চিশতিয়া সুফি সেন্টার Chishtiya Sufi Centre

চিশতিয়া সুফি সেন্টার Chishtiya Sufi Centre Spiritual Science | Sufi Wisdom | Inner Transformation|
(7)

Sufi Centre™- A Centre for Spiritual Science

Sufi Centre is a distinguished spiritual institution grounded in the rich Islamic intellectual tradition and the living heritage of Chishtia Sufism. সুফি সেন্টার কেন?
এসেছো যারা আসোনি যারা, হয়ে পথহারা, তোমাদের সবার নিমন্ত্রণ।

মানুষ বলে জ্ঞানই শক্তি, অথচ আজকের মানুষ হতবুদ্ধি হয়ে পড়েছে এই জ্ঞানের ধাক্কাতেই।
নতুন-নতুন মতবাদ, এক এক মানুষের এক একরকম চিন

্তা,পুরনো ট্র্যাডিশন, নিজের সংস্কার চারদিকে জ্ঞানের ছড়াছড়ি, চিন্তা ও মতবাদের বড় বড় ঢেউ। এবং এর অনেকগুলিই পরস্পর-বিরোধী। মানুষ বিভ্রান্ত।

কোনটা ঠিক কোনটা বেঠিক, কোনটা ভাল কোনটা মন্দ, প্রয়োজনীয় বা অপ্রয়োজনীয় কোনটি ?
বেছে নিতে অসুবিধা হচ্ছে। বাড়িতে জেনারেশন গ্যাপ, অফিসে মূল্যবোধের সংকট, সমাজে আচার-প্রথার বাহুল্য মানুষ আজ হতবুদ্ধি । এই অবস্থায় পাশ্চাত্য মনোবিজ্ঞান মানুষকে বলে সমাজের সঙ্গে অ্যাডজাস্ট করতে, খাপ খাওয়াতে। সুফি সেন্টার, এই ধারণার বিপক্ষে কারণ সমাজ অধিকাংশ বিষয়েই অসুস্থ। সুফিরা তাই উত্তরণের পথ দেখিয়েছেন, রূপান্তরের পথ বলেছেন।


পাশ্চাত্য মনোবিজ্ঞান আপনাকে সাহায্য করবে সাধারণ মানুষের মতো চেতনা নিয়ে বেঁচে থাকতে, খুব বেশি হলে, ইঁদুর-দৌড়ে প্রথম হতে বলবে।
সুফি সেন্টার বলছে স্বকীয়তা প্রকাশ করতে। জনতার একজন হয়ে নয়, নতুন মানুষ হয়ে বেঁচে থাকার কথা বলছে। সিগমুন্ড ফ্রয়েড জীবন-জিজ্ঞাসা তোলেননি। এটা তুললেন জাঁ পল সার্ত্রে, আলবেয়ার কামু, হাইডেগার, ফ্রানজ কাফকা । আরও পরে স্যামুয়েল বেকেট।
উত্তর তাঁরাও পাননি। পাশ্চাত্যের অস্তিত্ববাদী দর্শন তাই বিষাদ দর্শনে পরিণত। জীবন তাৎপর্যহীন, মূল্যবোধ অর্থহীন, মানুষের সমস্ত ইচ্ছা, সবকিছু মূল্যহীন। সার্ত্রে -কামু-কাফকা বেকেট বুদ্ধি দিয়ে এর উত্তর খুঁজছিলেন এবং সামান্য চেষ্টা করেই প্রয়াস ত্যাগ করেছিলেন।
সুফি সেন্টার দেখায়, বিষাদের এই আকুতির পেছনে আছে এক গভীরতর ডাক অন্তরতম সত্তার ডাক "আমি কি তোমাদের প্রভু নই?" (আল কুরআন)।

বিজ্ঞান দিয়ে শরীরকে জানা যায়, জীবনকে নয়। কারণ জীবন এক রহস্য। একে জানা যায় না, অনুভব করা যায়। জীবন কোনো সমস্যা নয়, জীবন এক চ্যালেঞ্জ। এ এক দুঃসাহসিক যাত্ৰা (adventure) অজানার উদ্দেশ্যে। যাত্রাপথের বাহন হচ্ছে সুফি সেন্টার।

