বুদ্ধ ও বোধিজ্ঞান

বুদ্ধ ও বোধিজ্ঞান ☸‘নমোঃ বুদ্ধায়’☸

🪷‘বুদ্ধ’ ‘ধর্ম’ ‘সংঘ’🙏

🌺‘সব্বে সত্তা সুখিতা হোন্তু’🌸

17/08/2026

Buddhism Core..🙏🪷


Ten Unknown Facts About
1. Founding and History: BMW, Bayerische Motoren Werke AG, was founded in 1916 in Munich, Germany, initially producing aircraft engines. The company transitioned to motor

✨✨***ক্ষুদ্র থেকে মহৎ হোন**বুদ্ধকে প্রদীপ জ্বালিয়ে পূজা করা বৌদ্ধদের মধ্যে শ্রদ্ধা, কৃতজ্ঞতা,ও বুদ্ধকে স্মরণ করার একটি স...
17/08/2026

✨✨***ক্ষুদ্র থেকে মহৎ হোন**

বুদ্ধকে প্রদীপ জ্বালিয়ে পূজা করা বৌদ্ধদের মধ্যে শ্রদ্ধা, কৃতজ্ঞতা,ও বুদ্ধকে স্মরণ করার একটি সুন্দর আচরণ বা প্রতীকী অনুশীলন। যার মাঝে রয়েছে গভীর অর্থ। প্রদীপ জ্বালিয়ে শুধু অন্ধকার দুর করে বাহ্যিক স্থানকে আলোকিত করা নয়, বরং তার থেকে শিক্ষা নিয়ে নিজের অন্তরের অজ্ঞতার অন্ধকার দূর করার সংকল্প করাই মূল লক্ষ্য।
‎এখানে আলো হচ্ছে প্রজ্ঞার নামান্তর, অন্ধকার হচ্ছে অজ্ঞতা। ঘোর অন্ধকারে যেমন কোনো বস্তু প্রতীয়মান হয়না। প্রদীপ জ্বালানোর মধ্যে দিয়ে অন্ধকারকে দূর্বল করে আলো প্রতিস্থাপিত হলে সকল বস্তু পরিস্কারভাবে প্রতীয়মান হয়। তেমনি আমাদের প্রজ্ঞার আলো উদিত হলে মোহ বা অজ্ঞতা দূর হয়। হিংসা, লোভ, দ্বেষ ক্লেশকর বিষয় সমুহ পরিত্যক্ত হয়ে চিত্তের শান্ত অবস্থা প্রাপ্তি ঘটে।

‎বুদ্ধের শিক্ষায় জ্ঞান বা প্রজ্ঞা আসে শ্রবণ, চিন্তা, অনুশীলন ও প্রত্যক্ষ উপলব্ধির মাধ্যমে। অনিত্যতা, দুঃখ এবং অনাত্মের প্রকৃতি গভীরভাবে উপলব্ধি করা মধ্যে দিয়ে প্রজ্ঞার বিকাশ ঘটে। প্রদীপ বুদ্ধকে আলোকিত করে না; বুদ্ধের স্মরণ ও ধর্মচর্চাই আমাদের অন্তরকে আলোকিত করার পথ দেখায়।

‎মোমবাতি বা অগ্নি দিয়ে শমথ ভাবনার পদ্ধতি-
‎একটি নিরাপদ স্থানে ছোট প্রদীপ বা মোমবাতির শিখা সামনে রাখুন। স্বাভাবিকভাবে বসে কয়েকবার ধীরে শ্বাস নিন। চিন্তা করুন আপনি কায় বিবেক বা একাকী কোথাও বসে ধ্যান করছেন। প্রথমে শিখাটির দিকে শান্তভাবে তাকান। শিখার নড়াচড়া, উজ্জ্বলতা ও আকৃতি লক্ষ্য করুন। মন অন্যদিকে চলে গেলে বিরক্ত না হয়ে আবার শিখার দিকে মন ফিরিয়ে আনুন। মনে মনে বলতে পারেন— অগ্নি, আগুন বা তেজ, শান্ত বা স্থির। কিছুক্ষণ পর চোখ বন্ধ করে মনে শিখাটির প্রতিচ্ছবি ধরে রাখার চেষ্টা করুন।মন স্থির হলে শিখাকে জোর করে কল্পনা করার চেষ্টা করবেন না; স্বাভাবিকভাবে মনকে শান্ত রাখুন। শিখার দিকে দীর্ঘক্ষণ একটানা তাকিয়ে চোখের ক্ষতি বা অস্বস্তি করা উচিত নয়। চোখে চাপ লাগলে চোখ বন্ধ করে স্বাভাবিকভাবে শ্বাস-প্রশ্বাসে মন স্থির করুন। এখানে অগ্নির দিকে তাকানোই শমথের মূল বিষয় নয়। মূল বিষয় হলো একাগ্রতা ও চিত্তের প্রশান্তি।

