গাউছিয়া কমিটি বাংলাদেশ

গাউছিয়া কমিটি বাংলাদেশ নামাজ বেহেশতের চাবি,নবীর প্রেম নামাজ কবুল হওয়ার পূর্ব শর্ত।

20/04/2026
 #পর্ব_১৯ #দাওয়াতে_খায়র {কল্যাণের পথে আহ্বান } #হাদীস_শরীফঃ  #অনুবাদঃ হযরত আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত আছে,নবী করীম (ﷺ) ইরশাদ...
10/03/2026

#পর্ব_১৯
#দাওয়াতে_খায়র {কল্যাণের পথে আহ্বান }
#হাদীস_শরীফঃ
#অনুবাদঃ হযরত আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত আছে,নবী করীম (ﷺ) ইরশাদ করেন,তোমাদের মধ্যে কেউ কামিল ঈমানদার হবে না; যতক্ষণ না সে নিজের যা পছন্দ করে,তা তার ভাইয়ের জন্য পছন্দ করবে।
[সহীহ বুখারী হাদীস নং ১৩; সহীহ মুসলিম হাদীস নং ১৭৯; ইবনে মাজাহ হাদীস নং ৬৬,সুনান তিরমিযী হাদীস নং ২৫১৫; সুনান নাসাঈ হাদীস নং ১১৭৪৭]
#নেসাব_ও_তদনুযায়ী_যাকাতের_পরিমাণঃ
১/ স্বর্ণ ও রৌপ্যের যাকাতের নেসাবঃ-
★ স্বর্ণ ও রৌপ্য ব্যবসায়িক হোক কিংবা ব্যবহারিক হোক,নেসাব পরিমাণ হলে সর্বাবস্থায় যাকাত ওয়াজিব।সর্বসম্মতিক্রমে স্বর্ণের যাকাতের নেসাব ২০ মিসক্বাল বা সাড়ে সাত তোলা তথা ৮৭.৪৫গ্রাম।এর কম পরিমাণ স্বর্ণে (যদি যাকাত যোগ্য অন্য কোন মাল না থাকে) যাকাত নেই।নিসাব পরিমাণ স্বর্ণ পূর্ণ এক বছর কারো মালিকানায় থাকলে অর্ধ মিসক্বাল অর্থাৎ চল্লিশ ভাগের এক ভাগ স্বর্ণ অথবা তৎপরিমাণ সম্পদ বা অর্থ যাকাত হিসেবে ওয়াজিব হবে।এটাই স্বর্ণের একক হিসাব।
#রৌপ্যঃ সকল ওলামা ও ফোক্বাহার ঐক্যমত্যে রূপার নেসাব হচ্ছে পাঁচ আওক্বিয়া বা দু'শ দিরহাম অর্থাৎ সাড়ে ৫২ তোলা তথা ৬১২.২৫গ্রাম।এর কম পরিমাণে রৌপ্যের যাকাত নেই।এ পরিমাণ চাঁদিতে ৫দিরহাম এবং এর চেয়ে বর্ধিত হলে প্রতি চল্লিশ দিরহামে এক দিরহাম করে বৃদ্ধি হবে। স্বর্ণ ও রৌপ্য কোনটা নেসাব পরিমাণ না থাকলে এবং যাকাত যোগ্য কোন প্রকার নগদ অর্থও না থাকলে উভয়ের সংমিশ্রণে অপেক্ষাকৃত কম পরিমাণ অর্থাৎ সাড়ে ৫২ তোলা রৌপ্যের সমান মূল্যমান দাঁড়ালে সেটাই নেসাব হিসেবে সাব্যস্ত হবে।এ ছাড়া সকল নগদ টাকা-পয়সা রৌপ্যের নেসাবের সমমূল্য হলে তার চল্লিশভাগের একাংশ যাকাত আদায় করতে হবে।
[গাউসিয়া তারবিয়াতী নেসবা ২৮০নং পৃষ্ঠা]
#বিঃদ্রঃ আপনার ফিতরা ও যাকাতের চার ভাগের এক ভাগ জামেয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া আলিয়া মাদরাসার মিসকিন ফান্ডে দান করুক।
আপনার সে অর্থ দিয়ে একজন হাক্কানী আলেম তৈরী হবে।
★আপনার পক্ষে হয়তবা একজন এতিমকে আলেম বানানো সম্ভব হবে না।আপনার যাকাতের চার ভাগের এক ভাগের অর্থ দিয়ে একজন এতিমের থাকা-খাওয়ার, পড়াশোনা ব্যবস্থা হবে।আপনার অর্থ জামেয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া আলিয়া মাদ্রাসার লিল্লা ফান্ডে দান করুন।

