Tajdeed - تجديد

Directions

Tajdeed - تجديد Embrace Change, Illuminate Faith Welcome to Tajdid - Illuminate Faith, Embrace Shift!

Embark on a transformative journey with us as we explore the beauty of renewal, guided by faith and a commitment to positive change. About Tajdid:
Tajdid is a community dedicated to the pursuit of spiritual growth and personal transformation. We believe in the power of renewal, embracing change as a pathway to a more enlightened and fulfilled life. Our Vision:
To inspire and guide individuals on their journey of self-discovery, encouraging them to leave behind the shadows of the past and step into the radiant light of renewal. We believe in the transformative power of faith and the beauty of embracing positive shifts in our lives. What We Offer:

- Daily reflections and inspirational quotes
- Thought-provoking articles on personal development and spiritual growth
- Community discussions on embracing positive change
- Virtual events and discussions with guest speakers
Join us on this transformative adventure and let's illuminate our paths together! Stay Updated:
Follow us for daily doses of inspiration, thought-provoking content, and engaging discussions. Don't miss out on our upcoming events and community activities!

রিযিক বৃদ্ধির শর্ত...
17/12/2023

রিযিক বৃদ্ধির শর্ত...

16/12/2023

সিলভারের পুরাতন হাড়িপাতিল দিয়ে সিলভারের নতুন হাড়িপাতিল নিতে হলে উভয় দিকে ওজনে সমান সমান করে লেনদেন করতে হবে। এক্ষেত্রে ওজনে কমবেশ করা সুদের অন্তর্ভুক্ত। তাই পুরাতন হাড়িপাতিল বদলাতে চাইলে পুরাতনগুলি ফেরিওয়ালার কাছে টাকার বিনিময়ে বিক্রি করবে। আর সিলভারের নতুন হাড়িপাতিলও আলাদাভাবে টাকার বিনিময়ে ক্রয় করবে।

[তাকমিলা ফাতহুল মুলহিম ১/৫৭৮, তাফসীরে কুরতুবী ৩/২২৮, আদ্দুররুল মুখতার ৫/১৭২, তাবয়ীনুল হাকায়েক ৪/৪৫৫]

11/12/2023

পুরুষের জন্য হাতে-পায়ে মেহেদি ব্যবহার করা নিষিদ্ধ (নাসাঈ: ৫০৮৯)।

কিন্তু কেন?
কারণ, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মহিলাদের সাদৃশ্য অবলম্বনকারী পুরুষদের অভিসম্পাত করেছেন (সহিহ বুখারি: ৫৮৮৫)।

মূলত মেহেদি মহিলাদের সাজসজ্জার একটি উপকরণ। আর পুরুষদের জন্য মহিলাদের সাদৃশ্য থেকে বিরত থাকা আবশ্যক। তাই বিয়ে হোক কিংবা কোনো অনুষ্ঠান, পুরুষদের হাতে বা পায়ে মেহেদি লাগানো সম্পূর্ণ নাজায়েজ। তবে সাজসজ্জা ব্যতিত কোনো বিশেষ জরুরতে পুরুষরাও মেহেদি ব্যবহার করতে পারবেন। যেমন, হাদিসে এসেছে, "চিকিৎসার প্রয়োজনে যে কোনো স্থানে মেহেদি ব্যবহার করা জায়েয (তিরমিযী: ২০৫৪)।

মোদ্দাকথা, কোনো বিশেষ দিনকে কেন্দ্র করে পুরুষের হাতে-পায়ে মেহেদি পড়ার প্রচলন সম্পূর্ণ নাজায়েজ এবং গুনাহের কাজ। তাই আসুন দ্রুত এই প্রচলিত ভুল থেকে বেরিয়ে আসার চেষ্টা করি।

🔴মেনশন, শেয়ারের মাধ্যমে অন্যকে অবগত করে সাওয়াবের ভাগিদার হবেন ইনশা আল্লাহ।

অনেক তাফসীরকারকের মতে, এখানে দিনের উভয় প্রান্তের নামাজ বলে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের পূর্বের নামাজ বোঝানো হয়েছে। সূর্যোদয়ের...
08/12/2023

