Da'wah of Islam

Da'wah of Islam মানুষের দুয়ারে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছে ?

18/02/2026

রোজার প্রথম দিন অনেকেই হয়তো সূরা বাকারা পড়বেন। আসুন উস্তাদ নোমান আলী খানের কাছ থেকে সংক্ষেপে এই সূরার বিষয়বস্তু জেনে নিই।

আমি সংক্ষেপে সূরা বাকারার কিছু বিষয় নিয়ে কথা বলতে চাই, ইনশাআল্লাহ্‌। এটি কুরআনের সর্ববৃহৎ সূরা। এই সূরার বিষয়বস্তুকে খুব সহজেই নয় ভাগে ভাগ করা যায়। এটি একটি দীর্ঘ সূরা, আয়াত সংখ্যা ২৮৬। এর রয়েছে পরস্পর সম্বন্ধযুক্ত ৯টি অংশ। আমি আপনাদের নিকট এই নয়টি অংশের পরিচয় তুলে ধরব এবং কীভাবে সবগুলো অংশ একটি আরেকটির সাথে সম্পর্কযুক্ত তাও উপস্থাপন করবো।

প্রথম অংশে আল্লাহ্‌ কুরআনের শ্রোতামণ্ডলীকে তিন ভাগে ভাগ করেছেন। যারা কুরআনের দাওয়াতের সম্মুখীন হয়েছে। এক, যারা কুরআনের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করেছে। দুই, যারা কুরআনকে একেবারেই অস্বীকার করেছে, এর সাথে যাদের কোনো সম্পর্ক ছিল না। তিন, যারা ঈমানের দাবি করে কিন্তু আসলে তাদের ঈমান নেই, মুনাফিকেরা। তাহলে তিন গ্রুপ হলো, বিশ্বাসীরা, অবিশ্বাসীরা এবং মুনাফিকেরা। সূরাতুল বাকারার এটা হলো প্রথম অনুচ্ছেদ। আপনারা একে বলতে পারেন, প্রথম অংশ।

আর দ্বিতীয় অংশে আল্লাহ্‌ বলেন...এই ধারণা যারা প্রকাশ্যে স্বীকার করে, যারা প্রকাশ্যে অস্বীকার করে, যারা মুনাফেকি করে -- এই তিন প্রকার মানুষ সবসময় ছিল। বস্তুত, বিশ্বাসী, অবিশ্বাসী এবং মুনাফিকের এই ধারণাগুলো শুরু হয় আদম (আ) এর ঘটনা থেকেই। তাই, এর পরেই এসেছে আদম (আ) এর কথা এবং কীভাবে তিনি পৃথিবীতে প্রেরিত হোন। এটা হলো দ্বিতীয় অংশ।

দ্বিতীয় অংশ শেষ হওয়ার পর আমরা আরও এগিয়ে যাই। আর আল্লাহ্‌ বলেন যেভাবে আদমকে একটি বিশেষ সৃষ্টি হিসেবে ধরাপৃষ্ঠে দায়িত্ব গ্রহণ করার জন্য প্রেরণ করা হয়েছিলো... তাঁকে আসলে প্রতিনিধি হিসেবে প্রেরণ করা হয়েছিলো। যিনি তাঁর উত্তরাধিকারকে এক প্রজন্মের পর আরেক প্রজন্মের নিকট হস্তান্তর করবেন।

এভাবে মানবজাতি যখন চারদিকে যথেষ্ট পরিমাণে ছড়িয়ে পড়বে, তখন, শুধু একজনকে দায়িত্ব নিলে হবে না। একটি সমগ্র জাতিকে দায়িত্ব নিতে হবে। এই কারণে বনী ইসরাইলকে বাছাই করা হয়েছিলো আদর্শ জাতি হিসেবে, আল্লাহর হেদায়েতের ধারক বাহক হিসেবে। যেন তাঁরা আল্লাহর হেদায়েত অনুসরণ করার সৌন্দর্য দেখাতে পারে গোটা মানবজাতিকে। এই দায়িত্ব তাদের উপর অর্পণ করা হয়েছিলো। এই বিষয়ে দীর্ঘ একটি আলোচনা রয়েছে যে, আল্লাহ্‌ কীভাবে তাদেরকে সেই দায়িত্ব অর্পণ করেছিলেন, অন্যান্য জাতির উপর তাদেরকে কীভাবে শ্রেষ্ঠত্ব দিয়েছিলেন যেন তারা সেই রোল মডেলের ভূমিকা পালন করতে পারে। পরে তুলে ধরা হলো কীভাবে তারা আল্লাহর আশা অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করলো না। এটা হলো সূরা বাকারার তৃতীয় অংশ।

এখান থেকে আল্লাহ্‌ আরেকটি বিষয়ের উপর গুরুত্ব দিয়েছেন। আমাদের মহানবী (স) এর রাসূল হওয়া ইসরাইলীরা মেনে নিতে পারছিল না। তারা মনে করতো, নবুয়তের দায়িত্ব তো ইসরাইলীদের। একজন ইসরাইলী-ই কেবল নবী হতে পারে। মুহাম্মাদ (স) তো একজন আরব। একজন আরব কীভাবে ওহী পেতে পারে। তাই, আল্লাহ্‌ কী করলেন? তিনি একটু পেছনে সরে এসে ইব্রাহীম (আ) সম্পর্কে কথা বলা শুরু করলেন। কেন? কারণ, বনী ইসরাইলীদের যদি আরবদের সাথে কোনো সম্বন্ধ না থাকে তাদের তো ইব্রাহীম (আ) এর সাথে সম্বন্ধ থাকার কথা।

