পর আবার আল্লাহ্‌ কে ভুলে যায়, গরুপূজা সহ নানা রকম মূর্তিপূজা ও অনাচার শুরু করে।

তারপর তাদের মধ্যে ক্ষমতার লোভে নিজেদের একতা ভেঙ্গে যায়, ভিনদেশীরা তাদের এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে তাদের আবার গোলাম বানিয়ে অত্যাচার করতে থাকে।
এর ১০০বছর পরে দাউদ(আঃ) আর উনার ছেলে সুলাইমান(আঃ) এর মাধ্যমে আল্লাহ তা'আলা আবারও এই অত্যাচার থেকে তাদেরকে মুক্তি দেন।

কিন্তু সুলাইমান(আঃ) এর মৃত্যুর পর ইহুদীরা আবার শয়তানের পূজা শুরু করে। তাদের ভিতরে থাকা ধর্ম ব্যবসায়ীরা তাওরাত কিতাবের মধ্যে নিজেদের সুবিধামত সংযোজন-বিয়োজন করার মতন ধৃষ্টতা দেখায়।
তারা তাওরাতে সংযোজন করে যে, "আল্লাহ্ তায়ালা ইসহাক(আঃ) এর স্বপ্নে কেনানকে ইহুদীদের জন্য প্রমিজ ল্যান্ড হিসেবে দিয়েছেন, এটা তাদের জয় করে নিতে হবে।"
এটাকে তারা 'জেকব লেডার ড্রিম' বলে।

তাদের এমন নির্লজ্জতা ও ধৃষ্টতার কারণে তারা বারবার আল্লাহ্‌'র শাস্তির মুখে পড়েছে। যেমনঃ
কখনো গৃহহীন হয়ে যাযাবরের মতো ঘুরেছে,
ব্যবিলনীয় সাম্রাজ্যের দ্বারা গণহত্যার শিকার হয়েছে,
রোমান সাম্রাজ্যের দ্বারা সিরিয়া থেকে আরব দেশে বিতাড়িত হয়েছে।
মহানবী(সাঃ) এর সময় তারা আরব দেশ থেকে বিতাড়িত হয়ে চলে যায় ইউরোপে।
আর উমর(রা:) ফিলিস্তিন ও আল-আকসা বিজয় করেন।
আজ ইসরায়েলের এতো ঘনিষ্ঠ বন্ধু ইউরোপও তখন তাদেরকে আশ্রয় দেয়নি।

বনি-ইসরাইলের এমন পরিণতির কারণ আল্লাহ তায়ালা এর শাস্তির পাশাপাশি তাদের ব্যবহার!
তখনকার লোকদের ভাষ্যমতে, তারা অত্যন্ত ধূর্ত প্রকৃতির মানুষ ছিল।
তাদেরকে যে জায়গায় আশ্রয় দেয়া হতো সেই জায়গাতেই তারা তাদের প্রতিবেশীর জমি দখল করতো!

ইহুদীরা বেশিরভাগ ব্যবসায়ী ছিল আর তাদের ব্যবসা অন্যদের থেকে কৌশলগতভাবে আলাদা ছিলো, যার কারণে যাযাবরের মতো ঘুরলেও তাদের অর্থ-সম্পদ ভালোই ছিল। সেই অর্থ-সম্পদ এর দাপট দেখিয়ে তারা সেইসব এলাকার স্থানীয় লোকদের উপরই ছড়ি ঘুরাতো।
তাই তারা সেইসব এলাকার রাজা ও বাসিন্দাদের দ্বারা বার বার বিতাড়িত হতো।

বিভিন্ন ঘাত-প্রতিঘাত সহ্য করার পর তারা একসময় বুঝতে পারে যে, যেকোনো সমাজকে নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রাখতে গেলে শিক্ষা ও অর্থের বিকল্প নেই।
তাই তারা শিক্ষা অর্জন ও অর্থ উপার্জনের উপর গুরুত্ব দেয়।
তারা বিশ্বাস করে, কেনান তাদের জন্য সৃষ্টিকর্তা কর্তৃক বরাদ্দকৃত ভূমি।
তারা এটাও বিশ্বাস করে যে, একসময় তাদের একজন মসিয়াহ্‌(দাজ্জাল) এসে তাদের এই ভূমিকে উদ্ধার করে দিবে।

