Buddhism

Buddhism যারা উচ্চতর জ্ঞান,উচ্চতর সাধনা অনুশী?

07/09/2025

🙏🌸✨
শুভ মধু পূর্ণিমা
মৈত্রী ও করুণার আলো ছড়িয়ে পড়ুক সর্বত্র,
সকল প্রাণী হোক সুখী, হোক শান্তিময়।
জগৎ ভরে উঠুক দয়া, প্রেম ও কল্যাণে।।
🌼🕊️

🥀🥀🥀🙏🙏শুভ আষাঢ়ী পূর্ণিমা বৌদ্ধধর্মে এক পবিত্র, স্মরণীয় এবং গভীর তাৎপর্যময় দিন। এই দিনটি শুধু একটি পূর্ণিমা নয়; এটি বৌদ্ধদ...
10/07/2025

🥀🥀🥀🙏🙏শুভ আষাঢ়ী পূর্ণিমা বৌদ্ধধর্মে এক পবিত্র, স্মরণীয় এবং গভীর তাৎপর্যময় দিন। এই দিনটি শুধু একটি পূর্ণিমা নয়; এটি বৌদ্ধদের জন্য ধর্ম জাগরণের, জ্ঞানের আলোয় আলোকিত হওয়ার এবং আধ্যাত্মিক অগ্রযাত্রার শুভ সূচনা। হাজার বছর আগে, গৌতম বুদ্ধ এই দিনেই তাঁর প্রথম ধর্মদেশনা প্রদান করেন, যা “ধর্মচক্র প্রবর্তন” নামে ইতিহাসে অমর হয়ে আছে। এই ঘটনাই আষাঢ়ী পূর্ণিমাকে বৌদ্ধধর্মে এক অনন্য উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছে।

গৌতম বুদ্ধ বোধিজ্ঞান লাভের পর দীর্ঘ সাত সপ্তাহ ধ্যান ও চিন্তায় নিমগ্ন ছিলেন। তারপর তিনি ভাবলেন, এই মহাজ্ঞান তিনি কাকে প্রদান করবেন, যাঁরা তা বুঝতে সক্ষম হবেন? তাঁর পঞ্চবর্গীয় ভিক্ষুদের কথা মনে পড়ে। কাশীর ইসিপতন মৃগদায় (বর্তমান ভারতের সারনাথ) গিয়ে তিনি পঞ্চ ভিক্ষু—কোণ্ডঞ্ঞ, ভদ্ধিয়, বাস্প, মহানাম ও অস্সজির উদ্দেশ্যে তাঁর প্রথম ধর্মোপদেশ প্রদান করেন। এই দিনটি ছিল আষাঢ় মাসের পূর্ণিমা—সেই থেকে শুরু হয় বৌদ্ধ সংঘ, তথা সংঘের উৎপত্তি।

এই ধর্মচক্র প্রবর্তনের মধ্য দিয়ে তিনি 'অর্য সত্য' বা 'চতুরার্য সত্য' ব্যাখ্যা করেন, যা বৌদ্ধ দর্শনের মূল ভিত্তি। এই সত্য চারটি হলো—জীবনে দুঃখ আছে, দুঃখের কারণ আছে, দুঃখের নিরোধ সম্ভব এবং দুঃখ নিরোধের পথ আছে। এই চতুরার্য সত্য মানবজীবনের বাস্তবতা ও মুক্তির পথ নির্দেশ করে। এই জ্ঞানের বীজ আষাঢ়ী পূর্ণিমা থেকে ছড়িয়ে পড়ে বিশ্বের নানা প্রান্তে, সভ্যতার ইতিহাসে বুদ্ধের ধর্মের বিকাশের এক ঐতিহাসিক সূচনা ঘটে।

আষাঢ়ী পূর্ণিমার আরও একটি তাৎপর্যপূর্ণ দিক হলো—এই দিন থেকেই বর্ষাবাসের সূচনা। তিন মাসব্যাপী বর্ষাকালীন এই সময় ভিক্ষুরা একত্রে থাকেন, ধ্যান, শাস্ত্র অধ্যয়ন এবং আত্মশুদ্ধির মাধ্যমে মনকে পরিশুদ্ধ করেন। এটি আত্মজাগরণের এক সুবর্ণ সময়। তাই আষাঢ়ী পূর্ণিমা শুধু ইতিহাসের একটি দিন নয়, এটি আত্মবিকাশের এক অনন্য আহ্বান।