‎এর উদ্দেশ্য কী?
‎ভাবনার মাধ্যমে উদ্দেশ্য হলো—
‎চঞ্চল মনকে শান্ত করা, একাগ্রতা বৃদ্ধি করা।
‎মনকে একটি আলম্বনে স্থির করা। অস্থিরতা ও মানসিক ব্যস্ততা কমানো। পরবর্তী গভীর ধ্যানের জন্য মনকে প্রস্তুত করা। নিয়মিত অভ্যাসে ক্রমে মনে শান্ত হয়ে আসবে, উপাচার সমাধির জন্য প্রস্তুত হবে। নীবরণ গুলো পরিত্যাগ করে অর্পনা সমাধিতে চিত্ত স্থিরতা পাবে। ধ্যানাঙ্গ গুলো পরিস্কার ভাবে উদ্ভাসিত হয়ে ১ম--৪র্থ ধ্যান লাভের সক্ষমতা অর্জন হবে ধীরে ধীরে।

‎সমস্যা কী?‎যখন কোন কাজ, সিদ্ধান্ত বা চিন্তা আপনার বিপরীত মুখী অবস্থান করে অথবা আপনি কোন কাজ বা পরিস্থিতিকে সমস্যা মনে ক...
17/08/2026

‎সমস্যা কী?
‎যখন কোন কাজ, সিদ্ধান্ত বা চিন্তা আপনার বিপরীত মুখী অবস্থান করে অথবা আপনি কোন কাজ বা পরিস্থিতিকে সমস্যা মনে করছেন তখনই সমস্যার সৃষ্টি হয়। সমস্যা সৃষ্টির কোন নির্দিষ্ট সময়, মানুষের স্তর, ধনী-গরীব অবস্থান হতে সৃষ্টি হয় না। আমাদের চাওয়া, প্রত্যাশা বা প্রয়োজনের সঙ্গে বাস্তব অবস্থা বা পরিস্থিতির সংঘাত ঘটে, তখনই সাধারণত সমস্যা তৈরি হয়।
‎সমস্যা তৈরির কিছু কারণ- অর্থ সংকটের অভাব আর্থিক সমস্যা, ভুল বোঝাবুঝি কারণে সম্পর্কের সমস্যা, অতিরিক্ত প্রত্যাশায় মানসিক অশান্তি সৃষ্টি,
‎অসুস্থতার কারনে শারীরিক সমস্যা, ভুল সিদ্ধান্ত নেওয়ায় জীবনের জটিলতা ইত্যাদি।

‎✍ সমস্যা কেন সৃষ্টি হয়?
‎সমস্যার সৃষ্টির মূল কয়েকটি প্রধান কারণ হলো—
‎*লোভ— সব কিছুতে বেশি পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা।
‎*দ্বেষ— অপছন্দের বিষয় গুলোকে মেনে নিতে না পারায় চিত্তে চঞ্চলতা সৃষ্টি হয় এবং সংঘাত সৃষ্টি করে।
‎*মোহ বা অজ্ঞতা — বাস্তবতাকে সঠিকভাবে বোঝার চেষ্টা না করা। পরিস্থিতিতে ভারসাম্যহীনতার কারণে জটিলতা তৈরি হয়। সবকিছুতে নিজের ইচ্ছাকে প্রাধান্য দিতে গিয়ে সমস্যা সূত্রপাত ঘটে।
‎*ভুল সিদ্ধান্ত — বিচার-বিচক্ষণতা অভাবে চিন্তা না করে কাজ করা।
‎*আসক্তি — মানুষ তথা ধন-সম্পদ বা পরিস্থিতিকে আঁকড়ে ধরে থাকা।
‎*অহংকার — নিজের মতকেই সবসময় সঠিক মনে করা। ইত্যাদির কারণে সমস্যা সৃষ্টি হয়।
‎বুদ্ধের দৃষ্টিতে বলা যায়- তৃষ্ণা ও আসক্তি দুঃখের অন্যতম মূল কারণ। মানুষ যখন অনিত্য জিনিসকে নিত্য বা স্থায়ী মনে করে। ইহা আমার, ইহা অবশ্যই আমার ইচ্ছামতো হতে হবে বলে দৃঢ় আকাঙ্খার সাথে আঁকড়ে ধরে, কিন্তু যখন সংস্কার সমূহ বিপরীনামদর্শী বা কামের আদীনব গুলো উদয় হয় তখন দুঃখ বাড়ে।

