Islamic Education

Islamic Education Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Islamic Education, Religious organisation, Chittagong.

04/05/2020

যেসব যিকির করলে রাত দিন যিকির করার সমান সাওয়াব লাভ হয়। আল্লাহ তায়ালা কবুল করে নিন
*********************************************
রাসুলুল্লাহ ( ﷺ) বলেছেন: " তুমি এই যিকির শেখো এবং তোমার পরবর্তীকে শিখিয়ে দাও"
(তাবরানী সহীহুল জামি' ২৬১৫)
হযরত উম্মে হানী (রা) আরজ করলেন,ইয়া রাসুলুল্লাহ (সা)! আমি তো বয়সে দূর্বল হয়ে গেছি। আমাকে এমন একটি যিকির শিক্ষা দিন, যা আমি সবসময়ই পড়ে আমল করতে পারি। রাসুলুল্লাহ (সা) বললেন, তুমি দৈনিক ১০০ বার সুবহান আল্লাহ, ১০০ বার করে আলহামদুলিল্লাহ, ১০০ বার আল্লাহু আকবার পড়ো। এটাই তোমার জন্য সারাজীবনের জন্য যিকির হয়ে যাবে।"
আল্লাহ তায়ালা বলেন," যিকিরকারী নারী_পুরুষ সবার জন্য আমি মাগফেরাত ও মহামূল্যবান পুরস্কার রেখেছি।" আসুন, আমরা সবসময়ই বিশ্বাস করি। হাঁটতে হাঁটতেও যিকির করতে পারেন।মুখে মুখে বলুন।
যিকিরঃ
:
الْحَمْدُ للهِ عَدَدَ مَا خَلَقَ، الْحَمْدُ للهِ مِلْءَ مَا خَلَقَ، الْحَمْدُ للهِ عَدَدَ مَا فِي السَّمَاوَاتِ وَمَا فِي الأَرْضِ، الْحَمْدُ للهِ عَدَدَ مَا أَحْصَى كِتَابُهُ، وَالحَمْدُ للهِ عَلَى مِلْءٍ مَا أَحْصَى كِتَابُهُ ،وَالْحَمْدُ للهِ عَدَدَ كُلِّ شَيْءٍ، وَالحَمْدُ لله مِلْءَ كُلِّ شَيْءٍ..
سُبْحَانَ للهِ عَدَدَ مَا خَلَقَ، سُبْحَانَ للهِ مِلْءَ مَا خَلَقَ، سُبْحَانَ للهِ عَدَدَ مَا فِي السَّمَاوَاتِ وَمَا فِي الأَرْضِ، سُبْحَانَ للهِ عَدَدَ مَا أَحْصَى كِتَابُهُ، ُ سُبْحَانَ للهِ عَلَى مِلْءٍ مَا أَحْصَى كِتَابُهُ ،وَسُبْحَانَ للهِ عَدَدَ كُلِّ شَيْءٍ، وَسُبْحَانَ للهِ مِلْءَ كُلِّ شَيْءٍ.

আলহামদুলিল্লাহি আদাদা মা খলাক, আলহামদুলিল্লাহি মিল'আ মা খলাক, আলহামদুলিল্লাহি আদাদা মা ফিসসামাওয়াতি ওয়ামা ফিল আরদ্ ,
আলহামদুলিল্লাহি আদাদা মা আহ্ছ কিতাবুহ, ওয়াল হামদুলিল্লাহি আলা মিল'ই মা আহ্ছ কিতাবুহ,
ওয়াল হামদুলিল্লাহি আদাদা কুল্লি শাঈ,
ওয়াল হামদুলিল্লাহি মিল'আ কুল্লি শাঈন।

সুবহানআল্লাহি আদাদা মা খলাক,
সুবহানআল্লাহি মিল'আ মা খলাক,
সুবহানআল্লাহি আদাদা মা ফিসসামাওয়াতি ওয়ামা ফিল আরদ্ ,
সুবহানআল্লাহি আদাদা মা আহ্ছ কিতাবুহ,
ওয়া সুবহানআল্লাহি আলা মিল'ই মা আহ্ছ কিতাবুহ,
ওয়া সুবহানআল্লাহি আদাদা কুল্লি শাঈ, ওয়া সুবহানআল্লাহি মিল'আ কুল্লি শাঈন।

