30/09/2024
যেখানে যুগে যুগে মানুষ পীর-মুর্শিদের হাতে বায়াত হতে দূরদূরান্তে সফর করেছেন, সেখানে আখেরী জমানায় ঈমান রক্ষার তাগিদে গাউসে জমান পীরে কামেল হুজুর কেবলাগণ দূরদূরান্তে সফর করে দিশেহারা মুসলমানদের সিলসিলায় দাখেল করে ঈমান রক্ষা করছেন। এ নব যুগের সূচনা হয় গাউসে দাঁওরা হযরত খাজা চৌহরভী (রা.)'র মাধ্যমে। তিনি যখন বায়াত হতে হযরত আখনু শাহ (রা.)'র দরবারে যান তখন তিনি বায়াত না করিয়ে নির্দেশ করেন, তাঁর বাড়ির সন্নিকটস্থ চিল্লা শরীফে অবস্থান করতে আর সেখানে সুদুর কাশ্মীর থেকে এসে হযরত এয়াকুব শাহ গিনছাতরী (রা.) খাজা চৌহরভীকে বায়াত করান। বায়াতের এ নতুন ধারা বাতেনীভাবে এটাই নির্দেশ করে যে, পরবর্তী খলিফাদেরও মহান উদ্দেশ্যে সেই ধারা অব্যাহত রাখতে হবে। যার ফলশ্রুতিতে খাজা চৌহরভী শাহিন শাহে সিরিকোটকে প্রেরণ করেন সুদুর রেঙ্গুনে আর সেখানে সাদা মকমল রুমাল প্রেরণপূর্বক বায়াত করানোর হুকুম দিয়ে আরো একটি রহস্যপূর্ণ ইঙ্গিত করেন যে, ভবিষ্যতে দলে দলে এই সিলসিলার সুধা পান করে ঈমান রক্ষা করতে আসা মানুষকে হাতে হাত রেখে বায়াত করানোও সম্ভব নয়, প্রয়োজন সে সাদা মকমল কাপড়ের মত হাজার হাজার রজ্জু! আজ সে সুবাদে ত্বরিকত জগতে ঈমান রক্ষার এ মিশনে নতুন দিগন্তের সূচনা হয়েছে আর আমাদের মত নাচিজ দুর্বল মুসলমানদের ঈমান-আক্বিদা রক্ষা পেয়েছে। আলহামদুলিল্লাহ!