Allahu Akbar

Allahu Akbar This page is created for uploading Islamic video content.So please follow us for watching Islamic

14/08/2023

১ নাম্বার থেকে ৯ নাম্বার পর্যন্ত পড়ুন, আল্লাহর নেয়ামতের তথ্য পাবেন।

১. সুবহানাল্লাহ
জান্নাতে একটি ফল গাছ রোপন করে নিলেন।

২. আলহামদুলিল্লাহ
মিযানের পাল্লাটা একটু ভারি করে নিলেন।

৩. আল্লাহু আকবার
আল্লাহর নামে আর একটি তাকবির পেশ করলাম।

৪. লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ সাঃ
যার নেক সাত আসমান ও সাত জমিন হইতেও উত্তম।

৫. লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ
জান্নাতের একটি রত্ন কুড়িয়ে পেলাম।

৬. আলিফ লাম মিম
পেয়ে গেলাম ৩০ নেকি।

৭. সুবহান্নাল্লাহি ওয়াবিহামদিহি, সুবহান্নাহিল আজিম
এবার জান্নাতে একটি খেজুর গাছ রোপন করে নিলেন।

৮. আস্তাগফিরুল্লাহ
আর একবার আল্লাহর কাছে ক্ষমা চেয়ে নিলাম।

৯. সুবহান্নাল্লাহি ওয়াবিহামদিহি
আসমান আর জমিনের মাঝখানের ফাঁকা জায়গাটি সমান সওয়াব অর্জন করে নিলেন

আল্লাহ আমাদের সবাইকে আমল করার তাওফিক দান করুন...আমিন।

নোটঃ আপনি যদি পুরোটা পড়ে থাকেন, তাহলে এতোক্ষণে আপনার আমলনামায় অনেক সওয়াব লেখা হয়েছে... সুবহানআল্লাহ।

14/08/2023

রিজিক কমবেশি কেন হয়?

আল্লাহ তায়ালা জীবন-উপকরণ দান করেন। মানুষ নিতেও পারে না দিতেও পারে না, মাধ্যম হতে পারে মাত্র।

পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তা’য়ালা বলেন, জমিনে বিচরণকারী যত প্রাণী আছে, সবার রিজিকের দায়িত্ব আল্লাহর ওপরে। (সুরা হুদ: আয়াত ৬)

রিজিক মানে শুধু খাদ্য সামগ্রী নয়, বরং জীবন-উপকরণের সবকিছু। অর্থাৎ সব প্রাণীর জীবন-উপকরণের দায়িত্ব আল্লাহ তায়ালা নিজেই গ্রহণ করেছেন।

আল্লাহ তায়ালা তার বান্দাদের প্রতি দয়ালু, যাকে ইচ্ছা রিজিক দান করেন, তিনি প্রবল পরাক্রমশালী। ( সুরা শুরা: আয়াত ১৯)

রিজিক কমবেশি কেন হয়? কেউ পায় কম, কেউবা বেশি। কেউ ধনী হয়, কেউবা গরীব। এর উত্তরও আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কোরআনে দিয়েছেন ; আল্লাহ তায়ালা যদি তার সব বান্দাকে প্রচুর রিজিক দিতেন, তাহলে তারা পৃথিবীতে বিপর্যয় সৃষ্টি করত। কিন্তু তিনি যে পরিমাণ ইচ্ছা (রিজিক) সে পরিমাণ অবতীর্ণ করেন। (সুরা শুরা: আয়াত ২৭)

অপর আয়াতে এসেছে, তারা কি তোমার পালনকর্তার অনুগ্রহ বণ্টন করে?( না, বরং ) আমিই তাদের মধ্যে রিজিক বণ্টন করি পার্থিব জীবনে এবং তাদের একজনের মর্যাদা অপরজনের ওপরে উন্নত করেছি; যেন তারা একে অন্যকে সেবক রূপে গ্রহণ করতে পারে। (সুরা জুখরুফ: আয়াত ৩২)

আরও এরশাদ হয়েছে, তিনিই তো তোমাদের জন্য জমিনকে সুগম করে দিয়েছেন; সুতরাং তোমরা এর পথে-প্রান্তরে বিচরণ কর এবং তার রিজিক থেকে আহার কর। আর তার নিকটই তোমাদের পুনরুত্থান। ( সুরা মুলুক : আয়াত ১৫)

