ইসলাম - The Sign of Peace

ইসলাম - The Sign of Peace Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from ইসলাম - The Sign of Peace, Religious organisation, Chittagong.
(2)

দ্বীনকে জানি, শিখি, ছড়িয়ে দিই- একসাথে! দ্বীনের আলোকে জীবনকে সহজ, সুন্দর ও সুন্নাহময় করতে আমাদের ছোট্ট প্রচেষ্টা....হিদায়াতের পথে হাঁটার যাত্রায়—আমাদের ছোট্ট অবদান!♥

দ্বীন-ইসলাম প্রচারণায় আমাদের এক ক্ষুদ্র প্রয়াস!🌻

“ইস্তিগফারের একটি গল্প”🌷এক ব্যক্তি সবসময় জীবনে অভাব-অনটনে ভুগছিলেন। একজন আলেম তাকে নিয়মিত "আস্তাগফিরুল্লাহ" পড়ার পরাম...
24/08/2026

“ইস্তিগফারের একটি গল্প”🌷

এক ব্যক্তি সবসময় জীবনে অভাব-অনটনে ভুগছিলেন। একজন আলেম তাকে নিয়মিত "আস্তাগফিরুল্লাহ" পড়ার পরামর্শ দেন। তিনি প্রতিদিন শত শত বার ইস্তিগফার করতে থাকেন। কিছুদিন পর তিনি জানান, তাঁর রিজিকে বরকত এসেছে, মন শান্ত হয়েছে এবং জীবনের অনেক কঠিন বিষয় সহজ হতে শুরু করেছে।

"তোমরা তোমাদের রবের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করো... তিনি তোমাদের ওপর প্রচুর বৃষ্টি বর্ষণ করবেন, ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্ততি দ্বারা সাহায্য করবেন..." — সূরা নূহ, ৭১:১০–১২

দোয়া_কবুলের বাস্তব ঘটনা 🍂আজ থেকে ৫ বছর আগে আমার বাবা মারা যান।পরিবারের বড় সন্তান ছিলাম আমি।ছোটকাল থেকে বুঝতাম মহান আল্লা...
21/08/2026

দোয়া_কবুলের বাস্তব ঘটনা 🍂
আজ থেকে ৫ বছর আগে আমার বাবা মারা যান।পরিবারের বড় সন্তান ছিলাম আমি।
ছোটকাল থেকে বুঝতাম মহান আল্লাহ আমাকে অনেক ভালোবাসেন।
অল্প বয়সে অনেক বড় বড় বিপদ তিনি আমাকে দিয়েছেন।
বাচ্চা বয়স থেকেই আল্লাহর সাথে চুপি চুপি কথা বলতাম এখন বুঝতে পারছি এগুলোকে দোয়া বলে।
আল্লাহ তায়া’লাও আমাকে আজ পর্যন্ত কোনভাবে নিরাশ করেননি তবে হ্যা পরীক্ষা করে দেখতেন যে সত্যি তার উপর আমার আস্থা আছে কি না?!
আল্লাহ এখন পর্যন্ত আমার সব দোয়াই
কবুল করেছেন আলহামদুলিল্লাহ্।
এ কথা গুলো সবার সাথে শেয়ার করছি এজন্যই যে আমরা বড় অধৈর্যশীল(আমি নিজেও) আল্লাহ তায়া’লা যদি আমার মতো পাপী বান্দাকেও বিপদ-আপদ, হতাশা, দুঃচিন্তা থেকে মুক্তি দিয়ে সম্মানিত রিযিকের ব্যবস্থা করে দিতে পারেন তাহলে আপনাদের কেন দিবেন না।

আল্লাহর পরীক্ষার বিষয়গুলো ও দোয়া কবুলের বিষয়গুলো না বলে সংক্ষেপে হতাশা থেকে মুক্তির উপায়গুলো বলে ফেলি।

১. আল্লাহর প্রতি সুধারনাঃ এই তিনটি শব্দ পড়লে আমার মনে এতো আশা সৃষ্টি হয় যে এক নিমিষেই সব হতাশা দূর হয়ে যায়।
যথ রকম বিপদ-আপদ আসুক না কেন আল্লাহর প্রতি বদধারনা পোষন করবেন না।
যথই কঠিন হোক আমার আল্লাহর পক্ষে সম্ভব।
জানেন আপনি যদি সঠিকভাবে ১০০% আল্লাহর প্রতি সুধারনা পোষন করেন তাহলে আপনার সব স্বপ্নই বাস্তবে রুপান্তরিত হবে। এটি তাওয়াক্কুল ও দোয়া কবুলের একটি বড় শর্ত।

২. আল্লাহর প্রতি ভরশাঃ জানেন ৪ বছর আগে আমার বাবা মারা যায়। আমি পরিবারের বড় সন্তান। লেখাপড়া দুবছর আগে ছেড়ে দিয়েছিলাম খারাপ বন্ধুদের পাল্লায় পড়ে।
এই অবস্থায় আমি কি করব ভেবে পাচ্ছিলাম না। পারিপার্শ্বিক নেতিবাচক লোকদের ভয় ভীতি প্রদর্শনকারি কথা মনের মধ্যে আরো ভয় সৃষ্টি করে যাচ্চিলো।
কিন্তু আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের দয়ায় উনার প্রতি দৃঢ় আস্থা ছিলো "আল্লাহই আমার জন্য যথেষ্ট" এই বানীটা মন থেকে সড়ছিলো না।
হঠাৎ একদিন লন্ডন থেকে আমার এক ফুফু যোগাযোগ করেন এবং তিনি জানান আমাদের পরিবারের দায়িত্ব উনি নিতে চান।
জানেন কথাটা শুনার পর সবার আগে আল্লাহর দয়ার কথাই মনে পড়েছিল বেশি। তাই যেকোন অবস্থায় আল্লাহর প্রতি ভরশা হারাবেন না।

৩. আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য সব কাজ করা ও দুনিয়ার কোন মাধ্যমের উপর ০.০১% ভরশা না করা।

