শাহ্ মোহাম্মদীয়া "হিলফুল ফুযূল" সংঘ, শাহ সুফির বাড়ি, চন্দনাইশ, চট্টগ্রাম।

  • Home
  • Bangladesh
  • Chittagong
  • শাহ্ মোহাম্মদীয়া "হিলফুল ফুযূল" সংঘ, শাহ সুফির বাড়ি, চন্দনাইশ, চট্টগ্রাম।

শাহ্ মোহাম্মদীয়া "হিলফুল ফুযূল" সংঘ, শাহ সুফির বাড়ি, চন্দনাইশ, চট্টগ্রাম। এটি একটি সামাজিক ও ধর্মীয় সংগঠন

হযরত খাজা মঈনুদ্দিন চিশতি (রা.) গাউসুল আজম বড়পীর মহিউদ্দিন জিলানী (রা.)'র শানে বলেন,❝হে গাউসে মুয়াজ্জম! তুমিতো আলোর দিশা...
07/11/2022

হযরত খাজা মঈনুদ্দিন চিশতি (রা.) গাউসুল আজম বড়পীর মহিউদ্দিন জিলানী (রা.)'র শানে বলেন,

❝হে গাউসে মুয়াজ্জম! তুমিতো আলোর দিশা, নবীজির প্রিয় তুমি মুখতারে খোদা।
সুলতানে দো-আলম তুমি কুতুবে জাঁহা, তোমার প্রভাব দেখে অবাক জমিনও আসমা!❞

দাওয়াতে ছুফি বাংলাদেশ 🥀🌺
শাহ্ মোহাম্মদীয়া হিলফুল ফুযূল সংঘ🥀💥

👉মাজার যিয়ারত ✌️দাওয়াতে ছুফি বাংলাদেশ 🌺🥀😍শাহ্  মোহাম্মদীয়া  হিলফুল ফুযূল সংঘ🥰কুরআন হাদিছের আলোকে কবর বা মাযার জিয়ারতের ...
02/11/2022

👉মাজার যিয়ারত ✌️
দাওয়াতে ছুফি বাংলাদেশ 🌺🥀
😍শাহ্ মোহাম্মদীয়া হিলফুল ফুযূল সংঘ🥰

কুরআন হাদিছের আলোকে কবর বা মাযার জিয়ারতের বিধান :-

✌আসসালামুআলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহি ওয়াবারাকাতুহু

কবর শব্দের অর্থ দাফন স্থল।সাধারণ মুমিন মুসলমানের বেলায় আমরা এ শব্দটি প্রয়োগ করে থাকি।

আর মাজার শব্দের অর্থ জিয়ারতের স্থান।এখানে অধিকহারে জিয়ারত হয় বিধায় ওলি আল্লাহদের দাফনস্থলগুলোকে মাজার বলা হয়।

রওজা শব্দের অর্থ উদ্যান বা বাগান।নবী রাসুল (দঃ) এবং বিখ্যাত বুযুর্গানে দ্বীনের দাফন স্থানকে রওজা বলা হয়।আর নবীজির হুজরায়ে মুবারক ও মিম্বার শরীফের মধ্যেভর্তি জায়গাটি রিয়াজুল জান্নাত। বিভিন্ন হাদিছে কবর যেয়ারতের ব্যাপারে উৎসাহিত করা হয়েছে।যেমনঃ

👉দলিল নং-০১

বুরাইদা আসলামী মহানবী (সা.) হতে বর্ণনা করেছেন যে,তিনি বলেছেন : ‘আমি তোমাদের কবর জিয়ারত করতে নিষেধ করেছিলাম। কিন্তু আমাকে আমার মাতার কবর জিয়ারতের অনুমতি দেয়া হয়েছে। তোমরা তোমাদের মৃতদের কবর জিয়ারত কর। কারণ তা তোমাদের আখেরাতের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়।

✔সহীহ মুসলিম।
✔খন্ড নং-02
✔পৃষ্ঠা নং-366
✔হাদিছ নং-107 (কিতাবুল জানায়েয)

👉দলিল নং-০২

ইব্রাহিম বিন মুহাম্মদ (রা) বর্ণনা করেন যে, নবী করীম (সাল্লাল্লাহু তায়ালা আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বছরের প্রারম্ভে ওহুদ যুদ্ধে শহীদদের সমাধি জেয়ারতে যেতেন এবং বলতেন: السلام عليکم بما صبرتم فنعم عقبي الدار.

