ইসলাম - The Sign of Peace

ইসলাম - The Sign of Peace Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from ইসলাম - The Sign of Peace, Religious organisation, Chittagong.
(2)

দ্বীনকে জানি, শিখি, ছড়িয়ে দিই- একসাথে! দ্বীনের আলোকে জীবনকে সহজ, সুন্দর ও সুন্নাহময় করতে আমাদের ছোট্ট প্রচেষ্টা....হিদায়াতের পথে হাঁটার যাত্রায়—আমাদের ছোট্ট অবদান!♥

দ্বীন-ইসলাম প্রচারণায় আমাদের এক ক্ষুদ্র প্রয়াস!🌻

আপনার দুঃখ মোচনের দিন আসছে শীঘ্রই...এই তো সামনেই আসছে পবিত্র আরাফাহর দিন!হে আর-রহমানের দাস-দাসীরা!দু'আয় লোভী হওয়ার প্রস্...
23/05/2026

আপনার দুঃখ মোচনের দিন আসছে শীঘ্রই...এই তো সামনেই আসছে পবিত্র আরাফাহর দিন!

হে আর-রহমানের দাস-দাসীরা!

দু'আয় লোভী হওয়ার প্রস্তুতি নিন। খুব বেশি লোভী হন। আপনার যত অপূর্ণতা, যত না বলা কথা, যত গোপন কষ্ট—সবকিছু রবের কাছে তুলে ধরুন। বুকের ভিতর জমে থাকা দীর্ঘশ্বাসগুলো সিজদায় ঝরিয়ে দিন। খুব করে ক্ষমা চেয়ে নিন।

কারণ বছরের এমন এক মহিমান্বিত দিন আসছে—যেদিন দুনিয়ার বুকে সবচেয়ে বেশি মানুষ ক্ষমা পায়।

বছরের এমন এক দিন আসছে–যেদিন আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা'আলা তাঁর বান্দাদের নিয়ে ফেরেশতাদের সামনে গর্ব করেন।

বছরের এমন এক দিন আসছে–যেদিন জাহান্নাম থেকে সবচেয়ে বেশি মানুষ মুক্তি লাভ করে।

রসূল ﷺ বলেছেন—

“আল্লহ আরাফাহর দিনের চেয়ে বেশি অন্য কোনো দিনে এত মানুষকে জাহান্নাম থেকে মুক্তি দেন না।” (সহিহ মুসলিম)

সুবহানাল্লহ!

আমরা যারা গুনাহে ডুবে আছি,যাদের বুক ভরা অপূর্ণতা,যাদের জীবনে এমন কিছু দু'আ আছে, যা বছরের পর বছর ধরে আসমানে ঝুলে আছে,যারা মানুষের কাছে বারবার ভেঙে পড়েছি, তবুও রবের দরজা ছেড়ে যাইনি,তাদের জন্যও একটা বিশেষ দিন আসছে।আর সেই দিনটির নাম— আরাফাহ।

রসূল ﷺ বলেছেন—“সর্বোত্তম দু'আ হলো আরাফাহর দিনের দু'আ।” (তিরমিযী)

আর তিনি ﷺ এই দু'আ বেশি বেশি পড়তেন—“লা ইলাহা ইল্লাল্লহু ওয়াহদাহু লা শারীকালাহু, লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হামদু, ওয়া হুয়া ‘আলা কুল্লি শাই’ইং ক্বদীর।”

মনে রাখবেন, আমরা এমন এক রবের কাছে চাইছি—যিনি শুকনো মরুভূমিতে হাজেরা (আ.)-এর জন্য জমজম বের করতে পারেন। তাঁর জন্য আপনার দু'আ কবুল করা অসম্ভব কিছু না। তিনি “কুন” বললেই “ফায়াকুন” হয়ে যায়। অল্প করে কিচ্ছুটি চাইবেন না। সব চান! সব সব! দু'আর আদব ও শর্ত মেনে দু'আ করুন অবশ্যই কবুল হবেই হবে ইন শা আল্লহ।
#উম্মে_আদন

দু'আ কবুলের গল্প 🧡দু'আ কবুলে তাহাজ্জুদ নামাজের বিকল্প নেই। রমাদানের পুরো এক মাস আল্লাহকে ডেকেছি।তাহাজ্জুদ নামাজের পাশাপা...
23/05/2026

দু'আ কবুলের গল্প 🧡

দু'আ কবুলে তাহাজ্জুদ নামাজের বিকল্প নেই। রমাদানের পুরো এক মাস আল্লাহকে ডেকেছি।
তাহাজ্জুদ নামাজের পাশাপাশি এশার নামাজ শেষ করে কোন কথা না বলে ১০০ বার দুরুদ শরীফ,
৪৯৯ বার লা হা'ওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ্ এবং ১ বার লা হা'ওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহিল আলিয়্যি'ল আ'যীম, ১০০ দুরুদ শরীফ পড়ে মুনাজাত করেছি।

আলহামদুলিল্লাহ্! আলহামদুলিল্লাহ্! আলহামদুলিল্লাহ্! ঈদের ১০ দিন পরই আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা আমার দু'আ কবুল করেছেন।

✍️Shakila Akter

❝ বাইরের দিক থেকে কিছু যুদ্ধ ঠিক এইরকম ই যা একদমই বোঝা যায় না।❞আমার জীবনে এমন একটা সময় এসেছিল যখন আমি ঘুমাতে খুউব ভয় ...
22/05/2026

❝ বাইরের দিক থেকে কিছু যুদ্ধ ঠিক এইরকম ই যা একদমই বোঝা যায় না।❞

আমার জীবনে এমন একটা সময় এসেছিল যখন আমি ঘুমাতে খুউব ভয় পেতাম। বারবার এমন ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হতাম যেখানে ঘুম থেকে উঠে দেখতাম আমি নড়াচড়া করতে পারছি না, কথা বলতে পারছি না ভয়ে পুরো শরীর জমে যেত।

প্রথমে আমি এটাকে শুধুই বৈজ্ঞানিক বিষয় হিসেবে ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করেছিলাম। কিন্তু বারবার এমন হওয়ার পর বিষয়গুলো আমার জন্য মানসিক ও আত্মিকভাবে আরও খারাপ হয়ে গেল। সবচেয়ে বেশি কষ্ট দিয়েছিল এটা বুঝতে পারার পর যে সেই সময়ে আমি আল্লাহ থেকে কতটা দূরে সরে গিয়েছিলাম। আমার সালাত অনিয়মিত হয়ে গিয়েছিল, ভেতরটা শূন্য লাগত। আর আমি আল্লাহর সাথে সম্পর্ক ঠিক করা ছাড়া জীবনের বাদবাকি সবকিছুই ঠিক করার চেষ্টা করছিলাম।

অবশেষে আমি সব জায়গায় ছুটে বেড়ানো বন্ধ করলাম এবং আন্তরিকভাবে আল্লাহর দিকে ফিরে এলাম।

