Kazi Muhammad Abdul Wajed

Kazi Muhammad Abdul Wajed Kazi abdul Wazed is a bangladeshi islamic scholar who is Currently serving as a grand m***i of JASA
(1)

05/08/2025

নবী করিম (দ.) বলেন, তোমরা সাতটি ধ্বংসকারী জিনিস থেকে বেঁচে থাকো—১. আল্লাহর সঙ্গে শরিক করা, ২. জাদু করা, ৩. অন্যায়ভাবে কাউকে হত্যা করা, ৪. সুদ খাওয়া, ৫. এতিমের সম্পদ আত্মসাৎ করা, ৬. যুদ্ধক্ষেত্র থেকে পলায়ন করা, ৭. নিরপরাধ নারীর প্রতি অপবাদ দেওয়া। (সহিহ বুখারি, হাদিস : ২৮৬৪)

সফল ব্যক্তি কে জানেন? যে ফিকে দুনিয়াকে শুধুমাত্র জরুতের জন্য গ্রহণ করে আখিরাতকে আসল উদ্দেশ্য বানিয়ে জাহান্নাম থেকে বেঁচে...
18/11/2024

সফল ব্যক্তি কে জানেন? যে ফিকে দুনিয়াকে শুধুমাত্র জরুতের জন্য গ্রহণ করে আখিরাতকে আসল উদ্দেশ্য বানিয়ে জাহান্নাম থেকে বেঁচে জান্নাতের দিকে পা বাড়ায়।

চিরকালের বন্দোবস্তের কথা ভেবে সাদাসিধা জীবনযাত্রা পছন্দ করে, আর রবের নৈকট্যকে সবথেকে দামী মনে করে।

অবধারিত মৃত্যুর সনদ বুকে নিয়ে নির্বিঘ্নে রাজপ্রাসাদে কাটানোটা তাদের কাছে বড্ড হাস্যকর মনে হয়।

মিজানুস সালাম 'ইফতা কোর্স' এ দরসরত অবস্থায়। Admin
04/11/2024

মিজানুস সালাম 'ইফতা কোর্স' এ দরসরত অবস্থায়।

Admin

Tajedar-e Madina Islamic Institute  কর্তৃক আয়োজিত হিফজুল কুরআন ছাত্রদের সবকানুষ্ঠান ও আওলাদে রাসূল, সৈয়্যদ আহমদ শাহ সিরি...
22/05/2024

Tajedar-e Madina Islamic Institute কর্তৃক আয়োজিত হিফজুল কুরআন ছাত্রদের সবকানুষ্ঠান ও আওলাদে রাসূল, সৈয়্যদ আহমদ শাহ সিরিকুটি (র.) এর সালানা ওরস মোবারক উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফকিহে যামান, মুফতি কাজী মুহাম্মদ আব্দুল ওয়াজেদ হুজুর।

11/03/2024

রাসূল (দ.) বলেন, রোযা হলো জাহান্নাম থেকে পরিত্রাণ লাভের ঢাল এবং সুরক্ষিত দুর্গ।
(মুসনাদে আহমাদ-৯২২৫)

11/03/2024

সকলকে মাহে রামাদানের শুভেচ্ছা। আল্লাহ আমাদেরকে রামাদানের মাক্বসাদ হাসিল করার তৌফিক দান করুন।

মহান আল্লাহ কিয়ামতের দিন বলবেন, হে আদম সন্তান! আমি তোমার কাছে খাবার চেয়েছিলাম, তুমি আমাকে খাওয়াওনি।’ সে বলবে, ‘হে আমার র...
09/03/2024

মহান আল্লাহ কিয়ামতের দিন বলবেন, হে আদম সন্তান! আমি তোমার কাছে খাবার চেয়েছিলাম, তুমি আমাকে খাওয়াওনি।’ সে বলবে, ‘হে আমার রব! আমি আপনাকে কিভাবে খাওয়াবো, আপনি তো সৃষ্টিকুলের রব?’ আল্লাহ বলবেন, ‘তোমার কি জানা ছিল না যে, আমার অমুক বান্দা তোমার কাছে খাবার চেয়েছিল, কিন্তু তাকে তুমি খাবার দাওনি! তোমার কি জানা ছিল না যে, যদি তাকে খাওয়াতে, তাহলে অবশ্যই তা আমার কাছে পেতে?

