দ্বীনি ইলম

দ্বীনি ইলম আল্লাহ আমাদের উপকারী জ্ঞান দান করুন।

আসসালামু আলাইকুম।

প্রিয় দ্বীনি ভাই/বোন,

জ্ঞান অর্জনই মানুষের মর্যাদার পার্থক্য নির্ণয় করে দেয়। এ জ্ঞানের মর্যাদা দিতে গিয়েই আল্লাহ তাআলা ফেরেশতাদের উপর হজরত আদম আলাইহিস সালামের শ্রেষ্ঠত্ব দান করেছেন। তাকে সেজদা করতে বলেছেন। জ্ঞান অর্জনের প্রাধান্য দেয়ার এ বিষয়টি ছিল মহান আল্লাহর একটি কুদরত।

হাদিস ও তাফসিরে দ্বীনি জ্ঞান অর্জনের অসাধারণ মর্যাদা ও গুরুত্বের কথা ওঠে এসেছে।

মুমিন মুসলমানের উচিত, দ্বীনের জ্ঞান অর্জন করা। হাদিস ও তাফসিরের ঘোষণা অনুযায়ী দ্বীনি জ্ঞান শেখার প্রতি যথাযথ আগ্রহ ও প্রচেষ্টা করা।

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহসহ সবাইকে ধর্মীয় জ্ঞান অর্জনের তাওফিক দান করুন। দুনিযা ও পরকালের কল্যাণ লাভে জ্ঞান অর্জনের প্রতি সর্বাত্মক প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখার তাওফিক দান করুন।

এই পেইজে দ্বীনি বিষয়ে পোস্ট করা হবে।

আল্লাহ আমাদের উপকারী জ্ঞান দান করুন।

ﺟَﺰَﺍﻙَ ﺍﻟﻠّٓﻪُ ﺧَﻴْﺮًﺍ

কে'য়া'ম'তের দিন ঘনিয়ে এসেছে!মানুষের হিসাব-নিকাশের সময় আসন্ন, অথচ তারা উদাসীনতায় মুখ ফিরিয়ে রয়েছে।• সূরা আল-আম্বিয়া ২১...
04/08/2026

কে'য়া'ম'তের দিন ঘনিয়ে এসেছে!

মানুষের হিসাব-নিকাশের সময় আসন্ন, অথচ তারা উদাসীনতায় মুখ ফিরিয়ে রয়েছে।

• সূরা আল-আম্বিয়া ২১:১

✅
03/08/2026

রহমানের দুয়ার থেকে অনুতপ্ত হৃদয় কভু খালি ফেরে না।
21/07/2026

রহমানের দুয়ার থেকে অনুতপ্ত হৃদয় কভু খালি ফেরে না।

ইমাম ইবনুল কায়্যিম (রহ.) বলেন:“মুনাফিকের সলাত চেনা যায় তার অলসতা, বিলম্ব, তাড়াহুড়া, লোক দেখানো আমল, কম যিকির এবং জামাত থ...
14/07/2026

ইমাম ইবনুল কায়্যিম (রহ.) বলেন:

“মুনাফিকের সলাত চেনা যায় তার অলসতা, বিলম্ব, তাড়াহুড়া, লোক দেখানো আমল, কম যিকির এবং জামাত থেকে দূরে থাকার মাধ্যমে।”

একবার নিজের হৃদয়কে প্রশ্ন করুন, আমার সলাত কেমন?

আমি কি আজানের ধ্বনি শুনে আনন্দে রবের ডাকে সাড়া দিই, নাকি মনে হয় এটি একটি ভারী দায়িত্ব? আমি কি শান্ত হৃদয়ে, খুশু ও বিনয়ের সঙ্গে সলাত আদায় করি, নাকি যত দ্রুত সম্ভব শেষ করার চেষ্টা করি? আমি কি আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য দাঁড়াই, নাকি মানুষের চোখে ভালো হওয়ার জন্য?