আমি বেশি বেশি ইস্তেগফার পড়া শুরু করলাম এবং প্রতিদিন সূরা আল-বাকারা তিলাওয়াত করতে লাগলাম। সালাতে নিয়মিত হলাম এবং সকাল-সন্ধ্যার আযকার দৃঢ়ভাবে আঁকড়ে ধরলাম। ধীরে ধীরে ভয়টা কমতে শুরু করল। আমার হৃদয় শান্ত হতে লাগল।
আর একসময় সেই স্লিপ প্যারালাইসিস পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেল আলহামদুলিল্লাহ। কখনো কখনো সুস্থতা শুরু হয় ঠিক সেই মুহূর্ত থেকে, যখন আপনি আন্তরিকভাবে আল্লাহর দিকে ফিরে আসেন।

#শিকদার_আয়াত_অনূদিত

দোয়া কবুলের গল্প ✨আলহামদুলিল্লাহ গত শুক্রবার আমার দোয়া কবুল হয়েছে। সত্যি অসম্ভব ছিল কিন্তু আমার রবের কাছে কোন কিছুই অসম্...
22/05/2026

দোয়া কবুলের গল্প ✨

আলহামদুলিল্লাহ গত শুক্রবার আমার দোয়া কবুল হয়েছে। সত্যি অসম্ভব ছিল কিন্তু আমার রবের কাছে কোন কিছুই অসম্ভব নয়। যা পেয়েছি হয়ত কোটি টাকা দিয়েও স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে পারতাম না। দুই বছর যাবৎ চেয়ে যাচ্ছিলাম কিন্তু পাচ্ছিলাম না। গত রোযার মাস থেকে উঠে পরে লাগি নাছোড়বান্দার মতো প্রতি সাহরির আগে, তাহাজ্জুদ, প্রতি ইফতারের আগে দোয়া ও সব সময় ইস্তেগফারে লেগেই থাকতাম। রোযার পরেও আমল ছেড়ে দেয়নি।

তাহাজ্জুদ পড়েছি, ইস্তেগফার করেছি, নফল নামাজ পড়েছি, বৃষ্টির সময় দোয়া করেছি, শুক্রবারে আসরের পর থেকে মাগরিবের আগ পর্যন্ত দোয়া করেছি।

আল্লাহু আকবার। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা আমাকে নিরাশ করেননি আলহামদুলিল্লাহ🌸🤍

❤️ যিলহজ্জ চলছে তার মধ্যে আবার আজ জুমু'আর রাত। সুবহানাল্লহ! আজ খুবই ফজিলতপূর্ণ রাত!কারণ ইবনে হাজার রহিমাহুল্লহ বলেন–যিলহ...
21/05/2026

❤️ যিলহজ্জ চলছে তার মধ্যে আবার আজ জুমু'আর রাত। সুবহানাল্লহ! আজ খুবই ফজিলতপূর্ণ রাত!

কারণ ইবনে হাজার রহিমাহুল্লহ বলেন–যিলহজ্জ্বের দশকের জুমু'আর দিন অন্য সময়ের জুমু'আর চাইতে উত্তম। কারণ এতে দুই ফজিলত একত্র হয়!

আজ কেউ তাহাজ্জুদ মিস দিবেন না প্লিজ…

যিলহজ্জের এই বরকতময় রাতগুলো খুব দ্রুত চলে যাচ্ছে। কে জানে, আগামী বছর আমরা এই রাতগুলো আবার পাবো কিনা!

আজ রাতে উত্তমরূপে অজু করে, সুন্দর করে নিজেকে পরিচ্ছন্ন করে, খুশবু মেখে দুই হাত তুলে দাঁড়িয়ে যান আপনার রবের সামনে। সালাতে দীর্ঘ সিজদাহ দিন। নিজের জন্য, পরিবারের জন্য, উম্মাহর জন্য কাঁদুন। আজ রবের দরবারে ভিখারির মতো চাইতে থাকুন…

প্রচুর পরিমাণে দরূদে ইবরাহীম পড়ুন।বারবার ইস্তিগফার করুন।সালাতুল হাজত পড়ুন। মনে যা আছে সব খুলে বলুন আল্লহকে।

আর হায়িযরত বোনেরাও এই বরকত থেকে বঞ্চিত হবেন না ইন শা আল্লহ। হায়িয কি আল্লহ ও তার দাসীর মধ্যে দূরত্ব সৃষ্টি করতে পারে? হায়িয অবস্থায় অজু সহীহ না হলেও, সালাত আদায় করা না গেলেও তাহাজ্জুদের সময়ে উঠে পরিচ্ছন্ন হয়ে, অজুর নিয়ত করে অজু করে, খুশবু লাগিয়ে ইবাদতের পরিবেশে বসবেন। এসবের মাধ্যমে ইন শা আল্লহ আল্লাহর রহমত ও নেকি থেকে কেউ বঞ্চিত হবে না। জায়নামাজে বসে বসে দু'আ করুন, যিকির করুন, দরুদ পড়ুন, ইস্তিগফার করুন।

~ উম্মে_আদন

জিলহজ্জ মাসের শুরুর ১০ দিন বছরের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ ও বরকতময় দিন।(সেইভ করুন এবং সবার সাথে শেয়ার করুন)
20/05/2026

জিলহজ্জ মাসের শুরুর ১০ দিন বছরের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ ও বরকতময় দিন।
(সেইভ করুন এবং সবার সাথে শেয়ার করুন)

আমরা যারা রামাদানে সেভাবে ইবাদত করতে পারিনি, তাদের জন্য একটি সুবর্ণ সুযোগ এসেছে। জিলহজ মাসের চাঁদ দেখা গেছে বাংলাদেশের আ...
20/05/2026