‎সমস্যা থেকে কীভাবে মুক্ত হওয়া যায়?
‎সমস্যা থেকে মুক্তির প্রথম ধাপ হলো সমস্যাকে অস্বীকার না করে শান্তভাবে মেনে নেয়া বা স্বীকার করা। প্রতিটি সংস্কার বা কর্ম পরিবর্তন শীল। উদয় হলে নিরোধ অনিবার্য অতএব সকল সংস্কার বা চেতনার প্রতি নিত্য সংজ্ঞা ত্যাগ করে অনিত্য সংজ্ঞা, সুখ সংজ্ঞা ত্যাগ করে বিরাগ সংজ্ঞা, আত্ম সংজ্ঞায় মোহিত না হয়ে অনাত্ম সংজ্ঞা প্রতিস্থাপনই সমস্যা সমাধানের মূল উপায়।
‎মেডিটেশন বা ধ্যান অভ্যাস জীবন পরিবর্তনের এক অভিনব প্রন্থা বা পথ। মনের শান্তি আনায়ন ও অস্থিরতাকে অতিক্রম করতে ধ্যান অভ্যাস খুবই জরুরি। সমাধি বা চিত্তের শান্ত ভাব আমাদের শেখায় যা পরিবর্তন করা সম্ভব, তা পরিবর্তন করতে আর যা আপনার নিয়ন্ত্রণের বাইরে, সেটিকে মেনে নেওয়ার মানসিক শক্তি তৈরি করার অনুপ্রেরণা যোগায়। আবেগের মুহূর্তে সিদ্ধান্ত নেবেন না। রাগ, ভয় বা হতাশার সময় সিদ্ধান্ত গুলো অনেক সময় নতুন সমস্যা তৈরি করে। তাই শান্ত হয়ে এগিয়ে যান। বিশ্বস্ত মানুষ, অভিজ্ঞ ব্যক্তি বা উপযুক্ত পেশাদারের পরামর্শ নিন। শিক্ষা নেয়া কোন দুর্বলতা নয়। সমস্যা জীবনের শেষ নয়, সমস্যা আমাদের শেখায় কোথায় পরিবর্তন প্রয়োজন।
‎ #ভালোবাসা

16/08/2026

🙏🪷


Ten Unknown Facts About
1. Founding and History: BMW, Bayerische Motoren Werke AG, was founded in 1916 in Munich, Germany, initially producing aircraft engines. The company transitioned to motor

15/08/2026

বুদ্ধগয়া...🙏🪷

মায়ের শেষ ইচ্ছা পূরণ: বনভান্তের অলৌকিক মাতৃভক্তি:--১৯৮৫ সালের মে মাসের কথা। পরম পূজ্যপাদ শ্রীমৎ সাধনানন্দ মহাস্থবীর (বনভ...
07/08/2026