১৮ শতাব্দীতে ইহুদীরা তাদের ধর্ম-পরিচয় গোপন করে ইউরোপে বসবাস শুরু করে।
তখন থিওডোর হার্জেল নামে তাদেরই একজন ব্যবসায়ী ফিলিস্তিনকে নিজেদের দখলে আনার লক্ষ্যে ১৮৯৭ সালে জিওনিজম আন্দোলন শুরু করে ইহুদীদেরকে আবারও নতুন করে স্বপ্ন দেখানো শুরু করে।
এই আন্দোলনকে যারা সমর্থন করে, তাদেরকে জাইওনিস্ট বলে।

যেহেতু ইহুদীরা অনেক শিক্ষা অর্জন আর অর্থ উপার্জন করেছিলো, তাই তাদের মধ্যে কিছু সংখ্যক মানুষ ইউরোপে ধর্ম গোপন করে থাকলেও কেউ কেউ মেধার জোরে ইউরোপে গুরুত্বপূর্ণ পদ দখল করতে, বিজ্ঞানী হিসেবে স্বীকৃতি পেতে শুরু করে।
তখন তারা শুধুমাত্র পদ দখল করেই থেমে থাকেনি, সেই সাথে নিজেদের একটা রাষ্ট্র গঠনেও প্রচুর সমর্থন সংগ্রহ করার চেষ্টা করতে থাকে।

তখন ইউরোপের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছিলো, তাদেরকে আফ্রিকার উগান্ডায় থাকার ব্যবস্থা করে দেয়া হবে।
ঠিক এমন সময় শুরু হয় প্রথম বিশ্বযুদ্ধ।

প্রথম বিশ্বযুদ্ধের আগে যুক্তরাজ্য নিজেদের অস্ত্র সংরক্ষণের জন্য এক ধরনের গ্লিসারিন ইউজ করতো, যেটা আসতো জার্মানি থেকে।
কিন্তু যুদ্ধের সময় জার্মানি যুক্তরাজ্যের বিপক্ষে থাকায় গ্লিসারিন সরবরাহ বন্ধ করে দেয়।

তখন যুক্তরাজ্যকে সাহায্য করতে এগিয়ে আসে চাইম ওয়াইজম্যান নামক একজন ইহুদী গবেষক ও ব্যবসায়ী। তিনি গ্লিসারিন এর বদলে এসিটোন দিয়ে অস্ত্র সংরক্ষণের পদ্ধতি শিখিয়ে দেন এবং যুদ্ধে প্রচুর অর্থ সহায়তা দেন।
তার এমন অভুতপূর্ব অবদানের জন্য যুদ্ধের পর যুক্তরাজ্য যখন তাকে পুরস্কৃত করতে চায়, তখন সে জানায় যে তার একমাত্র পুরস্কার হবে তাদের প্রমিজল্যান্ড মানে ফিলিস্তিনে তাদের বসবাসের সুযোগ করে দেয়া!
এখানে উল্লেখ্য, চাইম ছিলেন জিওনিজম আন্দোলনের একজন গুরুত্বপূর্ণ সদস্য।

ফিলিস্তিন তখন ছিল উসমানী সালতানাতের দখলে।

12/04/2025

March for Gaza

গাজা নিয়ে কিছু বলার, কিছু লেখার শক্তিও যেন শেষ হয়ে যাচ্ছে আমাদের! এক জালেম ইসরাইল, আরেক জালেম আমেরিকা। দুই জালেম মিলে গত...
12/04/2025

গাজা নিয়ে কিছু বলার, কিছু লেখার শক্তিও যেন শেষ হয়ে যাচ্ছে আমাদের! এক জালেম ইসরাইল, আরেক জালেম আমেরিকা। দুই জালেম মিলে গত ১৭ রমযান থেকে গাজায় যা করছে, তা কি ভাষায় ব্যক্ত করা সম্ভব! না, সম্ভব নয়। তাদের বর্বরতা, পাশবিকতা, কপটতা আর হিংস্রতা ব্যক্ত করার ভাষা আমাদের জানা নেই। এর পাশাপাশি মুসলিম উম্মাহর শাসকবর্গও বিস্ময়কর নীরবতা অবলম্বন করছে। এ নীরবতাকে ধিক্কার জানানোর ভাষাও আমাদের কাছে নেই।

গাজার অসহায় মাজলুম ভাইবোনদের জন্যে এবং আমেরিকা-ইসরাইলের হিংস্রতার প্রতিবাদে আমরা কী করতে পারি? এ প্রশ্নের জবাবে তিনটা মোটাদাগের কথা এখানে বলতে চাই—