আমরা যারা রামাদানে সেভাবে ইবাদত করতে পারিনি, তাদের জন্য একটি সুবর্ণ সুযোগ এসেছে। জিলহজ মাসের চাঁদ দেখা গেছে বাংলাদেশের আকাশে। এই মাসের প্রথম দশ দিনের মর্যাদা বছরের অন্যান্য দিনের চেয়ে অনেক অনেক বেশি।
প্রথমেই আমাদের জানতে হবে: জিলহজ হলো, আরবি চন্দ্রবছরের সর্বশেষ তথা ১২তম মাস। আর, এই মাসটির প্রথম ১০ দিনেই হজের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলো সম্পন্ন হয়। জিলহজের প্রথম দশক রামাদানের শেষ দশকের সাথে তুলনীয়। আসুন, এই দশ দিনের সুমহান মর্যাদা ও ফজিলতের ১০টি দিক সম্পর্কে জানি।
(১) এই দিনগুলোর আমল আল্লাহর নিকট সারা বছরের মধ্যে সবচেয়ে প্রিয় ও শ্রেষ্ঠ।
রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘‘আল্লাহ তা‘আলার নিকট জিলহজের (প্রথম) দশ দিনের আমলের চেয়ে অধিক মর্যাদাপূর্ণ ও প্রিয় অন্য কোনো আমল নেই।’’ সাহাবিগণ বললেন, ‘ইয়া রাসুলাল্লাহ! আল্লাহ রাস্তায় জিহাদও কি এর চেয়ে উত্তম নয়?’ তিনি বললেন, ‘‘না। আল্লাহর রাস্তায় জিহাদও নয়। তবে যে ব্যক্তি তার জান ও মাল নিয়ে (জিহাদে) ঝাঁপিয়ে পড়লো এবং এর কোনোটি নিয়েই আর ফিরে এলো না (অর্থাৎ, শহিদ হয়ে গেলো, তার কথা ভিন্ন)।’’ [ইমাম বুখারি, আস-সহিহ: ৯৬৯; ইমাম আবু দাউদ, আস-সুনান: ২৪৩৮]
এই ১০ দিনের ফরজ ইবাদত অন্যান্য মাসের ফরজ ইবাদতের তুলনায় অধিক মর্যাদার। এই ১০ দিনের নফল ইবাদত অন্যান্য মাসের নফল ইবাদতের চেয়ে শ্রেষ্ঠ। [ইমাম ইবনু রজব, ফাতহুল বারি: ৯/১৫]
(২) আল্লাহ তা‘আলা নিজে জিলহজ মাসের প্রথম দশ রাতের শপথ করেছেন।
আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ‘‘শপথ ভোর বেলার, শপথ দশ রাতের।’’ [সুরা ফাজর, আয়াত: ১-২]
সাহাবিগণের মধ্যে কুরআনের সর্বশ্রেষ্ঠ ব্যাখ্যাকার ইবনু আব্বাস (রা.), শীর্ষ তাবিয়িগণ ও মুফাসসিরগণের মতে, এখানে ‘দশ রাত’ দ্বারা জিলহজ মাসের প্রথম দশ রাতকেই বুঝানো হয়েছে। ইমাম ইবনু কাসির (রাহ.) বলেন, এটিই বিশুদ্ধ মত। [ইমাম ইবনু কাসির, তাফসিরুল কুরআনিল আযিম: ৪/৫৩৫-৫৩৬; শায়খ আলুসি, রুহুল মাআনি: ২০/৪২২]
(৩) এগুলো সেই ‘নির্দিষ্ট দিন’, যেগুলোতে বিশেষভাবে আল্লাহর নাম স্মরণ করা হয়।
আল্লাহ তা‌‘আলা বলেন, ‘‘যেন তারা নিজেদের কল্যাণের স্থানসমূহে উপস্থিত হতে পারে এবং তিনি তাদেরকে চতুষ্পদ জন্তু থেকে যে রিজিক দিয়েছেন, তার ওপর নির্দিষ্ট দিনসমূহে আল্লাহর নাম স্মরণ করতে পারে।’’ [সুরা হজ, আয়াত: ২৮]
ইবনু আব্বাস (রা.), ইবনু উমার (রা.), হাসান বাসরি, আত্বা, ইবরাহিম নাখাঈ এবং ফিকহের প্রধান ইমামগণ (রাহিমাহুমুল্লাহ্)-সহ অধিকাংশ মুফাসসির বলেন, এখানে ‘নির্দিষ্ট দিনসমূহ’ দ্বারা জিলহজ মাসের প্রথম দশ দিনই উদ্দেশ্য। [ইমাম ইবনু কাসির, তাফসিরুল কুরআনিল আযিম: ৩/২৮৯; ইমাম বাগাবি, শারহুস সুন্নাহ: ৫/৩৭৯]
(৪) এই দিনগুলোর মধ্যেই আছে ঈদ তথা কুরবানির দিন, যা আল্লাহর নিকট সর্বাধিক মর্যাদাপূর্ণ।
রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘‘আল্লাহর কাছে সর্বাধিক মর্যাদাপূর্ণ দিন হলো কুরবানির দিন, অতঃপর স্থিরতার দিন।’’ (অর্থাৎ কুরবানির পরবর্তী দিন, যেদিন হাজিগণ বিশ্রাম করেন) [ইমাম আবু দাউদ, আস-সুনান: ১৭৬৫; হাদিসটি সহিহ]
(৫) এই দিনগুলোতেই অন্যতম শ্রেষ্ঠ ইবাদত—হজের প্রধান কাজগুলো সম্পন্ন করা হয়।
আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ‘‘হজের মাসগুলো সুবিদিত/সুনির্ধারিত।’’ [সুরা বাকারাহ, আয়াত: ১৯৭]
(৬) এই দিনগুলোর মধ্যেই আরাফার সুমহান দিনটি রয়েছে, যে দিনটি অনন্য ও অসাধারণ।
রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘‘অন্যান্য দিনের তুলনায় আরাফার দিনে আল্লাহ তা‘আলা বান্দাকে সবচেয়ে বেশি জাহান্নাম থেকে মুক্তি দিয়ে থাকেন।’’ [ইমাম মুসলিম, আস-সহিহ: ৩১৭৯]
(৭) জিলহজ মাস সম্মানিত চার মাসের একটি।
আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ‘‘নিশ্চয়ই আল্লাহর নিকট সংরক্ষিত ফলকে (বছরে) মাসের সংখ্যা বারোটি—আসমানসমূহ ও পৃথিবী সৃষ্টির দিন থেকে। তার মধ্যে, চারটি (মাস) সম্মানিত।” [সুরা তাওবাহ, আয়াত: ৩৬]
এই চারটি মাস হলো: মুহাররাম, রজব, জিলকদ ও জিলহজ। [ইমাম বুখারি, আস-সহিহ: ৩১৯৭]
(৮) এই দিনগুলোর ইবাদতে লাভ অধিক।
রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘‘(জিলহজ মাসের প্রথম দশকে) এক দিনের রোজা অন্য সময়ের এক বছরের রোজার সমান এবং প্রতি রাতের ইবাদত লাইলাতুল কদরের ইবাদতের সমান (মর্যাদার)।’’ [ইমাম তিরমিযি, আস-সুনান: ৭৫৮; ইমাম ইবনু মাজাহ, আস-সুনান: ১৭২৮; হাদিসটি দুর্বল]
(৯) এই দিনগুলোতে সব মৌলিক ও গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত সম্পন্ন হয়।
জিলহজ মাসের প্রথম দশকের বিশেষ বৈশিষ্ট্যের তাৎপর্য হলো, এতে সকল মৌলিক ইবাদতের সন্নিবেশ ঘটে। যথা: নামাজ, রোজা, সাদাকাহ (কুরবানি), হজ ইত্যাদি। অন্যান্য সময়ে একসাথে এতগুলো ইবাদতের সন্নিবেশ ঘটে না। [ইমাম ইবনু হাজার, ফাতহুল বারি: ২/৪৬০]
(১০) সালাফে সালিহিন তথা পূর্বসূরি নেককার ব্যক্তিগণ এই দিনগুলোর বিশেষ কদর করতেন।
বিখ্যাত তাবিয়ি সাঈদ ইবনু জুবাইর (রাহ.)-এর অভ্যাস ছিলো, তিনি জিলহজ মাসের প্রথম দশকে ইবাদতের জন্য কঠোরভাবে সাধনা করতেন। [সুনান দারিমি; হাসান সনদ]
#আমলের_দশ_দিন (প্রথম পর্ব)
পরের পর্বে এই দশ দিনের আমলগুলো আলোচনা করা হবে এবং আরও কিছু পর্বে সিরিজটি সমাপ্ত হবে, ইনশাআল্লাহ।

''জিলহজ্জের আমল ডায়েরি'' বই থেকে—যিলহজ্জের প্রথম ১০ দিনের ২৪ ঘণ্টার একটি নমুনা রুটিন। অনেকেই ইনবক্সে বই থেকে ১০ দিনের আম...
19/05/2026