আপনাদের উপর সালাম! আপনারা আপনাদের ধৈর্যের ফলস্বরূপ আখেরাতে কি চমৎকার জায়গাই না পেয়েছেন।

আবু বকর, উমর এবং ওসমান (রা) একই ভাবে জেয়ারতে যেতেন।

✔ {মুসতাদরাকে হাকিম,১ম খণ্ড,পৃ. ৫৩৩}
✔{হাদীস নং-১৩৯৬}
✔ {মুসান্নাফ আব্দুর রাজ্জাক:খন্ড নং- ৩,পৃষ্ঠা নং- ৫৭৩}

দলিল নং-০৩

হযরত আয়েশা হতে বর্ণনা করেছেন যে,মহানবী (সা.) শেষ রাত্রে জান্নাতুল বাকীর কবরস্থানে গিয়ে এভাবে সালাম করতেন “আস্ সালামু আলা দারে কাওমি মুমিনীন”

✔সহীহ মুসলিম,
✔২য় খণ্ড,পৃ. ৩৬৩,
✔{হাদীস নং- ১০২,কিতাবুল জানায়িয}

দলিল নং-০৪

তালহা ইবনে উবাইদুল্লাহ্ বলেছেন,‘আমরা রাসুলের সাথে শহীদদের কবর জিয়ারতের উদ্দেশ্যে মদীনা হতে বের হলাম। যখন আমরা ‘হাররে ওয়াকিম’ নামক স্থানে পৌঁছালাম কয়েকটি কবর লক্ষ্য করে তাঁকে বললাম : হে আল্লাহর নবী! এগুলো কি আমাদের মুসলিম ভ্রাতাদের কবর? তিনি বললেন : এ কবরগুলো আমার সাহাবীদের। যখন আমরা শহীদদের কবরের নিকট পৌঁছালাম তিনি বললেন : এ কবরগুলো আমাদের ভ্রাতৃবর্গের।

✔সুনানে আবু দাউদ।
✔২য় খণ্ড,পৃ..২১৮,
✔{হাদীস নং ৩৫৭,কিতাবুল মানাসিক,জিয়ারতে কবর অধ্যায়}

দলিল নং-০৫

হযরত ফাতিমাতুয যাহরা (আ.) ও কবর জিয়ারত :
হাকিম নিশাপুরী তাঁর নিজস্ব সনদ সূত্রে বর্ণনা করেছেন যে,হযরত ফাতিমাতুয জোহরা (রাঃ) মহানবীর জীবদ্দশায় প্রতি শুক্রবার হযরত হামজা ইবনে আবদুল মুত্তালিবের (ওহুদের যুদ্ধে শহীদ রাসূলের চাচা) কবর জিয়ারতে যেতেন।

✔{মুসতাদরাকে হাকিম,১ম খণ্ড,পৃ. ৫৩৩}
✔{হাদীস নং ১৩৯৬}

দলিল নং-০৬

ইবনে আবি মালিকা বলেছেন : একদিন হযরত আয়েশা কবরস্থানে প্রবেশ করলেন আমি তাঁকে প্রশ্ন করলাম : কেন কবরস্থানে প্রবেশ করছেন? তিনি বললেন : আমার ভাই আবদুর রহমানের কবর জিয়ারত করতে। আমি বললাম : মহানবী (সা.) কি কবর জিয়ারত করতে নিষেধ করেন নি? তিনি বললেন : তিনি নিষেধ করেছিলেন,কিন্তু পরে অনুমতি দিয়েছেন।

✔{মুসতাদরাকে হাকিম,১ম খণ্ড,পৃ. ৫৩২}
✔{হাদীস নং ১৩৯২}

দলিল নং-০৭

হযরত আবু হুরায়রাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, হযরত রাসূল মকবুল মায়ের কবর জিয়ারত করে কাঁদলেন এবং তাঁর সাথীগণকেও কাঁদালেন। অতঃপর বললেন, আমি আল্লাহপাকের দরবারে আমার মায়ের মাগফেরাতের দরখাস্ত করেছিলাম। আল্লাহপাক আমাকে উহার অনুমতি দিলেন না। জিয়ারত করার দরখাস্ত করলাম উহার অনুমতি পেলাম। ওহে ছাহাবাগণ! তোমরা কবর জিয়ারত করো। কেননা কবর জিয়ারতে মওতের কথা স্মরণ হয়।

