আল্লাহ-জাল্লাহজালালু

আল্লাহ-জাল্লাহজালালু Allah Jalla Jala Luhu..

☆আসসালামু আলাইকুম☆

আনুরোধ রইলোএই পেইজে
একটা লাইক দিন ।
আপনার একটা লাইকের জন্য
ইসলাম প্রচার বাড়তে থাকবে ।

06/07/2024
29/01/2019

জেনে নিন নিজ স্ত্রীর সঙ্গে আর নিজের স্বামীর সাথে কিভাবে যিনা হয়!
হাদিসে ইরশাদ হয়েছে- কেয়ামতের পূর্বে মানুষ তার স্ত্রীর আর স্ত্রী তার স্বামীর সাথে যিনা-ব্যভিচার করবে।

কীভাবে স্বামী তার স্ত্রীর সাথে যিনা করবে?

এটা কী করে সম্ভব?

আশ্চর্য! , হাঁ, এটা সম্ভব! এর কয়েক সুরত হতে পারে!
(১) এক হলো স্বামী স্ত্রী উভয়ের কেউ কুফুরি কথা বলেছে, অথচ সে জানেই না যে, কুফুরি কথা বলেছে। নির্মম বাস্তবতা হলো কুফুরি কালিমার ব্যাপারে মানুষের আজ ধারণাই নাই। কুফুরির মাসআলা বহুত সেনসেটিভ-সুক্ষ্ম! হযরত কাজি সানাউল্লাহ পানিপথি রহ.এর লেখা একটি কিতাবে আছে- একজন ব্যক্তি অপর ব্যক্তিকে বলল, এটা শরিয়তের বক্তব্য। দ্বিতীয় ব্যক্তি তার উত্তরে বলল, রাখো তোমার শরিয়ত। তাহলে সে কাফের হয়ে গেল।
ভালো করে বুঝে নিন,

আমাদের উচিত কেমন কথা বললে ঈমান হারা হয়ে যেতে হয়? এমনকি কিছু কথা এমনও রয়েছে যেগুলো কমন, আমরা সচরাচর বলে থাকি। অথচ সেসব কথার ফলে আমাদের ঈমান চলে যাচ্ছে।
এজন্য ঈমানের মাসআলাগুলো ওলামায়ে কেরামের নিকট থেকে আমাদের জেনে নেয়া উচিত। খুব ভালো করে। নয়তো এমন কথা হয়তো বলে ফেলব যার দ্বারা কুফুরি হয়ে যাবে। ফলে স্বামী স্ত্রী তো পূর্বের মতোই সংসার করবে অথচ তাদের বিবাহ ফাসেদ হয়ে গেছে। তাদের কোনো একজনের কুফুরি বক্তব্যের ফলে। তাই তাদের উক্ত সাংসারিক জীবনযাপন দ্বারা যিনার গুনাহ হচ্ছে।
(২) দ্বিতীয় সুরত হলো, মিয়া-বিবির ঝগড়া ঝাটি। এর ফলেও যিনার সূচনা হতে পারে। কথায় বলে, যখন সবে বিবাহ হয়েছিল তখন আমি বলেছি, বিবি শুনেছে। যখন বাচ্চা হলো, তখন বিবি বলেছে, আমি শুনেছি। আর এখন এই প্রায় বার্ধক্য বয়সে, আমরা উভয়ে বলি আর মহল্লাবাসী শুনে। যত বয়স বাড়ে তত মনোমালিন্য বৃদ্ধি পায়।