বাংলাদেশসহ বিশ্বের নানা প্রান্তে বৌদ্ধরা এই দিনটি শ্রদ্ধার সাথে পালন করেন। বিহারে বিহারে হয় পুজা, ধ্যান, বুদ্ধপূজা, প্রদীপ প্রজ্জ্বলন ও ধর্মদেশনা। মানুষের হৃদয়ে আলো ছড়ায় এই দিনের শিক্ষা—সহমর্মিতা, করুণা, শান্তি ও মুক্তির পথ।

এইভাবে আষাঢ়ী পূর্ণিমা হয়ে ওঠে একটি আধ্যাত্মিক উন্মোচনের দিন। এটি স্মরণ করিয়ে দেয় যে, আত্মজ্ঞান লাভ এবং মানবজীবনে শান্তি আনার পথ কখনো হারায় না। বুদ্ধের এই অমূল্য উপদেশ যুগ যুগ ধরে মানুষের হৃদয়ে অনুরণিত হয়েছে এবং হবেই। এই কারণেই আষাঢ়ী পূর্ণিমা!

10/05/2025

অবশেষে বিতর্কিত সেই সিদ্ধান্ত বাতিল হলো | ধন্যবাদ ও সাধুবাদ জানাই
****************************************************************
শুভ বুদ্ধ পূর্ণিমা উপলক্ষে আজ (১০ মে) রামু খিজারী হাই স্কুল মাঠে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে এবং বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির আয়োজনে সাংস্কৃতিক উৎসবের আয়োজন করা হয়েছিল এই খবর অনেকেই জানেন।

কিন্তু শুভ বুদ্ধ পূর্ণিমা উদযাপনের মতো একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠানে ব্যান্ড সংগীত ও শিল্পী মিলার একক গান পরিবেশনার আয়োজন নিয়ে বৌদ্ধদের মাঝে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।

অবশেষে সেই সিদ্ধান্ত এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান বাতিল করেছে কর্তৃপক্ষ।অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির পক্ষ থেকে যিনি এসেছিলেন তিনি বৌদ্ধদের ধর্মীয় আবেগের প্রতি সম্মান জানিয়ে উক্ত বিতর্কিত পর্বটি বাতিল ঘোষনা করেন এবং ধর্মীয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের পরপর অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষনা করেন।

আমি বৌদ্ধ সমাজের পক্ষ থেকে উনার প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।
একই সাথে আগামীতেও এই ধরণের বিতর্কিত সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে আরো সতর্ক ভূমিকা পালন করার আহবান জানাই।

🔵🔵🔵 বোধিসত্ত্বের পঞ্চ মহা অবলোকন=======================================বোধিসত্ত্ব তুষিত স্বর্গে অবস্থান করার সময়েই পৃথিব...
29/01/2025

🔵🔵🔵 বোধিসত্ত্বের পঞ্চ মহা অবলোকন
=======================================

বোধিসত্ত্ব তুষিত স্বর্গে অবস্থান করার সময়েই পৃথিবীতে ‘বুদ্ধ কোলাহল’ দেখা দিয়েছিল। সাধারণত জগতে কল্প-কোলাহল, বুদ্ধ-কোলাহল ও চক্রবর্তী-কোলাহল—এই তিন প্রকারের মহাকোলাহল উৎপন্ন হয়ে থাকে। বুদ্ধ-কোলাহলের শব্দ শুনে দশ হাজার চক্রবালের সব দেবতা একস্থানে একত্রিত হয়ে ‘অমুক সত্ত্ব বুদ্ধ হবেন’ জানতে পেরে সবাই তাঁর কাছে গিয়ে প্রার্থনা করেন। এভাবে কোনো এক সময় প্রত্যেক চক্রবালের দেবতারা তাঁদের নিজ নিজ চক্রবালের চার মহারাজা দেবরাজ ইন্দ্র-সুযাম-তুষিত-পরনির্মিত বশবর্তী ও মহাব্রহ্মাসহ সব চক্রবালের দেবগণ এক চক্রবালে একত্রিত হয়ে তুষিত ভবনে বোধিসত্ত্বের কাছে গিয়ে প্রার্থনা করলেন, ‘বন্ধু, তুমি যে দশ পারমী পূর্ণ করেছ, তা দেবরাজ ইন্দ্রসম্পদ, মারসম্পদ, ব্রহ্মসম্পদ কিংবা চক্রবর্তী সম্পদ লাভের প্রত্যাশায় পূর্ণ করোনি। সংসার থেকে মুক্তির উদ্দেশ্যে সর্বজ্ঞতা প্রার্থনা করেই পূর্ণ করেছ। হে বন্ধু, বুদ্ধত্ব লাভের এখনই সময়।’

