Light Of Islam

Light Of Islam আল্লাহ ওই ব্যক্তির চেহারা উজ্জ্বল করে দেন, যে আমার কোনো হাদিস শুনেছে, অতঃপর অন্যের কাছে পৌঁছে দিয়েছে

Topic:“মানব চোখ—আল্লাহর বিস্ময়কর সৃষ্টি; কিন্তু এই দৃষ্টিশক্তির হিসাবও দিতে হবে”প্রতিদিন ঘুম থেকে উঠে আমরা চোখ খুলি। পরি...
11/07/2026

Topic:
“মানব চোখ—আল্লাহর বিস্ময়কর সৃষ্টি; কিন্তু এই দৃষ্টিশক্তির হিসাবও দিতে হবে”

প্রতিদিন ঘুম থেকে উঠে আমরা চোখ খুলি। পরিচিত ঘর দেখি, প্রিয় মানুষের মুখ দেখি, আকাশ দেখি, লেখা পড়ি, রাস্তা চিনে চলি। এত সহজে সবকিছু দেখতে পাই যে কখনো কখনো মনে হয়—দেখতে পাওয়া যেন খুব সাধারণ একটি ব্যাপার।

কিন্তু একটি দৃশ্য আমাদের চোখ থেকে মস্তিষ্কে পৌঁছানোর পেছনে কত স্তরের সমন্বয় কাজ করছে, আমরা কি কখনো থেমে তা ভেবেছি?

আলো প্রথমে চোখের স্বচ্ছ সামনের অংশ কর্নিয়া দিয়ে প্রবেশ করে। এরপর আইরিস প্রয়োজন অনুযায়ী চোখের মণির খোলা অংশ দিয়ে কতটা আলো প্রবেশ করবে, তা নিয়ন্ত্রণ করে। লেন্স আলোকে সঠিকভাবে রেটিনায় কেন্দ্রীভূত করতে সাহায্য করে। রেটিনার আলোকসংবেদনশীল কোষ সেই আলোকে বৈদ্যুতিক সংকেতে রূপান্তর করে, আর অপটিক নার্ভ সেই সংকেত মস্তিষ্কে নিয়ে যায়। তারপর মস্তিষ্ক সেই সংকেত থেকে আমাদের দেখা ছবিটি উপলব্ধি করে।

একটি ক্ষুদ্র চোখের মধ্যে কর্নিয়া, আইরিস, চোখের মণি, লেন্স, সিলিয়ারি বডি, কাচিক পদার্থ, রেটিনা, কোরয়েড, স্ক্লেরা ও অপটিক নার্ভ—প্রতিটি অংশ আলাদা দায়িত্ব পালন করছে। একটি অংশের কাজ বিঘ্নিত হলেই পরিষ্কারভাবে দেখা কঠিন হয়ে যেতে পারে। চোখের সাদা বাইরের আবরণ স্ক্লেরা চোখের আকৃতি ও সুরক্ষায় ভূমিকা রাখে, আর চোখের ভেতরের স্বচ্ছ জেলজাতীয় কাচিক পদার্থ তার ভেতরের জায়গা পূর্ণ করে রাখে।

আল্লাহ তাআলা বলেন—

لَقَدْ خَلَقْنَا الْإِنسَانَ فِي أَحْسَنِ تَقْوِيمٍ

“নিশ্চয়ই আমি মানুষকে সৃষ্টি করেছি সর্বোত্তম গঠনে।”
— সূরা আত-তীন, ৯৫:৪

এই আয়াতটি শুধু চোখের শারীরিক গঠন ব্যাখ্যা করার জন্য নাজিল হয়নি; এটি মানুষের সামগ্রিক উত্তম গঠন, সামর্থ্য ও মর্যাদার কথা বলে। তবে চোখের মতো একটি জটিল ও সমন্বিত ব্যবস্থা নিয়ে চিন্তা করলে আয়াতটির সামনে আমাদের বিস্ময় ও বিনয় আরও গভীর হয়।

একবার ভাবুন—আপনি কোনো লেখা পড়ছেন। অথচ আপনার অজান্তে আলো বাঁকছে, চোখের মণি সংকুচিত বা প্রসারিত হচ্ছে, লেন্স focus করছে, রেটিনা সংকেত তৈরি করছে এবং অপটিক নার্ভ সেই তথ্য মস্তিষ্কে পৌঁছে দিচ্ছে।