02/03/2026

Celebrating my 8th year on Facebook. Thank you for your continuing support. I could never have made it without you. 🙏🤗🎉

 #পর্ব_০৮ #দাওয়াতে_খায়র {কল্যাণের পথে আহ্বান } #হাদীস_শরীফঃ  #অনুবাদঃ হযরত আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত আছে,নবী করীম (ﷺ) ইরশাদ...
26/02/2026

#পর্ব_০৮
#দাওয়াতে_খায়র {কল্যাণের পথে আহ্বান }
#হাদীস_শরীফঃ
#অনুবাদঃ হযরত আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত আছে,নবী করীম (ﷺ) ইরশাদ করেন, তোমাদের মধ্যে কেউ কামিল ঈমানদার হবে না; যতক্ষণ না সে নিজের জন্য যা পছন্দ করে, তা তার ভাইয়ের জন্য পছন্দ করবে।
[সহীহ বুখারী হাদিস নং-১৩, সহীহ মুসলিম হাদিস নং-১৭৯, ইবন মাজাহ হাদীস নং-৬৬,সুনান তিরিমিযী হাদীস নং-২৫১৫,সুনান নাসাঈ হাদীস নং-১১৭৪৭]
#ইফতার_এবং_সাহরীর_মাসাইলঃ
★★ সূর্য অস্ত যাওয়ার পর পানাহারের মাধ্যমে রোযা ভঙ্গ করাকে শরীয়তের পরিভাষায় ইফতার বলা হয়, আর শেষ রাতে সুবহে সাদিক্বের পূর্বে আহার গ্রহণ করাকে সাহরী বলা হয়।
ইফতার ও সাহরী উভয়টা সুন্নাতে রাসূল ও নেহায়ত বরকতময়।
রোযাদার নিজেও ইফতার এবং সাহরী গ্রহণ করবে এবং সম্ভব হলে স্বীয় হালাল রুজি হতে অপর রোযাদারকে ইফতার ও সাহরীতে শরীক করাবে।এতে অনেক সাওয়াব ও রহমত লাভ হয়।তবে সূর্য ডুবে যাওয়ার পর ইফতারে বিলম্ব না করা আর সুবহে সাদিক্বের আগ পর্যন্ত সাহেরী গ্রহণে বিলম্ব করা সুন্নাত ও পূর্ণ্যময়।অবশ্য সূর্যাস্ত নিশ্চিত হওয়ার পরই ইফতার বরকতময়।
[দুররে মোখতার ও বাহারে শরীয়ত ইত্যাদি ]
★★ হালাল রুজি দ্বারা কোন রোযাদারকে ইফতার করানোর ফযীলত সম্পর্কে প্রিয় নবী সরকারে দু'আলম (ﷺ) এরশাদ করেন, কোন রোযাদারকে হালাল খাদ্য দ্রব্য দিয়ে অথবা সম্ভব না হলে শুধু পানি দিয়ে ইফতার করালে মাহে রমযানের সারা মাস ফিরিশতারা তাঁর জন্য ইস্তিগফার করে।স্বয়ং হযরত জিব্রাইল (আঃ) শবে ক্বদরে তার জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করেন।
[তাবরানী শরীফ ইত্যাদি ]
★★অন্য হাদীসে হুযূর সরওয়ারে কা-ইনাত (ﷺ) এরশাদ করেন- তোমরা সেহেরী খাও,যেহেতু সাহরীর মধ্য বরকত রয়েছে।
[বুখারী ও মুসলিম শরীফ]
#ইফতারের_দোয়াঃ
হুযূরে আকরাম (ﷺ) ইফতারের সময় নিম্নলিখিত দো'আটি প্রায়শ পাঠ করতেন-
#উচ্চারণঃ আল্লাহুম্মা লাকা ছুমতু ওয়া আ'লা রিজকিকা আফতারতু।
#অর্থঃ হে আল্লাহ একমাত্র তোমার সন্তুষ্টির জন্য রোযা রেখেছি এবং তোমার প্রদত্ত রিযক্ব দ্বারা ইফতার করছি।
[আবূ দাঊদ শরীফ ইত্যাদি ]
সুতরাং ইফতারের সময় উক্ত দো'আ পাঠ করা ও যতটুকু সম্ভব দুরূদ শরীফ পাঠ করা নেহায়ত পূর্ণ্যময় ও মুস্তাহাব।]

