21/05/2023
দুইপক্ষ - কৃষ্ণপক্ষ, শুক্লপক্ষ।
দুই অয়ণ - উত্তরায়ণ, দক্ষিণায়ণ।
ত্রি ভুবন – স্বর্গ, মর্ত, পাতাল।
ত্রিমূর্তি – ব্রহ্মা, বিষ্ণু, মহেশ্বর ।
ত্রিফলা - হরীতকী, বিভীতকী বা বহেড়া, আমলকী।
ত্রিধারা - মন্দাকিনী, অলকানন্দা, ভোগবতী।
ত্রিশক্তি - কালী, তারা, ত্রিপুরা।
ত্রিকাল - অতীত, বর্তমান, ভবিষ্যৎ।
ত্রিনেত্র - বামনেত্র, ডাননেত্র, জ্ঞাননেত্র।
ত্রিকুল - পিতৃকুল, মাতৃকুল, শ্বশুরকুল।
ত্রিবেণী - গঙ্গা, যমুনা, সরস্বতী।
ত্রিপিটক - সূত্র, বিনয়, অভিধর্ম।
ত্রিরত্ন - বুদ্ধ, ধর্ম, সংঘ।
ত্রিবর্গ - ধর্ম, অর্থ, কাম।
চারবেদ - ঋক, সাম, যজু, অথর্ব।
চারযুগ - সত্য, ত্রেতা দ্বাপর, কলি।
চতুর্বর্গ - ধর্ম, অর্থ, কাম, মোক্ষ।
চতুরঙ্গ সেনা - হস্তী, অশ্ব, রথ, পদাতিক।
চতুর্ধাম - রামনাথ, বৈদ্যনাথ, জগন্নাথ, দ্বারকানাথ।
চতুরাশ্রম - ব্রহ্মচর্য, গার্হস্থ্য, বানপ্রস্থ, সন্ন্যাস।
চতুর্বর্ণ - ব্রাহ্মণ, ক্ষত্রিয়, বৈশ্য, শূদ্র।
পঞ্চবাণ - সম্মোহন, উন্মাদন, শোষণ, তাপন, স্তম্ভন।
পঞ্চগঙ্গা - ভাগীরথী, গোমতী, কৃষ্ণবেণী, পিনাকিনী, কাবেরী।
পঞ্চনদী - কিরণা, ধূতপাপা, সরস্বতী, গঙ্গা, যমুনা।
পঞ্চনদ - ঝিলম বা বিতস্তা, চন্দ্রভাগা, ইরাবতী, বিপাশা, শতদ্রু।
পঞ্চধান্য - শালি, ব্রীহি, শূক, শিম্বি, ক্ষুদ্র।
পঞ্চবটী - অশ্বত্থ, বট, বিল্ব, আমলকী, অশোক।
পঞ্চপ্রাণবায়ু- প্রাণ, অপান, সমান, উদান, ব্যান।
পঞ্চমুক্তি - সার্ষ্টি, সারূপ্য, সালোক, সাযুজ্য, নির্বান।
পঞ্চতীর্থ - কুরুক্ষেত্র, গয়া, গঙ্গা, প্রভাস, পুষ্কর।
পঞ্চতিক্ত - নিম, গুলঞ্চ, বাসক, পলতা, কন্টকারী।
পঞ্চনুন - সৌর্বচল, সৈন্ধ, বিট, ঔদ্ভিদ, সামুদ্রিক।
পঞ্চগুণ - রূপ, রস, গন্ধ, স্পর্শ, শব্দ।
পঞ্চগব্য - দধি, দুগ্ধ, ঘৃত, গোমূত্র, গোময়।
পঞ্চভুত - ক্ষিতি, অপ্, তেজঃ, মরুত, ব্যোম।
পঞ্চ 'ম' - মদ্য, মাংস, মৎস্য, মুদ্রা ও মৈথুন।
পঞ্চরত্ন - নীলকান্ত, হীরক, পদ্মরাগ, মুক্তা, প্রবাল।