আপনি কোনো নির্দেশ দিচ্ছেন না।
কোনো button চাপছেন না।
কোনো system চালু করছেন না।

আপনার রব এই ব্যবস্থা চালিয়ে রাখছেন।

আল্লাহ বলেন—

“আল্লাহ তোমাদের মাতৃগর্ভ থেকে বের করেছেন এমন অবস্থায় যে, তোমরা কিছুই জানতে না। আর তিনি তোমাদের দিয়েছেন শ্রবণশক্তি, দৃষ্টিশক্তি ও অন্তর—যাতে তোমরা কৃতজ্ঞ হও।”
— সূরা আন-নাহল, ১৬:৭৮

খেয়াল করুন, দৃষ্টিশক্তি দেওয়ার পর আল্লাহ শুধু দেখতে বলেননি; বলেছেন—যাতে তোমরা কৃতজ্ঞ হও।

কৃতজ্ঞতা কি শুধু “আলহামদুলিল্লাহ” বলার মধ্যে সীমাবদ্ধ?

না। এই চোখকে আল্লাহর আনুগত্যে ব্যবহার করাও কৃতজ্ঞতা। কুরআন পড়া, উপকারী জ্ঞান অর্জন করা, মা-বাবার দিকে মমতার চোখে তাকানো, সৃষ্টি দেখে রবকে স্মরণ করা—এসব চোখের শুকরিয়া।

আর হারাম দৃশ্য, অশ্লীলতা, মানুষের গোপন বিষয় খোঁজা, ঈর্ষাভরে অন্যের জীবন দেখা কিংবা এমন content-এ চোখ ডুবিয়ে রাখা, যা ধীরে ধীরে অন্তরকে অন্ধকার করে দেয়—এসব এই নেয়ামতের অপব্যবহার।

রাসূলুল্লাহ ﷺ সতর্ক করে বলেছেন, চোখেরও যিনা রয়েছে, আর তা হলো নিষিদ্ধ কামনাময় দৃষ্টি।
— সহিহ মুসলিম, ২৬৫৭b

আজ আমাদের চোখের সামনে আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় বেশি দৃশ্য। ফোন খুললেই endless feed। একটি video শেষ হওয়ার আগেই আরেকটি। আমরা অনেক সময় হারাম কিছু খুঁজতে যাই না; algorithm-ই তা আমাদের সামনে এনে দেয়।

কিন্তু সামনে আসা এবং ইচ্ছাকৃতভাবে তাকিয়ে থাকা এক বিষয় নয়।

প্রথম নজর হঠাৎ পড়ে যেতে পারে। কিন্তু দ্বিতীয়বার দেখা, থেমে দেখা, zoom করা, profile খোঁজা, save করা—এসব আমাদের সিদ্ধান্ত।

যে চোখ এত সূক্ষ্ম ব্যবস্থায় সৃষ্টি হয়েছে, তাকে কি আমরা কয়েক সেকেন্ডের নোংরা আনন্দের কাছে সমর্পণ করে দেব?

আরেকটি প্রশ্ন—

আমরা কি শুধু হারাম দৃশ্য থেকেই চোখ বাঁচাব, নাকি অনর্থক দৃশ্য থেকেও?

কারণ সব বৈধ content-ও সবসময় উপকারী নয়। ঘণ্টার পর ঘণ্টা মানুষের জীবন, ঘর, পোশাক, সম্পদ ও সফলতা দেখতে দেখতে নিজের নিয়ামত ছোট মনে হওয়া শুরু করতে পারে। চোখের মাধ্যমে যে তুলনা ভেতরে প্রবেশ করে, তা কখনো ঈর্ষা, হতাশা ও অকৃতজ্ঞতায় পরিণত হয়।

তাই চোখের হেফাজত মানে শুধু অশ্লীলতা থেকে বাঁচা নয়। এর অর্থ হলো—আমি কী দেখব, কতক্ষণ দেখব এবং সেই দৃশ্য আমার অন্তরে কী তৈরি করছে—সেটা সচেতনভাবে ঠিক করা।

আজ নিজের screen time খুলে দেখুন।

গত সাত দিনে আপনার চোখ কত ঘণ্টা screen-এর সামনে ছিল?

সেই সময়ের কতটুকু কুরআন, জ্ঞান, কাজ বা উপকারী বিষয়ে গেছে?