৪. দোয়াঃ ''কারো দুনিয়াবি চেষ্টার কোন উপকরণ যদি না থাকে তাহলে সে যেন সবচেয়ে বড় উপকরণ দোয়ার কথা ভুলে না যায়'' সাইদ আল মুনাজ্জিদের একটি বই থেকে বাক্যটি পড়ি এবং এটিকেই আমার লাজেম বানিয়ে ফেলি।
হাঁটতে, বসতে, চলতে, ফিরতে দোয়া করতে থাকি। ফলও আলহামদুলিল্লাহ্ পেতে শুরু করি।

৫. তওবা করা, তাহাজ্জুদে ও সিজদায় দোয়া করাঃ আল্লাহর কাছে রাতদিন পাপের জন্য নিজের ভাষায় অনুশোচনা, ক্ষমা চাইতে থাকি।
তাহাজ্জুদ ও সিজদাতে দোয়া করতে থাকি কারন হাদীসে আছে এই দুই সময়কার দোয়া আল্লাহ ফেরত দেন না।
আলহামদুলিল্লাহ্ আজ পর্যন্ত এই দুই সময়ে যা দোয়া করেছি, আলহামদুলিল্লাহ্! আলহামদুলিল্লাহ্! আলহামদুলিল্লাহৃ আল্লাহ সব দোয়াই কবুল করেছেন।

৬. আত্মিয়দের সাথে ভালো সম্পর্ক রাখা ও নিয়মিত যোগাযোগ রাখা।

৭. আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য তওফিক অনুযায়ী দান করা।

বিশ্বাস করুন ভাই-বোনেরা আল্লাহ আমাদের মায়ের চেয়েও কোটি গুন আপন।
আল্লাহ আমাদের ভালো চান, আল্লাহ আমাদের দিতে চান কিন্তু আমরা এতো হতভাগ্য কীভাবে চেয়ে নিতে হয় তা জানি না।
আল্লাহর জন্য বাঁচুন, আল্লাহর জন্য হাসুন, আল্লাহর জন্য টিকে থাকুন, আল্লাহর জন্য লড়াই করুন।
দেখবেন এমন স্থান থেকে সাহায্য পাবেন যা কল্পনাও করতে পারবেন না।

বিপদ আসলে আপনি তখন হাসবেন যেমনটা এখন আমি করি।

"আর যে আল্লাহ্‌কে ভয় করে, আল্লাহ্ তার জন্যে নিষ্কৃতির পথ করে দেবেন। এবং তাকে তার ধারণাতীত জায়গা থেকে রিযিক দেবেন। যে ব্যক্তি আল্লাহর উপর ভরসা করে তার জন্য তিনিই যথেষ্ট।”
[সূরা ত্বালাক- ২,৩]

আল্লাহর ওয়াদাতো সত্যই আল্লাহু আকবার।
ভুল-ভ্রান্তি হলে আল্লাহ তায়ালা মাফ করবেন তিনি সর্বজ্ঞানী ও সর্বশ্রোতা।

আমার এই লেখার মূল উদ্দেশ্যই হচ্ছে আপনারা আল্লাহর পথে ফিরে আসুন, বিপদ আল্লাহ এই জন্যই দেন যেন আমরা তার দিকে ফিরে আসতে পারি, কিন্ত আমরা তা না করে বিপদ নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়ি।
আল্লাহ সবাইকে বিপদ আপদ থেকে রক্ষা করুন এবং সাহায্য করুন। আমীন!

✍️ Rahath Ahmed.

 #আল্লাহরওপর_তাওক্কুলও_দোয়াকবুলের_গল্প...আসসালামু আলাইকুম আমার মোহাব্বতি বোনরা, আজকে আল্লাহর ওপর তাওক্কুল রেখে দোয়া কবুল...
19/08/2026

#আল্লাহরওপর_তাওক্কুলও_দোয়াকবুলের_গল্প...

আসসালামু আলাইকুম আমার মোহাব্বতি বোনরা, আজকে আল্লাহর ওপর তাওক্কুল রেখে দোয়া কবুলের গল্প লিখবো। আমার অবিবাহিত বোনদের একটু হলেও অনুপ্রেরনা দিবে। অনার্সে ভর্তি হওয়ার পর থেকেই আমার জন্য পাত্র দেখা হচ্ছে, কিন্তু কোন ভাবেই বিয়ে পর্যন্ত যাচ্ছিলো না। এদিকে অনার্স ফাইনাল ইয়ার পরিহ্মা দিয়ে ফেলছি তাও কিছুই হচ্ছিল না। আল্লাহর রহমতে প্রথম থেকেই আমার অনেক সমন্ধ আসতো কিন্তু সামনে খুব কম আগাতো দুই পরিবার থেকেই কোন না কোন সমস্যা থাকতো সমবয়সী আর রিলেটিভস দের মধ্যে সবার মোটামুটি বিয়ে হয়ে যাচ্ছিল। খুব ডিপ্রেশনে পড়ে গেছিলাম, মন খারাপ করে থাকতাম, রুম থেকে বের হতাম না, ফেইসবুকও তেমন চালাতাম না। তারপড় সারাদেশে লকডাউন করোনার কারনে সব বন্ধ আরো বেশি খারাপ লাগতো।

দোয়া কবুলের সবগুলা গ্রুপের সাথে আগে থেকেই এড ছিলাম। গল্প গুলা পড়তাম আর অনুপ্রানিত হতাম। আর দোয়ার নিয়ম গুলা শিখে সেই অনুযায়ি দোয়া করতাম। তারপর এই রামযানে খুব জোর দিয়ে চাওয়া শুরু করলাম। গ্রুপে একটা আরবিয়ান কালো মোটা মেয়ের দোয়াকবুলের গল্প পড়ে ছিলাম যে কিনা আল্লাহর ওপর তায়াক্কুল রেখে দোয়া করেছিল সাদা চামড়ার নীল চোখ ওয়ালা স্বামীর জন্য। আর সে তা পেয়েছিলো। এই গল্পটা ছিলো আমার অন্যতম একটা অনুপ্রেরণা। আর একটা পোস্ট পড়েছিলাম শাওয়াল মাসে বিয়ে করা সুন্নত। শুরু হলো মনে তাওয়াক্কুল নিয়া আল্লাহর কাছে চাওয়া। যখন মনে হতো আল্লাহর কাছে চাইতাম আকাশের দিকে তাকিয়ে, ঘুম ভাংলে, সুয়ে বসে, ফরজ সালাতের পর আজান ইকামতের মাঝে, নফল ইবাদতে আর প্রতিদিন সালাতুল হাজতের নামাজ পড়ে চাইতাম নেক জীবনসংগী। আর আল্লাহর ওপর মন থেকে তাওয়াক্কুল করলাম আল্লাহ তোমার রহমতে এই শাওয়াল মাসেই আমি বিয়ে করবো।