''জিলহজ্জের আমল ডায়েরি'' বই থেকে—যিলহজ্জের প্রথম ১০ দিনের ২৪ ঘণ্টার একটি নমুনা রুটিন। অনেকেই ইনবক্সে বই থেকে ১০ দিনের আমল চাচ্ছিলেন, তারা ইংশা-আল্লাহ এই র‍ুটিনটা ফলো করতে পারেন।©

এখান থেকে আমরা কিছু আমলের চেষ্টা করতে পারি আপুরা। এই ১০ দিন যেন আমাদের হেলায়ফেলায় না কাটে ইন শা আল্লাহ।

বছরের শ্রেষ্ঠ ১০ দিনে আমলের একটি তালিকা তৈরী করেছি নিজের জন্যে আপনাদের জন্যেও।▪️শুরুতেই বলে নেই হাদীস অনুযায়ী 'আল্লাহ তা...
19/05/2026

বছরের শ্রেষ্ঠ ১০ দিনে আমলের একটি তালিকা তৈরী করেছি নিজের জন্যে আপনাদের জন্যেও।

▪️শুরুতেই বলে নেই হাদীস অনুযায়ী 'আল্লাহ তা‘আলার নিকট জিলহজের (প্রথম) দশ দিনের আমলের চেয়ে অধিক মর্যাদাপূর্ণ ও প্রিয় অন্য কোনো আমল নেই।’ (সহিহ বুখারী)

এই ১০ দিনের ফরজ ইবাদত অন্যান্য মাসের ফরজ ইবাদতের তুলনায় অধিক মর্যাদার। এই ১০ দিনের নফল ইবাদত অন্যান্য মাসের নফল ইবাদতের চেয়ে শ্রেষ্ঠ। [ইমাম ইবনু রজব, ফাতহুল বারি: ৯/১৫] [Collected from Nusus]

▪️প্রথমেই এ ব্যাপারে সতর্ক করতে চাই যে, যদি অনলাইনে এক্টিভ থাকেন তাইলে এই তালিকা অনুযায়ী আমল করতে না পারার সম্ভাবনাই বেশি।
বিশেষ করে যাদের অন্যান্য দায়িত্ব বা সন্তান আছে তাদের জন্য জরুরী হলো এই দিনগুলায় অনলাইন থেকে বিরতি নিয়ে আমলের চেষ্টা করা।
টাচ মোবাইল ও ইন্টারনেট আমাদের আমল কমানোর পিছে সবচেয়ে বেশি দায়ী অধিকাংশ ক্ষেত্রেই। তাই অনুরোধ থাকবে হয় ফেসবুক ইউটিউব ইত্যাদি চালানো পুরো অফ করেন না হয় টাইম ফিক্সড করে অল্প সময় চালান।

🌱 পুরোটা একবার অন্তত পড়ে নিজের অবস্থা সুযোগ অনুযায়ী করনীয় আমলের একটি তালিকা লিখার অনুরোধ থাকবে। যদি গুরুত্ব দিয়ে আমল করার চেষ্টা করতে পারি তাইলে ইনশাআল্লাহ পারব।

▪️প্রতিদিন সকালে এই নিয়ত করার চেষ্টা করবেন যে, 'হে আল্লাহ! আজকে যত ভালো কাজ করব যত ভালো আমল করব সবটা আপনার সন্তুষ্টির জন্য করতে চাই। প্রতিটা ভালো কাজ সাওয়াবের আশায় করতে চাই। আপনি তাওফীক্ক দান করুন।
কবুল করে নিন।

প্রতিটা বৈধ কাজের শুরুতে বিসমিল্লাহ পড়বেন এবং নিজ নিজ দায়িত্বে থাকা প্রতিটা কাজেই ভালো নিয়ত করে সাওয়াবের আশায় করার চেষ্টা করবেন।

▪️৫ ওয়াক্ত ফরজ নামাজ যত্নসহকারে ধীরেসুস্থে আওয়াল ওয়াক্তে বা অন্তত মাকরুহ ওয়াক্তের আগেই আদায় করবেন।
নামাজে মন বসুক না বসুক মোটেও তাড়াহুড়ো করে পড়বেন না। প্রতিটা সূরা তাসবিহ শুদ্ধভাবে খেয়াল করে উচ্চারণের চেষ্টা করতে হবে।
নামাজে কি কি পড়ছেন সেটাই শুধু খেয়াল করবেন।

▪️গুনাহ থেকে বেঁচে থাকা অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। ফরজ আদায় সবচেয়ে বড় আমল।
নিজের আচার ব্যবহার উত্তম করা এবং গীবত, বাজে কথা, ঝগড়াঝাটি থেকে বিরত থাকার চেষ্টা অনেক জরুরী।
গুনাহ থেকে বাঁচা ও ফরজ নামাজ যত্নসহকারে মন দিয়ে আদায়ের চেষ্টা সবচেয়ে বেশি করুন প্লিজ। আর কিছু করতে পারেন বা না পারেন।
কোনভাবেই ইচ্ছাকৃত নামাজ ছুটে যেন না যায় সেই চেষ্টা জরুরী।

▪️জিলহজ্জ মাসের প্রথম ৯ দিন রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রোজা রাখতেন।
যে যতদিন পারেন রোজা রাখতে পারেন। বিশেষ করে আরাফার রোজার ফজিলত পেতে ৯ জিলহজ্জ এর রোজা সবাই রাখবেন।
আমাদের দেশে ৯ জিলহজ্জ ২৭ মে তাই সেদিন সুযোগ থাকলে অবশ্য ই রোজা রাখার অনুরোধ থাকবে। যদি সৌদির আরাফার দিনেও রোজা রাখেন তাইলে নফল রোজার নিয়তে রাখবেন।
এ ব্যাপারে আলিমদের মাঝে মতভেদ আছে বটে তবে আমাদের আলিমদের মতানুযায়ী ই লিখেছি

▪️কুরআন পড়ার ক্ষেত্রে আমি টার্গেট দিচ্ছি ১৫ পারা। যাদের সময় সুযোগ কম তাদের জন্য ১০ পারা। এক্ষেত্রে আজ জিলহজ্জ মাসের প্রথম দিন ১৯ মে থেকে শুরু করে ঈদের দিন মাগরীবের আগেই পড়ে শেষ করবেন।
যাদের ই সুস্থতা ও নামাজ পড়ার মত অবস্থা আছে তাদের এই ১০ দিনে কুরআন পড়ার একটা টার্গেট নেয়ার খুব খুব অনুরোধ থাকবে।
যে যার সময় সুযোগ অনুযায়ী পারা নির্ধারণ করে পাক্কা নিয়ত করে পড়া শেষ করার চেষ্টা করবেন।
একদিন পড়া কম হলেও আরেকদিন বেশি পড়ে নিলেই পারবেন ইনশাআল্লাহ।

গুরুত্ব দিয়ে কুরআন পড়ার নির্দিষ্ট টার্গেট নিলে কি হয় জানেন?
আর কোন নফল আমল হোক না হোক কুরআন পড়া হয় এবং কুরআন এর এক হরফের জন্য ১০ নেকি ফলে অনেক অনেক সাওয়াব পাবেন ইনশাআল্লাহ এবং কুরআন তিলাওয়াত অন্যতম জিকির তো বটেই।
এছাড়া কুরআন পড়ার প্রভাব সুকুন দিলে টের পাবেন ই ইনশাআল্লাহ।