আর কতটুকু এমন দৃশ্যে হারিয়ে গেছে, যার কোনো স্মৃতি নেই, উপকার নেই—শুধু সময় ও অন্তরের প্রশান্তি কমিয়েছে?

এই চোখ একদিন দুর্বল হয়ে যাবে। যে লেখা আজ পরিষ্কার দেখা যায়, একসময় তা ঝাপসা হতে পারে। যে মুখগুলো আজ সামনে আছে, একদিন হয়তো আর থাকবে না।

তাই দৃষ্টিশক্তি থাকা অবস্থাতেই তার হক আদায় করা দরকার।

আজ অন্তত তিনটি সিদ্ধান্ত নিই—

হারাম কিছু সামনে এলে সঙ্গে সঙ্গে চোখ ফিরিয়ে নেব।
প্রতিদিন কিছু সময় কুরআন দেখে পড়ব।
অনর্থক scrolling-এর জন্য একটি নির্দিষ্ট সীমা রাখব।

একটি চোখের প্রতিটি স্তর আমাদের বলে—আমরা ঘটনাক্রমে সৃষ্টি হইনি। আর এই দৃষ্টিশক্তি আমাদের মনে করিয়ে দেয়—আমরা দায়িত্বহীনও নই।

আল্লাহ আমাদের চোখকে তাঁর নিদর্শন দেখে ঈমান বাড়ানোর মাধ্যম বানান। কুরআন, উপকারী জ্ঞান ও হালাল সৌন্দর্যের দিকে তাকানোর তাওফিক দিন। হারাম ও অন্তর ধ্বংসকারী দৃশ্য থেকে আমাদের দৃষ্টি ও হৃদয়কে হেফাজত করুন।

আমিন।

১. চোখ শুধু নেয়ামত নয়—এটি একটি আমানতও।
২. সামনে এসে যাওয়া আর ইচ্ছা করে তাকিয়ে থাকা এক নয়।
৩. আপনার চোখ আজ কী বেশি দেখছে—কুরআন, নাকি endless feed?
৪. চোখের শুকরিয়া হলো তাকে আল্লাহর আনুগত্যে ব্যবহার করা।
৫. দৃষ্টি হেফাজত করলে অন্তরও অনেক fitnah থেকে নিরাপদ থাকে।

🌿 চোখের হেফাজতের ৫টি বাস্তব উপায়

১. হারাম দৃশ্য সামনে এলে সঙ্গে সঙ্গে scroll করে চলে যান।
২. অপ্রয়োজনীয় page ও account unfollow করুন।
৩. রাতে একা scrolling-এর জন্য সময়সীমা নির্ধারণ করুন।
৪. প্রতিদিন কিছু সময় কুরআন দেখে তিলাওয়াত করুন।
৫. যা দেখছেন, নিজেকে জিজ্ঞেস করুন—এটি কি আমার অন্তর পরিষ্কার করছে, নাকি নষ্ট করছে?।

💬 Comment : আপনার চোখের সবচেয়ে বেশি সময় এখন কোথায় ব্যয় হয়—কুরআন, কাজ, শেখা, নাকি scrolling-এ?

━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━

 #হালাল_মিমস
11/07/2026

#হালাল_মিমস

11/07/2026

আগে বুঝতাম না তবে এখন বুঝি কেন আল্লাহ দৈনিক পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ বাধ্যতামূলক করেছেন। আমি মোটামুটি শিওর ‘Prayer’ বিষয়টা না থাকলে অধিকাংশ মানুষ দম আটকায় মা*রা যেতো। আপনি যদি মুসলমান না হন তাও আপনি ব্যাপারটা রিলেট করতে পারবেন।

এটা এজন্য বলছি না যে আমি বেশ ভালো একজন নামাজী মানুষ। আমার অধিকাংশ সময়ই নামাজ মিস হয় তবে যে কয়েক ওয়াক্ত নামাজ পড়ি তা আমাকে এই ক্রুয়েল ওয়ার্ল্ডকে ডিল করার মতো এনার্জি সাপ্লাই করে।

মনে আছে, ছোটবেলায় গরমের দিনে আম্মু গলার নিচে পাউডার লাগায় দিতো? কি একটা শান্তি লাগতো, না?
ঠিক সেইম ফিলটা পাবেন প্রতিবার নামাজ শেষ করার পর।

ক্ষত-বিক্ষত হৃদয় নিয়ে যখন আমরা আমাদের রবের সামনে উপস্থিত হই, রব আমাদের হৃদয়ের উপর পরম মমতায় তার রহমতের প্রলেপ লাগিয়ে দেন। সিজদায় লুটিয়ে পড়তেই যখন আমাদের দুঃখগুলো দুচোখ বেয়ে নামতে থাকে আর আল্লাহ তার কুদরতি রহমত আমাদের উপর বর্ষিত করেন আর বলেন, “It’s going to be alright, I promise."

