অলৌকিক ঘটনা আল্লাহর অস্তিত্ব প্রমাণ করে, কোরআনের অলৌকিকতা

  • Home
  • Bangladesh
  • Chittagong
  • অলৌকিক ঘটনা আল্লাহর অস্তিত্ব প্রমাণ করে, কোরআনের অলৌকিকতা

অলৌকিক ঘটনা আল্লাহর অস্তিত্ব প্রমাণ করে, কোরআনের অলৌকিকতা Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from অলৌকিক ঘটনা আল্লাহর অস্তিত্ব প্রমাণ করে, কোরআনের অলৌকিকতা, Religious organisation, Chittagong.

03/09/2022
20/03/2018

রজব মাসের ফযিলত::
মহান আল্লাহ্ পাক বছরের যে চারটি মাসের পবিত্রতা এবং তাদের মধ্যে কলহ-বিবাদ, মারামারি ও যুদ্ধ-বিগ্রহ নিষিদ্ধ ঘোষনা করে পবিত্র কুরআনের আয়াত অবতীর্ণ করেছন রজব মাস তার মাধ্যে অন্যতম।
সুতরাং মুহররম মাসের মত রজব মাসটিও অতি সম্মানিত মাস।
পবিত্র হাদীস শরীফে এ মাসের অসীম ফযিলতের কথা বিভিন্নভাবে বর্ণিত আছে।
এমন অনেক ঐতিহাসিক ঘটনা এ মাসে ঘটেছে,
যেগুলো এ মাসটির গুরুত্ব অনেক বাড়িয়ে দিয়েছে।
হাদীস শরীফে বর্ণিত হয়েছে:-
হযরত আবু সাঈদ খুদরীয়্যি রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত,
তিনি বলেন,
রাসূলুল্লাহু সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেছেন,
রজব আল্লাহর (প্রিয়) মাস।
যে ব্যাক্তি আল্লাহর এ মাসটির সম্মান করে, আল্লাহ পাক তাকে দুনিয়া ও আখেরাতে সম্মানিত করবেন।
তোহ্ফায়ে ইহামানী কিতাবে বর্ণিত আছে,
যিয়াদ ইবনে ইমরান হযরত আনাস ইবনে মালেক রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণনা করেছেন,
রাসূলুল্লাহু সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন রজব মাসের চাঁদ দেখতেন তখন পবিত্র হস্তদ্বয় উওোলন করে নিম্নের দোআ পাঠ করতেন :-
উচ্চারণ :- আল্লাহুম্মা বারিকলানা ফী রাজাবা ওয়া শা'বানা ওয়া বাল্লিগনা ইলা শাহরি রামাযান।
অর্থ :- হে আল্লাহ!
আমাদেরকে রজব ও শাবান মাসের বরকত দান কর এবং আমাদেরকে রমযান মাস পর্যন্ত পৌছাও।
খোলাসাতুল আখবার কিতাবে বর্ণিত আছে:-
যে ব্যাক্তি রজব মাস পেয়ে তার প্রথম তারিখ, পনের তারিখ এবং শেষ তারিখে ইবাদতের নিয়তে গোসল করবে,
সে ব্যাক্তি গোনাহ হতে সদ্য ভুমিস্ট শিশু সন্তানের মত বিমুক্ত হয়ে যাবে।
রজব মাসের পাঁচটি রাত ইবাদতের জন্য অতি উওম।
সে রাতগুলো হচ্ছে:-
১ম তারিখ, ১৫ তারিখ, ২৮ তারিখ, ২৯ তারিখ ও ৩০ তারিখের রাত।
* লাইলাতুর রাগায়েব নামায *
রজব মাসের প্রথম বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতকে লাইলাতুর রাগায়েব বলা হয়।
এই পবিত্র রাতে মাগরিব নামাজের পর পরই বার রাকয়াত নফল নামাজ আদায় করা যায়।
* নামাজ আদায় করার নিয়ম *
দুই দুই রাকয়াতের নিয়তে এ নামাজ আদায় করতে হয়।
প্রতি রাকয়াতে সুরা ফাতেহার পর তিনবার সূরা কদর এবং ১২ বার সূরা ইখলাস পাঠ করবে।
প্রতি সিজদায় গিয়ে ৭০ বার করে নিন্মের দোয়া পাঠ করবে।
উচ্চারণ:- সুব্বূহুন কুদ্দুসুন রাব্বুনা ওয়া রাব্বুল মালায়িইকাতি ওয়ার রুহ।
প্রতি সিজদা হতে মাথা উঠায়ে বসে ৭০ বার করে নিন্মের দোয়া পাঠ করবে:-
উচ্চারণ:- রাব্বিগ ফিরলী ওয়ারহাম ওয়া তাজাওয়ায আম্মা তালামু ফাইন্নাকা আনতাল আলিয়্যুল আযীম।
সালাম ফিরায়ে নামায শেষ করে বসা অবস্তায় নিন্মের দোয়া ৭ড় বার পাঠ করে মোনাজাত করলে আল্লাহ তাআলা তা কবুল করেন।
উচ্চারণ:- আল্লাহুম্মা ছাল্লি আলা মুহাম্মাদিনিন নাবিয়্যিল উম্মিয়্যি ওয়া আলা আলিহী ওয়া বারিক ওয়া সাল্লিম।
* শবে এস্তেফতাহর নামায *
ওলামায়ে কেরাম রজব মাসের পনের তারিখ ১৪ তারিখ দিবাগত রাতকে শবে এস্তেফতাহ নামে অভিহিত করেছেন।
এ রাতে নিম্নোক্ত নিয়মে ৭০ রাকয়াত নফল নামায আদায় করলে দুনিয়ায় যত বৃক্ষ আছে সেসব বৃক্ষের পাতার সমসংখ্যক সওয়াব লাভ হবে।
এ নামায আদায় করার নিয়ম:-
মাগরিব নামাযের পর দুই দুই রাকয়াতের নিয়ত করে নামায আদায় করতে হয়।
প্রতি রাকয়াতে সূরা ফাতেহার সাথে তিনবার সূরা ইখলাস পাঠ করবে।
হাদীস শরীফে বর্ণিত আছে,
রাসূলুল্লাহু সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেছেন,
রজব মাসের একটি নিদ্রিস্ট তারিখ আছে,
সেই তারিখে কেউ রোযা রেখে নফল নামায আদায় করলে মহান আল্লাহ পাক তার আমল নামায় একশ বছরের নফল নামাযের সাওয়াব লিখে দেন।
এ তারিখটি হচ্ছে শবে এস্তেফতাহর তারিখ।
অর্থাৎ রজব মাসের পনের তারিখ বলে অনুমান করা হয়।