মানুষ এত কিছু পড়ছে, শিখছে তবুও তার মনে তৃপ্তি নেই কেন? কারণ, আত্মজ্ঞানের অভাব। আজকের দুনিয়ায় এটিই চলছে। মানুষ অনেক কিছু জানছে, কিন্তু যে মন নিয়ে এই জ্ঞানগুলির প্রয়োগ করবে সেই মন সম্বন্ধে সে কিছু জানেনা, সেই মনটাই বিভ্রান্ত। তাই আপন মনের সন্ধান দিতেই সুফি সেন্টার।

নতুন মনোবিজ্ঞানের সমস্ত তত্ত্ব স্পষ্ট প্রবৃত্তিপূজা;
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে রাশিয়া এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে একটি প্রবণতা প্রকটতর হয়ে দেখা দেয় যে, সমস্ত মনস্তাত্ত্বিক এবং মানসিক কারণ প্রকৃতপক্ষে জৈবিক এবং শারীরিক। এ থেকে এই উপসংহার হয় যে, পাশ্চাত্যসমাজ আত্মাকে ইতোমধ্যেই ভুলে গিয়েছে। এখন মন, নফস থেকেও অপরিচিত হয়ে যাচ্ছে। অবশেষে একমাত্র 'দেহই' থেকে গেছে।
মনোবিজ্ঞানের পাশাপাশি এখানে নতুন আরেকটি জ্ঞানের উল্লেখ হওয়া উচিত, যাকে বলা হয় সাইবারনেটিক্স (Cybernetics)। এই জ্ঞানের সাহায্যে কম্পিউটার তৈরি করা হয়। অর্থাৎ এমন সব যন্ত্র, যেগুলো মানুষের মনের কিছু নির্দিষ্ট বিষয় নিজেরাই সম্পাদন করতে পারে।

যেমন জটিল গাণিতিক সমস্যা সমাধান করা, প্রশ্নের উত্তর দেওয়া, এমনকি অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক কারণ সম্পর্কে ভবিষ্যদ্বাণী করা। এই জ্ঞানের পেছনে ভিত্তি হল, মানুষের মন একটি যন্ত্রের মতো কাজ করে। আর যে আইনকানুন যন্ত্রগুলোকে পরিচালনা করে, ঠিক সেই আইনকানুন মনকেও পরিচালনা করে। তাই এই আইনগুলো জানা থাকলে মানুষ মন থেকে যেসব কাজ আদায় করে নেয়, যন্ত্র থেকেও একই কাজ নিতে পারে। ফলে আশা করা যায়, মানুষ যেভাবে মহাবিশ্ব ও প্রকৃতিকে জয় করতে পারে, সেভাবে মনকেও জয় করতে পারে এবং এটিকে তার পছন্দ অনুযায়ী গঠন করতে পারে। অর্থাৎ, মনও আসলে একটি কায়া বা বস্তু। আর বস্তুগত জিনিসের সাথে যে আচরণ করা হয়, মনের সাথেও অনুরূপ আচরণ করা যেতে পারে।