এই ঝগড়া ঝাটির ফলে অনেক সময় পুরুষের যবান থেকে কিনায়া তালাকের শব্দ বের হয়ে যাচ্ছে। কেনায়া তালাক বলা হয়, তালাক শব্দটি স্পষ্টভাবে উল্লেখ না করে এমন শব্দ বলা যার দ্বারা তালাক হয়ে যায়। বর্তমানে কেনায়া তালাকের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি। স্বামী বলে দিচ্ছে- চলে যাও। তোমার কোন প্রয়োজন নেই। তো এর অর্থ হলো ‘তুমি আমার বিবি নয়’। এগুলো তো কেনায়া তালাকের শব্দ।তবে রাগের মাথায় এটা ধরা যাবেনা কিন্তু ছোট বিষয় নিয়ে স্বাভাবিকভাবে বললে তা কেনায়া বলে বিবেচিত।
এখন তো আরো ভয়াবহ অবস্থা। স্পষ্টভাবে তালাকের শব্দ উচ্চারণ করছে, দুজনই বুঝতে পারছে অথচ মানুষ কী বলবে- এই ভয়ে দুজনে পূর্বের মতো সংসার করছে। এমনকি উভয়ে পাক্কা নামাজি। তাহাজ্জুদ গোযারও।
মহানবী চৌদ্দশত বছর পূর্বে বলে গেছেন, এক যামানায় স্বামী তার স্ত্রীর সাথে যিনা করবে।

এখন অত্যন্ত জরুরি হলো, আমরা দ্বীন শিখব। দ্বীনের উপর চলব। দ্বীন শেখা বহুত জরুরি।

আর যিনা এমন মারাত্মক অপরাধ যে কুরআন মাজিদে এই গুনাহর শাস্তি সম্পর্কে বলা হয়েছে, সে চিরকাল লাঞ্ছিত অবস্থায় জাহান্নামে থাকবে।

একটা প্রশ্ন হলো আল্লাহ কাফেরদেরকে চিরস্থায়ী আযাব দিবেন। কিন্তু এই আয়াত দ্বারা বোঝা যায় মুমিন মুসলমানকেও যিনা করার কারণে হামেশা জাহান্নামে জ্বলতে হবে?

মুফাসসিরগণ লিখেছেন, এর কারণ হলো, যিনাকারীদ্বয় একজন অপরজনকে বলতো, আমরা আজীবন একসাথে থাকব। কখনোই কাউকে ছেড়ে কেউ চলে যাব না। তাই আল্লাহও বলেন, চিরকাল তোদেরকে আযাব দিব।

একটি হাদিসে আছে, কেয়ামতের দ্বীন যিনাকারীকে নিয়ে আসা হবে, আল্লাহ তার দিকে তাকাবেন না। আরেক হাদিসে বর্ণিত হয়েছে, কেয়ামতের দিন বেপর্দা নারীকে আনা হবে। তখনও আল্লাহ তাঁর দিকে রহমতের দৃষ্টি দিবেন না।

কিন্তু বড় আফসোসের বিষয়, এসব গুনাহকে এখন গুনাহ মনে করা হয় না।তাই থাকুন আপনার বেনামাজি স্ত্রী আর স্বামীর সাথে আর চিরস্থায়ী জাহান্নামে যাওয়ার প্রস্তুতি নিন।আল্লাহ যখন জিজ্ঞেস করবে যে আমার যমীন তো অনেক প্রশস্ত ছিল কেন অন্য কোথাও চলে যাওনি তখন কি জবাব দিবেন একটু ভাবেন।

 # #যাদের_উপর_লানত_বা_অভিসম্পাত # #------- ------- ------- ------- ------- ------- বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম, ------- --...
13/01/2019

# #যাদের_উপর_লানত_বা_অভিসম্পাত # #
------- ------- ------- ------- ------- -------
বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম,
------- ------- ------- ------- -------
"নিশ্চয় যারা গোপন করে, আমি যেসব বিস্তারিত তথ্য এবং হেদায়েতের কথা নাযিল করেছি মানুষের জন্য কিতাবের মধ্যে বিস্তারিত বর্ণনা করার পরও,
সে সমস্ত লোকের প্রতিই আল্লাহর অভিসম্পাত (লানত) এবং অন্যান্য অভিসম্পাতকারীগণেরও।
-------
তবে যারা তওবা করে এবং বর্ণিত তথ্যাদির সংশোধন করে মানুষের কাছে তা বর্ণনা করে দেয়, সে সমস্ত লোকের তওবা আমি কবুল করি এবং আমি তওবা কবুলকারী পরম দয়ালু।
-------
নিশ্চয় যারা কুফরী করে এবং কাফের অবস্থায়ই মৃত্যুবরণ করে, সে সমস্ত লোকের প্রতি আল্লাহর ফেরেশতাগনের এবং সমগ্র মানুষের লা’নত (অভিসম্পাত)।
-------
এরা চিরকাল এ লা’নতের মাঝেই থাকবে। তাদের উপর থেকে আযাব কখনও হালকা করা হবে না বরং এরা বিরাম ও পাবে না।
-------
আর তোমাদের উপাস্য একই মাত্র উপাস্য। তিঁনি ছাড়া কোন উপাস্য নেই। তিঁনি মহা করুণাময় পরম দয়ালু।
_____[সুরা-বাকারা, আয়াত১৫৯-১৬৩]_____

