History of Islam's ইসলামের ইতিহাস

History of Islam's ইসলামের ইতিহাস Official page. Proud to be a muslim.

"বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম"✅ ইসলামের ইতিহাস-ঐতিহ্যে সফর মাস🌐 সোনালী অতীতের কুশলী নির্মাতা📍 ১৭ সফর: অষ্টম ইমাম হযরত ʿআল...
14/08/2025

"বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম"
✅ ইসলামের ইতিহাস-ঐতিহ্যে সফর মাস
🌐 সোনালী অতীতের কুশলী নির্মাতা
📍 ১৭ সফর: অষ্টম ইমাম হযরত ʿআলীʾ ইবনে মুসা আর-রিদ়া শাহাদাত বরণ করেন।
ইমাম হযরত ʿআলীʾ ইবনে মুসা আর-রিদা যিনি ইমাম রেযা এবং আবুল হাসান নামেও পরিচিত, ছিলেন। তিনি প্রিয়নবি মুহাম্মদুর রাসুলুল্লাহ্ (দ.)-এর একজন বংশধর এবং অষ্টম ইমাম। তিনি তাঁর ধর্মীয় জ্ঞানের জন্য সর্বত্র বিশেষভাবে সমাদৃত। তিনি মাইজভাণ্ডারীয়া ত্বরিকার অষ্টম উর্ধ্বতন মহাপুরুষ।
তাঁর পিতা ছিলেন ইমাম মুসা ইবনে জাফর সাদিক (রা.) এবং তাঁর পবিত্র ও কল্যাণময়ী মায়ের নাম ছিল উম্মুল বানিন নাজমা (রা.)। তিনি আব্বাসীয় শাসনামলে ১৪৮ হিজরি সনের ১১ই জিলক্বদ পবিত্র মদিনা নগরীতে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর অনেক উপাধি রয়েছে। এসব উপাধির মধ্যে বহুল পরিচিত কয়েকটি হলো আবুল হাসান, রেযা, সাবির, রাযি এবং ফাযিল। তবে তিনি রেযা নামেই সর্বাধিক সুপরিচিত ছিলেন। আর তাসাওউফ শাস্ত্রের প্রাতিষ্ঠানিকতার দিকপাল হযরত ইমাম জাফর সাদিক (রা.) ছিলেন তাঁর দাদা। তাঁর দাদা ইমাম জাফর সাদিকের (রা.) শাহাদাতের ১১ দিন পর তিনি দুনিয়াতে আগমন করেন। ইমাম রেযা (রা.)-এর পাণ্ডিত্যের ব্যাপারে রাসুল (সা.)-এর ইশারা ছিল যে একজন প্রজ্ঞাবান পুরুষ এই বংশে আগমন করবেন। ইমাম রেযা (রা.) কে বলা হয় আলেমে আলে রাসুল (সা.)। ইমাম রেযা (রা.)-এর অসংখ্য মানবীয় মহৎগুণ ছিল। তিনি কখনো উচ্চস্বরে কথা বলতেন না। পা লম্বা করে বসতেন না। খাদেম বা গোলামদেরকে সাথে নিয়ে তিনি একত্রে খেতে বসতেন। মৃদু হাসতেন কিন্তু অট্টহাসি দিতেন না। সবার সাথে হাসিমুখে কথা বলতেন। তিনি গরীব দুঃখীদের সহায়তা করতেন। কেউ তাঁর কাছে এলে খালি হাতে ফিরে যেত না।
তাঁকে তাঁর জন্মস্থান মদিনা ত্যাগ করতে বাধ্য করা হয়। তিনি যখন মার্ভ বা মাশহাদে আসেন তখন পথে পথে তাঁকে দেখার জন্যে হাজার হাজার মানুষ জড়ো হয়েছিল। যাঁরা নবিকে দেখেননি নবির আওলাদকে দেখতে এসেছেন। তাঁকে দেখে তাঁর অবয়বে নবির অবয়ব দেখেছেন। তাঁরা ইমাম রেযা (রা.)-এর কণ্ঠে প্রিয়নবি (সা.)-এর কণ্ঠ শুনতে চেয়েছেন। জনসমাজে তাঁর জনপ্রিয়তা দেখে আব্বাসীয় শাসক আল-মামুন ভীত হয়ে পড়ে তাঁকে বিষপ্রয়োগে হত্যার পরিকল্পনা করেন।
ইমাম আলী রেযা (রা.) হিজরী ২০৩ সনের ১৭ সফর মতান্তরে ৩০শে সফর ইরানের তুস নগরীতে (মাশহাদ) শাহাদত বরণ করেন। আব্বাসীয় শাসক আল-মামুন ইমাম আর-রিদাকে তাঁর উত্তরসূরি হিসেবে নিয়োগ দিয়ে বিভিন্ন সমস্যার প্রতিকার চেয়েছিলেন, যাতে তিনি তাঁর মাধ্যমে পার্থিব বিষয়ে জড়িত হতে পারেন। তবে আল-মামুন যখন দেখলেন যে ইমাম আরও বেশি জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন, তখন তিনি তাঁকে বিষপ্রয়োগ করে নিজের ভুল সংশোধন করার সিদ্ধান্ত নেন। ইমাম আর-রিদাকে ইরানের একটি শহরে দাফন করা হয়, শহরটি পরবর্তীতে মাশহাদ অর্থাৎ শাহাদতের স্থান নামে পরিচিতি লাভ করে।