অনেক তাফসীরকারকের মতে, এখানে দিনের উভয় প্রান্তের নামাজ বলে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের পূর্বের নামাজ বোঝানো হয়েছে। সূর্যোদয়ের পূর্বের নামাজ হচ্ছে ফজর আর সূর্যাস্তের পূর্বের নামাজ জোহর ও আসর। রাতের নামাজ বলে মাগরিব ও ইশা উদ্দেশ্য। এভাবে এ আয়াতে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের নির্দেশনা রয়েছে। কেউ কেউ অবশ্য রাতের নামাজ বলে মাগরিব-ইশার সঙ্গে তাহাজ্জুদের কথাও বলেছেন।

বিস্তারিত পড়ুন এখানে: http://bit.ly/3uLMbNL

فَبِأَىِّ ءَالَآءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِThen which of your Lord’s favours will you ˹humans and jinn˺ both deny?      ...
08/12/2023

فَبِأَىِّ ءَالَآءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ

Then which of your Lord’s favours will you ˹humans and jinn˺ both deny?

06/12/2023

আবূ হুরায়রা রা. থেকে বর্ণিত, যে, রসূলুল্লাহ্‌ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,

إِذَا انْتَعَلَ أَحَدُكُمْ فَلْيَبْدَأْ بِالْيَمِينِ ، وَإِذَا نَزَعَ فَلْيَبْدَأْ بِالشِّمَالِ لِتَكُنِ الْيُمْنَى أَوَّلَهُمَا تُنْعَلُ وَآخِرَهُمَا تُنْزَعُ.

অর্থাৎ, জুতা পরার সময় প্রথমে ডান পায়ের জুতা পরা এবং খোলার সময় প্রথমে বাম পায়ের জুতা খোলা সুন্নাহ।

রেফারেন্সঃ
সহীহ বুখারী, হাদীস ৫৮৫৫ (ফুআদ আবদুল বাকী তাহকীককৃত) ৫৪৩৭
(ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ)



আত্মীয়তার বন্ধন ছিন্ন করা একটি মারাত্মক অপরাধ। আল্লাহ তা‘আলা কুরআন মাজীদে আত্মীয়তার বন্ধন ছিন্নকারীদের নিন্দা করেন এবং ত...
06/12/2023

আত্মীয়তার বন্ধন ছিন্ন করা একটি মারাত্মক অপরাধ। আল্লাহ তা‘আলা কুরআন মাজীদে আত্মীয়তার বন্ধন ছিন্নকারীদের নিন্দা করেন এবং তাদেরকে লা’নত ও অভিসম্পাত দেন।

আত্মীয়তার বন্ধন ছিন্ন করার কারণসমূহ:

১. মূর্খতা:
কেউ কেউ হয়তো বা আত্মীয়তার বন্ধন ছিন্ন করার ইহকালীন ও পরকালীন ভয়ানক পরিণতির কথা না জানার দরুনই আত্মীয়তার বন্ধন ছিন্ন করার প্রতি উদ্বুদ্ধ হতে পারেন। তেমনিভাবে কেউ কেউ আবার আত্মীয়তার বন্ধন রক্ষা করার ইহকালীন ও পরকালীন লাভ না জানার কারণেও আত্মীয়তার বন্ধন রক্ষা করার প্রতি উদ্বুদ্ধ নাও হতে পারেন। তাই উক্ত সম্পর্ক অটুট রাখার জন্য উভয় প্রকারের জ্ঞানই প্রয়োজন।

২. আল্লাহভীরুতায় দুর্বলতা:
কেউ কেউ হয়তো বা উপরোক্ত জ্ঞান রাখেন। তবে তার মধ্যে আল্লাহভীরুতা খুবই দুর্বল। যার দরুন সে আত্মীয়তার বন্ধন ছিন্ন করতে ভয় পায় না অথবা আত্মীয়তার বন্ধন রক্ষা করতে উৎসাহী হয় না। এমনকি সে আত্মীয়তার বন্ধন ছিন্ন করার পরিণতি সম্পর্কে এতটুকুও ভেবে দেখে না।

৩. অহঙ্কার:
কোনো কোনো আত্মীয়-স্বজন তো এমনও রয়েছে যে, যখন সে দুনিয়ার কোনো গুরুত্বপূর্ণ পদ অলঙ্কৃত করে অথবা বিশেষ কোনো সামাজিক প্রতিপত্তি সে অর্জন করে কিংবা সে বড়ো মাপের একজন ধনী হয়ে যায় তখন সে নিজ আত্মীয়-স্বজনদের সাথে সাক্ষাৎ করাকে মানহানি মনে করে। বরং সে মনে করে যে, আত্মীয়-স্বজনরা তার সাথেই সাক্ষাৎ করুক এটাই তার অধিকার।