অর্থ : আল্লাহর প্রশংসা তার সৃষ্টির সমান সংখ্যক, আল্লাহর প্রশংসা তার সৃষ্টি পরিপুর্ন,আল্লাহর প্রশংসা আকাশমন্ডলী ও পৃথিবীতে যা আছে তার সমান সংখ্যক, আল্লাহর প্রশংসা তার কিতাব যা গণনা করেছে তার সমান সংখ্যক, আল্লাহর প্রশংসা তার কিতাব যা গণনা করেছে তার পরিপূর্ণ, আল্লাহর প্রশংসা সকল বস্তুর সংখ্যা পরিমাণ এবং আল্লাহর প্রশংসা সকল বস্তু পরিপূর্ণ।
আমি আল্লাহর পবিত্রতা বর্ণনা করছি তার সৃষ্টির সমান সংখ্যক, --- তার সৃষ্টি পরিপুূর্ণ,--- আকাশমন্ডলী ও পৃথিবীতে যা আছে তার সমান সংখ্যক,--- তার কিতাব যা গণনা করেছে তার সমান সংখ্যক, --- তার কিতাব যা গণনা করেছে তার পরিপূর্ণ, --- সকল বস্তুর সংখ্যা পরিমাণ এবং--- সকল বস্তু পরিপূর্ণ করে রাখা হয়েছে।
💝🌸💝🌸💝🌸💝🌸💝

যিকিরঃ
لا الهَ اِلَّا اللّهُ وَحْدَهُ لا شَرِيْكَ لَهْ، لَهُ الْمُلْكُ وَ لَهُ الْحَمْدُ يُحْى وَ يُمِيْتُ وَ هُوَحَىُّ لَّا يَمُوْتُ اَبَدًا اَبَدًا ط ذُو الْجَلَالِ وَ الْاِكْرَامِ ط بِيَدِهِ الْخَيْرُ ط وَهُوَ عَلى كُلِّ شَئ ٍ قَدِيْرٌ ط

#লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহ্ দাহু লা-সারিকা লা-হু লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হামদু ইউহা ই ওয়া উ মিতু বি ইয়া সি হিল খাইরু ওয়া-হু-ওয়া আ-লা কুল্লি শাইয়িন ক্বাদীর।

#আল্লাহ তায়ালা এক আর কোন মাবুদ নেই তিনি এক তার কোন অংশীদার নেই। সমস্ত সৃষ্টি জগৎ এবং সকল প্রশংসা তাঁরই। তিনি জীবন হান করেন আবার তিনিই মৃত্যুর কারণ তার হাতেই সব ভাল কিছু এবং তিনিই সৃষ্টির সবকিছুর উপর সার্বভৌম ক্ষমতাবান।"

সূরা নিসা আয়াত ৫৯

يَٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُوٓا۟ أَطِيعُوا۟ ٱللَّهَ وَأَطِيعُوا۟ ٱلرَّسُولَ وَأُو۟لِى ٱلْأَمْرِ مِنكُمْ فَإِن تَنَٰزَعْتُمْ فِى شَىْءٍ فَرُدُّوهُ إِلَى ٱللَّهِ وَٱلرَّسُولِ إِن كُنتُمْ تُؤْمِنُونَ بِٱللَّهِ وَٱلْيَوْمِ ٱلْءَاخِرِ ذَٰلِكَ خَيْرٌ وَأَحْسَنُ تَأْوِيلًا

ইয়াআইয়ুহাল্লাযীনা আ-মানূ আতী‘উল্লা-হা ওয়া আতী‘উররাসূলা-ওয়া উলিল আমরি মিনকুম ফাইন তানা-ঝা‘তুম ফী শাইইন ফারুদ্দূহু ইলাল্লা-হি ওয়ার রাসূলি ইন কুনতুম তু’মিনূনা বিল্লাহি ওয়াল ইয়াওমিল আখিরি যালিকা খাইরুওঁ ওয়া আহছানু তা’বিলা-।