ব্যস্ততা বা এভাবে পড়া হবেইনা মনে হলে
অন্তত প্রতিদিন সকালে সূরা ইয়াসীন
ও রাতে সূরা মুলক পড়ার চেষ্টা করবেন।

[বোনেরা অনুগ্রহ করে পিরিয়ড/নেফাসের টাইমে কুরআন পড়বেন না। অধিকাংশ আলেম সাহাবী তাবেয়ী তথা সালাফদের মতে দলীল প্রমানের ভিত্তিতেই পড়া যাবেনা এটা অধিক গ্রহণযোগ্য মত। এই সময় গুলায় দুয়া ও বেশি বেশি জিকির করা দরুদ পড়ার টার্গেট রাখুন]

🌱 কুরআন পড়া বাদে আমি একদম সহজ কিছু আমলের কথাই বলব যেগুলো করতে বেশি সময় লাগেনা কিন্তু অনেক ফজিলত সাওয়াবের আমল। যতটুকু পারেন করবেন প্লিজ।

▪️জেগে থাকলে ফজরের ওয়াক্ত শেষ হবার পর নিষিদ্ধ টাইম পার হলে দুই রাকাত ইশরাকের নামাজ পড়বেন। যদি ঘুমিয়ে যান তাইলে সকালে যোহরের আগের নিষিদ্ধ টাইমের আগেই উঠলে দুই বা চার রাকাত চাশতের নামাজ পড়ার চেষ্টা করবেন।

▪️প্রতিদিন অজুর সময় মিসওয়াক করা এবং ঘুম হতে উঠেও করার চেষ্টা করবেন

মিসওয়াক একটা গুরুত্বপূর্ণ সুন্নত
এবং আল্লাহকে সন্তুষ্ট করার মত আমল।
এর ফায়দা ফজিলত অনেক।
যদি ভুলেও যান বা ব্যস্ততায় না হয় তবু প্রতিদিন একবার হলেও করার চেষ্টা করবেন।
মিসওয়াক ভিজিয়ে রাখবেন না।
করা হলে ঘরে এনে রাখবেন যাতে শুকিয়ে যায়। আর মিসওয়াকের নিয়ম ইন্টারনেটে সার্চ দিয়ে দেখে নিতে পারেন আগেই।

▪️প্রতি ফরজ নামাজের পর পড়বেন

১০ বার سُبْحَانَ اللهِ
১০ বার اَلْحَمْدُ لِـلّٰـه
১০ বার اَللهُ أَكْبَرُ

(এটাও হাদীসে আছে এবং ৩৩ বার করে পড়ার আমল যারা করেন সেটাও হাদীসে বর্নিত)

▪️ সকাল সন্ধ্যায় ৩ বার সূরা ইখলাস, সূরা ফালাক, সূরা নাস পড়া।
(সকাল সন্ধ্যার অন্যান্য মাসনুন আমল হেফাজতের দুয়া যা আগে পড়তেন সেসব তো পড়বেন ই। সবকিছু লিখছিনা আমি)

▪️সকালে ফজরের পর বা তখন ভুলে গেলে দিনেই ৩ বার পড়বেন-

سُبْحَانَ اللّٰهِ وَبِحَمْدِهِ عَدَدَ خَلْقِهِ، وَرِضَا نَفْسِهِ، وَزِنَةَ عَرْشِهِ، وَمِدَادَ كَلِمَاتِهِ
উচ্চারণ : ছুবহানাল্ল-হি ওয়া বিহামদিহি
আদাদা খলক্কিহি ওয়া রিদ্ব- নাফছিহি ওয়া যিনাতা আরশিহি ওয়া মিদা-দা কালিমাত্বিহ।

সারা সকাল যিকিরের সাওয়াব পাওয়া যাবে ইনশাআল্লাহ ৩ বার পড়াতেই ভাবা যায়?
এত সহজে এত বেশি সাওয়াবের আমল নিয়মিত করার চেষ্টা করবেন অবশ্য ই।

▪️সকালে ও সন্ধ্যায় ১০ বার পড়বেন-

لا إِلٰهَ إِلاَّ اللَّهُ وَحْدَهُ لاَ شَرِيكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ، وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ
(লা ইলা-হা ইল্লাল্ল-হু ওয়াহদাহু লা শারিইকা লাহু, লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হামদু ওয়া হুয়া আলা কুল্লি শাইইং ক্বদিইর)

(ফজরের নামাজের সালাম ফিরানোর পরেই ঘাড় ঘুরানো ও কথাবার্তা বলার আগেই ১০ বার পড়বেন)

[যার সময় সুযোগ আছে দিনে ১০০ বার পড়ার অনুরোধ থাকবে। এটা অনেক অনেক বেশি সাওয়াবের আমল]

▪️সকাল এবং সন্ধ্যায় ১০০ বার পড়বেন-
سُبْحَانَ اللّهِ وَ بِحَمْدِهِ
(ছুবহানাল্ল-হি ওয়া বিহামদিহী)

[এটা সারাবছর ই মনে করে আমল করবেন অবশ্য ই। হাতেগুণে পড়লে অতি সহজ কিন্তু অনেক বেশি সাওয়াবের আমল তাই কখনোই বাদ দিবেন না।]

▪️সকালে এবং সন্ধ্যায় ১০০ বার করে পড়বেন বা একবার হলেও পড়বেন।

১০০ বার سُبْحَانَ اللهِ পড়া।
১০০ বার الْحَمْدُ لِـلّٰـهِ পড়া
১০০ বার اللهُ أَكْبَرُ পড়া।
১০০ বার لَا إِلٰهَ إِلَّا الله পড়া।

যদি হাতেগুনে পড়া হয় তাইলে দিনে অন্তত একবার এগুলা পড়তে মোটেও অত টাইম লাগেনা কিন্তু গুরুত্ব দিয়ে সময়কে কাজে না লাগানোর জন্যেই আমাদের পড়া হয়না।

[জিলহজ্জের প্রথম দশকে এই তাসবিহ গুলো বেশি বেশি পড়ার ব্যাপারে হাদীস আছে তাই গুরুত্ব দিয়ে পড়ার অনুরোধ থাকবে]

▪️রাতে সুরা মুলক পড়া।
কারো সুযোগ থাকলে সূরা সাজদাও পড়তে পারেন সাথে। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এই দুই সূরা না পড়ে ঘুমাতেন না।

▪️ঘুমের আগে তাসবীহে ফাতেমি পড়া অর্থাৎ ৩৩ বার سُبْحَانَ اللهِ
৩৩ বার اَلْحَمْدُ لِـلّٰـه
৩৪ বার اَللهُ أَكْبَرُ
(নামাজের পর ১০ বার করে আর ঘুমের আগে এভাবে পড়াটা অনেক ফায়দা ও সাওয়াবের আমল তাই সব সময় ই গুরুত্ব দিবেন প্লিজ)