পঞ্চশস্য - ধান, যব, মাষ, তিল, মুগ।
পঞ্চামৃত - দধি, দুগ্ধ, ঘৃত, মধু, চিনি।
পঞ্চায়ুধ - তরবারি, শক্তি, ধনুক, বর্ম, পরশু বা কুঠার।
পঞ্চপল্লব - আম, অশ্বত্থ, পাকুড়, বট, যজ্ঞডুমুর।
পঞ্চোপচার - গন্ধ, পুষ্প, ধূপ, দীপ, নৈবেদ্য।
পঞ্চপাণ্ডব - যুধিষ্ঠির, ভীম, অর্জুন, নকুল, সহদেব।
পঞ্চপিতা – জন্মদাতা, ভয়ত্রাতা, দীক্ষাদাতা, শ্বশুর, অন্নদাতা ।
পঞ্চরস – শান্ত, দাস্য, সখ্য, বাৎসল্য, মধুর ।
পঞ্চকন্যা - অহল্যা, দ্রৌপদী, কুন্তি, তারা, মন্দোদরী।
পঞ্চ ইন্দ্রিয় - চক্ষু, কর্ণ, নাসিকা, জিহ্বা, ত্বক।
পঞ্চ ফুলশর - অরবিন্দ, অশোক, নবমল্লিকা, শিরীষ, নীলোৎপল।
ছয়ঋতু - গ্রীষ্ম, বর্ষা, শরৎ, হেমন্ত, শীত, বসন্ত।
ষড়ঙ্গ - দধি, দুগ্ধ, ঘৃত, গোমূত্র, গোময়, গোরোচনা।
ষড়রস - কটু, তিক্ত, কষায়, লবণ, অম্ল, মধুর।
ষড়রিপু - কাম, ক্রোধ, লোভ, মোহ, মদ, মাৎসর্য।
ষড়দোষ - নিদ্রা, তন্দ্রা, ভয়, ক্রোধ, আলস্য, দীর্ঘসূত্রতা।
ছয় রাগ – ভৈরব, কৌশিক, হিন্দোল, দীপক, শ্রী, মেঘ ।
ষটচক্র - মূলাধার, স্বাধিষ্ঠান, মণিপূরক, অনাহত, বিশুদ্ধ, আজ্ঞা।
ষটকর্ম - যজন, যাজন, অধ্যয়ন, অধ্যাপন দান, প্রতিগ্রহ।
সাতসমুদ্র - লবণ, ইক্ষুরস, সুরা, ঘৃত, দধি, ক্ষীর, স্বাদূদক।
সপ্তস্বর্গ – ভূলোক, ভুবর্লোক, স্বলোক, জনলোক, মহর্লোক বা মহোলোক, তপর্লোক, সত্যলোক।
সপ্তপাতাল – অতল, বিতল, সুতল, তলাতল, মহাতল, রসাতল, পাতাল।
সপ্তধাতু(আয়ুর্বেদ) - বায়ু, পিত্ত, কফ, রক্ত, শুক্র, মাংস, অস্থি।
সপ্তদ্বীপ (পৌরাণিক) - জম্বু, কুশ, প্লক্ষ, শাল্মলী, ক্রৌঞ্চ, শাক, পুষ্কর।
সপ্তর্ষি – মরীচি, অত্রি, অঙ্গিরা, পুলহ, পুলস্ত্য, ক্রতু, বশিষ্ঠ।
সুরসপ্তক - স, র, গ, ম, প, ধ, নি।
সপ্তকাণ্ড রামায়ণ - আদি বা বাল, অযোধ্যা, অরণ্য, কিষ্কিন্ধ্যা, সুন্দরা, লঙ্কা বা যুদ্ধ, উত্তরা।
সপ্তরথী - দ্রোণাচার্য, কর্ণ, কৃপাচার্য, অশ্বত্থামা, শকুনি, দুর্যোধন, দুঃশাসন।