12/01/2019

💗لآ اِلَهَ اِلّا اللّهُ مُحَمَّدٌ رَسُوُل اللّهِ💗

السلام عليكم ورحمة الله وبركاتة চোখ দিয়ে পানি পড়ার মত একটি ঘটনা।........তিনদিন হলো হযরত মুহাম্মদ (সা.) মদিনাতে নেই।কেউজা...
12/01/2019

السلام عليكم ورحمة الله وبركاتة
চোখ দিয়ে পানি পড়ার মত একটি ঘটনা।........
তিনদিন হলো হযরত মুহাম্মদ (সা.) মদিনাতে নেই।
কেউ
জানেনা নবীজি কোথায়। ওমর ফারুক (রাযিঃ) মুক্ত
তরবারি
হাতে ঘোষণা দিলেন, “যদি নবীজির কোন কিছু হয়
তবে
আমি ওমর বলছি মক্কার একটা মুনাফিকও আস্ত
শরীরে থাকবে না।“ এদিকে আবু বকর (রাযিঃ)
বললেন,
থাম ভাই চল নবীজির তালাস করি। দুই জনে মদিনা
থেকে মক্কার উদ্দেশ্যে রওনা হলেন। মরুভূমি
পেরিয়ে পাহাড়ের এলাকাতে আসলেন। একটু দূরে
দেখলেন এক রাখাল দাড়িয়ে আছে। আবু বকর (রাযিঃ)