আল্লাহ তায়ালা বান্দার তাকদিরে যা লিখে রেখেছেন এবং যতোটুকু লিখে রেখেছেন, তা সে ততোটুকু পাবেই।
চাই সে অক্ষম হোক বা সক্ষম।

অনেক সময় এমন হয়, কোনো কারণে অফিসে নির্ধারিত বোনাস আমি পেলাম না, না পেয়ে বললাম, ইস,একটুর জন্য বা এই কাজের জন্য বোনাসটা পেলাম না। আসলে বোনাস আমার তাকদিরেই ছিল না। আল্লাহ তায়ালা আমার ভাগ্যেই রাখেননি। রাখলে আমি অবশ্যই পেতাম।

রাসূল সাল্লাল্লাহু আ’লাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, পৃথিবীর সব মানুষ মিলে তোমার ততটুকুই ক্ষতি করতে পারবে যতোটুকু আল্লাহ তায়ালা চান। তেমনিভাবে ততটুকুই উপকার করতে পারবে যতোটুকু আল্লাহ তায়ালা চান।

মেশকাত শরীফে আছে, আল্লাহ তায়ালা আসমান এবং জমিন সৃষ্টি করার পঞ্চাশ হাজার বছর পূর্বে মানুষের তাকদির লিখে রেখেছেন।

সুতরাং আমি যতো কিছুই করি, পাবো ঠিক ততটুকুই, যতোটুকু আমার ভাগ্যে লেখা আছে।

এখানে এসে অনেকেই ভুল করে ফেলেন। মনে করেন, আল্লাহ তায়ালা নিজেই যখন রিজিকের ভার গ্রহণ করেছেন, তাহলে আর চাকরি-বাকরি করার দরকার কী! আল্লাহ তায়ালার ওপরে তাওয়াককুল করলাম, আল্লাহ আমাকে আহার্য দান করবেন।

আসলে ব্যাপারটি এমন নয়। আল্লাহ তায়ালা যেমনিভাবে নিজেকে রাজিক ও রাজ্জাক পরিচয় দিয়েছেন এবং নিজেই রিজিক দাতা হওয়ার উন্মুক্ত ঘোষণা দিয়েছেন, তেমনিভাবে রিজিককে অন্বেষণ করারও নির্দেশ দিয়েছেন।

অর্থাৎ, আল্লাহ তায়ালা আমাকে খাওয়াবেন-এই কথা বলে হাত গুটিয়ে বসে থাকার সুযোগ নেই। কাজ করতে হবে। রিজিককে কর্মের মাধ্যমে খুঁজে বের করতে হবে।

কারণ, আল্লাহ তায়ালা রিজিককে কর্মপ্রচেষ্টার সাথে সংযুক্ত করে দিয়েছেন এবং প্রত্যেক মাখলুকের রিজিক বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে দিয়েছেন।

কারও রিজিক আসমানে, সে বিমান চালিয়ে সেখান থেকে তার প্রাপ্য সংগ্রহ করে। কারও রিজিক জমিনে ; সে চাকরি করে, চাষাবাদ করে, ব্যবসা করে তার রিজিক সংগ্রহ করে। কারও রিজিক সমুদ্র তলদেশে, সেখান থেকেই সে তা সংগ্রহ করে।

কারও রিজিক মেঘের ওপরে, সেখান থেকেই তাকে অর্জন করতে হয়। কারও রিজিক মাটির নিচে কিংবা শক্ত পাথরের ভেতরে, মাটি-পাথর ভেঙে তাকে রিজিক বের করতে হয়।

কারও রিজিক ময়লা,দূষিত পানিতে, তাকে সেখান থেকেই তা ওঠাতে হয়। কারও রিজিক আগুনে, আগুন নিভিয়ে তাকে নির্ধারিত রিজিক সংগ্রহ করতে হয়। এভাবে আল্লাহ তায়ালা বান্দার রিজিক জমিনের বিভিন্ন প্রান্তরে ছড়িয়ে দিয়েছেন। যার রিজিক যেখানে আছে, সেখান থেকে তুলে আনতে হবে।