উনিশ শতকের অনেক লোক ‘আধ্যাত্মিকতা' (রূহানী.), ‘আত্মশুদ্ধি' (তাসাউফ) এবং ‘গুপ্ত জ্ঞান' (ইলমে বাতেনী)-এর এই অর্থ গ্রহণ করেছিল যে, এই জিনিসগুলোর উদ্দেশ্য হল মানুষের মনের ‘গোপন শক্তিগুলো' জাগিয়ে তোলা। যেমন কোনো বাহ্যিক উপায় ছাড়াই মানুষের মনে প্রভাব বিস্তার করা, কোনো মাধ্যম ছাড়াই কোনো শহর বা দেশের অবস্থা বলা ইত্যাদি।
কিন্তু উনিশ শতকের বিজ্ঞানীরা এগুলোকে অমূলক চিন্তা ও কুসংস্কার বলতেন। পক্ষান্তরে বিশ শতকের কিছু বিজ্ঞানী এ বিষয়গুলো নিয়ে গবেষণা করেছেন এবং নীতিগতভাবে এগুলোকে “সম্ভব” বলে বিবেচনা করতে শুরু করেছেন। তারা এ ধরনের মানসিক শক্তিকে ‘অতিন্দ্রিয় উপলব্ধি' বলেন। এই গবেষণায় আগ্রহী এমনকি রাশিয়ার বিজ্ঞানীরাও। এই প্রবণতা থেকে কখনো কখনো এই বিভ্রম হয় যে, বিজ্ঞান এখন আধ্যাত্মিকতা এবং ধর্মের কাছে আসছে। অথচ স্পষ্টতই এই তত্ত্বের ভিত্তিও বস্তুবাদের উপর; বরং এটি আত্মা ও ধর্মের বাস্তবতাকে অস্পষ্ট করে তুলতে আরও সহায়তা করে।

মোদ্দাকথা, কোথাও ধর্মের বাস্তবতা বোঝার চেষ্টা নেই, সেটা বর্তমান বিজ্ঞান হোক বা মনোবিজ্ঞান বা দর্শন। এ ধরনের লোকেরা ধর্ম এবং আধ্যাত্মিকতার প্রতি যে অনুরাগ প্রকাশ করে, তার অধিকাংশই প্রতারণা; আদতে কোনো পার্থক্য নেই। এতদিন পর্যন্ত বিজ্ঞান ধর্মের শত্রু হয়ে সামনে এসেছিল, এখন বন্ধু হয়ে আসছে; এটা আরও বিপজ্জনক না হলেও স্পষ্ট না।

ঊনবিংশ শতাব্দী পর্যন্ত বিজ্ঞানের ধর্ম নিয়ে অনেক আপত্তি ছিল এবং সন্দেহ- সংশয় জাগিয়েছিল। বিজ্ঞান যুক্তিবাদকে পরিত্যাগ করেছে বলে নতুন বিজ্ঞান এখন এসব পুরোনো আপত্তি পরিত্যাগ করেছে; কিন্তু নতুন বিজ্ঞান ‘যৌনতাবাদ' বা 'জীবনবাদে'র চর্চা শুরু করেছে। সেজন্য সে ধর্মকে নির্মূল করার পরিবর্তে নতুন ধর্ম তৈরি করার চেষ্টা করছে। এই নতুন বিজ্ঞান পুরান বিজ্ঞানের চেয়ে বেশি ধ্বংসাত্মক।

পুরান বিজ্ঞান আল্লাহর অস্তিত্বের অস্বীকারকারী ছিল, নতুন বিজ্ঞান নতুন খোদার আবিষ্কার করছে। এই নতুন ধর্ম আরও বেশি বিভ্রান্তিকর। এসব বিভ্রান্তির চিহ্নকে সহজ পদ্ধতিতে জাতির সামনে উপস্থাপন করতে পারে খুব সহজেই সুফিতত্ত্ব। এই কারণেই সুফি সেন্টার।

Sufi Centre is a platform to connect people worldwide to the breadth and depth of meditation practices, the science, techniques, information, community and inspiration about its purpose and its physical, emotional, and spiritual benefits.

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে চিশতিয়া সুফি সেন্টার এর পক্ষ থেকে সবাইকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা, ভালোবাসা ও ঈদ মোবারক।ত্যাগ, আত...
27/05/2026

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে চিশতিয়া সুফি সেন্টার এর পক্ষ থেকে সবাইকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা, ভালোবাসা ও ঈদ মোবারক।

ত্যাগ, আত্মশুদ্ধি ও মহান আল্লাহর প্রতি পূর্ণ আত্মসমর্পণের এই মহিমান্বিত শিক্ষা আমাদের ব্যক্তিজীবন ও সমাজজীবনে শান্তি, মানবতা ও সৌহার্দ্যের আলো ছড়িয়ে দিক।