- সহীহ মুসলিম

10/10/2023

''আল্লাহর ইচ্ছায় কত ক্ষুদ্র দল কত বৃহৎ দলকে পরাজিত করেছে''

[বাকারাহঃ ২৪৯]

09/04/2023

আজ ১৭ রমাদ্বান। মনে আছে এ দিবসের কথা? ইসলামের ইতিহাসে এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দিবস। বদরের দিবস। এ দিনে মক্কার কাফেরদের বিরুদ্ধে পেয়েছি আমরা অবিস্মরণীয় এক জয়। সেদিন আমরা পার্থিব শক্তির বিচারে দূর্বল ছিলাম কিন্তু ইমানি বলে বলিয়ান ছিলাম বিধায় বিশ্বকে আমাদের শক্তিমত্তা দেখাতে পেরেছি। আজও আমরা পার্থিব শক্তিতে দূর্বল কিন্তু ইমান বল না থাকায় শক্তিমত্তা প্রদর্শনের পরিবর্তে নির্যাতিত নিষ্পেষিত হচ্ছি। আমাদের প্রথম কেবলায় বিধর্মীরা আমাদেরই রক্ত দিয়ে হলি খেলে। আমাদের ভাইদের প্রাণ ওষ্ঠাগত হয় তাদের ছোড়া বুলেটে। এর চেয়ে হৃদয়বিদারক বিষয় আর কি হতে পারে?

আসুন! এ বদর দিবসে আমরা আরেকবার বদরের চেতনায় উজ্জীবিত হই। ইমানকে শানিত করি। গর্জে উঠি "লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ, মুহাম্মাদর রসুলুল্লাহ" এর ধ্বনিতে। এ ধ্বনিতে প্রকম্পিত হবে বিশ্ব। এ ধ্বনি ভাঙ্গন ধরাবে ইসলাম বিদ্বেষীদের আস্তানায়।

[রিপোস্ট]

26/03/2023

দুনিয়া ক্ষনস্থায়ী, তাই এখানকার সুখ-দুঃখও ক্ষনস্থায়ী। আখেরাত স্থায়ী, তাই ওখানকার সুখ-দুঃখও স্থায়ী। সেজন্য আল্লাহ তায়ালা তাঁর প্রিয় বান্দাদের দুনিয়াতে তাদের ভুল-ত্রুটির শাস্তি দিয়ে আখেরাতের জন্য প্রস্তুত করেন। পক্ষান্তরে কাফেরদের দুনিয়াতে তাদের ভালো কাজের ফলস্বরূপ তাদের সুখসমৃদ্ধি দেন। আখিরাতে তাদের আর কোন অংশ থাকে না। এটা এজন্য যে, দুনিয়া আল্লাহর নিকট মূল্যহীন, তাই আল্লাহ দুনিয়াতে কাফেরদের অংশ দিয়ে দেন, আর আখেরাতকে শুধু মুমিনদের জন্য নির্ধারণ করে রেখেছেন।