দুনিয়া বা ধনসম্পদ উপার্জনের জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টাই করতে হবে। তবে, চেষ্টার পরেও কাঙ্ক্ষিত বস্তু অর্জিত না হলে আক্ষেপ না করে মনে করতে হবে, এটা আমার ভাগ্যে ছিল না। বাকি চেষ্টা করতেই হবে। যেমন হযরত উমর রাযিয়াল্লাহু আনহু বলেন, আসমান স্বর্ণালঙ্কার ফেলে না।

একবার এক সাহাবী উটে সওয়ার হয়ে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আ’লাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে আগমন করলেন। রাসূল তখন মসজিদে বসা ছিলেন। সাহাবী উটকে মসজিদের সামনে রেখে রাসূলের সঙ্গে দেখা করতে চলে গেলেন। কথাবার্তা শেষে মসজিদের বাইরে এসে দেখেন উট নেই। চিন্তিত হয়ে পড়লেন, উট কোথায় গেল!

হুজুর সাল্লাল্লাহু আ’লাইহি ওয়াসাল্লামকে বললেন, হুজুর,আমার উট! আমি তো আল্লাহ তায়ালার ওপরে তাওয়াককুল করে এখানেই রেখে গিয়েছিলাম! জবাবে হুজুর সাল্লাল্লাহু আ’লাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, আগে উট বাঁধবে এরপরে তাওয়াককুল করবে।

ওপরের হাদিস দ্বারা বুঝা গেল, মাধ্যম অবশ্যই গ্রহণ করতে হবে। বসে থাকার কোনো সুযোগ নেই। যে ফসল চায়, তাকে ক্ষেতখামার করতে হবে। যে রোগ থেকে আরোগ্য চায়, তাকে ওষুধ খেতে হবে।

নয়তো ব্যাপারটি ঠিক এমন হয়ে যাবে, যেমন এক ব্যক্তি হযরত আশরাফ আলী থানবীর (রহ:) কাছে এসে বলল, হযরত, আমার জন্য দুআ করবেন, যেন আমি সন্তান লাভ করি। বুজুর্গ বললেন, আচ্ছা দুআ করব। বেশ কিছুদিন পরে দুআ প্রার্থী লোকটি পুনরায় এল।

এবার কিছুটা আক্ষেপ এবং অভিযোগের সুরে বলল, হযরত, সন্তান তো হয় নি! আপনি কেমন দুআ করেছেন! থানবী (রহ.) জিজ্ঞেস করলেন তুমি বিয়ে করেছো কি? এবার লোকটি মুচকি হেসে উত্তর দিল, না হুজুর, বিয়েটা এখনও করা হয় নি।

হুজুর এবার রেগে গিয়ে বললেন, আল্লাহ তায়ালা সন্তান কি তোমার পেটেই দিবেন!

সন্তান পেতে হলে যেমন আগে বিয়ে করতে হবে, ঠিক তেমনি রিজিক পেতে হলে, সম্পদ পেতে হলে কর্ম-প্রচেষ্টা চালাতে হবে। এটাই বিধান। এটাই আল্লাহ তায়ালার নির্দেশ। অতএব, তার নির্দেশের বাইরে যাওয়া উচিত নয়।

08/08/2023

ভদ্রমহিলার বয়স জিজ্ঞেস করেছিলাম। উনি বললেন ৯৫ বছর এবং আরও বললেন তাঁর মা ১০৫ বছর বেঁচেছিলেন।

আমি জিজ্ঞাসা করলাম, আপনার সুস্বাস্থ্যের রহস্য কী?

তিনি বললেন— অসুস্থ হবেন না!
আমি বললাম— এটা আমাদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে।
তিনি হেসে বললেন— আছে।
আমি বললাম— আমাকে সেই গোপন কথা বলা যাবে?
আমি তা অনুসরণ করব।

তিনি বললেন— বিসমিল্লাহ না বলে কিছু খাবেন না। এমনকি এক ফোঁটা পানি বা সামান্য টুকরোও না।

আমি চুপ ছিলাম। তারপর তিনি বললেন, আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা কোন কারণ ছাড়াই কিছু সৃষ্টি করেননি। তাঁর সকল সৃষ্টির মাহাত্ম্য আছে।

