ইসলামের আলো

ইসলামের আলো Religious organisation

রহমতে আলম,নূরে মুজাস্সাম,রাসূলে আকরাম صَلَّی اللّٰہُ  تَعَالٰی عَلَیْہِ  وَاٰلِہٖ وَسَلَّم ইরশাদ করেছেন:যে (ব্যক্তি) কিত...
09/04/2026

রহমতে আলম,নূরে মুজাস্সাম,রাসূলে আকরাম صَلَّی اللّٰہُ تَعَالٰی عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم ইরশাদ করেছেন:যে (ব্যক্তি) কিতাবে আমার উপর দরূদ পাক লিখেছে,যতক্ষণ পর্যন্ত আমার নাম তাতে থাকবে,ফিরিশতারা তার জন্য ইস্তিগফার (অর্থাৎ- ক্ষমা প্রার্থনা) করতে থাকবে।
(মুজাম আওসাত,১ম খন্ড, ৪৯৭ পৃষ্ঠা, হাদীস-১৮৩৫)

 #সর্বশ্রেষ্ঠ  #কে?>>>>>>>>>>>>এই বিষয়ে আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাত একমত যে, নবীগণের পর সর্বশ্রেষ্ঠ মানুষ হলেন হযরত আবু বকর ...
04/02/2021

#সর্বশ্রেষ্ঠ #কে?
>>>>>>>>>>>>
এই বিষয়ে আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাত একমত যে, নবীগণের পর সর্বশ্রেষ্ঠ মানুষ হলেন
হযরত আবু বকর সিদ্দীক رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ , তারপর
হযরত ওমর رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ এরপর
হযরত ওসমান رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ , অত:পর
হযরত আলী رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ , তাঁদের পরে
শ্রেষ্ঠ হলেন আশারায়ে মুবাশ্শারাগণ, এরপর বদর-যোদ্ধাগণ, অত:পর উহুদ-যোদ্ধাগণ, এরপর বাইয়াতে রিদ্বওয়ানে অংশগ্রহণকারীগণ, অত:পর শ্রেষ্ঠ হলেন সমস্ত সাহাবায়ে কিরাম عَلَيْهِمُ الرِّضْوَان ।‘ এই ঐকমত্যের বর্ণনা আবু মনসুর বাগদাদী رَحْمَةُ اللهِ تَعَالٰى عَلَيْهِ বলেন: ইবনে আসাকির رَحْمَةُ اللهِ تَعَالٰى عَلَيْهِ হযরত ইবনে ওমর رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: ‘রাসুলে পাক صَلَّی اللّٰہُ تَعَالٰی عَلَیْهِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم আমাদের মাঝে উপস্থিত থাকা অবস্থায়ও আমরা আবু বকর, ওমর رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ , ওসমান ও আলীকে শ্রেষ্ঠত্বের মর্যাদা দিতাম।’
(ইবনে আসাকির, খন্ড : ৩০, পৃষ্ঠা : ৩৪৬)

ইমাম আহমদ رَحْمَةُ اللهِ تَعَالٰى عَلَيْهِ বর্ণনা করেন, হযরত আলী رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ মুরতাদ্বা رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ বলেন: নবী করীম صَلَّی اللّٰہُ تَعَالٰی عَلَیْهِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم এর পরে এই উম্মতের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ হচ্ছে হযরত আবু বকর ও হযরত ওমর رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ
(ইবনে আসাকির, খন্ড : ৩০, পৃষ্ঠা : ৩৫১)

যাহবী رَحْمَةُ اللهِ تَعَالٰى عَلَيْهِ বলেন, এ বর্ণনাটি হযরত আলী رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ থেকে মুতাওয়াতির রেওয়ায়ত।
(তারিখুল খুলাফা লিস সুয়ূতী, পৃষ্ঠা : ৩৪)

সুবহানাল্লাহ প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (সঃ) এর কদম(পদচারণা) মোবারক। 💚
15/10/2020

সুবহানাল্লাহ প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (সঃ) এর কদম(পদচারণা) মোবারক। 💚

 #মাইজভান্ডার_দরবার_শরীফ জেয়ারত করলেন আল্লামা মূফতী আলাউদ্দিন জিহাদী আল্লামা সৈয়্যদ হাসান আজহারী মুফতি আব্দুল মুস্তফা রহ...
06/10/2020

