গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশ, পূর্ব কাটগড় ইউনিট

  • Home
  • Bangladesh
  • Chittagong
  • গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশ, পূর্ব কাটগড় ইউনিট

গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশ, পূর্ব কাটগড় ইউনিট এটি একটি সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক সংগঠন।

গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশ
কেন্দ্রীয় কার্যালয়
৩২১ দিদার মার্কেট, দেওয়ান বাজার, চট্টগ্রাম।
ফোন : ২৮৫৫৯৭৬, ০১৮১৯-৩৯৫৪৪৫
****গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশ’র কর্মসূচিসমূহ****
০১. মুহররম : হিজরি নববর্ষ উদযাপন, শোহাদায়ে কারবালা স্মরণে মাহফিল।
০২. সফর: আ’লা হযরত ইমাম আহমদ রেযা (রহ.)’র ওফাতবার্ষিকী পালন।
০৩. রবিউল আউয়াল: পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী জশনে জুলুস ৯ রবিউল আউয়াল ঢাকায় ১২ রবিউল আউয়াল চট্টগ্রাম।
০৪. রবিউস্ সানি:

‘ফাতেহায়ে ইয়াজদাহুম’ ১১ রবিউস সানি গাউসে পাক হযরত আবদুল কাদের জিলানী (রহ.)’র ওরস মোবারক।
০৫. জমাদিউস্ সানি: ২২ জমাদিউস্ সানি ইসলামের প্রথম খলিফা হযরত আবু বকর সিদ্দিক (রা.)’র ওফাত শরীফ পালন।
০৫. রজব: ৬ রজব গরীবে নেওয়াজ-এর ওরস মোবারক ও ২৬ রজব দিনগত রাত মি’রাজুন্নবী।
০৬. শা’বান: ১৪ শা’বান শবে বরাত পালন।
০৭. রমজান: ১ রমজান গাউসুল আযম বড়পীর আবদুল জীলানী (রা.)’র শুভ জন্ম দিন।
১৭ তারিখ ঐতিহাসিক বদর দিবস পালন। ২০তারিখ হযরত আলী (রা.)’র শাহাদত দিবস ও
২৭ রমজান পবিত্র শবে কদর।
০৮. শাওয়াল মাস: ঈদুল ফিতরের তাৎপর্য ও ঈদ পুণর্মিলনী আয়োজন।
০৯. জিলক্বদ: ১১ জিলক্বদ, হযরত সৈয়্যদ আহমদ শাহ্ সিরিকোটি (রহ.)এর ওরস মোবারক
১০. জিলহজ্ব: ১ জিলহজ্ব হযরত খাজা আবদুর রহমান চৌহরভী (র.)-এর ওরস মোবারক ১৫ জিলহজ্ব সৈয়্যদ মুহাম্মদ তৈয়্যব শাহ্ (রহ.)-এর ওরস মোবারক
[প্রতি সপ্তাহে একবার দাওয়াত-ই খায়র মাহফিল আয়োজন ]

26/03/2026
تَقَبَّلَ اللهُ مِنَّا وَمِنكُم صَالِحَ الأَعْمَالঅত্র গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশ, পূর্ব কাটগড় ইউনিট এর সন্মানিত কার্যকরী পর...
20/03/2026

تَقَبَّلَ اللهُ مِنَّا وَمِنكُم صَالِحَ الأَعْمَال
অত্র গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশ, পূর্ব কাটগড় ইউনিট এর সন্মানিত কার্যকরী পরির্ষদ, উপদেষ্টা, সদস্যবৃন্দ, শুভানুধ্যায়ী সকল কে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা ও ঈদ মোবারক। 🕋

আমিন 🕋 🤲
19/03/2026

আমিন 🕋 🤲

শবে ক্বদরشب (শব) শব্দটি ফার্সী, এর অর্থ রাত। قدر (ক্বদর) শব্দটি আরবী। এর অর্থ মহিমান্বিত, সম্মান-মর্যাদা। শবে ক্বদর অর্থ...
16/03/2026