একটা ব্যাপার এখানে খেয়াল করেছেন? এই সূরায় ঘটনা শুরু হয়েছিলো আদম (আ) কে নিয়ে, যিনি হলেন আদি পিতা। ঠিক এরপরেই একটি জাতি সম্পর্কে আলোচনা করা হলো। এরপর আমরা ইব্রাহীম (আ) সম্পর্কে কথা বলবো। এর একটু পরেই নতুন জাতি সম্পর্কে কথা বলা হবে। পিতা > জাতি, পিতা > জাতি। এমন একটি মিল এখানে লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

আরেকটি মজার বিষয় হলো, আদম (আ) কে পরীক্ষা করা হয়েছিলো। তিনি সেই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে পারেননি। পরে তাঁকে এর জন্য ক্ষতিপূরণ করতে হয়। বনী ইসরাইলকেও পরীক্ষা করা হয়েছিলো, তারাও পাশ করতে পারেনি। তাদের সুযোগ ছিল ক্ষতিপূরণ করার। তারপর এসেছে ইব্রাহীম (আ) এর কথা। তাঁকেও পরীক্ষা করা হয়। কিন্তু, তিনি তাঁর সকল পরীক্ষায় পাশ করেন।

সবশেষে আসছে আমাদের উম্মাহর কথা। আল্লাহ্‌ বলছেন আমি তোমাদের পরীক্ষা করবো। তিনি বলেন - "ওয়ালানাব লুয়ান্নাকুম বিশাই...।" আমি তোমাদের পরীক্ষা করবো। দেখি, তোমরা কেমন করো। দেখি, তোমরা কি আদমের মত ভুল করবে? নাকি বনী ইসরাইলের পথ অনুসরণ করবে? এবং ভুল করতে থাকবে। নাকি তোমরা তোমাদের পিতা ইব্রাহীম (আ) এর ঐতিহ্য ধারণ করবে? যিনি সব পরীক্ষায় পাশ করেছিলেন। فَأَتَمَّهُنَّ - অতঃপর তিনি তা পূর্ণ করে দিলেন। (২:১২৪) বিষয়গুলো এভাবেই একটি আরেকটির সাথে সম্বন্ধযুক্ত।

যখন ইব্রাহীম (আ) সম্পর্কে কথা বলা হয়েছে, ব্যাপারটা অসাধারণ সুন্দর যে, আল্লাহ্‌ অর্ধেক অংশে তাঁর পুত্র ইসমাইল (আ) সম্পর্কে কথা বলেন, আর অন্য অর্ধেক অংশে তাঁর নাতি ইয়াকুব (আ) সম্পর্কে কথা বলেন। যার অন্য নাম হল ইসরাইল। ব্যাপারটা কেন গুরুত্বপূর্ণ? কারণ, আল্লাহ্‌ বলেছেন এরা উভয় ইব্রাহীমের বৈধ বংশধর। তাঁরা উভয়েই ছিলেন মুসলিম। আল্লাহ্‌ উভয়জনের মুখ থেকে মুসলিম শব্দ উল্লেখ করেন।

তাই, আমরা বুঝতে পারি রাসূলুল্লাহ (স) তাদেরকে যে বার্তার প্রতি আহ্বান জানাচ্ছেন তা দারুণ সত্য, ইব্রাহীম (আ) এর মূল বার্তাটাই তিনি প্রচার করছেন। যখন তোমরা ইসরাইলীরা রাসূল (স) কে আরব হওয়ার কারণে প্রত্যাখ্যান করছ, তখন ইবলিসের সাথে তোমাদের খুব একটা পার্থক্য নেই, যে আদম (আ) কে অস্বীকার করেছিল তাঁকে মাটি থেকে সৃষ্টি করা হয়েছিলো বলে। তাই, সেই ভুল পথে পা বাড়িও না। রাসূল (স) কে গ্রহণ করে নাও।

এটা করার পর, আমরা আবার পিতার আলোচনায় ফিরে আসছি। এখন, তাঁর যেহেতু দুইটি বংশ ধারা আছে, তিনি তাঁর পেছনে একটি উত্তরাধিকার রেখে যাবেন, একটি প্রতিষ্ঠান রেখে যাবেন। সেই প্রতিষ্ঠানটি কি? তিনি ক্বাবা নির্মাণ করলেন। তিনি মরুভূমির মাঝখানে এই ঘর নির্মাণ করলেন।

এই ঘর নির্মাণ করার সময় তিনি একজন রাসূলের জন্য দুআ করলেন। এখন, ইসরাইলীদের বলা হচ্ছে মুহাম্মাদ (স) তোমাদের নিজেদের পিতা ইব্রাহীম (আ) এর দুআর ফসল। তিনি তোমাদের নিজেদের পিতার প্রার্থনার জবাব। মুহাম্মাদ (আ) হলেন ইব্রাহীম (আ) এর উত্তরাধিকারের পরিপূরণ। তোমাদের তাঁকে নিজেদের নবী মনে করা উচিত এবং নবী মুহাম্মাদ (স) এর প্রতি অনুগত হওয়া উচিত। ঠিক যেভাবে তোমরা ইব্রাহীম (আ)কে মানো। এরপর তারা ক্বাবার পরিবর্তন দেখতে পেলো। কারণ, রাসূল (স) জেরুলেমের দিকে মুখ করে নামাজ পড়া বন্ধ করে দিলেন। এই আয়াতগুলো নাজিল হওয়ার কারণে তিনি মক্কার দিকে মুখ করে নামাজ পড়তে লাগলেন। এটা হল সূরার পঞ্চম বিষয়বস্তু। ক্বাবার পরিবর্তনের পর...এখন যেহেতু রাজধানীর পরিবর্তন হয়েছে, যেটা আগে জেরুজালেম ছিল, তখন ইয়াহুদিরা মনে করতো আমরা আসলে ততটা ভিন্ন নই।