আসুন—
হৃদয়ে ধারণ করি ভালোবাসা,
চর্চা করি সহমর্মিতা,
এবং আত্মার পরিশুদ্ধির পথে এগিয়ে যাই একসাথে।
সবার জীবনে নেমে আসুক রহমত, বরকত ও অনাবিল আনন্দ।

ঈদ মোবারক
— Sufi Center™️

🟧🟧
#সুফি_সেন্টার
#সুফি_মেডিটেশন_মেথড
#চিশতিয়া_দর্শন


#সুফি_মেডিটেশন
#খাজা_ওসমান_ফারুকী






প্রতিবাদ ও নিন্দা— চিশতিয়া সুফি সেন্টার, চট্টগ্রামরাজধানীর হযরত শাহ আলী বোগদাদি (রহ.)-এর মাজার কমপ্লেক্সে অবস্থানরত নিরী...
15/05/2026

প্রতিবাদ ও নিন্দা
— চিশতিয়া সুফি সেন্টার, চট্টগ্রাম

রাজধানীর হযরত শাহ আলী বোগদাদি (রহ.)-এর মাজার কমপ্লেক্সে অবস্থানরত নিরীহ আশেক-ভক্ত, ছিন্নমূল মানুষ ও সাধারণ দর্শনার্থীদের উপর কথিত “তৌহিদি জনতা” নামধারী উগ্রপন্থী গোষ্ঠীর হামলার ঘটনায় আমরা গভীর উদ্বেগ, তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা কি সাধারণ জনতার দায়িত্ব?
তাহলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও প্রশাসনের ভূমিকা কোথায়?
কারা এই উগ্র গোষ্ঠী, যারা আইনের ঊর্ধ্বে উঠে ধর্মের নামে সহিংসতা চালানোর সাহস পায়?

বাংলার মাটি শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে সুফি-আউলিয়াদের প্রেম, সহনশীলতা, মানবতা ও আধ্যাত্মিকতার আলোয় আলোকিত। হযরত শাহ আলী বোগদাদি (রহ.)-এর মতো আউলিয়াগণ এ ভূখণ্ডে শান্তি, নৈতিকতা ও মানবিক ইসলামের বাণী প্রচার করেছেন। সেই ঐতিহ্যবাহী মাজার কমপ্লেক্সে হামলা শুধু কিছু নিরীহ মানুষের উপর আক্রমণ নয়—এটি বাংলাদেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি, আধ্যাত্মিক ঐতিহ্য ও মানবিক সংস্কৃতির উপর আঘাত।

মাজার ও খানকাহ কেবল ধর্মীয় স্থান নয়; বহু অসহায়, ছিন্নমূল ও মানসিকভাবে বিপর্যস্ত মানুষের আশ্রয়স্থলও বটে। এইসব স্থানে হামলা মানে সমাজের সবচেয়ে দুর্বল মানুষগুলোর নিরাপত্তা ও মানবিক মর্যাদার উপর আঘাত হানা।

ধর্মের নামে উগ্রতা, ঘৃণা ও সহিংসতা কখনোই ইসলাম সমর্থন করে না। ইসলাম হলো রহমত, সহমর্মিতা, সৌন্দর্য ও সহাবস্থানের শিক্ষা। যারা ভক্ত, সাধারণ মানুষ কিংবা আধ্যাত্মিক প্রতিষ্ঠানগুলোর উপর হামলা চালায়, তারা প্রকৃতপক্ষে সমাজে ভয়, বিভাজন ও অস্থিরতা সৃষ্টি করতে চায়।

আমরা প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানাচ্ছি—

অবিলম্বে হামলাকারীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে হবে।
মাজার, খানকাহ ও ধর্মীয়-আধ্যাত্মিক প্রতিষ্ঠানগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।
ধর্মীয় উগ্রবাদ, উসকানি ও সহিংসতার বিরুদ্ধে কার্যকর ও দৃশ্যমান পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।
কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী যেন আইন নিজের হাতে তুলে নিতে না পারে, তা নিশ্চিত করতে হবে।

বাংলাদেশের হাজার বছরের আধ্যাত্মিক ও মানবিক ঐতিহ্য রক্ষায় সকল সচেতন মানুষকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানাচ্ছি।