শবে ক্বদর
شب (শব) শব্দটি ফার্সী, এর অর্থ রাত। قدر (ক্বদর) শব্দটি আরবী। এর অর্থ মহিমান্বিত, সম্মান-মর্যাদা। শবে ক্বদর অর্থ-‘মহিমান্বিত রাত’। আরবী ভাষায় বলা হয়- ليلة القدر। যেমন বলা হয়-ليلة العظمة والشرف من قول الناس لفلان عند الامير قدرٍ اى جاءٍ وقدر منزلة قال علامة الازهرى অর্থাৎ মর্যাদাবান ও মহত্বের রাত যেমন বলা হয়ে থাকে আমিরের কাছে অমুক ব্যক্তির কদর আছে অর্থ সম্মান মর্যাদা ও প্রতিপত্তি রয়েছে।
[আল্লামা আযহারী, তাফসীরে কাশফুল আসরার, ১ম খন্ড-, ৫৫৮পৃ.] شب قدر است اودريات اورا امان يابى چوبرخوانى بداتش
অর্থ: সে তো মর্যাদার রাত খুজে নাও তাকে যার মাঝে পাবে তুমি জাহান্নাম থেকে মুক্তি। [মাওলানা রূমী, মসনবী শরীফ] اگر همه شبها قدر بودى قدر بى قدر بودى
অর্থ: সকল রাত যদি শবে কদর হতো তাহলে থাকতো না শবে কদরের মর্যাদা। [হযরত শেখ শাদী]

‏ক্বোরআন মজীদে লায়লাতুল ক্বদর
﴿১﴾ اِنَّاۤ اَنۡزَلۡنٰهُ فِىۡ لَيۡلَةِ الۡقَدۡرِ ۖ وَمَاۤ اَدۡرٰٮكَ مَا لَيۡلَةُ الۡقَدۡرِؕ‏ ﴿২﴾ لَيۡلَةُ الۡقَدۡرِخَيۡرٌ مِّنۡ اَلۡفِ شَهۡرٍؕ‏ ﴿৩﴾ تَنَزَّلُ الۡمَلٰٓٮِٕكَةُ وَالرُّوۡحُ فِيۡهَا بِاِذۡنِ رَبِّهِمۡ‌ۚ مِّنۡ كُلِّ اَمۡرٍ ﴿৪﴾ سَلٰمٌ هِىَ حَتّٰى مَطۡلَعِ الۡفَجۡرِ‏ ﴿৫﴾
অর্থ: আমি (আল্লাহ্) এটি (ক্বোরআন মজীদ) অবতীর্ণ করেছি শবে ক্বদরে। শবে ক্বদরের মর্যাদা সম্পর্কে আপনি জানেন? শবে ক্বদর এক হাজার মাসের চেয়ে উত্তম। এতে প্রত্যেক কাজের জন্য ফেরেশতাগণ বিশেষত: জিব্রাঈল আলায়হিস্ সালাম দুনিয়াতে আসেন তাদের প্রভুর আদেশক্রমে। এ শান্তি বা নিরাপত্তা ফজর উদয় হওয়া পর্যন্ত অব্যাহত থাকে।

শানে নুযূল
হযরাত মুফাস্সিরীনে কেরাম বলেন, একদা রাসূলে আরবী সাল্লাল্লাহু তা‘আলা আলায়হি ওয়াসাল্লাম বনী ইসরাঈলের জনৈক আবেদ মুজাহিদ সম্পর্কে সাহাবায়ে কেরামের সামনে আলোচনা করেন। কারো মতে ঔ ব্যক্তির নাম ছিল শামউন। সে এক হাজার মাস পর্যন্ত দিনে অবিরাম জিহাদ ও রাতে ইবাদতে লিপ্ত ছিলেন। মুসলমানগণ একথা শুনে বিস্মি হলো।
মুসলমানগণ অল্পবয়সের কাণে কম ইবাদতের জন্য চিন্তিত হলো। তখন আল্লাহ্ তা‘আলা এ সূরাটি অবতীর্ণ করে রাসূলে পাকের ওসীলায় সুসংবাদ প্রদান করেন। এক রাতের ইবাদত হাজার মাসের ইবাদত অপেক্ষা উত্তম।
আল্লামা আবদুল আজিজ মুহাদ্দেস দেহলভী রহমাতুল্লাহি আলায়হি বলেন, একদিন নবী করীম সাল্লাল্লাহু তা‘আলা আলায়হি ওয়াসাল্লাম নিজের উম্মত ও অন্যান্য নবীদের বয়সের তুলনা করেন। অন্যান্য নবীদের উম্মতের বয়স বেশী ও ইবাদত বেশী। এতে মুসলমানগণ হতাশ হলেন এবং নবী করীম সাল্লাল্লাহু তা‘আলা আলায়হি ওয়াসাল্লাম-এর চেহারা মুবারক মলিন হলেন। তখন আল্লাহ্ তা‘আলা স্বীয় হাবিবের সন্তুষ্টির জন্য এ সূরা নাযিল করে সুসংবাদ দিলেন। [তাফসীরে আজিজী, পৃ.-২৪৭]

