11/08/2026
🌺 আসছে মঙ্গলবার মাতৃ আরাধনা অপেক্ষা আর ৭ম দিবস🌺
🌻🌻 জয় মা মনসা। সনাতনধর্ম মতে মা মনসা সাপের অধিষ্ঠাত্রী দেবী। মাকে আরাধনা করলে, রোগ থেকে মুক্তি লাভ হয় ও সমৃদ্ধি সাধিত হয়🌻🌻
👉👉এখন মা মনসার মাহাত্য ও তার সম্পর্কে সংক্ষিত জানবো :
মা মনসার মাহাত্ম্য মূলত তাঁর সর্প দেবী রূপ, যা সাপের
কামড় ও বিষের ভয় থেকে রক্ষা করে এবং স্বাস্থ্য, সমৃদ্ধি ও
উর্বরতার দেবী হিসেবে তাঁকে পূজা করা হয়, বিশেষত বাংলা
ও উত্তর-পূর্ব ভারতে,যেখানে 'মনসা মঙ্গল' কাব্য তাঁর মহিমা
প্রচার করে, যা তাঁকে শিবের কন্যা হিসেবেও বর্ণনা করে
এবং প্রতিকূলতা সত্ত্বেও তাঁর পূজার প্রসারের গল্প
বলে🏵️
মনসার মাহাত্ম্যের মূল দিক
সাপ ও বিষের দেবী:
মনসাকে সর্প দেবী বা নাগ দেবী বলা হয়। তিনি সাপের বিষ ও সাপের কামড় থেকে রক্ষা করার জন্য পূজিত হন। তাঁকে 'বিষহরা' বা 'বিষের দেবী'ও বলা হয়🌺
উর্বরতা ও বিবাহের দেবী:
তিনি উর্বরতা, স্বাস্থ্য এবং বিবাহের দেবী হিসেবেও পরিচিত। তাঁর পূজা করলে সন্তানলাভ ও সমৃদ্ধি হয় বলে বিশ্বাস করা যায়🌺
শিবের সাথে সম্পর্ক:
পৌরাণিক কাহিনী অনুসারে, তিনি ভগবান শিবের কন্যা। শিব যখন হলাহল পান করেন, তখন মনসা তাঁকে রক্ষা করেছিলেন বলে অনেক কাহিনীতে উল্লেখ আছে, তাই তাঁর 'বিষের দেবী' উপাধি আরও দৃঢ় হয়।🌻
'মনসা মঙ্গল' কাব্য:
মধ্যযুগীয় বাংলা সাহিত্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো 'মনসা মঙ্গল' কাব্য। এই কাব্যগুলিতে মনসার জন্ম, তাঁর মাহাত্ম্য এবং চাঁদ সদাগরের মতো ভক্তদের কাহিনী বর্ণিত আছে, যা তাঁর পূজা প্রসারে সাহায্য করেছে।🏵️
প্রতিকূলতা সত্ত্বেও প্রতিষ্ঠা:
প্রথমে 'অনার্য দেবী' হিসেবে গণ্য হলেও, তিনি ধীরে ধীরে প্রধান হিন্দু দেবদেবীর তালিকায় স্থান করে নেন। যারা তাঁর পূজা করতে অস্বীকার করত, তাদের প্রতি তিনি কঠোর ছিলেন, যেমন চাঁদ সদাগরের কাহিনীতে দেখা যায়।🌿
বিভিন্ন নাম: তিনি 'নাগেশ্বরী', 'পদ্মাবতী', 'নিত্যা', 'বিষহরা', 'সিদ্ধযোগিনী' ইত্যাদি নামেও পরিচিত🍀💯
পূজা ও তাৎপর্য:
বাংলায় বিশেষত আষাঢ়-শ্রাবণ মাসে তাঁর পূজা অনুষ্ঠিত হয়। তাঁর পূজার মাধ্যমে মানুষ সর্প ভয় থেকে মুক্তি, রোগ নিরাময় এবং জীবনে সুখ-সমৃদ্ধি কামনা করে🌿🌺🌺🌿 জয় মা মাগো🌿🌺🌺🌿