Today's best photo...
13/08/2025

Today's best photo...

12/08/2025

Hi everyone! 🌟 You can support me by sending Stars - they help me earn money to keep making content you love.

Whenever you see the Stars icon, you can send me Stars!

29/04/2025

অনুসরণ কর তাদের, যারা তোমাদের কাছে কোন বিনিময় কামনা করে না, অথচ তারা সুপথ প্রাপ্ত। [ সূরা- ইয়াসিন, আয়াত-২১ ]
19/02/2023

অনুসরণ কর তাদের, যারা তোমাদের কাছে কোন বিনিময় কামনা করে না, অথচ তারা সুপথ প্রাপ্ত। [ সূরা- ইয়াসিন, আয়াত-২১ ]

মাওলানা রুমীর ইশকের বর্ণনায় এক আশেকের ঘটনা।মসনবী শরীফে' মারফত জগতের সম্রাট মাওলানা রুমী (রহঃ) ইশকের বর্ণনা দিয়ে বলেন-এ...
18/02/2023

মাওলানা রুমীর ইশকের বর্ণনায় এক আশেকের ঘটনা।

মসনবী শরীফে' মারফত জগতের সম্রাট মাওলানা রুমী (রহঃ) ইশকের বর্ণনা দিয়ে বলেন-

একদা হযরত মুসা (আঃ) তুর পাহাড়ে গমনের পথে এক আশেককে চিৎকার করে বলতে শুনলেন, আল্লাহ তুমি কোথায়? তোমাকে পেলে আমি সাবান দিয়ে ভালো করে গোসল করিয়ে নতুন জামা পরিধান করিয়ে দিয়ে তোমার রূপের তামাশা দেখতাম। তোমাকে ভালো করে খাবার খাওয়াতাম। তোমার আপাদমস্তক দাবায়ে ঘুম পাড়াতাম। হযরত মুসা (আঃ) রাগান্বিত হয়ে বললেন, তুমি এসব কি বলছো? তুমি কাফের হয়ে গেছ, হযরত মুসা (আঃ) এর ভয়ে লোকটি পলায়ন করলেন। সঙ্গে সঙ্গে আল্লাহর নিকট হতে হযরত মুসা (আঃ) এর নিকট ওহি আসল।

মাওলানা রুমীর (রহঃ) এর ভাষায়-

“ওহী আহমদ ছোয়ে মুসা আজ খোদা বান্দায়ে মা-রা ছেরা করদি জোদা তু-বরায়ে ওয়াছলে করদন আমদী নয়ে বরায়ে ফসলে করদন আমদী।” - (মসনবী শরীফ)।

অর্থাৎ; হে মুসা! তুমি আমার মুক্ত প্রেমিককে তিরষ্কার করে তাড়ালে কেন? সে তো মুক্ত ইশকের অধিকারী। সাধারণ মানুষ এরকম কথা বললে কাফির হয় বটে, কিন্তু মুক্ত ইশকের দিওয়ানা হয়ে আমার প্রেমিক যখন এসব কথা বলছিল, তখন আমি আল্লাহ খুশি হয়ে লা- মাকাম থেকে কুদরতের নজরে তার দিকে কুদরতের জবানে মুচকি হাসছিলাম। মুক্ত ইশকের উপর শরীয়তের কোন ফতোয়া নেই।

আল্লাহ-পাক আমাদের সকলকে হেফাজতে রাখুন।
07/02/2023

আল্লাহ-পাক আমাদের সকলকে হেফাজতে রাখুন।

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীমআজ ১৩ রযব ১৪৪৪ হিজরি:খলিফাতুল মুসলিমীন আমিরুল মু’মিনিন আসাদুল্লাহিল গালীব হযরত আলী ইবনে আবি ত...
04/02/2023