 #পর্ব_০৬ #দাওয়াতে_খায়র {কল্যাণের পথে আহ্বান } #হাদীস_শরীফঃ অর্থাৎ হাদীসে নবভী শরীফের একনিষ্ঠ খাদেম সাহাবী-ই রাসূল সাইয়্...
24/02/2026

#পর্ব_০৬
#দাওয়াতে_খায়র {কল্যাণের পথে আহ্বান }
#হাদীস_শরীফঃ
অর্থাৎ হাদীসে নবভী শরীফের একনিষ্ঠ খাদেম সাহাবী-ই রাসূল সাইয়্যেদুনা হযরত আবূ হোরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলে করীম রউফুর রহীম (ﷺ) এরশাদ করেছেন, (রহমত,মাগফিরাত ও জাহান্নাম থেকে নাজাতের সওগাত) যখন মাহে রমযান শুরু হয়,তখন আসমানের দরজাসমূহ উম্মুক্ত করা হয়।আর এক রেওয়াতে বর্ণিত হয়েছে,জান্নাতের দরজাসমূহ খুলে দেয়া হয় আর জাহান্নামের দরজাসমূহ বন্ধ করে দেয়া হয় এবং শয়তানদেরকে জিঞ্জিরাবদ্ধ করা হয়।অন্য রেওয়ায়তে রয়েছে- রহমতের দরজাসমূহ খূলে দেয়া হয়।
[সহীহ বোখারী, সহীহ মুসলিম ও মিশকাত শরীফ]
#রোযার_মাকরূহসমূহঃ-
★★গীবত,চুগলী,গালি-গালাজ, বেহুদা কথা-বার্তা বলা, কারো অন্তরে কষ্ট দেওয়া, আল্লাহর বান্দাগণের উপর যুলম করা,অশ্লীল কথাবার্তা, বেহায়াপনা ও ইচ্ছাকৃত মিথ্যা বলা হারাম ও গুনাহ।রোযা অবস্থায় এ সমস্ত নিষিদ্ধ কাজ করা আরো জঘন্য। সুতরাং এ সবের কারণে রোযা মাকরূহ হয়ে যায়।তবে ক্বাযা ও কাফফারা ওয়াজিব হয় না,কিন্তু রোযাদার অবশ্যই গুনাহগার হবে এবং রোযার সাওয়াব অনেক কমে যাবে।
[বাহারে শরীয়তঃ ৫ম খন্ড ইত্যাদি ]
★★বিনা প্রয়োজনে রোযাদার কোন খাদ্য জাতীয় বস্তুর স্বাদ গ্রহণ করা বা কোন শক্ত খাদ্য দ্রব্য যেমন রুটি ইত্যাদি চিবানো মাকরূহ।
অবশ্য স্বামী বা মুনিব যদি বদ মেজাজী হয় কিংবা শিশু যদি এত ছোট হয় যে,তাকে দেয়ার মত অন্য কোন গরম খাদ্য না থাকে,এমতাবস্থায় তাকে রুটি চিবিয়ে নরম করে দেওয়া মাকরূহ নয়।অবশ্য স্বাদ গ্রহণের সময় বা চিবিয়ে নরম করার সময় সতর্ককতা অবলম্বন করতে হবে যেন নিজের কন্ঠনালীর ভিতরে কিছু প্রবেশ না করে,বরং সামান্য মুখে রেখে স্বাদ অনুভব করে বা রুটি চিবানোর সাথে সাথে থুথু ফেলে দেবে এবং চিবানো রুটি বের করে ফেলবে।অসতর্কাবস্থায় রোযা ভেঙ্গে যাওয়ার আশঙ্কা অত্যন্ত বেশী।
[দুররে মোখতার]
★★রোযাদারের জন্য গোসল ও ওযূতে কুল্লি করার সময় ও নাকে পানি দেওয়ার সময় অতিরিক্ত করা মাকরূহ।যেহেতু এমতাবস্থায় ভিতরে পানি প্রবেশের ভয় থাকে।
[আলমগীরী ইত্যাদি]