লেখা : সংগৃহীত

11/07/2026

কারও ডিভোর্সের ঘটনা জানতে পারলে আমরা বিভিন্ন কুধারণায় লিপ্ত হই এবং প্রতিক্রিয়াশীল হয়ে যাই। এটা অন্যায়। ডিভোর্স হলো ইসলামের সবচেয়ে নিকৃষ্ট হালাল কাজ। সঠিক পদ্ধতিতে ডিভোর্স দেওয়া হারাম নয়। পৃথিবীর ইতিহাসে সর্বশ্রেষ্ঠ প্রজন্ম হলো, সাহাবায়ে কিরামের প্রজন্ম। অথচ তাঁদের মাঝেও ডিভোর্সের ঘটনা ঘটেছে। যে দাম্পত্যে স্বামী-স্ত্রী দুজনই প্রচণ্ড অসুখী থাকে, জীবন টক্সিক হয়ে যায়, পরিবেশ হয়ে ওঠে জাহান্নামের মতো, সে দাম্পত্য টিকিয়ে রাখার কোনো মানেই হয় না। সাধ্যানুযায়ী মীমাংসার চেষ্টা করেও যখন সফল হওয়া যায় না, তখন রেসপেক্টফুলি সরে আসাই উত্তম। দাম্পত্যজীবনে কে কোন অবস্থায় আছে, তা আমরা গভীরভাবে জানতে পারি না। ফলে আপাতদৃষ্টিতে অনেক ‘হ্যাপি কাপল’ ভালো থাকার অভিনয় করতে করতে ভেতরে ভেতরে শেষ হয়ে যায়। সে খবর আমাদের অজানাই থেকে যায়।

আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা‘আলা বলেন—

وَلَا تَقْفُ مَا لَيْسَ لَكَ بِهِ عِلْمٌ ۚ إِنَّ السَّمْعَ وَالْبَصَرَ وَالْفُؤَادَ كُلُّ أُولَٰئِكَ كَانَ عَنْهُ مَسْئُولًا

​তরজমা: যে বিষয়ে তোমার কোনো জ্ঞান নেই, তার পেছনে পোড়ো না। নিশ্চয়ই কান, চোখ ও অন্তঃকরণ (হৃদয়)—এদের প্রত্যেকটি সম্পর্কেই জিজ্ঞাসিত হবে। [সুরা ইসরা, আয়াত: ৩৬]

21/05/2026

আসেন সবাইকে টাকা কামানোর shortcut শিখাই:

Key word “দান করা”

জি, ঠিকই পড়েছেন, দান করবেন। আপনি ৫/১০ যত টাকাই পারেন গরিব কে দিবেন। কিন্তু দান করলে টাকা কিভাবে বাড়বে? বিশ্বাস করেন, আপনি ৫ টাকা দান করলেও ১০ টাকা যেকোনো ভাবে আল্লাহ আপনাকে পাঠায় দিবে। তার চাক্ষুষ প্রমাণ আমি। সেইদিন আমার কাছে সামান্য কিছু টাকা ছিলো কিন্তু এক বৃদ্ধা আমার কাছে আবদার করেছিলেন তিনি পেট ভরে ভাত খাবেন, আমি রেখে দেওয়া রিকশা ভাড়াটা তাঁকে দিয়ে দিলাম, সেইদিন রাতেই ঘর গুছাতে গিয়ে পুরানো ব্যাগের ভিতর ৫০০ টাকার একটা নোট পেয়ে গেলাম। গল্প মনে হলেও সত্যি। আবার গত কালকেও আমি জাস্ট ২০ টাকা একজনকে দিয়েছিলাম রাতের মধ্যেই এমন একজন আত্মীয় টাকা পাঠাইসে যে এক্সিস্ট করে বলেও আমি জানতাম না। তাই আমি এই কথাটা সব সময় বিশ্বাস করি যে দান খয়রাত করলে প্রাকৃতিকভাবেই সেই টাকার দ্বিগুণ টাকা ফিরে আসে।