26/12/2017

'মুর্শিদের অদৃশ্য দান,,
হুজুর পিরানে পীর দস্তগির অলি কুলের শিরোমণি মাহবুবে সবহানি কুতুবে রাব্বানি শেখ সৈয়দ সুলতান মহিউদ্দিন আব্দুল কাদের জিলানি রাদিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু এর দরবারে এক ব্যক্তি একাধারে বারো বছর পর্যন্ত গোলামী করেন।একদিন, এক দুষ্ট বুদ্ধির লোক, গাউছে পাকের এই ভক্তকে বললো, 'আচ্ছা, তুমি এখানে বছরের পর বছর পরে আছো কেন? ভক্ত জবাব দিলো,'অাল্লাহ কে পাবার জন্য।এবার ঐ কুচক্রী বললো 'পেয়েছো কি অাল্লাহ কে? 'তোমার পীর তোমাকে কিছু দিয়েছে কী?
ভক্ত, মাথা নেড়ে উত্তর দিলো, ''না,,।
তাহলে, খামোকা পড়ে অাছো কোন দুঃখে? চলে যাও.....।
লোকটির কথায় প্রভাবিত হলো গাউছে পাকের ভক্ত।ভাবলো, যদি পীরের কাছে বিদায় চাইতে যাই,তিনি বিদায় দেবেন না।কাজেই গভীর নিশীথে, সকল মায়ার বন্ধন ছিন্ন করে, পুটুলি বেঁধে, গাউছে পাকের এই ভক্ত চলে যাচ্ছে।হঠাৎ সে পেছন ফিরে তাকালো সেই ঘরটির দিকে,যে ঘরে সে বারো বছর ছিলো।মনে মনে বললো,চলে যাচ্ছি,হয়তো অন্য কেউ এসে এ ঘরে থাকবে! আহ! যদি ঘরটি এ মুহূর্তে পুড়ে যেতো!!
এ কী, সেই ঘরেতো সত্যি সত্যিই অাগুন ধরে গেলো।এমত সময় গাউছে পাক সামনে হাজির। 'বাছা,চলে যাচচ্ছো কেন? ভক্ত বললো 'হুজুর এতদিন ধরে আছি, কই কিছুই তো দিলেন না আমায়!! হুজুর মুচকি হেসে বললেন, 'যদি না ই দিতাম, তাহলে তুমি মুখেও বলোনি, শুধু অন্তরে কল্পনা করেছো 'এটা হোক,,সঙ্গে সঙ্গে সেটাই হচ্ছে। এরপরও বলবে দিইনি।
সত্যিই তাই,বহু মুরিদ আছেন, তারা হয়তো অনুভব করতে পারেন না যে তাদের মুর্শিদে কামেল তাদের ঝুলিতে কি রাখছেন দিনের পর দিন!!