অষ্টবসু - ধর, ধ্রুব, সোম, অনল, অনিল, সাবিত্র, প্রথূষ/প্রত্যুষ, প্রভাস।
অষ্টধাতু - স্বর্ণ, রৌপ্য, তাম্র, পিত্তল, কাংস্য, ত্রপু, সীসক, লৌহ।
অষ্টদৃষ্টি – সাচি, আলোকিত, প্রলোকিত, উল্লোকিত, অবলোকিত, নিমীলিত, অনুবৃত্ত ।
অষ্টবজ্র – বিষ্ণু– কেশবায়ুধ, সুদর্শন চক্র, শিব- ত্রিশূল, ব্রহ্মা- অক্ষ, ইন্দ্র- বজ্র, বরুণ- পাশ, যম- দন্ড, কার্তিকেয়- শক্তি, দুর্গা- অসি ।
অষ্টমঙ্গল – ব্রাহ্মণ, গো, অগ্নি, সুবর্ণ, ঘৃত, সূর্য, জল, রাজা ।
অষ্টকাল - প্রাতঃ, পূর্বাহ্ণ, মধ্যাহ্ন, সায়াহ্ন, অপরাহ্ন, প্রদোষ, মধ্যরাত্রি, নিশান্তক।
অষ্টভৈরব - অসিতাঙ্গ, রুরু, চণ্ড, ক্রোধোন্মত্ত, ভয়ংকর, কপালী, ভীষণ, সংহার।
অষ্টকুলাচল (পৌরাণিক) - হিমালয়, মহেন্দ্র, মলয়, সহ্য, শক্তিমান, ঋক্ষ, বিন্ধ্য, পরিপাত্র বা পরিযাত্র।
অষ্টনাগ (পৌরাণিক) - বাসুকি বা ভোগীন্দ্র, তক্ষক, অনন্ত, পদ্ম, মহাপদ্ম, কুলীর, কর্কট, শঙ্খ।
অষ্টসিদ্ধি - অণিমা, লঘিমা, গরিমা, প্রাপ্তি, প্রাকাম্য, ,মহিমা, ঈশিত্ব, বশিত্ব।
অষ্টদিগগজ - ঐরাবত, পুণ্ডরীক, বামন, কুমুদ, অঞ্জন, পুষ্পদন্ত, সার্বভৌম, সুপ্রতীক।
অষ্টনায়িকা - মঙ্গলা, বিজয়া, ভদ্রা, জয়ন্তী, অপরাজিতা, নন্দিনী, নারসিংহী, কৌমারী।
অষ্টধর্ম - সত্য, শৌচ, অহিংসা, অনসূয়া, ক্ষমা, অনৃশংস্য, অকার্পণ্য, সন্তোষ।
নবগ্রহ (পৌরাণিক) - সূর্য, চন্দ্র, মঙ্গল, বুধ, বৃহস্পতি, শুক্র, শনি, রাহু, কেতু।
নবরত্ন -ধন্বন্তরি, ক্ষপণক, অমরসিংহ, শঙ্কু, বেতালভট্ট, ঘটকর্পর, কালিদাস, বরাহমিহির, বররুচি।
নয় অঙ্গুলিমুদ্রা – অঙ্কুশ, অভয়, আবাহনী, বর, শঙ্খ, চক্র, গদা, পদ্ম, ধূপ।
নবদুর্গা - শৈলপুত্রী বা পার্বতী, ব্রহ্মচারিণী, চন্দ্রঘণ্টা, কুষ্মাণ্ডা, স্কন্দমাতা, কাত্যায়নী, কালরাত্রি, মহাগৌরী, সিদ্ধিদা।
নবরস - আদি বা শৃঙ্গার, হাস্য, করুণ, রৌদ্র, বীর, ভয়ানক, বীভৎস, অদ্ভুত, শান্ত।
নব গুণ - আচার, বিনয়, বিদ্যা, প্রতিষ্ঠা, তীর্থদর্শন, নিষ্ঠা, আবৃত্তি, তপ, দান।