এখন, আমরা মক্কার দিকে মুখ করে নামাজ পড়ছি, তাদের কাছে ব্যাপারটা একেবারেই আলাদা। তারা ভাবল, এরা তো এখন নতুন জাতি। আল্লাহ্‌ নতুন জাতি হিসেবে আমাদের উদ্বোধন করলেন। তিনি বলেন, كُنتُمْ خَيْرَ أُمَّةٍ أُخْرِجَتْ لِلنَّاسِ - না, এটা আসলে সূরা আলে-ইমরানে এসেছে। এখন, বলা হচ্ছে - وَكَذَٰلِكَ جَعَلْنَاكُمْ أُمَّةً وَسَطًا - "আমি তোমাদেরকে মধ্যপন্থী সম্প্রদায় করেছি।" তোমরা এখন নতুন জাতি। তোমাদের এখন নিজেদের পায়ে দাঁড়াতে হবে। মুসলিম উম্মাহর জন্য এখান থেকে "ইয়া আইউহাল লাজিনা আমানু" পরিভাষার ব্যবহার শুরু হয়ে গেছে। "তোমরা যারা ঈমান এনেছ", "তোমরা যারা ঈমান এনেছ।" এভাবে অফিশিয়াল্লি মুসলিম উম্মাহকে সম্বোধন করা হচ্ছে।

নতুন জাতি গঠিত হলে তার জন্য তো একটা রাজধানী থাকা চাই। যেটা হলো আমাদের ক্বাবা। তার জন্য আবার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়াজন করতে হয়। জাতি সমূহের যেমন স্বাধীনতা দিবস থাকে। আমাদেরকে দেওয়া হয়েছে স্বাধীনতার মাস। কুরআনের মাস, রামাদান। সেই মাসের কথাও এই সূরায় অবতীর্ণ করা হয়েছে। ক্বাবাকে কেন্দ্র করে যে ধর্মানুষ্ঠান আয়োজন করা হয় তার নির্দেশনাও এই সূরায় অবতীর্ণ করা হয়েছে। নতুন জাতির নামও এই সূরায় নাজিল করা হয়েছে। রাসূল প্রদান করা হয়েছে।

সুতরাং, এখন আমরা পুরোপুরি নতুন একটি স্বাধীন জাতিতে পরিণত হলাম। যে জাতি তার নিজের জন্য নির্ধারিত পরীক্ষা সমূহের সম্মুখীন হবে। এটা হলো পরবর্তী বিষয়বস্তু। এরপরে সূরা বাকারার বিশাল একটা অংশ জুড়ে অনেকগুলো আইন-কানুনের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। এই আইনগুলো রোজা নিয়ে, হজ্ব নিয়ে, তালাকের আইনকানুন, সামাজিক আইনকানুন, প্রাথমিক কিছু উত্তরাধিকার আইনের কথাও এসেছে, যাকাতের উল্লেখও করা হয়েছে। সবধরনের আইনকানুনের উল্লেখ করা হয়েছে, পারস্পরিক লেনদেন বিষয়ে, ইয়াতিমদের দেখাশোনার বিষয়ে। এইরকম সবধরনের নিয়মকানুনের কথা উল্লেখ করা হয়েছে অবিশ্বাস্য রকমের নিয়মতান্ত্রিক পন্থায় - যা এতো বড় যে, এই সেশনে এর বিস্তারিত বর্ণনা দেওয়া সম্ভব নয়। শুধু জেনে রাখুন যে, এগুলোর উল্লেখেও অবিশ্বাস্য রকমের বিন্যাস লক্ষ্য করা যায়।

চলুন, আবার পেছন থেকে দেখে আসি আমরা এখন কোথায়? আমরা শুরু করেছিলাম, বিশ্বাসী, অবিশ্বাসী এবং মুনাফিকদের নিয়ে। এটা ছিল সেকশন এক। আদম (আ) এর ঘটনা ছিল সেকশন দুই। সেকশন তিন ছিল বনী ইসরাইলকে নিয়ে এবং কীভাবে তারা আশানুরূপ দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হলো। সেকশন চার ছিল, তাদের উচিত ছিল তাদের পিতা ইব্রাহীমের ঐতিহ্য ধারণ করা। ইব্রাহীম (আ) এর কথা বলতে গিয়ে বলা হল, তিনিই ক্বাবা নির্মাণ করেছেন। এটা ছিল সেকশন পাঁচ। সেকশন ছয় হলো, মুসলিম উম্মাহ এখন নতুন জাতি এবং তাদেরকেও পরীক্ষা করা হবে। সেকশন সাত-এ বলা হলো, কী দিয়ে তাদের পরীক্ষা করা হবে? এই আইন-কানুন গুলো তোমাদের মেনে চলতে হবে। লম্বা একটা সেকশন আইন-কানুনের। আমরা এখন এখানেই আছি। সেকশন সাত পর্যন্ত।

আমি বলেছিলাম এই সূরায় নয়টি সেকশন রয়েছে। সেকশন আটে এসেছে কুরআনের সবচেয়ে লম্বা একটি সেকশন কীভাবে লোভ সামলাতে হবে। কোথায় তোমার টাকা ব্যয় করা উচিত, কোথায় টাকা ব্যয় করা উচিত নয়, কীভাবে তোমার টাকা আয় করা উচিত আর কীভাবে তোমার টাকা আয় করা উচিত নয়। কীভাবে তোমাদের ব্যবসা করা উচিত আর কীভাবে করা উচিত নয়। অর্থ সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে এই সূরার বিশাল একটি অংশ জুড়ে আলোচনা করা হয়েছে। কুরআনের অন্য কোথাও আর এরকম করা হয়নি। এই ব্যাপারটা এখানে মোকাবেলা করা হয়েছে।