28/07/2017
29/03/2017

একদিন সামসে তাব্রীজ (রঃ) মাওলানা
রুমির (রঃ) এর সামনে দাড়াঁলেন।
মাওলানা রুমি(রঃ)তখন ইসলামী ফিকাহ
শাস্ত্রের পড়াশোনাকরছিলেন। তখন
সামসে তাব্রীজ (রঃ)
জিজ্ঞাসাকরলেন তুমি এইটা পড়ছো ?
মাওলানা রুমি (রঃ) উত্তরে বললেন,
"" ইয়া ইলম মাসকে তু না দানা """
( এইটা এমন জ্ঞান যা তুমি বুঝবেনা )
সামসে তাব্রীজ একথা শুনে মাওলানা
রুমি
(রঃ)সমস্ত কিতাব, হাদিস, কোরআন,
পাশেরনদীতে ফেলে দিলেন!! তারপর
সামসেতাব্রীজ নদীর মাঝখানে পানির
উপরেদাড়িয়ে সব বইগুলোকেপানি ঝেঁরে
ঝেঁরে আবার উঠাতেলাগলেন।
আরমাওলানা রুমি (রঃ) কে উদ্দেশ্য করে
বললেন, মাওলানা সাহেব দেখো কোন বই
আবারভিজে গেলোনা তো?? এবার রুমি
(রঃ)সামসের তাব্রীজ (রঃ) কে
জিজ্ঞাসা
করলেন এইটা কিভাবে করলেন, উত্তরে
সামসে তাব্রীজ বললেন,
"" ইয়া ইলম মাসকে তু না দানা ""
(এইটা এমন জ্ঞান যা তুমি বুঝবেনা )
মাওলানা রুমি তখনই সামসে তাব্রীজের
দু
কদম জড়িয়ে ধরে কান্না ভেজা কন্ঠে
বলতে লাগলেনও মুর্শীদ আমি এত
মাওলানা হয়েছি কিন্তুতোমার এই
খেলা যদি বুঝতে না পারিআমার সব
কিছুই বৃথা, তোমার জানা "এলমেমারফত
"িশক্ষায় আমাকে সিত্ত্ব করো।
মাওলানা রুমি এতদিন শুধু কিতাব পরে
মাওলানা হতে পেরেছেন কিন্তু যখনই
তিনি সামসে তাব্রীজ (রঃ) কাছে
আসলেন
তিনি হয়ে গেলেন ""মাওলায়ে রুমি ""।
পৃথিবীর সর্বশ্রেস্ট মাওলানা
জালালুদ্দিন
রুমি র(রঃ) এর মহামুল্যবানী সমুহ :::
$ আমি ততোদিন মাওলানা (মুসলমান)
হতেপারিনি, যতোদিন পযর্ন্ত না সামসে
তাব্রীজের পায়ের গোলামি করতে
পেরেছি।
$ তোমার পীর যখন তোমাকে মুরিদ বলে
স্বীকৃতি দেবেন, তখনই রাসুল (সঃ)
তোমাকে উম্মত বলে এবং আল্লাহ
তোমাকে বান্দা স্বীকার করবে।
$ আমি মাওলানা রুমি কোরআনের মগজ
(সারর্মম) তুলে নিয়ে মসনবী শরিফ রচনা
করেেগলাম।বাকী হাড্ডি আর গোশত
রেখেদিলাম যা দিয়ে আলেম নামের
কুকুরেরা দৌড়েদৌড়ি করবে।
$ পীর হলো আল্লাহ দেখার আয়না, যেমন
আয়না ছাড়া নিজের চেহারা দেখা
যায়না, তেমনি পীর ছাড়া আল্লাহ
পাওয়া
যায়না।
$ মাওলানা বেশে খোদা মেলেনাই,
আউলিয়া কেরাম গনের অন্তর হলো
হাকিকিমসজিদ. আসল মসজিদ।
$ হে দুনিয়ার মানুষ তোমাদের যদি
আল্লাহ
দেখার কামনা জাগ্রত হয়। তাহলে কোন
কামেল ওলি - আল্লাহ সহবতে বস,
ওলিগনআল্লাহ দেখার আয়না।
$ অন্যান্য লোক যেমন নিদ্রিত অবস্থায়
দেহ মন বিচ্চিন্ন হইয়া যায়,
তেমনিভাবে
খাঁটি কামেল লোকের জাগ্রত অবস্থায়ও

