Sri Sri Kaibalyadham Ashram.

Sri Sri Kaibalyadham Ashram. শ্রীশ্রী কৈবল্যধাম এর অফিসিয়াল ফেইসবুক পেইজ
Official Page of Sri Sri Kaibalyadham
(724)

আপনাদের সবাইকে শ্রীশ্রী কৈবল্যধাম আশ্রমে স্বাগতম।

এই ধাম/আশ্রমটি হইল একটি আধ্যাত্মিক কেন্দ্র যেখানে যে কোনো ধর্মবিশ্বাসী মানুষ বা একেবারেই বিশ্বাস নাই এমন মানুষ ও প্রতিফলিত হইতে, প্রশ্ন করিতে, আলোচনা শুনিতে, প্রার্থনা করিতে, গান গাহিতে/ শুনিতে, ধ্যান বা জ্ঞান অথবা নিজেকে পর এর সেবায় উত্সর্গ করিতে আসেন।

শ্রীশ্রীঠাকুর রামচন্দ্রদেব হইলেন এই আশ্রমের অভিভাবক। মরভূমের বিষম বিপাক হইতে স্ব্গণকে উদ্ধ্বা

র করিয়া নিবার জন্যই লোকালয়ে প্রকট হইয়াছিলেন ভগবানের অবতার পরম দয়াল শ্রীশ্রী রামঠাকুর। নরদেহে আবির্ভূত হইয়া জীবের পরম হিতৈষীর মূর্ত্তিতে স্বগণের গৃহে গৃহে, নিকটে নিকটে ঘুরিয়া সকলকে একান্ত আপন জন হিসাবে আকর্ষণ করিয়া প্রাণের ডোরে নিত্য সত্য ভগবৎপদে গাঁথিয়া নিয়াছেন; অনিত্য সংসারের ভ্রান্ত আসক্তি হইতে উদ্ধারের পথে টানিয়া লইয়াছেন।

শ্রীশ্রী গুরুদেব অনাদি, অনন্ত। প্রকটলীলা সংবরণ করিয়া ভক্ত হৃদয়ে তিনি ‘নাম’ রূপে নিত্য বিরাজ করিতেছেন, চিত্রপটে নিত্য অধিষ্ঠিত রহিয়াছেন এবং নামের ভান্ডারে নিত্য প্রতিভাত থাকিয়া কৈবল্যধামে সর্ব্বকালের কৃপ্রার্থীর আশ্রয় বিধান অব্যাহত রাখিয়াছেন। শ্রীগুরুর স্মরণ মননে প্রেরণার উত্স স্বরূপ হইতে এখানি আশ্রিতবর্গের সহায়ক হইবে বলিয়া মনে করি।

কিছু চাইতে নাই, গুরুর দান অযাচিত।যা দেখা যায় সেটা মিথ্যা, যে দেখে সেও ভুল দেখে।গুরু যে বীজ দেন সেই বীজের সহিত বাস করিতে ...
23/08/2026

কিছু চাইতে নাই, গুরুর দান অযাচিত।

যা দেখা যায় সেটা মিথ্যা, যে দেখে সেও ভুল দেখে।

গুরু যে বীজ দেন সেই বীজের সহিত বাস করিতে হয়। উহার সহিত ঘরকন্না করিতে হয়, উহাকে ভালবাসিতে হয়।

রামঠাকুরের কথা - সাধুদর্শন ও সৎপ্রসঙ্গ ১ খন্ড
মহামহোপাধ্যায় ডক্টর গোপীনাথ কবিরাজ।।

নলরাজা হরিশ্চন্দ্র প্রভৃতির বিষয় চিন্তা করিয়া দেখিবে। তাঁহারা কতই না সহ্য করিয়া ধর্ম্ম রক্ষা করিয়াছেন। মহাত্মাগণ সহিষ্ণু...
23/08/2026