 #পর্ব_৫ #দাওয়াতে_খায়র {কল্যাণের পথে আহ্বান} #হাদীস_শরীফঃ  #অনুবাদঃ হযরত আনাস ইবন মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিত,রাসুলুল্লাহ (ﷺ...
23/02/2026

#পর্ব_৫
#দাওয়াতে_খায়র {কল্যাণের পথে আহ্বান}
#হাদীস_শরীফঃ
#অনুবাদঃ হযরত আনাস ইবন মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিত,রাসুলুল্লাহ (ﷺ) ইরশাদ করেন,যে আমার উপর একবার দরূদ পড়ে,আল্লাহ তা'আলা তার উপর দশবার রহমত বর্ষণ করেন।আর তার দশটি গুনাহ মাফ করা হয় এবং তার দশটি স্তর বুলন্দ করা হয়।
[সুনান নাসাঈ শরীফ-১২২০,সুনান তিরিমিযী হাদীস নং-৪৮৪,সহীহ ইবন হাব্বান হাদীস নং- ৯০৪]
[সহীহ বোখারী ও মুসলিম শরীফ ]
#রোযার_মূল্যায়নগত_প্রকারভেদঃ-
#যাহেরী_রোযাঃ যা আমরা পানাহার ও স্ত্রী সহবাস পরিত্যাগ করার মাধ্যমে আদায় করে থাকি।
#বাতেনী_বা_গোপনীয়_রোযাঃ এটা ক্বলব বা আত্মাকে ভিন্নমুখী না করে সম্পূর্ণরূপে পরম করুণাময়ের প্রতি বিলীন করে দেওয়া ও হিংসা-বিদ্বেষ ত্যাগ করে স্বীয় আত্মাকে মাহে রমযানের করুনা লাভে ধন্য করা।
মূলতঃ এটাই আত্মশুদ্ধি।এটা যতক্ষণ পর্যন্ত মানব হৃদয়ে হাসিল হবে না,ততক্ষণ পর্যন্ত জাহেরী রোযা বা দৈহিক উপবাস কোন কাজে আসবে না।
#প্রত্যেক_অঙ্গ_প্রত্যেঙ্গের_রোযাঃ যেমন অশ্লীল আলাপ,মিথ্যা কথা ও পরনিন্দা থেকে মুখকে হেফাযত করা মুখের রোযা,গুনাহর কাজ থেকে চক্ষু ফিরিয়ে রাখা চক্ষুদ্বয়ের রোযা, হাতে কুকর্ম না করা হাতের রোযা,মন্দ কাজের দিকে অগ্রসর না হওয়া পদযুগলের রোযা।প্রকৃত অর্থে এটাই রোযার লক্ষ্য - উদ্দেশ্য।
[তাফসীরে রুহুল বয়ান ইত্যাদি ]
#দোয়াঃ
আল্লাহুমা আজিরনী মিনান্নার।
#ফযিলতঃ যে ব্যক্তি ফজর ও মাগরিবের নামাযের পর কথাবার্তা না বলিয়া এই দোয়া সাতবার পড়বে,যদি সে রাত্রে বা দিনে মারা যায় তবে দোযখ হতে নাজাত পাবে।