ব্যাপারটা গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, আমরা যদি পেছনে ফিরে দেখি, আদম (আ) এর ঘটনায় সমস্যা ছিল লোভ নিয়ে। তাই, আল্লাহ্‌ এখানে বলেছেন মানুষ এখন যেহেতু পৃথিবীতে প্রেরিত হয়েছে তাদের জন্য লোভ-লালসা বিরাট এক সমস্যা হিসেবে দেখা দিবে। তাই, এই বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করতে হবে।

পরিশেষে, আমরা সূরা বাকারার শেষ দুই তিনটা আয়াতে এসে পৌঁছলাম। যে সম্পর্কে হাদিসে এসেছে, যে কেউ রাতে এগুলো তিলাওয়াৎ করবে তা তাদের জন্য যথেষ্ট হবে। সমগ্র কুরআনের অন্যতম গভীর দুআগুলোর একটি। এই দুআ আসলে সমগ্র সূরার সাথে সম্বন্ধযুক্ত। এটা আসলে আমরা যেখান থেকে শুরু করেছি তার একটা উপসংহার। কারণ, সূরার শেষে আমরা আসলে আল্লাহর নিকট দুআ করছি, আমাদের উপর যেন সেরকম বোঝা চাপিয়ে না দেন, যেমনটা তিনি আমাদের আগে আসা জাতির উপর অর্পণ করেছেন। কারণ, তারা সেই বোঝা বহন করতে পারেনি। এবং শেষে এর প্রতি মুনাফেকি আচরণ করতে থাকে। আমরা আল্লাহর নিকট দুআ করছি, আমাদের ঈমান রক্ষা করার জন্য। মুনাফেকি থেকে রক্ষা করার জন্য। এবং আমরা দুআটা শেষ করি, কাফেরদের বিরুদ্ধে আল্লাহর সাহায্য চেয়ে।

মনে আছে তো? প্রথম অংশ ছিল, বিশ্বাসী, অবিশ্বাসী এবং মুনাফিকদের নিয়ে। শেষ অংশ হলো এমন একটি দুআ... ইয়া আল্লাহ্‌! আমাদের ঈমান রক্ষা করুন। আমরা বিশ্বাস স্থাপন করেছি। আমাদেরকে মুনাফেকিতে পড়তে দিবেন না। এবং আমাদেরকে কাফেরদের বিরুদ্ধে সাহায্য করুন। তো, এটা প্রায় সূরার শুরুর একটি প্রতিক্রিয়া।

এর মাধ্যমে এটা সমগ্র ইসলাম ধর্মের একটি সারাংশ তুলে ধরে। কুরআনের অন্যতম গভীর একটি সূরা। রাসূল (স) কুরআনের প্রথম সাতটি সূরা সম্পর্কে বলেছেন, যে এগুলো ধরে রাখবে, ফাহুয়া হিবর। সে আসলে একজন স্কলার। মানে আপনার প্রথম সাতটি সূরার বাহিরে আর জ্ঞানের দরকার নেই। তাহলে আপনার রয়েছে গভীর গভীর জ্ঞান।

আল্লাহ্‌ আজ্জা ওয়া জাল্লা আমাদেরকে এই সূরার শক্তিমত্তা, গঠনপ্রণালী এবং অসম্ভব সুন্দর পাঠগুলো আয়ত্ত করার তৌফিক দান করুন। আমি সম্ভবত ১৫ বছর ধরে সূরা বাকারা অধ্যয়ন করছি। আমার মনে হয় আমি এখনো এর উপর প্রাথমিক জ্ঞানও অর্জন করতে পারিনি।

আল্লাহ্‌ আজ্জা ওয়া জাল্লা আমাদেরকে কুরআন নিয়ে চিন্তা গবেষণা করার উপকার এবং শক্তিমত্তা অনুভব করার তৌফিক দান করুন।

- নোমান আলী খান
Nouman Ali Khan



#নোমানআলীখান

১৬ থেকে ২৫ বছর বয়সটা হলো জীবনের সেই 'গোল্ডেন পিরিয়ড', যা নির্ধারণ করে আপনি আগামী ৫০ বছর স্বাচ্ছন্দে থাকবেন নাকি পস্তাবেন...
15/01/2026

১৬ থেকে ২৫ বছর বয়সটা হলো জীবনের সেই 'গোল্ডেন পিরিয়ড', যা নির্ধারণ করে আপনি আগামী ৫০ বছর স্বাচ্ছন্দে থাকবেন নাকি পস্তাবেন।

‎আপনার বয়স কি ১৬ থেকে ২৫-এর মধ্যে? তবে আজ পরের ২ মিনিট সময় আপনার জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিনিয়োগ হতে যাচ্ছে। কারণ আজ এমন এক ধ্রুব সত্যের মুখোমুখি আপনি হতে যাচ্ছেন, যা আপনাকে আজই বিছানা ছেড়ে উঠে দাঁড়াতে বাধ্য করবে।

👉‎কেন ২৫ বছরে পা দিলেই জীবনটা ভারী মনে হয়? 📉🔥

‎খেয়াল করেছেন কি, ২৫ বছর পার হতে না হতেই কেন চারপাশ থেকে চাপের পাহাড় ভেঙে পড়ে?