"হে ঈমানদারগণ! আল্লাহর নির্দেশ মান্য কর, নির্দেশ মান্য কর রসূলের এবং তোমাদের মধ্যে যারা বিচারক তাদের। তারপর যদি তোমরা কোন বিষয়ে বিবাদে প্রবৃত্ত হয়ে পড়, তাহলে তা আল্লাহ ও তাঁর রসূলের প্রতি প্রত্যর্পণ কর-যদি তোমরা আল্লাহ ও কেয়ামত দিবসের উপর বিশ্বাসী হয়ে থাক। আর এটাই কল্যাণকর এবং পরিণতির দিক দিয়ে উত্তম।

27/04/2020

আল্লাহর নির্দেশ ব্যতিরেকে কোন বিপদ আসেনা এবং যে আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস করে,তিনি তার অন্তরকে সৎপথ প্রদর্শন করেন। আল্লাহ সর্ববিষয়ে সম্যক পরিজ্ঞাত।

সূরাহ আত-তাগাবুন
আয়াত নং ১১

26/04/2020

Ramadan Mubarak🌙🌙🌙

11/03/2018

"আসসালামু আলাইকুম" পেইজের সকল মেম্বার্সরা কেমন আছেন?

আলহামদুলিল্লাহ আমি ভালো আছি। সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন।