▪️তাকবীরে তাশরীক পড়া

اَللهُ أَكْبَرْ اَللهُ أَكْبَرْ . لَاۤ اِلٰهَ اِلَّا اللهُ . وَللهُ أَكْبَرْ اَللهُ أَكْبَرْ. وَ لِلّٰهِ الْحَمْدُ

(আল্ল-হু আকবার, আল্ল-হু আকবার,
লা ইলাহা ইল্লাল্ল-হু, ওয়াল্ল-হু আকবার আল্ল-হু আকবার ওয়া লিল্লাহিল হামদ)

🌱 জিলহজ্জ মাসের ৯ তারিখ অর্থাৎ বাংলাদেশে ২৭ মে ফজর থেকে ১৩ তারিখ (৩১ মে) আসর পর্যন্ত প্রতি নামাজের পর একবার তাকবীরে তাশরীক পাঠ করা ওয়াজিব।
নারী পুরুষ সবার জন্যেই তবে পুরুষ উচ্চ আওয়াজে বলবে নারীরা আস্তেই পড়বে।

🔹 যে সব দুয়া জিকিরের আরবি এবং
উচ্চারণ লিখা এগুলো মূলত আরবিতে শুদ্ধ উচ্চারণ জেনেই পড়তে হবে।
বাংলায় উচ্চারণ পুরো সঠিক হয়না।
আর এই তালিকায় উল্লেখিত প্রতিটা জিকির তাসবীহের সংখ্যা হাদীস থেকেই জানিয়েছি।

▪️কাজের মাঝে যা যা পড়তে পারেন -

-বারবার তাকবীরে তাশরীক বা তাকবীর অর্থাৎ আল্ল-হু আকবার পড়তে পারেন।
-তিনবার সূরা ইখলাস পড়তে পারেন
(যাদের নামাজ আছে তারা পড়বেন)
-কাজ করার সময় দরুদ পড়তে পারেন। এতে ইনশাআল্লাহ কাজ ও সহজ হবে।
- ঘরে চলতে ফিরতে এবং রাস্তাঘাটে টানা আস্তাগফিরুল্ল-হ বা তাকবীর
পড়তে পারেন।

▪️শেষে দুয়ার ব্যাপারে বলি।

এইসব দিনে দুয়ায় আল্লাহর কাছে নিজের প্র‍য়োজন ছাড়া ও সুস্থতা, নিরাপত্তা, শান্তি, ক্ষমা এবং পূর্ন হেদায়াত বেশি বেশি চাইবেন।
দুনিয়া আখেরাতের কল্যান চাইবেন।
নিজের ও আপনজনদের হেদায়াত প্রাপ্তি তাতে আজীবন অটল থাকা এবং ঈমানের সাথে ইজ্জতের সাথে উত্তম সহজ শহীদি মৃত্যু চাইবেন।
বারবার আল্লাহর কাছে খুব করে মাফ চাইবেন। আকুলতা নিয়ে গুনাহ থেকে হেফাজত ও ভালো হবার জন্য সাহায্য তাওফিক চাইবেন।
এবং বিশেষভাবে আল্লাহ ও তাঁর কালাম কুরআনের প্রতি আল্লাহ যেন অনেক মুহাব্বত বাড়িয়ে দেন ও মজবুত সম্পর্ক জুড়ে দেন এই দুয়া কইরেন প্লিজ।

-Jumana puspo
[একজন মুসলিম নারী]

▪️ কপি/ শেয়ার করতে পারেন।

বছরের শ্রেষ্ঠ দশ দিন (জিলহজ মাসের প্রথম দশ দিন)-এর গুরুত্বপূর্ণ আমলগুলো:▬▬▬▬▬▬▬◾▬▬▬▬▬▬▬(১) জিলহজের প্রথম ৯ দিন রোজা রাখা...
19/05/2026