- কালেক্টেড

বর্তমানে সব বিষয়ে মজা করা ট্রেন্ডে পরিণত হয়েছে। সম্প্রতি, ছবির এই লোকের কিছু সংলাপ ভাইরাল হয়েছে এবং সবাই সেই সংলাপগুলো ন...
19/05/2026

বর্তমানে সব বিষয়ে মজা করা ট্রেন্ডে পরিণত হয়েছে। সম্প্রতি, ছবির এই লোকের কিছু সংলাপ ভাইরাল হয়েছে এবং সবাই সেই সংলাপগুলো নিয়ে মিমস (বিনোদন) পোস্ট দিচ্ছে। এটা থেকে আমাদের দ্বীনি-ঘরানার লোকেরাও বাদ নেই।
সব বিষয় নিয়ে কি মজা করা উচিত? জায়েজ/নাজায়েজ প্রশ্নে যাচ্ছি না। লোকটা একজন গণক (ভন্ড, প্রতারক)। লোকটা সুস্পষ্ট হারাম কাজ করেছে। আর তাকে ভাইরাল করে তাকে ও তার কাজকে আরো প্রমোট করছি না তো?
রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, “যে ব্যক্তি গণকের কাছে যায় এবং তাকে কোন কথা জিজ্ঞেস করে, তার ৪০ দিনের সালাত (নামাজ) কবুল হয় না।” (সহীহ মুসলিম, হা/২২৩০)

আমরা সবাই জানি বাংলাদেশে কেউ নেগেটিভভাবে ভাইরাল হলেও, সবাই তাকে নিয়ে মাতামাতি করে, এবং এক সময়ে সে সেলেব্রিটি হয়ে যায়। আমাদের তো উচিত ছিল- তার বিষয়ে লোকদের সতর্ক করা। সবাইর কথা বাদ দিলাম- যাদের দ্বীনি বুঝ রয়েছে, তাদের এটা নিয়ে মজা করে অহেতুক সময় নষ্ট করা কোনোভাবেই কাম্য নয়।
সোশ্যাল মিডিয়া আসলে এখন অস্বস্তি লাগে, বিরক্ত লাগে। বিনোদনের অবশ্যই প্রয়োজন আছে, কিন্তু সব বিষয় নিয়ে এবং সারাক্ষণ তো মজা করা ঠিক না। অতিরিক্ত হাসি-তামাশা আমাদের অন্তরকে কঠিন করে দেয় এবং আমাদের দ্বীন ও আমল থেকে দূরে সরিয়ে রাখে৷ শ*য়তান আমাদের এভাবেই অহেতুক বিষয়ে ব্যস্ত রাখতে চায়, যেন আমরা আমাদের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য ভুলে থাকি।

কথাগুলো অনেকের খারাপ লাগতে পারে, তবে ভেবে দেখবেন! আল্লাহ তা'আলা আমাদের সবাইকে উত্তম বুঝ দিন।

জিলহজ্ব মাস শুরু হয়েছে, জিলহজ্ব মাসের প্রথম দশকের আমল আল্লাহর নিকট অনেক বেশি প্রিয়। তাই এই ১০ দিন অহেতুক সময় নষ্ট না করে, বেশি বেশি নেক আমল করুন।

— মাহমুদুল হাছান

#সীরাহ

18/05/2026
একজন মুমিনের হৃদয়ে ৪ জন নারী থাকেন।মা - প্রথমজন সন্তুষ্ট থাকলে আল্লাহ সন্তুষ্ট হোন।স্ত্রী - দ্বিতীয়জনকে সম্মান ও সদাচরণ ...
10/05/2026

একজন মুমিনের হৃদয়ে ৪ জন নারী থাকেন।

মা - প্রথমজন সন্তুষ্ট থাকলে আল্লাহ সন্তুষ্ট হোন।
স্ত্রী - দ্বিতীয়জনকে সম্মান ও সদাচরণ করা রাসূল (ﷺ)-এর ওসিয়ত।
বোন - তৃতীয় জনের সাথে সুসম্পর্ক জীবনে ও রিজিকে বারকাহ আনে।
মেয়ে - চতুর্থজনকে ভালো করে লালন পালনে জান্নাতে গ্যারান্টি।

— শায়খ আহমাদুল্লাহ (হাফি.)