সলাত শুধু কিছু রুকু-সাজদার নাম নয়; এটি বান্দা ও তার রবের একান্ত সাক্ষাৎ। যে মুহূর্তে আমরা সলাতে দাঁড়াই, তখন আমরা পৃথিবীর সব ব্যস্ততা পেছনে ফেলে মহান আল্লাহর সামনে উপস্থিত হই। তাই সলাতে অবহেলা মানে শুধু একটি ইবাদতে অবহেলা নয়। এটি আমাদের অন্তরের অবস্থার একটি প্রতিচ্ছবি।

হে প্রিয় ভাই ও বোন, যদি এই লক্ষণগুলোর কোনো একটি আমাদের মাঝে থাকে, তবে হতাশ হওয়ার নয়; বরং আজই ফিরে আসার সময়। আন্তরিক তওবা করুন, সলাতকে ভালোবাসতে শিখুন, ধীরে ধীরে খুশু অর্জনের চেষ্টা করুন এবং প্রতিটি সাজদাকে আল্লাহর আরও নিকটবর্তী হওয়ার সুযোগ হিসেবে গ্রহণ করুন।

ইয়া আল্লাহ! আমাদের অন্তরকে নিফাক থেকে পবিত্র করুন। আমাদের সলাতকে খুশু, ইখলাস ও আন্তরিকতায় পরিপূর্ণ করুন। আমাদের এমন বান্দাদের অন্তর্ভুক্ত করুন, যারা আপনার ডাকে সাড়া দিয়ে আনন্দের সঙ্গে আপনার সামনে দাঁড়ায়। আমাদের সব সলাত আপনার দরবারে কবুল করে নিন। আমীন।

যে আমল আল্লাহর জন্য নয়,তার বাহ্যিক সৌন্দর্যের কোনো মূল্য নেই।
07/07/2026

যে আমল আল্লাহর জন্য নয়,
তার বাহ্যিক সৌন্দর্যের কোনো মূল্য নেই।

যারা আশুরার রোজা রাখতে চান, তারা জেনে নিন: আশুরার রোজা ৩টি পদ্ধতিতে রাখা যায়। ❖ প্রথম পদ্ধতি (এটিই সর্বোত্তম): আশুরা মান...
24/06/2026

যারা আশুরার রোজা রাখতে চান, তারা জেনে নিন: আশুরার রোজা ৩টি পদ্ধতিতে রাখা যায়।

❖ প্রথম পদ্ধতি (এটিই সর্বোত্তম):
আশুরা মানে মুহাররাম মাসের ১০ তারিখ। আশুরার রোজা রাখার সর্বোত্তম পদ্ধতি হলো, আশুরার আগের দিন (৯ই মুহাররাম) ও আশুরার দিন (১০ই মুহাররাম) রোজা রাখা। অর্থাৎ, আগামীকাল ২৫ জুন (বৃহস্পতিবার) ৯ মুহাররাম এবং পরদিন ২৬ জুন (শুক্রবার) ১০ মুহাররাম—এই দুই দিন রোজা রাখা উত্তম হবে।

ইবনু আব্বাস (রা.) বর্ণনা করেন, যখন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আশুরার রোজা রাখলেন এবং (অন্যদের) রোজা রাখার নির্দেশ দিলেন, তখন লোকেরা বললো, ‘হে আল্লাহর রাসুল! এটিতো এমন দিন, যাকে ইহু -দি ও খ্রিস্টানরা বিশেষ মর্যাদা দেয় (তাহলে এমন দিনে আমরা রোজা রাখবো কেনো?)!’ তখন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘‘আগামী বছর এই দিন আসলে, আমরা (আশুরার দিনের সাথে) ৯ তারিখেও রোজা রাখবো ইনশাআল্লাহ।’’ বর্ণনাকারী বলেন, পরের বছর আসার আগেই রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ইন্তেকাল হয়ে যায়। [ইমাম মুসলিম, আস-সহিহ: ২৫৫৬]

❖ দ্বিতীয় পদ্ধতি:
কেউ চাইলে আশুরার দিন (১০ই মুহাররাম) এবং এর পরের দিনও (১১ই মুহাররাম) রোজা রাখতে পারেন। অর্থাৎ শুক্রবার ও শনিবার।

রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘‘তোমরা ইহু~ দি’দের বিরোধিতা কোরো—আশুরার আগে বা পরে আরও একদিন রোজা রাখো।’’ [ইমাম আহমাদ, আল-মুসনাদ: ২১৫৫; ইমাম বাইহাকি, আস-সুনানুল কুবরা: ৪৩১৫; হাদিসটি হাসান (শায়খ আহমাদ শাকিরের তাহকিক)]

❖ তৃতীয় পদ্ধতি:
শুধু আশুরার দিন (১০ই মুহাররাম) রোজা রাখাও জায়েয; এতে কোনো সমস্যা নেই। তবে, উত্তম হলো, দুইটি রোজা রাখা। [ইমাম ইবনুল কায়্যিম, যাদুল মা‘আদ]