দেবতাগণের প্রার্থনার জবাবে সম্মতি দেবার
দেবতাগণের প্রার্থনার জবাবে সম্মতি দেবার আগে বোধিসত্ত্ব কাল বা সময়, দ্বীপ, দেশ, কুল এবং মাতার আয়ুষ্কাল—এ পাঁচটি বিষয় চেয়ে নিলেন।

১. কাল বা সময় : এটা বুদ্ধ হবার উপযুক্ত কাল নাকি অকাল—এই ভেবে প্রথমেই কাল দেখলেন। মানুষের এক লাখ বছরের অধিক আয়ুষ্কালকে যথার্থ কাল বলা যায় না, যেহেতু তখন প্রাণীদের চিত্তে জন্ম-জরা-মৃত্যু ইত্যাদি অনিত্য বিষয়ে ভালোমতো উপলব্ধি হয় না। অথচ বুদ্ধদের ধর্মদেশনা কখনো ত্রিলক্ষণমুক্ত হয় না। তাদের অনিত্য, দুঃখ ও অনাত্ম সম্বন্ধে উপদেশ দিলে তারা ‘ইনি এসব কী বলছেন’ ভেবে তার প্রতি মনোযোগ দেওয়া কিংবা শ্রদ্ধা প্রদর্শন করা কর্তব্য বলেও মনে করে না। ফলে তখন মানুষের পক্ষে ধর্মজ্ঞান লাভ সম্ভব হয় না। তার অভাবে বুদ্ধশাসন মুক্তিদায়ী হয় না। তাই এটা বুদ্ধোৎপত্তির পক্ষে অকাল বলা হয়েছে।
শতবর্ষের কম আয়ুষ্কালও বুদ্ধাবির্ভাবের উপযুক্ত কাল নয়। যেহেতু তখন প্রাণীরা অত্যধিক কলুষপরায়ণ হয়ে থাকে। সেই কলুষিত সত্ত্বদের উদ্দেশে দেওয়া উপদেশ ফলপ্রসূ হয় না। জলের ওপর অঙ্কিত রেখার মতোই তৎক্ষণাৎ মিলিয়ে যায়। তাই তা-ও অকাল বলা হয়েছে। বস্তুত এক লাখ বছর হতে নিচে এবং শত বছর হতে বেশি আয়ুষ্কালকেই যথার্থ কাল বলা হয়। তখন মানুষের আয়ুষ্কাল শতবর্ষ ছিল। অতএব মহাপুরুষ বুঝতে পারলেন যে তাঁর আবির্ভাবের সময়

সংঘদানভগবান বুদ্ধ সংঘদানের ফল সম্বন্ধে বলেছেন-পঠবী সাগরো মেরু খযং যন্তি যুগে যুগে,কপ্পানি সত সহস্সানি সঙ্ঘে দিন্নং ন নস...
29/01/2025

সংঘদান

ভগবান বুদ্ধ সংঘদানের ফল সম্বন্ধে বলেছেন-
পঠবী সাগরো মেরু খযং যন্তি যুগে যুগে,
কপ্পানি সত সহস্সানি সঙ্ঘে দিন্নং ন নস্সতি ।
অনুবাদ:এই মহা পৃথিবীর অনন্ত মৃত্তিকারাশি, চুরাশি হাজার যোজন গভীর মহাসমুদ্র ও সর্বোচ্চ সুমেরু পর্বতও যুগে যুগে ক্ষয় হতে পারে; কিন্তু লক্ষ কল্পেও সংঘদানের ফল নষ্ট হয় না ।

নূন্যকল্পে চারজন ভিক্ষুকে সংঘদান করা যায়। তবে সংঘের আদেশপ্রাপ্ত একজন কিম্বা দুইজন ভিক্ষু ও সংঘদান গ্রহণ করতে পারে।যদি কোন দায়ক বিহারে গিয়ে সংঘ হতে একজন ভিক্ষু প্রার্থনা করেন -বৃদ্ধ হউক, তরুণ হউক, মূর্খ অথবা পন্ডিত হউক সংঘ যে কোন একজন পাঠিয়ে দিলে, তাঁর প্রতি অটল শ্রদ্ধা রাখতে না পারলে সংঘদান সফল হবে না।সুতরাং সংঘ যাঁহাকে মনোনীত করে পাঠাবেন বুদ্ধ প্রশংসিত " শ্রেষ্ঠ পুণ্যক্ষেত্র" সংঘের প্রতি প্রগাঢ় শ্রদ্ধা ও বিশ্বাস রেখে দান করতে পারলে দাতা যথার্থ ফল লাভ করে থাকে ।