#মাইজভান্ডার_দরবার_শরীফ জেয়ারত করলেন আল্লামা মূফতী আলাউদ্দিন জিহাদী আল্লামা সৈয়্যদ হাসান আজহারী মুফতি আব্দুল মুস্তফা রহিম আল আজহারী সহ আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাত এর এক ঝাঁক তরুণ আলেম।

 াফ্ফারা_সংক্রান্ত_মাদানী_ফুল_পর্ব_১>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>কথায় কথায় কসম করা উচিত নয় !(১) কসম করা জায়েয। ...
18/09/2020

াফ্ফারা_সংক্রান্ত_মাদানী_ফুল_পর্ব_১
>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>
কথায় কথায় কসম করা উচিত নয় !
(১) কসম করা জায়েয। কিন্তু যতটুকু সম্ভব কম করা উত্তম। কথায় কথায় কসম করা উচিত নয়। কেউ কেউ তো কসমকে কথার অংশ বানিয়ে ফেলেছে। (অর্থাৎ কথার ফাঁকে ফাঁকে কসম করা তাদের অভ্যাসে পরিণত হয়ে গেছে)। ইচ্ছায় বা অনিচ্ছায় তাদের মুখ হতে কসম বের হতেই থাকে। সে এতটুকু খেয়ালও করে না যে, তার কথাটা কি সত্য না মিথ্যা। এ খুবই দোষণীয় বিষয়, আর আল্লাহ তা‘আলা ব্যতীত অন্য কোন নামে কসম করা মাকরূহ্। শরীয়াতের দৃষ্টিতে তা কসমও না। অর্থাৎ এ ধরনের কসম ভঙ্গ করাতে কাফ্ফারাও দিতে হয় না।

ভুলে কসম করে ফেলল তবে?
(২) ভুলবশতঃ কসম করে বসল, যেমন: বলতে চেয়েছিল, ‘পানি নাও, পানি পান করব।’ কিন্তু অসাবধানতা বশতঃ ভুলে তার মুখ দিয়ে বের হয়ে গেল, ‘আল্লাহর কসম! আমি পানি পান করব না।’ এমতাবস্থায় এটিও কসমই হয়ে গেল। ভঙ্গ করলে কাফ্ফারা দিতে হবে।
(বাহারে শরীয়াত, ২য় খন্ড, ৩০০ পৃষ্ঠা)
(৩) কসম কেউ নিজে থেকে ভঙ্গ করুক, কিংবা কারো চাপের মুখে, ইচ্ছাকৃত ভাঙ্গুক বা অনিচ্ছায় বা ভুলে, সর্বাবস্থায় কাফ্ফারা দিতে হবে। বরং বেহুশি বা মাতাল অবস্থাতেও যদি কসম ভঙ্গ করে তবে কাফ্ফারা ওয়াজিব হবে, যখন সে হুশ অবস্থায় কসম খেয়ে থাকে আর যদি বে-হুশ অবস্থায়, পাগল অবস্থায় কসম খেয়ে থাকলে কসম হবে না, কারণ! কসমে আকল (বুদ্ধি) বিদ্যমান থাকা শর্ত, আর সে বুদ্ধিমান নয়।
(তাবঈনুল হাকায়িক, ৩য় খন্ড, ৪২৩ পৃষ্ঠা)

 #কসমের  #কাফ্ফারা >>>>>>>>>>>>>>>>>>দা’ওয়াতে ইসলামীর প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান মাকতাবাতুল মদীনা কর্তৃক প্রকাশিত অনুদিত পবিত্র...
14/09/2020

#কসমের #কাফ্ফারা
>>>>>>>>>>>>>>>>>>
দা’ওয়াতে ইসলামীর প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান মাকতাবাতুল মদীনা কর্তৃক প্রকাশিত অনুদিত পবিত্র কুরআন ‘খাযায়িনুল ইরফান সম্বলিত কানযুল ঈমান’ এর ২৩৫ পৃষ্ঠায় ৭ম পারার সূরা মায়িদার ৮৯ নম্বর আয়াতে আল্লাহ্ তা‘আলা ইরশাদ করেছেন: কানযুল ঈমান থেকে অনুবাদ: “আল্লাহ তোমাদেরকে তোমাদের ভুল শপথের কারণে পাকড়াও করবেন না, অবশ্য সেসব শপথের জন্য তোমাদের পাকড়াও করবেন, যেগুলো তোমরা সুদৃঢ় করেছ; এমন শপথের কাফ্ফারা হল
দশজন মিসকিনকে আহার করানো,নিজের পরিবারের লোকদের যা আহার করাও তার মধ্যম মানের অথবা তাদের কাপড় দান করা কিংবা একজন গোলাম আযাদ করা। যে ব্যক্তি এসবে সক্ষমতা রাখে না সে তিন দিনের রোযা রেখে দেবে। এ হল তোমরা যখন কসম করবে তোমাদের শপথসমূহের কাফ্ফারা এবং নিজের শপথসমূহ রক্ষা করো।
এভাবে আল্লাহ্ তা‘আলা তোমাদেরকে নিজের নিদর্শনগুলো বিশদভাবে বর্ণনা করেন,যেন তোমরা কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করো।
(পারা: ৭, সূরা: আল মায়িদা, আয়াত: ৮৯)