লায়লাতুল কদর ২৭ রমযানে নিহিত
হাদীস শরীফে লায়লাতুল ক্বদর যদিও পবিত্র রমযান মাসের শেষ দশ দিনের যে কোন বেজোড় রাতে নিহিত রয়েছে তবুও ওলামায়ে কেরাম ও বুযুর্গানে দ্বীনগণ বলেছেন, সূরা কদরে ليلة القدر শব্দটিতে নয়টি হরফ আছে। এ শব্দটি তিনবার ব্যবহার হয়েছে। নয়কে তিন দিয়ে গুণ করলে (৯×৩=২৭) সাতাশ হয়।
অথবা উক্ত সুরায় ত্রিশটি শব্দ আছে। তৎমধ্যে هى শব্দটি হল সাতাশ নম্বর শব্দ। আর هى দ্বারা লায়লাতুল কদর উদ্দেশ্য। অতএব লায়লাতুল কদর সাতাশ তারিখ রাতে নিহিত রয়েছে। আর এটাকে গোপন রাখার উদ্দেশ্য হল লোকেরা কেবলমাত্র ঐ রাতের ইবাদতের উপর ভরসা করে অন্যান্য দিবা রাতের ইবাদত পরিত্যাগ করবে।
বিশুদ্ধ রেওয়ায়েতে বর্ণিত আছে যে, হযরত ওসমান ইবনে আস রাদ্বিয়াল্লাহু তা‘আলা আনহুর গোলাম একদিন তার কাছে আরয করল যে, হে মুনিব! আমি দীর্ঘদিন যাবৎ নৌকা চালিয়েছি। মাঝে মধ্যে নদীর পানিতে এক বিস্ময়কর ঘটনা আমি অনুভব করেছি যা আমি বুঝতে পারিনা। তিনি জিজ্ঞেস করলেন তা কি? উত্তরে সে বলল প্রতি বছর এমন এক রাত আসে যে রাতে নদীর পানি মিষ্টি হয়ে যায়। তিনি গোলামকে বললেন এবার খেয়াল রাখবেন যেদিন নদীর পানি মিষ্টি হয় তারিখসহ বলবেন। যখন রমজান মাসের ২৭ তারিখ আসল তখন গোলাম তাকে বলল হে মুনিব! আজ রাতে নদীর পানি মিষ্টি হয়ে গেছে।
[তাফসীরে আজিজী, পৃ.-২৫৭]