 #পর্ব_০৪ #দাওয়াতে_খায়র {কল্যাণের পথে আহ্বান } #হাদীস_শরীফঃ অর্থাৎ সাইয়্যেদুনা হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর (রা:) বর্ণিত, তিন...
22/02/2026

#পর্ব_০৪
#দাওয়াতে_খায়র {কল্যাণের পথে আহ্বান }
#হাদীস_শরীফঃ অর্থাৎ সাইয়্যেদুনা হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর (রা:) বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল-ই পাক সাহেবে লাওলাক (ﷺ) এরশাদ করেছেন, রোযা ও ক্বোরআন (ক্বিয়ামত দিবসে) রোযাদারের জন্য (আল্লাহর দরবারে) সুপারিশ করবে।রোযা আরয করবে - হে রাব্বুল আলামীন! আমি আপনার এ বান্দাকে দিনের বেলায় পানাহার ও মনের কামনা-বাসনার বস্তুু গ্রহণ করা থেকে বিরত রেখেছি।অতএব,আজ আমার সুপারিশ তার পক্ষে কবূল করুন।আর ক্বোরআন বলবে- আমি তাকে রাতের বেলায় নিদ্রা থেকে বিরত রেখেছি। অতএব, আমার সুপারিশ তার পক্ষে কবূল করুন! অতঃপর রোযা ও ক্বোরআন উভয়ের সুপারিশ রোযাদারের পক্ষে কবূল করা হবে।
[বায়হাক্বী, শু'আবুল ঈমান]
#মাসয়ালা:- এ কথা চির সত্য যে, মুখ,কান ও নাক দিয়ে তরল ঔষধ পেটে বা মস্তিষ্কে প্রবেশ করালে অথবা পেট ও মাথার ক্ষতস্থানে তরল ঔষধ লাগানোর ফলে তা পেটে বা মস্তিষ্কে পৌঁছালে রোযা নষ্ট হয়ে যায়,যা পূর্বে বর্ণনা করা হয়েছে।সুতরাং যদি কোন খাদ্য জাতীয় তরল বস্তুু বা তরল ঔষধ ইনজেকশন ও স্যালাইনের মাধ্যমে পেটে ও মস্তিষ্কে পৌঁছানো হয়,তবে রোযা নষ্ট হয়ে যাবে, পরে তা ক্বাযা করতে হবে। কিন্তু যে সমস্ত ইনজেকশন হাতে-পায়ের রগ বা শরীরের মাংসে পুশ( ব্যবহার) করে রগে বা মাংসে ঔষধ ঢুকানো হয়,যা অধিকাংশ হাকিম ও পারদর্শী ডাক্তারের অভিমতানুযায়ী সরাসরি পেটে বা মস্তিষ্কে পৌঁছে না,বরং তা শরীরের রক্তে মিশে যায়,এ ধরণের ইনজেকশন দ্বারা কোন কোন বিজ্ঞ গবেষক ওলামা-ই কেরামের মতে রোযা নষ্ট হবে না।যেহেতু তরল ঔষধ ব্যবহারে রোযা নষ্ট হবে তখনই, যখন উক্ত ঔষধ পেট বা মস্তিষ্কে পৌঁছে যায়।
★নতুবা রোযা নষ্ট হবে না,যেমন শরীরের যে কোন ক্ষতস্থানে তরল ঔষধ লাগালে রোযা নষ্ট হবে না,যদি তা পেটে বা মস্তিষ্কে না পৌঁছে, এমনকি অধিকাংশ ওলাম-ই কেরাম বিশেষতঃ ইমাম-ই আযম আবূ হানিফা (রা:) ও ইমাম মুহাম্মদ (রহ:) মতে পুরুষের প্রস্রাবের রাস্তায় তৈল বা পানি বা তরল ঔষধ দিলে তা অভিজ্ঞ ডাক্তার বা হাকিমগণের মতে পেট বা মস্তিষ্কে পৌঁছে না,তবে মহিলার লজ্জাস্থানে বা প্রস্রাবের ছিদ্রে তৈল বা পানি বা তরল ঔষধ প্রবেশ করালে রোযা নষ্ট হয়ে যাবে।
কারন তখন তা পেটে পৌঁছে যায়।
[জরুরী মাসায়েল,কৃত: মুফতী জালাল উদ্দিন আহমদ আমজাদী]