নলরাজা হরিশ্চন্দ্র প্রভৃতির বিষয় চিন্তা করিয়া দেখিবে। তাঁহারা কতই না সহ্য করিয়া ধর্ম্ম রক্ষা করিয়াছেন। মহাত্মাগণ সহিষ্ণুতা দ্বারা সকল বিপদ ভোগ করিয়া পরিশেষে পুনরায় সম্পদ ভোগ করিয়াছেন। গত বিষয় চিন্তা করিতে নাই। ধর্ম্মের পর আর কিছুই সম্পদ নাই। স্ত্রীপুত্র কলত্রাদি ধন জন সকলি দুঃখের আকর। ইহাদের ভাবিতে গেলে সুখ কিছুই নাই, ভ্রান্তি বশতঃ সুখবোধ হয়। তাহাও ক্ষণস্থায়ী, দুঃখই বেশী। অনিত্যকর বিষয় জন্য দুঃখ করা সকলি ভুল। কোন চিন্তা করিবে না। কেবল গুরুর উপর সমস্ত ভার দিয়া খাঁটি হইয়া স্থীরভাবে গুরুবাক্য পালনে যত্নশীল হইবে।

আপনি বাজে চিন্তার আবর্ত্তন হইতে ধৈর্য্য ধরিয়া সত্যনারায়ণের নাম সর্ব্বদা করিবেন।এইরুপ অভ্যাস করিতে করিতে স্থির চিন্তা আসি...
22/07/2026

আপনি বাজে চিন্তার আবর্ত্তন হইতে ধৈর্য্য ধরিয়া সত্যনারায়ণের নাম সর্ব্বদা করিবেন।এইরুপ অভ্যাস করিতে করিতে স্থির চিন্তা আসিয়া আপনাকে পরম শান্তি দিবেন।ভগবান একমাত্র ধৈর্য্য হইতেই প্রকাশ হন।ধৈর্য্যই ধর্ম্ম,ধৈর্য্যই ভগবান,দ্বন্দ্বে স্থির থাকাই আনন্দ।অধৈর্য্য হইলে লাভ দ্বারা যে সকল সুখ পাওয়া যায় তাহা ক্ষণস্থায়ী মাত্র,উদয় এবং অস্তশীল বলিয়া জানিবেন।প্রারব্ধ (ভাগ্যই) সেই সমস্ত বিষয় ভেদজ্ঞানের আবরণে টানিয়া নিয়া যায়,অতএব সর্ব্বদা প্রারব্ধ বেগ সহিষ্ণুতার দ্বারা পবিত্র করিয়া পবিত্র হইতে চেষ্টা করিবেন।এই প্রকার মনের,বুদ্ধির শরীরের বেগ সহ্য করিতে করিতে মন,বুদ্ধি,শরীর ভেদ (দ্বৈত) ভাবের তরঙ্গ হইতে মুক্তি হইয়া পরিমাণ [?] শক্তি জাগিয়া পড়িবে সংশয় নাই।এই সংসার মায়ামুগ্ধ হওয়ায় কিংকর্ত্তব্যহারা হইয়া ভ্রান্তি বিষয় অমূলক চিন্তায় নিমগ্ন হইয়া,হিতাহিত জ্ঞান বর্জ্জিত হইয়া কার্য্য-কলাপে নানান উপসর্গ সৃষ্টি করিয়া থাকে।ইহা হইতে পরিত্রাণের একমাত্র উপায় এই ধৈর্য্য হইতে অভ্যাস করা।ইহা ব্যতীত অন্য কোন উপায় নাই।

-শ্রী শ্রী রামঠাকুর
বেদবানী ৩য় খন্ড(১০৭)

“লেগে থাকলে মেগে খায় না।” মনোযোগের সহিত সকল কর্ম্ম করিয়া যথাসাধ্য সময় পাইলে হরিনাম করিবে। আর নচেৎ, এক প্রকার সমস্ত ছাড়িয়...
21/07/2026

“লেগে থাকলে মেগে খায় না।” মনোযোগের সহিত সকল কর্ম্ম করিয়া যথাসাধ্য সময় পাইলে হরিনাম করিবে। আর নচেৎ, এক প্রকার সমস্ত ছাড়িয়া, লেগে পড়ে দিনরাত খেটে অনুরাগ বাড়াইয়া হরিনাম করিতে থাকিবে। সেবাপরায়ণ হইয়া ইহাতে খাওয়া জুটিতে পারে। সাধুমন্ডলী নিয়া থাকিলেও হয়। এই প্রকার একদিকে ঝুঁকিয়া পড়িলেই সংসার মুক্ত হইয়া থাকে।