♠কবরে ভীতি প্রদর্শণকারী বস্তু সমূহ ♠***********************************রাতের ঘোর অন্ধকারে যারা ভয় পায়, বিড়ালের মিউ মিউ শ...
09/09/2020

♠কবরে ভীতি প্রদর্শণকারী বস্তু সমূহ ♠
***********************************
রাতের ঘোর অন্ধকারে যারা ভয় পায়, বিড়ালের মিউ মিউ শব্দ শুনে যারা চমকে উঠে, কুকুরের ঘেউ ঘেউ শব্দ শুনে রাস্তা পরিবর্তনকারী, সাপ ও বিচ্ছুর শুধুমাত্র নাম শুনেই যারা থরথর করে কেঁপে উঠে, দূর থেকে প্রজ্জ্বলিত আগুন দেখে ভীত-সন্ত্রস্তকারী বরং শুধুমাত্র আগুনের ধোঁয়া দেখেও যারা অস্থির হয়ে যায়, তাদের জন্য চিন্তার বিষয় যে, হযরত সায়্যিদুনা আল্লামা জালালউদ্দিন সূয়ুতী শাফেয়ী رَحْمَةُ اللهِ تَعَالٰى عَلَيْهِ “শরহুস সূদুর” নামক কিতাবে উল্লেখ করেন: “যখন মানুষ কবরে প্রবেশ করে, তখন তাকে ভীতি প্রদর্শন করার জন্য ঐসব বস্তু তার কবরে চলে আসে, যেগুলোকে সে দুনিয়াতে ভয় করতো। অথচ আল্লাহ্ তাআলাকে ভয় করতো না।
”(শরহুস সূদুর, ১১২ পৃষ্ঠা)

আল্লাহ্ তাআলাকে ভয়কারী ব্যক্তি কি গুনাহ করতে পারে?
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
~~~~~~~~~~~~
প্রিয় ইসলামী ভাই ও বোনেরা! আল্লাহ্ তাআলাকে ভয়কারী ব্যক্তি কি কখনো নামায-রোযা কাযা করতে পারেন? এবং যাকাত আদায়ে অলসতা প্রদর্শণ করতে পারেন? আল্লাহ্ তাআলাকে ভয়কারী ব্যক্তি কি বিক্রিতে মাল পরিমাণে কম দিতে পারেন? হারাম জীবিকা উপার্জন করতে পারেন?সূদ-ঘুষের লেনদেন করতে পারেন? আল্লাহ্ তাআলাকে ভয়কারী ব্যক্তির জন্য দাঁড়ি মুন্ডন করা কিংবা এক মুষ্টি থেকে ছোট করা কি শোভা পায়? দাঁড়ি মুন্ডন করা বা এক মুষ্টি থেকে ছোট করা উভয়ই হারাম। আল্লাহ্ তাআলাকে ভয়কারী ব্যক্তি কি টিভি, ভিসিআর ও ইন্টারনেটে সিনেমা, নাটক ইত্যাদি দেখতে পারেন? এবং গান-বাজনা শুনতে পারেন? আল্লাহ্ তাআলাকে ভয়কারী ব্যক্তি কি কখনো পিতা-মাতা, ভাই-বোন, আত্মীয়-স্বজন এবং সাধারণ মুসলমানদের মনে কষ্ট দিতে পারেন? আল্লাহ্ তাআলাকে ভয়কারী ব্যক্তি কি অশ্লীল ভাষায় গালাগালি, মিথ্যা, গীবত, চোগলখোরী, ওয়াদা ভঙ্গ, কুদৃষ্টি, নির্লজ্জতা, বেহায়াপনা, উলঙ্গপনা ইত্যাদি ইত্যাদি পাপে লিপ্ত হতে পারেন? আল্লাহ্ তাআলাকে ভয়কারী ব্যক্তি কি চুরি, ডাকাতি, লুটতরাজ, হত্যা, সন্ত্রাস ইত্যাদি বিভিন্ন ধরণের গর্হিত কাজ সমূহ সম্পাদন করতে পারেন? এরূপ বিভিন্ন রকমের পাপ কাজে সর্বদা লিপ্ত ব্যক্তিগণ! পুনরায় আরেকবার কান পেতে শুনুন: “যখন মানুষ কবরে প্রবেশ করবে, তখন তাকে ভীতি প্রদর্শণ করার জন্য ঐ সব বস্তু তার কবরে চলে আসে, যেগুলোকে সে দুনিয়াতে ভয় করতো। অথচ আল্লাহ্ তাআলাকে ভয় করতো না।”
(শরহুস সূদুর, ১১২ পৃষ্ঠা)

♠নেক্কারদের জন্য শুভ সংবাদ!♠`````````````````````````````````````````````Tahmina Akhter Qadriya>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>প্রিয়...
03/09/2020

♠নেক্কারদের জন্য শুভ সংবাদ!♠
`````````````````````````````````````````````
Tahmina Akhter Qadriya
>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>
প্রিয় ইসলামী ভাই ও বোনেরা! উপরোক্ত হাদীস শরীফের উপর একটু গভীরভাবে চিন্তা করে দেখুন! যখনই কোন (ব্যক্তি) কবরবাসী হয়ে যায়, সে নেককার হোক কিংবা গুনাহগার, তাকে কবরে ভীতি প্রদর্শন করা হয়। নেক্কারগন, ফয়যানে সুন্নাতের দরস দাতাগণ! এলাকায়ী দাওরা বরায়ে নেকীর দাওয়াতে অংশগ্রহণকারীগণ! নিজ সন্তানদেরকে সুন্নাত মোতাবেক লালন-পালন কারীগণ! এবং সুন্নাত শিক্ষাদানের জন্য ইনফিরাদি কৌশিশকারীগণের জন্য সুসংবাদ এই হবে যে, কবরে একটি অদৃশ্য আওয়াজ সৎকাজের আদেশ দাতা ও মন্দ কাজে নিষেধকারীদেরকে সাহায্য-সহযোগীতা করবে এবং এভাবে কবর তাদের জন্য বাগানে পরিণত হবে।