লায়লাতুল ক্বদরের ফযিলত
লায়লাতুল ক্বদর সম্পর্কে আল্লামা বদরুদ্দিন আইনি বুখারী শরীফের শরাহ্ উমদাতুল কারীতে লিপিবদ্ধ করেছেন- تَقْدِيْرُ الْاُمُوْرِ وَقَضَائِهَا وَالْحكم وَالْفضل ومعنى ليلة القدر ليلة يقضى الله فيها قضاء السنّة অর্থাৎ লায়লাতুল কদর বলতে এমন রাতকে বুঝায় যাতে যাবতীয় বিষয়ের পরিমাণ নির্ধারণ করা হয়। এর চূড়ান্ত রূপদান করা হয় এবং একটি বছরের জন্য আল্লাহ্ তা‘আলা এ রাতে সব বিধান ও মর্যাদার ফয়সালা করেছেন। [আইনী শহরে বুখারী] ইমাম যুহরী রহমাতুল্লাহি আলায়হি বর্ণনা করেন, এ রাতকে শবে কদর এ জন্য বলা হয় যে, এ রাত অত্যন্ত মূল্যবান, অতীব গুরুত্বপূর্ণ এবং উচ্চ মর্যাদাবান সম্পন্ন।
শেখ আবু বকর ওয়াররাক রাদ্বিয়াল্লাহু তা‘আলা আনহু বর্ণনা করেন, এ মহান রাতে ইবাদতের কারণে এমন লোকের মর্যাদা ও সম্মান বৃদ্ধি পায় ইতিপূর্বে যাদের কোন মর্যাদা মরতবা কদর ছিল না তাই এ রাতকে শবে কদর বলা হয়। [ফাজায়েলে মাহে রমজান, মুফতী আমীমুল ইহসান (রহ.) পৃ.-২৬] শবে কদর মূলত উম্মতে মুহাম্মদীর জন্য রাসূলে পাক সাল্লাল্লাহু তা‘আলা আলায়হি ওয়াসাল্লাম-এর ওসীলায় মহান আল্লাহ্ তা‘আলার পক্ষ থেকে মহান দান ও অনুগ্রহ, রহমত স্বরূপ। যেমন রাসূলে আকরাম সাল্লাল্লাহু তা‘আলা আলায়হি ওয়াসাল্লাম বলেছেন- اِنَّ اللهَ اهب لِاُمَّتِىْ لَيْلَةَ الْقَدْرِ وَلَمْ يُعْطِيْهَا مَنْ كَانَ قَبْلَهُمْ অর্থ: আল্লাহ্ তা‘আলা আমার উম্মতকেই শবে কদর দান করেছেন। এর পূর্বে কোন উম্মতকে তা দেয়া হয়নি। [দুররে মানসুর, খন্ড-৮, পৃ. ৫৮০] শবে কদর রাতের যে কোন আমল এক হাজার মাসের তথা ৮৩ হাজার ৪ মাসের চেয়ে উত্তম। যেমন আল্লামা ইবনে জারীর তাবারী (রহ.) বর্ণনা করেছেন- عَمَلٌ فِيْهَا خَيْرٌ مِنْ عَمَلٍ فِى اَلْفِ شَهْرٍ এ রাতের যে কোন আমল হাজার মাসের আমলের চেয়ে উত্তম। [নুযহাতুল মাজালিস, পৃ.-১৬৬] হযরত আবু হুরায়রা রাদ্বিয়াল্লাহু তা‘আলা আনহু রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু তা‘আলা আলায়হি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, যে ব্যক্তি কদর রাতে ঈমান ও ইখলাসের সাথে কিয়াম করবে তার পূর্ববর্তী যাবতীয় গুনাহ্ ক্ষমা করে দেওয়া হবে। [বুখারী ও মুসলিম] হযরত আনাস রাদ্বিয়াল্লাহু তা‘আলা আনহু হতে বর্ণিত, রাসূলে পাক সাল্লাল্লাহু তা‘আলা আলায়হি ওয়াসাল্লাম বলতেন, নিশ্চয়ই রমযান মাস তোমাদের নিকট উপস্থিত হয়েছে। এতে এমন বরকতমন্ডিত রাত নিহিত আছে যা হাজার মাস থেকে উত্তম। যে একে সম্মান করবে সে যেন পুরো কল্যাণ থেকেই বঞ্চিত হল। [ইবনে মাজাহ্] লায়লাতুল কদর রমজানের শেষ দশ রাতের বেজোড় রাতে অনুসন্ধান করার জন্য হাদীস শরীফে তাগিদ দিয়েছেন। রাসূলে করীম সাল্লাল্লাহু তা‘আলা আলায়হি ওয়াসাল্লাম এরশাদ করেন, তোমরা রমজানের শেষ দশকের বেজোড় রাতে লায়লাতুল কদরকে সন্ধান কর। [বুখারী শরীফ]

