Islamic Tips

Islamic Tips Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Islamic Tips, Chittagong.

30/07/2024

তোমরা যারা রিযিক নিয়ে হতাশ এবং দুনিয়ার জীবনের লক্ষ্য ঠিক করতে ব্যার্থ তাদের জন্যে এই কথা গুলি আশার আলো দেখায়...❤️

09/11/2021

৬ শ্রেণীর নারীরা জাহান্নামি

------------------------------- .

রাসুল ( সাঃ) বর্ণনা করেন আমি

মেরাজের রজনীতে ছয় শ্রেণীর নারীকে জাহান্নামের কঠিন আযাব ভোগ করতে দেখেছি। .

( ১) ঐ নারী যে মাথার চুল খুলে বেপর্দা হয়ে ঘর থেকে বাহির হয়।


( ২) ঐ নারী যে তার স্বামীর সাথে তর্ক করে এবং স্বামীকে সম্মান করে না।


( ৩) ঐ নারী যে তার স্বামী থাকার সত্ত্বেও পর পুরুষের সাথে কুকর্মে লিপ্ত হয়।
.

( ৪) ঐ নারী সে অপবিত্র থাকার সত্ত্বেও পবিত্রতা অর্জনে অলসতা করে এবং নামাজের অমনোযোগী।


( ৫) ঐ নারী যে মিথ্যা কথা বলে এবং গীবত গায়।


( ৬) ঐ নারী যে অন্যের সুখ দেখে হিংসা করে এবং উপকার করে খোঁটা দেয়।


আল্লাহ আপনি আমাদের মুসলিম নারীদের হেফাজত করুন।

আপনার এবং রাসূল(সাঃ) দেখানো পথে চলার তওফিক দিন।।

আমিন।

দলিলঃ [সহীহ : বুখারী ৩০৪, মুসলিম ৮০, সহীহাহ্ ১৯০, সহীহ আল জামি‘ ৭৯৮০ | বুখারি: ৫১৯৭; মুসলিম: 884, আহমাদ 3064]

08/10/2021

জুমার দিনের ১৫টি সুন্নাত

জুমার দিন দিবসসমূহের মধ্যে শ্রেষ্ঠ এবং তা আল্লাহর নিকট অধিক সম্মানিত। এই দিনের বিশেষ কিছু সুন্নাত রয়েছে। যেমন:

১। ফযরের নামায জামায়াতে আদায় করা,
২। ভালোভাবে গোসল করা, (মেসওয়াক করা: সম্ভব হলে প্রতিদিন, প্রতি নামাযের আগে),
৩। জায়তুনের তেল ব্যবহার করা (চুলে, দাড়িতে এবং শরীরে),
৪। সুগন্ধি লাগিয়ে নামাযে যাওয়া,
৫। সুন্দর জামা পড়া (পুরাতন জামা হলে তা পরিষ্কার করে পরিপাটি করে পড়া),
৬। রাসূল (সাঃ) এর নামে বেশি বেশি দরুদ পড়া,
৭। জুমার দিনে সূরা আল কাহাফ পড়া, (পবিত্র কুরআনের ১৮ নং সূরা),
৮। মসজিদে আগে আগে যাওয়া,
৯। হেটে হেটে মসজিদে যাওয়া, রাসূল (সাঃ) হেটে হেটে যেতেন,
১০। মসজিদে প্রবেশের পর অন্যের ঘাড় ডিঙিয়ে সামনে যাওয়ার চেষ্টা না করা,
১১। মসজিদে ঢুকার সাথে সাথে দুই রাকাত নামায আদায় করা,
১২। মনোযোগ দিয়ে ইমামের খুৎবা শোনা,
১৩। খুৎবা চলাকালে কথা না বলা। কেউ কথা বললে তাকে থামানোর জন্য কথা না বলা,
১৪। খুতবা চলাকালীন সময়ে ঘুম আসলে জায়গা পরিবর্তন করে বসা এবং চোখে-মুখে পানি দেয়া,
১৫। জুমার দিনে দোয়া করলে দোয়া কবুল হয়, (আসরের নামায হতে মাগরিব পর্যন্ত-বিশেষ করে মাগরিব নামাযের আগের ৩০ মিনিট দোয়া কবুলের গুরুত্বপূর্ণ সময়)

09/05/2021

আল্লাহর রাগান্বিত হলে কী করেন ? [Tariq Jameel]

15/04/2021

ততকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের কর্মকর্তারা কারী আব্দুল বাসেত এর তেলাওয়াত শুনে কুরআনের মোজেজায় হতভম্ব হয়ে গিয়েছিল.......!!