ওমর ফারুক (রাযিঃ) রাখালকে জিজ্ঞেস করলেন,
তুমি কি মুহাম্মদ (সা.) কে দেখেছ? রাখাল উত্তরে
বলল
আমি মুহাম্মদ (সা.) কে চিনি না এবং আপনাদেরও চিনি না।
তবে ঐ পাহাড়ের উপরে একজন লোক ইয়া উম্মাতি,
ইয়া
উম্মাতি বলে কাঁদছেন।
আবু বকর (রাযিঃ) ও ওমর ফারুক (রাযিঃ)
বুঝতে বাকি ছিলনা ঐ লোক আর কেউ না দয়াল
নবীজি
হযরত মুহাম্মদ (সা.)। রাখাল আবার বলল লোকটির
সাথে
সাথে আমার সব উঠ, ভেড়াগুলোও কাঁদতেছে
আর খাওয়া
বন্ধ করে দিছে। আপনারা উনাকে নিয়ে যান তা না
হলে আমার সব উঠ, ভেড়াগুলো কাঁদতে কাঁদতে
মরে
যাবে। আবু বকর (রাযিঃ) ও ওমর ফারুক (রাযিঃ) পাহাড়ে
গিয়ে দেখলেন দয়াল নবীজি সেজদা-রত
অবস্থায় ইয়া
উম্মাতি, ইয়া উম্মাতি বলে কাঁদছেন। নবীজির কষ্টে
আবু বকর (রাযিঃ) বললেন ইয়া রসুলুল্লাহ আমি আবু বকর
ইসলাম গ্রহণ করার পর থেকে যত আমল করেছি
সব আপনার উম্মাতকে দিয়ে দিলাম, আপনি দয়া করে
মাথা উঠান।
নবীজি মাথা উঠায় না। এবার ওমর ফারুক (রাযিঃ)
বললেন ইয়া রসুলুল্লাহ আমি ওমর যে আপনার মাথা
নিতে
গিয়ে নিজের মাথা দিয়ে দিয়েছি সে আপনার
উম্মাতের জন্য সব আমল দিয়ে দিলাম। নবীজি মাথা
উঠায় না। আবু বকর (রাযিঃ) বললেন ওমর কাজ হবে না
রসুলুল্লাহকে একমাত্র ফাতিমা শান্ত করতে পারবে।
তারা দুই জনে মদিনা দিকে ছুটছেন, পথে হযরত
আলী
(রাযিঃ) এর সাথে দেখা। আবু বকর ও ওমর (রাযিঃ)
বললেন সামনে গিয়ে লাভ নেই, রসুলুল্লাহকে
শান্ত
করতে ফাতিমাকে লাগবে। এবার তিন জনে ফাতিমার
বাড়ির সামনে আসলেন আলী (রাযিঃ) ফাতিমাকে ডাক
দিলেন, ফাতিমা বাইরে আসে স্বামীর চেহারা
দেখে
বললেন, আপনাকে এমন দেখাচ্ছে কেন, তবে
কি মক্কার
মুনাফিকরা আমার আব্বাজানকে মেরে ফেলছে?
আলী
(রাযিঃ) বললেন তুমি তাড়াতাড়ি চলো নবীজি ইয়া
উম্মাতি, ইয়া উম্মাতি বলে কাঁদছেন, মাথা উঠাচ্ছেন
না। ফাতিমা দৌরে গেলেন। নবীজির কাছে গিয়ে
বলছেন আব্বাজান আপনি সফরে যাবার আগে এবং
সফর
থেকে ফিরে প্রথমে আমাকে দেখতেন,
আমার সাথে
কথা বলতেন। কিন্তু আজ তিন দিন হল আপনার কোন
খোঁজ নেই, আপনি কি আমাকে ভুলে গেছেন?
নবীজি
তাও মাথা উঠায় না। ফাতিমা (রাযিঃ) বললেন
আব্বাজান আমি আপনার ফাতিমার সব নেকী আপনার
উম্মাতকে দিয়ে দিলাম। নবীজি মাথা উঠায় না।
নবীজির দুই পাশে হাসান, হুছাইন দাড়িয়ে
বলতেছেন
নানাজান উঠেন, নানাজান উঠেন। নবীজি মাথা উঠায়
না। হঠাৎ ফাতিমা (রাযিঃ) বলে উঠলেন ►►►
“আব্বাজান আপনি উঠেন আমি আপনার উম্মাতির জন্য
আমি হাসান, হুছাইনকে কুরবানি করে দিলাম।“ ◄◄◄
আল্লাহ্ আকবার, আল্লাহ্ আকবার, আল্লাহ্ আকবার।
এবার নবীজি মাথা উঠালেন আর বললেন ফাতিমা তুমি
কি দোয়া করলা আমার আল্লাহ্ তোমার দোয়া কবুল
করে ফেলছেন।
নবী-রসূল, সাহাবিদের রক্ত ঝরানোর করনেই সেই
দ্বীন
আজ আপনার, আমার কাছে আসতে পেরেছে।
আসুন আল্লাহ্ হুকুমগুলো নবীর তরীকায় পালন
করার
চেষ্টা করি।
আমিন।

আলহামদুলিল্লাহ
12/01/2019

আলহামদুলিল্লাহ

নাজিরহাটের শেষ মাথায় থাকেন এক ইমাম সাহেব৷প্রতিদিন সকালে একই বাস ধরে হাটহাজারী আসেন তিনি ৷ বাসের সব স্টাফদের মুখ চেনা তাঁ...
11/01/2019

নাজিরহাটের শেষ মাথায় থাকেন এক ইমাম সাহেব৷
প্রতিদিন সকালে একই বাস ধরে হাটহাজারী আসেন তিনি ৷ বাসের সব স্টাফদের মুখ চেনা তাঁর ৷ বাস স্টপেজ থেকে হাঁটার দুরত্বে মসজিদ ৷
সেদিন সকালেও যথারীতি একই বাসে করে রওনা করলেন ইমাম সাহেব ৷ ভাড়া দেয়ার পরে হঠাৎ খেয়াল করলেন বাসের স্টাফ ভুল করে ২০ টাকা বেশি দিয়ে ফেলেছে তাঁকে ৷