আমি করবোই, আমি কিছু জানি না তুমি কি করে দিবা তোমার হ্মমতা আছে তুমি আমাকে দিবা আমি তোমার বান্দি, ভিহ্মারীনি আমাকে দিতে হবেই। নিবোই আমি তোমার থেকে। এই দিকে শাওয়াল মাস চলতেছে কোন ব্যবস্থা হচ্ছে না আমি চাইতেই থাকলাম। হঠাত করে এক পরিচিত ছেলের কাছ থেকে অকল্পনীয় ভাবে প্রস্তাব আসলো,পরিবার রাজি আমিও মোটামুটি রাজি ওরা বলল যে বৃহস্পতি বার বিকেলে দেখতে আসবে কিন্তু বৃহস্পতিবার সকালে ছেলের মা না করে দেয় আমার বয়স নাকি বেশি। আমার বুক ফেটে কান্না আসতেছিলো। তবে নিরাশ হইনাই আকাশের দিকে তাকিয়ে আলহামদুলিল্লাহ বলে শুকরিয়া আদায় করে আল্লাহ কে বলছি আমার জন্য যেইটা ভালো তার ব্যবস্থা যেন করে দেয়।

দুই দিন পর আর একটা সমন্ধ আসে এইটা ও সেইম সব ঠিক ছিল বাট দেখতে আসার আগে না করে দেয়। এইদিকে শাওয়াল মাসের ১৭/১৮ দিন চলে। ডিপ্রেশনের চরম পর্যায় চলে গেছি আমি, তাও তাওয়াক্কুল হারাই নাই আল্লাহকে বলতাম আল্লাহ তুমি চাইলে কি না হয় যত কঠিন পরিস্থিতিই হক তুমি অসম্ভব কে সম্ভব করতে পারো। পড়ে ২২ শাওয়াল শুক্রবার ঘটক এর মাধ্যমে আমাকে দেখতে আসে ছেলের মা বাবা বোন আলহামদুলিল্লাহ ওরা পছন্দ করে গেছে আর যাইতে বলছে।

২৫ শাওয়াল সোমবার আমার বাসা থেকে যায় আলহামদুলিল্লাহ ওরা পছন্দ করে আসছে। আর শাওয়ালের শেষ দিন ২৯ শাওয়াল ছেলে সহ তার বোনরা সবাই এসে পাকা কথা দিয়ে যায়। আল্লাহ সবথেকে বেশি পরিকল্পনা কারী। পরের সপ্তায় ৬ জ্বিলকদ্ব আল্লাহর অশেষ রহমতে আর দয়ায় আমার কাবিন হয় আলহামদুলিল্লাহ।

কত কিছু হলো আর আল্লাহ ঠিক ১৫ দিনের মধ্যে সব ঠিক করে দিছে আল্লাহর যে কত মহান তা বলে শেষ করা যাবে না আল্লাহর দরবারে লাখো কুটি শুকরিয়া। তবে এই গ্রুপের প্রতি আর গ্রুপের বোনদের প্রতি ও আমি অনেক কৃতগ। বোনদের কাছে আমি দোয়া চাইছিলাম বোনরা আমার জন্য দোয়া করছে তাদের দোয়ার অনেক শক্তি। আমি মন থেকে সবার জন্য দোয়া করি আল্লাহ যেন সবার মনের নেক আশা পুরন করে দেন। আর সব আপুরা একজন আরেক জনের জন্য দোয়া করবা আমিও আগে সব অবিবাহিত বোনদের জন্য দোয়া করতাম এখনও করি। অনেক বড় হয়ে গেলো ভুল হলে সবাই মাফ করে দিও আর আমার বিবাহিত নতুন জিবনের জন্য সবাই দোয়া করো।
❤❤

✍tashfi kobir

পুরোপুরি সুস্থ একজন মানুষ আমি। জাস্ট নরমাল একটা চেকআপে গিয়েছিলাম সেদিন ডাক্তারের কাছে।ডাক্তার বলছিলেন, "আপনি তো আলহামদুল...
18/08/2026

পুরোপুরি সুস্থ একজন মানুষ আমি। জাস্ট নরমাল একটা চেকআপে গিয়েছিলাম সেদিন ডাক্তারের কাছে।
ডাক্তার বলছিলেন, "আপনি তো আলহামদুলিল্লাহ সুস্থই আছেন। তবুও যেহেতু আপনি ধারণা করছেন আপনার থাইরয়েড হয়েছে নাকি, তাহলে সাথে আরও কিছু টেস্ট দেই, একবারে করে যান।" মনে মনে বিরক্ত হলাম যে, এই তো শুরু হয়ে গেল অযথাই টেস্টের পালা।