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম
আজ ১৩ রযব ১৪৪৪ হিজরি:
খলিফাতুল মুসলিমীন আমিরুল মু’মিনিন আসাদুল্লাহিল গালীব হযরত আলী ইবনে আবি তালিব রাদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু কাররামাল্লাহু ওয়াজ হাহু’র শুভ জন্মদিন।
এ উপলক্ষে হযরত আবুল ফিদা হাফিজ ইবন কাসীর আদ-দামেশকী (রহ.) কৃত ‘আল-বিদায়া ওয়ান নিহায়া’ হতে উপস্থাপন করছি-
খলিফাতুল মুসলিমীন আমিরুল মু’মিনিন আসাদুল্লাহিল গালীব হযরত আলী ইবনে আবি তালিব রাদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু কাররামাল্লাহু ওয়াজ হাহু’র উত্তম বাণী:
আলী ইবন জাকির ওয়াররাক আমীরুল মু'মিনীন হযরত আলী (রা) সম্পর্কে নিম্নের কবিতাটি আবৃত্তি করেছেন:
“তুমি যখন কাপড় পরিধান করবে তখন ভাল কাপড় পরিধান করবে। কারণ জামা কাপড় হল পুরুষের অলংকার ও ভূষণ। জামা কাপড়ের কারণে তুমি সম্মানিত ও মর্যাদাবান হবে।''
"জামা কাপড় পরিধানে বিনয় বর্জন কর। কারণ তোমার ভেতরের খবর আল্লাহ্ তা'আলার জানা আছে।”
“তোমার জামার দৈন্য ও জীর্ণতা তোমাকে আল্লাহর নৈকট্য এনে দিবে না যদি তুমি মূলত দোষী ও অপরাধী হয়ে থাক।”
"তুমি যদি মহান আল্লাহকে ভয় কর এবং তিনি যা হারাম ও নিষিদ্ধ করেছেন, তা বর্জন কর তবে দামী ও মূল্যবান জামা-কাপড় পরিধানে তোমার কোন ক্ষতি হবে না।'
অবশ্য হাদীস শরীফেও এ মর্মে বর্ণনা রয়েছে। রাসূল (সা) বলেছেন-
মহান আল্লাহ তোমাদের চেহারা ও মুখমণ্ডলের দিকে দেখেন না, তোমাদের জামা কাপড়ের দিকেও নয়। তিনি বরং দেখেন তোমাদের অন্তর ও তোমাদের কর্ম।'
সাওরী (রা) বলেছেন, দুনিয়াতে জুব্বা পরিধান ও আহারে কৃচ্ছ্রসাধন পরহেযগারী নয়। বরং পরহেযগারী দুনিয়াতে আশা-আকাঙ্ক্ষা সীমিত রাখা।
আবু আব্বাস মুহাম্মদ ইয়াযীদ ইবন আব্দুল আকবার মুবরাদ বলেছেন, হযরত আলী (রা)-এর তরবারিতে নিম্নের কবিতাটি লেখা ছিল:
‘দুনিয়ার প্রতি মানুষের রয়েছে লোভ-লালসা ও দুর্বার আকর্ষণ। লোভনীয় ও কামনার বস্তু অর্জনে তার রয়েছে চাতুর্যপূর্ণ কৌশল ও বুদ্ধিভিত্তিক প্রস্তুতি।
‘তারা যদি আপন প্রতিপালক মহান আল্লাহর ইবাদত ও আনুগত্যের দিকে আসে তবে এই আনুগত্যের তত্ত্ব ও হাকীকত অনুধাবনে তাদের বুদ্ধি ও বিবেক অক্ষম হয়ে পড়ে।
‘এ জন্যে এবং ঐ লোভ-লালসার জন্যে তাদের জীবনের স্বচ্ছতা ও উজ্জ্বলতা দুঃখ এবং অন্ধকারে পরিণত হয়।
“তারা জ্ঞান-বুদ্ধি ও চাতুর্যের ফলশ্রুতিতে দুনিয়ার সুখ-সমৃদ্ধি অর্জন করে তা কিন্তু নয়। কারণ ওগুলো আল্লাহর পক্ষ থেকে বণ্টন ও নির্ধারণ করে দেয়া হয়। বস্তুত ওই তাকদীর বণ্টনের প্রেক্ষিতেই তারা সুখ-সমৃদ্ধি অর্জন করে।
‘বহু বিদগ্ধ প্রজ্ঞাবান রয়েছেন পার্থিব উন্নতি যাদের ভাগ্য জোটে না। পক্ষান্তরে বহু মূর্খ ও নির্বোধ ব্যক্তি রয়েছে যাদের নির্বুদ্ধিতা ও অজ্ঞতা সত্ত্বেও পার্থিব সাফল্য তাদের অনুকূলে থাকে।
‘পার্থিব সুখ-সমৃদ্ধি এবং যশ-খ্যাতি যদি শক্তি ও দাপটের ফলশ্রুতিতে হত তাহলে চড়ুইগুলো না খেয়ে মারা যেত।'
