সুফি সেন্টার Sufi Centre

সুফি সেন্টার Sufi Centre Spiritual Science | Sufi Wisdom | Inner Transformation|
(8)

Sufi Centre™- A Centre for Spiritual Science

Sufi Centre is a distinguished spiritual institution grounded in the rich Islamic intellectual tradition and the living heritage of Chishtia Sufism. সুফি সেন্টার কেন?
এসেছো যারা আসোনি যারা, হয়ে পথহারা, তোমাদের সবার নিমন্ত্রণ।

মানুষ বলে জ্ঞানই শক্তি, অথচ আজকের মানুষ হতবুদ্ধি হয়ে পড়েছে এই জ্ঞানের ধাক্কাতেই।
নতুন-নতুন মতবাদ, এক এক মানুষের এক একরকম চিন্তা,পুরনো ট্র্যাডিশন, নিজের সংস্কার চারদিকে জ্ঞানের ছড়াছড়ি, চিন্তা ও মতবাদের বড় বড় ঢেউ। এবং এর অনেকগুলিই পরস্পর-বিরোধী। মানুষ বিভ্রান্ত।

কোনটা ঠিক কোনটা বেঠিক, কোনটা ভাল কোনটা মন্দ, প্রয়োজনীয় বা অপ্রয়োজনীয় কোনটি ?
বেছে নিতে অসুবিধা হচ্ছে। বাড়িতে জেনারেশন গ্যাপ, অফিসে মূল্যবোধের সংকট, সমাজে আচার-প্রথার বাহুল্য মানুষ আজ হতবুদ্ধি । এই অবস্থায় পাশ্চাত্য মনোবিজ্ঞান মানুষকে বলে সমাজের সঙ্গে অ্যাডজাস্ট করতে, খাপ খাওয়াতে। সুফি সেন্টার, এই ধারণার বিপক্ষে কারণ সমাজ অধিকাংশ বিষয়েই অসুস্থ। সুফিরা তাই উত্তরণের পথ দেখিয়েছেন, রূপান্তরের পথ বলেছেন।


পাশ্চাত্য মনোবিজ্ঞান আপনাকে সাহায্য করবে সাধারণ মানুষের মতো চেতনা নিয়ে বেঁচে থাকতে, খুব বেশি হলে, ইঁদুর-দৌড়ে প্রথম হতে বলবে।
সুফি সেন্টার বলছে স্বকীয়তা প্রকাশ করতে। জনতার একজন হয়ে নয়, নতুন মানুষ হয়ে বেঁচে থাকার কথা বলছে। সিগমুন্ড ফ্রয়েড জীবন-জিজ্ঞাসা তোলেননি। এটা তুললেন জাঁ পল সার্ত্রে, আলবেয়ার কামু, হাইডেগার, ফ্রানজ কাফকা । আরও পরে স্যামুয়েল বেকেট।
উত্তর তাঁরাও পাননি। পাশ্চাত্যের অস্তিত্ববাদী দর্শন তাই বিষাদ দর্শনে পরিণত। জীবন তাৎপর্যহীন, মূল্যবোধ অর্থহীন, মানুষের সমস্ত ইচ্ছা, সবকিছু মূল্যহীন। সার্ত্রে -কামু-কাফকা বেকেট বুদ্ধি দিয়ে এর উত্তর খুঁজছিলেন এবং সামান্য চেষ্টা করেই প্রয়াস ত্যাগ করেছিলেন।
সুফি সেন্টার দেখায়, বিষাদের এই আকুতির পেছনে আছে এক গভীরতর ডাক অন্তরতম সত্তার ডাক "আমি কি তোমাদের প্রভু নই?" (আল কুরআন)।

বিজ্ঞান দিয়ে শরীরকে জানা যায়, জীবনকে নয়। কারণ জীবন এক রহস্য। একে জানা যায় না, অনুভব করা যায়। জীবন কোনো সমস্যা নয়, জীবন এক চ্যালেঞ্জ। এ এক দুঃসাহসিক যাত্ৰা (adventure) অজানার উদ্দেশ্যে। যাত্রাপথের বাহন হচ্ছে সুফি সেন্টার।