✅ ‎মা-বাবার প্রত্যাশা,

✅ ‎বিয়ের সামাজিক চাপ,

✅ ‎ক্যারিয়ার গড়ার শেষ লড়াই,

✅ ‎আর পকেটে টান পড়ার দুশ্চিন্তা।

‎এই চাপটা কেন আসে জানেন? কারণ যে বয়সে আমাদের নিজের ভিত্তি (Foundation) শক্ত করার কথা ছিল, সেই সময়ে আমরা 'টাইম পাস' করেছি, ঘণ্টার পর ঘণ্টা স্ক্রল করেছি, আর কেবল 'মোটিভেশনাল ভিডিও' দেখে নিজেকে শান্ত রেখেছি কিন্তু কাজ করিনি।

‎আপনি নিজেকে ভাগ্যবান মনে করুন, কারণ এই লেখাটি পড়ার পর আপনার কাছে সুযোগ আছে সেই ভবিষ্যৎ চাপকে জয়ে পরিণত করার। জীবনের জন্য এই গুরুত্বপূর্ণ ৩টি স্টেপ ফলো করুন—

🔥✅ ‎স্টেপ ১: ফিজিক্যাল আপগ্রেড (নিজের শরীরকে গুরুত্ব দিন) 🏋️‍♂️

‎সাফল্য ভোগ করার জন্য সুস্থ শরীরের প্রয়োজন। আপনি যদি নিজের শরীরকেই কন্ট্রোল করতে না পারেন, তবে ক্যারিয়ার কীভাবে কন্ট্রোল করবেন?

‎কী করবেন? প্রতিদিন অন্তত ১৫-৩০মিনিট ঘাম ঝরান। শরীরচর্চা মানে কেবল মাসল বানানো নয়, এটি আপনার মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা ও আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে দেয়। শরীর ফিট থাকলে আপনার কর্মশক্তি অন্যদের তুলনায় দ্বিগুণ হয়ে যাবে।

✅🔥 ‎স্টেপ ২: উইনার মাইন্ডসেট তৈরি করুন (ভেড়ার পাল থেকে বেরিয়ে আসুন) 🧠

‎একটি সহজ অংক মনে রাখুন— "যদি আপনি সেই কাজই করেন যা ৯০% মানুষ করছে, তবে আপনার জীবনও সেই ৯০% সাধারণ মানুষের মতোই হবে।"

‎কী করবেন? ভিড় যেদিকে যাচ্ছে, সেদিকে দৌড়ানো বন্ধ করুন। সমালোচনা সহ্য করার ক্ষমতা তৈরি করুন। মনে রাখবেন, জাহাজ যখন মাঝসমুদ্রে চলে, তখন তীরের মানুষেরা তাকে ছোটই দেখে আর বলে এবার এ ডুবলো বলে। মানুষের কথায় কান না দিয়ে নিজের লক্ষ্যে স্থির থাকাটাই হলো 'উইনার মাইন্ডসেট'।

🔥✅ ‎স্টেপ ৩: মাল্টিপল স্কিল ও ইনকাম সোর্স (নিজের দাম বাড়ান) 💰

‎কেবল একটি ডিগ্রির ওপর ভরসা করে বসে থাকার দিন শেষ। নিজেকে এমনভাবে তৈরি করুন যেন পৃথিবী আপনাকে খুঁজতে বাধ্য হয়। অন্তত ৪টি স্কিল বা স্টেপকে আয়ত্ত করুন 🔥

✅ ‎১. কমিউনিকেশন স্কিল: কথা বলতে পারাটা একটা আর্ট। আপনি কতটা জানেন, তার চেয়ে জরুরি হলো আপনি সেটা কতটা সুন্দর করে বুঝিয়ে বলতে পারেন।

✅‎২. কনটেন্ট ক্রিয়েশন: আজকের যুগে নিজের ব্র্যান্ড ভ্যালু তৈরি করার সবচেয়ে বড় মাধ্যম। নিজের জ্ঞান শেয়ার করতে শিখুন সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে।

✅ ‎৩. বডি ল্যাঙ্গুয়েজ: আপনি ঘরে ঢোকার পর মানুষ যেন আপনার ব্যক্তিত্ব অনুভব করতে পারে। আপনার দাঁড়ানো, হাঁটা আর তাকানোর মধ্যে যেন আত্মবিশ্বাস ফুটে ওঠে।

‎✅ ৪.মাল্টিপল ইনকাম সোর্স বা আয়ের একাধিক পথ

"একটি মাত্র আয়ের উৎসের ওপর নির্ভর করা মানে হলো একটি সরু সুতোর ওপর দাঁড়িয়ে থাকা, যা যেকোনো সময় ছিঁড়ে যেতে পারে। বর্তমানের অনিশ্চিত পৃথিবীতে একাধিক আয়ের পথ তৈরি করা কেবল বিলাসিতা নয়, বরং এটি আপনার জীবনের সবচেয়ে বড় সুরক্ষাকবচ। যেমন একটি প্রদীপ নিভে গেলে অন্যটি আলো দেয়, তেমনি আয়ের বিকল্প পথ থাকলে কোনো দুর্যোগই আপনার জীবনের গতি থামিয়ে দিতে পারবে না। মনে রাখবেন, প্রকৃত আর্থিক স্বাধীনতা কেবল বেশি পরিশ্রমে আসে না, বরং আয়ের বহুমুখী স্রোত তৈরি করার মাধ্যমে আসে—যাতে আপনি ঘুমালেও আপনার উপার্জনের চাকা সচল থাকে।"

‎এই ৩টি জিনিসের ওপর আগামী ৬ মাস থেকে ১ বছর নিয়মিত কাজ করুন। রেজাল্ট আপনি নিজেই দেখতে পাবেন।

‎২৫ বছর বয়সে গিয়ে যখন আপনার বন্ধুরা চাপের মুখে ভেঙে পড়বে, তখন আপনি আপনার প্রস্তুতির কারণে পাহাড়ের মতো অটল থাকবেন। সময় এখনো ফুরিয়ে যায়নি, কিন্তু সময় খুব দ্রুত চলে যাচ্ছে।

✍️✍️✍️

🥀‎ এই পোস্টটি সেভ করে রাখুন ভবিষ্যতের মনে করিয়ে দেওয়ার জন্য আর এই পোস্টটি ভাল লাগলে অন্যদের মধ্যেও শেয়ার করুন🙏🙇🙏

🌻 এই পোষ্টের ফটো বা টেক্সট কেউ কপি করবেন না বরং অন্যদের মধ্যে শেয়ার করুন 🙏

07/01/2026

রিযিক বন্ধ হয়ে যাওয়ার ২০টি গুনাহ!