13/02/2017

গাউছে পাক রাদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা
আনহুর কেরামত।
হযরত গাউছে পাক আবদুল কাদের
জিলানী ( রাঃ) দরবারে একজান
বাবুর্চি কাজ করতেন প্রায় ১২ বছর পর্যন্ত
হঠাৎ একদিন গাউছে পাকের দরবারে
আরজি দিলেন বাবুর্চিটা,
হে গাউছে পাক আমি ১২ বছর ধরে আপনার
দরবারে গোলামী করতেছি আমি তো
কিছু পাইলাম না
সবাই কে সব কিছু দাও। ফকির কে বাদশা,
বৈয়মান কে ঈমানদার , চুর/ডাকাত কে
আল্লাহ ওলী , ইত্যাদি আমাকে কিছু দাও
না হে গাউছে পাক আমি আপনার
দরবারে আর গোলামি করবনা এই বলে
বাবুর্চিটা চলে গেল সেই হাঠতে হাঠতে
একটা গাছের নিছে বিশ্রাম নিচ্ছিল
কিছুক্ষন পর একদল কাফেলা গাউছে
পাকের দরবারে যাওয়ার জন্য আসতেছে
তখন তারা ও সেই গাছের নিছে বিশ্রাম
নিল।
তখন একদল দল ডাকাত আসল সেই
কাফেলার জিনিষ পত্র চুরি করার জন্য।
তারপর সেই কাফেলার লোকেরা
মুনাজাত করতেছে আল্লাহ গাউছেপাকের
নাম নিল বেয়াদবি হয়ে যাবে কারন
আমাদের জবান নাপাক জবান হে
আল্লাহ তুমি গাউছে পাকের দরবারের
বাবুর্চি উছিলায় আমাদের এই ডাকাত
থেকে রক্ষা কর তখন সেই বাবুর্চি শুনে
অভাগ হয়ে গেল তারপর ডাকাত রা ও
তাদের সাথে গাউছে পাকের দরবারের
কাফেলা হয়ে গেল।
তখন বাবুর্চিটা কান্তে কান্তে গাউছে
পাকের কদমে পড়ে গেল। এবং বলতেছে
হুজুর আমার বেয়াদবি হয়ে গেল আমাকে
ক্ষমা করে দিন।
তখন গাউছে পাক বলল হে বাবুর্চি তুমি
কি দেখেছ আমি কি দিলাম।
সুবহানাল্লাহ।