তো যাই হোক, পরবর্তীতে ব্লাডের কয়েকটা টেস্ট, ইসিজি প্লাস আল্ট্রাসাউন্ডও দিল। এটা দেখে তো আমি আরও হতাশ যে, আল্ট্রা কেন? আমার তো পেটে আল্লাহর রহমতে একটু গ্যাসের সমস্যাও নেই। যাই হোক, দিয়েছে যেহেতু করেই যাই।
একশো নম্বর সিরিয়ালে আমাকে ডাকলেন আল্ট্রাসাউন্ড রুমে। স্ক্রিনে তাকিয়েই আমাকে জিজ্ঞেস করলেন, পেটে ব্যথা কেমন, ডায়াবেটিস আছে কিনা, আরও বেশ কিছু প্রশ্ন।
এদিকে এসবের কিচ্ছুটিই আমার নেই। তখন আল্ট্রাসাউন্ডের ডাক্তার বললেন, "তাহলে কেন আসছেন ডাক্তারের কাছে?" পরে বললাম যে নরমাল চেকআপে।
উনাকে জিজ্ঞেস করলাম, "আমার কি সিরিয়াস কিছু হয়েছে কিনা?" উনি কোনো উত্তর দেননি। পরবর্তীতে যখন সব রিপোর্ট নিয়ে ডাক্তারকে দেখাই, তখন উনি ইমারজেন্সিভাবে হোল অ্যাবডোমেন সিটি স্ক্যান দেন। তখনও আমি একদমই ভাবিনি কী হতে যাচ্ছে আমার সাথে। পরদিন সিটি স্ক্যান করে চলে আসি। একদিন পর রিপোর্ট নিয়ে ডাক্তার দেখাতে গেলে ডাক্তার জানান যে, আমার ক্যান্সার হয়েছে। দ্রুত যেন ঢাকায় ডাক্তার দেখাই।

এই খবর শোনার পর মানসিক অবস্থা কেমন হতে পারে, সেই প্রসঙ্গে আর না গেলাম। রাতে বাসায় ফিরে ভীষণ কান্নাকাটি করে ঘুমিয়ে গিয়েছিলাম। পরদিন সকালে উঠে থেকে কিভাবে যেন শক্ত হয়ে গেছি। আর খোঁজ শুরু করলাম, কী আমল করলে আমার রব্ব আমাকে পরিপূর্ণ সুস্থ করে দিবেন।
সূরা ফাতিহা পড়া শুরু করলাম অগণিত বার। তাহাজ্জুদ, ইস্তিগফার, দরূদ—সবই বাড়িয়ে দিলাম। এর মধ্যেই ঢাকায় অ্যাপয়েন্টমেন্ট নেওয়া হলো। প্রথম সাক্ষাতে ডাক্তার বলছেন, "তোমার কিভাবে এই ক্যান্সার হতে পারে? এটা তো প্রায় অসম্ভব ব্যাপার। আর এতটা সুস্থ থাকাও সম্ভব না, যদি হয়েও থাকে।"
এবং খুব আশ্বাস দিলেন যে, অন্তত ক্যান্সার না।
এরপর উনি আরও কিছু টেস্ট দিলেন। এর মধ্যে এমআরসিপি রিপোর্টে প্যানক্রিয়াসে বেশ বড়সড় একটা টিউমারই দেখা দিল। তখনও ডাক্তার আমাকে কনফিডেন্টলি বললেন যে, এটা ক্যান্সার না। তবুও আমি এফএনএসি দিচ্ছি। এটা করিয়ে কনফার্ম হয়ে ট্রিটমেন্ট করব তোমার। অপারেশনও নাও লাগতে পারে। যথারীতি এফএনএসি করা হলো এবং রিপোর্ট আসল ৪ দিন পর। খুবই আগ্রাসী ক্যান্সারের। কেন যেন এই রিপোর্ট দেখে তেমন আর মন খারাপ হয়নি। মানে খুব সহজেই মেনে নিচ্ছিলাম। কিন্তু ভাবছিলাম, অবশ্যই আল্লাহ আমাকে সুস্থ করবেন, পরিপূর্ণভাবে।

তারপর পিজি সহ ঢাকার সনামধন্য দুই-তিন হাসপাতালে ডাক্তার দেখালাম। পিজিতে বোর্ডও বসল যে, এটা কিভাবে সম্ভব এই বয়সে? কিন্তু রিপোর্ট তো এই কথাই বলে।
শেষ অবধি আমার কেমোথেরাপি শুরু হলো। আগে টিউমার ছোট করতে হবে, এরপর অপারেশন।
এর মধ্যে আমি একদম ভেঙে পড়িনি। এসব কিছুই আমি নিজে ফেস করেছি, আলহামদুলিল্লাহ। আমার তখন একটাই চিন্তা ছিল, আমার রব্বের কাছ থেকে চেয়ে নেব।
তখন একটা মোটামুটি রুটিন বানিয়ে নিলাম। এমন—
প্রতি ৫ ওয়াক্ত নামাজের পর
৩ বার দরূদে ইবরাহিম
৭ বার সূরা ফাতিহা
৩ বার দরূদে ইবরাহিম
১ বার ইসমে আজম
আয়াতে শিফা
এরপর যত ইচ্ছা সূরা আন'আমের ১৭ নম্বর আয়াত।
এইটুকু ছিল ফিক্সড। তা ছাড়া অসংখ্য বার সূরা ফাতিহা, দরূদে ইবরাহিম, সাইয়্যেদুল ইস্তিগফার পড়েছি। আইয়ুব (আ.)-এর দোয়া পড়েছি। আরও আরও শিফার যত দোয়া যেখানে যা পেয়েছি, তাই পড়েছি।
আজান-ইকামতের মাঝখানের সময়টাতে অঝোরে কেঁদে দোয়া করেছি। তাহাজ্জুদে কান্নাকাটি করে চেয়েছি।
শুধু বলতাম, "ইয়া রব্ব, ইয়া শাফি, আপনি আমাকে সূরা ফাতিহার উসিলায় এমনভাবে পরিপূর্ণ শিফা দান করুন, যেন আমার শরীরে কোনো রোগই ছিল না।"