— চিশতিয়া সুফি সেন্টার, চট্টগ্রাম

🟧🟧
#সুফিনামা

#সুফি_মেডিটেশন
#খাজা_ওসমান_ফারুকী






#সিররুল_কুরআন

#সুফি_সেন্টার

14/05/2026

📩 বইটি সংগ্রহ করতে এখনই হোয়াটসঅ্যাপে যোগাযোগ করুন নির্ধারিত নাম্বারে।
01814022483
Sufi Centre Books এই পেইজে বা ঢাকার বাংলা বাজারে আমাদের সেলস সেন্টার থেকেও সংগ্রহ করতে পারেন।

✨ জ্ঞানের আলোয়, ধ্যানের গভীরে, আত্মার জাগরণে— Sufi Centre Books

🟧🟧
#সুফিনামা

#সুফি_মেডিটেশন
#খাজা_ওসমান_ফারুকী






#সিররুল_কুরআন

#সুফি_সেন্টার

আপনার মতে সুফি সেন্টারের আগামী প্রকাশনা কোন বিষয় নিয়ে হওয়া উচিত?🔹 আত্মশুদ্ধি ও তাযকিয়ায়ে নফস🔹 মানসিক স্বাস্থ্য ও আধ্যাত্...
13/05/2026

আপনার মতে সুফি সেন্টারের আগামী প্রকাশনা কোন বিষয় নিয়ে হওয়া উচিত?
🔹 আত্মশুদ্ধি ও তাযকিয়ায়ে নফস
🔹 মানসিক স্বাস্থ্য ও আধ্যাত্মিক প্রশান্তি
🔹 নফস, রুহ ও হৃদয়ের রহস্য
🔹 আধ্যাত্মিক মনোবিজ্ঞান
🔹 ধ্যান, জিকির ও মুরাকাবা
🔹 ইসলামী দর্শন ও চিন্তাধারা
🔹 কুরআনের সুফি তাফসির
নাকি সম্পূর্ণ নতুন কোনো বিষয়?
আপনার মতামত, অনুভূতি ও পরামর্শই আমাদের আগামী পথচলার প্রেরণা।
কারণ একটি সত্যিকারের বই শুধু পড়া হয় না—
তা মানুষের অন্তর বদলে দেয়, আত্মাকে জাগিয়ে তোলে, আর মানুষকে তার রবের দিকে এক ধাপ এগিয়ে দেয়।

🟧🟧
#সুফিনামা

#সুফি_মেডিটেশন
#খাজা_ওসমান_ফারুকী






#সিররুল_কুরআন

#সুফি_সেন্টার

06/05/2026

সুফি সেন্টারের এক অনন্য প্রকাশনা
খাজা ওসমান ফারুকী রচিত- কুন-ফায়াকুন : আসমাউল হুসনার দর্শন, ধ্যান ও সাধনা” — একটি ব্যতিক্রমধর্মী আধ্যাত্মিক গ্রন্থ।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রখ্যাত শিক্ষকবৃন্দ—
আরবি বিভাগের অধ্যাপক ড. ফরিদুদ্দিন ফারুক,
রাজনীতি বিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মাহফুজ পারভেজ,
এবং প্রফেসর আলম চৌধুরী—
এ ছাড়াও প্রখ্যাত মনোচিকিৎসক ও শিক্ষাবিদ অধ্যাপক ডা. হেলাল উদ্দিন আহমেদ
এই গ্রন্থ সম্পর্কে তাদের মূল্যবান মতামত তুলে ধরেছেন এই ভিডিওতে।

🔹 বাংলা ভাষায় আল্লাহর সুন্দর নামসমূহ (আসমাউল হুসনা) নিয়ে এত গভীর, গবেষণাধর্মী ও সুসংহত কাজ—দ্বিতীয়টি খুঁজে পাওয়া সত্যিই দুর্লভ।

🔹 পবিত্র কুরআনের আলোকে নির্মিত এই গ্রন্থে আধুনিক মনোবিজ্ঞান ও স্নায়ুবিজ্ঞানের দৃষ্টিভঙ্গির সঙ্গে যুক্ত হয়েছে সুফি দর্শন ও আধ্যাত্মিক সাধনার অনন্য সমন্বয়।