আসমাঈ সালামা ইবন বিলাল মুজাহিদ সূত্রে শা’বি (রা) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেছেন, হযরত আলী (রা) এক ব্যক্তিকে উপদেশ সূত্রে বলেছিলেন, বস্তুত ওই লোকটি অন্য এক লোকের সাথে সখ্যতা গড়ে তুলুক তা তিনি পছন্দ করতেন না। হযরত আলী (রা) বলেছেন,
তুমি কখনো মুর্খ ও অশিক্ষিত লোকের সাথে বন্ধুত্ব করে না। মূর্খ লোকের সংস্পর্শ থেকে তুমি নিজেকে সরিয়ে রাখবে। কারণ এমন বহু ঘটনা ঘটেছে যে, সখ্যতা স্থাপনের পর মূর্খ লোকটি তার জ্ঞানী বন্ধুকে ধ্বংস করে দিয়েছে।
‘দু'জন মানুষ যখন এক সাথে চলে তখন একজনকে অন্যজনের পর্যায়ভূক্ত বলে গণ্য করা হয়। আর একটি বস্তুকে অন্য বস্তুর সাথে তুলনা ও সাদৃশ্যের ধারণা করা হয়।'
‘পরস্পর সাক্ষাত ও পরিচিত হবার পর এক অন্তরের উপর অন্য অন্তরের প্রভাৰ ও প্রতিক্রিয়া কার্যকর হয়।’
আমর ইব্ন ‘আলা তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন যে, হযরত আলী (রা) তাঁর সহধর্মিনী হযরত ফাতিমা যাহরা (রা)-এর কবরে দাঁড়িয়ে নিম্নের কবিতা আবৃত্তি করেছিলেন:
‘আমি আবু আরওয়াকে স্মরণ করেছিলাম। ফলে আমার রাত কেটেছে এভাবে যে, আমি আমার অতীত দুঃখ-বেদনাকে প্রতিহত করতে চেয়েছি।
‘দু'জন বন্ধুর মিলনের পর বিচ্ছেদ আসবেই। আর মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত যত কিছুই ঘটুক মূলত তা খুবই কম।
‘আমি যে একের পর এক বন্ধু ও সাথীকে হারাচ্ছি তাতে এটাই প্রমাণিত হচ্ছে যে, কোন বন্ধুই চিরস্থায়ী নয়।
‘এমন হতেই থাকবে যে, আমার বন্ধু আমার স্মরণ থেকে বিমুখ হয়ে যাবে আর আমার বন্ধুত্বের কথা ভুলে যাবে। আমার পর আমার বন্ধুর জন্যে নতুন বন্ধু জুটে যাবে।'
‘আমার জীবনের কিছু অংশ অতিবাহিত হবার পরই বন্ধুত্বের সমাপ্তি ঘটবে। কারণ পেশাদার ক্রন্দনকারিনী মহিলাদের বিলাপ ও শোকগীতি ক্ষণস্থায়ী। কেউ কেউ হযরত আলী (রা) সম্পর্কে নিম্নের কবিতা আবৃত্তি করেছেনঃ
‘মৃত্যু যার অনিবার্য তার তো বিনয়ীই হওয়া উচিত। আর দুনিয়ার সম্পদের মধ্যে সামান্য খাবারই একজন মানুষের জন্য যথেষ্ট।
‘মানুষ দুখ ভারাক্রান্ত এবং লোভী হবে কেন? মানুষ প্রশংসিত হবে না কেন?
'আমাদের মালিক মহামহিম আল্লাহর সকল কর্মই চমৎকার, সুন্দর ও প্রশংসাযোগ্য। তাঁর নির্ধারিত রিযিক ও জীবিকা তো আমাদেরকে বঞ্চিত করবে না।'
‘ওহে বন্ধু! এই দুনিয়ার সমান্য কিছু ভোগ করার পরই তোমাকে চলে যেতে হবে। তোমার পৌঁছতে হবে এমন এক সম্প্রদায়ের নিকট, চুপ থাকাই যাদের কথা বলা। (অর্থাৎ কবরের অধিবাসীগণ)।
আমরা যদি এই বিষয়ে আরো লিখতে যাই তবে তা হয়ে পড়বে সুদীর্ঘ। অনুসন্ধিৎসু ব্যক্তির জন্যে এতটুকুই যথেষ্ট। সকল প্রশংসা ও কৃতজ্ঞতা মহান আল্লাহর।
হাম্মাদ ইবন সালামা বলেছেন যে, আইয়ুব সাখতিয়ানী বলেছেন, 'যে ব্যক্তি হযরত আবু বকর (রা)-কে ভালবেসেছে সে দীন প্রতিষ্ঠা করেছে। যে উমর (রা)-কে ভালবেসেছে সে তার চলার পথ উজ্জ্বল করেছে। যে ব্যক্তি উসমান (রা)-কে ভালবেসেছে সে নিজেকে আল্লাহ’র জ্যোতিতে জ্যোতির্ময় করে তুলেছে। আর যে ব্যক্তি হযরত আলী (রা)-কে ভালবেসেছে সে মজবুত ও সুদৃঢ় রজ্জু ধারণ করেছে। যে ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ্ (সা)-এর সাহাবীদের সুনাম ও প্রশংসা করেছে, সে মুনাফিকী থেকে নিজেকে মুক্ত করেছে।(কপিপেস্ট)