যত রকমভাবে আকুতি ভরে আল্লাহকে বলা যায়, সেভাবেই বলেছি। এভাবে করতে করতে অর্ধেক কেমোথেরাপি শেষ হওয়ার পর টেস্ট করতে দিল, কতটুকু ছোট হলো টিউমার। ফলাফল—ছোট তো হয়ইনি, বরং আরও একটু বড় দেখাচ্ছে।
ডাক্তার সহজ ভাষায় জানিয়ে দিলেন, "আপনার ট্রিটমেন্ট কাজ করেনি। সার্জারি ডাক্তারের সাথে কথা বলে দেখেন। অপারেশন করে ফেলেন এভাবেই।" রিপোর্ট নিজেই প্রথমে দেখেছি এবং একটুও বিচলিত হইনি, আলহামদুলিল্লাহ।
আমার আব্বু আমার সাথে ছিলেন। খুবই ভেঙে পড়েছিলেন। আমি বলছিলাম, "আব্বু, আমার ক্যান্সারই হয়নি। এই জন্য কেমোথেরাপি কাজ করেনি।"
তখন আব্বু বলছিলেন, "এত পজিটিভ ভাবো কিভাবে, আম্মু?"
কিন্তু আমি পূর্ণ তাওয়াক্কুল রেখেছিলাম রব্বের প্রতি।
এরপর গেলাম সার্জারি ডাক্তারের কাছে। উনি রিপোর্ট দেখে কিছুটা বিচলিত হলেও বুঝতে না দিয়ে বললেন, ইমারজেন্সি ভর্তি হয়ে যেতে।

ভর্তি হওয়ার পর ১ সপ্তাহ অবজারভেশনে রেখেছিলেন। এর মধ্যে সব ডাক্তার বোর্ড বসল। আমাকে সহ গার্ডিয়ান ডাকল এবং বুঝিয়ে বলল যে, এমনও হতে পারে পেটে কেটে আবার সেলাই করে দিব। আমাদের কিছুই করার থাকবে না। আবার এমনও হতে পারে, হাফ টিউমার এখন কাটব, আবার পরবর্তীতে হাফ কাটব। অন্য আরেক রোগীর উদাহরণ দিলেন, যেন ওদের কাছে গিয়ে পরামর্শ নিই। ওদেরও দুইবার অপারেশন লেগেছে।
সবাই মোটামুটি ভেঙে পড়েছে ততদিনে। আমি শুধু একটা কথাই বলতাম যে, দেখবেন অপারেশন শেষে ডাক্তার বলবেন, "আপনার মেয়ের অপারেশন এত সহজ আর সুন্দর হয়েছে, আমাদের কল্পনার বাইরে।" আর বলতাম আম্মুকে যে, আমি সুস্থ হয়ে আমার দোয়া কবুলের গল্প সবাইকে বলব, ইনশা আল্লাহ।
অপারেশনের দিন আসল। আমাকে নেওয়া হলো অপারেশন থিয়েটারে। নেওয়ার পরেও প্রায় দেড় ঘণ্টা পর আমার অপারেশন শুরু হয়। এই দেড় ঘণ্টা বোধহয় আমি দেড় মিনিটও দরূদে ইবরাহিম পড়া বাদ দিইনি।

আমার বিন্দুমাত্র কোনো ভয় লাগেনি, আল্লাহর রহমতে।
অলমোস্ট ৫ ঘণ্টার অপারেশন শেষে বের হয়ে ডাক্তার সেইম এই কথাটাই বলছিলেন যে, "তোমার মেয়ের অপারেশন এত সহজ আর সুন্দর হয়েছে, আমাদের কল্পনার বাইরে ছিল এটা। পুরো টিউমার আমরা উঠিয়ে এনেছি এবং ওর সবকিছু ভালো আছে।" আলহামদুলিল্লাহ এভাবে করে অপারেশনের ৩ দিন পর আমার বায়োপসি রিপোর্ট আসে। আমি তখনও পোস্ট-অপারেটিভ রুমেই।

আমার হাসবেন্ড রিপোর্ট পেয়েই অ্যাসিস্ট্যান্ট ডাক্তারকে দেখিয়ে আমার কাছে এসে বলল, "তোমার বায়োপসি রিপোর্ট এসেছে এবং আলহামদুলিল্লাহ, এতে কোনো ক্যান্সার নেই।"

আমার তখন মনে হচ্ছিল যে, হ্যাঁ, এটাই তো হওয়ার ছিল। আমার রব্ব তো আমাকে নিরাশ করবেন না। আমি জানতাম।
তারপর রিপোর্ট নিয়ে মেইন ডাক্তার পুরো টিমসহ এসে সে কী উচ্ছ্বাস! বারবার বলছিলেন, "It's a miracle from Allah."
এরপর প্রতিবার ফলোআপে ডাক্তার একই কথা বলেন, "It's a miracle from Allah."
"আমরা অনেক রিস্ক নিয়ে তোমার অপারেশনে গিয়েছিলাম। ঠিক যেভাবে সুতার ওপর ভর দিয়ে মানুষ হাঁটে। কিন্তু আল্লাহ যে তোমাকে কই থেকে কই এনেছেন, এটা কল্পনাতীত।"
আলহামদুলিল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ।
(এমনকি আমার সাথে ওই সময়েই আরও কয়েকটা রোগীর এরচেয়ে ছোট টিউমারও পুরোপুরি উঠে আসেনি, আর আমার টিউমার ছিল বেশ বড়।)

আজ এই গল্পটা লিখলাম শুধু একটা কথাই বলার জন্য—
মানুষের রিপোর্ট শেষ কথা নয়, শেষ কথা একমাত্র আল্লাহর। আল্লাহ যখন "কুন" বলেন, তখন অসম্ভবও সম্ভব হয়ে যায়। আলহামদুলিল্লাহ।
আমি আমার রব্ব এর এই "কুন" এর অপেক্ষায় ছিলাম আর প্রতিবার এই আয়াত পড়তে নিলেই আমার খুশি লাগতো।

দু'আ কবুলের গল্প


লেখা: Tasnime Momo apu

✨ বিবাহের উপযুক্ত সময় পেরিয়ে যাচ্ছে অথচ বিয়ে হচ্ছে না, তারা দ্রুত বিবাহের জন্য এই কার্যকরী আমলটি ট্রাই করতে পারেন ইন শা ...
17/08/2026

✨ বিবাহের উপযুক্ত সময় পেরিয়ে যাচ্ছে অথচ বিয়ে হচ্ছে না, তারা দ্রুত বিবাহের জন্য এই কার্যকরী আমলটি ট্রাই করতে পারেন ইন শা আল্লাহ্।

সাথে যদি ইস্তিগফার আর দরুদ পড়তে পারেন তাহলে তো খুবই উত্তম হয়।

হিন্দুস্তানের একজন আলেম তাঁর যিন্দেগির একটি কারগুজারী (সত্য ঘটনা) শুনাচ্ছিলেন। যা আমি তাঁর যবান থেকে নিজ কানে শুনেছি। তিনি বলেন,

আমি হিন্দুস্তানের একটি মসজিদ থেকে ইশরাক নামাজ আদায় করে বের হচ্ছিলাম, হঠাৎ!