মানুষ এত কিছু পড়ছে, শিখছে তবুও তার মনে তৃপ্তি নেই কেন? কারণ, আত্মজ্ঞানের অভাব। আজকের দুনিয়ায় এটিই চলছে। মানুষ অনেক কিছু জানছে, কিন্তু যে মন নিয়ে এই জ্ঞানগুলির প্রয়োগ করবে সেই মন সম্বন্ধে সে কিছু জানেনা, সেই মনটাই বিভ্রান্ত। তাই আপন মনের সন্ধান দিতেই সুফি সেন্টার।

নতুন মনোবিজ্ঞানের সমস্ত তত্ত্ব স্পষ্ট প্রবৃত্তিপূজা;
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে রাশিয়া এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে একটি প্রবণতা প্রকটতর হয়ে দেখা দেয় যে, সমস্ত মনস্তাত্ত্বিক এবং মানসিক কারণ প্রকৃতপক্ষে জৈবিক এবং শারীরিক। এ থেকে এই উপসংহার হয় যে, পাশ্চাত্যসমাজ আত্মাকে ইতোমধ্যেই ভুলে গিয়েছে। এখন মন, নফস থেকেও অপরিচিত হয়ে যাচ্ছে। অবশেষে একমাত্র 'দেহই' থেকে গেছে।
মনোবিজ্ঞানের পাশাপাশি এখানে নতুন আরেকটি জ্ঞানের উল্লেখ হওয়া উচিত, যাকে বলা হয় সাইবারনেটিক্স (Cybernetics)। এই জ্ঞানের সাহায্যে কম্পিউটার তৈরি করা হয়। অর্থাৎ এমন সব যন্ত্র, যেগুলো মানুষের মনের কিছু নির্দিষ্ট বিষয় নিজেরাই সম্পাদন করতে পারে।

যেমন জটিল গাণিতিক সমস্যা সমাধান করা, প্রশ্নের উত্তর দেওয়া, এমনকি অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক কারণ সম্পর্কে ভবিষ্যদ্বাণী করা। এই জ্ঞানের পেছনে ভিত্তি হল, মানুষের মন একটি যন্ত্রের মতো কাজ করে। আর যে আইনকানুন যন্ত্রগুলোকে পরিচালনা করে, ঠিক সেই আইনকানুন মনকেও পরিচালনা করে। তাই এই আইনগুলো জানা থাকলে মানুষ মন থেকে যেসব কাজ আদায় করে নেয়, যন্ত্র থেকেও একই কাজ নিতে পারে। ফলে আশা করা যায়, মানুষ যেভাবে মহাবিশ্ব ও প্রকৃতিকে জয় করতে পারে, সেভাবে মনকেও জয় করতে পারে এবং এটিকে তার পছন্দ অনুযায়ী গঠন করতে পারে। অর্থাৎ, মনও আসলে একটি কায়া বা বস্তু। আর বস্তুগত জিনিসের সাথে যে আচরণ করা হয়, মনের সাথেও অনুরূপ আচরণ করা যেতে পারে।

উনিশ শতকের অনেক লোক ‘আধ্যাত্মিকতা' (রূহানী.), ‘আত্মশুদ্ধি' (তাসাউফ) এবং ‘গুপ্ত জ্ঞান' (ইলমে বাতেনী)-এর এই অর্থ গ্রহণ করেছিল যে, এই জিনিসগুলোর উদ্দেশ্য হল মানুষের মনের ‘গোপন শক্তিগুলো' জাগিয়ে তোলা। যেমন কোনো বাহ্যিক উপায় ছাড়াই মানুষের মনে প্রভাব বিস্তার করা, কোনো মাধ্যম ছাড়াই কোনো শহর বা দেশের অবস্থা বলা ইত্যাদি।
কিন্তু উনিশ শতকের বিজ্ঞানীরা এগুলোকে অমূলক চিন্তা ও কুসংস্কার বলতেন। পক্ষান্তরে বিশ শতকের কিছু বিজ্ঞানী এ বিষয়গুলো নিয়ে গবেষণা করেছেন এবং নীতিগতভাবে এগুলোকে “সম্ভব” বলে বিবেচনা করতে শুরু করেছেন। তারা এ ধরনের মানসিক শক্তিকে ‘অতিন্দ্রিয় উপলব্ধি' বলেন। এই গবেষণায় আগ্রহী এমনকি রাশিয়ার বিজ্ঞানীরাও। এই প্রবণতা থেকে কখনো কখনো এই বিভ্রম হয় যে, বিজ্ঞান এখন আধ্যাত্মিকতা এবং ধর্মের কাছে আসছে। অথচ স্পষ্টতই এই তত্ত্বের ভিত্তিও বস্তুবাদের উপর; বরং এটি আত্মা ও ধর্মের বাস্তবতাকে অস্পষ্ট করে তুলতে আরও সহায়তা করে।