27/01/2017

★মহান সাধক হযরত শাহ অামানত
(রাহঃ)'র
সংক্ষিপ্ত জীবন ও কর্ম★
:::::::::::::::::::::::::::::::::::::::
বারো আউলিয়ার পুণ্য এবং ধন্যভূমি
চট্টগ্রাম। এখানে ইসলাম ধর্ম
প্রতিষ্ঠিত হয় পীর আউলিয়া ফকির
দরবেশের মাধ্যমে। সুদূর আরব এবং
ভারত থেকে কিছু পীর আউলিয়া,
ফকির, দরবেশ চট্টগ্রাম এসেছিলেন
মানব কল্যাণ এবং ইসলাম প্রচারের
জন্য। চট্টগ্রামে আগত পীর, আউলিয়া,
ফকির-দরশদের মধ্যে হযরত বদর শাহ
(রঃ), হযরত বায়েজিদ বোস্তামী
(রঃ), হযরত শাহ মোহছেন আউলিয়া
(রঃ) হযরত মোল্লা মিছকিন শাহ
(রঃ), হযরত শেখ ফরিদ (রঃ) হযরত শাহ
গরীব উল্লাহ শাহ (রঃ) হযরত বদনা
শাহ (রঃ) প্রকাশ শফি শাহ (রঃ),
হযরত আনার উল্লাহ শাহজী (রঃ),
হযরত শাহ চাঁন্দ আউলিয়া (রঃ). হযরত
শাহ আমানত (রঃ) সহ অসংখ্য পীর
আউলিয়া রয়েছেন। তাদের আগমনে
চট্টগ্রাম ধন্য হয়েছে।
চট্টগ্রামের সূফিদের আসন কখনো
খালি ছিলনা এখনো খালি নেই।
রাজা বাদশাহরা যেমন পার্থিব
ব্যাপারে রাজত্ব করেন তেমনি
সূফীদের মতে সূফীরা ধর্মরাজ্যের
রাজা। সূফীরা পৃথিবীর সব ধরনের
বিপদ আপদ থেকে রক্ষা করতে
সাহায্য করেন। তাঁরা আল্লাহর প্রিয়
পাত্র হওয়ায় আল্লাহ তাঁদের
সুপারিশ গ্রহণ করেন। চট্টগ্রামে আগত
পীর আউলিয়া, ফকির দরবেশদের
মধ্যে হযরত শাহ আমানত ছিলেন
অন্যতম একজন। চট্টগ্রামের
আধ্যাত্মিক বেলায়েত রক্ষা, ইসলাম
ধর্ম প্রচার এবং মানব কল্যাণ করার
জন্য তিনি সুদূর ভারত থেকে চট্টগ্রাম
এসেছিলেন। হযরত শাহ আমানত (রঃ)
এর চট্টগ্রামে আগমন সম্পর্কে সঠিক
সময় জানা না গেলেও ধারণা করা হয়
নিশ্চিতভাবে ১৭৯৩ খৃষ্টাব্দের পরে
তিনি চট্টগ্রাম এসেছিলেন। ১৮০৬
খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত তিনি জীবিত
ছিলেন।
হযরত শাহ আমানত (রঃ) সম্পর্কে
বলতে গিয়ে মাজার শরীফের
মুতওয়াল্লী শাহাজাদা শরফুদ্দিন
মোহাম্মদ শওকত আলী খান বলেন
হযরত শাহ আমানত (রঃ) এর পূর্বপুরুষের
নিবাস ছিল ইরাকে। তিনি বড় পীর
হযরত আবদুল কাদের জিলানী (রঃ) এর
বংশধর ছিলেন। তাঁর বাবার নাম
হযরত নিয়ামত শাহ (রঃ)। ভারতের
বিহারের প্রখ্যাত সাধক সূফী হযরত
মোনামেয় পাকবাচ তাঁর ঘনিষ্ট
আত্মীয় ছিলেন। তাঁর পূর্বপুরুষগণ বংশ
পরষ্পরায় বুজুর্গ ছিলেন। মোঘল সম্রাট
আওরঙ্গজেবের আমলে প্রথম ভারতে
ইসলাম প্রচারের ব্যাপারে পীর
আউলিয়া, ফকির দরবেশগণ তৎপর
ছিলেন। ঠিক সেই সময় ভারতের
কাশ্মির, পাটনা, লক্ষ্মৌ,
মুর্শিদাবাদ ছিল সূফী দরবেশদের
মিলন ক্ষেত্র।
এসব স্থান থেকে সূফী দরবেশগণ
বিভিন্ন স্থানে ধর্ম প্রচারের জন্য
বেরিয়ে পড়তেন। তৎকালীন সময়ে
মহান সাধক সূফী হযরত শাহ আমানত
(রঃ) ইসলাম ধর্ম প্রচার এবং আল্লাহর
সাধনায় নিজেকে নিবেদন
করেছিলেন। সংসারের সমস্ত
মায়ামমতা ত্যাগ করে তিনি
আধ্যাত্মিক জ্ঞান অর্জনের জন্য
বিহার থেকে কাশ্মির চলে যান।
কাশ্মিরে গিয়ে তিনি প্রখ্যাত
সাধক পীর হযরত শহীদ (রঃ) এ শিষ্যত্ব
গ্রহণ করেন। দীর্ঘ ১২ বছর তিনি তাঁর