পেছন থেকে একটি নারী কণ্ঠঃস্বর!!
মৌলভী! মৌলভী!!

আমি পেছনে তাকিয়ে দেখি, বোরখাবৃতা একটি মেয়ে! আমি কৌতূহলী হয়ে তাকালে সে বললো, আমিই ডেকেছি! তারপর বললো; আমার ৪০ বছর বয়স।
কিন্তু বিয়ে হচ্ছে না! কি আমল করতে পারি?

হুজুর বলেন —

আমি তাকে বললাম, আপনি প্রতিদিন 'সূরাতুল ইখলাস ' ১০০ বার পড়বেন। সে জিজ্ঞেস করলো, বিসমিল্লাহ' র সাথে পড়তে হবে? আমি বললাম, খানার প্রতি লোকমায় বিসমিল্লাহ পড়তে হলে খাবে না পড়বে ?সারাদিনে যখন সময় পাবেন পড়বেন। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের পরে ২০ বার করেও পড়তে পারেন।

আমি তাকে বললাম, এটা এমন এক আমল, যা নিয়মিত করলে, পাঠকারী 'মুস্তাজাবুদ দা'আওয়াহ'
(যার সকল দোয়া কবুল) হয়ে যায় !

পাশাপাশি, এ আমলটি হল জানদার!! শাানদার!!মাালদার!!!

এরপর তিনি নিজ হাত থেকে 'তাসবিহ' তাকে দিয়ে বললেন, এটা দিয়ে আমলটি করবেন। কারণ, এ তাসবিহ টাও জানদার শানদার মালদার!

এক বছর পরে ঠিক সেই মসজিদ থেকে আমি বের হবার সময় সেই একই কণ্ঠের ডাক! মৌলভী জি!! পেছনে তাকিয়ে দেখি, বাচ্চা কোলে একটি বোরখা পরিহিতা রমণী! বললো, আমি সেই হালিমা!

আপনার সেই আমল করার ৪০ দিনের মধ্যে আমার বিয়ে হয়। আল্লাহ তায়ালা আমাকে জানদার, শানদার, মালদার বানিয়েছেন। সুবহানাল্লাহ 🌸🤍

জানদার-আমাকে ফুটফুটে একটি সন্তান দিয়েছেন। শানদার-ধনী পরিবারের সুদর্শন যুবকের সাথে আমার বিবাহ হয়েছে।
মালদার-আমাকে অভাব মুক্ত করেছেন।

আলহামদুলিল্লাহ আরো আনন্দের ব্যাপার হলো, এই আমল করে আমার আরো ৭/৮ জন পরিচিতদের বিবাহ হয়েছে।

(আমল প্রমাণ করতে চাইলে ফায়দা কম। ইয়াক্বীনের সাথে করলে দ্রুত ফায়দা হয়।)

~ পরিচিত এক আপু হতে সংগৃহীত
(পরিমার্জিত)

Power of “সূরা বাকারাহ্” 🌷✨
17/08/2026

Power of “সূরা বাকারাহ্” 🌷✨

এই কথাগুলো আমার নিজের জন্যেই রিমাইন্ডার আপনাদের ও উপকারে আসবে ইনশাআল্লাহ। দেখো! দুনিয়ার জীবন যেভাবেই হোক কেটে যাবেই। যত ...
17/08/2026

এই কথাগুলো আমার নিজের জন্যেই রিমাইন্ডার
আপনাদের ও উপকারে আসবে ইনশাআল্লাহ।

দেখো! দুনিয়ার জীবন যেভাবেই হোক কেটে যাবেই। যত কস্ট সমস্যাই হোক জীবন পার হয়ে যাবেই কিন্তু এই দুনিয়ায় যা করবে তার ফল আখেরাতে পাবে এবং সেখানে দুনিয়ার কোন সম্পদ বা আপনজনকে পাশে পাবেনা।
কেও একটা নেকী দিয়েও সাহায্য করবেনা।
মৃত্যু থেকে কেয়ামত পুরোটাই একার জার্নি। কল্পনাতীত কঠিন ও শত শত বছরের দীর্ঘ সফর যার শেষ কবে কোথায় জানা নেই।
সুতরাং ছোট্ট এই দুনিয়ার সাথে আখেরাতের কোন তুলনা হয় বলো?

দুনিয়ায় আমাদের পাঠানো ই হয়েছে
আল্লাহর ইবাদতের জন্য।
নানাভাবে পরীক্ষা করার জন্য।
দুনিয়া তো পরীক্ষার ই জায়গা।
মুমিনের জন্য দুনিয়াই তো কারাগার।
কাফেরের জন্য জান্নাত।
এখানে যা কিছু বৈধ আরাম সুখ বা নেয়ামত পাবে সেগুলোর জন্যেই অনেক শুকরিয়া আদায় করা উচিত।
যতক্ষন আল্লাহর অবাধ্যতা ছাড়া ই ভালো থাকবে শান্তিতে থাকবে ততক্ষনের জন্য আল্লাহর শোকরগুজার হবে।
যখন কস্টে থাকবে তাকদীরের ফায়সালা নিয়ে হা হুতাশ অভিযোগ না করে সবর করবে এবং দুয়া করে যাবে।

মনে রেখো!
পরকালের জীবন ই আসল জীবন।
আমাদের পুরোপুরি শান্তি স্বস্তি ও নিরবিচ্ছিন্ন সুখের জীবন একমাত্র জান্নাতে গিয়েই পাওয়া সম্ভব!