মোদ্দাকথা, কোথাও ধর্মের বাস্তবতা বোঝার চেষ্টা নেই, সেটা বর্তমান বিজ্ঞান হোক বা মনোবিজ্ঞান বা দর্শন। এ ধরনের লোকেরা ধর্ম এবং আধ্যাত্মিকতার প্রতি যে অনুরাগ প্রকাশ করে, তার অধিকাংশই প্রতারণা; আদতে কোনো পার্থক্য নেই। এতদিন পর্যন্ত বিজ্ঞান ধর্মের শত্রু হয়ে সামনে এসেছিল, এখন বন্ধু হয়ে আসছে; এটা আরও বিপজ্জনক না হলেও স্পষ্ট না।

ঊনবিংশ শতাব্দী পর্যন্ত বিজ্ঞানের ধর্ম নিয়ে অনেক আপত্তি ছিল এবং সন্দেহ- সংশয় জাগিয়েছিল। বিজ্ঞান যুক্তিবাদকে পরিত্যাগ করেছে বলে নতুন বিজ্ঞান এখন এসব পুরোনো আপত্তি পরিত্যাগ করেছে; কিন্তু নতুন বিজ্ঞান ‘যৌনতাবাদ' বা 'জীবনবাদে'র চর্চা শুরু করেছে। সেজন্য সে ধর্মকে নির্মূল করার পরিবর্তে নতুন ধর্ম তৈরি করার চেষ্টা করছে। এই নতুন বিজ্ঞান পুরান বিজ্ঞানের চেয়ে বেশি ধ্বংসাত্মক।

পুরান বিজ্ঞান আল্লাহর অস্তিত্বের অস্বীকারকারী ছিল, নতুন বিজ্ঞান নতুন খোদার আবিষ্কার করছে। এই নতুন ধর্ম আরও বেশি বিভ্রান্তিকর। এসব বিভ্রান্তির চিহ্নকে সহজ পদ্ধতিতে জাতির সামনে উপস্থাপন করতে পারে খুব সহজেই সুফিতত্ত্ব। এই কারণেই সুফি সেন্টার।

Sufi Centre is a platform to connect people worldwide to the breadth and depth of meditation practices, the science, techniques, information, community and inspiration about its purpose and its physical, emotional, and spiritual benefits.

আজকে খুশির ঢল নেমেছে ধূসর সাহারায়... #সুফি_সেন্টার    #সুফি_মেডিটেশন #খাজা_ওসমান_ফারুকী         #সুফি_মেডিটেশন_মেথড #চিশ...
26/08/2026

আজকে খুশির ঢল নেমেছে ধূসর সাহারায়...

#সুফি_সেন্টার

#সুফি_মেডিটেশন
#খাজা_ওসমান_ফারুকী







#সুফি_মেডিটেশন_মেথড
#চিশতিয়া_দর্শন

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (দ.) উপলক্ষে সুফি সেন্টার-এর আয়োজনে “সিরাতে রাসূল (দ.): আত্মশুদ্ধি, মানবিক মূল্যবোধ ও আধ্যাত্মিক ...
22/08/2026