ফেরেশতাদের ঈদ
এ রাতে হযরত জিব্রাঈল আলায়হিস্ সালামসহ অন্যান্য অগণিত ফেরেশতাদের নিয়ে পৃথিবীতে আল্লাহর রহমত নিয়ে অবতরণ করেন। মানবজাতি বছরে দু’ দিন তথা ঈদুল ফিতর ও ঈদুল্ আযহার দিন ঈদ তথা খুশী উদযাপন করে পক্ষান্তরে ফেরেশতারা ঈদ উদযাপন করে দু’ রাতে তথা শবে বরাত ও কদরের রাতে। এ রাত ফেরেশতাদের ঈদের রাত। তারা সারা রাত আল্লাহর রহমত ও সালামত নিয়ে সূর্যাস্ত হতে ফজর উদিত হওয়া পর্যন্ত রহমত বিতরণ করতে থাকেন।
ইমাম ফখরুদ্দিন রাযী রহমাতুল্লাহি তা‘আলা আলায়হি লিখেছেন, যখন আল্লাহ্ তা‘আলা হযরত আদম আলায়হিস্ সালাম’র সৃষ্টি সম্পন্ন করেছেন তখন ফেরেশতাগণ আল্লাহর দরবারে আরয করল, হে আল্লাহ্ তা‘আলা! আপনি আদমকে কেন সৃষ্টি করলেন? পৃথিবীতে গিয়ে তাঁর সন্তানরা ঝগড়া-ফ্যাসাদ, যুদ্ধ বিগ্রহ ও রক্তপাত করবে এবং নিজের স্বার্থ সিদ্ধির জন্য অন্যের রক্ত দ্বারা নিজের হাত রক্তে রঞ্জিত করবে। আপনার ইবাদতের জন্য আমরা কি যথেষ্ট নই? তখন আল্লাহ্ তা‘আলা বলেন- اِنِّىْ اَعْلَمُ مَالاَ تَعْلَمُوْنَ তথা আমি (আল্লাহ্) যা জানি তোমরা তা জান না।
শবে কদরে ফেরেশতাদেরকে পৃথিবীতে প্রেরণ করে বান্দার আমল ও ইবাদত দেখাখায়ে চাক্ষুষ জবাব দেবেন। আল্লাহ বলবেন, হে ফেরেশতা! তোমরা বলেছিলে তারা পৃথিবীতে গিয়ে রক্তপাত ঘটাবে; কিন্তু আজকে দেখ তারা আমার ইবাদতে মশগুল। তখন ফেরেশতারা আল্লাহর দরবারে ক্ষমা চাইবে।
এ পবিত্র রজনীতে আল্লাহ্ তা‘আলা জিব্রাঈল, মিকাঈল ও ইসরাফিল আলায়হিমুস্ সালামকে বেহেশত থেকে চারটি পতাকা নিয়ে প্রতিজনের সাথে সত্তর হাজার ফেরেশতাসহ দুনিয়াতে আগমনের নির্দেশ দেন।
لواء الحمد ـ لواء المغفرة ـ لواء الكرامة ـ لواء الرحمة
অর্থাৎ ১. হামদের পতাকা তথা প্রশংসার পতাকা, ২. মাগফিরাতের পতাকা তথা ক্ষমার পতাকা, ৩. কারামাত বা মর্যাদার পতাকা এবং ৪. রহমতা বা দয়ার পতাকা।
মাগফিরাতের পতাকা রাসূলে পাকের রওজা পাকের উপর, হামদের পতাকা আকাশ জমিনের মধ্যখানে, রহমতের পতাকা বায়তুল্লাহ্ শরীফে, কারামত বা মর্যাদার পতাকা বায়তুল মুক্বাদ্দাসের উপর স্থাপন করা হয়।
এ রাতে প্রত্যেক মু’মিনকে ফেরেশতাগণ সালাম জানিয়ে থাকেন। তাই মাগফিরাত পেতে হলে বেশী বেশী তওবা ও দরূদ শরীফ পড়তে হবে। [নুযহাতুল মাজালিশ, পৃ. ১৬৭] নবী করীম সাল্লাল্লাহু তা‘আলা আলায়হি ওয়াসাল্লাম অন্যত্র এরশাদ করেন, তোমরা যদি তোমাদের কবরসমূহকে আলোকিত পেতে চাও, তবে শবে কদরে জাগ্রত থেকে আল্লাহর ইবাদত কর।
এ রাতে একজন মু’মিন কি দো‘আ পড়বে এ প্রসঙ্গে হযরত আয়শা রাদ্বিয়াল্লাহু তা‘আলা আনহু বলেন- قلت يارسول الله صلى الله عليه وسلم ان وافقت ليلة القدر فما اقول؟ আমি বললাম, হে আল্লাহর রসূল! যদি মবে কদর পেয়ে থাকি কি পড়ব? রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু তা‘আলা আলায়হি ওয়াসাল্লাম বললেন- اَللهُمَّ اِنَّكَ عَفُوٌّ تُحِبُّ الْعَفْوَ فَاعْفُ عَنِّىْ (আল্লাহুম্মা ইন্নাকা আফুউবুন তুহিব্বুল আফওয়া ফাফু আন্নী) অর্থাৎ হে আল্লা! আপনিতো ক্ষমাকারী, ক্ষমা পছন্দ করেন, আমাকেও ক্ষমা করুন।
[তিরমিযী শরীফ, মসনদে আহমদ] এ পবিত্র রাতে আল্লাহর রহমত ও মাগফিরাত থেকে যারা বঞ্চিত থাকবে তারা হলেন নিম্নরূপঃ ১. মদখোর, মাদাকদ্রব্য ব্যবসায়ী, ২. মাতাপিতার অবাধ্য সন্তান-সন্তুতি, ৩. আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্নকারী, ৪. জেনাকারী, সুধখোর এবং ৫. বিনা কারণে অপর মুসলমান ভাইয়ের সাথে সম্পর্ক ছিন্নকারী। [তাফসীরে কাশফুল আসরার, ১ম খন্ড, পৃ. ৫৬৩]