নব শাখ - তাঁতি, মালাকার, সদগোপ, নাপিত, বারুই, কামার, কুমোর, তিলি, ময়রা।
নবদ্বার - দুই চক্ষু, দুই কর্ণ, দুই নাসারন্ধ, মুখ, পায়ু, উপস্থ।
নবপত্রিকা - রম্ভা-ব্রাহ্মণী, কচ্চি-কালিকা, হরিদ্রা-দুর্গা, জয়ন্তী-কার্তিকী, বিল্ব-শিবা, দাড়িমী-রক্তদন্তিকা, অশোক শোকহারিণী, মান-চামুণ্ডা, ধান্য-লক্ষ্মী।
দশদিক - পূর্ব, পশ্চিম, উত্তর, দক্ষিণ, ঈশান, অগ্নি, নৈর্ঋত, বায়ু, ঊর্ধ্ব, অধঃ।
দশকর্ম - গর্ভাধান, পুংসবন, সীমন্তোন্নয়ন, জাতকর্ম, নামকরণ, অন্নপ্রাশন, চূড়াকরণ, উপনয়ন, সমাবর্তন, বিবাহ।
দশবল - দান, শীল, ক্ষমা, বীর্য, ধ্যান, যজ্ঞ, বল, উপায়, প্রণিধি, জ্ঞান।
দশদশা (কামজ) - অভিলাষ, চিন্তা, স্মৃতি, গুণকথন, উদ্বেগ, প্রলাপ, উন্মাদ, ব্যাধি, জড়তা, মরণ।
দশদশা (দেহজ) - গর্ভবাস, জন্ম, বাল্য, কৌমার, পৌগণ্ড, যৌবন, স্থাবির্য, জরা, প্রাণরোধ, বিনাশ।
দশ অবতার (বিষ্ণুর) - মৎস্য, কূর্ম, বরাহ, নৃসিংহ, বামন, পরশুরাম, রামচন্দ্র, বলরাম, বুদ্ধ, কল্কি।
দশ মহাবিদ্যা - কালী, তারা, ষোড়শী, ভুবনেশ্বরী, ভৈরবী, ছিন্নমস্তা, ধূমাবতী, বগলা, মাতঙ্গী, কমলা।
দশোপচার - গন্ধ, পুষ্প, ধূপ, দীপ, নৈবেদ্য, পাদ্য, অর্ঘ, আতপচাল, বিল্বপত্র, মধুপর্ক।
একাদশরুদ্র - অজ, একপাদ, অতিব্রধ্ন, পিনাকী, অপরাজিত, ত্র্যম্বক, মহেশ্বর, বৃষাকপি, শম্ভু, হর, ঈশ্বর।
বারো রাশিচক্র - মেষ, বৃষ, মিথুন, কর্কট, সিংহ, কন্যা, তুলা, বৃশ্চিক, ধনু, মকর, কুম্ভ, মীন।
দ্বাদশ মদ্য – পানস, দ্রাক্ষা, মাধুক, খার্জুর, তাল, ঐক্ষব, মাধ্বীক, মৌরেয়, টঙ্ক মাধ্বীক, নারিকেল, মদ্য, সুরা।
চতুর্দশমনু - সায়ম্ভুব, সাবর্ণ, স্বারোচিষ, উত্তম, তামস, রৈবত, চাক্ষুষ, বৈবস্বত, সাবর্ণি, দক্ষসাবর্ণি, ব্রহ্মসাবর্ণি, ধর্মসাবর্ণি, রুদ্রসাবর্ণি, দেবসাবর্ণি, ইন্দ্রসাবর্ণি।
চতুর্দশ ভুবন – সপ্তস্বর্গ (ভূলোক, ভুবর্লোক, স্বলোক, জনলোক, মহর্লোক বা মহোলোক, তপর্লোক, সত্যলোক) ও সপ্তপাতাল (অতল, বিতল, সুতল, তলাতল, মহাতল, রসাতল, পাতাল)।