14/04/2021

আহলে-কিতাব ও মুশরেকদের মধ্যে যারা কাফের, তারা জাহান্নামের আগুনে স্থায়ীভাবে থাকবে। তারাই সৃষ্টির অধম।যারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে, তারাই সৃষ্টির সেরা।তাদের পালনকর্তার কাছে রয়েছে তাদের প্রতিদান চিরকাল বসবাসের জান্নাত, যার তলদেশে নির্ঝরিণী প্রবাহিত। তারা সেখানে থাকবে অনন্তকাল। আল্লাহ তাদের প্রতি সন্তুষ্ট এবং তারা আল্লাহর প্রতি সন্তুষ্ট। এটা তার জন্যে, যে তার পালনকর্তাকে ভয় করে।
(সূরা বাইয়িনাহ-৬-৮)

14/04/2021

জান্নাতিদের কিছু আমল ! শাইখ মানসুর আস সালিমী

14/04/2021

যে দশ কারণে রমজান এত ফজিলতপূর্ণ
হিজরিবর্ষের নবম মাস রমজান। এ মাস ঈমানদারদের জন্য অনেক বড় নিয়ামত। এটি দয়াময় আল্লাহর করুণা লাভের সুবর্ণ সুযোগ, নৈকট্য লাভের উত্তম সময়, পরকালীন পাথেয় অর্জনের উত্কৃষ্ট মৌসুম। তিনি এই মাসের প্রতিটি মুহূর্তে দান করেছেন অশেষ খায়ের-বরকত ও অফুরন্ত কল্যাণ। এ মাসটি এত ফজিলতপূর্ণ হওয়ার অনেক কারণ রয়েছে। মৌলিক ১০টি কারণ নিম্নরূপ—

সিয়াম ও কিয়াম

রমজান মাসের আগমন ঘটে প্রধানত রোজা ও তারাবীহর বার্তা নিয়ে। এটি রমজান মাসের বিশেষ আমল।

তাই প্রত্যেক মুসলমানের এ দুই বিষয়ে যত্নবান হওয়া কর্তব্য। ইরশাদ হয়েছে, ‘হে ঈমানদাররা! তোমাদের ওপর রোজা ফরজ করা হয়েছে, যেমন ফরজ করা হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তীদের ওপর; যাতে তোমরা তাকওয়া অবলম্বনকারী হতে পারো।

’ (সুরা : বাকারা, আয়াত : ১৮৩)। অন্য আয়াতে ইরশাদ হয়েছে, ‘...সুতরাং তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি এ মাস (রমজান) পাবে, সে যেন অবশ্যই রোজা রাখে।

আর তোমাদের মধ্যে কেউ যদি অসুস্থ হয় বা সফরে থাকে, তবে অন্য সময় সে সমান সংখ্যা পূরণ করবে। ’ (সুরা : বাকারা, আয়াত : ১৮৫)
আবু হুরায়রা (রা) বলেন, যখন রমজান মাসের আগমন ঘটল, তখন নবীজি (সা.) ইরশাদ করলেন, ‘তোমাদের কাছে বরকতময় মাস রমজান এসেছে।

আল্লাহ তাআলা তোমাদের ওপর এ মাসের রোজা ফরজ করেছেন ...। ’ (মুসনাদে আহমদ, হাদিস : ৭১৪৮)
মানুষের প্রত্যেকটি আমল বৃদ্ধি করে দেওয়া হয় এ মাসে। একটি নেকী ১০ গুণ থেকে (ক্ষেত্র বিশেষে) ৭০০ গুণ পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়। আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন: কিন্তু রোজার ব্যাপারটি ভিন্ন। কারণ রোজা আমার জন্য। সুতরাং তার প্রতিদান আমি নিজেই প্রদান করব। (বুখারি, হাদিস : ১৮৯৪)

জান্নাতে রাইয়ান নামক একটি বিশেষ দরজা রয়েছে, যা দিয়ে একমাত্র রোজাদাররাই প্রবেশ করবে। অন্য কেউ সে দরজা দিয়ে প্রবেশ করতে পারবে না। (মুসলিম, হাদিস: ১১৫২)। আর যে ব্যক্তি সে রাইয়ান গেট দিয়ে প্রবেশ করবে সে আর কখনো পিপাসার্ত হবে না।