মৃত্যুর দুয়ারে দাঁড়িয়ে #নিহাদ

18/09/2017

প্রতিদিনের জিকির সমূহ :
১) প্রতিদিন ১০০ বার সুবহান আল্লাহ্ পাঠ করলে ১০০০ সাওয়াব লিখা হয় এবং ১০০০ গুনাহ মাফ করা হয়।[সহীহ মুসলিম-৪/২০৭৩]
(২) 'আলহামদুলিল্লাহ' মীযানের পাল্লাকে ভারী করে দেয় এবং সর্বোত্তম দোআ’। [তিরমিযী-৫/
৪৬২,ইবনে মাযাহ-২/১২৪৯,হাকিম-১/
৫০৩,সহীহ আল জামে’-১/৩৬২]
(৩) 'লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ' সর্বোত্তম যিকর। [তিরমিযী-৫/৪৬২,ইবনে মাযাহ-২/১২৪৯,হাকিম-১/৫০৩,সহীহ আল জামে’-১/৩৬২]
(৪) 'সুবহান আল্লাহ ওয়াল হামদুলিল্লাহ ওয়ালা ইলাহা ইল্লাল্লাহু আল্লাহু আকবর' এই কালিমাগুলি আল্লাহর নিকট অধিক প্রিয় এবং নবী (সঃ) বলেনঃ পৃথিবীর সমস্ত জিনিসের চইতে আমার নিকট অধিক প্রিয়। [ সহীহ মুসলিম -৩/১৬৮৫, ৪/২০৭২]
(৫) যে ব্যক্তি 'সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহী' প্রতিদিন ১০০ বার পাঠ করবে সমুদ্রের ফেনা পরিমান (সগীরা) গুনাহ থাকলে ও তাকে মাফ করে দেওয়া হবে। [সহীহ আল-বুখারী-৭/১৬৮,সহীহ মুসলিম-৪/২০৭১]
(৬) নবী (সঃ) বলেনঃ 'সুবহানাল্লাহি ওয়াবি হামদিহী সুবহানাল্লিল আযীম' এই কালীমাগুলি জিহ্বায় উচ্চারনে সহজ , মীযানের পাল্লায় ভারী ,দয়াময় আল্লাহর নিকট প্রিয় । [সহিহ আল- বুখারী-৭/১৬৮,সহীহ মুসলিম-৪/২০৭২]
(৭) যে ব্যক্তি 'সুবহানাল্লাহিল আযীমি ওয়াবি হামদিহী' পাঠ করবে প্রতিবারে তার জন্য জান্নাতে একটি করে (জান্নাতী) খেজুর গাছ রোপন করা হবে । [আত-তিরমিযী-৫/
৫১১,আল-হাকীম-১/৫০১, সহীহ আল-জামে’-৫/৫৩১, সহীহ আত-তিরমিজী-৩/১৬০]
(৮) নবী (সঃ) বলেনঃ 'লা হাওলা ওয়ালা কুয়্যাতা ইল্লা বিল্লাহ' হচ্ছে জান্নাতের গুপ্তধন সমুহের মধ্যে একটি গুপ্তধন। [ সহীহ আল-বুখারী -১১/২১৩, সহীহ মুসলিম-৪/২০৭৬]
(৯) নবী (সঃ) বলেনঃ 'সুবহান আল্লাহ ওয়াল হামদুলিল্লাহ ওয়ালা ইলাহা ইল্লাল্লাহু আল্লাহু আকবর ওয়ালা হাওলা ওয়ালা কুয়্যাতা ইল্লা বিল্লাহ' এই কালীমাগুলি হচ্ছে “অবশিষ্ট নেকআ’মল সমুহ” । [ আহমাদ (সহীহ)-৫১৩, মাজমাউজ জাওয়াঈদ-১/২৯৭ ]
(১০) নবী (সঃ) বলেনঃ যে ব্যক্তি আমার প্রতি একবার দুরুদ পাঠ করবে আল্লাহ তাআ’লা তার প্রতি দশ বার রহমত বরষন করবেন- "আল্লাহুম্মা সাল্লি ’আলা মুহাম্মাদিঁওয়া ’আলা আলি মুহাম্মাদিন্ কামা সাল্লায়তা ’আলা ইব্রাহীমা ওয়া ’আলা ’আলি ইব্রাহীমা ইন্নাকা হামীদুম মাজিদ আল্লাহুম্মা বারিক ’আলা মুহাম্মাদিঁওয়া ’আলা আলি মুহাম্মাদিন্ কামা বারাকতা ’আলা ইব্রাহীমা ওয়া ’আলা ’আলি ইব্রাহীমা ইন্নাকা হামীদুম মাজিদ এবং তিনি (সঃ) আরো বলেনঃ যে ব্যক্তি আমার প্রতি সকালে দশবার এবং বিকেলে দশবার দুরুদ পাঠ করবে সে ব্যক্তি কিয়ামতের দিন আমার শাফায়াত পাবে ।" - [তাবারানী, মাজময়াউজ জাওয়াঈদ-১০/১২০, সহীহ আত-তারগীব ওয়াত তারহীব-১/২৭৩]

25/06/2017

ঈদের সকালে কি করতে হবে, মাঠে কিভাবে যেতে হবে, মেয়েরা কিভাবে নামাজ পড়বে ইত্যাদি বিষয়গুলো অনেকেই জানে না..... তাই ঈদের দিনে কি করণীয় তা ইসলামি বিধান অনুযায়ী তুলে ধরা হল-

১. ঈদের দিনে সকালে গোসল করা। ঈদ ও জুমার নামাজের আগে গোসল করা মুস্তাহাব।

২. সবচেয়ে ভাল পোশাক পরে ঈদগাহে যাওয়া। রাসুল (সা) এর এক জোড়া পোশাক ছিল, যেটা তিনি দুই ঈদ ও জুম্মার দিন পরিধান করতেন।

৩. ঈদুল ফিতরের দিন খাবার খেয়ে মাঠে যাওয়া সুন্নত। এদিনে রাসুল (সা) খেজুর না খেয়ে ঈদগাহে রওনা হতেন না। আর খেজুর খেতেন বেজোড় সংখ্যক (তিন, পাঁচ, সাত ইত্যাদি)। ( সহিহ বুখারি)

৪. পায়ে হেঁটে ঈদগাহে যাওয়া। ঈদগাহে তাড়াতাড়ি যাওয়া উচিত যাতে প্রথম কাতারে বসা যায়।

