22/02/2026
#পর্ব_০৪
#দাওয়াতে_খায়র {কল্যাণের পথে আহ্বান }
#হাদীস_শরীফঃ অর্থাৎ সাইয়্যেদুনা হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর (রা:) বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল-ই পাক সাহেবে লাওলাক (ﷺ) এরশাদ করেছেন, রোযা ও ক্বোরআন (ক্বিয়ামত দিবসে) রোযাদারের জন্য (আল্লাহর দরবারে) সুপারিশ করবে।রোযা আরয করবে - হে রাব্বুল আলামীন! আমি আপনার এ বান্দাকে দিনের বেলায় পানাহার ও মনের কামনা-বাসনার বস্তুু গ্রহণ করা থেকে বিরত রেখেছি।অতএব,আজ আমার সুপারিশ তার পক্ষে কবূল করুন।আর ক্বোরআন বলবে- আমি তাকে রাতের বেলায় নিদ্রা থেকে বিরত রেখেছি। অতএব, আমার সুপারিশ তার পক্ষে কবূল করুন! অতঃপর রোযা ও ক্বোরআন উভয়ের সুপারিশ রোযাদারের পক্ষে কবূল করা হবে।
[বায়হাক্বী, শু'আবুল ঈমান]
#মাসয়ালা:- এ কথা চির সত্য যে, মুখ,কান ও নাক দিয়ে তরল ঔষধ পেটে বা মস্তিষ্কে প্রবেশ করালে অথবা পেট ও মাথার ক্ষতস্থানে তরল ঔষধ লাগানোর ফলে তা পেটে বা মস্তিষ্কে পৌঁছালে রোযা নষ্ট হয়ে যায়,যা পূর্বে বর্ণনা করা হয়েছে।সুতরাং যদি কোন খাদ্য জাতীয় তরল বস্তুু বা তরল ঔষধ ইনজেকশন ও স্যালাইনের মাধ্যমে পেটে ও মস্তিষ্কে পৌঁছানো হয়,তবে রোযা নষ্ট হয়ে যাবে, পরে তা ক্বাযা করতে হবে। কিন্তু যে সমস্ত ইনজেকশন হাতে-পায়ের রগ বা শরীরের মাংসে পুশ( ব্যবহার) করে রগে বা মাংসে ঔষধ ঢুকানো হয়,যা অধিকাংশ হাকিম ও পারদর্শী ডাক্তারের অভিমতানুযায়ী সরাসরি পেটে বা মস্তিষ্কে পৌঁছে না,বরং তা শরীরের রক্তে মিশে যায়,এ ধরণের ইনজেকশন দ্বারা কোন কোন বিজ্ঞ গবেষক ওলামা-ই কেরামের মতে রোযা নষ্ট হবে না।যেহেতু তরল ঔষধ ব্যবহারে রোযা নষ্ট হবে তখনই, যখন উক্ত ঔষধ পেট বা মস্তিষ্কে পৌঁছে যায়।
★নতুবা রোযা নষ্ট হবে না,যেমন শরীরের যে কোন ক্ষতস্থানে তরল ঔষধ লাগালে রোযা নষ্ট হবে না,যদি তা পেটে বা মস্তিষ্কে না পৌঁছে, এমনকি অধিকাংশ ওলাম-ই কেরাম বিশেষতঃ ইমাম-ই আযম আবূ হানিফা (রা:) ও ইমাম মুহাম্মদ (রহ:) মতে পুরুষের প্রস্রাবের রাস্তায় তৈল বা পানি বা তরল ঔষধ দিলে তা অভিজ্ঞ ডাক্তার বা হাকিমগণের মতে পেট বা মস্তিষ্কে পৌঁছে না,তবে মহিলার লজ্জাস্থানে বা প্রস্রাবের ছিদ্রে তৈল বা পানি বা তরল ঔষধ প্রবেশ করালে রোযা নষ্ট হয়ে যাবে।
কারন তখন তা পেটে পৌঁছে যায়।
[জরুরী মাসায়েল,কৃত: মুফতী জালাল উদ্দিন আহমদ আমজাদী]