বেদবাণী প্রথম খণ্ড - ১১২ নং পত্রাংশ

মুজঃফরপুরে খুব ভালো অমৃতি পাওয়া যাইত। বাড়ির নিকটেই একটি মিষ্টির দোকান ছিল। প্রায়ই সেখান হইতে গরম গরম অমৃতি আনা হইত। এক দ...
20/07/2026

মুজঃফরপুরে খুব ভালো অমৃতি পাওয়া যাইত। বাড়ির নিকটেই একটি মিষ্টির দোকান ছিল। প্রায়ই সেখান হইতে গরম গরম অমৃতি আনা হইত। এক দিন বর্ষাকালের দ্বিপ্রহরে প্রবল বেগে বৃষ্টি পড়িতেছিল। এত জোরে বৃষ্টি হইতেছিল যে, ঘরের বাহিরে যাওয়া একেবারেই অসম্ভব। ছাতি লইয়া গেলেও রক্ষা নাই, ভিজিতেই হইবে। বেলা প্রায় তিনটা বাজিয়া গেল। বৃষ্টি থামার কোন লক্ষণ নাই। আমরা সবাই ঠাকুরকে লইয়া নানা বিষয়ে কথা বলিতেছি। হঠাত আমি বলিলাম, "এখন যদি গরম গরম অমৃতি পাওয়া যাইত তবে কেমন মজা হইত!"

একটু পরে ঠাকুর খড়ম পায়ে দিয়া নিচে নামিয়া গেলেন। ভাবিলাম, ঠাকুর পস্রাব করিতে যাইতেছেন। উপরে যে পস্রাবাগারটি ছিল সে ঘরটিতে মাথা নিচু করিয়া যাইতে হয়। ঠাকুর মাথা নিচু করিয়া কথাও যান না। তাই এই ঘরে প্রবেশ করার সময় তাঁহার কপালে ধাক্কা লাগিয়া ফুলিয়া যায়। নিচের পস্রাবাগারটি বড়, তাই উপরের ঘরটি তালা বন্ধ করিয়া রাখিয়াছি। নীচের ঘরের দরজা বড়, মাথায় আঘাত লাগার সম্ভাবনা নাই। তাই তিনি সর্ব্বদা মলমূত্র ত্যাগ করিতে নীচে যাইতেন। ঠাকুরের খড়মের শব্দে কিন্তু বুঝিলাম তিনি সদর দরজার নিকটে গেলেন এবং ততক্ষনাত ফিরিলেন। উপরে যখন উঠিলেন, দেখিলাম তাঁহার হাতে একটি চুপড়ি বোঝাই গরম অমৃতি রহিয়াছে। অমৃতি দেখিয়া মনে মনে খুব খুশি হইয়াছি। আমি জিজ্ঞাসা করিলাম, "এই অমৃতি কোথায় পাইলেন ? আপনি বাহিরে যান নাই, আর বাহিরে যাওয়ার তো উপায় নাই।"

ঠাকুর বলিলেন, "একজন ভক্ত দিয়া গেল। কেন? সে ডাক দিল আপনারা শোনেন নাই?" আমি বলিলাম, "কোন ডাকই ত শুনি নাই।" ঠাকুর বলিলেন, "কান থাকলে তো শুনবেন।" তখন প্রবল বেগে বৃষ্টি পড়িতেছে। আমাদের আনন্দ আর দেখে কে? সবাই খুব আনন্দ করিয়া অমৃতি প্রসাদ পাইলাম। ঠাকুরকে অমৃতি গ্রহনের জন্য প্রার্থনা করিলাম। কিন্তু তিনি স্বীকৃত হইলেন না। এই ভাবে তিনি আমাদের রাবড়ি ও বালুসাইও খাওয়াইছেন।

শ্রীগুরু শ্রীশ্রী রামঠাকুর (শ্রী রোহিনী কুমার মজুমদার) পৃষ্ঠা: ৪৮
ফেইসবুকঃ www.facebook.com/kaibalyadham
প্রচারে কৈবল্যধাম।।
web: www.srisrikaibalyadham.org/