৪. দীর্ঘদিন সাক্ষাত না হওয়া:
কখনো কখনো যে কোনো কারণে কারোর কোনো আত্মীয়-স্বজনের সাথে তার দীর্ঘ দিন যাবৎ দেখা-সাক্ষাৎ না হলে পরবর্তীতে তাদের সাথে সাক্ষাৎ করতে সত্যিই তার লজ্জা লাগে। এমনকি দেখা করবো করবো বলে আর তাদের সাথে দেখা করা হয় না। এমনিভাবেই তা এক সময় আত্মীয়তার বন্ধন ছিন্ন করায় রূপান্তরিত হয়।

৫. কঠিন তিরস্কার:
কেউ কেউ তার কোনো আত্মীয়-স্বজন দীর্ঘ সাক্ষাতহীনতার পর তার সাথে সাক্ষাৎ করতে আসলে তাকে খুব কঠিনভাবে তিরস্কার করে। আর তখনই তার উক্ত আত্মীয় তার সাথে দ্বিতীয়বার সাক্ষাৎ করতে ভয় ও লজ্জা পায়। আর তখন এমনিভাবেই ধীরে ধীরে তাদের মধ্যকার সম্পর্কটুকু ছিন্ন হয়ে যায়।

৬. আপ্যায়নে বেশি বাড়াবাড়ি:
কোন কোনো গরীব ব্যক্তি আবার তার কোনো আত্মীয়-স্বজন তার সাথে সাক্ষাৎ করতে আসলে তার জন্য প্রয়োজনাতিরিক্ত অধিক আপ্যায়নের ব্যবস্থা করে এবং এ জন্য অনেক টাকাও খরচ করে। তখন তার কোনো বুদ্ধিমান আত্মীয়-স্বজন তার সাথে আর সাক্ষাৎ করতে চায় না। যেন সে আপ্যায়নের ঝামেলায় পড়ে আরো গরীব ও আরো ঋণগ্রস্ত না হয়ে যায়।

৭. মেহমানের প্রতি গুরুত্বহীনতা:
আবার কেউ কেউ এমনও রয়েছে যে, তার কোনো আত্মীয়-স্বজন তার সাথে সাক্ষাৎ করতে আসলে তাকে তেমন একটা গুরুত্ব দেয় না। তার কথাবার্তা গুরুত্ব দিয়ে শোনে না। তার আগমনে তেমন একটা খুশি প্রকাশ করে না। বরং তাকে মলিন চেহারায় অভ্যর্থনা জানায়। এমতাবস্থায় তার আত্মীয়-স্বজনরা তার সাথে দ্বিতীয়বার দেখা করার উৎসাহ হারিয়ে ফেলে।

৮. অত্যধিক কার্পণ্য:
কেউ কেউ আবার অনেক ধন-সম্পদের মালিক হওয়া সত্ত্বেও তার আত্মীয়-স্বজন থেকে সে দূরে থাকার চেষ্টা করে। তার ধারণা, সে তাদের নিকটবর্তী হলে তারা তার কাছ থেকে ঋণ চাবে। তার থেকে যে কোনো আর্থিক সহযোগিতা কামনা করবে। মূলতঃ সে সম্পদের কোনো মূল্যই নেই যে সম্পদ দিয়ে কারোর কোনো আত্মীয়-স্বজন তার কাছ থেকে এতটুকুও উপকৃত হতে পারলো না।

৯. মিরাস বন্টনে অতি বিলম্বঃ
কখনো কখনো অলসতা কিংবা কোনো কর্তা ব্যক্তির হঠকারিতার দরুন ওয়ারিস আত্মীয়-স্বজনদের মাঝে মিরাস বন্টন করা হয় না। তখন মিরাস বন্টনে উৎসাহী ও অনুৎসাহীদের মাঝে এক ধরনের শত্রুতা সৃষ্টি হয়। আর এরই পরিণতিতে তাদের মধ্যকার আত্মীয়তার বন্ধনটুকুও ছিন্ন হয়ে যায়।