আশুরা মানে ‘দশম’। অর্থাৎ, মুহাররামের দশ তারিখের (২৬ জুন) রোজাটি হলো আশুরার রোজা। তাই, কেবল ২৬ জুন, শুক্রবারের রোজাটিই আশুরার নিয়তে রাখবেন। এর আগের দিন বা পরের দিনের রোজা সাধারণ নফলের নিয়তে রাখবেন।

রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, “আশুরার দিনের রোজার ব্যাপারে আমি আল্লাহর কাছে আশা করি—তিনি (এর দ্বারা) পূর্ববর্তী এক বছরের গুনাহ ক্ষমা করে দেবেন।” [ইমাম মুসলিম, আস-সহিহ: ২৬৩৬]

এক ব্যক্তি আশুরার রোজা সম্পর্কে প্রশ্ন করলে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন— ذَاكَ صَوْمُ سَنَةٍ
‘‘এটি এক বছরের (নফল) রোজা(র সমতূল্য)।” [ইমাম ইবনু হিব্বান, আস-সহিহ: ৩৬৩১; হাদিসটি সহিহ]

অন্য হাদিসে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, “রামাদানের পর সর্বোত্তম রোজা হলো আল্লাহর মাস মুহাররাম (মাসের রোজা)।” [ইমাম মুসলিম, আস-সহিহ: ২৬৪৫]

তাই, এই মাসে বেশি বেশি নফল রোজা রাখা উত্তম ও ফজিলতের ব্যাপার। আমরা শুধু আশুরার রোজা রাখার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবো না, বরং আল্লাহর মাসের বাকি দিনগুলোতেও সাধ্যানুসারে বেশি বেশি রোজা রাখার চেষ্টা করবো, ইনশাআল্লাহ।

নুসুস

ইসলামি বর্ষপঞ্জির বারোটি মাসের প্রতিটিই স্বতন্ত্র মর্যাদার অধিকারী। তবে এর মধ্যে চারটি মাস এমন, যাদের সম্মান সৃষ্টির আদি...
16/06/2026

ইসলামি বর্ষপঞ্জির বারোটি মাসের প্রতিটিই স্বতন্ত্র মর্যাদার অধিকারী। তবে এর মধ্যে চারটি মাস এমন, যাদের সম্মান সৃষ্টির আদিকাল থেকেই আল্লাহ তাআলার বিধানে সুনির্দিষ্ট। হিজরি বর্ষের সূচনা মাস ‘মুহাররম’ সেই সম্মানিত চারটি মাসের অন্যতম— যাকে স্বয়ং রাসূলুল্লাহ ﷺ ‘শাহরুল্লাহ’ তথা আল্লাহর মাস বলে অভিহিত করেছেন।
সময়ের পরিক্রমায় আমাদের দোরগোড়ায় কড়া নাড়ছে আরেকটি নতুন হিজরি বছর। এই মুহূর্তটি আত্মসমালোচনা, তওবা, আত্মশুদ্ধি এবং আল্লাহর দিকে ফিরে আসার এক বিরল ও তাৎপর্যপূর্ণ সুযোগ।

হিজরি সনের ঐতিহাসিক পটভূমি
হিজরি সনের সূচনা ইসলামের ইতিহাসের এক মহাঘটনাকে কেন্দ্র করে — রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর মক্কা থেকে মদিনায় ঐতিহাসিক হিজরত। হযরত উমর (রা.)-এর শাসনামলে, হিজরতের সতেরো বছর পর, আবু মুসা আশআরি (রা.)-এর উত্থাপিত তারিখ-বিভ্রান্তির প্রশ্নটি একটি পরামর্শ সভায় আলোচিত হয়। হযরত আলী (রা.)-এর প্রস্তাবক্রমে হিজরতের বছরটিকে ভিত্তি ধরে ৬৩৮ খ্রিস্টাব্দে আনুষ্ঠানিকভাবে এই সন গণনা শুরু হয়।
হিজরি সন নিছক একটি আরবি ক্যালেন্ডার নয় — এটি মুসলিম উম্মাহর সামষ্টিক আত্মপরিচয়ের ঐতিহাসিক দলিল। রমাদানের সিয়াম, হজ্জের সময়, যাকাতের হিসাব, ঈদ, আশুরার সিয়াম— ইসলামের প্রতিটি মৌলিক ইবাদত এই চন্দ্রবর্ষের সাথে অবিচ্ছেদ্যভাবে সম্পৃক্ত। তাই বিজ্ঞ স্কলারগণ স্পষ্টভাবে বলেছেন, হিজরি সনের হিসাব সংরক্ষণ করা মুসলিম সমাজের উপর ফরজে কেফায়া।
অথচ গভীর পরিতাপের বিষয় এই যে, সমকালীন মুসলিম সমাজের বৃহত্তর অংশ রমাদান ও ঈদের বাইরে হিজরি তারিখ সম্পর্কে সম্পূর্ণ উদাসীন। যে ব্যক্তি হিজরি তারিখের সাথে নিজেকে সম্পৃক্ত রাখে না, সে অজান্তেই আল্লাহর নির্ধারিত বরকতময় মুহূর্তগুলো থেকে নিজেকে বঞ্চিত করে ফেলে।