জীবের বন্ধনের কারণ ও উদ্ধারের উপায়ঃ"সীতা, রাম ও লক্ষণের সহিত, পঞ্চবটীতে কুটীর বাঁধিয়া মহাসুখে বাস করিতেছিলেন। তিনি যা রা...
20/07/2026

জীবের বন্ধনের কারণ ও উদ্ধারের উপায়ঃ

"সীতা, রাম ও লক্ষণের সহিত, পঞ্চবটীতে কুটীর বাঁধিয়া মহাসুখে বাস করিতেছিলেন। তিনি যা রাজনন্দিনী, রাজকুলবধূ, তাহা তিনি ভুলিয়াই গিয়েছিলেন। রাজপ্রাসাদের সেই বিলাস পঙ্কিল, খরস্রোত জীবন তাঁহার নিকট স্বপ্ন বলিয়াই মনে হইত। পরিধানে সামান্য বঙ্কল, ফলমূল আহার, কিন্তু সকলই অমৃততুল্য, স্বামীর অকুন্ঠ প্রেম ও দেবরের নিষ্কলুষ স্নেহ তাঁহাকে এক বিচিত্র মধুর নিগড়ে মুগ্ধ করিয়া রাখিয়াছিল। এককথায় কোন অভাবই তাঁহার ছিল না। কিন্তু হঠাৎ একদিন তিনি প্রলোভনে পড়িয়া গেলেন, মায়ামৃগ দেখিয়া তিনি আত্মহারা হইলেন। স্বর্ণমৃগ যে কখন বাস্তব হইতে পারে না, তাহা যে নিশ্চিত অলীক, মায়ামরীচিকা ভিন্ন অন্য কিছুই নহে, এই প্রকারের কোন যুক্তিই তাঁহার মনে কোন প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করিল না, নিদারুণ প্রলোভনে তিনি তখন কান্ড জ্ঞানহীন। ফল দাঁড়াইল এই যে, রাবণ তাঁহাকে হরণ করিয়া লইয়া গেল, পথে জটায়ুর সাহায্যে কিছুই হইল না, সীতা অশোক বনে বন্দিনী হইয়া রহিলেন। জীবও এই প্রকার মায়ামরীচিকার পিছনে ঘুরিয়া বন্দী হয়, প্রলোভনই বন্ধনের কারণ।"

"আবার রামই আসিয়া তাঁহাকে উদ্ধার করিলেন। সুগ্রীবের সহিত মিত্রতা করিয়া, সমুদ্রে সেতুবন্ধন করিয়া, ঘোরতর যুদ্ধের পর রাবণকে সবংশে নিধন করিয়া সীতাকে উদ্ধার করিয়া লইয়া গেলেন। কিন্তু সীতা করিলেন কি? তিনি চেড়ীগণের প্রলোভন ও শাসন অকাতরে সহ্য করিয়া অনুক্ষণ রাম চিন্তায় মগ্ন হইয়া রহিলেন। সুতরাং দেখা গেল যে, বন্ধনের কারণ যেমন প্রলোভন, উদ্ধারের উপায় অনন্যচিন্তা ও অকাতরে প্রারব্ধ বেগ সহ্য করা।" ঠাকুর বলিতেন যে, বদ্ধ হইবার শক্তি জীবের আছে কিন্তু উদ্ধার হইবার শক্তি নাই।

রাম ঠাকুরের কথা
ডক্টর ইন্দুভূষণ বন্ধোপাধ্যায়
পৃষ্ঠাঃ ৫৬/৫৭

'আশ্রম' ও 'নাম' প্রসঙ্গে অমৃতবাণীঃঠাকুর বলেছেন আশ্রম সৃষ্টি হলেই সেখানে অনেক অসংগতি ঢুকে পড়ে। এজন্যই ঠাকুর কোন জাগতিক সঙ...
19/07/2026

'আশ্রম' ও 'নাম' প্রসঙ্গে অমৃতবাণীঃ

ঠাকুর বলেছেন আশ্রম সৃষ্টি হলেই সেখানে অনেক অসংগতি ঢুকে পড়ে। এজন্যই ঠাকুর কোন জাগতিক সঙ্গকে মূল্য দেননি।