১০. যৌথ ব্যবসা-বাণিজ্য:
কখনো কখনো আবার কেউ কেউ নিজ আত্মীয়-স্বজন ও বোন-ভাইদেরকে নিয়ে যৌথ ব্যবসা-বাণিজ্য করে থাকে; অথচ তারা পরস্পরের মধ্যে এ সংক্রান্ত কোনো সুস্পষ্ট নিয়ম-নীতি ঠিক করে নি। বরং তারা পরস্পরের প্রতি ভালো ধারণার ভিত্তিতেই তা চালিয়ে যায়। কিন্তু যখন লাভ বেশি হতে শুরু করে এবং কাজের পরিধিও বেড়ে যায় তখন তাদের পরস্পরের মাঝে এক ধরণের কুধারণা জন্ম নেয়। আর তখনই তারা একে অপরের প্রতি যুলুম করতে উদ্যত হয়। বিশেষ করে যখন তাদের মাঝে আল্লাহভীতি ও একে অপরকে অগ্রাধিকার দেয়ার নীতি লোপ পায় অথবা কেউ কোনো ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতে একতরফা সিদ্ধান্ত নেয় কিংবা এক জন অন্যের চাইতে কাজে বেশি উৎসাহী হয়। আর এ ভাবেই তখন তাদের মধ্যকার আত্মীয়তার বন্ধনটুকু ছিন্ন হতে শুরু করে।

আল্লাহ তা‘আলা বলেন,

﴿وَإِنَّ كَثِيرٗا مِّنَ ٱلۡخُلَطَآءِ لَيَبۡغِي بَعۡضُهُمۡ عَلَىٰ بَعۡضٍ إِلَّا ٱلَّذِينَ ءَامَنُواْ وَعَمِلُواْ ٱلصَّٰلِحَٰتِ وَقَلِيلٞ مَّا هُمۡ﴾ [ص: ٢٤]

“নিশ্চয় শরীকদের অনেকেই একে অন্যের ওপর অবিচার করে থাকে। তবে সৎকর্মশীল মুমিনরা নয়। যারা সংখ্যায় খুবই কম”। [সূরা সাদ, আয়াত: ২৪]

১১. দুনিয়া নিয়ে অতি ব্যস্ততা:
কেউ কেউ আবার দুনিয়া নিয়ে অতি ব্যস্ততার দরুন আত্মীয়-স্বজনদের সাথে সাক্ষাৎ করার সুযোগই পান না। এমনিভাবেই তা এক দিন আত্মীয়তার বন্ধন ছিন্ন করায় রূপান্তরিত হয়।

১২. তালাক:
কখনো কখনো আবার কেউ কেউ নিজ আত্মীয়-স্বজনকে বিবাহ করার পর তাকে যে কোনো কারণে তালাক দিয়ে দেয়। তখন তাদের সন্তান কিংবা তাদের মধ্যকার কোনো লেন-দেন নিয়ে তাদের মাঝে সমস্যার সৃষ্টি হয়। যার পরিণতিতে একদা তাদের মধ্যকার আত্মীয়তার বন্ধনটুকুও ছিন্ন হয়ে যায়।

১৩. অলসতা ও দূরত্ব:
কেউ কেউ চাকুরির কারণে আত্মীয়-স্বজন থেকে বহু দূরে অবস্থান করে থাকে। অলসতা ও দূরত্বের কারণে ইচ্ছা থাকলেও আত্মীয়-স্বজনের সাথে আর সাক্ষাৎ করা হয় না। এমনিভাবেই তা এক দিন আত্মীয়তার বন্ধন ছিন্ন করায় রূপান্তরিত হয়।

১৪. আত্মীয়-স্বজনদের পাশাপাশি অবস্থান:
আত্মীয়-স্বজনদের পাশাপাশি অবস্থানও কখনো কখনো আত্মীয়তার বন্ধন ছিন্ন করার কারণ হতে পারে। কারণ, একে অপরের পাশে স্থায়ীভাবে অবস্থান করলে যে কোনো সময় তাদের মাঝে দ্বন্দ্ব লাগতেই পারে। এ জন্যই উমার বলেন,

«مُرُوْا ذَوِيْ الْقَرَابَاتِ أَنْ يَّتَزَاوَرُوْا وَلاَ يَتَجَاوَرُوْا»

“তোমরা নিজ আত্মীয়-স্বজনদেরকে আদেশ করো যেন তারা পরস্পর সাক্ষাৎ করে এবং একে অপর থেকে দূরে অবস্থান করে”।[1]

কারণ, আত্মীয়-স্বজনরা দীর্ঘ দিন যাবৎ একে অপরের পাশাপাশি অবস্থান করলে নিজ নিজ অধিকার নিয়ে তাদের পরস্পরের মাঝে কোনো না কোনো সময় দ্বন্দ্ব-বিগ্রহ স্বভাবতই ঘটে থাকবে। আর এতে করে তাদের পরস্পরের মাঝে বৈরিতা ও আত্মীয়তার বন্ধন ছিন্ন করার মতো ঘৃণ্য ব্যাপারটিও ঘটতে পারে।