মায়ের শেষ ইচ্ছা পূরণ:
বনভান্তের অলৌকিক মাতৃভক্তি:--

১৯৮৫ সালের মে মাসের কথা। পরম পূজ্যপাদ শ্রীমৎ সাধনানন্দ মহাস্থবীর (বনভান্তে)-র গৃহীকালের জন্মদাত্রী মা, পুণ্যশীলা বীরপুদি চাকমা বার্ধক্যজনিত রোগে মারাত্মকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েন। জহর লাল চাকমার বরগলতুলিস্থ বাড়িতে তিনি মৃত্যুর মুখোমুখি দাঁড়িয়েছিলেন। তৎকালীন সময়ে যাতায়াতব্যবস্থা ছিল অত্যন্ত দুরূহ এবং জায়গায় জায়গায় সেনাবাহিনীর তল্লাশিচৌকির চরম ভোগান্তি ছিল। ফলে বহুদূরের রাঙামাটি রাজবন বিহারে গিয়ে বড় ছেলে বনভান্তেকে এই মুমূর্ষু অবস্থার খবরটুকু দেওয়ার সাহস পরিবারটির হয়নি।
মায়ের মন তো সব বোঝে! মৃত্যুর তিন দিন আগে বীরপুদি চাকমা নিজেকে সেই ঘরে স্থানান্তরের নির্দেশ দেন, যে ঘরে একসময় কোনো এক অসুস্থতায় বনভান্তে তাঁকে দেখতে এসেছিলেন। মৃত্যুর আগের দিন বিকেলে হঠাৎ ঘরের শূন্যতায় তাকিয়ে তিনি বলে উঠলেন, “ভান্তে, তুমি আজ বিকেলে এসেছ। সকালে আসলে তো সিয়্যং-এর ব্যবস্থা করতাম।” পরিবারের সবাই ভাবলেন অসুখের ঘোরে হয়তো মা এসব বলছেন। কিন্তু ছোট ভাই জহর লাল চাকমার হৃদয় অপরাধবোধে ভারাক্রান্ত হয়ে উঠল—মায়ের হয়তো শেষ ইচ্ছা বড় ছেলেকে একটু দেখা, কিন্তু শত প্রতিকূলতায় তিনি সেই সুযোগ করে দিতে পারেননি!
পরদিন, ৬ই মে ১৯৮৫ সাল (২৩শে বৈশাখ ১৩৯২)। ভোর হতেই মাতৃদেবী পুত্রবধূকে ডেকে দৃঢ় কণ্ঠে নির্দেশ দিলেন, “তাড়াতাড়ি সিয়্যং রান্না কর। আজ বনভান্তে এখানে এসে সিয়্যং খাবেন।” সকাল ১০:৩০ টায় অত্যন্ত উচ্ছ্বসিত কণ্ঠে তিনি আবার বললেন, “বৌমা, বনভান্তে আসতেছেন। তাড়াতাড়ি পালংকের উপর নতুন পাটি ও চাদর বিছায়ে দাও।” যদিও পরিবারের সদস্যরা চোখে কাউকেই দেখতে পাচ্ছিলেন না, তবুও মায়ের কথায় শ্রদ্ধা রেখে তারা পালংকে নতুন চাদর বিছিয়ে ভান্তের উদ্দেশ্যে অত্যন্ত যত্নসহকারে সিয়্যং (বুদ্ধপূজা/আহার) নিবেদন করলেন।
অবশেষে সন্ধ্যা ৬টা ৪৫ মিনিটে মৃদুস্বরে “ঐ তো, ঐ তো বনভান্তে আবার আসতেছেন”—কথাটি বলতে বলতেই পরম শান্তিতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করলেন এই মহান মা।
অলৌকিক সত্য ও প্রতিশ্রুতির জয়:
একই দিনে রাঙামাটি রাজবন বিহারে ঘটেছিল এক অলৌকিক দৃশ্য! ভান্তের একনিষ্ঠ উপাসক সমর বিজয় চাকমার সূত্রে জানা যায়, সেদিন বনভান্তে বিহারে কোনো সিয়্যং গ্রহণ করেননি। সারাদিন নিজ কক্ষের জানালা-দরজা বন্ধ করে ধ্যানে মগ্ন ছিলেন এবং শ্রামণদের নির্দেশ দিয়েছিলেন যেন তাকে ডাকা না হয়। সন্ধ্যার পর তিনি কক্ষের দরজা খুলে বেরিয়ে আসেন।
প্রব্রজ্যা (সন্ন্যাস) গ্রহণের সময় মাতা বীরপুদি চাকমা অনুরোধ করেছিলেন, "মৃত্যুর সময় যেন তোমারে দেখতে পাই।" ভান্তেও কথা দিয়েছিলেন মায়ের এই আকুতি তিনি রক্ষা করবেন। সেদিন তাঁর পরম বুদ্ধিসত্তার অলৌকিক শক্তির মাধ্যমে দূর দেশ থেকেও তিনি মায়ের সম্মুখে উপস্থিত হয়েছিলেন, গ্রহণ করেছিলেন মায়ের ভক্তিপূর্ণ সিয়্যং এবং পূরণ করেছিলেন জন্মদাত্রী মায়ের শেষ ইচ্ছা!
পরম পূজ্যপাদ বনভান্তের এই অসীম করুণা ও অলৌকিক মাতৃভক্তির চরণে জানাই কোটি কোটি প্রণাম।
সাধু! সাধু!! সাধু!!
(তথ্যসূত্র: বনভন্তের দেশনা (২য় খন্ড)—ডাঃ অরবিন্দ বড়ুয়া)