মনে মনে ভাবলেন ইমাম সাহেব,
-“এই অতিরিক্ত ২০ টাকা স্টাফকে ফেরৎ দেয়া উচিত আমার৷ এই অর্থের ওপরে আমার কোন হক্ব নেই৷”
ঠিক একইসাথে নিজের ভেতরের খারাপ সত্ত্বাও বিদ্রোহ করে উঠলো,
-“'আরে বাদ দাও, মাত্র ২০ টাকা৷ আমি তো আর জোর করে নেই নি স্টাফের কাছ থেকে৷ হয়তো আল্লাহর ইচ্ছায় এই ২০ টাকা আমার কাছে এসেছে।”
হঠাৎ মনে পড়লো আল্লামা জমিরউদ্দীন নানুপুরী রহঃএর অমূল্য নছিহতের কথা জেনে শুনে "নাহক কাওকে ঠকিওনা "!

নিজের প্রবৃত্তির সাথে যুদ্ধ করতে করতে গন্তব্যে পৌঁছে গেলেন ইমাম সাহেব৷ বাস থেকে নামার ঠিক আগ মুহুর্তে স্টাফের কাছে গিয়ে তিনি ২০ টাকা ফেরৎ দিয়ে দিলেন।

২০ টাকা হাতে নিয়ে কিছুক্ষণ চুপ করে থাকলেন সেই স্টাফ৷ তারপর নিচু গলায় ইমাম সাহেবকে বললেন,
-“আমি একজন অমুসলিম৷ আপনি বোধহয় সামনের ওই মসজিদের ইমাম৷ বেশ কিছুদিন ধরেই আমি আপনার কাছে গিয়ে ইসলাম ধর্মের বিষয়ে জানতে চাচ্ছিলাম৷ তার আগে কেন জানি খুব দেখতে ইচ্ছে হলো আপনাকে ২০ টাকা অতিরিক্ত দিয়ে আপনার সততা পরীক্ষা করি। ধন্যবাদ আপনাকে, খুব তাড়াতাড়ি হয়তো যাব আপনার কাছে৷”

বাস থেকে নেমেই রাস্তার পাশের ফুটপাতে বসে পড়লেন ঈমাম সাহেব। কাঁপা কাঁপা গলায় মহান আল্লাহ পাকের অসংখ্য কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করলেন,
-“আলহামদুলিল্লাহ! হে আল্লাহ তোমার দরবারে লাখো শুকরিয়া! তুমি আমার সততার পরীক্ষায় উত্তীর্ণ করেছে। তোমার সাহায্য না পেলে হয়তো সামান্য ২০ টাকার বিনিময়ে একজন বিধর্মীর কাছে ইসলাম ধর্মকে বিক্রিই করে দিচ্ছিলাম!”

পাদটিকাঃ
======
আপনি হয়তো জানবেন-ই না, আপনার নিজের প্রত্যেকটি কাজের কি ধরনের প্রভাব পড়ছে আশেপাশের মানুষদের ওপর৷ এই ঘটনার মতো আপনি-ই হয়তো অপরিচিত, ভিন্ন ধর্মের মানুষদের সামনে ইসলাম ধর্মের একমাত্র ঝান্ডাধারী মুসলিম, একমাত্র মূর্ত উদাহরণ!

"প্রত্যেক নামাজে  নিজের দৃষ্টি ঠিক আল্লাহর দিকে রাখো, এবং আন্তরিক আনুগত্যের সাথে তাঁকে ডাকো।" [সূরা, আল আ'রাফ :২৯]
10/01/2019

"প্রত্যেক নামাজে নিজের দৃষ্টি ঠিক আল্লাহর দিকে রাখো,
এবং আন্তরিক আনুগত্যের সাথে তাঁকে ডাকো।"
[সূরা, আল আ'রাফ :২৯]