আবার কখনো কখনো আত্মীয়-স্বজনরা একে অপরের অতি নিকটে অবস্থান করার দরুন পরস্পরের ছেলে-মেয়েদের মধ্যকার দ্বন্দ্ব নিজেদের মধ্যকার দ্বন্দ্বে রূপান্তরিত হয়। কারণ, স্বভাবতই প্রত্যেক ব্যক্তি নিজ নিজ সন্তানকে অপরের সামনে নির্দোষই প্রমাণ করতে চায়। আর এতে করে তাদের পরস্পরের মাঝে বৈরিতা ও আত্মীয়তার বন্ধন ছিন্ন করার মতো ঘৃণ্য ব্যাপারটিও ঘটতে পারে।

আকসাম ইবন সাইফী বলেন,

«تَبَاعَدُوْا فِيْ الدِّيَارِ تَقَارَبُوْا فِيْ الْـمَوَدَّةِ»

“তোমরা দূরে দূরে অবস্থান করো তা হলে তোমাদের মাঝে ভালোবাসা জন্মিবে”।[2]

১৫. আত্মীয়-স্বজনদের সাথে ধৈর্যের পরিচয় না দেওয়া:
কোন কোনো আত্মীয়-স্বজন তো এমনো রয়েছে যে, অন্য আত্মীয়ের সামান্যটুকু দোষ-ত্রুটিও তার এতটুকু সহ্য হয় না। কেউ তার প্রতি সামান্যটুকু দোষ করলেই তার সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করার জন্য সে উদ্যত হয়।

১৬. যে কোনো বিশেষ অনুষ্ঠানে কোনো আত্মীয়-স্বজনকে দাওয়াত দিতে ভুলে যাওয়া:
কেউ বিয়ে-শাদী কিংবা আকীকা ইত্যাদি অনুষ্ঠানের আয়োজন করলে সে সাধারণত তার নিজ আত্মীয়-স্বজন এবং নিকটতম বন্ধু-বান্ধবদেরকে মৌখিক, কার্ড দিয়ে অথবা টেলিফোনের মাধ্যমে উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার জন্য দাওয়াত করে থাকে। এ দিকে অনুষ্ঠানের প্রচুর আয়োজনাদির ঝামেলার দরুন হয়তো বা সে তার আত্মীয়-স্বজনদের কাউকে দাওয়াত দিতে ভুলে গেলো। আর তখনই তার উক্ত আত্মীয় মানসিক দুর্বলতা ও অত্যাধিক কু-ধারণাপ্রবণ হওয়ার দরুন তার সম্পর্কে বাস্তবতা বহির্ভূত নিরেট খারাপ মন্তব্য করে বসে। তখন সে মনে মনে বলে, আমার আত্মীয়টি আমাকে হীন মনে করেই ইচ্ছাকৃতভাবে দাওয়াত দিতে ভুলে গেলো। আর তখন এমনিভাবেই তা এক দিন আত্মীয়তার বন্ধন ছিন্ন করায় রূপান্তরিত হয়।

১৭. হিংসা:
আল্লাহ তা‘আলা মানব সমাজের কোনো কোনো ব্যক্তিকে অন্যান্যদের তুলনায় অত্যধিক জ্ঞান, দুনিয়ার পদ মর্যাদা, ধন-সম্পদ ও মানুষের ভালোবাসা দিয়ে থাকেন। তখন তিনি নিজ আত্মীয়-স্বজনদের খবরাখবর নেন এবং তাদেরকে যথাসাধ্য সহযোগিতা করে থাকেন। আর তখনই তাঁর কোনো হিংসুক আত্মীয়ের তা সহ্য নাও হতে পারে। তখন সে উক্ত ব্যক্তির নিষ্ঠার ব্যাপারে কথা তোলে এবং তার সাথে হিংসাবশত শত্রুতা করতে থাকে। আর তখন এমনিভাবেই তা এক দিন আত্মীয়তার বন্ধন ছিন্ন করায় রূপান্তরিত হয়।