✔{মুসতাদরাকে হাকিম,১ম খণ্ড,পৃ. ৫৩১}
✔{হাদীস নং ১৩৮৯}
✔সহীহ মুসলিম।
✔১ম খন্ড।পৃষ্টা নং-৩১৪

প্রিয় পাঠক লক্ষ্য করুন মক্কা থেকে মদিনার দূরত্ব প্রায় ৫০০ কিলোমিটার।আর নবীজির আম্মাজানের কবর মক্কা মদিনার মধ্যেবর্তী স্থান আবওয়া নামক স্থানে অবস্থিত যা মদিনা থেকে প্রায় ২৫০ কিঃমিঃ দূরে।আর আমার দয়াল নবীজি এই ২৫০ কি.মি. পথ পাড়ি দিয়ে মায়ের কবর জিয়ারতে যেতেন।আর আমাদের দেশের শায়েখ নামের কিছু দাজ্জাল ফতোয়া দেয় জিয়ারতের উদ্দেশ্য কোথায় যাওয়া জায়েয নেই।আল্লাহ আমাদের এসব দাজ্জাল থেকে হেফাজত করুক।

দলিল নং-০৮

اصاب الناس قحط في زمان عمر_ فجاء رجل الي قبر النبي صلعم فقال يارسول الله استسف لامتك فانهم قد هلكوا فاتي الرجل في المنام فقيل له ائت عمر فاقرئه السلام _ واخبره انكم مستقيمون

হযরত ওমর রঃ এর সময় একদা অনাবৃষ্টির কারণে মানুষের উপর দুর্ভিক্ষ পতিত হল । তখন এক সাহাবী হযরত বেলাল বিন হারেস রঃ রাসূল দঃ এর রওযা মোবারকে এসে আবেদন করল, ইয়া রাসূলাল্লাহ দঃ আপনার উম্মত ধ্বংশ হয়ে যাচ্ছে আপনি আল্লাহর দরবারে বৃষ্টির জন্য প্রার্থনা করুন । সে সাহাবিকে স্বপ্নযোগে বলা হল , হযরত ওমর রঃ কে গিয়ে সালাম বল এবং তাকে বল যে তোমাদেরকে বৃষ্টি দান করা হবে । সুবহানাল্লাহ !
_______________________________

✔ আল মুসান্নাফ ,ইবনে আবি শায়বাহ ।
✔ {খন্ড ১২ ,পৃঃ৩২ হাদিস নং ১২০৫১.}

✔হযরত ইবনে হাজর আসকালানী রহঃ, ফতহুল বারী শরহে বুখারী ,
✔{খন্ড ২ পৃঃ ৪৯৫ ও ৪১২}

এ হাদিছ থেকে আরো পরিষ্কার গেল আল্লাহর ওলী ছাহাবাদের উছিলা নিয়ে কিছু চাইলে তা অবশ্যই কবুল করে থাকেন।আর কারনেই নবীজি হযরত ওমর (রাঃ) এর দরবারে গিয়ে আবেদন করার পরামর্শ দিলেন।
এভাবে সাহাবায়ে কেরাম তাবেয়ীন ও আইম্মায়ে মুজতাহিদগনের জীবনী থেকে দলিল দিতে গেলে বিশাল একটি গ্রন্থে পরিণত হবে তাই পোষ্টের কলেবর বৃদ্ধি না করে সংক্ষেপে কয়েকটি সহীহ হাদিছ তুলে ধরলাম।

সম্মানিত পাঠকবৃন্দ এখনও সময় আছে নিজের ছেলে সন্তান ভাই বোনদের আহলে সুন্নাত ওয়াল জামায়াতের সঠিক আক্বিদায় দীক্ষিত করার পরামর্শ রইল অন্যথায় আপনার মৃত্যুর পর কবর জিয়ারত করার মতো কোন লোক পাওয়া যাবেনা।আপনার রেখে যাওয়া স্নেহের সেই সন্তান উল্টো ফতোয়া মারবে কবর জিয়ারত শিরক বিদআত (নাউজুবিল্লাহ)।

আল্লাহ আমাদের সবাইকে আহলে সুন্নত ওয়াল জামায়াতের আক্বিদার উপর অটল থাকার তৌফিক দান করুক।
(আমিন)

ক্ষমাপ্রার্থনা ও তাওবা করা(১) রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,  “আল্লাহ্‌র শপথ, নিশ্চয় আমি দৈনিক সত্তর -...
31/10/2022