এক. পণ্য বয়কট
আমেরিকা-ইসরাইলের সব পণ্য বয়কট করতে হবে। এ বয়কটে এগিয়ে আসতে হবে ক্রেতা-বিক্রেতা সকলকেই। প্রতিটি মুসলমান সাধ্যমতো এ বয়কটে শরিক হবে। ক্ষেত্রবিশেষে এ বয়কট কঠিন মনে হতে পারে, কিংবা তাদের কোনো পণ্য গুণে-মানে অতুলনীয় হতে পারে। কিন্তু আপনি যখন ঈদের পোশাক পরা শিশুদের রক্তাক্ত মৃতদেহের ছবি দেখবেন, হাসপাতালে স্কুলে কিংবা আশ্রয়কেন্দ্রে হামলার দৃশ্য দেখবেন, তখন আপনার বিবেক আপনাকে ওদের পণ্য কেনাবেচায় বাধা দেবেই। যে পণ্যের একটা লভ্যাংশ বুলেট হয়ে বোমা হয়ে আঘাত হানছে গাজার শিশু আর নারীদের উপর, বিবেকবান কোনো মানুষ—মুসলিম কিংবা অমুসলিম যাই হোক না কেন—এ পণ্যটা নিয়ে ব্যবসা করতে পারে না।

পণ্য বয়কটের মাঝে ডিজিটাল পণ্যও বয়কটের চেষ্টা করতে হবে। যতটুকু না ব্যবহার করলেই নয় এর চেয়ে বেশি ফেসবুক-ইউটিউব ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন। অনেকেই ফেসবুক-গুগলে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিয়ে থাকেন। চেষ্টা করুন ফেসবুক-গুগলে বিজ্ঞাপনের জন্য টাকা খরচ না করে বিকল্প মাধ্যম খুঁজে বের করার। বিকল্প মাধ্যম প্রতিষ্ঠা করার। ফেসবুক-ইউটিউবের বিকল্প মুসলিমদের কিছু প্ল্যাটফর্ম এখন কাজ করার চেষ্টা করছে। তাদের পাশে থাকুন, তাদেরকে সহযোগিতা করুন।

দুই. দুআ
দুআ কবুলের যে মুহূর্তগুলো প্রতিদিনই আসে, যেমন, শেষ রাত কিংবা প্রতিটি ফরজ নামাযের পর, এ মুহূর্তগুলোতে অধিক পরিমাণে দুআ করা। নিজের প্রয়োজনের কথা বলার জন্যে আল্লাহ তাআলার দরবারে হাত তুললে গাজাবাসীর জন্যেও দুআ করা। এমনকি কখনো কখনো শুধু তাদের জন্যেই দুআ করা। শাইখুল ইসলাম মাওলানা তাকী উসমানী দা.বা. তো বলেছেন প্রতিদিন কিছু সময় হলেও তাদের জন্যে দুআ করা।

তিন. আর্থিক সহযোগিতা
গাজার মাজলুম ভাইবোনদের সহযোগিতা করার নানা সুযোগ এখন সামনে আসছে। বিশ্বস্ত অনেক মাধ্যম পাওয়া যাচ্ছে তাদের সহযোগিতা করার। সেসব মাধ্যম যাদের জানা আছে, তাদের কর্তব্য, সাধ্যমতো তাতে শরিক থাকা এবং অন্যদের কাছেও এ দাওয়াত পৌঁছে দেয়া।

উম্মাহর একজন নগন্য সদস্য হিসেবে এ কাজগুলো আমাদের করতেই হবে। আমাদের নিজেদেরকে এবং সন্তানদেরকে ঈমানের বলে বলীয়ান হিসাবে গড়ে তুলতে হবে। তাদেরকে জাগতিক বিষয়েও দক্ষ ও যোগ্য হিসাবে গড়ে তুলতে হবে। যেন তারা এ অবস্থার পরিবর্তনে কন্ট্রিবিউট করতে পারে। আমরা নিরাপদ আছি বলে তাদের বিষয়ে আমাদের নির্লিপ্ত কিংবা উদাসীন থাকার সুযোগ নেই। অন্যথায় আল্লাহ তাআলার দরবারে আমাদের জবাবদিহি করতেই হবে।

Address

Chittagong

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ইসলামের কথা Islamer Kotha posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share