তুমহে এ্যয় মুবাল্লিগ ইয়ে মেরী দোয়া হে,
কিয়ে যাও তেয় তুম তরক্কি কা যিইনা।
صَلُّوا عَلَى الحَبِيب ! صَلَّى اللهُ تَعَالَى عَلى مُحَمَّد

আমার সন্তান সন্ততিরা কোথায়!
স্মরণ রাখুন! কবরের মধ্যে শুধুমাত্র আপনার আমলই যাবে। সুউচ্চ দালান, আলীশান মহল, ধন-সম্পদ, ব্যাংকে সঞ্চিত অর্থ, ব্যবসা-বাণিজ্য, বড় বড় ফ্ল্যাট, শষ্য শ্যামল ক্ষেত-খামার এবং মনোরম বাগান এসব কিছু আপনার সাথে কবরে যাবে না। হযরত সায়্যিদুনা আ’তা বিন ইয়াসার رَحْمَةُ اللهِ تَعَالٰى عَلَيْهِ বলেন: যখন মৃত ব্যক্তিকে কবরে শায়িত করা হয়,তখন সর্বপ্রথম তার আমল সমূহ এসে তার বাম রানে নাড়া দেয় এবং বলে: আমি তোমার আমল। সে মৃত ব্যক্তি জিজ্ঞাসা করে: আমার সন্তান-সন্ততি কোথায়? আমার নেয়ামত সমূহ, আমার ধন-সম্পদ কোথায়? তখন উত্তরে আমল বলে: এ সবকিছু তোমার পিছনে (অর্থাৎ দুনিয়াতে) রয়ে গেছে।আমি ব্যতীত তোমার কবরে আর কেউ আসেনি। (শরহুস সূদুর, ১১১ পৃষ্ঠা)

বর্শা বিদ্ধ মস্তক মোবারকের কুরআন তিলাওয়াত—————————————————————————হযরত সায়্যিদুনা যায়েদ বিন আরকাম رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى ...
02/09/2020