ক্ষমাপ্রার্থনা ও তাওবা করা

(১) রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, “আল্লাহ্‌র শপথ, নিশ্চয় আমি দৈনিক সত্তর -এর অধিকবার আল্লাহ্‌র কাছে ক্ষমা চাই এবং তাওবা করি।”[1]

(২) রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরও বলেন, “হে মানুষ, তোমরা আল্লাহ্‌র কাছে তাওবা কর, নিশ্চয় আমি আল্লাহ্‌র কাছে দৈনিক একশত বার তাওবা করি।”[2]

(৩) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরও বলেন, “যে ব্যক্তি বলবে,

«أَسْتَغْفِرُ اللَّهَ الْعَظيمَ الَّذِي لاَ إِلَهَ إِلاَّ هُوَ الْحَيُّ القَيّوُمُ وَأَتُوبُ إِلَيهِ».

(আস্তাগফিরুল্লা-হাল ‘আযীমল্লাযী লা ইলা-হা ইল্লা হুয়াল হাইয়্যুল কায়্যূমু ওয়া আতূবু ইলাইহি)।

‘আমি মহামহিম আল্লাহ্‌র নিকট ক্ষমা চাই, যিনি ছাড়া আর কোনো হক্ব ইলাহ নেই, তিনি চিরস্থায়ী, সর্বসত্তার ধারক। আর আমি তাঁরই নিকট তওবা করছি।’ আল্লাহ তাকে মাফ করে দিবেন যদিও সে যুদ্ধক্ষেত্র থেকে পলায়নকারী হয়।”[3]

(৪) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরও বলেন, “রব একজন বান্দার সবচেয়ে বেশি নিকটবর্তী হয় রাতের শেষ প্রান্তে, সুতরাং যদি তুমি যদি সে সময়ে আল্লাহ্‌র যিক্‌রকারীদের অন্তর্ভুক্ত হতে সক্ষম হও, তবে তা-ই হও।”[4]

(৫) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরও বলেন, “একজন বান্দা তার রবের সবচেয়ে কাছে তখনই থাকে, যখন সে সিজদায় যায়, সুতরাং তোমরা তখন বেশি বেশি করে দো‘আ কর।”[5]

(৬) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরও বলেন, “নিশ্চয় আমার অন্তরেও ঢাকনা এসে পড়ে, আর আমি দৈনিক আল্লাহ্‌র কাছে একশত বার ক্ষমা প্রার্থনা করি।”[6]



ফুটনোট

বুখারী, ফাতহুল বারীসহ, ১১/১০১, নং ৬৩০৭।মুসলিম, ৪/২০৭৬, নং ২৭০২।আবূ দাউদ ২/৮৫, নং ১৫১৭; তিরমিযী ৫/৫৬৯, নং ৩৫৭৭; আল-হাকিম এবং সহীহ বলেছেন, তার সাথে ইমাম যাহাবী ঐকমত্য পোষণ করেছেন, ১/৫১১, আর শাইখুল আলবানীও সহীহ বলেছেন। দেখুন, সহীহুত তিরমিযী ৩/১৮২, জামেউল উসূল লি আহাদীসির রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ৪/৩৮৯-৩৯০, আরনাঊত এর সম্পাদনাসহ।তিরমিযী নং ৩৫৭৯, নাসায়ী, ১/২৭৯ নং ৫৭২; হাকেম ১/৩০৯। আরও দেখুন, সহীহুত তিরমিযী, ৩/১৮৩; জামে‘উল উসূল, আরনাউতের তাহকীকসহ ৪/১৪৪।মুসলিম, ১/৩৫০; নং ৪৮২।মুসলিম, ৪/২০৭৫, নং ২৭০২।

28/10/2022

শায়খুল হাদীস ওস্তাজুল ওলামা আহলে সুন্নাত ওয়াল জামা'আত এর মান্যবর চেয়ারম্যান, হজরতুল আল্লামা শায়খুল হাদীস কাজী মুহাম্মদ মঈনুদ্দিন আশরাফী (মাঃজিঃআ) হুজুরের মুখে সুন্দর আলোচনা করেন । তিনি বয়ানে বলেন দেশবরেণ্য জগৎবিখ্যাত আলেম ছিলেন দক্ষিণ চট্রগ্রামের মির্জাখীল দরবার শরীফের প্রথম শায়েখ প্রথম শাহ্ জাহাঁগীর সৈয়্যদুনা ওয়া মৌলানা মোখলেসুর রহমান জাহাঁগীর চাটগাঁমী (কঃছিঃ)।
ভারতের কয়েকজন শ্রেষ্ঠ মুহাদ্দিসের মধ্যে একজন মুহাদ্দিস ছিলেন দ্বিতীয় শাহ্ জাহাঁগীর সৈয়্যদুনা ওয়া মৌলানা আব্দুল হাই জাহাঁগীর চাটগাঁমী (কঃছিঃ)।