আবু হুরায়রা (রা.) বলেন, রমজান মাস লাভকারী ব্যক্তি, যিনি উত্তমরূপে সিয়াম ও কিয়াম পালন করে, তার প্রথম পুরস্কার—রমজান শেষে গুনাহ থেকে ওই দিনের মতো পবিত্র হয় যেদিন মায়ের গর্ভ থেকে ভূমিষ্ঠ হয়েছিল। (মুসান্নাফে ইবনে আবি শায়বা, হাদিস : ৮৯৬৬)

ইসলামী শরিয়ত সমর্থিত ওজর ছাড়া ইচ্ছাকৃত রোজা ভঙ্গকারী মৌলিক ফরজ লংঘনকারী ও ইসলামের ভিত্তি বিনষ্টকারীরূপে গণ্য। নবীজি (সা.) বলেন, ‘যে ব্যক্তি কোনো ওজর বা অসুস্থতা ছাড়া রমজানের একটি রোজা পরিত্যাগ করবে সে যদি ওই রোজার পরিবর্তে আজীবন রোজা রাখে তবু ওই এক রোজার ক্ষতিপূরণ হবে না। ’ (তিরমিজি, হাদিস : ৭২৩)

কোরআন নাজিল

রমজান মাস কোরআন নাজিলের মাস। এ মাসেই পূর্ণ কোরআন লাওহে মাহফুজ থেকে একসঙ্গে প্রথম আসমানে ‘বাইতুল ইজ্জতে’ অবতীর্ণ হয়। এবং রাসুল (সা.)-এর ওপর ওহি অবতরণের সূচনাও হয় এ মাসেই। ইরশাদ হয়েছে, ‘রমজান মাস, যাতে কোরআন নাজিল হয়েছে, যা মানুষের জন্য হেদায়েত ও সুপথ প্রাপ্তির সুস্পষ্ট পথনির্দেশ এবং হক-বাতিলের মধ্যে পার্থক্যকারী। ’ (সুরা : বাকারা, আয়াত : ১৮৫)

শুধু কোরআন নয়, ইবরাহিম (আ.)-এর সহিফা, তাওরাত, জাবুর, ইঞ্জিলসহ সকল আসমানি কিতাব এ মাসেই অবতীর্ণ হয়েছে।

কোরআন তিলাওয়াত

এটি যেমন কোরআন নাজিলের মাস তেমনি কোরআন তিলাওয়াতেরও মাস। কোরআন শেখা ও শেখানোর মাস। কোরআন শুদ্ধ করার মাস। কোরআন মুখস্থ করা ও ইয়াদ করার মাস। কোরআন শোনা ও শোনানোর মাস।

রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘রোজা ও কোরআন কিয়ামতের দিন বান্দার জন্য সুপারিশ করবে। রোজা বলবে, হে আল্লাহ! আমি তাকে দিনের বেলায় পানাহার ও যৌন সম্ভোগ থেকে পূর্ণ বিরত রেখেছি। তার ব্যাপারে আমার সুপারিশ কবুল করুন। আর কোরআন বলবে, আমি তাকে রাতে নিদ্রা থেকে বিরত রেখেছি। কাজেই তার ব্যাপারে আমার সুপারিশ কবুল করুন। অতঃপর তাদের সুপারিশ গ্রহণ করা হবে। ’ (মুসনাদে আহমাদ, হাদিস ৬৬২৬)

সালাফে সালেহিনের জীবনী আলোচনা করলে দেখা যায়, তারা এবং তাদের পরিবারের সদস্যরা রমজানে বহুবার কোরআন খতম করতেন।

আমলের সওয়াব বহুগুণ বৃদ্ধি

এ মাস ঈমানদারের নেক আমলের প্রতিদান বৃদ্ধির মাস। আখিরাতের সওদা করার শ্রেষ্ঠ সময়। ব্যবসায়ীদের যেমন বিশেষ বিশেষ মৌসুম থাকে—যখন খুব জমজমাট ব্যবসা হয়। বছরের অন্য সময়ের তুলনায় আয়-উপার্জন বেশি হয়, তেমনি আখিরাতের ব্যবসায়ীদের জন্য ব্যবসার শ্রেষ্ঠ মৌসুম রমজান মাস। নবীজি (সা.) বলেছেন, ‘রমজান মাসের যেকোনো নফল ইবাদত অন্য মাসের ফরজ ইবাদতের সমান এবং যেকোনো ফরজ ইবাদত অন্য মাসের ৭০টি ফরজ ইবাদতের সমান। ’