পীরের কাছে অবস্থান করে
আধ্যাত্মিক জ্ঞান অর্জন এবং সাধনা
করে আধ্যাত্মিক জগতের শীর্ষ
অবস্থানে পৌছে যেতে
পেরেছিলেন।
তাঁর পীর তাঁকে বেলায়েতের সমস্ত
ক্ষমতা প্রদান করেন এবং তাঁকে
ইসলাম ধর্ম প্রচার এবং মানব
কল্যাণের পথে নিজেকে নিয়োজিত
করার উপদেশ দেন। হযরত শাহ আমানত
(রঃ) চট্টগ্রামের বেলায়েত রক্ষা
এবং ইসলাম প্রচারের জন্য সুদূর বিহার
থেকে চট্টগ্রামের উদ্দেশে রওয়ানা
হন।
তিনি চট্টগ্রামে এসে নিজের পরিচয়
গোপন রেখে চট্টগ্রামের কোর্ট
বিল্ডিং এ পাখা টানার চাকুরী
গ্রহণ করেন। দিনের বেলায় তিনি
চট্টগ্রামের কোর্ট বিল্ডিং এ চাকুরী
করতেন আর রাতের বেলায়
লালদীঘির পূর্ব পাড়স্থ নিজস্ব ছোট্ট
কুটিরে আল্লাহর ধ্যানে মশগুল
থাকতেন। তিনি চট্টগ্রামে অবস্থান
কালে ইসলাম প্রচারের কাজ করতেন
এবং মানবকল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ
করেছিলেন। তিনি সব সময় দুঃস্থ
অসহায়ের সাহায্যে এগিয়ে যেতেন।
তিনি সাধাসিধে জীবন যাপন
করতেন। তাঁর আচার ব্যবহার,
চলাফেরা, কথাবার্তায় অমায়িকভাব
থাকার কারণে লোকজন তাঁকে মিয়া
সাহেব বলে সম্বোধন করতেন।
অল্প আহার অধিক এবাদত করা ছিল
তার করণীয় কার্যাবলীর মধ্যে
অন্যতম। ভক্তদের তিনি হালাল
উপার্জন, সৎ জীবন যাপন, সংযমী এবং
এবাদতে মশগুল থাকার পরামর্শ
দিতেন। মানবকল্যাণ করতে গিয়ে
তাঁর প্রচ- আধ্যাত্মিক শক্তি প্রকাশ
পায়। তাঁর আধ্যাত্মিক শক্তির পরিচয়
পাওয়ার পর তিনি আর চট্টগ্রামের
কোর্ট বিল্ডিং এ চাকুরী করতে
পারেন নি। তিনি চাকুরী ছেড়ে
ইসলাম ধর্ম প্রচার এবং মানব
কল্যাণে নিজেকে পুরোপুরিভাবে
নিয়োজিত করেন। তাঁর জ্যোতির্ময়
চেহারা দেখে মানুষ মোহিত হয়ে
যেত।
দলে দলে তাঁর কাছে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ
করার জন্য দূর দূরান্ত থেকে লোক
আসতে থাকে। তিনি কাউকে জোর
করে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করতে বাধ্য
করেন নি। তিনি ধনী-গরীবের মধ্যে
কোন সামাজিক ব্যবধান সহ্য করতে
পারতেন না। কষ্টার্জিত আয়ের
মাধ্যমে জীবিকা নির্বাহ করে
আল্লাহর এবাদতে মশগুল থাকাটা
তিনি বেশী পছন্দ করতেন। তিনি সব
সময় এহরামের কাপড়ের মত সাদা
কাপড় পড়তেন।
চট্টগ্রামে দীর্ঘদিন অবস্থান করে
ইসলাম এবং মানবতার কল্যাণ করে
১১৮৭ হিজরীর ৩১ জেলক্বদ তারিখে
১২৫ বছর বয়সে ইন্তেকালের পর তাঁকে
লালদীঘির পূর্বপাড়স্থ খানখাহ
শরীফে সমাহিত করা হয়।
তাঁর মাজার শরীফ হচ্ছে চট্টগ্রামের
তীর্থস্থানগুলোর মধ্যে অন্যতম একটি।
প্রতিদিন তাঁর পবিত্র মাজার
শরীফে হাজার হাজার ভক্ত নারী-
পুরুষ আসেন তাদের নিজ নিজ
মনোবাসনা নিয়ে। তাঁর পবিত্র
মাজার শরীফে সমস্ত কর্মকা- শরীয়ত
মতে হয়ে থাকে। শরীয়ত বিরোধী
সমস্ত কর্মকা- এখানে সম্পূর্ণ
নিষিদ্ধ। দুঃস্থ গরীব অসহায়দের জন্য
দু’বেলা লঙ্গর খানার ব্যবস্থা
রয়েছে। মাজার কর্তৃপক্ষের
তত্তাবধানে বিভিন্ন সেবামূলক
কর্মকান্ড পরিচালিত হয়ে থাকে।