শবে কদরের নফল নামায
প্রথম দুই রাক‘আত করে ১২ রাকআত নামায আদায় করা উত্তম। প্রথম চার রাক্আতে প্রতি রাকাআতে সূরা ফাতেহার পর একবার সূরা কদর ও তিনবার সূরা ইখলাস প্রতি সালাম ফিরিয়ে একশত বার দরুদ শরীফ পাঠ করা, দ্বিতীয় চার রাকআতে প্রতি রাকাআতে সূরা ফাতেহা ও সূরা কদরের পর সূরা এখলাস দশ বার পড়তে হবে। এরপর সালাম ফিরিয়ে একশতবার দরূদ শরীফ পড়তে হবে। তৃতীয় চার রাক্আতে একই নিয়মে সূরা এখলাস ২৫ বার পড়তে হবে। এরপর একশত বার দরূদ শরীফ পড়ে মোনাজাত করবে।

শবে কদরের নামাযের নিয়ত
نَوَيْتُ اَنْ اُصَلِّىَ لِلهِ تَعَالى رَكْعَتَىْ صَلَوةِ لَيْلَةِ الْقَدْرِ نَفْلِ مُتَوَجِّهًا اِلَى جِهْةِ الْكَبَةِ الشَّرِيْفَةِ اَللهُ اَكْبَرُ
হযরত ইমাম নববী রহমাতুল্লাহি তা‘আলা আলায়হি বলেন, পবিত্র কদরের রাতে জাগ্রত থেকে নফল নামায পড়া, কুরআন শরীফ তিলাওয়াত করা এবং দরূদ শরীফ পাঠ করা উত্তম।
হে পরম করুণাময়! পবিত্র মাহে রমজানে আমাদেরকে মহান আল্লাহ আপনার ও রসূল সাল্লাল্লাহু তা‘আলা আলায়হি ওয়াসাল্লাম, সাহাবায়ে কেরাম, আওলাদে রসূলের মহব্বত নিয়ে আমল করার তওফিক দিন। আমিন

আলহামদুলিল্লাহ আলহামদুলিল্লাহ 🕋সর্ব প্রথম কৃতজ্ঞতা জানাই মহান রাব্বুল আলামীনের দরবারে যার কুদরতে আমাদের গাউসিয়া কমিটি বা...
13/03/2026

আলহামদুলিল্লাহ আলহামদুলিল্লাহ 🕋

সর্ব প্রথম কৃতজ্ঞতা জানাই মহান রাব্বুল আলামীনের দরবারে যার কুদরতে আমাদের গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশ, পূর্ব কাটগড় ইউনিট এর ব্যবস্থাপনায় ৩য় বারের মতো দাওয়াতে খায়র মাহফিল ১২-০৩-২০২৬ইং সুন্দর ও সফলভাবে সম্পূর্ণ হয়েছে। সে সাথে আন্তরিক ধন্যবাদ ও মোবারক বাদ জানাই সকল সদস্য,পরিচালনা পরিষদ, উপদেষ্টা মন্ডলি, প্রবাসী ভাই-বন্ধু ও এলাকাবাসিকে যাদের বুদ্ধি পরামর্শ, সার্বিক সহযোগিতা ও অক্লান্ত পরিশ্রমের ফলে আমরা সুন্দর একটা মাহফিল সম্পূর্ণ করতে পেরেছি। ইনশাআল্লাহ ভবিষ্যতেও সবাই মিলে সামনে আরো ভাল মাহফিল করার চেষ্টা করবো। সবাই পাশে থাকবেন। আল্লাহ সকলের সুস্থতা ও দীর্ঘ নেক হায়াত দান করুক।