৫. ঈদগাহে যাওয়া আসায় দুটি ভিন্ন রাস্তা ব্যবহার করা। রাসুল (সা) এক পথে ঈদগাহে যেতেন, ভিন্ন আর এক পথে বাড়ি ফিরতেন।

৬. ঈদগাহে যাওয়ার সময় উচ্চস্বরে তাকবীর পাঠ করতে করতে যাওয়া... আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ। আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার ওয়ালিল্লাহিল হামদ।

৭. একে অন্যকে ঈদের শুভেচ্ছা জানানো। ঈদের দিনে সাহাবারা একে অন্যের সাথে দেখা হলে "তাকাব্বালাল্লাহু মিন্না ওয়া-মিন্‌ক" বলে অভিবাদন জানাতেন। এটা না বলতে পারলে "ঈদ মুবারক" বলে ঈদের শুভেচ্ছা জানানো।

৮. মেয়েদেরও ঈদের নামাজে শরিক হওয়া। অনেক আলেম মেয়েদের ঈদের নামাজে অংশগ্রহন করাকে ওয়াজিব বলেছেন, কারণ রাসুল (সা) মাসিক চলাকালীন মেয়েদেরকে পর্যন্ত ঈদগাহে যেতে নির্দেশ দিয়েছেন।

উম্মে আতিয়া (রা) বলেন, রাসুল (সা) আমাদের এই মর্মে নির্দেশ দিয়েছেন আমরা যেন পরিণত বয়স্কা, ঋতুবতী ও গৃহিণীসহ সকল মহিলাকে ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহার সালাতে শরীক হওয়ার জন্য ঘর থেকে বের করে নিয়ে যাই। এমনকি মাসিক হায়েয চলাকালীন মেয়েরাও। (মুসলিম)

মাসিক চলাকালীন মেয়েরা সালাত আদায় করবে না। কিন্তু ঈদের কল্যাণকর অবস্থা তারা প্রত্যক্ষ করবে এবং মুসলিমদের সাথে দু'আতে শরীক হবে।

এইজন্য ঈদগাহ কর্তৃপক্ষের উচিত মেয়েদের জন্য পর্দা ও নিরাপত্তার সাথে ঈদের নামাজের ব্যবস্থা করা।

৯. কেউ যদি ঈদের নামাজের জামাত মিস করে, তবে সে পরে একাও আদায় করতে পারে কিংবা পুরুষ বা নারী হোক তাদেরকে নিয়ে জামাত করেও পরতে পারে। সেক্ষেত্রে খুৎবার প্রয়োজন নেই।

ঈদের দিন আত্মীয় স্বজনের বাড়িতে যাওয়া, খোঁজখবর নেওয়া, তাদের দাওয়াত দেওয়া, শরিয়তের ভেতর থেকে আনন্দ করা এগুলো হল উত্তম ইবাদত।

গান বাজনা, ড্রিংকস করাসহ সকল অনৈসলামিক কাজ পরিহার করা উচিত... কারণ ঈদ একটি ধর্মীয় উৎসব, মাতলামির উৎসব নয়।