কোন সে জান্নাত? যেই জান্নাতে একবার ঢুকতে পারলেই তোমার সব কস্ট নাই হয়ে যাবে এমনকি দুনিয়ায় যত শত বিপদ কস্ট ই পেয়েছে না কেন সেসব ভুলে যাবে!
মনে হবে কোনদিন কস্ট বলে কিছু তোমাকে ছুতেই পারেনি!
ভেবে দেখো তো এমন মুহুর্তের কথা!

তারপর?
জান্নাতে তোমার সব! সব! চাওয়া পূরণ হবে।
যা চাইবে তা ই কোন কস্ট শ্রম ছাড়া ই পেতে থাকবে শত শত হাজার বছর না শুধু একদম চিরকাল...
যার কোন শেষ ই নেই......!
ভাবা যায়? ভেবেই দেখো তো!
দুনিয়ার চেয়ে বহুগুণ বড় রাজত্ব তোমার একার হবে!
কল্পনাতীত সৌন্দর্য যৌবন
যেই 'সৌন্দর্য' দুনিয়ায় কারোই ছিলোনা!
পছন্দনীয় প্রেমময়ী জীবনসঙ্গীর অফুরন্ত ভালোবাসা।
চোখধাঁধানো বাড়ীঘর প্রাসাদ বাগান।
দুনিয়ার চেয়ে বহুগুন বেশি মজার কত শত খাবার তাও আবার যত ইচ্ছে খেয়ে বাথরুম করার কোন ঝামেলা ও নেই!

না আছে মোটা হবার ভয়
বা সৌন্দর্য নিয়ে টেনশন!
না আছে কোন কিছু বা কাওকে হারানোর ভয়!
না আছে কোন খারাপ মানুষ বা
কস্ট দেয়ার মত কেও!
না আছে কোন দু:খ!
না আছে কোন হতাশা!
না আছে কোন চিন্তা!
না আছে কোন পেরেশানি!
না আছে কোন সমস্যা!
না আছে কোন রোগব্যাধি!

দুনিয়ায় বেশি সুখে থাকলে বোরিং লাগে কখনো কিন্তু জান্নাতে সেই ভয় ও নাই।
আমরা যত ই ভাবতে যাই না কেন
জান্নাত আমাদের কল্পনার উর্ধ্বে!

এই চিরস্থায়ী জান্নাতে যাওয়ার যোগ্য আমরা কেও ই হতে পারবোনা। কিন্তু আমাদের আমল আখলাক ভালো কাজের জন্য আল্লাহ দয়া মায়া করে অনেককেই জান্নাত দিয়ে দিবেন!
আলহামদুলিল্লাহ আলহামদুলিল্লাহ।

এখন ভেবে দেখো!
আল্লাহর অনুগ্রহে চিরস্থায়ী জান্নাত পেতে হলে এবং কল্পনাতীত ভয়াবহ জাহান্নাম থেকে বাঁচতে হলে এই অল্প সময়ের দুনিয়ার জীবনে কস্ট ত্যাগ তো করতেই হবে!!

যেভাবে হোক আল্লাহর অনুগত মুমিন মুসলিম হবার চেষ্টা আজীবন করতেই হবে তাইনা?
যত গুনাহ ই হয়ে যাক তাওবা করে
বারবার ফিরে আসতেই হবে তাইনা?
এই জীবনের পরীক্ষা গুলায় সবর শোকরের সাথে থাকার যথাসাধ্য চেষ্টা করতেই হবে তাইনা?

জীবনে যাই হোক কখনো চেষ্টা দুয়া বাদ দিয়ে
হাল ছেড়ে দিও না প্লিজ!

-জুমানা পুষ্প আপু🌷

🌷 ‘দোয়া কবুলের কার্যকর আমল’🌷আমার খালাতো বোনের বয়স ২৪ বছর। সে দুরুদের ফজিলত শোনার পর নিয়ত করেছিল, “প্রতিদিন যতটা পারি আমল...
16/08/2026

🌷 ‘দোয়া কবুলের কার্যকর আমল’🌷

আমার খালাতো বোনের বয়স ২৪ বছর। সে দুরুদের ফজিলত শোনার পর নিয়ত করেছিল, “প্রতিদিন যতটা পারি আমল করব। তবে প্রতি শুক্রবার ১০০০ বার দুরুদ এবং ১০০০ বার ইস্তেগফার পড়ব।”

এরপর সে নিয়মিত আমল করতে থাকে।

আপু বলেছে, আলহামদুলিল্লাহ, মাত্র ৩ সপ্তাহের মধ্যেই সে তার মনের মতো জীবনসঙ্গী পেয়ে যায়। এরপর ৪ জুমু'আর মধ্যেই তার বিয়েও সম্পন্ন হয়ে যায়।

এত দ্রুত জীবনসঙ্গী পেয়ে সে নিজেও অবাক হয়েছিল। আপু বলেছে, “আগে যদি বুঝতাম দুরুদের এত ফজিলত, তাহলে আরও আগেই আমল শুরু করতাম।”

এই ৩ সপ্তাহে সে প্রতিদিন প্রায় ৫০০ থেকে ৬০০ বার দুরুদে ইবরাহিম এবং ১০০০ বার ইস্তেগফার পড়েছে। আর প্রতি জুমু'আয় ১০০০ বার দুরুদে ইবরাহিমের সঙ্গে ১০০০ বার ইস্তেগফার পড়েছে।

আপু পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করত, যথাযথ পর্দা করত, তাহাজ্জুদ পড়ত এবং সালাতুল হাজতও আদায় করেছে। তার ছোট ছোট দু'আও দুরুদে ইবরাহিম ও ইস্তেগফারের মাধ্যমে কবুল হয়েছে বলে সে জানিয়েছে। আলহামদুলিল্লাহ...
©

বিঃদ্রঃ দুরুদে ইবরাহিম সর্বশ্রেষ্ঠ দুরুদ। এটি পড়তে না পারলে হাদিসে বর্ণিত যেকোনো ছোট দুরুদ পড়তে পারেন।

সংখ্যাও যে যতটুকু পারেন আমল করবেন কোনো বাধ্যবাধকতা নেই এত সংখ্যকই করতে হবে! শুধু দুরুদ ও ইস্তেগফার কে প্রতিদিনের জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ বানিয়ে নিন সব হাজত এমনই পূরণ হয়ে যাবে,
ইন শা আল্লাহ!