27/01/2017

হযরত শেখ ফরিদ উদ্দিন গঞ্জে শেকর রহঃ
বলেন,একদা হযরত যাকারিয়া মুলতানী
রহঃ এমন শহরে গিয়ে পৌছেন,যেখানে
একটি বড় গর্ত বিশিষ্ট পাহাড় বিদ্যমান।
এই শহরে কোন মানুষ মৃত্যুবরণ করলে ঐ
গর্তে রেখে আসত এবং মুর্দার উপর কি
হচ্ছে সেটা দেখার জন্য একজন জীবন্ত
মানুষ মুর্দার পাশে বসিয়ে রাখত।একদিন
একজন মানুষ মৃত্যুবরণ করলে তার লাশ
গর্তের মুখে নিয়ে গেলে শায়খ
যাকারিয়া মুলতানী রহঃ বলেন,আজ
এখানে আমাকে রেখে যান।অতঃপর তার
আবেদন অনুযায়ী তাকে মুর্দার সাথে
গর্তে রেখে লোকেরা চলে আসল।রাতের
কিছু অংশ অতিক্রম করলে আযাবের
ফেরেশতা এসে মুর্দাকে আযাব দিতে
চাইলে মুর্দা উঠে হযরতের কদমে পড়ে
সাহায্য প্রার্থনা করল।এই সময় অদৃশ্য
থেকে আওয়াজ আসল,তাকে ছেড়ে দাও।
যে যাকারিয়া মুলতানির আশ্রয়ে এসেছে
আমি তাকে আযাব দিতে চাইনা।সাথে
সাথে ফেরেশতা চলে গেল।উল্লেখ্য
যে,এই অদৃশ্যের আওয়াজ গর্তের আশে
পাশের লোকেরাও শুনেছে।এতে ঐ শহরে
তার বুজুর্গীর চর্চা চতুর্দিকে ছড়িয়ে
পড়লে দলে দলে লোক তার সাক্ষাতে
আসা আরম্ভ করল।তিনি গর্ত থেকে উঠে
অঙ্গাত স্থানে চলে যান।

Address

Chittagong

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when অলৌকিক ঘটনা আল্লাহর অস্তিত্ব প্রমাণ করে, কোরআনের অলৌকিকতা posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share