১. সুদ :
যে ব্যবস্থার বিরুদ্ধে আল্লাহ নিজেই যু/দ্ধ ঘোষণা করেছেন,
সেখানে কখনো বারকাহ আসতে পারে না ৷
রেফারেন্স: সূরা আল-বাকারা ২৭৯ - "আল্লাহ ও তাঁর

রাসূলের পক্ষ থেকে যু/দ্ধের ঘোষণা। ”

২. অকৃতজ্ঞতা:
যে রিযিককে তুমি তুচ্ছ করো, সেটাই ধীরে ধীরে
তোমার হাত থেকে ছিনিয়ে নেওয়া হয়।
রেফারেন্স: সূরা ইবরাহীম ৭ - "কৃতজ্ঞ হলে বাড়িয়ে দেব,
অকৃতজ্ঞ হলে শা/স্তি কঠিন।”

৩. আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্ন করা:
রিযিকের সাথে আত্মীয়তার সম্পর্ক সরাসরি যুক্ত। সম্পর্ক
কে/টে দিলে রিযিকের দরজা বন্ধ হয়।
হাদিস: "যে রিযিক বাড়াতে চায়, সে যেন আত্মীয়তার
সম্পর্ক বজায় রাখে।”- বুখারি ২৯৮৬ -

৪. অসততা:
ব্যবসায় মিথ্যা বললে সাময়িক লাভ হতে পারে,
কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে রিযিক নষ্ট হয়।

৫. প্রতারণা:
কারও হক মেরে খেলে প্রতিটি হা/রাম টাকা জীবনে অভাবডেকে আনে।
হাদিস: "যে প্রতারণা করে, সে আমার উম্মতের মধ্যে নয়।
মুসলিম ১০২

৬. সালাত অবহেলা:
আজান-সালাত গুরুত্বহীন মনে করলে রিযিকের
বারকাহ কমে যায় ৷
হাদিস: "রিযিক সালাতে আছে।”
সহিহ অর্থে বহু বর্ণনায় প্রমাণিত

৭. গীবত :
অন্যের পিঠ পেছনে খারাপ বলা তোমার নিজ
জীবনের বারকাহ খেয়ে ফেলে।
সূরা হুজুরাত ১২

৮. অহংকার:
রিযিক উপহার, প্রমাণ নয় যে তুমি শ্রেষ্ঠ।
অহংকার আসমানের দরজা বন্ধ করে দেয়৷
হাদিস: "যার অন্তরে অহংকারের অণু পরিমাণ থাকে,
সে জান্নাতে যাবে না।"– মুসলিম ৯১

৯. যাকাত আটকে রাখা:
যাকাত না দিলে সম্পদ অপবিত্র হয়ে যায়
এবং ধ্বং/স হতে থাকে।
সূরা তাওবা ৩৪-৩৫

১০. কর্মচারীদের ওপর জুলুম:
যাদের তোমার ওপর কিছুটা অধিকার আছে, তাদের
হক না দিলে রিযিক শুকিয়ে যায়।
হাদিস: "মজদুরের মজুরি ঘাম শুকানোর আগেই পরিশোধ
করো।" ইবন মাজাহ ২৪৪৩

১১. বেচাকেনায় প্রতারণা বা জিনিসের দোষ লুকানো: এতেসম্পদের বারকাহ সম্পূর্ণ তুলে নেওয়া হয়।

১২. লোভ:
যে শুধু আরও আরও চায় কিন্তু আলহামদুলিল্লাহ বলে
না-সে শেষ পর্যন্ত কম পায় ৷
হাদিস: "মানুষের মন যদি দুই পাহাড় ভরা সম্পদ পায়,
তবুও সে তৃতীয়টি চাইবে।” – বুখারি ৬৪৩৯

১৩. বাবা-মাকে অবহেলা:
তোমার রিযিক তাদের দোয়া বা অভিশাপের সাথে জড়িত।
হাদিস: "রিযিক ও আয়ু বাড়ে বাবা-মাকে সন্তুষ্ট রাখলে।"
- মুসলিম (হাসান সনদে বহু রেওয়ায়েতে প্রমাণিত)

১৪. জুলুম করে সম্পদ অর্জন:
জুলুমের সম্পদে কোনো বারকাহ নেই,
বরং ধ্বং/স ডেকে আনে।

১৫. সদকা অবহেলা:
সদকা কখনো সম্পদ কমায় না, বরং বাড়ায়।
হাদিস: "সদকা সম্পদ কমায় না।
-মুসলিম ২৫৮৮

১৬. হিংসা:
অন্যের রিযিক দেখে মন খারাপ করা নিজের
রিযিকের দরজা বন্ধ করে দেয়।

১৭. নারীদের ও বাচ্চাদের প্রতি জুলুম:
যাদের যত্নের অধিকার সবচেয়ে বেশি, তাদের প্রতি অন্যায়
করলে রিযিক উঠে যায়।

১৮. মিথ্যা কসম খাওয়া:
টাকা বা ব্যবসার জন্য মিথ্যা শপথ
বারকাহ পু/ড়ি/য়ে ফেলে।
বুখারি ২০৮৭