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (দ.) উপলক্ষে সুফি সেন্টার-এর আয়োজনে “সিরাতে রাসূল (দ.): আত্মশুদ্ধি, মানবিক মূল্যবোধ ও আধ্যাত্মিক বিকাশ” শীর্ষক সেমিনার ও সুফি মেডিটেশন ব্যবহারিক সেশন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার রাজধানীর এশিয়া হোটেল অ্যান্ড রিসোর্টে অনুষ্ঠিত এ আয়োজনে বক্তারা বলেন, রাসুলুল্লাহ (দ.)-এর জীবন শুধু মুসলিমদের ধর্মীয় ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় নয়; তাঁর জীবনাদর্শ নৈতিক উৎকর্ষ, আত্মশুদ্ধি, মানবিক মর্যাদা, সহমর্মিতা, সংযম ও আধ্যাত্মিক বিকাশের এক অনন্য ও সর্বজনীন দৃষ্টান্ত।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন খ্যাতিমান দার্শনিক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান ইমেরিটাস অধ্যাপক ড. আনিসুজ্জামান।
প্রধান আলোচক হিসাবে বক্তব্য রাখেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. শাহ কাওসার মুস্তাফা আবুলউলায়ী।

সম্মানিত আলোচক হিসাবে বক্তব্য রাখেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফারসি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের অধ্যাপক ড. আব্দুস সবুর খান,
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ফারসি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. ওসমান গনী,
এবং জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ রেজাউল হোসাইন।

এছাড়া আমন্ত্রিত অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন জনাব মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন, বিচারক, সদর আদালত, জজকোর্ট ফরিদপুর;
অধ্যাপক ড. শহীদ মঞ্জু, জনাব মো. জহিরুল ইসলাম, এমডি, এশিয়া হোটেল অ্যান্ড রিসোর্ট এবং জনাব লায়ন নুরুল ইসলাম, চেয়ারম্যান, জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা, ঢাকা।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সুফি সেন্টার-এর মহামান্য পরিচালক খাজা ওসমান ফারুকী (খাজাজী)।

তাঁদের জ্ঞানসমৃদ্ধ, গভীর ও প্রাণবন্ত আলোচনা পুরো আয়োজনকে একটি সমৃদ্ধ বুদ্ধিবৃত্তিক পরিসরে পরিণত করেছে। তাঁদের প্রতি জানাই আন্তরিক শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা।

আমাদের আমন্ত্রণে সাড়া দিয়ে যারা উপস্থিত হয়েছেন—শিক্ষক, গবেষক, চিকিৎসক, সাংবাদিক, পেশাজীবী, সংস্কৃতিসেবী, এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার সম্মানিত অতিথিবৃন্দ—আপনাদের প্রত্যেকের প্রতি সুফি সেন্টার-এর পক্ষ থেকে আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ।

আপনাদের উপস্থিতি, মনোযোগ, অংশগ্রহণ ও আন্তরিকতা আমাদের এই আয়োজনকে সফলতার পূর্ণতা দিয়েছে।

একই সঙ্গে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই সুফি সেন্টারের সকল স্বেচ্ছাসেবক, সহযোগী ও আয়োজক দলের সদস্যদের, যাঁদের নিষ্ঠা, শ্রম ও দায়িত্বশীলতার সমন্বিত প্রচেষ্টায় অনুষ্ঠানটি সুশৃঙ্খল ও সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।

আমরা বিশ্বাস করি, কোনো আয়োজনের সার্থকতা শুধু তার সফল সমাপ্তিতে নয়; বরং সেই আয়োজন মানুষের চিন্তা, চেতনা ও জীবনে কতটা ইতিবাচক অনুরণন সৃষ্টি করতে পারে, তার মধ্যেই নিহিত।

সেমিনারের পাশাপাশি খাজাজী-এর পরিচালনায় সুফি মেডিটেশন সেশন অনুষ্ঠিত হয়। এতে অংশগ্রহণকারীদের আত্মসচেতনতা, অন্তর্মুখী মনন, মানসিক প্রশান্তি ও আত্মশুদ্ধির বিভিন্ন অনুশীলনের সঙ্গে পরিচিত করানো হয়।

সভাপতির বক্তব্যে খাজাজী বলেন, সিরাতে রাসূল (দ.) নিয়ে আলোচনা শুধুই আনুষ্ঠানিকতা কিংবা আবেগের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলে এর প্রকৃত শিক্ষা মানুষের জীবন ও আচরণে প্রতিফলিত হবে না।
আত্মশুদ্ধি, চরিত্রগঠন, মানবিকতা ও আধ্যাত্মিক অনুশীলনের মধ্য দিয়ে রাসুলুল্লাহ (দ.)-এর জীবনাদর্শকে ধারণ করাই নবী জীবনের শিক্ষার প্রকৃত উদ্দেশ্য।