তথ্যসূত্র : সদ্ধর্ম শিক্ষা ও বৌদ্ধিক আচার
ভদন্ত বোধিরত্ন ভিক্ষু🙏

29/01/2025
আজ সেই কলংকিত রাতের ১১টা বছর পূর্ণ হলো...!!যে বাংলায় বৌদ্ধরা হাজার হাজার বছর ধরে সুখে-শান্তিতে বাস করে আসছে সেই বাংলায় এ...
19/10/2023

আজ সেই কলংকিত রাতের ১১টা বছর পূর্ণ হলো...!!

যে বাংলায় বৌদ্ধরা হাজার হাজার বছর ধরে সুখে-শান্তিতে বাস করে আসছে সেই বাংলায় একটা মিথ‍্যা-ভিত্তিহীন ফেইসবুক পোষ্ট ও সাম্প্রদায়িক রোষানলের কারণে ২৯ ও ৩০ শে সেপ্টেম্বর ২০১২ সালে বাংলাদেশের (রামু, উখিয়া, পটিয়া) সহ বাংলাদেশের নানা বৌদ্ধ জনপদে উগ্রবাদী দুর্বৃত্তদের হামলার শিকার হয়েছিলো। যা সমগ্র বৌদ্ধদের এক কলঙ্কিত অধ্যায়.....
আজকের ২৯ সেপ্টেম্বর ২০১২ সালে এই রাতেই রাত একটু বাড়তে না বাড়তে, বর্বর সহিংসতাকারী, অসভ্যরা রামুর হাজার বছরের বৌদ্ধ সভ্যতা, ঐতিহ্য, গবেষণা ও সংস্কৃতির ধারক বৌদ্ধ বিহার সহ নিরীহ বৌদ্ধদের ঘরবাড়ী‌ ধ্বংস, নির্যাতন, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ চালিয়েছিল।
সেদিন বৌদ্ধরা ছিলো চরম নিরূপায়, এবং স্থানীয় নেতৃবৃন্দের ভূমিকা ছিলো চরম প্রশ্নবিদ্ধ ও লজ্জ্বাজনক।

যাইহোক বৌদ্ধরা সেই রাতের ভয়াবহতা আজ ভুলেনি, ও কখনো তা ভোলার মতো নয়, তবু তারা বাঁচতে সুখে-শান্তিতে নিজ জন্মভূমির মাতৃভূমিতে।

জগতের সকল প্রাণী সুখী হোক, দুঃখ হতে মুক্তি লাভ করুক, সকল প্রাণী প্রজ্ঞাবান হোক।

Today marks 11 years of that tainted night...!!

In Bengal, where Buddhists have been living happily for thousands of years, due to a baseless Facebook post and communal fervor, various Buddhist towns in Bangladesh (Ramu, Ukhia, Patia) were attacked by extremist miscreants on September 29 and 30, 2012. . Which is a tainted section of the entire Buddhists.....
Today, 29 September 2012, on this very night, barbaric violence, barbarians destroyed, tortured, looted and set fire to the houses of innocent Buddhists, including the Buddhist monastery of Ramu, which holds thousands of years of Buddhist civilization, tradition, research and culture.
At that time, the Buddhists were in extreme poverty, and the role of the local leaders was highly questionable and shameful.

However, the Buddhists have not forgotten the horror of that night, and will never forget it, yet they live happily and peacefully in their native motherland.

May all beings in the world be happy, may they be freed from suffering, may all beings be wise.

04/10/2023

ভগবান বুদ্ধ ত্রিলোকজ্ঞান সম্পন্ন🙏
তিনিই শ্রেষ্ঠ🙏
তির্যক প্রাণী হতে শুরু করে জগতের সকল দেবতাগণ তার শরনাপন্ন হয়ে নির্বাণ হেতু উৎপন্ন করেছেন 🙏
💗 বৌদ্ধধর্ম হলো শ্রেষ্ঠ ধর্ম 💗

সাধু সাধু সাধু!