 #বাইয়াতের_গুরুত্ব :দাওয়াতে ছুফি বাংলাদেশ 🇸🇦🥀শাহ্ মোহাম্মদীয়া হিলফুল ফুযুল সংঘ😍🥰ইসলামী জীবন জিজ্ঞাসার পূর্ণতা ও স্থিতিশ...
22/10/2022

#বাইয়াতের_গুরুত্ব :
দাওয়াতে ছুফি বাংলাদেশ 🇸🇦🥀
শাহ্ মোহাম্মদীয়া হিলফুল ফুযুল সংঘ😍🥰

ইসলামী জীবন জিজ্ঞাসার পূর্ণতা ও স্থিতিশীলতার জন্য বাইয়াতের প্রয়োজনীয়তা ও গুরুত্ব অপরিসীম।

আরবী ‘বাইয়াত’ শব্দটি ‘বাইয়ুন’ শব্দ থেকে নির্গত। বাইয়ুন শব্দটির আভিধানিক অর্থ হচ্ছে আনুগত্যের শপথ, নেতৃত্ব মেনে নেয়া, অঙ্গীকার, লেনদেন, চুক্তি ও ক্রয়-বিক্রয় ইত্যাদি। আর ইসলামী শরীয়তের পরিভাষায় বাইয়াত হলো আল্লাহপাকের সন্তুষ্টি ও রেজামন্দি অর্জনের লক্ষ্যে নিজের জান ও মালকে ইসলামী জীবনযাত্রার দায়িত্বশীল ব্যক্তি বা সত্তার নিকট আনুগত্যের শপথের মাধ্যমে আল্লাহর পথে উৎসর্গ করার ওয়াদা বা প্রতিশ্রুতির নাম। এ জন্যই রাসূলুল্লাহ সা.-এর হাতে বাইয়াত নেয়ার অর্থই হলো আল্লাহপাকের নিকট বাইয়াত গ্রহণ করা।

এ প্রসঙ্গে আল কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘আর যারা তোমার কাছে বাইয়াত গ্রহণ করে, তারা শুধু আল্লাহরই কাছে বাইয়াত গ্রহণ করে, আল্লাহর হাত তাদের ওপর সংস্থাপিত, তারপর যে কেউ অঙ্গীকার ভঙ্গ করলে তার ওয়াদা ভঙ্গের পরিণাম তারই ওপর বর্তাবে। আর যে আল্লাহকে দেয়া অঙ্গীকার পূরণ করবে অতিসত্বর আল্লাহ তাকে মহা পুরস্কার প্রদান করবেন।’ (সূরা ফাতহ : আয়াত ১০)।

বাইয়াত পূর্ণ করা অঙ্গীকারের অন্যতম অংশ। এজন্য বাইয়াত গ্রহণকারীর উচিত অঙ্গীকার পূর্ণ করার ওপর অবিচল ও সুদৃঢ় থাকা। এ ব্যাপারে আল কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘আর তোমরা যখন অঙ্গীকার করো তখন আল্লাহর অঙ্গীকার পূর্ণ করো, তোমরা দৃঢ়তার সাথে অঙ্গীকার করার পর তা ভঙ্গ করো না, আর তোমরা নিজেদের জন্য আল্লাহকে জিম্মাদার স্থির করেছ, তোমরা যা করো তা নিশ্চয়ই আল্লাহপাক জানেন। (সূরা নাহল : আয়াত ৯১)।

বস্তুত নির্দিষ্ট কতিপয় জিনিস বা বিষয়ের ব্যাপারেও বাইয়াত গ্রহণ করা বৈধ। এ প্রসঙ্গে আল কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘হে নবী, যখন মুমিন রমণীরা তোমার কাছে এসে এই মর্মে বাইয়াত গ্রহণ করে যে, তারা আল্লাহর সাথে কোনো কিছু শরিক করবে না, চুরি করবে না, ব্যভিচার করবে না, নিজেদের সন্তানদের হত্যা করবে না, জেনে-বুঝে কোনো অপবাদ রচনা করে রটাবে না এবং সৎকাজে তারা তোমার অবাধ্য হবে না, তখন তুমি তাদের বাইয়াত গ্রহণ করবে এবং তাদের জন্য আল্লাহর নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করবে, নিশ্চয়ই আল্লাহ অতিশয় ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।’ (সূরা মুমতাহিনা : আয়াত ১২)।