সাহল ইবনু সা’দ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ:
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ
"‏ لَوْ كَانَتِ الدُّنْيَا تَعْدِلُ عِنْدَ اللَّهِ جَنَاحَ بَعُوضَةٍ مَا سَقَى كَافِرًا مِنْهَا شَرْبَةَ مَاءٍ ‏"‏ ‏.‏
অর্থাৎ, আল্লাহ্‌ তা’আলার নিকট যদি এই পৃথিবীর মূল্য মশার একটি পাখার সমানো হত তাহলে তিনি কোন কাফিরকে এখানকার পানির এক ঢোকও পান করাতেন না।
[জামে' আত-তিরমিজি, হাদিস নং ২৩২০]
আল্লাহর কাছে এই দুনিয়ার জীবনের কোনো মূল্য নেই। এজন্য দেখা যায়, তাঁর প্রিয় বান্দাদের অনেকে না খেয়ে থাকে, বিপদ-আপদে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে। অথচ অনেক পাপিষ্ঠ ও জালিম কোনো বাধা-বিপত্তি ছাড়াই প্রাচুর্যের মধ্যে জীবনযাপন করে।
রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জিজ্ঞাসা করা হয়, ‘হে আল্লাহর রাসুল! দুনিয়াতে সবচেয়ে বিপদগ্রস্ত কে?’ উত্তরে তিনি বলেন, ‘‘নবিগণ। অতঃপর যারা (বৈশিষ্ট্যে) তাঁদের নিকটবর্তী, অতঃপর যারা তাঁদের নিকটবর্তী। মানুষকে তার দ্বিন অনুযায়ী পরীক্ষা করা হয়। দ্বিনি অবস্থান পাকাপোক্ত হলে পরীক্ষা কঠিন হয়। দ্বিনি অবস্থান দুর্বল হলে পরীক্ষাও শিথিল হয়। বিপদ-আপদ ঈমানদার ব্যক্তিকে পাপশূন্য করে দেয়। একসময় সে দুনিয়াতে নিষ্পাপ অবস্থায় বিচরণ করতে থাকে।’’ [আলবানি, সহিহুল জামি’: ৯৯২; হাদিসটি সহিহ]
আল্লাহ্‌ তা‘আলা বলেন, “যেদিন কাফিরদেরকে জাহান্নামের সামনে হাজির করা হবে (সেদিন তাদের বলা হবে), তোমরা তোমাদের দুনিয়ার জীবনেই যাবতীয় সুখ-সম্ভোগ নিঃশেষ করে ফেলেছো এবং সেগুলো উপভোগও করেছো। সুতরাং আজ তোমাদের দেওয়া হবে অপমানজনক শাস্তি; কারণ তোমরা জমিনে অন্যায়ভাবে ঔদ্ধত্য প্রকাশ করতে এবং পাপাচার করতে।” [সুরা আহকাফ, আয়াত: ২০]
আল্লাহর কাছে দুনিয়ার মূল্য থাকলে তাঁর প্রিয় বান্দাদেরকে সম্পদের পাহাড় দিতেন, প্রাচুর্যে ডুবিয়ে রাখতেন এবং সকল কষ্ট ও দুঃখ-বেদনা থেকে মুক্ত রাখতেন। কিন্তু আল্লাহ এমনটি করেন না। বরং তাদের প্রতিদান রেখে দেন আখিরাতের জন্য। সুতরাং, ঈমানদার ব্যক্তিদের হতাশ হওয়া উচিত নয়।
আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা‘আলা বলেন, ‘‘সুতরাং, ধৈর্য ধারণ করো। শুভ পরিণাম আল্লাহভীরুদের জন্যই।’’ [সুরা হুদ: আয়াত ৪৯]