12/03/2026

সরাসরি সম্প্রচার
দাওয়াতে খায়র মাহফিল
ব্যবস্থাপনায়ঃ গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশ, পূর্ব কাটগড় ইউনিট।
স্থানঃ ঐতিহাসিক আরফ আলি দোকান মোড়।
২২ শে রমজান
১২ ই মার্চ ২০২৬।

মুসলিম ইতিহাস বদলে দেওয়া 'বদর যুদ্ধ' দ্বিতীয় হিজরি ১৭ রমজান (১৭ মার্চ ৬২৪ খ্রিষ্টাব্দ) মদিনার মুসলিম ও মক্কার কাফেরদের ম...
06/03/2026

মুসলিম ইতিহাস বদলে দেওয়া 'বদর যুদ্ধ' দ্বিতীয় হিজরি ১৭ রমজান (১৭ মার্চ ৬২৪ খ্রিষ্টাব্দ) মদিনার মুসলিম ও মক্কার কাফেরদের মধ্যে সংঘটিত হয় এক অসম যুদ্ধ। ইসলামের ইতিহাসে এটি প্রথম সবচেয়ে বড় যুদ্ধ। এতে জয়ের ফলে মুসলিমদের ক্ষমতা পূর্বের তুলনায় বৃদ্ধি পায়, মুসলিম ইতিহাসের মোড় পাল্টে যায়। মদিনার অদূরে একটি কূপের নাম বদর। এখানে মুখোমুখি হয়েছিল মুসলিম কাফেলা এবং অমুসলিম বাহিনী। এটি ছিল সত্য ও মিথ্যা; হক ও বাতিল এবং মুসলিম ও কাফেরদের মধ্যকার যুদ্ধ। রাসুলুল্লাহ নিজেই এই যুদ্ধ পরিচালনা করেন এবং রাসুলের ভবিষ্যৎবাণী (ইলমে গায়েব) অনুযায়ী ফলাফল হয়।
আল্লাহ তায়ালা বদরী সাহাবীগনের উসিলায় আমাদের সকল নেক আশা পূর্ণ করেন আমিন। 🕋🤲

আসসালামু আলাইকুম,ইনশাআল্লাহ। ❤️💚আগামী ১২ ই মার্চ রোজ বৃহস্পতিবার ২০২৬ ইং ২২ শে রমজান বাদে তারাবীহ ঐতিহাসিক আরফ আলীর চায়ে...
28/02/2026

আসসালামু আলাইকুম,
ইনশাআল্লাহ। ❤️💚
আগামী ১২ ই মার্চ রোজ বৃহস্পতিবার ২০২৬ ইং ২২ শে রমজান বাদে তারাবীহ ঐতিহাসিক আরফ আলীর চায়ের দোকান মোড়ে গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশ, পূর্ব কাটগড় ইউনিট এর ব্যবস্থাপনায় ৩য় বারের মতে দা'ওয়াতে খায়র মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে।
উক্ত দাওয়াতে খায়র মাহফিলেঃ

★ প্রধান আর্কষণ হিসেবে উপস্থিত থাকবেনঃ-
মাওলানা মুহাম্মদ মুর্শেদুল আলম আনোয়ারী।
খতীবঃ গাউসুল আজম জিলানী জামে মসজিদ, বারীয়া দরবার শরীফ।
ইংরেজি প্রভাষকঃ বিএফ শাহীন কলেজ, চট্টগ্রাম।

★ বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেনঃ-
মাওলানা মুহাম্মদ সৈয়দ আহমেদ আল কাদেরী।
সুপার, চরপাড়া মোহাম্মাদিয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া মাদ্রাসা, পতেঙ্গা, চট্টগ্রাম।

★ প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত থাকবেনঃ-
মাওলানা মুহাম্মদ মারুফ হাসান কাদেরী।
প্রভাষক, আল কোরআন এন্ড ইসলামিক স্টাডিজ, জামেয়া আহমদিয়া সুন্নীয়া আলিয়া কামিল মাদ্রাসা।

উক্ত দা'ওয়াতে খায়র মাহফিলে সকলের উপস্থিতি ও আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করছি। 💚🤲

Address

Room No-06, Talukdar Jame Mosjid, East Katgar, North Patenga
Chittagong
4204

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশ, পূর্ব কাটগড় ইউনিট posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশ, পূর্ব কাটগড় ইউনিট:

Share