মুহাররমের অতুলনীয় মর্যাদা
আল্লাহ তাআলা পবিত্র কুরআনে ইরশাদ করেছেন—

‘নিশ্চয়ই আল্লাহর কাছে মাসের সংখ্যা বারোটি— আল্লাহর কিতাবে, সেদিন থেকে যেদিন তিনি আসমান ও জমিন সৃষ্টি করেছেন। এর মধ্যে চারটি সম্মানিত। এটিই সুপ্রতিষ্ঠিত দীন।’ (সূরা তাওবাহ: ৩৬)

এই চারটি মাসের মর্যাদা কোনো পরিবর্তনীয় বিধান নয়— এটি সৃষ্টির আদিমুহূর্ত থেকে সময়ের কাঠামোতে অন্তর্নিহিত একটি আসমানি ব্যবস্থা। রাসূলুল্লাহ ﷺ ইরশাদ করেছেন — রমজানের পর সর্বোত্তম সিয়াম হলো আল্লাহর মাস মুহাররমের সিয়াম। (সহিহ মুসলিম: ১১৬৩)

'শাহরুল্লাহ' — এই সম্বোধনটিই মুহাররমের শ্রেষ্ঠত্বের সবচেয়ে বড় প্রমাণ। পবিত্র কাবাকে "বাইতুল্লাহ", সালেহ ﷺ -এর উটনিকে ‘নাকাতুল্লাহ’ এবং জাহান্নামের আগুন কে ‘ নারুল্লাহ’ বলা হয়েছে। আল্লাহর সাথে সম্বন্ধ স্থাপন করা হয় কেবল তখনই, যখন সেটা অনন্য মহিমা ও পবিত্রতার অধিকারী। মুহাররমকে 'আল্লাহর মাস' বলে এই মাসকে এক অনন্য উচ্চতায় সমাসীন করা হয়েছে।

এই মাসে আমাদের করণীয়
কুরআন ও হাদিসের আলোকে মুহাররম মাসে একজন মুমিনের সামনে পাঁচটি মূল করণীয় স্পষ্ট হয়:

১. সিয়ামের মাধ্যমে ইবাদতে নিমগ্ন হওয়া।
বিশেষত ১০ মুহাররম তথা আশুরার দিনে এবং তার পূর্ববর্তী বা পরবর্তী একটি দিনে সিয়াম পালন সুন্নাহ দ্বারা প্রমাণিত। হযরত আবু কাতাদাহ রা. বর্ণিত হাদিসে এসেছে, আশুরার সিয়ামের মাধ্যমে আল্লাহ তাআলা বিগত এক বছরের গুনাহ মাফ করে দেবেন। (সহিহ মুসলিম: ১১৬২)

২. নিজস্ব সংস্কৃতি ও স্বাতন্ত্র্যবোধ বজায় রাখা

রাসূলুল্লাহ ﷺ যখন জানতে পারলেন যে ইহুদিরাও আশুরার দিনে রোজা রাখে, তখন তিনি ঘোষণা করলেন — আগামী বছর বেঁচে থাকলে আমি ৯ তারিখেও রোজা রাখব। (সহিহ মুসলিম: ১১৩৪) রাসূল ﷺ এর এই নির্দেশনা সুস্পষ্ট বার্তা দেয় যে, ইসলাম অন্য ধর্ম ও সংস্কৃতির অনুকরণ থেকে মুসলিম উম্মাহকে সর্বদা স্বাতন্ত্র্যতা রক্ষার নির্দেশ দেয়।