22/06/2017

লাইলাতুল কদরের কিছু আলামতঃ
==============================
==================
যে রাতটি লাইলাতুল কদর হবে সেটি বুঝার কিছু আলামত হাদীসে বর্ণিত আছে। সেগুলো হল :
১) রাতটি গভীর অন্ধকারে ছেয়ে যাবে না।
২) নাতিশীতোষ্ণ হবে। অর্থাৎ গরম বা শীতের তীব্রতা থাকবে না।
৩) মৃদুমন্দ বাতাস প্রবাহিত হতে থাকবে।
৪) সে রাতে ইবাদত করে মানুষ অপেক্ষাকৃত অধিক তৃপ্তিবোধ করবে।
৫) কোন ঈমানদার ব্যক্তিকে আল্লাহ স্বপ্নে হয়তো তা জানিয়েও দিতে পারেন।
৬) ঐ রাতে বৃষ্টি বর্ষণ হতে পারে।
৭) সকালে হালকা আলোকরশ্মিসহ সূর্যোদয় হবে। যা হবে পূর্ণিমার চাঁদের মত।
(সহীহ ইবনু খুযাইমাহ- ২১৯০, বুখারী০ ২০২১, মুসলিম- ৭৬২)
☞☞☞ আমরা অনেকেই এই রাত্রে নফল ইবাদত করি। কিন্তু তার থেকে আমাদের ফরজ কাজা নামাজ পড়া অনেক বেশি উত্তম। কোরআন পাঠ করা, আল্লাহ্ তাআলার জিকির করা, গুনাহের কথা ভেবে আল্লাহ্ তাআলার দরবারে চোখের পানি ফেলা। আর যারা কখনো সালাতুত তাসবীহ পড়েন নাই তারা সালাতুত তাসবীহ পড়তে পারেন।
আল্লাহ আমাদের আমল করার তৌফিক দান করুন এবং কবুল করুন।

19/06/2017

মহান আল্লাহ বলেন" মাটি থেকেই আমি
তোমাদেরকে সৃষ্টি করেছি,
মাটিতেই তোমাদের ফিরিয়ে নেব এবং মাটি
থেকেই
তোমাদেরকে পুনরায় বের করে আনবো।
[সূরা,ত্বোয়া-হা -৫৫]

10/06/2017

—— রাসুল (সাঃ) বলেছেন——
রোজাদারের জন্য ২টি আনন্দের মুহূর্ত রয়েছে।
১.ইফতারের সময়। তখন সে ইফতারের কারণে আনন্দ
পায়।
২ . যখন সে তার রবের সঙ্গে সাক্ষাত লাভ করবে
তখন তার আনন্দ হবে। অর্থাৎ যখন তার প্রতিপালক
রোজার পুরস্কার দিবেন।
——– সহীহ মুসলিম ১১৫১ ।

07/06/2017

"মুমিনগণ সফলকাম হয়ে গেছে,যারা নিজেদের নামাযে বিনয়-নম্র,যারা অনর্থক কথা-বার্তায় নির্লিপ্ত,যারা যাকাত দান করে থাকে এবং যারা নিজেদের যৌনাঙ্গকে সংযত রাখে।তবে তাদের স্ত্রী ও মালিকানাভুক্ত দাসীদের ক্ষেত্রে সংযত না রাখলে তারা তিরস্কৃত হবে না। অতঃপর কেউ এদেরকে ছাড়া অন্যকে কামনা করলে তারা সীমালংঘনকারী হবে।
এবং যারা আমানত ও অঙ্গীকার সম্পর্কে হুশিয়ার থাকে।এবং যারা তাদের নামাযসমূহের খবর রাখে। তারাই উত্তরাধিকার লাভ করবে। তারা শীতল ছায়াময় উদ্যানের উত্তরাধিকার লাভ করবে। তারা তাতে চিরকাল থাকবে।"

- সূরা আল মুমিনূন : (১-১১)

28/05/2017

কোরআনের ফজিলত (পর্ব-১)
হযরত ওসমান (রাজিঃ) হইতে বর্ণিত; হুযুর (সাঃ) এরশাদ
ফরমাইছেন, তোমাদের মধ্যে ঐ ব্যক্তি
সর্বোত্তম যে, নিজে কোরআন শরীফ
শিখে এবং অপরকে শিক্ষা দেয়। (তারগীব,
বোখারী, আবু দাউদ, তিরমিযী, নাসায়ী, ইবনে
মাজাহ)

22/05/2017

" হে ঈমানদানগণ! ধৈর্য্য ধারণ কর এবং মোকাবেলায় দৃঢ়তা অবলম্বন কর। আর আল্লাহকে ভয় করতে থাক যাতে তোমরা তোমাদের উদ্দেশ্য লাভে সমর্থ হতে পার।"

- সূরা আল ইমরান
আয়াত ২০০

Address

Chittagong

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Islamic Education posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share