🔹 কুন-ফায়াকুন শুধু একটি বই নয়—এটি আত্ম-উপলব্ধির এক গভীর যাত্রা, ধ্যানের এক নতুন দিগন্ত, এবং আল্লাহর নামের রহস্য অনুধাবনের এক শক্তিশালী মাধ্যম।

📩 বইটি সংগ্রহ করতে এখনই হোয়াটসঅ্যাপে যোগাযোগ করুন নির্ধারিত নাম্বারে।
01814022483
Sufi Centre Books এই পেইজে বা ঢাকার বাংলা বাজারে আমাদের সেলস সেন্টার থেকেও সংগ্রহ করতে পারেন।

✨ জ্ঞানের আলোয়, ধ্যানের গভীরে, আত্মার জাগরণে—
“কুন-ফায়াকুন” আপনার জন্য এক অনিবার্য সহযাত্রী।

🟧🟧
#সুফিনামা

#সুফি_মেডিটেশন
#খাজা_ওসমান_ফারুকী






#সিররুল_কুরআন

#সুফি_সেন্টার

বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উপলক্ষে সুফি সেন্টার-এর পক্ষ থেকে সকলকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ।পহেলা বৈশাখ কেবল সময়ের পরিব...
14/04/2026

বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উপলক্ষে সুফি সেন্টার-এর পক্ষ থেকে সকলকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ।

পহেলা বৈশাখ কেবল সময়ের পরিবর্তন নয়; এটি অন্তরের নবায়নের আহ্বান। সুফি দৃষ্টিতে প্রতিটি নতুন দিন এক নতুন সফর—নফসের পরিশুদ্ধি, হৃদয়ের জাগরণ এবং সত্যের পথে অগ্রযাত্রার এক সম্ভাবনাময় দুয়ার।

এই নববর্ষ আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয়—মানুষের প্রকৃত পরিচয় তার বাহ্যিক রূপে নয়, বরং তার অন্তর্লোকের প্রশান্তি, প্রেম ও আলোকিত চেতনায়। সংস্কৃতি আমাদের বাহ্যিক পরিচয়ের ভাষা, আর তাসাউফ আমাদের অন্তরের জাগরণের পথ; এ দুইয়ের সমন্বয়েই পূর্ণতা পায় মানবজীবন।

বঙ্গাব্দের সূচনার সঙ্গে জড়িয়ে থাকা কৃষিজীবী মানুষের জীবনসংগ্রাম আমাদের শেখায়—প্রকৃতির সাথে সঙ্গতি রেখে, ধৈর্য ও পরিশ্রমের মধ্য দিয়েই আসে ফলপ্রসূতা। তেমনি আত্মার জমিনেও সাধনা, মুজাহাদা ও ভালোবাসার বীজ বপন করতে হয়, তবেই জন্ম নেয় মারিফাতের ফসল।

নতুন বছরের এই প্রান্তে দাঁড়িয়ে আমাদের অঙ্গীকার হোক—অহংকারকে সংযত করে, হৃদয়কে পরিশুদ্ধ করে, মানবতার সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করা। ভালোবাসা হোক আমাদের পথ, সহমর্মিতা হোক আমাদের ভাষা, আর সত্যের অনুসন্ধান হোক আমাদের চিরন্তন সাধনা।

নতুন দিনের আলোয় জাগুক অন্তরের নূর, প্রস্ফুটিত হোক প্রেম, করুণা ও আত্মিক জাগরণ।

শুভ নববর্ষ
পহেলা বৈশাখ, ১৪৩৩

#সুফি_সেন্টার
#সুফি_মেডিটেশন_মেথড
#চিশতিয়া_দর্শন


#সুফি_মেডিটেশন
#খাজা_ওসমান_ফারুকী





তারীখে খাজায়ে খাজেগানমূল লেখক,  প্রফেসর ড. সৈয়দ জিয়া উদ্দিন শামসি তাহরানী তরজমা, খাজা ওসমান ফারুকী 🌺উক্ত গ্রন্থে অভিমত প...
08/04/2026