সুতরাং ৯ ও ১০ মুহাররম একত্রে রোজা রাখা শুধুমাত্র আমল নয়, বরং মুসলিম উম্মাহর স্বাতন্ত্র্য পরিচয়ের এক গুরুত্বপূর্ণ বহিঃপ্রকাশ। যা জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে মুসলিম হিসেবে লালন করা আবশ্যক।

পাশাপাশি হিজরি সন মুসলিম উম্মাহর সভ্যতা ও সংস্কৃতিগত স্বাতন্ত্র্যের অন্যতম অকাট্য দলিল। খ্রিস্টানদের যেমন নিজস্ব ইংরেজি সন রয়েছে, তেমনি মুসলিমদের রয়েছে হিজরি সন। তাই এই নতুন হিজরি বর্ষের সূচনায় কোনো অপসংস্কৃতির অনুকরণ না করে, ৯ ও ১০ মুহাররম একত্রে রোজা রাখা এবং হিজরি তারিখ ব্যবহারের মাধ্যমে আমাদের মুসলিম পরিচয়ের গৌরব ও স্বাতন্ত্র্যকে সমুন্নত রাখার সংকল্প করা উচিত।

৩. তাওবা ও ইস্তিগফারে সর্বোচ্চ মনোনিবেশ করা।
এই মাসে এমন একটি দিন রয়েছে, যেদিন আল্লাহ তাআলা একটি সম্প্রদায়ের তাওবা কবুল করেছিলেন। (তিরমিজি: ৭৪১) এই মাসটি ক্ষমা ও আত্মসমর্পণের মাস — এই সুযোগকে অবহেলায় হাতছাড়া করা কোনোভাবেই বিবেকসম্মত নয়।

৪. সকল প্রকার পাপাচার থেকে কঠোরভাবে বিরত থাকা।
হারাম মাসে পাপের ভার ও পরিণাম উভয়ই অধিকতর গুরুতর। কুরআনের নির্দেশ — "এই মাসগুলোতে তোমরা নিজেদের প্রতি জুলুম করো না।" — এই আদেশ আমাদের জন্য বিশেষ সতর্কবার্তা।

৫. আত্মসমীক্ষা ও আত্মপুনর্গঠনের সংকল্প গ্রহণ করা।
হিজরি নববর্ষের সূচনা জীবনের সামগ্রিক গতিপথ পুনর্বিবেচনার এক সুবর্ণ মুহূর্ত। বিগত বছরের আমল ও চরিত্রের নিরপেক্ষ মূল্যায়ন করে নতুন বর্ষে আল্লাহর সন্তুষ্টির পথে দৃঢ় সংকল্প গ্রহণ করাই হিজরি নববর্ষের প্রকৃত শিক্ষা।

যে উম্মত তার নিজস্ব বর্ষপঞ্জির প্রতি উদাসীন, সে উম্মত আল্লাহর নির্ধারিত বরকতের মৌসুমগুলো থেকে অনিবার্যভাবে বঞ্চিত হয়। আসুন, এই মুহাররমে কেবল আচারিক উদযাপনে সীমাবদ্ধ না থেকে এই মাসের প্রকৃত দাবিগুলো পূরণে সচেষ্ট হই। তাওবার মাধ্যমে অতীতকে পরিশুদ্ধ করি, সুদৃঢ় সংকল্পের মাধ্যমে ভবিষ্যতকে আল্লাহমুখী করি।

হে আল্লাহ! আমাদের জন্য মুহাররম মাসে বরকত দান করুন এবং আমাদেরকে তাদের অন্তর্ভুক্ত করুন যারা আপনার সম্মানিত মাসগুলোকে যথাযথভাবে মূল্যায়ন করে এবং আপনার দিকে তাওবার সাথে প্রত্যাবর্তন করে। আমিন।

মর্যাদার শিখরে পৌঁছাতে হলেবিনয়ের সিঁড়ি বেয়ে উঠতে হয়।
15/06/2026

মর্যাদার শিখরে পৌঁছাতে হলে
বিনয়ের সিঁড়ি বেয়ে উঠতে হয়।

দুই বছরের গুনাহ মাফের সুযোগ!যেন কেউ মিস না করি।
26/05/2026

দুই বছরের গুনাহ মাফের সুযোগ!
যেন কেউ মিস না করি।

গণকের কথায় বিশ্বাস করার ভয়াবহতা!
21/05/2026

গণকের কথায় বিশ্বাস করার ভয়াবহতা!

Address

Chittagong

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when দ্বীনি ইলম posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share