বছরের শ্রেষ্ঠ দশ দিন (জিলহজ মাসের প্রথম দশ দিন)-এর গুরুত্বপূর্ণ আমলগুলো:
▬▬▬▬▬▬▬◾▬▬▬▬▬▬▬
(১) জিলহজের প্রথম ৯ দিন রোজা রাখা; বিশেষত আরাফার দিনের রোজা গুরুত্বপূর্ণ।
হাফসা (রা.) বর্ণনা করেন, রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জিলহজ মাসের ৯ দিন, আশুরার দিন এবং প্রতি মাসের তিন দিন রোজা রাখতেন। [ইমাম নাসায়ি, আস-সুনান: ২৪১৭; হাদিসটি সহিহ]
এক হাদিসে নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘‘আরাফার দিনের রোজার বিষয়ে আমি আল্লাহর নিকট আশা করি যে, তিনি এর দ্বারা বিগত বছর এবং আগামী এক বছরের গুনাহ মাফ করে দেবেন।’’ [ইমাম মুসলিম, আস-সহিহ: ২৬৩৬]
(আরাফার দিনের আমল নিয়ে অন্য পোস্টে বিস্তারিত আলোচনা করা হবে, ইনশাআল্লাহ)
(২) সামর্থ্যবান হলে কুরবানি করা:
রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘‘যে ব্যক্তি সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও কুরবানি করলো না, সে যেন আমাদের ঈদগাহের কাছেও না আসে।’’ [ইমাম ইবনু মাজাহ, আস-সুনান: ৩১২৩; হাদিসটি হাসান]
(৩) এই দশ দিন নখ ও চুল না কাটা:
নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘‘তোমাদের কেউ জিলহজ মাসের চাঁদ দেখলে এবং কুরবানি করার ইচ্ছা করলে, সে যেন তার চুল ও নখ কাটা থেকে বিরত থাকে।’’ [ইমাম মুসলিম, আস-সহিহ: ৫০১৩]
আরেকটি বর্ণনায় এসেছে, শরীরের কোনো ত্বক বা চামড়াও যেন স্পর্শ না করে; অর্থাৎ না উঠায় বা না ছিঁড়ে (হোক সেটি ফাটা বা মরা)। [ইমাম মুসলিম, আস-সহিহ: ৫০১১]
সুতরাং, হাদিস থেকে জানা গেলো, জিলহজ মাস শুরু হয়ে গেলে কুরবানিদাতা ১০ তারিখের আগে চুল, নখ, পশম কাটবেন না; এমনকি ত্বকও না। কুরবানিদাতার ক্ষেত্রে এগুলো না কাটার এই হুকুমকে কোনো কোনো আলিম ‘ওয়াজিব’ (আবশ্যক) বলেছেন, আবার অনেকে ‘মুস্তাহাব’ (উত্তম) বলেছেন। তবে, অন্য হাদিস থেকে বোঝা যায়, যারা কুরবানি দেবে না, তারাও এই দিনগুলোতে এই নিয়ম মেনে চললে বিশেষ লাভবান হবেন।
রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘‘আমি কুরবানির দিন সম্পর্কে আদিষ্ট হয়েছি। আল্লাহ তা‘আলা তা এই উম্মতের জন্য ঈদ হিসেবে নির্ধারণ করেছেন।’’ এক ব্যক্তি বললো, ‘ইয়া রাসুলাল্লাহ্! যদি আমার কাছে শুধু একটি মানিহা থাকে (অর্থাৎ, অন্যের থেকে নেওয়া দুগ্ধ দানকারী একটি উটনী থাকে—তবুও কি কুরবানি দিতে হবে?)’ নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, ‘‘না; বরং সেদিন (অর্থাৎ, ঈদের দিন) তুমি তোমার চুল কাটবে, নখ কাটবে, গোঁফ ও নাভীর নিচের পশম পরিষ্কার করবে। এটাই আল্লাহ তা’আলার কাছে তোমার পূর্ণ কুরবানি বলে গন্য হবে।’’ [ইমাম আহমাদ, আল-মুসনাদ: ৬৫৭৫; ইমাম আবু দাউদ, আস-সুনান: ২৭৮৯; ইমাম হাকিম, ইবনু হিব্বান, মুনযিরি, তাবারানি, যাহাবি, শুয়াইব আরনাউত্ব (রাহিমাহুমুল্লাহ্)-সহ মুহাদ্দিসগণ হাদিসটির সনদ হাসান (গ্রহণযোগ্য) বলেছেন]
এই হাদিসে ঈদের দিনে নখ ও চুল কাটতে বলা হয়েছে। অর্থাৎ, প্রথম ৯ দিনে না কেটে একেবারে ঈদের দিনে কাটলে আল্লাহর নিকট পূর্ণ কুরবানির নেকি পাওয়া যাবে ইনশাআল্লাহ। সুতরাং, আমাদের মধ্যে যারা কুরবানি দেবো আর যারা দেবো না, সবাই জিলহজ মাসের চাঁদ দেখার আগেই নখ ও চুল কেটে নেবো। এরপর এই ৯ দিন নখ ও চুল না কেটে আরেকবার ঈদের দিন পশু জবাইয়ের পরে কোনো একসময় কাটবো, ইনশাআল্লাহ। ধরুন, দুপুরের পর হতে পারে।
(৪) চার ধরনের যিকিরে লেগে থাকা:
রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘‘আল্লাহ তা‘আলার নিকট জিলহজের দশ দিনের আমলের চেয়ে মহান এবং প্রিয় অন্য কোনো দিনের আমল নেই। সুতরাং, তোমরা সেই দিনগুলোতে অধিক পরিমাণে তাসবিহ (সুবহানাল্লাহ), তাহমিদ (আলহামদুলিল্লাহ), তাহলিল (লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ্) ও তাকবির (আল্লাহু আকবার) পড়ো।’’ [ইমাম আহমাদ, আল-মুসনাদ: ৫৪৪৬; হাদিসটির সনদ সহিহ]
(৫) বিশেষ করে বেশি বেশি তাকবির তথা আল্লাহর বড়ত্ব ঘোষণা করা উচিত।
সাধারণভাবে এই দশ দিন সংক্ষেপে ‘আল্লাহু আকবার’ বেশি বেশি পড়ুন। সাথে, নিচের বাক্যগুলোও সাধ্যানুসারে পড়ুন।
اَللّٰهُ أَكْبَرْ اَللّٰهُ أَكْبَرْ لَا إِلٰهَ إِلَّا اللّٰهُ وَاللّٰهُ أَكْبَرْ اَللّٰهُ أَكْبَرْ وَلِلّٰهِ الْحَمْد
আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার; লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার; ওয়া লিল্লাহিল হামদ।
(আল্লাহ সর্বশ্রেষ্ঠ; আল্লাহ সর্বশ্রেষ্ঠ; আল্লাহ ছাড়া কোনও উপাস্য নেই। আল্লাহই সর্বশ্রেষ্ঠ; আল্লাহই সর্বশ্রেষ্ঠ; আর আল্লাহর জন্যই সকল প্রশংসা)
এটি প্রখ্যাত সাহাবি ইবনু মাস‘উদ (রা.) ও অন্যান্য পূর্বসূরিদের থেকে প্রমাণিত। [ইমাম দারা কুতনি, আস-সুনান: ১৭৫৬; শায়খ আলবানি, ইরওয়াউল গালিল: ৬৫৪; হাদিসটির সনদ সহিহ]
উল্লেখ্য, আরাফার দিন অর্থাৎ জিলহজের ৯ তারিখ ফজর থেকে শুরু করে ১৩ তারিখ আসর পর্যন্ত প্রত্যেক ফরজ নামাজের পর একাকী বা জামাতে নামাজ আদায়কারী, নারী অথবা পুরুষ—প্রত্যেকের জন্য একবার তাকবিরে তাশরিক (উপরে বর্ণিত তাকবিরটি) পাঠ করা ওয়াজিব। পুরুষরা উচ্চ আওয়াজে বলবে, আর নারীরা নিচু আওয়াজে। [ইমাম ইবনু তাইমিয়্যাহ, মাজমু‘উ ফাতাওয়া: ২৪/২২০; ইমাম ইবনুল কায়্যিম, যাদুল মা‘আদ: ২/৩৬০; ইমাম ইবনু আবিদিন, রাদ্দুল মুহতার: ৩/৬১]
(৬) চারটি সম্মানিত মাসের একটি হলো জিলহজ; তাই এই মাসের সম্মানে যথাসম্ভব সকল গুনাহ থেকে বেঁচে থাকা উচিত।
আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ‘‘নিশ্চয়ই আল্লাহর নিকট সংরক্ষিত ফলকে (বছরে) মাসের সংখ্যা বারোটি—আসমানসমূহ ও পৃথিবী সৃষ্টির দিন থেকে। তার মধ্যে চারটি (মাস) সম্মানিত। এটিই সুপ্রতিষ্ঠিত বিধান; সুতরাং এর মধ্যে তোমরা (গুনাহ করার মাধ্যমে) নিজেদের প্রতি অত্যাচার করো না।” [সুরা তাওবাহ, আয়াত: ৩৬]
(৭) এই দিনগুলো বছরের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ, তাই এই দিনগুলোতে অধিক পরিমাণে নেক আমলে লেগে থাকা উচিত।
রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘‘আল্লাহ তা‘আলার নিকট জিলহজের (প্রথম) দশ দিনের আমলের চেয়ে অধিক মর্যাদাপূর্ণ ও প্রিয় অন্য কোনো আমল নেই।’’ সাহাবিগণ বললেন, ‘ইয়া রাসুলাল্লাহ! আল্লাহ রাস্তায় জিহাদও কি এর চেয়ে উত্তম নয়?’ তিনি বললেন, ‘‘না। আল্লাহর রাস্তায় জিহাদও নয়। তবে যে ব্যক্তি তার জান ও মাল নিয়ে (জিহাদে) ঝাঁপিয়ে পড়লো এবং এর কোনোটি নিয়েই আর ফিরে এলো না (অর্থাৎ, শহিদ হয়ে গেলো, তার কথা ভিন্ন)।’’ [ইমাম বুখারি, আস-সহিহ: ৯৬৯; ইমাম আবু দাউদ, আস-সুনান: ২৪৩৮]
এই দশদিনের ফরজ ইবাদত অন্যান্য মাসের ফরজ ইবাদতের তুলনায় অধিক মর্যাদার। এই দশদিনের নফল ইবাদত অন্যান্য মাসের নফল ইবাদতের চেয়ে শ্রেষ্ঠ। [ইমাম ইবনু রজব, ফাতহুল বারি: ৯/১৫]
আমরা কী কী আমল আমরা করতে পারি?
(এখন যে আমলগুলোর কথা বলা হবে, সেগুলো বছরের যেকোনো সময়ের জন্য। বিশেষভাবে জিলহজ মাসের এই দিনগুলোর জন্য নির্ধারিত নয়। তবে, জিলহজেও এগুলো করতে পারি।)
❖ বেশি বেশি ইস্তিগফার পাঠ করা:
কুরআন কারিমে এসেছে, ‘‘(নুহ আ. বললেন) অতঃপর আমি বললাম, তোমরা তোমাদের রবের নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করো। তিনি অত্যন্ত ক্ষমাশীল। তিনি তোমাদের উপর মুষলধারে বৃষ্টি দেবেন, তোমাদের ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্ততি বাড়িয়ে দিবেন, তোমাদের জন্য বাগ-বাগিচা স্থাপন করবেন এবং তোমাদের জন্য নদী-নালা প্রবাহিত করবেন।’’ [সুরা নুহ, আয়াত: ১০–১২]
❖ আন্তরিকভাবে তাওবাহ করা:
আল্লাহ্ বলেন, ‘‘অবশ্যই আল্লাহ তাদের তাওবাহ কবুল করবেন, যারা ভুলবশত মন্দ কাজ করে, অতঃপর দেরি না করেই (দ্রুত) তাওবাহ করে। এরাই হলো সেসব লোক, যাদেরকে আল্লাহ ক্ষমা করে দেন।’’ [সুরা নিসা, আয়াত: ১৭]
❖ অধিক পরিমাণে দরুদ পাঠ করা:
নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘‘যে ব্যক্তি আমার প্রতি একবার দরুদ পাঠ করবে, আল্লাহ তার প্রতি ১০ বার রহমত বর্ষণ করবেন, ১০ টি গুনাহ মোচন করবেন এবং তার জন্য ১০ টি স্তর উন্নীত করবেন।’’ [ইমাম নাসায়ি, আস-সুনান: ১২৯৭; ইমাম ইবনু হিব্বান, আস-সহিহ: ৯০৪; হাদিসটি সহিহ]
❖ সাধ্যানুযায়ী দান-সদাকাহ করা:
নবি করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, “প্রত্যেক ব্যক্তি (হাশরের মাঠে) তার সদাকার ছায়াতলে থাকবে, যতক্ষণ পর্যন্ত লোকদের মাঝে ফয়সালা শেষ না হবে।” [ইমাম আহমাদ, আল-মুসনাদ: ১৭৩৩৩; শায়খ আলবানি, সহিহুত তারগিব: ৮৭২; হাদিসটি সহিহ]
❖ কুরআন তিলাওয়াত করা:
আবু উমামা (রা.) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি, “তোমরা কুরআন তিলাওয়াত করো, কারণ কুরআন কিয়ামতের দিন তার সাথীর (তিলাওয়াতকারীর) জন্য সুপারিশ করবে।” [ইমাম মুসলিম, আস-সহিহ: ১৭৫৯]
◈ সুরা ইখলাস বেশি করে পড়া:
নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘‘সেই সত্তার শপথ, যাঁর হাতে আমার প্রাণ! নিঃসন্দেহে এটি (সুরা ইখলাস) কুরআনের এক-তৃতীয়াংশের সমান।’’ [ইমাম বুখারি, আস-সহিহ: ৫০১৩]
এছাড়াও আমরা আরও যা করতে পারি:
➤ সামর্থ্য থাকলে হজ ও উমরা আদায় করা;
➤ বেশি বেশি দু‘আ করা;
➤ মা-বাবার যথাসাধ্য খেদমত করা;
➤ শেষ রাতে তাহাজ্জুদ আদায় করা;
➤ অসুস্থ ব্যক্তির সেবা-সুশ্রূষা করা;
➤ মানুষের অভাব ও প্রয়োজন মেটানো;
➤ সকাল-সন্ধ্যা ও ঘুমের আগের আমলগুলো গুরুত্বের সাথে আদায় করা।
আমলের_দশ_দিন
লেখা : Nusus