আর বাইয়াত গ্রহণকারীর সামর্থ্য অনুযায়ী অঙ্গীকার গ্রহণ করাও বৈধ। এ প্রসঙ্গে হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে ওমর রা. হতে বর্ণিত, তিনি বলেছেন, আমরা যখন রাসূলুল্লাহ সা.-এর নিকট নসিহত শ্রবণ ও আনুগত্যের ওপর বাইয়াত গ্রহণ করতাম, তখন তিনি আমাদের সামর্থ্য অনুযায়ী তা পালন করার অনুমতি প্রদান করেছেন। (সহিহ বুখারী : ৯/৭২০২)।

বাইয়াত গ্রহণকারীর সারা জীবন অঙ্গীকারের ওপর অবিচল থাকা অপরিহার্য। এ প্রসঙ্গে হযরত আনাস রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেছেন, রাসূলুল্লাহ সা. শীতের এক সকালে বের হলেন। মুহাজির ও আনসারগণ তখন পরিখা খননের কাজে লিপ্ত ছিলেন। তিনি বললেন, হে আল্লাহ, আখেরাতের কল্যাণই তো প্রকৃত কল্যাণ। অতএব, তুমি আনসার ও মুহাজিরদের ক্ষমা করে দাও। তখন তারা সাড়া দিয়ে জবাব দিলো, আমরাও সেই জামায়াত যারা আজীবন জিহাদ করার জন্য মুহাম্মাদ সা.-এর হাতে বাইয়াত গ্রহণ করেছি। (সহিহ বুখারী : ৯/৭২০১)।

সুতরাং যুগ ও কাল পরম্পরায় ইসলাম ধর্মের দায়িত্বশীল ব্যক্তি বা সত্তার কাছে নসিহত শ্রবণ ও আনুগত্যের ব্যাপারে বাইয়াত গ্রহণ করা ঈমানদার মাত্রেরই কর্তব্য। কেননা, বাইয়াত ছাড়া মৃত্যুকে জাহেলি মৃত্যু বলে হাদিস শরীফে উল্লেখ করা হয়েছে। হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে ওমর রা. রাসূলুল্লাহ সা. হতে বর্ণনা করেছেন, তিনি ইরশাদ করেন, যে ব্যক্তি বাইয়াতের বন্ধন ছাড়াই মৃত্যুবরণ করল, সে জাহেলিয়াতের মৃত্যুবরণ করল। (তাবরানী : অধ্যায় ১৯, পৃ. ৩৩৪)।

দাওয়াতে সুফি বাংলাদেশ পশ্চিম পাড়া শাখার  কর্মীদের নিয়ে ১২ ই রবিউল আউয়াল  পবিএ জশনে জুলুছে ঈদ- এ মিলাদুন্নবী(দঃ) উদযাপন  ...
30/09/2022

দাওয়াতে সুফি বাংলাদেশ পশ্চিম পাড়া শাখার কর্মীদের নিয়ে ১২ ই রবিউল আউয়াল পবিএ জশনে জুলুছে ঈদ- এ মিলাদুন্নবী(দঃ) উদযাপন উপলক্ষে প্রস্তুত সভা।

26/09/2022

আগামীকাল বিকাল ৪ টায় পবিত্র পহেলা রবিউল আউয়ালের আগমন উপলক্ষে
দাওয়াতে সূফী বাংলাদেশ এর স্বাগত র্র্যালি অনুষ্ঠিত হবে। সকলের প্রতি দাওয়াত রইল।

স্থানঃ #জাহাগীরিয়া_শাহসূফি_মমতাজিয়া_দরবার_শরীফ

আগামী ৮ অক্টোবর২০২২ইং,, শনিবারজশনে জুলুছে ঈদ এ মিলাদুন্নবী (সঃ) সকাল ৮,০০ টা হতে স্থান: জাহাঁগিরিয়া শাহ্ সুফি মমতাজিয়া...
25/09/2022

আগামী ৮ অক্টোবর২০২২ইং,, শনিবার
জশনে জুলুছে ঈদ এ মিলাদুন্নবী (সঃ) সকাল ৮,০০ টা হতে
স্থান: জাহাঁগিরিয়া শাহ্ সুফি মমতাজিয়া দরবার শরীফ কাঞ্চননগর, চন্দনাইশ, চট্টগ্রাম।