#সীরাহ

যারা মনে করেন, বাসার মধ্যে বাবা-ভাইয়ের সামনে পর্দা করতে হয় না। তাদের জন্য এটা এলার্মিং! অনেকেই বাহিরে পরিপূর্ণ পর্দা মেন...
28/04/2026

যারা মনে করেন, বাসার মধ্যে বাবা-ভাইয়ের সামনে পর্দা করতে হয় না। তাদের জন্য এটা এলার্মিং!
অনেকেই বাহিরে পরিপূর্ণ পর্দা মেনে চললেও, এ বিষয়ে অবহেলা করেন। বাবা-ভাইদের সামনে যেমন-তেমন পোশাক পরে ঘুরে বেড়ান। টি-শার্ট কিংবা টাইট জামা পরেন, ওড়না পরেন না। এগুলো হলো বেপর্দা; তথা পর্দার বিধান লঙ্ঘন।

দেখুন, শরীয়তের বিধান অনুযায়ী পরপুরুষের সামনে যেমন পর্দা করতে হয়, তেমনি মাহরাম পুরুষদের সামনেও পর্দা করতে হবে। হ্যা, মাহরাম পুরুষদের সামনে, পরপুরুষের মতো করে পর্দা করতে হয় না। মাহরাম পুরুষদের সামনে শালীন ও ঢিলেঢালা পোশাক পরতে হবে। মাহরাম পুরুষদের সামনে নারীরা মুখমণ্ডল, দুই হাত কব্জি বা কনুই পর্যন্ত, দুই পা (টাকনু পর্যন্ত) খোলা রাখতে পারবে। মাথার চুলও খোলা রাখা যায়। তবে ফিতনার আশঙ্কা থাকলে মাথাও ঢেকে রাখতে হবে। বর্তমান এসব ফিতনার কথা চিন্তা করে আমার পরামর্শ হলো চুলও ঢেকে রাখবেন।

এছাড়া কেউ কেউ ছোট ভাই বা অন্য সন্তানের সামনে নবজাতক বাচ্চাকে বুকের দুধ খাওয়ান, এটাও করা যাবে না। এ বিষয়ে সতর্ক থাকবেন।

বাসার ছোটদের (ভাই-বোন/সন্তান) নৈতিক শিক্ষা দেওয়ার পাশাপাশি, বাসায় দ্বীনি পরিবেশ তৈরি করুন। বাসায় ও বাহিরে পরিপূর্ণ পর্দার বিধান মেনে চলুন।

লেখা : মাহমুদুল হাছান

14/02/2026

এখনো বুঝতে বাকি আছে– গণতন্ত্র যে একটা ধোঁকাবাজি! জনগণ ভাবতেছে তাদের ভোটে প্রতিনিধি নির্বাচিত হচ্ছে, কিন্তু প্রকৃত সত্য হলো– ডিপস্টেটের পরিকল্পনা ও চাওয়া অনুযায়ী ক্ষমতার মসনদে কারা বসবে, তা আগে থেকেই ঠিক করা আছে। আপনারা যতই সুষ্ঠু ভোট ও সুষ্ঠু গণনার কথা বলুন না কেন, ডিপস্টেট যা চেয়েছে, সেভাবে সবকিছু হচ্ছে যেকোনো উপায়ে (ভোট ইঞ্জিনিয়ারিং)। যতদিন মানুষ গণতন্ত্র নামক কুফরী পন্থার এই ধোঁকা বুঝবে না, ততদিন এইভাবেই হতাশ হবে।

তাই বলবো– এখনো সময় আছে, সমাজে ইনসাফ ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করার জন্য এসব তন্ত্র-মন্ত্র থেকে বেরিয়ে এসে শরীয়াহ্ কায়েমের জন্য কাজ করুন। এবং কোনো কুফরি পন্থায় নয়, বরং রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সুন্নাহ পদ্ধতিতেই শরীয়াহ কায়েমের জন্য চেষ্টা ও লড়াই করুন!

লেখা : মাহমুদুল হাছান

#সীরাহ

Address

Chittagong

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Light Of Islam posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share