20/05/2026
মিরপুরে সুলতানুল আউলিয়া হযরত শাহ আলী বাগদাদী (রহঃ)'র বার্ষিক ওরশ শরীফ ২১শে মে বৃহস্পতিবার।
ছদারত করবেন আহলা দরবার শরীফের সাজ্জাদানশীন শাহসূফী সৈয়দ আবরার ইবনে সেহাব (মাদ্দাজিল্লুহুল আলী)
রাজধানীর (মিরপুর-১) সুলতানুল আউলিয়া হযরত বাবা শাহ আলী বোগদাদী (রহঃ)’র মাজার শরীফ, এদেশের আধ্যাত্মিক জ্ঞান চর্চার অনন্য লীলাভূমী আহলা দরবার শরীফের অন্যতম অলীয়ে কামেল,ত্বরীকত জগতের দ্বিকপাল হযরতুল আল্লামা শাহসূফী সৈয়দ আবু জাফর মোহাম্মদ সেহাবউদ্দীন খালেদ আল-ক্বাদেরী,আল-চিশতী (রহঃ)’র অসংখ্য মোনাজেরা এবং ক্বারামতের সাক্ষী এই মাজার শরীফ।
ওহাবী-লাহাবী,জামায়াত-শিবিরের কিল্লা খ্যাত ঢাকা শহরে সূন্নীয়তের ঝান্ডা উড্ডীন রাখার জন্য যিনি সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করেছেন তিনি আল্লামা সেহাবউদ্দীন খালেদ (রহঃ)।
যেই মাজার শরীফের মসজিদ থেকে ইয়া নবী সালাম আলাইকা বলে সালাম দেওয়া শিরীক বলে ফতোয়া দেওয়া হতো,সেই মাজার শরীফের মসজিদে তথাকথিত সেই হুজুরদের উপস্থিত করে মিলাদ-ক্বিয়াম জায়েজ প্রমাণ করে ঐ সমস্ত কাঠমোল্লাদের গলায় গলা ফাটিয়ে যিনি ইয়া নবী সালাম আলাইকা সালাম দেওয়া করিয়েছেন তিনি আবু জাফর মোহাম্মদ সেহাবউদ্দীন খালেদ (রহঃ)।
তাইতো ১২ রবিউল আউয়াল ঢাকায় জশনে জুলুস পরবর্তী ঈদ-এ-মিলাদুন্নবী (দ) মাহফিল খানকাহ শরীফ থাকা সত্ত্বেও শাহ আলী বোগদাদী (রহঃ)’র মাজার শরীফস্থ মসজিদের ময়দানে অনুষ্ঠিত হয়।
আর মাহফিলে সেমা নিয়ে কটুক্তি করায়,যেই সমস্ত কাঠমোল্লারা বলেছেন সেমা? এইটা আবার কি?
সেই সমস্ত জাহেরী কাঠমোল্লাদের দাওয়াত দিয়ে এনে সেমা মাহফিল কি জিনিস সেটা যিনি বুঝিয়ে দিয়েছেন তিনি আবু জাফর মোহাম্মদ সেহাবউদ্দীন খালেদ (রহঃ)।এরপর ঐ সমস্ত কাঠমোল্লাদের সেমা মাহফিলে ওয়াজদ করেছিলেন।
মালিকের ইচ্ছায় শাহ আলী বোগদাদী (রহঃ)’র মাজার শরীফের পাশেই প্রতিষ্ঠিত হয়েছে সেহাব বাবার খানকাহ শরীফ।ঢাকা শহরের আনাচে-কানাচে সূন্নীয়তের প্রচার-প্রসারে এই খানকাহ শরীফের গুরুত্ব ছিলো অতুলনীয়।
আগামী ২১শে মে বৃহস্পতিবার শাহ আলী বোগদাদী (রহঃ)’র ওরশ শরীফ। হযরত সেহাবউদ্দীন খালেদ বাবাজান ক্বেবলা (রহঃ)’র নয়নের মণি,আহলা দরবার শরীফের সাজ্জাদানশীন শাহসূফী সৈয়দ আবরার ইবনে সেহাব আল-ক্বাদেরী, আল-চিশতী (মা,জ্বি,আ)’র পরিচালনায় অসংখ্য আশেকে রাসূলগণ গলা ফাটিয়ে ইয়া নবী সালাম আলাইকা শব্দে মূখরিত করবে ঢাকার জমিন।
রং তামাশার এই জগৎ সংসারে তাল মিলিয়ে চলতে গিয়ে অনেক কিছুই আমরা ভূলে যায়, কিন্তু মূরশীদ ক্বেবলা (রহঃ)’র নূরানী আওলাদ শাহসূফী সৈয়দ আবরার ইবনে সেহাব আল-ক্বাদেরী,আল-চিশতী (মা,জ্বি,আ)’র পরিচালনায় সব মাহফিল এন্তেজাম হচ্ছে। এইভাবেই চলছে,চলবে
আমি সবাই একে একে চলে যাবো কিন্তু মালিকের আদেশ নিষেধ,আচার-অনুষ্ঠান সবকিছু জারী থাকবে উনার নুরানী আওলাদের মাধ্যমে 😍😍😍