আশ্রমে থেকে শ্রদ্ধাস্পদ মোহন্ত মহারাজগণ ভক্তদের নাম দিয়ে থাকেন। ভক্তদের ইচ্ছাকে মূল্য দিতেই ঠাকুর হয়তো আশ্রম প্রতিষ্ঠায় মত দিয়েছিলেন।
একথা হয়তো ঠিক আশ্রমে গেলে আমাদের মত সাধারণ মানুষদের মানসিক শান্তি হয়। কিন্তু ঠাকুরের কথায়, পরম প্রাপ্তির জন্য হৃদয়কে আশ্রম করতে হয়।

ঠাকুর অনুভব করতেনঃ 'প্রারব্ধ ভুঞ্জমানানি গীতাধ্যান পরায়ণা।' প্রারব্ধ 'নাম' এর মধ্য দিয়ে কিছুটা দূর হয়। 'নাম' এর ব্যাপারে এজন্যই ঠাকুর এতটা গুরুত্ব দিতেন।

জয় রাম। জয় গোবিন্দ।।

প্রসাদ না লইয়া গেলে ফিরিয়া আসিতে হয়ঃঠাকুর বলিলেন, উপেন্দ্রবাবুর বাড়িতে প্রসাদ লইয়া বাড়ি যাইবেন, আপনি স্টেশনে না যাইতে গা...
16/07/2026

প্রসাদ না লইয়া গেলে ফিরিয়া আসিতে হয়ঃ

ঠাকুর বলিলেন, উপেন্দ্রবাবুর বাড়িতে প্রসাদ লইয়া বাড়ি যাইবেন, আপনি স্টেশনে না যাইতে গাড়ি ছাড়িবে না, প্রসাদ না লইয়া গেলে ফিরিয়া আসিতে হয়। আমি ঠাকুরকে প্রণাম করিয়া বাহিরে আসিয়া উপেন্দ্রবাবুর বাড়ি গেলাম না। স্টেশনে আসিয়া গাড়িতে বসিলাম। গাড়িতে প্রায় ৪৫মিনিট বসিয়া রহিলাম, গাড়ি ছাড়িতেছে না। মনে মনে ভাবিতে লাগিলাম ঠাকুর আমাকে বলিয়াছিলেন উপেন্দ্রবাবুর বাড়ি গিয়া প্রসাদ পাইয়া বাড়ি যাইবেন, আপনি না পৌঁছিতে গাড়ি ছাড়িবে না, প্রসাদ না পাইয়া গেলে ফিরিয়া আসিতে হয়। আমি ঠাকুরের কথায় বিশ্বাস রাখিতে না পারিয়া স্টেশনে চলিয়া আসিলাম, গাড়ি ছাড়িতেছে না। এইরুপ চিন্তা করিতে করিতে গাড়ি ছাড়িল। গাড়ি লাকসাম পৌঁছিলে আমি গাড়ি হইতে নামিয়া কুমিল্লা যাওয়ার গাড়িতে উঠিতে রওনা হইলাম। পথে বড়দা, বৌদি ও যোগেন্দ্রবাবুর সহিত দেখা হইল। তাঁহারা ঠাকুর হইতে নাম পাওয়ার জন্য চৌমুহনী যাইতেছেন। বড়দা আমাকে দেখিতে পাইয়া বলিলেন, তোমাকে পাইয়া ভালই হইল। আমরা নোয়াখালির গাড়িতে গিয়া বসি, তুমি চৌমুহনীর টিকিট কাটিয়া তাড়াতাড়ি চলিয়া আস। আমি চৌমুহনীর টিকিট কাটিয়া গাড়িতে আসিয়া বসিলাম। গাড়ি ছাড়িয়া দিল। গাড়ি চৌমুহনী পৌঁছিলে আমরা গাড়ি হইতে নামিয়া ডাকবাংলোতে আসিয়া বড়দা তাঁহাদিগকে বারান্দায় বসাইয়া রাখিয়া আমি একাই ঠাকুরের নিকট গেলাম। ঠাকুর আমাকে দেখিতে পাইয়াই বলিলেন, আপনাকে বলিয়াছিলাম উপেন্দ্রবাবুর বাড়ি গিয়া প্রসাদ পাইয়া বাড়ি যাইবেন, প্রসাদ না পাইয়া গেলে ফিরিয়া আসিতে হয়,আপনি স্টেশনে না পৌঁছিতে গাড়ি ছাড়িবে না। আপনি আমার কথায় বিশ্বাস রাখিতে না পারিয়া চলিয়া গেলেন। বাড়ি যাওয়া হইল না, ফিরিয়া আসিতে হইল। আপনার বড়দা তাহারা আমার নিকট হইতে নাম পাইতে আসিয়াছেন। আপনি তাহাদিগকে বারান্দায় রাখিয়া আসিলেন কেন? তাহাদিগকে ভিতরে নিয়া আসেন।