কল্যাণের ঘোষণা

এ মাসে জান্নাতের দরজাগুলো খুলে দেওয়া হয়। জাহান্নামের দরজাগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয়। নবীজি (সা.) বলেছেন, ‘যখন রমজান মাসের প্রথম রাতের আগমন ঘটে, তখন দুষ্ট জিন ও শয়তানদের শৃঙ্খলাবদ্ধ করা হয়। জাহান্নামের দরজাগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয়, তার একটি দরজাও খোলা হয় না এবং জান্নাতের দরজাগুলো খুলে দেওয়া হয়, তার একটি দরজাও বন্ধ করা হয় না। আর একজন ঘোষক ঘোষণা করতে থাকে— হে কল্যাণের প্রত্যাশী! অগ্রসর হও। হে অকল্যাণের প্রার্থী! থেমে যাও। আল্লাহ তাআলা এ মাসের প্রতি রাতে অসংখ্য জাহান্নামিকে মুক্তি দান করেন। (তিরমিজি, হাদিস : ৬৮২)

দোয়া কবুল ও জাহান্নাম থেকে মুক্তি

এ মাসে অসংখ্য মানুষের দোয়া কবুল করা হয়। আবেদন মঞ্জুর করা হয়। জাহান্নামির নাম জাহান্নামের তালিকা থেকে মুছে ফেলা হয়, দোখজ থেকে মুক্তির ঘোষণা দেওয়া হয়। তাই এ মাসে বেশি বেশি নেক আমল করতে হবে। তাওবা-ইস্তিগফার করতে হবে। জাহান্নাম থেকে মুক্তি চাইতে হবে। যাবতীয় দরখাস্ত দয়াময় আল্লাহর দরবারে পেশ করতে হবে। রাসুল (সা.) বলেন, ‘অবশ্যই আল্লাহ তাআলা রমজান মাসের প্রত্যেক দিন ও রাতে অসংখ্য ব্যক্তিকে জাহান্নাম থেকে মুক্তি দান করেন। এবং প্রত্যেক মুমিন বান্দার একটি করে দোয়া কবুল করেন। ’ (মুসনাদে আহমদ, হাদিস : ৭৪৫০)। তিন ব্যক্তির দোয়া ফেরত দেওয়া হয় না : রোজাদারের দোয়া, ইফতার পর্যন্ত। ন্যায়পরায়ণ শাসকের দোয়া। মজলুমের দোয়া। (সহিহ ইবনে হিব্বান, হাদিস : ৩৪২৮)

ক্ষমা লাভ করা

এটি পাপ মোচন ও গুনাহ থেকে ক্ষমা লাভের মাস। রাসুল (সা.) বলেন, ‘পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ, এক জুমা থেকে আরেক জুমা এবং এক রমজান থেকে আরেক রমজান মধ্যবর্তী সময়ের গুনাহগুলো মুছে দেয় যদি সে কবিরা গুনাহ থেকে বেঁচে থাকে। ’ (মুসলিম, হাদিস : ২৩৩)

সারা বছরের জন্য ইবাদতের শক্তি ও পাথেয় সংগ্রহ

মাসগুলোর মধ্যে শ্রেষ্ঠ মাস রমজান। বারো মাসের সর্দার রমজান মাস। নবীজি (সা.) ইরশাদ করেন, ‘আল্লাহর কসম! মুসলমানদের জন্য রমজানের চেয়ে উত্তম কোনো মাস আসেনি এবং মুনাফিকদের জন্য রমজান মাসের চেয়ে অধিক ক্ষতির মাসও আর আসেনি। কেননা মুমিনরা এ মাসে (সারা বছরের জন্য) ইবাদতের শক্তি ও পাথেয় সংগ্রহ করে। আর মুনাফিকরা তাতে মানুষের উদাসীনতা ও দোষত্রুটি অন্বেষণ করে। এ মাস মুমিনের জন্য গনিমত আর মুনাফিকের জন্য ক্ষতির কারণ। ’ (মুসনাদে আহমদ, হাদিস : ৮৩৬৮)

দানশীলতা

নবীজি (সা.) এমনিতেই প্রচুর দান করতেন। এ মাসে দানের পরিমাণ আরো বহুগুণে বাড়িয়ে দিতেন। হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) বলেন, রাসুলে আকরাম (সা.) ছিলেন মানুষের মাঝে সর্বশ্রেষ্ঠ দাতা। তার দানশীলতা অধিকতর বৃদ্ধি পেত রমজান মাসে, যখন জিবরাঈল (আ.) তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতেন। জিবরাঈল (আ.) রমজানের প্রতি রাতে আগমন করতেন এবং তারা পরস্পর কোরআন শোনাতেন। আল্লাহর রাসুল (সা.) তখন কল্যাণবাহী বায়ুর চেয়েও অধিক দানশীল। (মুসলিম, হাদিস : ২৩০৮)