ছুটে না কাভি তেরা দামানইয়া খাজা মঈনুদ্দিন হাসান    -পবিত্র ৬'ই রজব— আ'তায়ে রাসূল, খাজা গরিবে নেওয়াজ, সুলতানুল হিন্দ, ...
28/01/2023

ছুটে না কাভি তেরা দামান
ইয়া খাজা মঈনুদ্দিন হাসান

-পবিত্র ৬'ই রজব— আ'তায়ে রাসূল, খাজা গরিবে নেওয়াজ, সুলতানুল হিন্দ, নুকতায়ে ইশক ওয়া উলুম, আহলে সামা, বুরহানুল আশেকীন, সাহেবে নজরে কিমিয়া, শাম্মায়ে চিশতিয়া, সদরুল আউলিয়া, রওশন জমীর, খাজা মঈনুদ্দিন চিশতী আজমেরী (রহঃ) এর পবিত্র ওরস শরীফ।

ইয়া খাজা বাবা🙏🙏🙏🙏
❤️❤️❤️❤️❤️

মোহাম্মদ নাম যতই জপকাজী নজরুল ইসলামমোহাম্মদ নাম যতই জপি,ততই মধুর লাগেনামে এত মধু থাকে,কে জানিত আগে ॥ঐ নামেরই মধু চাহি,মন...
28/01/2023

মোহাম্মদ নাম যতই জপ
কাজী নজরুল ইসলাম

মোহাম্মদ নাম যতই জপি,
ততই মধুর লাগে
নামে এত মধু থাকে,
কে জানিত আগে ॥
ঐ নামেরই মধু চাহি,
মন-ভোমরা বেড়ায় গাহি,
আমার ক্ষুধা-তৃষ্ণা নাহি,
ঐ নামের অনুরাগে
ও নাম প্রাণের প্রিয়তম,
ও নাম জপি মজনু-সম
ঐ নামে পাপিয়া গাহে,
প্রাণের গোলাপ-বাগে ॥
আমি ঐ নামে মুসাফির রাহী,
তাই চাই না তখত শাহানশাহী
নিত্য ও-নাম য়্যা ইলাহী যেন হৃদয় জাগে ॥

প্রবৃত্তি নিবৃত্তি ভবে,জান তিন ভাবে,বাক-বিতন্ডা পরিহারে,জানার আগ্রহে, পরদোষপরিহারে-নিজদোষ ধ্যানে।শুধাইনু সুধিজনেসুধির ভা...
11/01/2023

প্রবৃত্তি নিবৃত্তি ভবে,
জান তিন ভাবে,
বাক-বিতন্ডা পরিহারে,
জানার আগ্রহে, পরদোষ
পরিহারে-নিজদোষ ধ্যানে।
শুধাইনু সুধিজনে
সুধির ভাষণে,
না দেখাইবে পীর যাকে
এই তিন ধারা, আসিবেনা
সোজা পথে সেই পথহারা।

Address

Brahmanbaria, Chattogram
Chittagong

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when History of Islam's ইসলামের ইতিহাস posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to History of Islam's ইসলামের ইতিহাস:

Share