📌 দু'আ কবুলের গল্প ও আমল পেতে ইসলাম - The Sign of Peace পেইজটি ফলো করে রাখুন।

এক ব্যক্তির দোয়া কবুলের গল্প,জীবনে বেশি বেশি "ইস্তিগফার" ও "দরুদ শরীফ" পাঠ করুন।এক ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে জীবনের অভাব-অনট...
16/08/2026

এক ব্যক্তির দোয়া কবুলের গল্প,

জীবনে বেশি বেশি "ইস্তিগফার" ও "দরুদ শরীফ" পাঠ করুন।

এক ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে জীবনের অভাব-অনটন, দুশ্চিন্তা ও নানা সংকটে ভুগছিলেন। তিনি এক আলেমের কাছে নিজের কষ্টের কথা খুলে বললে, আলেম তাকে নিয়মিত "আস্তাগফিরুল্লাহ" পাঠ করার পরামর্শ দেন। তিনি সেই উপদেশ আন্তরিকতার সঙ্গে গ্রহণ করেন এবং প্রতিদিন শত শত বার ইস্তিগফার করতে থাকেন।

কিছুদিন পর তিনি আবার সেই আলেমের কাছে ফিরে এসে বললেন, "আলহামদুলিল্লাহ! আমার রিজিকে বরকত এসেছে, মনের অস্থিরতা অনেকটাই দূর হয়েছে, সংসারে স্বস্তি ফিরে এসেছে এবং যেসব কাজ আগে অসম্ভব মনে হতো, সেগুলোও আল্লাহর রহমতে সহজ হতে শুরু করেছে।"

আলেম তখন তাকে স্মরণ করিয়ে দিলেন—ইস্তিগফার শুধু গু'না'হে'র ক্ষ'মা লাভের মাধ্যম নয়; এটি আল্লাহর রহমত, বরকত ও রিজিক বৃদ্ধিরও একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ। তাই সুখে-দুঃখে, স্বচ্ছলতায়-অভাবেও একজন মুমিনের জিহ্বা সর্বদা ইস্তিগফারে সিক্ত থাকা উচিত।

আল্লাহ তাআলা বলেন:

"তোমরা তোমাদের রবের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করো। নিশ্চয়ই তিনি পরম ক্ষমাশীল। তিনি তোমাদের ওপর প্রচুর বৃষ্টি বর্ষণ করবেন, ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্ততি দ্বারা সাহায্য করবেন এবং তোমাদের জন্য বাগান ও নদ-নদী দান করবেন।"
— সূরা নূহ (৭১:১০–১২)

আল্লাহ আমাদের সবাইকে বেশি বেশি ইস্তিগফার ও দরুদ শরীফ পাঠ করার তাওফীক দান করুন। আমীন।

-OHEE

আজ রাতে ঘুমানোর আগে অন্তত ১০০০ বার ইস্তিগফার করে ঘুমাবেন ইনশাআল্লাহ। চলেন এই আমল টার্গেট টা পূরণ করি সবাই মিলে।ইস্তিগফার...
15/08/2026

আজ রাতে ঘুমানোর আগে অন্তত ১০০০ বার ইস্তিগফার করে ঘুমাবেন ইনশাআল্লাহ। চলেন এই আমল টার্গেট টা পূরণ করি সবাই মিলে।

ইস্তিগফার করলে আল্লাহ এই উসিলায় আপনার বিপদ দূর করবেন, কল্যাণের দরজা খুলে দিবেন, রিজিকে বারাকাহ আসবে, কারণ গুনাহ জমে জমে আমাদের জীবন থেকে বারাকাহ কমে যায়। সেই জায়গায় আপনার আন্তরিক তাওবাহ এবং ইস্তিগফারগুলো ঐ গুনাহের কালো দাগগুলো মুছে দেয়। তখন আবারো আপনার জীবনে বারাকাহ প্রবেশ করতে পারি। আবারো সাফল্য ঢোকার সুযোগ পায় আলহামদুলিল্লাহ।

ইস্তিগফার যে কত কল্যাণের দরজা খুলে দেয় তা আমরা সরাসরি কুরআন থেকে জানি। আল্লাহ বলেন,

“আমি বলেছি, ‘তোমরা তোমাদের রবের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করো। নিশ্চয়ই তিনি অত্যন্ত ক্ষমাশীল। তিনি তোমাদের জন্য আকাশ থেকে প্রচুর বৃষ্টি বর্ষণ করবেন। তিনি তোমাদের ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্ততি বৃদ্ধি করবেন, তোমাদের জন্য বাগান সৃষ্টি করবেন এবং তোমাদের জন্য প্রবাহিত করবেন নদীসমূহ।’”
📖 সূরা নূহ, ৭১:১০–১২

কী অপূর্ব শিক্ষ! ইস্তিগফার অতীতের গুনাহ মুছে তো দিলই। সেই সাথে আল্লাহ রব্বুল আলামিন ইস্তিগফারের সঙ্গে দুনিয়ার বরকত, রিযিক, সন্তান, বৃষ্টি ও সমৃদ্ধির কথাও উল্লেখ করেছেন! 'আস্তাগফিরুল্লাহ' মন দিয়ে বুঝে বুঝে পড়ুন! হতে পারে আজকের এই আমলের উসিলাহতে আল্লাহর রহমতের আপনার জীবনের কত দারুন দারুণ কল্যাণের দরজা খুলে যাবে!

তাহলে আর দেরি কেন?

টার্গেট নিয়ে নেন প্রিয় আপারা!

-শারিন শফি অদ্রিতা আপু

Address

Chittagong

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ইসলাম - The Sign of Peace posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share