উমার (রা.) বলেন, একবার আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের বাড়িতে প্রবেশ করি। তখন তিনি চাটাইয়ের উপর শুয়ে ছিলেন। তাঁর দেহ ও চাটাইয়ের মাঝখানে কোনো বিছানা ছিলো না। তাঁর শরীরে চাটাইয়ের স্পষ্ট দাগ পড়ে গিয়েছিলো। তাঁর পার্শ্বে ছিলো খেজুর গাছের চোকার বালিশ। তা দেখে উমার (রা.) কেঁদে ফেলেন। আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম জিজ্ঞাসা করেন, ‘‘হে উমার! হঠাৎ কেঁদে উঠলে কেনো?’’ উমার (রা.) বলেন, ‘হে আল্লাহর রাসুল! পারস্য ও রোমের সম্রাট কত সুখ-বিলাসে বাস করছে। আর আপনি আল্লাহর রাসুল হয়েও এ অবস্থায় দিনাতিপাত করছেন? আপনি আল্লাহর নিকট প্রার্থনা করুন, যেন তিনি আপনার উম্মতকে পার্থিব সুখ-সম্পদে সমৃদ্ধ করেন। পারস্য ও রোমের অধিবাসীদের আল্লাহ দুনিয়ার সুখ-সামগ্রী দান করেছেন, অথচ তারা তাঁর ইবাদত করে না!’ এ কথা শুনে নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হেলান ছেড়ে ওঠে বসলেন এবং বললেন, ‘‘হে উমার! এই ব্যাপারে তুমি এমন কথা বলছো? ওরা হলো এমন জাতি, যাদের সুখ-সম্পদকে এ জগতেই দ্রুত দিয়ে দেওয়া হয়েছে। তুমি কি চাও না যে, ওদের সুখ ইহকালে আর আমাদের সুখ পরকালে হোক?’’ [বুখারি, আস-সহিহ: ৫১৯১; মুসলিম, আস-সহিহ: ৩৭৬৮]
এই হাদিসটি আমাদের দৃষ্টিভঙ্গিতে বিরাট পরিবর্তন এনে দিতে পারে। দুনিয়া নামক মরীচিকার পেছনে ছুটতে থাকা ব্যক্তিদের থমকে দিতে পারে। কিন্তু আমরা তো ইতোমধ্যে দুনিয়াতে মজে গিয়েছি। তাই, জীবন নিয়ে ভাববার মতো সময়টুকু আমাদের হয়ে ওঠে না।
কাফিররা এত সুখে আছে, মুসলিমরা কত কষ্টে জীবনযাপন করছে, এই দুঃখে যারা অস্থির, তাদের জন্য উপরের হাদিসটিতে উত্তর আছে। আমরা আখিরাতে বিশ্বাসী মুমিন। আমরা আল্লাহর অপরূপ সৃষ্টি জান্নাতে গিয়ে পরিপূর্ণ আনন্দ উদযাপন করবো ইনশাআল্লাহ্। দুনিয়াতে কাফেরদের চাকচিক্যে আমরা বিভ্রান্ত হবো না। আল্লাহ্ বলেন, ‘‘দেশে দেশে কাফেরদের চাল-চলন যেনো তোমাদের ধোঁকায় না ফেলে!’’ [সুরা আলে ইমরান, আয়াত: ১৯৬]
এক হাদিসে নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, ‘‘মুমিনের ব্যাপারটি বেশ আশ্চর্যজনক! কেননা, তার সকল কাজই কল্যাণময়। যদি সে কোনো মুসিবতে নিপতিত হয়, তাহলে ধৈর্যধারণ করে, যা তার জন্য কল্যাণকর হয়। আর যদি কোনো নিয়ামতপ্রাপ্ত হয়, তাহলে (আল্লাহর) প্রশংসাসহ কৃতজ্ঞতা আদায় করে, এটিও তার জন্য কল্যাণকর হয়।’’ [মুসলিম, আস-সহিহ: ২৯৯৯]
আল্লাহ্‌ তা‘আলা বলেন, “যেদিন কাফিরদের জাহান্নামের সামনে হাজির করা হবে (সেদিন তাদের বলা হবে), তোমরা তোমাদের দুনিয়ার জীবনেই যাবতীয় সুখ-সম্ভোগ নিঃশেষ করে ফেলেছো এবং সেগুলো উপভোগও করেছো। সুতরাং আজ তোমাদের দেওয়া হবে অপমানজনক শাস্তি; কারণ তোমরা জমিনে অন্যায়ভাবে ঔদ্ধত্য প্রকাশ করতে এবং পাপাচার করতে।” [সুরা আহকাফ, আয়াত: ২০]
‘‘সুতরাং ধৈর্য ধারণ করো। শুভ পরিণাম মুত্তাকিদের জন্যই।’’ [সুরা হুদ: আয়াত ৪৯]