শ্রীশ্রীকৈবল্যনাথ স্মরণে,
ডা:খগেন্দ্রনাথ গুপ্ত

সকলি প্রারব্ধ জানিবে। প্রারব্ধকে মান্য করিতে হয়। ইচ্ছার দ্বারা কিছুই হইতে পারে না। কামাদি রজগুণের তরঙ্গ মাত্র, স্থির বুদ...
15/07/2026

সকলি প্রারব্ধ জানিবে। প্রারব্ধকে মান্য করিতে হয়। ইচ্ছার দ্বারা কিছুই হইতে পারে না। কামাদি রজগুণের তরঙ্গ মাত্র, স্থির বুদ্ধির সাহায্যে সেই গুণের চঞ্চলতা কমাইয়া পরমানন্দময় নিত্যধাম প্রাপ্ত হইতে পারে। সর্ব্বদা ভগবানের সেবার অনুসরণে থাকিতে চেষ্টা করিবে।

বেদবাণী প্রথম খণ্ড - ১৩৪নং পত্রাংশ

দেখা হয় যখন একেবারে কামনা-বাসনা শূন্য মরার মত হইয়া যায়।ঐ রত্নাকরের গল্পটা।রত্নাকরকে বলছিল, তুমি রাম নাম কর,তা হইলে তোমার...
13/07/2026

দেখা হয় যখন একেবারে কামনা-বাসনা শূন্য মরার মত হইয়া যায়।ঐ রত্নাকরের গল্পটা।রত্নাকরকে বলছিল, তুমি রাম নাম কর,তা হইলে তোমার সব পাপ দূর হইয়া যাইবে,কিন্তু রাম নামও তার মুখে আসে না।তখন তাকে বলা হইল, তুমি 'মরা' 'মরা' করতে থাক। 'মরা' 'মরা' করতে করতে তার রাম নাম আসে। 'মরা' 'মরা' কারণ—মরার কোন আমিত্ব নাই।এইটা যখন আইস্যা যায় তখন রাম নাম করে,আর তাতে তার সিদ্ধিলাভ হয়।এইভাবে নামকে যে ধরবেন,প্রীতির সম্পর্ক নিয়া ধরবেন।যেই সম্পর্ক ধইর‍্যা আপনে আনন্দ পান।যেমন ধরেন কৃষ্ণ,যশোদা মা তাকে শিশুটির মত দেখতেন, কৃষ্ণও তার কাছে সেইভাবে ধরা দিতেন। তার ভিতরে ত যশোদা মা বিশ্বব্রহ্মাণ্ড দেখছিলেন কিন্তু তা সত্ত্বেও যশোদা মা বলছিলেন, "আমি ভগবান বুঝি না, তুমি আমার শিশু।" কৃষ্ণও তার কাছে শিশুর মত ছিলেন।
তথ্যসূত্রঃ-
নাম সম্বন্ধে
শ্রীমৎ ভবতোষ বন্দ্যোপাধ্যায়
৪র্থ মোহন্ত মহারাজ

Address

Kaibalyadham Road, Beside Kaibalyadham Rail Station, Pahartoli
Chittagong
4207

Opening Hours

Monday 08:00 - 20:00
Tuesday 08:00 - 20:00
Wednesday 08:00 - 20:00
Thursday 08:00 - 20:00
Friday 08:00 - 20:00
Saturday 08:00 - 20:00
Sunday 08:00 - 20:00

Telephone

+880243151587

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Sri Sri Kaibalyadham Ashram. posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to Sri Sri Kaibalyadham Ashram.:

Shortcuts

Share