28/02/2026
|| গৌরপূর্ণিমা ও চন্দ্রগ্রহণ বিষয়ে জিবিসির নির্দেশনা:
ক. বিগ্রহগণের সেবা
বিগ্রহগণের সেবা (গ্রহণ-দিবসের জন্য IDWM পজিশন পেপারে উল্লেখিত নিয়ম অনুসারে) নিয়মিতভাবে চলতে হবে, ভগবানের প্রতিদিনের সেবা যেমন আরতি, রান্না, ভোগ নিবেদন ইত্যাদির সময়সূচিতে কোনও পরিবর্তন হবে না।
খ. বিগ্রহ দর্শন:
স্থানীয় লোকাচার অনুযায়ী খোলা বা বন্ধ রাখা যেতে পারে। (বাংলাদেশের জন্য মন্দির খোলা রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।)
গ. কীর্তন ও কথা:
গ্রহণের শুরু বা শেষ যাই হোক না কেন, কীর্তন এবং হরিকথা নির্বিঘ্নে চলতে পারে। সমবেত ভক্তরা গ্রহণের আগে, গ্রহণের সময় বা পরে কীর্তনে অংশগ্রহণ করতে এবং কথা শুনতে একত্রিত হতে পারেন।
ঘ. প্রসাদ বিতরণের প্রস্তুতি:
গ্রহণ শুরু হওয়ার আগে প্রসাদ বিতরণের জন্য ভোগ রন্ধন করে নিবেদন করা যেতে পারে। অভিষেক এবং গৌর আরতির পরে এই প্রসাদ বিতরণ করা যেতে পারে।
প্রসাদ গ্রহণের আগে শুদ্ধির জন্য সমস্ত ভক্তের মাথায় গঙ্গাজল ছিটিয়ে দেওয়া যেতে পারে।
গর্ভগৃহের দৈনন্দিন ভোগ নিবেদন সাধারণভাবেই বিগ্রহের সেবার সময়সূচি অনুসারে চলতে হবে।
ঙ. অভিষেকের প্রস্তুতি:
অভিষেকের প্রস্তুতি মন্দিরসমূহে পূর্বনির্ধারিত সময় অনুযায়ী কোনও বাধা ছাড়াই চলতে পারে।
প্রস্তুতি যদি গ্রহণের আগে বা গ্রহণের সময় নেওয়া হয়, তবে দ্রব্যাদির সুরক্ষার জন্য কুশ এবং তুলসী রাখার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
চ. অভিষেক, গৌর আরতি, প্রসাদ বিতরণ:
গ্রহণ শেষ হওয়ার পরে অভিষেক করা যেতে পারে।
যারা অভিষেকের প্রস্তুতিতে নিযুক্ত ছিলেন না, কিন্তু অভিষেকে অংশগ্রহণ করবেন, তারা অভিষেক সেবা করার আগে স্নান করতে এবং নতুন পোশাক পরতে পারেন।
অভিষেকের পরে গৌর আরতি এবং তারপর প্রসাদ বিতরণ করা যেতে পারে।
নির্দেশকগণ:
শ্রীশ্রীমৎ ভানু স্বামী মহারাজ
শ্রীশ্রীমৎ জয়পতাকা স্বামী মহারাজ
শ্রীশ্রীমৎ গুরু প্রসাদ স্বামী মহারাজ
শ্রীশ্রীমৎ ভক্তি পুরুষোত্তম স্বামী মহারাজ
শ্রীপাদ রেবতী রমণ প্রভু
গ্রহণের সময়সূচি:
৩ মার্চ, ২০২৬, বিকাল ৩:৫০ থেকে রাত ৭:১৮ (বাংলাদেশ সময় অনুযায়ী)
© ইস্কন বিগ্রহ সেবা মন্ত্রণালয়...