১৯. অলসতা:
রিযিক চেষ্টা করা মানুষের কাছে আসে।
যারা চেষ্টা করে না, ভাগ্যও দরজা খোলে না।

২০. তাকদির নিয়ে অসন্তুষ্টি :
আল্লাহর সিদ্ধান্ত নিয়ে অভিযোগ করা ভবিষ্যতের রিযিকেরদরজা বন্ধ করে দেয়।
হাদিস: "আল্লাহ্ সিদ্ধান্তে সন্তুষ্ট থাকলে সে হৃদয়কে পরিপূর্ণকরেন।”
তিরমিজি ২৫১০
📌
পোষ্টি ভালো লাগলে শে'য়ার করে দিবেন।

16/02/2025

সিজদা:-

জীবনে যখন ঝড় উঠে, অন্ধকার ঘনিয়ে আসে, যখন মনে হয় সবকিছু শেষ, তখন মানুষ কোথায় যায়? কার কাছে দৌড়ে যায়? যদি তুমি মানুষকে ধরতে চাও, তারা তোমাকে দূরে ঠেলে দেবে। যদি দুনিয়ার কাছে হাত পাতো, দুনিয়া তোমাকে ফিরিয়ে দেবে।

কিন্তু একজন আছেন, যিনি কখনো ফিরিয়ে দেন না, যিনি তোমার ডাকে কখনো ক্লান্ত হন না, তিনি আল্লাহ!

তাই ওযু করো, দুই রাকাত নামাজ পড়ো, আলো নিভিয়ে দাও, চোখ বন্ধ করো। মনে করো, আল্লাহ তোমার সামনে আছেন, কল্পনায় আল্লাহকে নিজের সামনে আনো। ভাবো, আল্লাহ তোমার দিকে তাকিয়ে আছেন, তোমার কষ্ট দেখছেন। তোমার কান্না দেখছেন, তোমার বুকের চাপা কষ্ট অনুভব করছেন। নামাজ শেষে জায়নামাজে পড়ে যাও, সিজদায় নিজেকে বিলীন করে দাও!

* কাঁদো! বুক ফেটে কান্না করো! নিজের সমস্ত কষ্ট, দুঃখ, লাঞ্ছনা, ব্যথা, সব আল্লাহর কাছে উজাড় করে দাও!
* কাউকে বলো না, দুনিয়ার কাছে কেঁদো না, মানুষকে জানিয়েও লাভ নেই, আল্লাহই একমাত্র তোমার কান্নার যোগ্য!

শিশুর মতো কাঁদো, ঠিক যেমন ছোটবেলায় মা-বাবার কাছে কিছু চাইতে গেলে কাঁদতে, আল্লাহ তো তোমার মায়ের চেয়েও দয়ালু, তোমার বাবার চেয়েও উদার! যদি মা-বাবা তোমার কান্নায় নরম হয়ে যেত, তাহলে আল্লাহ কি তোমার ডাকে সাড়া দেবেন না?

জেনে রাখো:
* যে সুখে আল্লাহকে ভুলে যায়, দুঃখে তার কান্না কবুল হয় না।
• যে দুঃখে আল্লাহর কাছে কাঁদে, সুখেও সে আল্লাহর রহমতে সিক্ত হয়।
তাই শুধু দুঃখে নয়, আনন্দেও সিজদায় যাও!
যখন কিছু পাবে, যখন সম্মানিত হবে, যখন স্বপ্ন পূরণ হবে, তখন আল্লাহকে ভুলে যেও না! শুকরিয়া আদায় করো, সিজদায় মুখ গাঁথো, কাঁদো, বলো:

“হে আল্লাহ! তুমি আমায় এত দিয়েছো, আমি তোমার শুকরিয়া আদায় করতে পারব না!”

সিজদা হলো সেই দরজা, যেখানে কান্না একরকম থাকে না।
• সুখের কান্না: শুকরিয়ার সিজদা!
• দুঃখের কান্না: ফরিয়াদের সিজদা!
• গুনাহের কান্না: তওবার সিজদা!

* সিজদার মধ্যে যখন তোমার চোখের পানি ঝরবে, তখন আসমানের দরজাও তোমার জন্য খুলে যাবে!

~ তুমি সিজদায় পড়ো, দেখবে আল্লাহ তোমার সব দরজা খুলে দেবে! ~
~সিজদায় কান্না করো, আল্লাহকে রাজি করো, দেখবে দুনিয়া তোমার পায়ে লুটিয়ে পড়বে! ~

10/02/2025

চলুন একটু ইস্তেগফার পাঠ করি..

আস্তাগফিরুল্লাহ হাল্লাজি লা ইলাহা ইল্লাহু ওয়াল হাইয়্যুল কাইয়্যুম ওয়া আতুবু ইলাইহি লা হাওলাওয়ালা কুয়াতা ইল্লাহ বিল্লাহিল আলিয়্যিল আযিম

আস্তাগফিরুল্লাহ হাল্লাজি লা ইলাহা ইল্লাহু ওয়াল হাইয়্যুল কাইয়্যুম ওয়া আতুবু ইলাইহি লা হাওলা ওয়ালা কুয়াতা ইল্লাহ বিল্লাহিল আলিয়্যিল আযিম

সুবহানাল্লাহ!
সুবহানাল্লাহ!
সুবহানাল্লাহ!
সুবহানাল্লাহ!

সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম!
সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম!
সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম!
সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম!