১৮. অত্যধিক ঠাট্টা-মশকারা:
কেউ কেউ আবার স্বভাবগতভাবেই হাসি-ঠাট্টা করাকে বেশি পছন্দ করে। এমতাবস্থায় তার মুখ থেকে কখনো কখনো এমন শব্দ বা বাক্য বের হওয়া অস্বাভাবিক নয় যা অন্যের অনুভূতিকে দারুণভাবে আঘাত করে। তখন বক্তার প্রতি তার অন্তরে এক ধরণের ঘৃণা ও শত্রুতা জন্ম নেয়। আর এ ধরণের ব্যাপার আত্মীয়-স্বজনদের মাঝেই বেশি ঘটতে পারে। কারণ, তারাই তো বেশির ভাগ পরস্পর একত্রিত হয়।

আল্লামাহ্ ইবন আব্দিল বার রহ. বলেন, কিছু কিছু বিজ্ঞ আলিম হাসি-ঠাট্টা করাকে অপছন্দ করতেন। কারণ, এর পরিণতি ভালো নয়। এর মাধ্যমে মানুষের ইজ্জত ও ভ্রাতৃত্ব বিনষ্ট হয়। মানুষে মানুষে শত্রুতা বৃদ্ধি পায়।[3]

১৯. চুগলখুরি করা অথবা তা শুনা:
কিছু মানুষের এমন কুরুচিপূর্ণ স্বভাব রয়েছে যে, এক জনের কথা অন্য জনের কাছে না লাগালে তার পেটের ভাতই হজম হয় না। তার কাজই হচ্ছে একের কথা অন্যের কাছে লাগিয়ে মানুষের মধ্যকার সুসম্পর্ক বিনষ্ট করা। এভাবে কখনো কখনো আত্মীয়তার বন্ধনও বিনষ্ট হয়। চুগলির চাইতে চুগলি শুনার অপরাধ কম নয়। কারণ, কেউ সর্বদা অন্যের কাছ থেকে চুগলি শুনলে ও বিশ্বাস করলে তার জীবনে একদা এমন এক সময় আসবে যখন সে তার জন্য কোনো খাঁটি বন্ধুই খুঁজে পাবে না।

২০. স্ত্রীর অসৎ চরিত্র:
কারো কারোর স্ত্রী তো এমন রয়েছে যে, সে তার স্বামীর কোনো আত্মীয়-স্বজনকে দেখতে পারে না। সে চায় না যে, কেউ তার স্বামীর অনুগ্রহভাজন হোক। সুতরাং সে তার স্বামীকে তার আত্মীয়-স্বজনদের প্রতি বিষিয়ে তোলে। তাদের সাথে তাকে সাক্ষাৎ করতে দেয় না। তাদের সাথে আত্মীয়তার বন্ধন রক্ষা করতে সে তাকে নিরুৎসাহিত করে। সে তার বাসায় স্বামীর আত্মীয়-স্বজনদের কাউকে আপ্যায়ন করতে দেয় না। হঠাৎ তার স্বামীর আত্মীয়-স্বজনদের কেউ তার বাসায় এসে পড়লে সে তার প্রতি কোনো ধরনের উৎসাহই প্রকাশ করে না। এমনিভাবেই তা এক দিন আত্মীয়তার বন্ধন ছিন্ন করায় রূপান্তরিত হয়।

আর কিছু স্বামী তো এমনো রয়েছে যে, সে তার স্ত্রীর একান্ত গোলাম। তার স্ত্রী চাইলেই সে তার আত্মীয়-স্বজনদের সাথে আত্মীয়তার বন্ধনটুকু রক্ষা করবে। নতুবা নয়। এমনকি সে তার স্ত্রীর একান্ত আনুগত্যের কারণে নিজ মাতা-পিতারও অবাধ্য হয়ে যায়।

যখন আমরা আত্মীয়তার বন্ধন ছিন্ন করার ভয়াবহতা ও উহার কারণসমূহ জানতে পারলাম তখন একজন বুদ্ধিমান মু’মিন হিসেবে আমাদের একান্ত কর্তব্য হবে, আত্মীয়তার বন্ধন ছিন্ন না হওয়ার ব্যাপারে খুব সতর্ক থাকা এবং আত্মীয়তার বন্ধন ছিন্ন হয় এমন কারণসমূহ থেকে সম্পূর্ণরূপে দূরে থাকা। এরই পাশাপাশি আমাদেরকে আরো জানতে হবে আত্মীয়তার বন্ধন রক্ষা করার গুরুত্ব এবং উহা রক্ষা করার নিয়ম-কানুন ও মাধ্যমসমূহ।
আত্মীয়তার বন্ধন রক্ষা করা বলতে নিজ বংশ ও শ্বশুর বংশের আত্মীয়দের প্রতি দয়া করা, তাদের সাথে নম্র ব্যবহার করা এবং তাদের দুঃখ-কষ্ট লাঘবে যথাসাধ্য যথেষ্ট যত্নবান হওয়াকে বুঝায়। যদিও তারা আপনার থেকে বহু দূরে অবস্থান করুক না কেন কিংবা আপনার সাথে দুর্ব্যবহার করুক না কেন।