মানুষের বাহ্যিক উন্নতির পাশাপাশি অন্তর্জগতের পরিশুদ্ধিও অপরিহার্য; কারণ ব্যক্তির চিন্তা, চেতনা, নৈতিকতা ও আচরণের পরিশুদ্ধির মধ্য দিয়েই একটি সুস্থ, মানবিক ও মূল্যবোধসম্পন্ন সমাজ নির্মাণের ভিত্তি তৈরি হয়।

🔴🔴
#সুফি_সেন্টার
#সুফি_মেডিটেশন_মেথড


#সুফি_মেডিটেশন
#খাজা_ওসমান_ফারুকী






পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী দ. উপলক্ষে সুফি সেন্টার Sufi Centre এর আয়োজন।
19/08/2026

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী দ. উপলক্ষে সুফি সেন্টার Sufi Centre এর আয়োজন।

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (দ.) উপলক্ষে সুফি সেন্টার (বারগাহে চিশতিয়া) আয়োজন করেছে—“সিরাতে রাসুল (দ.): আত্মশুদ্ধি, মানবিক মূ...
16/08/2026

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (দ.) উপলক্ষে সুফি সেন্টার (বারগাহে চিশতিয়া) আয়োজন করেছে—

“সিরাতে রাসুল (দ.): আত্মশুদ্ধি, মানবিক মূল্যবোধ ও আধ্যাত্মিক বিকাশ”

শীর্ষক সেমিনার ও সুফি মেডিটেশনের ব্যবহারিক সেশন।

সিরাতে রাসুল (দ.)-এর আলোকে আত্মশুদ্ধি, মানবিকতা, নৈতিক চরিত্র ও আধ্যাত্মিক জীবনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দিক নিয়ে এ সেমিনারে আলোচনা করা হবে। পাশাপাশি সমকালীন সমাজ ও ব্যক্তিজীবনে সিরাতে রাসুল (দ.)-এর প্রাসঙ্গিকতা নিয়েও আলোকপাত করা হবে।

আলোচনা করবেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মানিত অধ্যাপকবৃন্দ।

অনুষ্ঠানের বিশেষ পর্বে থাকবে সুফি মেডিটেশনের ব্যবহারিক সেশন। সেশনটি পরিচালনা করবেন খাজা ওসমান ফারুকী (খাজা’জী)।

তারিখ: ২১ আগস্ট ২০২৬, শুক্রবার
সময়: বিকাল ৩:৩০ থেকে রাত ৮:৩০
স্থান: এশিয়া হোটেল এন্ড রিসোর্টস, তোপখানা রোড, ঢাকা
(সচিবালয় মেট্রোরেল স্টেশন সংলগ্ন)

আসন সংখ্যা সীমিত থাকায় অংশগ্রহণে আগ্রহীদের আগাম রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করার আহ্বান রইল।

রেজিস্ট্রেশন ও বিস্তারিত জানতে WhatsApp-এ যোগাযোগ করুন:
01814022483

12/08/2026

সুফিনামা
তাসাউফের দর্শন, ঐতিহ্য ও চেতনার জ্ঞানতাত্ত্বিক বিশ্লেষণ

🟥 “সুফিনামা” নিছক একটি বই নয়—
এটি এক দার্শনিক ও আধ্যাত্মিক যাত্রাপথের মানচিত্র।

🔴🔴
#সুফি_সেন্টার
#সুফি_মেডিটেশন_মেথড


#সুফি_মেডিটেশন
#খাজা_ওসমান_ফারুকী






30/07/2026

🔴🔴
#সুফি_সেন্টার
#সুফি_মেডিটেশন_মেথড


#সুফি_মেডিটেশন
#খাজা_ওসমান_ফারুকী






Address

Harualchhari, Fatikchhari
Chittagong
4354

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when সুফি সেন্টার Sufi Centre posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to সুফি সেন্টার Sufi Centre:

Shortcuts

Share