আস্তাগফিরুল্লাহ ইন্নালাহা গাফুরুর রাহিম!
আস্তাগফিরুল্লাহ ইন্নালাহা গাফুরুর রাহিম!
আস্তাগফিরুল্লাহ ইন্নালাহা গাফুরুর রাহিম!
রাব্বানা যালামনা আনফুসানা ওয়া ইল্লাম তাগফিরলানা ওয়াতারহামনা লানা কুনান্না মিনাল খাসিরীন

রব্বানা যালামনা আনফুসানা ওয়া ইল্লাম তাগফিরলানা ওয়াতারহামনা লানা কুনান্না মিনাল খাসিরীন

সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি, সুবহানাল্লাহিল আযিম!
সুবহানআল্লাহি ওয়া বিহামদিহি, সুবহানাল্লাহিল আযিম সুবহনাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি, সুবহানাল্লাহিল আযিম!

ইয়া হাইয়্যু ইয়া কাইয়্যুমু, বিরাহমাতিকা আস্তাগীস
ইয়া হাইয়্যু ইয়া কাইয়্যুমু, বিরাহমাতিকা আস্তাগীস
ইয়া হাইয়্যু ইয়া কাইয়্যুমু, বিরাহমাতিকা আস্তাগীস

হাসবুনাল্লাহু ওয়া নি'আমাল ওয়াকিল!
হাসবুনাল্লাহু ওয়া নি'আমাল ওয়াকিল!
হাসবুনাল্লাহু ওয়া নি'আমাল ওয়াকিল!!

রব্বানা আতিনা ফিদ্দুনইয়া হাছানা ওয়া ফিল আখিরাতি হাছানা ওয়া কিনা আজাবান্নার

ইয়া আল্লাহ, ইয়া রহমানু, ইয়া রাহিমু, ইয়া জাব্বারু,ইয়া বাসিতু,ইয়া ওয়াদুদু,ইয়া যুল যালালি ওয়াল ইকরাম,ইয়া আরহামার রহিম।

পড়া শেষ হলে বলি আলহামদুলিল্লাহ 🌸

আলহামদুলিল্লাহ
02/02/2025

আলহামদুলিল্লাহ

01/02/2025
সকলেরই আমল করা জরুরি ❤️
31/01/2025

সকলেরই আমল করা জরুরি ❤️

এটাই শক্তি,
31/01/2025

এটাই শক্তি,

বর্তমান জেনারেশনের বেশিরভাগ মেয়েদের B/T/S পছন্দ, কারন তারা মে"য়েলি স্বভাবের পুরুষ চায়। তাই এখন নারী প'টানোর জন্য পুরুষ হ...
30/01/2025

বর্তমান জেনারেশনের বেশিরভাগ মেয়েদের B/T/S পছন্দ, কারন তারা মে"য়েলি স্বভাবের পুরুষ চায়। তাই এখন নারী প'টানোর জন্য পুরুষ হয়ে যায় নারীবাদী, কবিতা লাভার, সার্থপর টাইপ, আর লু!তুপুতু গল্পের পাঠক ইভেন্কি পিরি'য়'ড কবি।

কিন্তু আমাদের দাদী-নানীদের অবস্থা ভিন্ন ছিলো। এখনো তাদের সামনে কোন ছেলে যদি মেয়েদের মতো হাটাচলা করে অথবা মেয়েদের বে'শভূ'ষা ধরে তাহলে তারা স্বজোরে একটা ধমক দিবে। কারন তাদের কাছে একটা ছেলের মে'য়ে'লি স্বভাবের হওয়াটা মানুষিক বি'কৃ'তি।

কারন উনারা জানেন একটা পরিবারে একজন পুরুষের প্রয়োজন কতটুকু। দাদী নানীরা প্রকৃত পু'রুষ মা'নুষ চিনেন। উনারা ভালো ভাবেই জানেন একজন পুরুষের বৈশিষ্ট্য কেমন হয়।

আমাদের দাদা-নানারা ছি'লেন প্রকৃত পুরুষ। লোমশ হাত ওয়ালা সুঠাম দেহের সুস্থ সবল পুরু'ষ'ত্বের অধিকারী ছিলেন তারা। তারা পরিবারের জন্য মাথায় করে পাহাড় বহন করতেন। নিজের স্ত্রী সন্তানকে আগলে রেখে যেকোনো বিপদের মুখে শীসা ঢালা প্রাচীর হয়ে দাঁড়াতেন। তারা ফজরের আগে ঘুম থেকে উঠে মই,লাঙ্গল নিয়ে মাঠে ছুটতেন। মাঠের এক কোণায় গামছা বিছিয়ে ফজরের নামাজ টা পড়ে নিয়ে আবার কাজে লেগে যেতেন। দিপ্রহরে বাড়িতে এসে স্ত্রীর হাত পাখার বাতাসে পান্তা খেয়ে তৃপ্তির ঢেকুর তুলতেন।

এখন সময় বদলেছে, টেকনোলজির এই দুনিয়ায় সব কিছু সহজলভ্য হয়েছে ঠিক কিন্তু প্রতি টি ঘর থেকে পুরুষ মানুষ হা'রি'য়ে যাচ্ছে। একটা গ'র্দ'ভ অ'সু:স্থ জেনারেশন তৈরি হচ্ছে, এদের পুরু'ষত্ব তো নেই উল্টো হিজ!ড়া হয়ে যাচ্ছে।

না আছে তাদের ২৫ কেজি ওজনের একটা বস্তা বহনের মুরোদ, না আছে ১০ মিনিট দৌড়ানোর মুরোদ। খাওয়ার ঠিক নেই, ঘুমের ঠিক নেই। এই জেনা'রেশন দিয়ে এই উম্মা:হের কোনো উপকার কস্মিনকালেও সম্ভব' নয়।

Address

Chittagong
4640

Telephone

+8801842666681

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Da'wah of Islam posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to Da'wah of Islam:

Share