ষোড়শমাতৃকা - গৌরী, পদ্মা, শচী, মেধা, সাবিত্রী, বিজয়া, জয়া, দেবসেনা, স্বধা, স্বাহা, শান্তি, পুষ্টি, ধৃতি, তুষ্টি, কুলদেবতা, আত্মদেবতা।
ষোড়শপচার - আসন, স্বাগত, আচমনীয়, স্থানীয়, বসন, ভূষণ, গন্ধ, পুষ্প, ধূপ, দীপ, তর্পণ, পাদ্য, অর্ঘ্য, তাম্বূল, মধুপর্ক, নতি।
ষোলকলা - প্রতিপদ, দ্বিতীয়া, তৃতীয়া, চতুর্থী, পঞ্চমী, ষষ্ঠী, সপ্তমী, অষ্টমী, নবমী, দশমী, একাদশী, দ্বাদশী, ত্রয়োদশী, চতুর্দশী, পূর্ণিমা, অমাবস্যা।
অষ্টাদশ পর্ব মহাভারত – আদি, সভা, বন, বিরাট, উদ্যোগ, ভীষ্ম, দ্রোণ, কর্ণ, শল্য, সৌপ্তিক, স্ত্রী, শান্তি, অনুশাসন, আশ্বমেধিক, আশ্রমবাসিক, মৌষল, মহাপ্রস্থানিক, স্বর্গারোহণ ।
অষ্টাদশ পুরাণ – ব্রহ্ম বা আদি, পদ্ম বা দ্বিতীয়, বিষ্ণু, বায়ু, ভাগবত, নারদীয়, মার্কণ্ডেয়, অগ্নি, ভবিষ্য, ব্রহ্মবৈবর্ত, লিঙ্গ, বরাহ, স্কন্দ, বামন, কূর্ম, মৎস্য, গরুড়, ব্রহ্মাণ্ড।
আটাশ তারকাপুঞ্জ – অশ্বিনী বা অশ্বযুক , ভরণী, কৃত্তিকা বা অগ্নিদেবা, রোহিণী, মৃগশিরা, আর্দ্রা, পুর্নবসু, পুষ্যা, অশ্লেষা, মঘা, পূর্বফাল্গুনি, উত্তরফাল্গুনি, ধ্রুবগণ, হস্তা, চিত্রা, স্বাতী, প্রাভঞ্জন, বিশাখা, অনুরাধা, জ্যেষ্ঠা, মূলা, পূর্বাষাঢ়া, উত্তরাষাঢ়া বা শ্রবণা, ধনিষ্ঠা বা ধনবতী, শতভিষা, পূর্বভাদ্রপদ, উত্তরভাদ্রপদ বা অহিবুধ্ন, রেবতি বা অন্তভ।
একান্নপীঠস্থান – হিঙ্গুলা বা হিংলাজ, শর্করার, সুগন্ধা, কাশ্মীর, জ্বালামুখী, জলন্ধর, বৈদ্যনাথ, নেপাল, মানস, উৎকল বা বিরজাক্ষেত্র, গণ্ডকী, বহুলা, উজ্জয়িনী, চট্টল, ত্রিপুরা, ত্রিস্রোতা, কামগিরি বা কামাখ্যা বা প্রাগজ্যোতিষপুর, প্রয়াগ, জয়ন্তী, যুগান্তা, কালীঘাট, কিরীটেশ্বরী, বারাণসী, কন্যাশ্রম, কুরুক্ষেত্র, মণিবন্ধ, শ্রীশৈল, কাঞ্চী, কালমাধব, শোনদেশ, রামগিরি, বৃন্দাবন, শুচি, পঞ্চসাগর, করতোয়াতট, শ্রীপর্বত, বিভাস, প্রভাস, ভৈরবপর্বত, জনস্থল, গোদাবরীতীর, সর্বশৈল, রত্নাবলী, মিথিলা, তারাপীঠ, নলহাটি, কর্নাট, বক্রেশ্বর, যশোর, অট্টহাস, নন্দিপুর, লঙ্কা।