24/03/2023

মুমিনের জীবনের প্রতিটি দুঃখ-কষ্ট আল্লাহর রহমতস্বরূপ। রয়েছে সেজন্য প্রতিদানের ব্যবস্থা। এমনকি পায়ে সামান্য একটি কাঁটা বিঁধলেও।

আবূ সা’ঈদ খুদরী (রাঃ) ও আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ "মুসলিম ব্যক্তির উপর যে কষ্ট ক্লেশ, রোগ-ব্যাধি, উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা, দুশ্চিন্তা, কষ্ট ও পেরেশানী আসে, এমনকি যে কাঁটা তার দেহে ফুটে, এ সবের মাধ্যমে আল্লাহ্‌ তার গুণাহসমূহ ক্ষমা করে দেন।"
[সহিহ বুখারী, হাদিস নং ৫৬৪১]

আমাদের জীবনে প্রতিটি বাঁকে অনেক স্বপ্ন উঁকি দেয়। অনেক স্বপ্ন সত্যি হয়। আবার অনেক স্বপ্ন ধুলোয় মিশে যায়। হারানো স্বপ্নগুলো নিয়ে আমরা অবসাদগ্রস্ত, চিন্তিত হয়ে পড়ি। সামনের সুন্দর দিনগুলোও নষ্ট করে ফেলি। এ কথা মনে রাখা দরকার কোনো স্বপ্ন পূরণ হলেই যে সব সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে তার কিন্তু নিশ্চয়তা নাই। আবার কোনো স্বপ্ন পূরণ না হলে জীবন থমকে যাবে এমনটাও নয়। আমাদের দায়িত্ব সর্বোচ্চ চেষ্টাটুকু করা। ফলাফল যাই আসুক গ্রহণ করে সামনে এগিয়ে যাওয়া।

কোনো কিছু আমরা যেভাবে ভাবি, স্বপ্ন দেখি, বাস্তবে তা নাও হতে পারে। যে ফ্ল্যাটটা কিনলে ভেবেছিলেন সুখের অভাব হবে না, হতে পারে তা কেনার পর দুঃখ আপনার পিছন ছাড়ছে না। যে চাকরি পেলে ভেবেছেন টাকার অভাব হবে না, সে চাকরি পাওয়ার আগেই দুনিয়া থেকে চলে যেতে হতে পারে।

তাই যেকোন স্বপ্নভঙ্গ, বিপদাপদ বা খারাপ অবস্থায় অস্থির হওয়া বা আল্লাহ উপর অসন্তুষ্ট হওয়া যাবে না। আল্লাহ তাঁর সৃষ্টি (বান্দা) সম্পর্কে অধিক জ্ঞাত এবং শুভাকাঙ্ক্ষী। তিনি জানেন বান্দার জন্য কোন জিনিস ভালো আর কোন জিনিস মন্দ। আমরা যা নিজের জন্য কল্যাণকর মনে করছি সেটা তা নাও হতে পারে। আবার যা অকল্যানকর মনে করছি সেটা কল্যাণকর হতে পারে। তাই তাঁর উপর সর্বদা ভরসা করতে হবে। তাঁর সিন্ধান্তকে সন্তুষ্টচিত্তে মেনে নিতে হবে।

"বস্তুতঃ তোমরা এমন বিষয়কে অপছন্দ করছ যা তোমাদের জন্য কল্যাণকর, আর তোমরা এমন বিষয়কে পছন্দ করছ যা তোমাদের জন্য বাস্তবিকই অনিষ্টকর এবং আল্লাহই (তোমাদের ভাল-মন্দ) অবগত আছেন এবং তোমরা অবগত নও।"
[সূরাহঃ বাকারাহঃ ২১৬]

Address

Green View
Chittagong
4211

Telephone

+8801779746092

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Kazi Muhammad Abdul Wajed posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to Kazi Muhammad Abdul Wajed:

Share