"শুভ মধুপূর্ণিমা " মধু পূর্ণিমা বৌদ্ধদের অন্যতম একটি ধর্মীয় উৎসব। এ দিনটি বৌদ্ধ ইতিহাসে একটি ঐতিহাসিক ও তাৎপর্যময় দিন।...
28/09/2023

"শুভ মধুপূর্ণিমা "

মধু পূর্ণিমা বৌদ্ধদের অন্যতম একটি ধর্মীয় উৎসব। এ দিনটি বৌদ্ধ ইতিহাসে একটি ঐতিহাসিক ও তাৎপর্যময় দিন। ভাদ্র মাসের পূর্ণিমা তিথিতে এ উৎসব পালন করা হয়।
তথাগত বুদ্ধ কোশাম্বীতে ভিক্ষু-সংঘসহ অবস্থান করার সময় বিনয়ধর পন্থী ভিক্ষু ও সূত্রধর পন্থী ভিক্ষুর মধ্যে বিনয় সম্পর্কিত একটি বিষয় নিয়ে বিতর্কের সৃষ্টি হয়। এ বিষয় নিয়ে উভয় পন্থী ভিক্ষুদের মধ্যে মতদ্বৈততা চরম আকার ধারণ করলে তথাগত বুদ্ধ তাদের বিবাদ মীমাংসা করার প্রচেষ্টা করেন। কিন্তু উভয় পক্ষ তাদের স্ব স্ব মতের পক্ষে অবস্থান গ্রহণ করেন; ফলে বিবাদ মীমাসা করা সম্ভব না হওয়ায় বুদ্ধ কোশাম্বী ত্যাগ করে পারিলেয়্য নামক বনে গমন করেন এবং দশম বর্ষাবাস সেখানে পালন করেন। পারিলেয়্য বনে বর্ষা যাপন কালে একটি একাচারী হাতি প্রতিদিন বুদ্ধের সেবা করত; বনের ফল সংগ্রহ করে বুদ্ধকে দান করত। এ সময় বনের একটি বনর হস্তীরাজ কর্তৃক বুদ্ধকে সেবা করতে দেখে তারও বুদ্ধকে পূজা করার ইচ্ছা জাগে। ভাদ্র পূর্ণিমাতে সে একটি মৌচাক সংগ্রহ করে বুদ্ধকে দান করেন। মৌচাকে মৌমাছির ছানা ও ডিম থাকায় বুদ্ধ প্রথমে মধু পান করলেন না।বানর তা বুঝতে পেরে মৌচাকটি নিয়ে ছানা ও ডিম পরিষ্কার করে পুনরায় বুদ্ধকে দান করলে এবার বুদ্ধ মধু পান করেন।মধুপান করতে দেখে বানর খুশিতে, আনন্দে আত্মহারা হয়ে বৃক্ষ শাখা হতে বৃক্ষশাখায় লাফাতে লাগল। হঠাৎ অসাবধানতাবশতঃ বৃক্ষের শাখা ভেঙ্গে বানর মাটিতে পড়ে গাছের গোড়ায় আঘাত প্রাপ্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করল। বুদ্ধকে মধুদান এবং বুদ্ধের প্রতি প্রসন্নচিত্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করার পর বানর তাবতিংস স্বর্গে ত্রিশ যোজন বিস্তৃত কনক বিমান ও সহস্র অপ্সরা লাভ করল। পারিলেয়া বনে হস্তিরাজ কর্তৃক ভগবান বুদ্ধের সেবাপ্রাপ্তি ও বানরের মধুদানের কারণে এ দিনটি বৌদ্ধদের কাছে স্মরণীয় ও আনন্দ-উৎসবমুখর পুণ্যময় একটি দিন।
এ দিনটি উপলক্ষে বৌদ্ধ সম্প্রদায় বুদ্ধ পূজা, সীবলী পূজা, শীল গ্রহণ, সংঘদান, মধু ও ভেষজ দান, বাতি প্রজ্বলন, ভিক্ষু সংঘকে পিণ্ডদানসহ নানা ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতার মধ্য দিয়ে পুন্যকর্ম সম্পাদন করে থাকে।

আজকের এই পুন্যময় দিনে সকলকে জানাই মধুপূর্নিমার মৈত্রীময় শুভেচ্ছা,
শুভকামনা।
প্রত্যেক মানবের অন্তরে প্রজ্ঞার চেতনা জাগ্রত হোক,
জগতের সকল প্রাণী সুখী হোক অন্তিমে দুঃখ মুক্তি লাভ করুক ।