চৌষট্টি কামকলা - সঙ্গীত। বাদ্য। নৃত্য। চিত্রকলা। ভূর্জারি পত্রের তিলক রচনা। দেবমন্দিরে চাল ও ফুলের সাজসজ্জা ও আল্পনা দেওয়া। বাসগৃহে পুষ্পসজ্জা রচনা। দাঁত, বস্ত্র এবং শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ কুঙ্কুমে রাঙানো। গ্রীষ্মকালে পুষ্পশয্যা ও ভূমিকে সাজানো। ঋতু অনুসারে শয্যা সাজান। জল-তরঙ্গ বানানো। জলক্রীড়া, সাঁতার, নিমজ্জমান ব্যাক্তিকে বাঁচানো। মারন, উচাটন, বশীকরণ মন্ত্রাদির প্রয়োগ জানা। পূজন ও শৃঙ্গারের জন্য পুষ্পহার রচনা। পুষ্পের শিরোভূষণ তৈরি করা। দেশ ও যুগের রীতি অনুযায়ী বস্ত্র, ভূষণ এবং পুষ্পমালা পরিধানের বিধি। হাতির দাঁত ও শাঁখের কানের দুল বানানো, কান ও কপাল চন্দন, কুঙ্কুম ও কস্তূরী দিয়ে সুশোভিত করা। নানা প্রকার ধূপধুনা, তেল এবং সুগন্ধি দ্রব্য প্রস্তুত করা। অলঙ্কার তৈরির ও পরার কলাকৌশল। ইন্দ্রজাল। রাগস সৌন্দর্য ইত্যাদি বৃদ্ধি করা। হাত সাফাই। রন্ধন বিদ্যা। মদ, রস, ফলের রসের মদ প্রস্তুতি। সেলাই ফোঁড়াই। বাজিকরের খেলা। বীণা, ডমরু বাজানো। ধাঁধাঁ সমাধান। প্রতিমালা। তর্ক-বিতর্কে কঠিন শব্দ প্রয়োগ। পুস্তক অধ্যয়ন। কাহিনী, নাটক ইত্যাদি শৃঙ্গার রসের জ্ঞান। সমস্যা সমাধান। বেত ও কুশের চেয়ার, আসন, চাটাই বানানো। কোনো বস্তু পরিষ্কার করা, বাড়ানো-কমানো, ধাতু ও কাঠের অপদ্রব্য বানানো। ছুতোর মিস্ত্রির কাজ। বাস্তু বিদ্যা। রত্ন বিচার। ধাতু বিচার। মণি-মাণিক্যের গুণ বিচার ও প্রয়োগ কৌশল। পশুপাখী ধরার কৌশল। ষাঁড়, মুরগি লড়াই। ময়না ইত্যাদি পাখিকে বুলি শেখানো। মালিশ ও কেশ-মর্দন। সাঙ্কেতিক গুপ্তভাষা বলা। সাঙ্কেতিক গুপ্ত ভাষা লেখা ও বোঝা। অন্য প্রদেশের ভাষা জ্ঞান। ফুল দিয়ে রথ সাজানো। শুভাশুভ ভবিষ্যৎ কথন। বায়ু-যান নির্মাণ। স্মরণ শক্তির বিধি। খেলা ও তর্ক বিতর্কের জন্য