বিসমিল্লাহ বলে খাওয়া শুরু করলে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা খাওয়া থেকে সমস্ত ক্ষতিকর জিনিস তুলে নেন। খাওয়ার আগে সবসময় বিসমিল্লাহ বলুন এবং আপনার সৃষ্টিকর্তার প্রতি কৃতজ্ঞ থাকুন।

যখন আপনি খাওয়া শেষ করবেন, আপনার হাত তুলুন এবং আল্লাহ তায়ালাকে ধন্যবাদ জানান। আপনি কখনই অসুস্থ হবেন না।

তাঁর কথা বলার পর আমার চোখ অশ্রুতে ভরে গিয়েছিল। আমি যেতে চাচ্ছিলাম কিন্তু তিনি আমার হাত ধরে বললেন— শুনুন, খাবারের শেষ কথা। আমি আবার বসলাম।

তিনি বলেছিলেন যে, আপনি যদি কারো সাথে একসাথে খান, আপনার মুখে কখনই খাবার আগে তুলবেন না। যতই ক্ষুধা লাগুক না কেন! অন্য ব্যক্তিকে খাবার নিতে দিন বা অন্য ব্যক্তিকে আগে দিন। ঐ ব্যক্তিকে খাওয়া শুরু করতে দিন। তারপর আপনি খাওয়া শুরু করুন।

আমি কারণ জিজ্ঞাসা করতে লজ্জা পেয়েছিলাম। কিন্তু তিনি আমাকে বলেছিলেন "এটা আপনার জন্য খাদ্যের সদকা। উপরন্ত আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা আপনার উপর খুশি হবেন যে, আপনি তার সৃষ্টির যত্ন নেন। সদা মনে রাখবেন খাদ্য আপনার শরীরের জন্য এবং বিসমিল্লাহ আপনার আত্মার জন্য।

এখন বলুন আপনি কিভাবে অসুস্থ হতে পারেন?

আমি যেতে যেতে ভাবছিলাম, আমাদের দ্বীন যেসব ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র বিষয় বলে, তা আমরা পাত্তা দিই না এবং আমাদের সন্তানদেরও সেগুলো শেখাই না!!

"আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা আমাদের সকল প্রকার অসুস্থতা থেকে রক্ষা করুন এবং আমাদের তার আনুগত্যশীল বান্দা হিসেবে কবুল করুন।"

আমিন ইয়া রাব্বুল আলামিন!

🤲🤲🤲
31/07/2023

🤲🤲🤲

18/07/2023

Choose wisely 🤲🫶

24/03/2023
Alhamdulillah
16/01/2023

Alhamdulillah

11/01/2023

_____না দেখেও যাকে নিজের থেকেও বেশি ভালোবেসেছি____😊
......তিনি হলেন আমাদের প্রিয় নবি হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)...🥰🥀

27/12/2022

যেদিন থেকে আমি জানতে পেরেছি, আমার রিজিক আমি ছাড়া অন্য কেউ ভোগ করতে পারবে না,
সেদিন থেকে আমার হৃদয়ে একটা অদ্ভুত প্রশান্তি তৈরি হয়েছে। আলহামদুলিল্লাহ!

সেদিন থেকে আমি কাউকে নিজের প্রতিদ্বন্দি ভাবিনি, কারও ভালো দেখে আমি কাতর হইনি। জীবনে যা যা পাইনি তার কোনটাই আমার রিজিকে ছিলোনা বিশ্বাস করেছি এবং সেজন্য আফসোস হয়নি আর কোনদিন।আমি একটা শান্তির দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে সবকিছু আল্লাহর হাতে ছেড়ে দিয়েছি।

নিজের রিজিক নিয়ে দুশ্চিন্তার কিচ্ছু নেই। আমার বা আপনার ভাগেরটুকু কেও নিতে পারবেনা, এই আওকাত আল্লাহ তায়ালা কাউকে দেননি।
"রিজিকের ফায়সালা আসমানে হয়, জমিনে না"

আর হ্যা! শুধু খাদ্যদ্রব্যই কিন্তু রিজিক নয়!
টাকা পয়সা,পেশাজীবনের সফলতা, নেক জীবনসঙ্গী, নেক সন্তান, উত্তম আখলাক, নেককার বন্ধুও রিজিকের অন্তর্ভুক্ত।

Address

Chittagong

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Allahu Akbar posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share