সাধু সাধু সাধু 🙏🙏🙏

26/08/2023

অষ্টশীল গ্রহনের নিয়ম

প্রথমে বুদ্ধ বন্দনা
বুদ্ধং বন্দামি, ধম্মং বন্দামি, সঙ্ঘং বন্দামি।
দুতিয়ম্পি- বুদ্ধং বন্দামি, ধম্মং বন্দামি, সঙ্ঘং বন্দামি।
ততিয়ম্পি- বুদ্ধং বন্দামি, ধম্মং বন্দামি, সঙ্ঘং বন্দামি।

এর পর ভিক্ষু বন্দনা
ওকাস বন্দামি ভন্তে দ্বারত্তযেন কতং সব্বং অপরাধং খমতু মে ভন্তে।
দুতিয়ম্পি- ওকাস বন্দামি ভন্তে দ্বারত্তযেন কতং সব্বং অপরাধং খমতু মে ভন্তে।
ততিয়ম্পি – ওকাস বন্দামি ভন্তে দ্বারত্তযেন কতং সব্বং অপরাধং খমতু মে ভন্তে।

এরপর পঞ্চশীল প্রার্থনা
ওকাস অহং ভন্তে ত্রিসরণেন সহ অষ্টাঙ্গ সমন্নগতং উপসথোসীলং ধম্মং যাচামি অনু¹হং কত্বা সীলং দেথ মে ভন্তে।
দুতিয়ম্পি- ওকাস অহং ভন্তে ত্রিসরণেন সহ অষ্টাঙ্গ সমন্নগতং উপসথোসীলং ধম্মং যাচামি অনু¹হং কত্বা সীলং দেথ মে ভন্তে।
ততিয়ম্পি- ওকাস অহং ভন্তে ত্রিসরণেন সহ অষ্টাঙ্গ সমন্নগতং উপসথোসীলং ধম্মং যাচামি অনু¹হং কত্বা সীলং দেথ মে ভন্তে।

এরপর ভিক্ষু বলবেন
ভিক্ষু- যমহং বদামি তং বদেথা ( একজন হলে বদেহি)
গৃহী- আম ভন্তে।
ভিক্ষু- নমোতস্স ভগবতো অরহতো সম্মাসম্বুদ্ধস্স।
গৃহী- নমোতস্স ভগবতো অরহতো সম্মাসম্বুদ্ধস্স। (তিনবার)

এরপর ত্রিশরণ ভিক্ষুর সাথে সাথে বলতে হবে
বুদ্ধ সরণং গচ্ছামি,
ধম্মং সরণ গচ্ছামি,
সঙ্ঘং সরণং গচ্ছামি ।
দুতিযম্পি- বুদ্ধ সরণং গচ্ছামি,
দুতিযম্পি- ধম্মং সরণ গচ্ছামি,
দুতিযম্পি- সঙ্ঘং সরণং গচ্ছামি ।
ততিয়ম্পি- বুদ্ধ সরণং গচ্ছামি,
ততিয়ম্পি- ধম্মং সরণ গচ্ছামি,
ততিয়ম্পি- সঙ্ঘং সরণং গচ্ছামি ।

ভিক্ষু- তিসরণ গমনং সম্পন্নং।
গৃহী- আম ভন্তে।

১.পানাতি পাতা বেরমণী সিক্খাপদং সমাদিয়ামি।
২.আদিন্নদানা বেরমণী সিক্খাপদং সমাদিয়ামি।
৩.অব্রহ্ম চরিয়া বেরমণী সিক্খাপদং সমাদিয়ামি।
৪.মুসাবদাবেরমণী সিক্খাপদং সমাদিয়ামি।
৫.সুরা মেরেয় মজ্জ পমাদট্ঠানা বেরমণী সিক্খাপদং সমাদিয়ামি।
৬.বিকাল ভোজনা বেরমণী সিক্খাপদং সমাদিয়ামি।
৭.নাচ্ছা গীতা বাদিতা বিপুলদ্চছানা,মালাগাদ্দা বিলেপানা ধারণা মন্দনা বেরমণী সিক্খাপদং সমাদিয়ামি।
৮.উচ্চ শয়না,মহাশয়না বেরমণী সিক্খাপদং সমাদিয়ামি।
ভিক্ষু- সাধু, সাধু, সাধু, ইমং তিসরণেন সহ পঞ্চসীলং ধম্মং সাধুকং সুরক্খিতং কত্বা অপ্পমাদেন সীলং সম্পাদেথ🙏🙏🙏

Address

Chittagong

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Buddhism posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share