আইশা রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,مَنْ ابْتُلِيَ بِشَيْءٍ مِنَ البَنَات...
05/12/2023

আইশা রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,

مَنْ ابْتُلِيَ بِشَيْءٍ مِنَ البَنَاتِ فَصَبَرَ عَلَيْهِنَّ كُنَّ لَهُ حِجَابًا مِنَ النَّارِ

মেয়ে দিয়ে যাকে পরীক্ষার সম্মুখীন করা হয়, সে যদি তাদের ব্যাপারে ধৈর্য ধারণ করে, তবে তারাই তার জন্য জাহান্নামের পথে পর্দা (বাধা) হয়ে দাঁড়াবে।

রেফারেন্সঃ
জামে আত-তিরমিযী ১৯১৩ (আহমাদ শাকের তাহকীককৃত)

❤️

সূরা আত্ব তূর (আরবি ভাষায়: الحجرات‎) মুসলমানদের ধর্মীয় গ্রন্থ কুরআনের ৫২ তম সূরা, এর আয়াত অর্থাৎ বাক্য সংখ্যা ৪৯ এবং ...
04/12/2023

সূরা আত্ব তূর (আরবি ভাষায়: الحجرات‎) মুসলমানদের ধর্মীয় গ্রন্থ কুরআনের ৫২ তম সূরা, এর আয়াত অর্থাৎ বাক্য সংখ্যা ৪৯ এবং এর রূকু তথা অনুচ্ছেদ সংখ্যা ২। সূরা আত্ব তূর মক্কায় অবতীর্ণ হয়েছে।
এই সূরাটির প্রথম শব্দ وَالطُّورِ থেকে এই সূরার নামটি গৃহীত হয়েছে; অর্থাৎ, যে সূরা وَالطُّورِ (‘আত্ব তূর’) শব্দটি দ্বারা শুরু হয়েছে এটি সেই সূরা।

বিষয়বস্তু ও মূল বক্তব্য:

এ সূরার প্রথম রূকু’র বিষয়বস্তু আখেরাত। সূরা যারিয়াতে এর সম্ভবনা , অবশ্যম্ভাবিতা এবং সংঘটিত হওয়ার প্রমাণাদি পেশ করা হয়েছিলো। সে জন্য এখানে তার পুনরাবৃত্তি করা হয়নি। তবে আখেরাত প্রমাণাকারী কয়েকটি বাস্তব সত্য ও নির্দেশনের শপথ করে অত্যন্ত জোর দিয়ে বলা হয়েছে যে, তা নিশ্চিতভাবেই সংঘটিত হবে এবং তার সংঘটন রোধ করতে পারে এ শক্তি করো নেই। এরপর বলা হয়েছে তা সংঘটিত হলে তার অস্বীকারকারীদের পরিণাম কি হবে এবং তা বিশ্বাস করে তাকওয়ার নীতি অবলম্বনকারীগণ আল্লাহ তা’আলার নিয়ামত দ্বারা কিভাবে পুরস্কৃত হবেন।