 #পর্ব_০৩ #দাওয়াতে_খায়র {কল্যাণের পথে আহ্বান } #কোরআন_শরীফ:  #তরজমা: মাহে রমযান এমন একটি পবিত্র মাস,যে মাসে ক্বোরআন মজীদ...
21/02/2026

#পর্ব_০৩
#দাওয়াতে_খায়র {কল্যাণের পথে আহ্বান }
#কোরআন_শরীফ:
#তরজমা: মাহে রমযান এমন একটি পবিত্র মাস,যে মাসে ক্বোরআন মজীদ অবতীর্ণ হয়েছে,এমতাবস্থায় যে,উক্ত ক্বোরআন মানব গোষ্ঠীর জন্য পথ প্রদর্শনকারী, হিদায়তের উজ্জ্বল প্রমাণ এবং সত্য আর অসত্যের মধ্যে পার্থক্যকারী।সুতরাং তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি এ পবিত্র মাসকে পাবে,অবশ্যই যেন সে সেটার রোযা পালন করে।আর যদি কেউ উক্ত মাসে অসুস্থ হয়ে পড়ে কিংবা সফরে থাকে,তবে তারা অন্য দিনসমূহে রোযাগুলোর ক্বাযা করবে।
[২য় পারাঃ সূরা বাক্বারা]
#যে_সব_কারণে_রোযা_ভঙ্গ_হয়ে_যায় এবং ক্বাযা ও কাফফারা উভয়টা ওয়াজিব হয়:-
১/ রমযান মাসের ফরয রোযা নিয়্যত করে রাখার পর বিনা প্রয়োজনে ইচ্ছা করে পানাহার ও স্ত্রী সহবাস করলে।
#কাফফারার_বিবরণ:
ক. একজন গোলাম বা বাঁদী আযাদ করা।
খ. তা সম্ভবপর না হলে লাগাতার (মাঝখানে ভঙ্গ করা ছাড়া) রমযানের একটি রোযার বদলে অন্য সময়ে ষাটটি(৬০)রোযা রাখা।
গ. তাও সম্ভবপর না হলে ৬০(ষাট) জন মিসকীন ও অভাবীকে পেট ভরে খানা দেওয়া বা সমপরিমাণ খানার মূল্য
পরিশোধ করা।
★★কাফফারার ষাট রোযা যেন একাধারে হয়,কোন কারণে মাঝখানে বাদ দিলে পুনরায় ষাট রোযা নূতন করে একাধারে আদায় করতে হবে। অবশ্য কোন মহিলার কাফফারার একাধারে ষাট রোযা আদায় করাবস্থায় যদি মাসিক হায়েয বা ঋতুস্রাব শুরু হয়ে যায়,তবে হায়য থেকে পবিত্র হওয়ার পর কাফফারার বাকী রোযা আদায় করবে।
[রদ্দুল মুহতার, বাহারে শরীয়ত ইত্যাদি]
★★ লা ইলাহা ইল্লাল্লাহুল হালিমুল কারীমু সুবহানাল্লাহি রাব্বিস সামাওয়াতিস সাবই ওয়া রাব্বিল আরশিল আযীম।
[গারাইবুল কোরআন এর ১৮৫ পৃ: একটি বর্ণনা উল্লেখ করা হয়েছে, যে ব্যক্তি রাতের এ দো'আ তিন বার পড়ে নিবে সে যেনো শবে ক্বদর পেয়ে গেছে।সুতরাং প্রতি রাতে এ দোয়া পড়ে নেয়া চাই]

Address

Hamja Khan (R:) Shahi Jame Mosjid, Hamjarbag
Chittagong
4211

Telephone

+8801811551801

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when গাউছিয়া কমিটি বাংলাদেশ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share