29/07/2026

সকলের জীবন নিরাপদে থাকুক..

29/07/2026
🌕 আগামীকাল শুভ আষাঢ়ী পূর্ণিমা।আগামীকাল পবিত্র আষাঢ়ী পূর্ণিমা দিনটি বৌদ্ধধর্মে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ও পুণ্যময়।আসুন, আজ...
28/07/2026

🌕 আগামীকাল শুভ আষাঢ়ী পূর্ণিমা।
আগামীকাল পবিত্র আষাঢ়ী পূর্ণিমা দিনটি বৌদ্ধধর্মে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ও পুণ্যময়।
আসুন, আজই প্রস্তুতি গ্রহণ করি—
🙏 ত্রিশরণ ও পঞ্চশীল (বা অষ্টশীল) গ্রহণের সংকল্প করি।
🪷 বিহারে গিয়ে বুদ্ধপূজা ও ধর্মশ্রবণের প্রস্তুতি নিই।
👘 বর্ষাবাস চীবর ও অন্যান্য দানীয় সামগ্রী প্রস্তুত রাখি।
🧘 ধ্যান, ভাবনা ও ধর্মচর্চার জন্য সময় নির্ধারণ করি।
📖 ধর্মপাঠ ও ধর্মচক্রপ্রবর্তন সূত্র পাঠের আয়োজন করি।
👨‍👩‍👧‍👦 মাতা-পিতা ও গুরুজনদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করি।
🤝 জীবহিংসা পরিহার করে মৈত্রীভাবনা চর্চা করি।
🌸 সকলের মঙ্গল ও সুখ-শান্তি কামনায় পুণ্যকর্মে অংশগ্রহণ করি।
আসুন, এই পবিত্র আষাঢ়ী পূর্ণিমা অর্থবহ করে তুলি—দান, শীল, ভাবনা ও ধর্মচর্চার মাধ্যমে।
সবাইকে আষাঢ়ী পূর্ণিমার মৈত্রীময় শুভেচ্ছা।

আষাঢ়ী পূর্ণিমার ঐতিহাসিক ঘটনা💥💥
১. মাতৃগর্ভে প্রতিসন্ধি গ্রহণ: সিদ্ধার্থ গৌতম মানবকুলে জন্ম নেওয়ার জন্য তাঁর মাতৃগর্ভে (রাণী মহামায়া) প্রতিসন্ধি গ্রহণ করেন।
২. মহানিষ্ক্রমণ বা গৃহত্যাগ: মানবজাতিকে দুঃখ থেকে মুক্তির পথ দেখাতে ২৯ বছর বয়সে রাজসুখ ত্যাগ করে গৃহত্যাগ করেন।
৩. ধর্মচক্র প্রবর্তন: সারনাথের মৃগদাবে পঞ্চবর্গীয় শিষ্যদের উদ্দেশ্যে প্রথমবারের মতো 'ধর্মচক্র প্রবর্তন সূত্র' দেশনা করেন।
৪. প্রাতিহার্য ঋদ্ধি প্রদর্শন: শ্রাবস্তীতে তীর্থিকদের দর্প চূর্ণ করে আধ্যাত্মিক/অলৌকিক ক্ষমতা প্রদর্শন করেন।
৫. অভিধর্ম দেশনা: তুষিত স্বর্গে গিয়ে পরলোকগত মা (রাণী মহামায়া)-কে কৃতজ্ঞতাস্বরূপ পবিত্র অভিধর্ম ধর্মদেশনা প্রদান করেন।🙏

Address

Chittagong

Telephone

+8801749897916

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when বুদ্ধ ও বোধিজ্ঞান posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share