রাসুল (সা.) বলেন, ‘যে ব্যক্তি কোনো রোজাদারকে ইফতার করাবে, সে তার (রোজাদারের) অনুরূপ প্রতিদান লাভ করবে। তবে রোজাদারের প্রতিদান থেকে বিন্দুমাত্রও হ্রাস করা হবে না। ’ (তিরমিজি, হাদিস : ৮০৭)

লাইলাতুল কদর

এ মাসে রয়েছে হাজার মাসের চেয়ে শ্রেষ্ঠ মাস, লাইলাতুল কদর। এ রাতে ইবাদত করলে হাজার রাতে ইবাদত করার চেয়ে বেশি সওয়াব পাওয়া যায়। ইরশাদ হয়েছে, ‘লাইলাতুল কদর এক হাজার মাস অপেক্ষা উত্তম। এ রাতে ফেরেশতাগণ ও রুহ (জিবরাঈল আ.) তাদের পালনকর্তার আদেশক্রমে প্রত্যেক কল্যাণময় বস্তু নিয়ে পৃথিবীতে অবতরণ করেন। যে রাত পুরোটাই শান্তি, যা ফজর হওয়া পর্যন্ত অব্যাহত থাকে। ’ (সুরা : কদর, আয়াত ৩-৫)

24/04/2020

আলহামদুলিল্লাহ্‌ ,
শুরু হল পবিত্র রমজান মাস,
প্রত্যেকটি মুসলমানের কাছে অত্যন্ত ফযিলতের মাস।
ইনশাআল্লাহ্‌ আমরা সবাই রোজা রাখার চেষ্টা করব।
মানুষ সব সময় “মৃত্যু”
থেকে বাঁচার চেষ্টা করে,
কিন্তু জাহান্নাম থেকে নয়,
অথচ “মানুষ” চাইলে
জাহান্নাম থেকে
বাঁচতে পারে কিন্তু “মৃত্যু” থেকে নয়। সব্বাইকে জানাই রমজানুল মোবারক (জুম্মা মােবারক)

06/04/2020

নিশ্চয়ই চিন্তাশীলদের জন্যে রয়েছে শিক্ষা যদি তারা জানত সেই মহা অনন্তকালের ভয়াবহতা সফলতা ও ব্যর্থতা...🙄🙄🤔

04/03/2020

কয়টা বিয়েতে রাসূল ﷺ সুন্নাত আছে ??
- ১০লাখ টাকা দেনমোহর কি রাসূল ﷺ এর সুন্নাহ?
- ১০০-২০০ আত্মীয় ভোজন কি রাসূল ﷺ এর সুন্নাহ?
- গায়ে হলুদ, বৌভাত কি রাসূল ﷺ এর সুন্নাহ?
- সরকারি চাকরিজীবী দেখে মেয়ে বিয়ে দেওয়া কি রাসূল ﷺ এর সুন্নাহ?
- জমজমাট ডেকোরেশন, লাইটিং, গান বাদ্য কি রাসূল ﷺ এর সুন্নাহ?
যেই সম্পর্কের শুরু হয় যদি, আল্লাহর এতগুলো নাফরমানী দিয়ে
সেই সম্পর্ক বরকতময় হবে কিভাবে ???

"তোমাদের মধ্যে যারা বিবাহহীন, তাদের বিবাহ সম্পাদন কর এবং তোমাদের দাস-দাসীদের মধ্যে যারা সৎ তাদেরও। তারা অভাবগ্রস্ত হলে আল্লাহ নিজ অনুগ্রহে তাদেরকে অভাবমুক্ত করে দেবেন। আর আল্লাহ প্রাচুর্যময়, সর্বজ্ঞ।"
--[সূরা নূর ২৪, আয়াত ৩২]

যারা এখনো বিবাহ করিনি তারা নিয়ত করি ইনশাআল্লাহ রাসুলুল্লাহ সাঃ সুন্নত মোতাবেক বিবাহ করবো।আর যাদের ভুল হয়ে গেছে তারা আল্লাহ কাছে মাফ চান।আল্লাহ আমাদের সবাইকে কবুল করুক আমাদেরকে হেদায়েত দান করুক।আমিন

Address

Chittagong

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Islamic Tips posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share