#সীরাহ

একটা বিষয় নিয়ে এত বেশি দুশ্চিন্তাগ্রস্ত ছিলাম যে আল্লাহর কাছে দুআই করতে পারছিলাম না। ভয়ে হাত-পা জমে যাচ্ছিলো। কী রেখে কী...
19/05/2026

একটা বিষয় নিয়ে এত বেশি দুশ্চিন্তাগ্রস্ত ছিলাম যে আল্লাহর কাছে দুআই করতে পারছিলাম না। ভয়ে হাত-পা জমে যাচ্ছিলো। কী রেখে কী যে বলবো আল্লাহকে, কোনটা চাইবো, কীভাবে এক্সপ্লেইন করবো বুঝতেই পারছিলাম না। ঠিক এমন অসহায় অবস্থায় দুরুদের কথা মনে হলো। দুরুদ পড়া শুরু করলাম। কখনো ছোট দুরুদ আবার কখনো দুরুদে ইবরাহীম।

সুবহানআল্লাহ! ৩-৪ দিনের মধ্যে আমার পেরেশানি দূর হয়ে গেলো। যে জিনিসটা পাওয়ার জন্য কোনো রাস্তাই খুঁজে পাচ্ছিলাম না সেটার পথ ও আল্লাহ বের করে দিলেন আলহামদুলিল্লাহ আলহামদুলিল্লাহ।

এই কয়দিন আমার মাথায় শুধু এই হাদিসটাই ঘুরতেছিল,

"উবাই (রাঃ) বলেন, আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম। আমি তো খুব অধিক হারে আপনার প্রতি দরূদ পাঠ করি। আপনার প্রতি দরূদ পাঠের জন্য আমি আমার সময়ের কতটুকু খরচ করবো? তিনি বললেন, তুমি যতক্ষণ ইচ্ছা কর। আমি বললাম, এক-চতুর্থাংশ সময়? তিনি বললেন, তুমি যতটুকু ইচ্ছা কর, তবে এর চেয়ে অধিক পরিমাণে পাঠ করতে পারলে এতে তোমারই মঙ্গল হবে। আমি বললাম, তাহলে আমি কি অর্ধেক সময় দরূদ পাঠ করবো? তিনি বললেন, তুমি যতক্ষণ চাও, যদি এর চেয়েও বাড়াতে পারো সেটা তোমার জন্যই কল্যাণকর।

আমি বললাম, তাহলে দুই-তৃতীয়াংশ সময় দরূদ পাঠ করবো? তিনি বললেন, তুমি যতক্ষণ ইচ্ছা কর, তবে এর চেয়েও বাড়াতে পারলে তোমারই ভাল। আমি বললাম, তাহলে আমার পুরো সময়টাই আপনার উপর দরূদ পাঠে কাটিয়ে দিব? তিনি বললেনঃ তাহলে তোমার চিন্তা ও কষ্টের জন্য তা যথেষ্ট হবে এবং তোমার পাপসমূহ ক্ষমা করা হবে।"
(তিরমিযী হা/২৪৫৭)

একজন বোনের গল্প
#সংগৃহীত

Address

Chittagong

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ইসলাম - The Sign of Peace posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share