তারীখে খাজায়ে খাজেগান
মূল লেখক, প্রফেসর ড. সৈয়দ জিয়া উদ্দিন শামসি তাহরানী
তরজমা, খাজা ওসমান ফারুকী

🌺
উক্ত গ্রন্থে অভিমত প্রকাশ করেছেন
প্রফেসর ড. মাহমুদুর রহমান
সাবেক উপাচার্য, আলীগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়।

🟧
অভিমতের কিছু অংশ আপনাদের জন্য....

কয়েক মাস পূর্বে গবেষক প্রফেসর সৈয়দ জিয়াউদ্দীন শামসি তাহরানির নিকট হতে প্রাপ্ত এক টেলিফোনালাপে জানতে পারি যে, তিনি খাজাদের খাজা, খাজা মঈনুদ্দিন হাসান চিশতি (রহ.)-এর জীবন, দর্শন ও আধ্যাত্মিক শিক্ষাধারা নিয়ে একটি সুগভীর ও গবেষণাভিত্তিক গ্রন্থ প্রণয়ন করেছেন এবং সেই পাণ্ডুলিপি আমাকে পর্যালোচনার জন্য প্রেরণ করতে ইচ্ছুক। সংবাদটি আমার জন্য বিশেষ আনন্দের কারণ ছিল, কেননা প্রফেসর তাহরানির প্রজ্ঞা, পাণ্ডিত্য এবং গভীর অনুশীলন সম্পর্কে আমি পূর্ব থেকেই অবগত ছিলাম।

আলীগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়-এর উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে আমি তাঁকে একাধিকবার শিক্ষার্থীদের জ্ঞানবিকাশের উদ্দেশ্যে বক্তৃতা প্রদানের জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছি। তাঁর প্রতিটি বক্তব্য ছিল উচ্চমানসম্পন্ন, তথ্যসমৃদ্ধ এবং বৌদ্ধিকভাবে উদ্দীপক, যা শ্রোতাদের মধ্যে গভীর প্রভাব বিস্তার করত।

বর্তমানে আলোচ্য গ্রন্থ 'তারীখে খাজায়ে খাজেগান' পাঠান্তে আমি গভীরভাবে অভিভূত হয়েছি। এ গ্রন্থে খাজা মঈনুদ্দীন চিশতি (রহ.) এবং তাঁর উত্তরসূরি খলিফাদের জীবন, কর্ম ও আধ্যাত্মিক সাধনাকে যে পদ্ধতিগত ও গবেষণামূলক কাঠামোর মধ্যে উপস্থাপন করা হয়েছে, তা একক গবেষকের পক্ষে সম্পাদন করা দুষ্কর বলেই প্রতীয়মান হয়। গ্রন্থটির প্রতিটি অধ্যায়ে আধুনিক গবেষণার মানদণ্ড, তথ্যনির্ভর বিশ্লেষণ এবং সমালোচনামূলক পদ্ধতির সফল প্রয়োগ লক্ষ্য করা যায়।

বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য যে, চিশতিয়া তরিকার নৈতিক ও আধ্যাত্মিক শিক্ষাসমূহকে নবী করিম (দ.), তাঁর পরিবার, সাহাবায়ে কেরাম, আসহাবে সুফফা ও আহলে বাইতের আদর্শের সঙ্গে সংযুক্ত করে যে বিশ্লেষণ উপস্থাপন করা হয়েছে, তা তাসাউফের ধারাবাহিক বিকাশ ও ঐতিহাসিক প্রাসঙ্গিকতাকে সুস্পষ্টভাবে প্রতিফলিত করে। একইসঙ্গে, ভক্তি আন্দোলনে খাজা গরীবে নেওয়াজ ও তাঁর খলিফাদের প্রভাব বিষয়ক আলোচনা গবেষণার ক্ষেত্রে একটি নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে।