এরপর কুরাইশ নেতারা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের দাওয়াত ও আন্দোলনের বিরুদ্ধে যে নীতি অনুসরণ করে চলছিল দ্বিতীয় রুকূ’তে তার সমালোচনা করা হয়েছে। কখণো তারা নবীকে (সা:) গণক, কখনো পাগল, কখনো কবি বলে আখ্যায়িত করে সাধারণ মানুষকে তাঁর বিরুদ্ধে বিভ্রান্ত করতো যাতে মানুষ তাঁর আনীত বাণীর প্রতি ধীর ও সুস্থ মস্তিষ্কে মনোযোগ না দেয়। নবীকে (সা:) তারা নিজেদের জন্য একটি মহা বিপদ বলে মনে করতো এবং প্রকাশ্যেই বলতো, তার ওপর কোন বিপদ আপতিত হলে আমরা তার হাত থেকে বেঁচে যেতাম। তারা তাঁর বিরুদ্ধে এ বলে অভিযোগ করতো যে, এ কুরআন তিনি নিজেই রচনা করেছেন এবং আল্লাহর নামে পেশ করেছেন। তাই তিনি যা করেছেন তা ধোঁকাবাজি ছাড়া আর কিছুই নয়। তারা বার বার উপহাস করে বলতো নবুওয়াত দানের জন্য আল্লাহ তা’আলা এ ব্যক্তিকে ছাড়া আর মানুষ খুঁজে পাননি। তারা তাঁর ইসলামী আন্দোলন ও তা প্রচারের বিরুদ্ধে এতই অসন্তুষ্টি প্রকাশ করতো যে, তিনি যেন কিছু চাওয়ার জন্য তাদের পিছু লেগে রয়েছেন আর তারা নিজেদের রক্ষা করার জন্য তাঁর থেকে পালিয়ে বেড়াচ্ছে । তারা নিজেরা বসে বসে চিন্তা করতো, তাঁর বিরুদ্ধে কি চক্রান্ত করলে তাঁর এ আন্দোলন ধ্বংস হয়ে যাবে। আর এসব করতে গিয়ে তারা কি ধরনের জাহেলী ও কুসংস্কারমূলক আকীদা-বিশ্বাস আঁকড়ে ধরে আছে যার গভীর অন্ধকার থেকে মানুষকে উদ্ধার করার জন্য মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সম্পূর্ণ নিস্বার্থভাবে নিজের জীবনপাত করেছেন সে সম্পর্কে যেন অনুভূতিই তাদের ছিলনা। আল্লাহ তা’আলা তাদের এ আচরণের সমালোচনা করে পরপর কয়েকটি প্রশ্ন করেছেন। এসব প্রশ্নের প্রতিটি হয় তাদের কোন অভিযোগের জবাব, নয়তো তাদের কোন মুর্খতা বা কুসংস্কারের সমালোচনা। এরপর বলা হয়েছে, ঐ লোকদেরকে আপনার নবুওয়াতের প্রতি বিশ্বাস, বানানোর জন্য কোন মু’জিযা দেখানো একেবারেই অর্থহীন। কারণ এরা এমন একগুঁয়ে যে, তাদেরকে যাই দেখানো হোক না কেন এরা তার অন্য কোন ব্যাখ্যা করে পাশ কাটিয়ে যাবে এবং ঈমান গ্রহণ করবে না।

এ রুকূ’র শুরুতেও রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে যে, এসব বিরোধী শক্তি ও শত্রুদের অভিযোগ ও সমালোচনার তোয়াক্কা না করে তিনি যেন নিজের আন্দোলন ও উপদেশ-নসীহতের কাজ ক্রমাগত চালিয়ে যেতে থাকেন। রুকূ’র শেষাংশে তাঁকে জোর দিয়ে বলা হয়েছে, তিনি যেন অত্যন্ত ধৈর্যের সাথে আল্লাহর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসা পর্যন্ত এসব বিরোধিতার মোকাবিলা করতে থাকেন। এর সাথে সাথে তাকে এই বলে সান্ত্বনা দেয়া হয়েছে যে, তাঁর প্রভু তাঁকে শত্রুদের মোকাবিলায় দাঁড় করিয়ে দিয়ে অসহায় ছেড়ে দেননি। বরং সবসময় তিনি তাঁর তদারক ও তত্বাবধান করেছেন। তাঁর চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের সময় না আসা পর্যন্ত আপনি সবকিছুর বরদাশত করতে থাকুন এবং নিজ প্রভুর ‘হামদ ও তাসবীহ’ অর্থাৎ প্রশংসা ও পবিত্রতা বর্ণনা করে সেই শক্তি অর্জন করুন যা এরূপ পরিস্থিতিতে আল্লাহর কাজ করার জন্য দরকার হয়।

দ্বীনের নামে শরিয়তে নতুন যা কিছু যোগ করা হয় সেগুলোকে বিদআত বলে। এ বিদআত প্রত্যাখ্যানযোগ্য। কোনো বিদআত, যত সুন্দরই মনে হো...
03/12/2023

দ্বীনের নামে শরিয়তে নতুন যা কিছু যোগ করা হয় সেগুলোকে বিদআত বলে। এ বিদআত প্রত্যাখ্যানযোগ্য। কোনো বিদআত, যত সুন্দরই মনে হোক, এর ওপর আমল করার সুযোগ নেই। যেমন, কেউ মারা গেলে চল্লিশা পালন করা।

Address

Chittagong
4202

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Tajdeed - تجديد posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share