10/01/2019

#প্রশ্ন: দাড়িতে মেহেদী লাগাতেই হবে নতুবা ইহূদীদের সাদৃশ্য হবে- এ বিষয়ে বিস্তারিত জানতে চাই ভাইজান।
#উত্তর : দাড়িতে মেহেদী ব্যবহার করা অভ্যাসগত সুন্নাত। রাসূল (ছাঃ) বলেন, ইহূদী ও নাছারারা (দাড়ি-চুলে) রং লাগায় না। তোমরা তাদের বিপরীত কর’ (বুখারী হা/৩৪৬২; মুসলিম হা/২১০৩)। রাসূল (ছাঃ) একদল সাদা দাড়িধারী লোকদের পাশ দিয়ে গমনকালে বলেন, হে আনছারগণ! তোমরা দাড়িকে লাল ও হলুদ রঙে রঞ্জিত কর এবং আহলে কিতাবদের বিরোধিতা কর’ (আহমাদ হা/২২৩৩৭; ছহীহাহ হা/১২৪৫, সনদ ছহীহ)। তবে এটি ওয়াজিব নয়। কেননা ছাহাবীগণের মধ্যে হযরত আবুবকর, ওমর ও একদল ছাহাবী দাড়িতে মেহেদী লাগাতেন। পক্ষান্তরে হযরত আলী, উবাই বিন কা‘ব, আনাস, সালামা বিন আকওয়া‘ প্রমুখ ছাহাবী খেযাব ব্যবহার করতেন না (ফাৎহুল বারী হা/৫৮৯৯-এর আলোচনা ১০/৩৫৫ পৃ. ‘পোষাক’ অধ্যায়-৭৭ ‘খেযাব’ অনুচ্ছেদ-৬৭)।

উল্লেখ্য যে, বার্ধক্যের শুভ্রতা পরিবর্তনের জন্য মেহেদী ও কাতাম বা কালচে ঘাসই সর্বোত্তম’ (তিরমিযী হা/১৭৫৩; আবুদাউদ হা/৪২০৫; মিশকাত হা/৪৪৫১; ছহীহাহ হা/১৫০৯)। তবে কোনভাবেই কালো রং দ্বারা শুভ্রতা পরিবর্তন করা যাবে না। কেননা রাসূল (ছাঃ) এটা নিষেধ করেছেন (মুসলিম হা/২১০২)। তিনি বলেন, ‘শেষ যামানায় একদল লোকের আবির্ভাব হবে, যারা কালো রং-এর খেযাব লাগাবে কবুতরের বুকের ঠোসার কালো পাখনা সমূহের ন্যায়। এরা জান্নাতের সুগন্ধিও পাবে না’ (আবূদাউদ হা/৪২১২; মিশকাত হা/৪৪৫২)।

30/05/2017
29/05/2017

আল কোরআনের এমন দশটি সূরা আছে যেগুলো বিপদে পড়ার পর পাঠ করলে আল্লাহর রহমতে আপনি রক্ষা পাবেন। সূরা গুলো নিম্নরূপ- (১) সূরা ফতিহা আল্লাহর গজব হতে রক্ষা করবে।
(২) সূরা ইয়াসীন কিয়ামতের দিন পিপার্সাত হওয়া থেকে রক্ষা করবে।
(৩) সূরা দুখান কিয়ামতের দিনের ভয়াল অবস্থা হতে রক্ষা করবে।
(৪) সূরা ওয়াকি’আ দরিদ্রতা হতে রক্ষা করবে।
(৫) সূরা মূলক কবরের আযাব হতে রক্ষা করবে।
(৬) সূরা কাওসার শত্রুর অনিষ্ট হতে
রক্ষা করবে।
(৭) সূরা কাফিরুন মৃত্যুর সময় কুফরী হতে রক্ষা করবে।
(৮) সূরা ইখলাস মুনাফিকী হতে রক্ষা করবে।
(৯) সূরা ফালাক হিংসুকের হিংসার হতে রক্ষা করবে।
(১০) সূরা নাস যাবতীয় ওয়াসাওয়াসা হতে রক্ষা করবে।

29/03/2017

√ “তাহারাই আল্লাহর সবচেয়ে বড় শত্রু
যাহারা ইসলাম গ্রহণ করিয়াও অবিশ্বাসীর
কর্ম করে ও অযথা মানুষের রক্তপাত করে।”
—বিশ্বনবী হযরত মোহাম্মদ (সঃ)

Address

Chittagong

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when আল্লাহ-জাল্লাহজালালু posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share