বর্শা বিদ্ধ মস্তক মোবারকের কুরআন তিলাওয়াত
—————————————————————————
হযরত সায়্যিদুনা যায়েদ বিন আরকাম رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ বর্ণনা করেন: যখন ইয়াজিদীরা হযরত ইমামে আলী মকাম সায়্যিদুনা ইমাম হোসাইন رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ এর শির মোবারক বর্শার অগ্রভাগে বিদ্ধ করে কুফার অলিগলিতে ঘুরে ঘুরে আনন্দ করছিল তখন আমি আমার ঘরের বালাখানাতে ছিলাম। যখন মস্তক মোবারক আমার সামনে দিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল, তখন আমি শুনতে পেয়েছিলাম, মস্তক মোবারক সূরা আল্ কাহাফের ৯ নং আয়াতটি তিলাওয়াত করছেন:
أَمْ حَسِبْتَ أَنَّ أَصْحَابَ الْكَهْفِ وَالرَّقِيمِ كَانُوا مِنْ آيَاتِنَا عَجَبًا

#কানযুল ঈমান থেকে অনুবাদ:“আপনি কি অবগত হয়েছেন যে, পাহাড়ের গুহা এবং অরণ্যের পাশে অবস্থানকারীরা আমার এক বিস্ময়কর নিদর্শন ছিলো।
(সূরা- কাহাফ, পারা- ১৫, আয়াত- ৯) (শাওয়াহেদুন নবুওয়াত, ২৩১ পৃষ্ঠা)

অপর এক বুযুর্গ বর্ণনা করেন: যখন ইয়াজিদীরা মস্তক মোবারক বর্শা থেকে নামিয়ে হতভাগা ইবনে যিয়াদের শাহী মহলে ঢুকল, তখন তাঁর পবিত্র ওষ্ঠদ্বয় নড়তে দেখা গেল এবং তাঁর পবিত্র জবান মোবারক দ্বারা সূরায়ে ইব্রাহীমের ৪২ নং আয়াতটি তিলাওয়াত করতে শুনা গেল:
وَلَا تَحْسَبَنَّ اللَّهَ غَافِلًا عَمَّا يَعْمَلُ الظَّالِمُونَ
কানযুল ঈমান থেকে অনুবাদ:“এবং নিশ্চয় আল্লাহকে অনবহিত মনে করো না, যালিমদের কার্যকলাপ সম্পর্কে।
(সূরা ইব্রাহিম,পারা-১৩, আয়াত-৪২) (রাওজাতুশ শোহদা মুতারজাম, ২য় খন্ড, পৃষ্ঠা ৩৮৫)

ইবাদত হো তো এইছি হো, তিলাওয়াত হো তো এইছি হো
ছরে সাব্বির তো নে-জে পে বি কুরআঁ ছুনাথা হে।

صَلُّوا عَلَى الحَبِيب ! صَلَّى اللهُ تَعَالَى عَلى مُحَمَّد

মিনহাল বিন আমর رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ বর্ণনা করেন: খোদার কসম! আমি স্বচক্ষে দেখেছি, যখন লোকেরা ইমাম হোসাইন رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ এর শির মোবারক বর্শার অগ্রভাগে বিদ্ধ করে নিয়ে যাচ্ছিল তখন আমি দামেস্কে ছিলাম। শির মোবারকের সামনে এক ব্যক্তি সুরাতুল কাহাফ তিলাওয়াত করছিল। যখন সে সূরা কাহাফের ১৫ পারার ৯নং আয়াতে পৌঁছল;
أَنَّ أَصْحَابَ الْكَهْفِ وَالرَّقِيمِ كَانُوا مِنْ آيَاتِنَا عَجَبًا

কানযুল ঈমান থেকে অনুবাদ: পাহাড়ের গুহা এবং অরণ্যের পাশে অবস্থানকারীরা আমার এক বিস্ময়কর নিদর্শন ছিলো।
(সূরা- কাহাফ,পারা- ১৫, আয়াত- ৯)

তখন আল্লাহ্ তাআলা সে মস্তক মোবারককে কথা বলার শক্তি প্রদান করলেন। মস্তক মোবারক বলতে লাগল:

اَعْجَبُ مِنْ اَصْحَابِ الكَهْفِ قَتْلِى وَحَمْلِى

#অর্থাৎ- “আসহাবে কাহাফের হত্যার ঘটনার চেয়েও আমার হত্যা ও আমার মস্তক নিয়ে ঘোরাফেরা করা আরো অধিক বিস্ময়কর।
(শরহুস সুদূর, ২১২ পৃষ্ঠা)

♠কবরের হুংকার ♠~~~~~~~~~~~~Tahmina Akhter Qadriya
31/08/2020

♠কবরের হুংকার ♠
~~~~~~~~~~~~
Tahmina Akhter Qadriya

Address

Chittagong

Telephone

+8801675894841

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ইসলামের আলো posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share