পড়াশুনা। অন্যের পড়া বিষয় দ্রুত পুনরাবৃত্তি করার ক্ষমতা। কাব্য রচনা। শব্দ জ্ঞান। ছল করার জন্য কণ্ঠস্বর ও পোশাক বদলানো। রসশাস্ত্র ও অলঙ্কার-জ্ঞান। খোলা গুপ্ত অঙ্গ আবৃত করা। জুয়া খেলা। পাসা খেলা। বল, পুতুল ইত্যাদি খেলার জিনিস বানানো। আচার-শাস্ত্র। শাস্ত্র বিদ্যা। ব্যায়াম এবং মৃগয়ার দক্ষতা।
শতকৌরব - ১ অনাধ্রুস্য, ২ অন্তুদরন, ৩ অনুবিন্ধ, ৪ অপরাজিত, ৫ অভয়ান, ৬ অমাপ্রমাধি, ৭ অলৌপন, ৮ অয়বাহু, ৯ আদিত্যকেতু, ১০ উগ্রযুধ, ১১ উগ্রসাই, ১২ উগ্রসেনা, ১৩ উগ্রসর্বাস, ১৪ উপানন্দ, ১৫ উপচিত্র , ১৬ ঊর্ননাভ, ১৭ কাঞ্চনধ্বজ, ১৮ কাবাচি, ১৯ কুনদ্ধাই, ২০ কুন্দসাই, ২১ কুন্দসী, ২২ কুন্দধার, ২৩ কুন্দভেদী, ২৪ ক্রাধান, ২৫ চারুচিত্র, ২৬ চিত্রকুন্দল, ২৭ চিত্রণ, ২৮ চিত্রকুন্ডল, ২৯ চিত্রামগ, ৩০ চিত্রযুধ, ৩১ চিত্রবান, ৩২ চিত্রবর্ম, ৩৩ চিত্রাক্ষ, ৩৪ জরাসন্ধ, ৩৫ জলগন্ধ, ৩৬ যুযুত্সু, ৩৭ দু:মুখ, ৩৮ দু:শকর্ণ, ৩৯ দু:শাশন, ৪০ দু:শপ্রজা, ৪১ দু:শপ্রদর্শ, ৪২ দু:শলন, ৪৩ দু:সহন, ৪৪ দিরখার্ম , ৪৫ দৃধাকর্মাবু, ৪৬ দৃধাক্ষত্র, ৪৭ দৃধাবর্ম, ৪৮ দৃধারথশ্রয়, ৪৯ দৃধাসন্ধ, ৫০ দৃধাহস্ত, ৫১ দুর্যোধন, ৫২ দুর্ধরা, ৫৩ দুর্ধর্ষ, ৫৪ দুরবিজ্ঞ, ৫৫ দুর্বিমোচ, ৫৬ দুর্মদ, ৫৭ দুর্মরশ, ৫৮ ধীর্খবাহু, ৫৯ ধনুধার, ৬০ নাগদাত, ৬১ নিশামগি, ৬২ নন্দ, ৬৩ পাসি, ৬৪ প্রেমাধন, ৬৫ বাতাবেগ, ৬৬ বালকি, ৬৭ বাহায়াসী, ৬৮ বিকাতিনন্দ, ৬৯ বিকর্ণ, ৭০ বিনন্ধন, ৭১ বিবিলসু, ৭২ বিশালাক্ষ, ৭৩ বীরাযশ, ৭৪ বীরাভি, ৭৫ বীরবাহু, ৭৬ বেলাবর্ধন, ৭৭ বৃন্দারকা, ৭৮ ভীমাবিক্র, ৭৯ ভীমবালা, ৮০ ভীমবেগ, ৮১ মাহোদর, ৮২ মহাবাহু, ৮৩ সাথয়া, ৮৪ সেনানী, ৮৫ সুজাত, ৮৬ সত্যসন্ধ, ৮৭ সদাসুবাক, ৮৮ সুনাভ, ৮৯ সুবার্চ, ৯০ সুবাহু, ৯১ সুবীরয়ব, ৯২ সুবর্ম, ৯৩ সমাকীর্তি, ৯৪ সমন, ৯৫ সরাসন, ৯৬ সুলোচন, ৯৭ সলন, ৯৮ সুসেন, ৯৯ সহন, ১০০ সুহস্ত।
© সংগৃহীত
ছবি: রাজা রবি বর্মা ( ইউকিপিডিয়া)
#তত্ত্বদর্শী