গ্রন্থটির আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো—খাজা গরীব নেওয়াজের দরগাহ সংশ্লিষ্ট খাদেমদের অধিকার, নজরানা ও প্রশাসনিক বিধানসমূহের উপর হানাফি ফকিহদের ফতোয়া এবং মুসলিম শাসকদের ফরমানসমূহের সুশৃঙ্খল সংকলন। এই অংশটি ইতিহাস, ফিকহ এবং সমাজ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটের এক অনন্য সমন্বয় উপস্থাপন করে।

তাসাউফকে ঘিরে সমকালীন যে সব আপত্তি ও বিতর্ক রয়েছে, প্রফেসর তাহরানি সেগুলোর যুক্তিনিষ্ঠ ও প্রমাণভিত্তিক উত্তর প্রদান করেছেন। কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে হিন্দু দর্শন ও ভারতীয় ধর্মসমূহের তুলনামূলক বিশ্লেষণ, তাঁর সংস্কৃত ভাষাজ্ঞান এবং প্রাচীন শাস্ত্রসমূহের ব্যবহার—সব মিলিয়ে গ্রন্থটিকে একটি আন্তঃবিভাগীয় (interdisciplinary) গবেষণাকর্মে পরিণত করেছে।

উল্লেখ করা প্রাসঙ্গিক যে, দালাই লামা-এর মতো বিশ্ববরেণ্য ব্যক্তিত্বও তাঁর বিদ্যাবত্তা দ্বারা প্রভাবিত হয়ে তাঁর একটি ইংরেজি গ্রন্থের ভূমিকা রচনা করেন। তদুপরি, ডক্টর বাবাসাহেব আম্বেদকর ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট ফর সোশ্যাল সায়েন্সেস-এ তাঁর অধ্যাপনা ও গবেষণা কার্যক্রম তাঁর একাডেমিক মর্যাদাকে আরও সুদৃঢ় করেছে।

গ্রন্থটির বিস্তৃত গ্রন্থপঞ্জি পর্যালোচনায় প্রতীয়মান হয় যে, প্রায় পাঁচ শতাধিক প্রামাণ্য গ্রন্থের ওপর ভিত্তি করে এই গবেষণা নির্মিত হয়েছে—যা একে একটি প্রামাণ্য রেফারেন্স গ্রন্থে উন্নীত করেছে।

আমার দৃঢ় বিশ্বাস,, 'তারীখে খাজায়ে খাজেগান' বর্তমান ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের গবেষক ও বিদ্বানদের জন্য একটি দিকনির্দেশক আলোকবর্তিকা হিসেবে বিবেচিত হবে।

পরিশেষে বলা যায়, প্রফেসর তাহরানির এই অনন্য সাধনা শুধু চিশতিয়া তরিকার ইতিহাসকেই সমৃদ্ধ করেনি, বরং সামগ্রিকভাবে ইসলামের আধ্যাত্মিক ও বৌদ্ধিক ঐতিহ্যের প্রতি এক অসামান্য অবদান রেখেছে।

তাঁর এই অবদানের যথার্থ স্বীকৃতি হিসেবে যে কোনো উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান কর্তৃক ডি.লিট. ডিগ্রি প্রদান নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয় হবে।

আল্লাহ তাআলা তাঁকে ভবিষ্যতেও এ ধরনের বিশ্বজনীন কল্যাণমূলক গবেষণাকর্মে নিয়োজিত থাকার তাওফিক দান করুন।

Sufi Centre Books খুব শীঘ্রই তারীখে খাজায়ে খাজেগান প্রকাশ করতে যাচ্ছে।

আশা করি এপ্রিলের শেষ বা মে মাসের প্রথম সপ্তাহে হাতে পাবেন।

#সুফি_সেন্টার
#সুফি_মেডিটেশন_মেথড
#চিশতিয়া_দর্শন


#সুফি_মেডিটেশন
#খাজা_ওসমান_ফারুকী





Address

Harualchhari, Fatikchhari
Chittagong
4354

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when চিশতিয়া সুফি সেন্টার Chishtiya Sufi Centre posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to চিশতিয়া সুফি সেন্টার Chishtiya Sufi Centre:

Share