আখেরি চাহার শােম্বাহ কী: আখেরি চাহার শােম্বাহ। এটি অতিপরিচিত একটি ফারসি বাক্য। আখের অর্থ শেষ । আর চাহার শােম্বা মানে বুধ...
19/09/2022

আখেরি চাহার শােম্বাহ কী:

আখেরি চাহার শােম্বাহ। এটি অতিপরিচিত একটি ফারসি বাক্য। আখের অর্থ শেষ । আর চাহার শােম্বা মানে বুধবার। মাহে সফরের সমাপনি বুধবারকে ভারতীয় উপমহাদেশে আখেরি চাহার শােম্বাহ হিসেবে বুযুগানেদ্বীন নামকরণ করেছেন। কেননা, হিজরি ১১ সনের শেষ বুধবারটি পূণ্যবান মুসলমানদের জন্য একটি স্বরণীয় দিন হিসাবে বিবেচিত। কেননা এইদিনে মানবতার মুক্তির দূত রাহমাতুল্লিল আলামিন হযরত রাসুলে করিম সল্লল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম শেষ বারের মতাে সুস্থতা বােধ করেছিলেন।

আখেরি চাহার শােম্বায় কী হয়েছিলাে

আখেরি চাহার শােম্বায় নবিজি সরকারে দুজাঁহাﷺ সুস্থতা অনুভব করছিলেন মর্মে বর্ণনা রয়েছে। যেমন- হাদিসপাকে হযরত আয়েশা সিদ্দিকা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা বলেছেনঃ
-“নবি করিম সালাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার ঘরে আসার পর রােগ আরাে বেড়ে গেলাে। তখন তিনি ইরশাদ করলেন, এমন সাতটি মশকের পানি আমার উপর ঢাল যে গুলাের বাঁধন খােলা হয়নি। তাহলে হয়তাে লােকদেরকে আরাে কিছু উপদেশ দিতে পারবাে। অতঃপর নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে তাঁর মহিয়সী স্ত্রী হযরত হাফসার গামলায় বসিয়ে আমরা তাঁর উপর মশকের পানি ঢালতে লাগলাম । হুযুর ইশারা করে জানালেন, আমাদের কাজ শেষ। তিনি সুস্থ অবস্থায় লােকদের নিকট বের হয়ে গেলেন, তাদেরকে নামায পড়ালেন ও খুতবা দিলেন।
★★ইমাম বুখারী, আস-সহীহ, ৬/১১ পৃ. হা/৪৪৪২, ইমাম নাসাঈ, আস-সুনানুল কোবরা, ৬/৩৮৩ পূ, হা/৭০৪৬

হুযুর আকদাস সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম’র শারিরিক সুস্থতার পর হযরত ফাতেমা, ইমাম হাসান ও হােসাইন রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমদের ডেকে আনা হলাে। হযরত বেলাল এবং সুফফাবাসি রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমগণ হুযুরের সুস্থতার এ খবর বিদ্যুতের ন্যায় ছড়িয়ে দিলেন মদিনার ঘরে ঘরে। সাহাবা কিরামদের হৃদয়ে আনন্দে তরঙ্গ বয়ে চলছিলাে। রাসুলুল্লাহ সাল্লালাহু আলাইহি ওসাল্লামার শারীরিক সুস্থ্যতায় তাঁরা কতটুকু প্রফুল্লতাবােধ করেছিলেন তার আন্দাজ করা যায় নি। হাদিসপাকের বর্ণনার নিরিখে।। ‘যখন এ সংবাদ হযরত সিদ্দিকে আকবর রাদিয়াল্লাহু আন শুনলেন, পাঁচ হাজার। দিরহাম সদকা দিলেন মিসকিনদের মাঝে। হযরত ফারুক আযম রাঃ আনহু হুযুরের সুস্থতার আনন্দময়ী এ বার্তা শুনে সাতহাজার, হযরত ওসমান রাদিয়াল্লাহ আনহু দশহাজার, হযরত মাওলা আলি রাদ্বিয়াল্লাহু তিনহাজার দিরহাম অকাতরে দান করেছিলেন নবিপ্রেমে। তৎকালীন আরবের ধনাঢ্য ব্যবসায়ী হারত আবদুর রহমান ইবনে আওফ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু একশত উট সদকা করেছিলেন।
★★(খাজা নিযাম উদ্দিন আওলিয়া; রাহাতিল কুলুব ১৩৯ পৃষ্ঠা।)
নবি করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম’র সাময়িক রােগ মুক্তির এই দিবসকে চিরস্মরণীয় করে রাখার জন্য পারস্যসহ মধ্য এশিয়া পাক ভারত উপমহাদেশে অত্যন্ত ভাবগাম্ভির্য্য পরিবেশে দিনটি পালন করা হয়। লক্ষ্য করলে দেখবেন, কুরআনুল করিমে অসংখ্য স্থানে অন্যান্য নবিদের স্মৃতি বিজড়িত দিনগুলিকে মহান রব ‘আইয়ামিল্লাহ' বা আল্লাহর দিন বলে আখ্যায়িত করেছেন। যেমন:

وَلَقَد أَرسَلنا موسىٰ بِـٔايٰتِنا أَن أَخرِج قَومَكَ مِنَ الظُّلُمٰتِ إِلَى النّورِ وَذَكِّرهُم بِأَيّىٰمِ اللَّهِ إِنَّ فى ذٰلِكَ لَءايٰتٍ لِكُلِّ صَبّارٍ شَكورٍ
"আর নিশ্চয় আমি মুসাকে আমার নিদের্শনাদি সহকারে প্রেরণ করেছি। আপন সম্প্রদায়কে অন্ধকার থেকে আলােতে নিয়ে এসাে এবং তাদেরকে আল্লাহর দিন সমূহ স্মরণ করিয়ে দাও, নিশ্চয় তাতে ধৈর্যধারনকারি ও কৃতজ্ঞশীলদের জন্য রয়েছে নিদর্শন’।
★★(সুরা ইব্রাহীম, আয়াতঃ০৫)
উল্লেখিত আয়াতে করিমায় মুফাসসিরিন কেরাম বলেন, بِأَيّىٰمِ اللَّهবলতে যেসব দিনের সাথে আল্লাহর প্রিয়বান্দাদের সম্পর্ক বিশেষভাবে হয়ে যায়; মুলত সেগুলােই بِأَيّىٰمِ اللَّه বা আল্লাহর দিন।
★★(তাফসীরে নুরুল ইরফান, ৬৭০ পৃঃ)
আয়াতের আলােকে পরিষ্কার হয়ে যায়, আখেরি চাহার শােম্বা বা সফর মাসের সমাপনি বুধবারের সাথে খােদ নবিজি সরকারে দো জাঁহা সল্লল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম’র রােগমুক্তির সাথে সম্পর্কিত। সুতরাং এ দিনের মর্যাদা ও স্মৃতি রক্ষার্থে যেসব বুযুর্গানেদ্বীন নফল ইবাদত সমূহের তালিম প্রদান করেছেন তা কোনভাবে নিচক কিংবা অবান্তর বলা যাবে না।
৩৩. খাজা নিযাম উদ্দিন আওলিয়া; রাহাতিল কুলুব ১৩৯ পৃষ্ঠা। (খ) মুফতি হাবিব সামদানি; বার চান্দের ফজিলত ১৫ পৃষ্ঠা। (গ) অধ্যক্ষ এম.এ. জলিল; সায়াদতে আবাদিয়া সূত্রে নূর নবী ২৫০ পৃষ্ঠা। ৩৪. সুরা ইবরাহিম (১৪) আয়াত; ৫। ৫. মুফতি আহমদ ইয়ার খাঁন নঈমি; তাফসিরে নুরুল ইরফান (বাংলা সংস্করণ) ৬৭০ পৃষ্ঠা।

শুভ জন্মদিন ।❤❤শাহ্ মোহাম্মদীয়া হিলফুল ফুযূল সংঘের সম্মানিত সদস্য  মোঃ রিয়াদ হোসেন সকিব। জন্মদিনে শাহ মোহাম্মদীয়া হিলফুল...
03/09/2021

শুভ জন্মদিন ।❤❤

শাহ্ মোহাম্মদীয়া হিলফুল ফুযূল সংঘের সম্মানিত সদস্য মোঃ রিয়াদ হোসেন সকিব।
জন্মদিনে শাহ মোহাম্মদীয়া হিলফুল ফুযুল সংঘের পক্ষ থেকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ ...!

Address

Chittagong
4381

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when শাহ্ মোহাম্মদীয়া "হিলফুল ফুযূল" সংঘ, শাহ সুফির বাড়ি, চন্দনাইশ, চট্টগ্রাম। posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share